Civil Talk

Appeler Itinéraire Site Web Contacter l'entreprise

Civil Talk Civil Talk tv is an online news portal. It is concerned with following up on the event, presenting the latest news that you won't find in the mainstream media.

18/08/2026

# # # দুবাইয়ে ১ হাজার বাংলাদেশি ট্যাক্সিচালক নিয়োগ, সাক্ষাৎকার ২৯-৩০ আগস্ট

বাংলাদেশ থেকে ১ হাজার ট্যাক্সিচালক নিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের একটি ট্যাক্সি কোম্পানি। এ জন্য আগামী ২৯ ও ৩০ আগস্ট রাজধানীর বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে সরাসরি সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সি আল আনাস ওভারসিজ (আরএল-২৭৩৫) নিয়োগ কার্যক্রমের স্থানীয় আয়োজন ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে। প্রার্থীদের সরাসরি সাক্ষাৎকার ও বাছাই করতে দুবাইয়ের ওই কোম্পানির একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে আসবে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ মে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানির প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ থেকে চালক নিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করে।

প্রতিনিধিদলটি জানায়, বর্তমানে বিশ্বের ২৭টি দেশ থেকে প্রায় ১৫ হাজার কর্মী তাদের প্রতিষ্ঠানে ট্যাক্সি ও লিমোজিন চালক হিসেবে কর্মরত। এর মধ্যে প্রায় ৮ হাজারই বাংলাদেশি। বাংলাদেশি কর্মীদের পরিশ্রমী উল্লেখ করে তাদের অগ্রাধিকার দিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয় বলেও জানায় প্রতিনিধিদলটি।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রার্থীদের কমপক্ষে এসএসসি পাস এবং বয়স ২৩ থেকে ৪৯ বছরের মধ্যে হতে হবে। চাকরির মেয়াদ দুই বছর, যা নবায়নযোগ্য। নির্বাচিত কর্মীরা কোম্পানির নীতিমালা অনুযায়ী কমিশনভিত্তিক আয় করার সুযোগ পাবেন।

নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ড্রাইভিং লাইসেন্স, মেডিকেল ও এমিরেটস আইডি-সংক্রান্ত ব্যয় কোম্পানি বহন করবে। কর্মীদের আবাসনের ব্যবস্থাও করবে প্রতিষ্ঠানটি। তবে গাড়ি পাওয়ার তিন মাস পর এ বাবদ নির্ধারিত অর্থ প্রতি মাসে বেতন থেকে কেটে নেওয়া হবে।

অন্যান্য শর্ত ও সুযোগ-সুবিধা সংযুক্ত আরব আমিরাতের শ্রম আইন এবং নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।

সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের সঙ্গে **মূল পাসপোর্ট, পাসপোর্টের রঙিন ফটোকপি, সাদা পটভূমির পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও এর রঙিন ফটোকপি, জীবনবৃত্তান্ত এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের রঙিন ফটোকপি** আনতে বলা হয়েছে।

05/08/2026

আহনাফ তাহমিদ অর্জন

গতকাল বিদ্যুৎ বিভাগের আমলারা এদেশের সাধারণ মানুষকে হুমকি দিয়েছে। ঠিক একইভাবে সচিবালয় থেকে শুরু সব মন্ত্রণালয় একটার পর একটা ব্লান্ডার করে সরকারকে বিপদে ফেলতেছে।

স্বয়ং মির্জা ফখরুল স্যার আমলা আর সচিবদের দূর্নীতে নিয়ে তটস্থ।

প্রধানমন্ত্রী আমলাদের গাড়ি, বিদেশ সফরে ব্যয় কমানোর কথা বললে উল্টো প্রধানমন্ত্রীকেই এই দূর্নীতিবাজ খাইখাই আমলারা চাপ দিয়ে এই আদেশ প্রত্যাহার করিয়েছে।

কত বড় দু:সাহস!

এই সচিব আর আমলাদের প্যাকেট করে দিতে হবে। এখন অনেকেই বলেন একসাথে প্রশাসনে হাত দিলে আমলা বিদ্রোহ হবে। সরকার বিপদে পড়বে।

এক্ষেত্রে তারেক রহমান সরাসরি শি জিনপিংকে অনুসরণ করতে পারেন।

আজকে চীন যে সারাবিশ্বে সুপার পাওয়ার হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে তার পেছনে শি জিনপিং এর আমলা এবং আর্মি জেনারেলদের টাইট দেয়ার পলিসি সবচেয়ে বেশি ইফেক্টিভ ছিলো।

একটা সময় চীনেও করাপশনের ছড়াছড়ি। কোনো ফ্যাক্টরি বসাইতে গেলেই ঘুষ দাও, অনুমোদন নিতে যাও ঘুষ দাও, লাইসেন্স করতে যাও ঘুষ দাও এরকম একটা পরিস্থিতি ছিলো।

ক্ষমতায় এসেই ২০১৩ সালে শি সবার আগেই টাইগার এন্ড ফ্লাইস ক্যাম্পেইন শুরু করলেন।

টাইগার বা বাঘ বলা হত সরকারের উচ্চপদস্থ সচিব, ক্যাডার সার্ভিসের সাথে যারা জড়িত যেমন পুলিশ, প্রশাসন বা টপ আর্মি জেনারেল যারা তাদেরকে।

আর ফ্লাইস বা মাছি হলো একদম মাঠ পর্যায়ের সরকারি কর্মী যারা। যেমন বিভিন্ন সরকারি অফিস বা দপ্তরের নন ক্যাডার সার্ভিসের চাকরিজীবীদের মত আরকি।

এই ক্যাম্পেইন করে শি সবার আগে টার্গেট করে বাঘ এবং মাছি দুইটাকেই একদম সাবার করে ফেলেন। যে যতই ক্ষমতাবান হোক, যার যত বড়ই পদ হোক কেউ ছাড় পাবেনা।

নিম্নপদস্থ কর্মচারি ইভেন একটা কেরানি পর্যন্ত একটাকাও ঘুষ খাইলে তাকে সাথে সাথে পার্জ করা হইছে।

চীনের দুইটা সংস্থা আছে। একটা CCDI আরেকটা NSC।

এই CCDI সরাসরি কমিউনিস্ট পার্টির দলীয় মেম্বারদের ওপর গোপন নজরদারি চালায়। দলীয় পাওয়ার ইউজ করে কেউ কোনো করাপশন করলে তাকে সাথে আইনের আওতায় আনা হয়।

আর NSC সরকারি সচিব, আমলা, গভর্নর থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারির ওপর গোয়েন্দা নজরদারি চালায়।

আর গোয়েন্দা নজরদারিতে শি আমুল পরিবর্তন এনেছেন। একদম ক্যাশলেস ডিজিটাল অর্থনীতির মাধ্যমে প্রতিটা সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তার পাই টু পাই টাকার হিসাব ট্র‍্যাক করা হয়।

আমলাদের ব্যক্তিগত ও পারিবরিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, সম্পত্তি এবং কেনাকাটার ওপর নজর রাখতে বিগ ডেটা অ্যানালিটিক্স ব্যবহার করা হয়।

সরকারি প্রকিউরমেন্ট ও টেন্ডারিং প্রক্রিয়ায় AI পর্যবেক্ষণ করে কোথাও বাজারদরের চেয়ে বেশি দাম দেওয়া হচ্ছে কি না বা স্বজনপ্রীতি হচ্ছে কি না।

আরও ইন্টারেস্টিং একটা ফ্যাক্ট বলি। আমাদের বিসিএস ক্যাডার আমলাদের প্রমোশন হয় সিনিয়রিটির ভিত্তিতে। কে কত ব্যাচ, কত বছর চাকরি করেছে, কত সিনিয়র তার ওপর।

কিন্তু চাইনিজদের এই সিস্টেম একদম আলাদা।

প্রতি বছর স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় আমলাদের Key Performance Indicators (KPI) মূল্যায়ন করা হয়।

এই KPI হচ্ছে একটা কাইন্ড অফ স্কোর সিস্টেম। আঞ্চলিক জিডিপি গ্রোথ, দারিদ্র্য বিমোচন, পরিবেশ সুরক্ষা এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপর আমলাদের র‍্যাঙ্কিং এবং স্কোর নির্ধারিত হয়।

ধরেন আপনার বয়স মাত্র ২৫। কিন্তু আপনার KPI স্কোর অনেক হাই। আপনার সিনিয়রদেরকে টপকায়ে আপনার সাথে সাথে প্রমোশন হয়ে যাবে।

মানে প্রমোশন সিস্টেমটা টোটালি কাজের ওপর, সিনিয়রিটির ওপর না।

ইভেন যত বড় সিনিয়র আমলা হোক না কেন লক্ষ্যপূরণে ব্যর্থ হলে প্রমোশন বন্ধ হওয়া থেকে শুরু করে ডিমোশন অথবা চাকরিচ্যুতি ঘটে।

চীনে কোনো আমলা যদি লাল ফিতার দৌরাত্ম্য দেখিয়ে কোনো ফাইল আটকে রাখেন বা কোনো প্রকল্পের সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করেন, তবে তাকে আনুষ্ঠানিকতার নামে কাজ ফাঁকি দেওয়ার অপরাধে শাস্তি পেতে হয়।

আপনি যত বড়ই হ্যাডাম আমলা হন না কোনো ফাইল একটা নির্দিষ্ট টাইমের বেশি আটকালেই সাথে সাথে ডিমোশন বা বরখাস্ত করবে আপনাকে।

বেইজিং থেকে কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই প্রদেশ ও জেলাগুলোতে হঠাৎ ইনস্পেকশন টিম পাঠানো হয়।

তারা সরাসরি জনগণের সাথে কথা বলে এবং বিভিন্ন স্থানীয় সরকারি দপ্তরের কাজের গতির বাস্তব অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে প্রতিবেদন জমা দেয়।

দেখেন একটা সময়ের চরম দারিদ্র্য চীন এখন সারাবিশ্বের ইকোনমিক পাওয়ার হাব। ইভেন আমেরিকা আর ইউরোপ এক করে দিলেও চীনের ইন্ডাস্ট্রিয়াল পাওয়ার এর সামনে এরা রীতিমতো শিশু।

আর এইটা একমাত্র পসিবল হইছে শি জিনপিং এর আমলা আর মিলিটারি জেনারেলদের টাইট দিয়ে লাইনে নিয়ে আসার কারণে।

আমাদের বাংলাদেশ এক টাইমে সারা দুনিয়ার পাওয়ার হাব ছিলো। গ্লোবাল জিডিপির ১২% এক এই বাংলা থেকে উৎপাদিত হত। আমাদের অর্থনীতি এতটাই বেশি পাওয়ারফুল ছিলো।

বৃটিশরা এসে আমাদের দূর্নীতির মধু খাওয়া শিখিয়ে গেলো সিভিল সার্ভিস চালু করে। তারপর থেকে আমরা পিছাতেই আছি।

আজ পাসপোর্ট, ভুমি অফিস, বিআরটিএ থেকে শুরু করে লিটারেলি প্রত্যেকটা সরাসরি দপ্তরে মানুষের সীমাহীন ভোগান্তি আর ঘুষ ছাড়া কোনে কাজ হয়না।

ইভেন তারেক রহমান আমলাদের ফালতু খরচ কমাইতে বললে এরা উল্টো প্রধানমন্ত্রীর ওপরেই চাপ সৃষ্টি করে এত বড় স্পর্ধা এদের।

আমার মতে তারেক রহমানের শি জিনপিং স্টাইলে একটা ম্যাসিভ পার্জ চালানো উচিত আমলাদের ওপর। চুড়ান্ত লেভেলের টাইট দিতে হবে প্রতিটা সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারিদের।

আমি জানি বাংলাদেশ কমিউনিস্ট দেশ না। এখানে চীনের মত সবকিছু কিছু করা পসিবল না।

তবে তারেক রহমানের যে পাওয়ারটা আছে সেইটা হচ্ছে টু থার্ড মেজোরিটি। বিএনপি চাইলেই এখন সংবিধান উলটপালট করে দিতে পারবে। যেকোনো আইন পাশ করতে পারবে। এইটা একটা অ্যাবসোলুট পাওয়ার। কারো বাধা দেয়ার ক্ষমতা নাই।

প্রথমে আর্মিতে লয়ালিস্ট নিয়ে এসে আর্মিকে একদম সরকারের প্রতি এবং সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এর প্রতি লয়াল রাখতে হবে।

এরপর আমলাদের ওপর পার্জ শুরু করতে হবে। বিসিএস রিক্রুটমেন্ট সিস্টেম একদম চেঞ্জ করে ফালাইতে হবে।

প্রমোশন সিস্টেম হবে কাজের আর পারফর্মেন্স এর ওপর। সিনিয়র জুনিয়রের ইস্যু থাকবেনা। সিনিয়র আমলা কাজ না দেখাতে পারলে সাথে সাথে ডিমোশন।

বিদ্রোহ করলে রাষ্ট্রদ্রোহী আইনে মামলা করে চুড়ান্ত শাস্তি দিতে হবে।

দেশে ম্যাসিভ ডিজিটাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার করা দরকার। প্রতিটা সরকারি সেবা যেনো অনলাইন বেজড হয় মানুষ ঘরে বসে ফোনের অ্যাপ বা পোর্টালে পেতে পারে।

যেকোনো ফাইল পাশ হবে সরাসরি ডিজিটাল এআই সিস্টেম এর মাধ্যমে অটোমেটিক। এআই যাচাই করবে ফাইল পাশের যোগ্য কিনা, টেন্ডার পাশের যোগ্য কিনা।

আমলাদের এই ফাইল সিগনেচার এর রাস্তা চিরদিনের জন্য বন্ধ করতে হবে। লাল ফিতার দৌরত্ব কমবেনা মানে।

তারেক রহমানের যদি সদিচ্ছা থাকে এইটা করা সম্ভব।

আমি বলছি সম্ভব। ২১৫ আসনের পাওয়ার কি আপনার আইডিয়া নাই। টু থার্ড মেজোরিটির পাওয়ার যদি কেউ প্রাকটিস করতে পারে সে চাইলে দেশ উলট পালট করে দিতে পারবে।

আমি বলতেছি এই সচিবদের যদি চুড়ান্তভাবে পার্জ করা যায় দেখবেন দেশ থেকে দূর্নীতি নাই হয়ে গেছে।

রাস্তার পিচ আর গলবেনা, গর্ত হবেনা, ব্রীজে রডের বদলে বাশ যাবেনা। পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে ঘুষ লাগবেনা। কেউ আপনার ফাইল ইচ্ছা করে আটকাইতেও পারবেনা।

সম্ভব ভাই সম্ভব। জাস্ট পাওয়ার প্রাকটিসটা করতে হবে। ভদ্রলোকের মত নিজেকে দূর্বল বানিয়ে বসে থাকলে কিছুই সম্ভব না।

03/08/2026

By Mahbub Morshed

অ‍্যাপারেন্টলি আপনার মনে হবে, প্রথম আলো ও আওয়ামী লীগ পরস্পর বিরোধী দুইটা এনটিটি।
আওয়ামী লীগের সময়ে এই দুইটা পলিটিক্যাল ফ্র‍্যাঞ্চাইজি পরস্পরের বিরোধিতা করে সাড়ে ১৫ বছর সুখে শান্তিতে কাটিয়ে দিয়েছে।
আওয়ামী লীগ সরকার কখনও প্রথম আলোর বিজ্ঞাপনে হস্তক্ষেপ করেছে, কখনও মালিকানা বদল করতে চেয়েছে, কখনও সম্পাদক বদল করতে চেয়েছে।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত কিছুই করেনি।
ফলে, সিরিয়াস লেভেলের খুনসুটি বা পাতানো শত্রুতা হিসেবে ব‍্যাপারগুলোকে ধরে নেওয়ার সুযোগ থাকেই।
আসলে প্রথম আলো ও আওয়ামী লীগের দ্বন্দ্ব কী নিয়ে?
তারা ভারতীয় আধিপত‍্যবাদের দুটো মুখ। একই বৃন্তে দুটো কুসুম। প্রথম আলো সেই আধিপত‍্যবাদের পক্ষে শক্তিশালী ন‍্যারেটিভ নির্মাতা আর আওয়ামী লীগ সেটা প্রয়োগের নির্বাহী কর্তৃপক্ষ। দাপটের দিক থেকে কে বড় সেটাই মূলত তাদের দ্বন্দ্বের কারণ।
এই দ্বন্দ্বকে সিরিয়াসলি নেওয়ার কিছু নাই। কারণ এট দ‍্য এন্ড অফ দ‍্য ডে তারা একই উদ্দেশে পরিচালিত।
কিন্তু প্রথম আলো এই ছদ্ম দ্বন্দ্বের কারণে কিছু সুবিধা পেয়ে যায়। আওয়ামী লীগের মূল তাত্ত্বিক পাটাতন হয়েও তারা আওয়ামী হিসেবে চিহ্নিত হয় না।
এমনকি, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর দেখা গেল, বিএনপির বিরুদ্ধে শত ষড়যন্ত্র করার পরও সম্পাদক পরিষদ, নোয়াব ইত‍্যাদি সংগঠনের মাধ‍্যমে তারা সরকারের অন্দরমহলে একসেস পেতে শুরু করলো। এমনকি, সরকারের হাফ ডজন মন্ত্রী বা উপদেষ্টা প্রথম আলোর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকেন। ফলে, এখন মিডিয়া ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রে প্রথম আলোর প্রভাব আওয়ামী লীগের সময়ের চেয়ে বেশি।
তারা এখন ওভার কনফিডেন্ড। তারা প্রথমে জুলাই খাবে। আওয়ামী লীগের সময়ের অকাজ কুকাজ ঢাকবে। তারপর বিএনপিকে খাবে।
আমাদের চেয়ে চেয়ে দেখতে হবে।
কারণ বিএনপি এইগুলো বোঝে না।

02/08/2026

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি-ইটালিকে মানবতাবিরোধী অপরাধী নাতসি ও ফ্যাসিস্টমুক্ত করতে এতোটুকু বেগ পেতে হয়নি। অথচ ২০২৪ সালের ৫ অগাস্টের পর বাংলাদেশকে মানবতাবিরোধী অপরাধী ফ্যাসিস্টমুক্ত করা সম্ভব হয়নি। উপরন্তু ২০২৪-এর জুলাই বিপ্লবটিকে ব্যর্থ ও অর্থহীন প্রমাণে সক্রিয় রয়েছে ফ্যাসিস্ট দোসর ও তাদের কালচারাল উইং!
জার্মানি-ইটালির কেসস্টাডির সঙ্গে বাংলাদেশ কেসস্টাডির পার্থক্যের জায়গাটা হচ্ছে; জার্মানি-ইতালির নাতসি ও ফ্যাসিস্টদের সমর্থক কোন বৃহত রাষ্ট্র ছিলো না। কিন্তু বাংলাদেশের আওয়ামী ফ্যাসিস্ট ও কালচারাল ফ্যাসিস্টদের সমর্থক হিসেবে রয়েছে বৃহত রাষ্ট্র হিন্দুত্ববাদী ভারত।
আওয়ামী লীগের মানবতাবিরোধী অপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়া থেকে শুরু করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কথিত মিডিয়া, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, সাংবাদিক, সংস্কৃতিকর্মীদের প্রণোদনা দিয়ে ইন্ডিয়া তার ছায়া উপনিবেশ ধরে রাখার চেষ্টা করছে।
ইন্ডিয়ার এই ছায়া উপনিবেশের লক্ষ্য হচ্ছে; ইন্ডিয়াতে হিন্দুত্ববাদীরা যেভাবে সংখ্যালঘু মুসলমানদের ভাগ্যনিয়ন্তা; বাংলাদেশে একইভাবে ইন্ডিয়ার হিন্দুত্ববাদের মন্ত্রে দীক্ষিত কালচারাল ফ্যাসিস্টেরা হবে সংখ্যাগরিষ্ট মুসলমানের ভাগ্যনিয়ন্তা।
আদিম কাস্ট সিস্টেমে বুঁদ কলকাতার কালচারাল উইং বৃটিশ আমলে নির্ধারণ করেছিলো, কোন মুসলমান যদি শিক্ষা ও চাকুরি পেতে চায়; তবে তাকে 'অসাম্প্রদায়িক' হতে হবে। এই অসাম্প্রদায়িকতার অর্থ হচ্ছে হিন্দুত্ববাদকে প্রগতিশীলতা হিসেবে মানতে হবে; আর ইসলামকে মৌলবাদ ও উগ্রপন্থার প্রতিশব্দ হিসেবে ভাবতে শিখতে হবে।
খ্যাতিমান লেখিকা তসলিমা নাসরিন যেভাবে হিন্দুত্ববাদকে প্রগতিশীলতা হিসেবে ভাবতে শিখেছেন আর ইসলামকে মৌলবাদের সমার্থক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে সক্রিয় থেকেছেন।
গতকাল কলকাতার রবীন্দ্র সদনে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুত্ববাদী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে সাহিত্য সম্রাট বংকিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর পোট্রেট উপহার দিয়েছেন। এই বংকিমচন্দ্রই বৃটিশ আমলে হিন্দুত্ববাদের বুদ্ধিবৃত্তিক সেনাপতি হিসেবে মুসলমানদের অপরায়ন করেছিলেন।
ডয়চেভেলের এক সাংবাদিক তসলিমা নাসরিনকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুত্ববাদী সরকার সম্পর্কে আপনার কোন সমালোচনা আছে কি! তসলিমা উত্তর দেন, সব মৌলবাদের সমালোচনা করা আমার দায়িত্ব নয়।
ইন্ডিয়ায় ১৪ বছর ধরে রাষ্ট্রক্ষমতায় রয়েছে এমন হিন্দুত্ববাদী মৌলবাদের সমালোচনা করা তসলিমার দায়িত্ব নয়। বাংলাদেশে রাষ্ট্র ক্ষমতায় যায়নি এমন ইসলামপন্থী মৌলবাদের সমালোচনা করাই তার একমাত্র দায়িত্ব। আর সেটাই তসলিমা নাসরিনের কাছে প্রগতিশীলতা।
প্রগতিশীলতার এই ধারণাটিকেই ইন্ডিয়া তার প্রণোদনা ও অনুপ্রেরণার মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে ঢাকায় আসা কিংবা ঢাকারই জীবন সংগ্রামে ধস্ত মুসলিম পরিবার থেকে কারওয়ান বাজারে আসা নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে-মেয়েরা ইন্ডিয়ান প্রগতিশীলতার এই শিবব্রত পাঠ লাভ করে যে, মৌলবাদ মানে ইসলামপন্থা।
কন্ঠশীলনের মাধ্যমে কলকাতার আঞ্চলিক ভাষা শিক্ষা, ফতুয়া ও কুঁচি দেয়া শাড়ি পরে রবীন্দ্র সংগীত শুনে আহাউহু করা, মিডিয়ার নিউজরুমকে কালী মন্দিরের রুপে গড়ে তোলা, চারুকলা বলতে কেবলই শিবব্রত কলা শিক্ষা; এর মাধ্যমে নিম্ন মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে মেয়ে জোড়া সাঁকোর ঠাকুর পরিবারের আভিজাত্য অনুকরণ করে; ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে অখণ্ড ভারতের স্বপ্নে মশগুল হয়ে পড়ে। শেখ হাসিনার ফ্যাসিজমকে উন্নয়নের দেবী হিসেবে তৈরি করেছে এই কালচারাল ফ্যাসিস্টেরা।
প্রতিটি ইজমের অন্ধ সমর্থনে যুক্তি বিবর্জিত কট্টর জনগোষ্ঠী দেশে দেশে রয়েছে। জায়নিজম, হিন্দুত্ববাদ, মুসলিম ব্রাদারহুড, ফার রাইট খ্রিশ্চিয়ান, অন্ধ কমুনিস্ট, অন্ধ ক্যাপিটালিস্ট চোখে পড়ে দেশে দেশে।
কিন্তু বাংলাদেশের হিন্দুত্ববাদী প্রগতিশীলদের একমাত্র কাজ বাংলাদেশের পুরো মুসলমান জনগোষ্ঠীকে মৌলবাদী তকমা দিয়ে ভারতের মুসলিম জনগোষ্ঠীর মতো চাপা দিয়ে রাখা।
এই হিন্দুত্ববাদী প্রগতিশীল এক চোখে দেখে। ফলে সে দাড়ি টুপিওয়ালার সেক্স স্ক্যান্ডাল নিয়ে হাকালুকি করে। আর ক্লিন শেভড লোকের সেক্স স্ক্যান্ডাল এলে মিডিয়ায় লিখতে থাকে, এই ভিডিও এ আই দিয়ে তৈরি।
জুলাই বিপ্লবের পর ৫ অগাস্ট সাঁঝ থেকে হিন্দুত্ববাদী প্রগতিশীল গোষ্ঠীটি ভারতের গোদি মিডিয়ার প্রোপাগান্ডা, 'বাংলাদেশে ইসলামপন্থা'-র উত্থান ঘটেছে; এই বাক্যটিকে 'সত্য' হিসেবে প্রতিষ্ঠায় মরিয়া। এই বাক্যটিকে ঘাড়ে করে বয়ে নিয়ে যাবার জন্য পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুত্ববাদী সরকার গতকাল তসলিমা নাসরিনকে 'সেক্টর কমান্ডার' হিসেবে অভিষিক্ত করেছে।
যে কোন ধর্ম ও রাজনৈতিক বিশ্বাসের অন্ধ সমর্থক মার্সিনারি হিসেবে কাজ করে। ফলে ইন্ডিয়ার হিন্দুত্ববাদী সরকার আফগানিস্তানের তালিবানদের সঙ্গে যূথবদ্ধ হয়েছে। তাই বাংলাদেশে যারা আফগান তালেবানপন্থী তারা ইন্ডিয়ার সঙ্গে যূথবদ্ধ। তারা ইন্ডিয়ান মিডিয়ার 'বাংলাদেশে ইসলামাইজেশন' শীর্ষক প্রোপাগান্ডাকে বাস্তবতা দিতে নৈরাজ্য তৈরি করেছে। অমনি বাংলাদেশের হিন্দুত্ববাদী মৌলবাদীরা, বাংলাদেশ ইসলামী মৌলবাদে ভরে গেলো গো বলে কোরাস গান গেয়েছে।
ইন্ডিয়ার ছায়া উপনিবেশের কালচারাল হেজিমনি আর তার তৈরি করা ফুটসোলজারদের নিয়ত প্রোপাগান্ডার কারণে; বাংলাদেশে বি-আওয়ামীকরণ প্রায় অসম্ভব। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি ও ইটালির নাতসি-mফ্যাসিস্ট সমর্থক বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, পুলিশ-প্রশাসক, কালচারাল ফ্যাসিস্ট ও কমফর্ট উইমেনদের শাস্তি হলে তাদের পক্ষে কলম ধরার মতো লোকজন ছিলো না। কিন্তু বাংলাদেশে ইন্ডিয়ান কালচারাল কলোনির এতো মজদুর ধাপে ধাপে সাজানো রয়েছে যে; জুলাই-এ নিহত ১৪০০ শিশু-তরুণ-তরুণীর আত্মত্যাগ; হাজার হাজার তরুণের পঙ্গুত্ব ও অন্ধত্ব বরণের বিষাদ সিন্ধুতে দাঁড়িয়ে; জুলাই ব্যর্থ হয়েছে-ফিরিয়ে দাও ইন্ডিয়ান অরণ্য বলে হাপুস নয়নে কাঁদার মতো সহমত-শিবব্রত-ললিতা-আনারকলি থই থই করছে এই জনপদে।

Post: Maskwaith Ahsan

স্টাফ রিপোর্টারের আড়ালে বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থ উদ্ধারে প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার; বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চৌকস সেনা কর্মকর...
02/08/2026

স্টাফ রিপোর্টারের আড়ালে বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থ উদ্ধারে প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার; বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চৌকস সেনা কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম—যাকে সম্প্রতি মরণোত্তর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদবীতে ভূষিত করেছে বাংলাদেশ সরকার, তাঁকে জঙ্গি তকমা দিয়ে উপস্থাপন করেছে একাধিকবার; তবে তাদের সেই নোংরা দাবির স্বপক্ষে কোনো প্রমাণই তারা কখনো তুলে ধরতে পারেনি। বরং পরিকল্পিতভাবে মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলামকে কুখ্যাত পুলিশ কর্মকর্তা মনিরুল কর্তৃক নৃশংসভাবে হত্যার পর, সেই হত্যাকাণ্ডকে লেজিটিমাইজ করতে ঝাঁপিয়ে পড়ে মতি-মাহফুজ গং।

আইরনি হচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে এই দুই সম্পাদককে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রেস মিটের অংশ হতে দেখা যায় একাধিকবার। বিশেষভাবে উল্লেখ্য, জনাব তারেক রহমান ও তাঁর মৃত পিতা-মাতাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে এই দুই সম্পাদকের চেষ্টার কিন্তু কোনো কমতি ছিল না।

সম্প্রতি দ্য ডেইলি স্টার সাবেক রাষ্ট্রপতি জেনারেল জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের বেসামরিক তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশ করে দাবি করেছে, গত ৪৫ বছরে এই রিপোর্ট নাকি ধামাচাপা দেওয়া ছিল। তবে রিপোর্টে একবার চোখ বুলিয়ে মনে হলো, দগদগে ঘায়ে বেশ সস্তা একটা প্রলেপ এঁটে দেওয়ার চেষ্টায় এই কাজটা তারা করেছে। আপনি যদি অ্যান্থনি মাসকারেনহাসের ‘বাংলাদেশ: আ লিগ্যাসি অব ব্লাড’ বইটি পড়ে থাকেন, তাহলে বেশ স্পষ্ট বুঝতে পারবেন কেন আমি এই মন্তব্যটি করেছি।

অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই—প্রথম আলো, দ্য ডেইলি স্টার ও তাদের পরিচালনার নেপথ্যে থাকা ট্রান্সকম গ্রুপ বাংলাদেশে বেশ শক্তিশালী একটি মিডিয়া বলয় তৈরি করেছে; এবং বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থ উদ্ধারে তারা সর্বোচ্চ বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত।

তবে চাপিয়ে দেওয়া ন্যারেটিভ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পলিসি বাস্তবায়ন আগস্ট ২০২৪-পরবর্তী বাংলাদেশে কোনো সুবিধা করতে পারবে না — এটা তাদের আমি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই।

সময় এসেছে এই দুই পত্রিকার সম্পাদককে জবাবদিহিতার কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর—বাংলাদেশ জানতে চায়, কাদের প্ররোচনায়, স্টাফ রিপোর্টারের আড়ালে এসব ফরমায়েশি প্রতিবেদন ছাপিয়ে দেশের সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের জঙ্গি ট্যাগ দেওয়ার প্রচেষ্টা করেছিল তারা? কি উদ্দেশ্যে সাংবাদিকতাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে, বারংবার বাংলাদেশের অন‍্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল ও দলটির নেতৃত্বকে মিথ্যায় ভর করে প্রশ্নবিদ্ধ করায় তারা লিপ্ত ছিলো?

Zulkarnain Saer

01/08/2026

President Trump on Friday about Iran war:

‘We’ll be hitting them very hard. At some point they’ll say: we just can’t take it anymore’

24/07/2026

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর রামপুরায় মাথায় কৃত্রিম খুলি নিয়ে ছোট্ট মুসার বেঁচে থাকা আর সাভারে গুলিতে ছায়াদ মোহাম্মদ খানের মৃত্যুর গল্প।

24/07/2026

🚨 "The very cops who were dragging me away were whispering in my ear, Get rid of this government."

"I would not blame police, they are innocent, They should follow orders, but police was also not okay for what happened with students"

23/07/2026

ভারতের ছাত্রআন্দোলন : পাটনায় বিজেপি নেতাকে ভিতরে রেখেই গাড়ি ভাঙচুর করল শিক্ষার্থীরা!

23/07/2026

দিল্লিতে বিক্ষোভ: একজন শুধু বলে উঠল “পাকোর লো সালাকো”, বাকিটা ইতিহাস...

Adresse

Ka-244, Progati Soroni, Kuril, Vatara, Dhaka
Democratic Republic Of The
1227

Notifications

Soyez le premier à savoir et laissez-nous vous envoyer un courriel lorsque Civil Talk publie des nouvelles et des promotions. Votre adresse e-mail ne sera pas utilisée à d'autres fins, et vous pouvez vous désabonner à tout moment.

Contacter L'entreprise

Envoyer un message à Civil Talk:

Raccourcis

Partager