09/09/2026
আজ সকাল সাড়ে এগারোটার দিকে একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেল। আমি যে বাসায় থাকি সে বাসার লিফট আটকে যায় বিদ্যুৎ চলে গেলে। ভেতরে অন্য এক বাসার সহকারী ছিলেন। দারোয়ান ভাই তাকে তিনতলার লিফটের দরজা খুলে বের করার চেষ্টা করতে গেলে নিজেই ফাঁকে দিয়ে নিচে পড়ে যান। আল্লাহর অশেষ রহমত যে অন্য ফ্ল্যাট মালিক নিজের মায়ের খোঁজ করতে সিঁড়ি দিয়ে নামেন, কারণ ওনার মা বয়স্ক মানুষ সিঁড়ি দিয়ে উঠতে পারবে না একা বিদ্যুৎ না থাকায়। ওনাকে আনার জন্য নামতে গিয়ে বুঝতে পারেন লিফট আটকে আছে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায়। এবং ভেতরে এক মহিলা চিৎকার করছে। শব্দ শুনে আমিও বের হই। আমরা মহিলারা ওনাদের উদ্ধার করার কোনো পথ পাচ্ছিলাম না। বাসার পুরুষরা কেউ এসময় বাসায় নেই। তখন রাস্তা থেকে কিছু লোক ডাকা হয়। ওনারা আগে বাসার বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ করেন যেন হঠাৎ বিদ্যুৎ এলে এনারা চাপা না পড়েন। এরপর দড়ি বেঁধে ওনাদের নিচ থেকে উদ্ধার করেন। দারোয়ান ভাইকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে, মাথা ফেটে গিয়েছে, পাও ভেঙেছে মনে হচ্ছে। তুলনামূলক মহিলার আঘাত কম। তিনি মূলত গরম ও ভয়ে অজ্ঞান হয়েছেন। লিফট নিয়ে এমনিতেই মনে অনেক আতংক আছে। আজ আরও বাড়লো।
বি: দ্র-
(অদ্ভুত! কারও কারও প্রশ্ন এমন যে বানিয়ে লিখলাম কিনা! এটা বানিয়ে লেখার কী আছে!
দারোয়ান ভাই এখন ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি আছেন। তিনি সুস্থ হয়ে ফিরে এলে জানা যাবে যে লিফটের ফাঁক দিয়ে পড়ে নিচ পর্যন্ত কিভাবে চলে গেলেন।
সম্ভবত ভেতরে থাকা মহিলা কোথায় আছে তা দেখার জন্য লিফটের দরজা খোলার পর পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে লিফট শ্যাফটের ফাঁকা জায়গায় পড়ে যান এবং নিচে চলে যান। যদিও কিভাবে পড়েছেন তা আমরা দেখিনি। আমরা যখন দেখি ততক্ষণে তিনি পড়ে গিয়েছেন এবং আঘাতে অচেতন প্রায়।)