Tharif

Tharif I don’t need anyone else to distract me from myself anymore like I always thought I would. [email protected]
(1)

Those countries that follow the sanctions imposed on Iran by the United States will inevitably face difficulties passing...
13/05/2026

Those countries that follow the sanctions imposed on Iran by the United States will inevitably face difficulties passing through the Strait of Hormuz.

11/05/2026
24/03/2026

বিশেষজ্ঞ এবং সামরিক বিশ্লেষকদের সাম্প্রতিক মূল্যায়ন অনুসারে, বর্তমান যুদ্ধের ধারা বজায় রেখে ইরানের পক্ষে আরও ২ থেকে ৪ মাস ধরে এই হামলা চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রয়েছে । তবে, এটি নির্ভর করছে তারা কতটুকু সামরিক সম্পদ ব্যবহার করছে এবং শত্রুপক্ষ কত দ্রুত তাদের সক্ষমতা ধ্বংস করতে পারে তার ওপর ।

নিচে ইরানের যুদ্ধ সক্ষমতার মূল বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো:

⏳ যুদ্ধের সময়সীমা: ধৈর্যের যুদ্ধ

ইরান এখন "দীর্ঘস্থায়ী ধৈর্যের যুদ্ধ"-এর কৌশল নিয়েছে, যা দ্রুত বিজয়ের চেয়ে শত্রুপক্ষকে ক্লান্ত করে ফেলার ওপর জোর দেয় । ফরাসি সামরিক বিশ্লেষক মিশেল গোয়ার মতে, বর্তমান হামলার গতি বজায় রেখে ইরানের কাছে আরও ২ থেকে ৪ মাস ধরে হামলা চালানোর মতো ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ রয়েছে ।

অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তাদের সামরিক অভিযানের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই এবং ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস না করা পর্যন্ত তারা চালিয়ে যাবে ।

🚀 ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা: ভাণ্ডার বনাম উৎক্ষেপক

ইরানের প্রধান শক্তি হলো বিপুল পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ। আনুমানিক তথ্য অনুযায়ী:

· মোট মজুদ: ইরানের কাছে প্রায় ১ লক্ষ বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী দাবি করেছে, যুদ্ধ শুরুর পর এ পর্যন্ত তাদের মোট মজুদের মাত্র ৭ শতাংশ ব্যবহার করা হয়েছে ।
· দৈনিক উৎপাদন: প্রতিদিন তারা প্রায় ৩ থেকে ৪টি নতুন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে সক্ষম ।

তবে, সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো উৎক্ষেপক যন্ত্র (লঞ্চার)। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় এ পর্যন্ত প্রায় ৫০০টির মধ্যে ৩০০টির বেশি উৎক্ষেপক ধ্বংস হয়েছে । উৎক্ষেপক ধ্বংস হয়ে গেলে বিপুল সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র থাকা সত্ত্বেও সেগুলো ব্যবহার করা কঠিন হয়ে পড়ে ।

🏔️ ভূগর্ভস্থ মিসাইল সিটি: গোপন শক্তির ভাণ্ডার

ইরানের সবচেয়ে বড় কৌশলগত সুবিধা হলো তাদের পার্বত্য অঞ্চলের গভীরে নির্মিত "মিসাইল সিটি" । এসব ভূগর্ভস্থ শহরে রয়েছে:

· ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন লাইন
· কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার
· বিপুল পরিমাণ অস্ত্রের মজুদ

এই স্থাপনাগুলো শত শত মিটার ভূগর্ভে থাকায় সাধারণ আকাশী হামলায় ধ্বংস করা প্রায় অসম্ভব । এটাই ইরানের সবচেয়ে বড় টিকে থাকার শক্তি।

🎯 পাল্লা ও নির্ভুলতা: নতুন মাত্রা

সম্প্রতি ইরান প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ডিয়েগো গার্সিয়া মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে বিশ্বকে চমকে দিয়েছে । যদিও হামলাটি সফল হয়নি, এটি প্রমাণ করেছে যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা আগের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি, যা ইউরোপের মার্কিন ঘাঁটির জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে ।

⚠️ মূল সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ

ইরানের যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার পথে প্রধান বাধাগুলো হলো:

1. উৎক্ষেপকের ঘাটতি: এটি সবচেয়ে জটিল সমস্যা। লঞ্চার ধ্বংস হয়ে গেলে ট্রাক বা অন্যান্য যানবাহনকে অস্থায়ী লঞ্চারে রূপান্তর করতে সময় লাগে ।
2. ভূগর্ভস্থ গুদামে প্রবেশের সীমাবদ্ধতা: ইসরাইলি হামলায় ভূগর্ভস্থ গুদামের প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়ায় ভেতরে রাখা ক্ষেপণাস্ত্র বের করে আনা কঠিন হয়ে পড়ছে ।
3. অর্থনৈতিক অবরোধ: যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল রপ্তানির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় তাদের যুদ্ধ পরিচালনার অর্থনৈতিক সক্ষমতা দিন দিন কমছে ।

24/03/2026

ইরান-ইসরায়েল সংঘাত ২৪তম দিনে পৌঁছেছে, উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও বিমান হামলা চলছে। তেহরান ও তেল আবিবসহ একাধিক শহরে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। এই সংঘাত এখন উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশেও ছড়িয়ে পড়েছে এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।

নিচে গত ২৪ ঘণ্টায় ঘটে যাওয়া সবশেষ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা তুলে ধরা হলো:

· ইরানের হামলা: ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (IRGC) "অপারেশন ট্রু প্রমিজ-৪"-এর ৭৫তম ও ৭৬তম পর্যায়ে ইসরায়েলের সামরিক স্থাপনা এবং সৌদি আরব, ইরাক ও বাহরাইনে অবস্থিত বেশ কয়েকটি মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্তল ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে । এর মধ্যে সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ার বেসও রয়েছে ।
· ইসরায়েলের হামলা: ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা তেহরানের "হৃদয়ে" অবস্থান করে ইরানের অবকাঠামোতে ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে এবং আগামী কয়েক সপ্তাহ ধরে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে । এছাড়া, লেবাননের দক্ষিণে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে স্থল ও আকাশপথে তীব্র অভিযান চালানো হচ্ছে, যেখানে লিতানি নদীর ওপর একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু ধ্বংস করা হয়েছে ।
· উপসাগরীয় অঞ্চলে বিস্তার: সংঘাত শুধু ইরান ও ইসরায়েলে সীমাবদ্ধ নেই। সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) রাজধানী আবুধাবিতে ইরানের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্তল আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ভূপাতিত হলে তার ধ্বংসাবশেষ পড়ে এক ভারতীয় নাগরিক সামান্য আহত হয়েছেন । বাহরাইন, কুয়েত ও সৌদি আরবেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে ।
· কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব:
· হরমুজ প্রণালী: যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি খুলে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। জবাবে ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালানো হলে তারা প্রণালীটি পুরোপুরি বন্ধ করে দেবে এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালাবে ।
· তেলের দাম: এই সংঘাতের জের ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৩ ডলার ছাড়িয়েছিল, তবে যুক্তরাষ্ট্রের আল্টিমেটামের পর তা কিছুটা কমে ৯৬ ডলারে নেমে আসে ।
· যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের সঙ্গে "গঠনমূলক" আলোচনার কথা বলেছেন এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা পাঁচ দিন পিছিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়েছে তা অস্বীকার করেছে ।

Address

Beijing

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tharif posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share