22/04/2026
১৮+ অ্যালার্ট.!
(প্রাপ্তবয়স্ক ব্যতিত এই লেখাটা পড়া সম্পূর্ণ নিষেধ)
ডমিনিক নামের ফ্রান্সের এক লোক শপিং মলে গিয়েছিল কেনাকাটা করতে। বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে তার উদ্দেশ্য ছিল কেনাকাটা করা কিন্তু ভেতরে ভেতরে তার উদ্দেশ্য ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।
শপিং মলে ঢুকে জিনিসপত্র পছন্দ করার ফাঁকে ফাঁকে ডমিনিক তার মোবাইল এবং গোপন ডিভাইস বের করে মেয়ে কাস্টমারদের স্কাটের নিচের গোপনা*ঙ্গের ছবি তুলতে থাকে।
এভাবে অনেকক্ষণ যাবত কেনাকাটার বাহানায় অনেকগুলো মেয়ের গোপনা*ঙ্গের ছবি তুলে সে। গোপন ডিভাইস দিয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে ছবি তোলায় শপিং সেলসম্যান কিংবা নারীরাও বুঝতে পারেনি।
এভাবে কয়েক ঘন্টা পার হয়ে যাওয়ার পরও ডমিনিক যখন শপিং মল থেকে বের হচ্ছিল না তখন সেলসম্যানদের সন্দেহ হয় এবং তারা সিসিটিভির মনিটরে ডমিনিকের কার্যক্রম লক্ষ্য করতে থাকে।
তখন তারা দেখতে পায়- ডমিনিক কেনাকাটার বাহানায় মেয়েদের খুব কাছাকাছি যাচ্ছে এবং তার হাতে থাকা ছোট্ট ডিভাইস দিয়ে নিঁচু হয়ে মেয়েদের স্কাটের নিচের গোপনাঙ্গের ছবি তুলছে।
তারা ডমিনিককে কিছু বুঝতে না দিয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশকে কল দেয় এবং তাকে পুলিশে ধরিয়ে দেয়। পুলিশ প্রথমে ভেবেছিল সে হয়তো পাগল টাইপের কেউ ,মজা করে এসব কাজ করেছে।
কিন্তু পুলিশের স্পেশাল ফোর্সের একজনের সন্দেহের ভিত্তিতে ডমিনিকের বাসায় তল্লাশি করতে যায় পুলিশ। তারা বুঝার চেষ্টা করছিল ডমিনিক শুধুমাত্র মজা করেই ছবিগুলো তুলেছিল নাকি সে সাইকো টাইপের রে*পিস্ট কেউ।
পুলিশের পুরো ফোর্স ডমিনিকের বাসায় সার্চ করার সময় ডমিনিকের স্ত্রী জিসেল অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে- আমাদের বাসায় পুলিশ কেন? পুলিশ তার হাসবেন্ডের ব্যাপারে তখনো কিছু জানায়নি জিসেলকে।
পুলিশের পুরো ফোর্স মিলে ডমিনিকের পার্সোনাল ল্যাপটপ ,পিসি, মোবাইল, গোপনীয় ছবি তোলার ডিভাইস সবকিছু সার্চ করা শুরু করে। যেসব সাইট কিংবা ব্রাউজারে স্পেশাল সিকিউরিটি দেয়া ছিল সেগুলোও ডমিনিকের ফেসিয়াল ভেরিফিকশনের মাধ্যমে এক্সেস করে।
তারা সেগুলোতে এক্সেস করার পর তাদের চক্ষু প্রায় চড়কগাছ!
কারণ পুলিশ দেখতে পায় - ডমিনিক অন্য পুরুষদের দিয়ে তার নিজের স্ত্রীকে ধ*র্ষণ করাচ্ছে, নির্যাতন করাচ্ছে আর সে পাশে বসে হাসছে। এই ভিডিওগুলোই সে আবার বিভিন্ন গ্রুপে ২০ ডলার করে বিক্রি করছে।
পুলিশের ফোর্স তখন ডমিনিকের স্ত্রীকে এসব ব্যাপার জানায়। ডমিনিকের স্ত্রীরও যেন মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ার মতো অবস্থা।
সে তখন পুলিশকে জানায়- তার প্রায়ই মনে হতো তার চায়ে কেউ ঘুমের ঔষধ মিশিয়েছে, অথবা তাকে ড্রিংস করিয়েছে। সকালে ঘুম থেকে উঠে মনে হতো তার সারা শরীর ব্যথায় জ্বলে যাচ্ছে। সে তার হাসবেন্ডকে প্রতিবার এগুলো জানাতো কিন্তু ডমিনিক কথা ঘুরিয়ে অন্য প্রসঙ্গে চলে যেতো।
তারপর পুলিশ ডমিনিককে জেলে নিয়ে যায় এবং রিমান্ডে পুরো ঘটনার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনও তারপর পুরো ব্যাপারটার খুটিনাটি বের করতে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
ডমিনিক জানায়- প্রথমদিকে সে তার স্ত্রীর সাথে যৌনমিলন করে মজা পেতো কিন্তু ধীরে ধীরে সেটা তার কাছে পানসে লাগতে থাকে। তাই সে এটাকে ইন্টারেস্টিং করার পথ খুঁজতে থাকে।
কিভাবে ইন্টারেস্টিং করা যায় সেই আইডিয়া না পেয়ে সে 'উইদাউট হার নলেজ' নামে একটা চ্যাটরুম খুলে। এখানে যারা যারা জয়েন করতো তারা আইডিয়া দিতো কিভাবে সে*ক্সুয়াল ব্যাপারটাকে আরও বেশি রোমাঞ্চকর করা যায়।
প্রথমে একজন আইডিয়া দেয় তারা স্ত্রীকে অচেতন করে নির্যাতন করবে। এই নির্যাতনটা হবে স্ত্রীর চোখের পাতা, ভ্রু টেনে টেনে তুলে ফেলার মাধ্যমে। তারা এটার নাম দিয়ছিল .
সেদিনই কয়েকজন তাদের স্ত্রীকে মদ খাইয়ে চোখের পাতা টেনে এবং ভ্রু ছিঁড়ে ভিডিও করে। যারা করতে পারেনি তারা অন্যদের ভিডিও ২০ ডলার করে কিনে দেখে।
তারপর ওই সাইটে একজন জানায় তার কাছে অজ্ঞান করার ঔষধ আছে। এটা ব্যবহার করলে স্ত্রীকে তাড়াতাড়ি অজ্ঞান করা যাবে এবং আরও বেশি বেশি পাষবিক নির্যাতন করা যাবে।
তার এই আইডিয়া পেয়ে সবাই তার কাছ থেকে টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমে ডলার দিয়ে স্লিপিং লিকুইড কিনে। সে জানায় এটা খেলে স্ত্রীরা কিছুই টের পাবে না এবং পরেও কিছুই মনে রাখতে পারবে না।
তাই কোন টেনশন নেই। ওই ওয়েবসাইটেই সে এটাও শিখিয়ে দেয় কতটুকু খাওয়ালে কত ঘন্টা অজ্ঞান থাকবে।
এবার যেহেতু তাদের কাছে অজ্ঞান করার ঔষধ আছে তাই তারা তাদের স্ত্রীর উপর আরও পাষবিক নির্যাতন করার আইডিয়া চাইতে থাকে। কেউ কেউ বলে তাদের স্ত্রীকে মারধর করতে, বেত্রাঘাত করতে। কেউ কেউ আবার যৌ*নাঙ্গে টর্চার করতেও বলে।
এভাবে টর্চার স্ত্রীর উপর টর্চার করে এবং ভিডিও বিক্রি করে বেশ কিছুদিন কেটে যায় ডিমিনেকর।
তারপর ডমিনিকের মনে হতে থাকে আরও রোমাঞ্চকর কিছু করা দরকার। তাই সে 'রেপ একাডেমি' নামে আরেকটা ওয়েবসাইট খু্লে। এই ওয়েবসাইটে সে আরও পাষবিক কিছু করতে চায়।
সে এখানে সবাইকে শিখাতে কিভাবে মেয়েদেরকে রে*প করা যায় ,নির্যাতন করা যায়। ধরা না পড়ার জন্যে কি কি করা লাগে সেগুলোও শিখাতো সে।
তবে ধ*র্ষণের এ কলকাঠি শিখাতে হলে তো একটা মেয়েকে লাগবে। তাই সে তার স্ত্রীকেই বেছে নিয়েছিল। সে তার স্ত্রীর চায়ে কড়া ডোজের স্লিপিং লিকুইড দিতো।
তারপর এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে লোকজন ভাড়া করে আনতো। যারা আগ্রহী হতো তারা ডলার দিয়ে তার বাসায় আসতো রে*প করা শিখার জন্যে।
ডমিনিক একপাশে বসে থাকতো আর বিভিন্ন মানুষ এসে তার সামনেই তার স্ত্রীকে রে*প করতো। সে পাশে বসেই হেসে হেসে সবাইকে শিখিয়ে দিতো এবং ভিডিও করতো।
ধ*র্ষণটা যাতে পাষবিকভাবে হয় তাই সে অন্যদেরকে বলতো তার স্ত্রীর স্তনে ধারালো রেজার দিয়ে আঘাত করতে, চোখে-মুখে ,কানে কামড়ে কাটার মতো অবস্থা করতে, পশ্চাৎদেশে শক্ত বেল্ট দিয়ে আঘাত করতেও বলতো।
তাছাড়া স্ত্রীর যৌ*নাঙ্গে স্টিলের ছোট ছোট রড ঢুকাতেও এগিয়ে দিতো সে। যত বেশি নির্যাতন করতে পারতো ,কষ্ট দিতে পারতো তত বেশি খুশি হয়ে পৈশাচিকভাবে হাসতো তারা।
বিভিন্ন পেশার মানুষজন আসতো তার কাছে রে*প শিখতে। সে নিজেও অবাক হয়ে যেত এত এত এলিট মানুষদের এসবের প্রতি আগ্রহ দেখে। তাই সে প্রতিবারই পেমেন্ট বাড়িয়ে দিতো।
তার স্ত্রী জিজেল স্লিপিং লিকুইডের প্রতিক্রিয়ায় কিছুই মনে রাখতে পারতো না। সে ঘোরের মধ্যে থাকতো এবং তার মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তিও ধীরে ধীরে লোপ পাচ্ছিল তার।
দিনেরবেলা সে তার শরীরে কালসিটে দাগ এবং যৌ*নাঙ্গের তীব্র ব্যথা অনুভব করতো শুধু। মাঝেমধ্যে ঔষধের কারণে সেগুলোও অনুভব করতে পারতো না। কালসিটে দাগের ব্যাপারে ডমিনিককে জিজ্ঞেস করলে সে অন্য প্রসঙ্গ টেনে ভিন্ন কিছু বুঝাতো তাকে।
এভাবে দীর্ঘ ৯ বছরের উপর তার স্ত্রীর মাধ্যমে ৭০ জন মানুষকে রেপ করা শিখিয়েছে সে। আর তাকে পাষবিক আইডিয়া দেয়ার জন্যে ওয়েবসাইটের সহযোগী ছিল ৫০ জন।
সে বিভিন্ন মানুষের মাধ্যমে ২০০ বারেরও বেশি তার নিজ স্ত্রীকে ধ*র্ষণ করিয়েছে। এই ধ*র্ষণ এবং নির্যাতনের ভিডিও এখন পর্যন্ত ৮২ মিলিয়ন মানুষ টাকা দিয়ে কিনে দেখেছে, উপভোগ করেছে।
পুরো ঘটনার স্বীকারোক্তি দেয়ার পর ২০২৪ সালে ডমিনিককে ফ্রান্সের আদালতে তোলা হয় এবং ২০ বছরের কারাদন্ড দেয়া হয় তাকে। তার সাথের ৫০ জন সহযোগীদেরকেও ৮ বছর করে কারাদন্ড দেয়া হয়।
তবে আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে ডমিনিককে ২৪ সালে জেলে ভরলেও এসব ঘটনা এখনো থেমে থাকেনি। কারণ ডমিনিক যাদেরকে ধ*র্ষণ করা শিখিয়েছিল তারা এখন সেগুলো তাদের স্ত্রী, বান্ধবী কিংবা বাইরের মেয়েদের উপর প্রয়োগ করে যাচ্ছে।
তাদের ওয়েবসাইট অজ্ঞান করার ঔষধের সাপ্লাই এখনো থাকায় তারা খুব সহজেই এ পাষবিক ধ*র্ষণগুলো করতে পারছে তারা।
তাছাড়া ক্রিপ্টোকারেন্সিতে পেমেন্ট করায় এবং পুরো কার্যক্রম টেলিগ্রামে চলানোর কারণে পুলিশ কিংবা স্পেশাল সিকিউরিটির গোয়েন্দারাও ট্রেস করতে পারছে না তাদেরকে।
যেসব মেয়েরা ডমিনিকের স্ত্রীর মতো তাদের হাসবেন্ডের মাধ্যমে অন্য পুরুষদের কাছে ধ*র্ষণের শিকার হয়েছে তারা বেশিরভাগই এখন মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। অনেকেই সু*ইসাইড করার স্টেপও নিয়েছে।
তাদের মধ্যে থেকে একটা মেয়ের ভাষ্যমতে- সে এখন মানুষ দেখলে ভয় পায়। তার স্বামীর ছবি দেখলে ভয় পায়। রাত হলেও ভয় পায়। তার এখন মরে যেতে ইচ্ছে করে শুধু।
আরেকজন মেয়ের মতে- তার এখন নিজের প্রতি ঘেন্না হয়। সে নিজেকে শুধু একটা মাংসপিণ্ড মনে করে যেটাকে চাইলেই ইচ্ছামতো ধ*র্ষণ করা যায় ,নির্যাতন করা যায়।
যেসব মেয়েদেরকে এমন পাষবিকভাবে ধ*র্ষণ এবং নির্যাতন করা হয়েছে তারা কেউই এখন বাঁচতে চায় না। তাদের সবারই কথা ছিল- তারা তাদের হাসবেন্ডকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতো, বিশ্বাস করতো।
অথচ তাদের সেই বিশ্বস্ত হাসবেন্ডরাই তাদেরকে ধ*র্ষণ করিয়েছে, তাদের যৌ*নাঙ্গে পাষবিকভাবে আঘাত করে করে বিভিন্ন মানুষকে রে*প করা শিখিয়েছে
- Ibrahim Khalil Shawon