Hafez Jihad Ahmed

Hafez Jihad Ahmed ꧁🌿আমার প্রোফাইলে আপনাকে স্বাগতম🌿꧂

সেদিন বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখাকে অনর্থক কাজ বলেছিলেন শায়েখ আহমাদুল্লাহ। পাগারের টানে বাড়ি আব্দুল কুদ্দুসের নাতি বল্টু,...
15/07/2026

সেদিন বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখাকে অনর্থক কাজ বলেছিলেন শায়েখ আহমাদুল্লাহ। পাগারের টানে বাড়ি আব্দুল কুদ্দুসের নাতি বল্টু, যে টেনেটুনে ফাইভ পাশ দিয়েছে, সেও তখন আহমাদুল্লাহ সাহেবকে উদ্দেশ্য করে নানান কথাবার্তা বলেছে। ছয়তলার উপর বসে ৫৪" টেলিভিশনের পর্দায় খেলা দেখা আপনিও সেদিন আব্দুল কুদ্দুসের নাতি বল্টুর আদর্শই বুকে ধারণ করেছিলেন। আজ দেশের মানুষ বন্যায় যখন ঘর হারাচ্ছে, সর্বস্ব হারাচ্ছে, প্রাণ হারাচ্ছে, তখনও আব্দুল কুদ্দুসের নাতি বল্টু রাত জেগে খেলা দেখে, আপনিও খেলা দেখেন। আর খেলা দেখাকে অনর্থক কাজ বলা আহমাদুল্লাহ সাহেবকে দেখা যায় হাজার হাজার প্যাকেট ত্রাণ সহায়তা নিয়ে সুদূর চট্টগ্রামে ছুটে যেতে। তাকে দেখা যায় বন্যায় ঘর হারানো শত শত পরিবারকে ঘর করে দেয়ার বন্দোবস্ত করতে। তাকে দেখা যায় উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করতে।

আজ এসে বুঝলাম, বল্টু আর আপনিই ঠিক ছিলেন, খেলা দেখাটাই মহৎ কাজ, আহমাদুল্লাহ সাহেবের এসব ছোটাছুটি তো কেবলই বেহুদা অনর্থক কাজ। তাই আমরা দোয়া করি, আল্লাহ যেন এই অনর্থক কাজ করে যাওয়া লোকটাকে হাজার বছর হায়াত দান করেন। আমাদের কথায় আঘাত পেয়ে যেন এই মানুষটা আমাদের ছেড়ে চলে না যায়।

HM Atiqul Islam Jihad
১৫ই জুলাই, ২০২৬।

বিঃদ্রঃ কপি পোস্ট

মুশরিকেরা মুসলমান মেয়েদের কি করছে 🥺বিহারে জোরপূর্বক মুসলিম মেয়েকে বোরকা খুলে সিঁদুর পড়িয়ে বিয়ে করলো এক হি"ন্দু! উল্...
08/07/2026

মুশরিকেরা মুসলমান মেয়েদের কি করছে 🥺

বিহারে জোরপূর্বক মুসলিম মেয়েকে বোরকা খুলে সিঁদুর পড়িয়ে বিয়ে করলো এক হি"ন্দু! উল্টা ঘটনা যদি বাংলাদেশে কোনো হিন্দু মেয়ের সাথে করতো মুসলিমরা তাহলে ভারতের দালাল মিডিয়া কেমন তুলপার শুরু করে দিতো? বিহারে মুসলিম তরুণীকে এক দল উগ্র হি/ন্দু*ত্ববা/দী' কর্তৃক হিজাব খুলে মাথায় সিঁদুর পরিয়ে জয় বজরংবলী স্লোগান করতে বাধ্য করা হয়।।।

আজ উম্মাহর বোনেরা এভাবেই কাফের মুশরিকদের হাতে লাঞ্ছিত হচ্ছে। আর মুহাম্মাদ বিন কাসিমের উত্তরসূরিরা ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে মজে আছে। পছন্দের দল হারাতে তাদের চোখ বেয়ে বেদনার অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে। তাদের কানে কী উম্মাহর এই বোনদের গগণ বিদারক কান্নার আওয়াজ পৌঁছায় না?! নাকি তারা বধির হয়ে গেছে!?

বিঃদ্রঃ কপি পোস্ট
Hafez Jihad Ahmed





ছোট বাচ্চারা মায়ের দুধ পান করার জন্য একটা নিরাপদ জায়গা দরকার 🥲নিরাপদ জায়গা না থাকায় পাবলিক প্লেসে মা বাচ্চা কে দুধ খাওয়া...
04/07/2026

ছোট বাচ্চারা মায়ের দুধ পান করার জন্য
একটা নিরাপদ জায়গা দরকার 🥲
নিরাপদ জায়গা না থাকায়
পাবলিক প্লেসে
মা বাচ্চা কে দুধ খাওয়াচ্ছে🥵

আদনান হুজুর একটা কথা বলেছিল
সব বোরকার পিছনে দ্বীনদার থাকেনা 🥺

কিছু পতিতা বোরকা পরে নিজেকে লুকিয়ে রাখে
তারা লেবাসধারী পর্দাশীল 😎

লেখক✏️
HM Atiqul Islam Jihad





দাড়ি টুপিওয়ালা হলেই এত চুলকায় কেন ? 🥺বাংলাদেশ আর মুসলিম দেশ না রে ভাই ৮৫% মুসলিম দেশ অসত্বেও  হুজুরদের কোন দাম নাই এই...
09/06/2026

দাড়ি টুপিওয়ালা হলেই এত চুলকায় কেন ? 🥺

বাংলাদেশ আর মুসলিম দেশ না রে ভাই
৮৫% মুসলিম দেশ অসত্বেও
হুজুরদের কোন দাম নাই
এই দেশে দাড়ি টুপিওয়ালাদের ঐ সব দোষ🥺
ইদানিং দেখতেছি একটা ভিডিও ভাইরাল হয়েছে
যেখানে একটা ছেলে এবং একটা মেয়ে বিয়ে করেছে আর কিছু হলুদ সাংবাদিকরা তাদেরকে ঘিরে ধরে প্রশ্ন করতেছে
ঐরকম প্রশ্ন করতেছে যে
সে রকম প্রশ্ন কোন সাধারণ মানুষের করে না
তারা বিয়ে করেছে প্রায় এক মাস হলো
তাদের বাবা মাও মেনে নিয়েছে
কিছু হল সাংবাদিকরা বলতেছে তারা নাকি হোটেলে ছিল এতদিন
অথচ তারা প্রমাণ দেখাইতেছে তারা হোটেল না তারা বাসায় ছিল
কিন্তু সাংবাদিকরা ঘুরেফিরে ঠিক একই কথা বলতেছে
এর কারণ কি জানেন
কারণ..
ওই যে ছেলেটা দাড়ি টুপিওয়ালা 🥺
তার দোষ একটাই
সে মাদ্রাসার স্টুডেন্ট সে কেন প্রেম করে বিয়ে করবে
আরে ভাই সে প্রেম করে বিয়ে করে ফেলেছে এটা তো আরো ভালো কথা
আপনারা তাকে মিথ্যা অপবাদ দিতেছেন কেন রে ভাই
সমস্যা আপনাদের না
সমস্যা আমাদের দেশের 🥺
আমাদের দেশের নাস্তিক গুলা এখন দাড়ি টুপিওয়ালাদের দেখলেই দোষারোপ করতে থাকে
দোষ হোক না হোক সব দোষ হুজুরের 🥺



HM Atiqul Islam Jihad
Hafez Jihad Ahmed

নিরহংকার মানুষ গুলো একটু বেশি সুন্দর  হয় , তাদের ভেতরের শান্তি ও নম্রতা যেন বাহিরেও ঝরে পড়ে। 🖤Arabic dress-এ তার উপস্থিত...
04/06/2026

নিরহংকার মানুষ গুলো একটু বেশি সুন্দর হয় , তাদের ভেতরের শান্তি ও নম্রতা যেন বাহিরেও ঝরে পড়ে। 🖤

Arabic dress-এ তার উপস্থিতি যেন আরও বেশি মর্যাদা, পবিত্রতা ও সৌন্দর্যের ছোঁয়া পেয়েছে। সাদা থোব, মাথায় লাল-সাদা শেমাঘ এবং কালো আগালের সেই লুক—মাশাআল্লাহ, সত্যিই অসাধারণ। 🤍

আল্লাহ, তোমার অসীম করুণা ও দয়া সবসময় যেন তাঁর সঙ্গে থাকে।
তাঁর প্রতিটি দোয়া যেন তুমি কবুল করো, তাঁর হৃদয় যেন সর্বদা শান্তি ও আলোর মধ্যে ভরে থাকে। 🤍

তাঁর জীবন যেন সদা আলোকিত হয়, প্রতিটি পদক্ষেপে রহমত ও বরকত বর্ষিত হয়। 🤲

Musfiq R. Farhan
Maa Sha Allah ❤️


HM Atiqul Islam Jihad

আলহামদুলিল্লাহ ১০k followers done 🌸💝এত ভালোবাসা দেওয়ার জন্য আপনাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ 😊🌸
10/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ ১০k followers done 🌸💝

এত ভালোবাসা দেওয়ার জন্য আপনাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ 😊🌸

১৮+ অ্যালার্ট.!(প্রাপ্তবয়স্ক ব্যতিত এই লেখাটা পড়া সম্পূর্ণ নিষেধ)ডমিনিক নামের ফ্রান্সের এক লোক শপিং মলে গিয়েছিল কেনাকাটা...
22/04/2026

১৮+ অ্যালার্ট.!
(প্রাপ্তবয়স্ক ব্যতিত এই লেখাটা পড়া সম্পূর্ণ নিষেধ)

ডমিনিক নামের ফ্রান্সের এক লোক শপিং মলে গিয়েছিল কেনাকাটা করতে। বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে তার উদ্দেশ্য ছিল কেনাকাটা করা কিন্তু ভেতরে ভেতরে তার উদ্দেশ্য ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।

শপিং মলে ঢুকে জিনিসপত্র পছন্দ করার ফাঁকে ফাঁকে ডমিনিক তার মোবাইল এবং গোপন ডিভাইস বের করে মেয়ে কাস্টমারদের স্কাটের নিচের গোপনা*ঙ্গের ছবি তুলতে থাকে।

এভাবে অনেকক্ষণ যাবত কেনাকাটার বাহানায় অনেকগুলো মেয়ের গোপনা*ঙ্গের ছবি তুলে সে। গোপন ডিভাইস দিয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে ছবি তোলায় শপিং সেলসম্যান কিংবা নারীরাও বুঝতে পারেনি।

এভাবে কয়েক ঘন্টা পার হয়ে যাওয়ার পরও ডমিনিক যখন শপিং মল থেকে বের হচ্ছিল না তখন সেলসম্যানদের সন্দেহ হয় এবং তারা সিসিটিভির মনিটরে ডমিনিকের কার্যক্রম লক্ষ্য করতে থাকে।

তখন তারা দেখতে পায়- ডমিনিক কেনাকাটার বাহানায় মেয়েদের খুব কাছাকাছি যাচ্ছে এবং তার হাতে থাকা ছোট্ট ডিভাইস দিয়ে নিঁচু হয়ে মেয়েদের স্কাটের নিচের গোপনাঙ্গের ছবি তুলছে।

তারা ডমিনিককে কিছু বুঝতে না দিয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশকে কল দেয় এবং তাকে পুলিশে ধরিয়ে দেয়। পুলিশ প্রথমে ভেবেছিল সে হয়তো পাগল টাইপের কেউ ,মজা করে এসব কাজ করেছে।

কিন্তু পুলিশের স্পেশাল ফোর্সের একজনের সন্দেহের ভিত্তিতে ডমিনিকের বাসায় তল্লাশি করতে যায় পুলিশ। তারা বুঝার চেষ্টা করছিল ডমিনিক শুধুমাত্র মজা করেই ছবিগুলো তুলেছিল নাকি সে সাইকো টাইপের রে*পিস্ট কেউ।

পুলিশের পুরো ফোর্স ডমিনিকের বাসায় সার্চ করার সময় ডমিনিকের স্ত্রী জিসেল অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে- আমাদের বাসায় পুলিশ কেন? পুলিশ তার হাসবেন্ডের ব্যাপারে তখনো কিছু জানায়নি জিসেলকে।

পুলিশের পুরো ফোর্স মিলে ডমিনিকের পার্সোনাল ল্যাপটপ ,পিসি, মোবাইল, গোপনীয় ছবি তোলার ডিভাইস সবকিছু সার্চ করা শুরু করে। যেসব সাইট কিংবা ব্রাউজারে স্পেশাল সিকিউরিটি দেয়া ছিল সেগুলোও ডমিনিকের ফেসিয়াল ভেরিফিকশনের মাধ্যমে এক্সেস করে।

তারা সেগুলোতে এক্সেস করার পর তাদের চক্ষু প্রায় চড়কগাছ!

কারণ পুলিশ দেখতে পায় - ডমিনিক অন্য পুরুষদের দিয়ে তার নিজের স্ত্রীকে ধ*র্ষণ করাচ্ছে, নির্যাতন করাচ্ছে আর সে পাশে বসে হাসছে। এই ভিডিওগুলোই সে আবার বিভিন্ন গ্রুপে ২০ ডলার করে বিক্রি করছে।

পুলিশের ফোর্স তখন ডমিনিকের স্ত্রীকে এসব ব্যাপার জানায়। ডমিনিকের স্ত্রীরও যেন মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ার মতো অবস্থা।

সে তখন পুলিশকে জানায়- তার প্রায়ই মনে হতো তার চায়ে কেউ ঘুমের ঔষধ মিশিয়েছে, অথবা তাকে ড্রিংস করিয়েছে। সকালে ঘুম থেকে উঠে মনে হতো তার সারা শরীর ব্যথায় জ্বলে যাচ্ছে। সে তার হাসবেন্ডকে প্রতিবার এগুলো জানাতো কিন্তু ডমিনিক কথা ঘুরিয়ে অন্য প্রসঙ্গে চলে যেতো।

তারপর পুলিশ ডমিনিককে জেলে নিয়ে যায় এবং রিমান্ডে পুরো ঘটনার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনও তারপর পুরো ব্যাপারটার খুটিনাটি বের করতে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

ডমিনিক জানায়- প্রথমদিকে সে তার স্ত্রীর সাথে যৌনমিলন করে মজা পেতো কিন্তু ধীরে ধীরে সেটা তার কাছে পানসে লাগতে থাকে। তাই সে এটাকে ইন্টারেস্টিং করার পথ খুঁজতে থাকে।

কিভাবে ইন্টারেস্টিং করা যায় সেই আইডিয়া না পেয়ে সে 'উইদাউট হার নলেজ' নামে একটা চ্যাটরুম খুলে। এখানে যারা যারা জয়েন করতো তারা আইডিয়া দিতো কিভাবে সে*ক্সুয়াল ব্যাপারটাকে আরও বেশি রোমাঞ্চকর করা যায়।

প্রথমে একজন আইডিয়া দেয় তারা স্ত্রীকে অচেতন করে নির্যাতন করবে। এই নির্যাতনটা হবে স্ত্রীর চোখের পাতা, ভ্রু টেনে টেনে তুলে ফেলার মাধ্যমে। তারা এটার নাম দিয়ছিল .

সেদিনই কয়েকজন তাদের স্ত্রীকে মদ খাইয়ে চোখের পাতা টেনে এবং ভ্রু ছিঁড়ে ভিডিও করে। যারা করতে পারেনি তারা অন্যদের ভিডিও ২০ ডলার করে কিনে দেখে।

তারপর ওই সাইটে একজন জানায় তার কাছে অজ্ঞান করার ঔষধ আছে। এটা ব্যবহার করলে স্ত্রীকে তাড়াতাড়ি অজ্ঞান করা যাবে এবং আরও বেশি বেশি পাষবিক নির্যাতন করা যাবে।

তার এই আইডিয়া পেয়ে সবাই তার কাছ থেকে টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমে ডলার দিয়ে স্লিপিং লিকুইড কিনে। সে জানায় এটা খেলে স্ত্রীরা কিছুই টের পাবে না এবং পরেও কিছুই মনে রাখতে পারবে না।

তাই কোন টেনশন নেই। ওই ওয়েবসাইটেই সে এটাও শিখিয়ে দেয় কতটুকু খাওয়ালে কত ঘন্টা অজ্ঞান থাকবে।

এবার যেহেতু তাদের কাছে অজ্ঞান করার ঔষধ আছে তাই তারা তাদের স্ত্রীর উপর আরও পাষবিক নির্যাতন করার আইডিয়া চাইতে থাকে। কেউ কেউ বলে তাদের স্ত্রীকে মারধর করতে, বেত্রাঘাত করতে। কেউ কেউ আবার যৌ*নাঙ্গে টর্চার করতেও বলে।

এভাবে টর্চার স্ত্রীর উপর টর্চার করে এবং ভিডিও বিক্রি করে বেশ কিছুদিন কেটে যায় ডিমিনেকর।

তারপর ডমিনিকের মনে হতে থাকে আরও রোমাঞ্চকর কিছু করা দরকার। তাই সে 'রেপ একাডেমি' নামে আরেকটা ওয়েবসাইট খু্লে। এই ওয়েবসাইটে সে আরও পাষবিক কিছু করতে চায়।

সে এখানে সবাইকে শিখাতে কিভাবে মেয়েদেরকে রে*প করা যায় ,নির্যাতন করা যায়। ধরা না পড়ার জন্যে কি কি করা লাগে সেগুলোও শিখাতো সে।

তবে ধ*র্ষণের এ কলকাঠি শিখাতে হলে তো একটা মেয়েকে লাগবে। তাই সে তার স্ত্রীকেই বেছে নিয়েছিল। সে তার স্ত্রীর চায়ে কড়া ডোজের স্লিপিং লিকুইড দিতো।

তারপর এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে লোকজন ভাড়া করে আনতো। যারা আগ্রহী হতো তারা ডলার দিয়ে তার বাসায় আসতো রে*প করা শিখার জন্যে।

ডমিনিক একপাশে বসে থাকতো আর বিভিন্ন মানুষ এসে তার সামনেই তার স্ত্রীকে রে*প করতো। সে পাশে বসেই হেসে হেসে সবাইকে শিখিয়ে দিতো এবং ভিডিও করতো।

ধ*র্ষণটা যাতে পাষবিকভাবে হয় তাই সে অন্যদেরকে বলতো তার স্ত্রীর স্তনে ধারালো রেজার দিয়ে আঘাত করতে, চোখে-মুখে ,কানে কামড়ে কাটার মতো অবস্থা করতে, পশ্চাৎদেশে শক্ত বেল্ট দিয়ে আঘাত করতেও বলতো।

তাছাড়া স্ত্রীর যৌ*নাঙ্গে স্টিলের ছোট ছোট রড ঢুকাতেও এগিয়ে দিতো সে। যত বেশি নির্যাতন করতে পারতো ,কষ্ট দিতে পারতো তত বেশি খুশি হয়ে পৈশাচিকভাবে হাসতো তারা।

বিভিন্ন পেশার মানুষজন আসতো তার কাছে রে*প শিখতে। সে নিজেও অবাক হয়ে যেত এত এত এলিট মানুষদের এসবের প্রতি আগ্রহ দেখে। তাই সে প্রতিবারই পেমেন্ট বাড়িয়ে দিতো।

তার স্ত্রী জিজেল স্লিপিং লিকুইডের প্রতিক্রিয়ায় কিছুই মনে রাখতে পারতো না। সে ঘোরের মধ্যে থাকতো এবং তার মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তিও ধীরে ধীরে লোপ পাচ্ছিল তার।

দিনেরবেলা সে তার শরীরে কালসিটে দাগ এবং যৌ*নাঙ্গের তীব্র ব্যথা অনুভব করতো শুধু। মাঝেমধ্যে ঔষধের কারণে সেগুলোও অনুভব করতে পারতো না। কালসিটে দাগের ব্যাপারে ডমিনিককে জিজ্ঞেস করলে সে অন্য প্রসঙ্গ টেনে ভিন্ন কিছু বুঝাতো তাকে।

এভাবে দীর্ঘ ৯ বছরের উপর তার স্ত্রীর মাধ্যমে ৭০ জন মানুষকে রেপ করা শিখিয়েছে সে। আর তাকে পাষবিক আইডিয়া দেয়ার জন্যে ওয়েবসাইটের সহযোগী ছিল ৫০ জন।

সে বিভিন্ন মানুষের মাধ্যমে ২০০ বারেরও বেশি তার নিজ স্ত্রীকে ধ*র্ষণ করিয়েছে। এই ধ*র্ষণ এবং নির্যাতনের ভিডিও এখন পর্যন্ত ৮২ মিলিয়ন মানুষ টাকা দিয়ে কিনে দেখেছে, উপভোগ করেছে।

পুরো ঘটনার স্বীকারোক্তি দেয়ার পর ২০২৪ সালে ডমিনিককে ফ্রান্সের আদালতে তোলা হয় এবং ২০ বছরের কারাদন্ড দেয়া হয় তাকে। তার সাথের ৫০ জন সহযোগীদেরকেও ৮ বছর করে কারাদন্ড দেয়া হয়।

তবে আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে ডমিনিককে ২৪ সালে জেলে ভরলেও এসব ঘটনা এখনো থেমে থাকেনি। কারণ ডমিনিক যাদেরকে ধ*র্ষণ করা শিখিয়েছিল তারা এখন সেগুলো তাদের স্ত্রী, বান্ধবী কিংবা বাইরের মেয়েদের উপর প্রয়োগ করে যাচ্ছে।

তাদের ওয়েবসাইট অজ্ঞান করার ঔষধের সাপ্লাই এখনো থাকায় তারা খুব সহজেই এ পাষবিক ধ*র্ষণগুলো করতে পারছে তারা।

তাছাড়া ক্রিপ্টোকারেন্সিতে পেমেন্ট করায় এবং পুরো কার্যক্রম টেলিগ্রামে চলানোর কারণে পুলিশ কিংবা স্পেশাল সিকিউরিটির গোয়েন্দারাও ট্রেস করতে পারছে না তাদেরকে।

যেসব মেয়েরা ডমিনিকের স্ত্রীর মতো তাদের হাসবেন্ডের মাধ্যমে অন্য পুরুষদের কাছে ধ*র্ষণের শিকার হয়েছে তারা বেশিরভাগই এখন মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। অনেকেই সু*ইসাইড করার স্টেপও নিয়েছে।

তাদের মধ্যে থেকে একটা মেয়ের ভাষ্যমতে- সে এখন মানুষ দেখলে ভয় পায়। তার স্বামীর ছবি দেখলে ভয় পায়। রাত হলেও ভয় পায়। তার এখন মরে যেতে ইচ্ছে করে শুধু।

আরেকজন মেয়ের মতে- তার এখন নিজের প্রতি ঘেন্না হয়। সে নিজেকে শুধু একটা মাংসপিণ্ড মনে করে যেটাকে চাইলেই ইচ্ছামতো ধ*র্ষণ করা যায় ,নির্যাতন করা যায়।

যেসব মেয়েদেরকে এমন পাষবিকভাবে ধ*র্ষণ এবং নির্যাতন করা হয়েছে তারা কেউই এখন বাঁচতে চায় না। তাদের সবারই কথা ছিল- তারা তাদের হাসবেন্ডকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতো, বিশ্বাস করতো।

অথচ তাদের সেই বিশ্বস্ত হাসবেন্ডরাই তাদেরকে ধ*র্ষণ করিয়েছে, তাদের যৌ*নাঙ্গে পাষবিকভাবে আঘাত করে করে বিভিন্ন মানুষকে রে*প করা শিখিয়েছে

- Ibrahim Khalil Shawon

এই মানুষটাকে নিয়ে আজকে কয়েকটা লাইন বলি 📝📝আপনার কাছে কৃতজ্ঞ আপনার অধীনে জীবনে একবার হলেও বাক স্বাধীনতা পেয়েছিলাম। আমি ...
15/02/2026

এই মানুষটাকে নিয়ে আজকে কয়েকটা লাইন বলি

📝📝
আপনার কাছে কৃতজ্ঞ আপনার অধীনে
জীবনে একবার হলেও বাক স্বাধীনতা পেয়েছিলাম। আমি আমার দেশের হয়ে কথা বলার সুযোগ পেয়েছিলাম নির্ভয়ে! ✅

দেশের যে ভয়াবহ অবস্থাতে আপনি দেশের দায়িত্ব নিয়েছিলেন একটি সুন্দর নির্বাচন পর্যন্ত নিয়ে এসেছেন এর জন্য আমরা আপনাকে মনে রাখবো! 💝

তবে বিশ্বাস করেন প্রফেসর সাহেব আপনি যাদের কাছে রেখে যাচ্ছেন আমাদের আমরা তাদের কাছে ভালো থাকবো না! 🥺
তারা আমাদেরকে গোলাম বানিয়ে রাখবে😔
তারা আমাদের স্বাধীনতা কেড়ে নিবে।
তারা আমাদের জুলাই নিয়ে ঠাট্টা করবে! 💔

কেন জানি আমি আমার দেশের এক কালো ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছি। যা ভেবে আমি কাঁদছি!
বাকি কথা নীরবে রবের সাথে হবে। 🤲




আখাউড়া কসবা কার কাছে নিরাপদ কে আখাউড়া কসবার যোগ্য ব্যক্তি ✅👍কার পক্ষে যাবে জনমত?রাজনীতির মাঠে কে কাকে টেক্কা দেবে?নির্...
10/02/2026

আখাউড়া কসবা কার কাছে নিরাপদ
কে আখাউড়া কসবার যোগ্য ব্যক্তি ✅👍

কার পক্ষে যাবে জনমত?
রাজনীতির মাঠে কে কাকে টেক্কা দেবে?
নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে কৌতূহল।

ভোট দিয়ে মতামত জানান 👍❤️

#বিশেষ_জরিপ #জামায়াত #বিএনপি
#নির্বাচন২০২৬ #তারেক_জিয়া
#জামায়াত #বিএনপি
#রাজনীতিরখবর
#খাইরুল_দেওয়ান

#রাজনীতিরখবর
#নির্বাচন২০২৬

🎀আপনাদের পছন্দের মার্কা 🤣💝🎀মার্কা টা কি 👰‍♀️সবাই আমাকে ভোট দিবেন আর একটা করে বউ নিয়ে যাবেন 🤣💝🎀☺️     #জনকল্যাণপার্টি  #...
09/02/2026

🎀আপনাদের পছন্দের মার্কা 🤣💝
🎀মার্কা টা কি 👰‍♀️

সবাই আমাকে ভোট দিবেন আর একটা করে বউ নিয়ে যাবেন 🤣💝🎀☺️


#জনকল্যাণপার্টি

#খাইরুল_দেওয়ান




Adresse

গঙ্গাসাগর আখাউড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া
Democratic Republic Of The

Site Web

Notifications

Soyez le premier à savoir et laissez-nous vous envoyer un courriel lorsque Hafez Jihad Ahmed publie des nouvelles et des promotions. Votre adresse e-mail ne sera pas utilisée à d'autres fins, et vous pouvez vous désabonner à tout moment.

Raccourcis

Partager