CRIbangla

CRIbangla বিশাল ও বৈচিত্র্যময় চীনকে বাংলাভাষীদের সামনে তুলে ধরাই আমাদের লক্ষ্য #বাংলা #চীনবাংলাবেতার #সিআরআই
(1162)

রাষ্ট্রপ্রধানের কূটনীতি নতুন যুগে চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ককে স্থিতিশীল ও দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের দিকে পরিচালিত করছেবিশ্বের ...
09/06/2026

রাষ্ট্রপ্রধানের কূটনীতি নতুন যুগে চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ককে স্থিতিশীল ও দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের দিকে পরিচালিত করছে
বিশ্বের শতবর্ষব্যাপী পরিবর্তনের দ্রুততর বিবর্তনের প্রেক্ষাপটে, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং-এর উত্তর কোরিয়া সফর কেবল চীন ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যকার ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বের একটি আনুষ্ঠানিক ঘোষণাই ছিল না, বরং নতুন যুগে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়নের দিকনির্দেশনার জন্য একটি সুপরিকল্পিত রূপরেখাও ছিল।
এই সফরকালে, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং "শীর্ষ-পর্যায়ের পরিকল্পনা" এবং "কৌশলগত দিকনির্দেশনা"—এই দুটি মূল শব্দ সামনে আনেন, যা চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ককে এমন এক নতুন পর্যায়ে নিয়ে যায় যেখানে দিকনির্দেশনা, প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার উপর অধিক গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্কের উন্নয়ন কেবল ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বের স্বাভাবিক ধারাবাহিকতা নয়, বরং নতুন যুগে রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থা, বাস্তবসম্মত সহযোগিতা, জনগণের মধ্যকার বন্ধন এবং কৌশলগত সমন্বয়ের একটি প্রক্রিয়া, যা উভয় দেশের উন্নয়ন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য সহায়ক একটি ব্যাপক কাঠামো তৈরি করে। এই কাঠামোর মূল চাবিকাঠি হলো ঐতিহাসিক বন্ধুত্বকে বাস্তব সহযোগিতায়, রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থায় এবং দ্বিপাক্ষিক ঐকমত্যকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি গঠনমূলক শক্তিতে রূপান্তরিত করা।
প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং তাঁর স্বাক্ষরিত প্রবন্ধ থেকে শুরু করে আলোচনায় দেওয়া ভাষণ পর্যন্ত, কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্কের মূল অবস্থান স্পষ্ট করেছেন এবং বাস্তবসম্মত দৃষ্টিকোণ থেকে এই সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য নির্দিষ্ট কর্মপন্থা প্রস্তাব করেছেন।
প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং চারটি দিক থেকে চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্কের মূল অবস্থান পদ্ধতিগতভাবে স্পষ্ট করেছেন। সর্বোচ্চ পর্যায়ের কৌশলগত দিকনির্দেশনা ‘কে পথ দেখাবে’—এই প্রশ্নের উত্তর দেয়, অভিন্ন সমাজতান্ত্রিক আদর্শ ‘আমরা কেন একসাথে চলব’—এই প্রশ্নের জবাব দেয়, অভিন্ন নিয়তির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব ‘ভিত্তি কোথায়?’—এই প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেয়, এবং উচ্চ-পর্যায়ের কৌশলগত সহযোগিতা ‘ভবিষ্যতে কীভাবে কাজ করতে হবে’—এই প্রশ্নের দিকে নির্দেশ করে। এই চারটি মাত্রা একে অপরকে সমর্থন করে, যা নতুন যুগে চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্কের প্রকৃতি ও গতিপথ বোঝার জন্য একটি মৌলিক কাঠামো তৈরি করে।
আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের মুখে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং জোর দিয়ে বলেছেন যে “তিনটি জিনিস অপরিবর্তিত থাকবে”: চীন ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যকার ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়ার দৃঢ় অবস্থান অপরিবর্তিত থাকবে, উত্তর কোরিয়ার সমাজতান্ত্রিক আদর্শের প্রতি দৃঢ় সমর্থন অপরিবর্তিত থাকবে, এবং উভয় পক্ষের অভিন্ন স্বার্থ ও অনুকূল কৌশলগত পরিবেশ রক্ষার দৃঢ় সংকল্প অপরিবর্তিত থাকবে। এর গভীরতর অর্থ হলো, চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক কোনো বাহ্যিক চাপ বা স্বল্পমেয়াদী স্বার্থের ফল নয়, বরং এটি অভিন্ন ইতিহাস, অভিন্ন স্বার্থ, অভিন্ন নিরাপত্তা এবং অভিন্ন উন্নয়নের ওপর ভিত্তি করে একটি দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত সিদ্ধান্ত।

প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য সুস্পষ্ট কাঠামো এবং যৌক্তিকভাবে প্রগতিশীল চারটি দফা পেশ করেছেন। প্রথমত, রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থার ভিত্তি সুসংহত করার জন্য উচ্চ-পর্যায়ের বিনিময়কে পথনির্দেশক নীতি হিসেবে মেনে চলতে হবে। নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্কের দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতার চাবিকাঠি হলো শীর্ষ নেতাদের দ্বারা বজায় রাখা ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ, যারা গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দিকনির্দেশনা ও সুর নির্ধারণ করেছেন। চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্কের জন্য বাহ্যিক ঝড় মোকাবিলা এবং কৌশলগত স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে উচ্চ-পর্যায়ের বিনিময় একটি মূল প্রক্রিয়া। দ্বিতীয়ত, আমাদের অবশ্যই জনগণের কল্যাণের লক্ষ্যে অবিচল থাকতে হবে এবং বাস্তবসম্মত সহযোগিতার স্তরকে উন্নত করতে হবে। চীন উত্তর কোরিয়ার সাথে উন্নয়ন কৌশলের সমন্বয় জোরদার করতে, সহযোগিতা প্রসারিত করতে এবং সীমান্ত পারাপারের সম্পূর্ণ পুনঃউন্মোচন ও বেসামরিক বিমান চলাচল পুনরায় শুরু হওয়াকে জনগণের মধ্যে বিনিময় প্রসারের সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করতে ইচ্ছুক। সহযোগিতা যত বেশি বাস্তব হবে, বন্ধুত্ব তত উষ্ণ হবে; বিনিময় যত ঘনিষ্ঠ হবে, সম্পর্ক তত বেশি স্থিতিস্থাপক হবে। তৃতীয়ত, আমাদের অবশ্যই বন্ধুত্বের উত্তরাধিকারের চালিকাশক্তিকে মেনে চলতে হবে এবং জনগণের মধ্যে সংযোগের বন্ধনকে শক্তিশালী করতে হবে। অংশগ্রহণমূলক, বাস্তব এবং টেকসই সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের মাধ্যমে চীন-উত্তর কোরিয়া বন্ধুত্বকে উভয় দেশের জনগণের, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের, বাস্তব জীবনে প্রবেশ করতে হবে। চতুর্থত, আমাদের অবশ্যই ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচারের নীতি মেনে চলতে হবে এবং কৌশলগত সহযোগিতার তাত্পর্যকে সমৃদ্ধ করতে হবে। চীন-উত্তর কোরিয়া কৌশলগত সহযোগিতার মূল লক্ষ্য হলো এই অঞ্চলের দেশগুলোর অভিন্ন নিরাপত্তা ও উন্নয়নের অধিকার রক্ষা করা এবং ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার আরও যুক্তিসঙ্গত সমন্বয়কে উত্সাহিত করা।

কিম জং-উনের প্রতিক্রিয়া চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্কের কৌশলগত গুরুত্বের প্রতি উত্তর কোরিয়ার উচ্চ স্বীকৃতিকে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত উত্তর কোরিয়া-চীন সম্পর্ক "অটুট"। কিম জং-উন বলেন যে, নতুন যুগে উত্তর কোরিয়া-চীন বন্ধুত্বকে সুসংহত ও বিকশিত করা হলো জনগণের পছন্দ, সময়ের প্রয়োজন এবং উত্তর কোরিয়ার জন্য একটি "অবিরাম কৌশলগত পছন্দ ও অটল কৌশলগত সংকল্প"। উত্তর কোরিয়া-চীন সম্পর্কের উন্নয়ন হলো উত্তর কোরিয়ার "সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রাথমিক কৌশলগত উদ্যোগ"।

চীন স্পষ্টভাবে উত্তর কোরিয়ার সমাজতান্ত্রিক আদর্শকে সমর্থন করে, অন্যদিকে উত্তর কোরিয়াকে তার মূল স্বার্থ রক্ষায় চীনকে স্পষ্টভাবে সমর্থন করে। প্রধান নীতিগত বিষয়গুলিতে পারস্পরিক সমর্থন নতুন যুগে উভয় পক্ষের মধ্যে কৌশলগত পারস্পরিক আস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক স্তম্ভ গঠন করে। চীন "তিনটি জিনিস যা পরিবর্তন হবে না"-এর উপর জোর দিয়েছে, অন্যদিকে উত্তর কোরিয়া "অটুট" এবং "কৌশলগত পছন্দ"-এর উপর জোর দিয়েছে। এই বিবৃতিগুলো একে অপরের প্রতিধ্বনি করে, যা নতুন যুগে উত্তর কোরিয়া-চীন সম্পর্কের স্থিতিশীল উন্নয়নের জন্য একটি দ্বিমুখী রাজনৈতিক অঙ্গীকার তৈরি করে।
উত্তর কোরিয়া-চীন সম্পর্ক উন্নয়নে আরও বাস্তবসম্মত সহযোগিতামূলক তাত্পর্য রয়েছে। উচ্চ-পর্যায়ের বিনিময়কে রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থায়, দলীয় বিনিময়কে শাসনে পারস্পরিক শিক্ষায়, বাস্তবসম্মত সহযোগিতাকে জনগণের কল্যাণে, বিপ্লবী ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারকে যুবসমাজের পরিচয়ে এবং কৌশলগত সহযোগিতাকে আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখার প্রকৃত সক্ষমতায় রূপান্তরিত করা উচিত। এই বৈঠকের তাত্পর্য শুধু এর সর্বোচ্চ পর্যায়ের অভ্যর্থনা এবং সবচেয়ে উত্সাহব্যঞ্জক পরিবেশের মধ্যেই নিহিত নয়, বরং রাজনৈতিক ঐকমত্যকে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা, সহযোগিতামূলক প্রকল্প এবং দীর্ঘমেয়াদী গতিতে রূপান্তরিত করার দৃঢ় ইচ্ছার মধ্যেও নিহিত।

এক নতুন ঐতিহাসিক সূচনালগ্নে দাঁড়িয়ে, চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক রাষ্ট্রপ্রধানের কূটনীতি, রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থা, বাস্তবসম্মত সহযোগিতা, জনগণের মধ্যকার বন্ধন এবং কৌশলগত সমন্বয় দ্বারা বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত একটি নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। এই নতুন পর্যায়ের মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো ঐতিহ্যগত বন্ধুত্ব ও বাস্তব সহযোগিতার নিবিড়তর সমন্বয়, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার নিবিড়তর সমন্বয় এবং দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন ও বৈশ্বিক শাসনের নিবিড়তর সমন্বয়।

প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং তাঁর স্বাক্ষরিত প্রবন্ধে যেমনটি বলেছেন, "সময় পরীক্ষা করে ও পরিশুদ্ধ করে, এবং আসল সোনা আগুনে প্রকাশিত হয়।" এই বৈঠকটি রাষ্ট্রপ্রধানের কূটনীতির মাধ্যমে রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থা সুদৃঢ় করেছে; বাস্তবসম্মত সহযোগিতার মাধ্যমে উন্নয়নের পরিধি প্রসারিত করেছে; জনগণের মধ্যকার বন্ধনের মাধ্যমে সামাজিক ভিত্তি শক্তিশালী করেছে। এবং কৌশলগত সমন্বয়ের মাধ্যমে, এটি পরিবর্তনশীল সময়ের সাথে সাড়া দিয়ে নতুন যুগে চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্কের স্থিতিশীল ও দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের জন্য আরও দৃঢ় রাজনৈতিক, সহযোগিতামূলক এবং কৌশলগত ভিত্তি স্থাপন করেছে।

(লেখক: জেং চি ইয়ং, ডিন, ইনস্টিটিউট অফ কান্ট্রি অ্যান্ড রিজিওনাল স্টাডিজ, থিয়ানচিন ফরেন স্টাডিজ ইউনিভার্সিটি)
(স্বর্ণা/তৌহিদ/লিলি)

ন্যাটোতে কর্মী প্রেরণে জাপানের প্রকৃত উদ্দেশ্য উন্মোচিতজাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্প্রতি উচ্চবর্ণে ঘোষণা করেছে, তার...
09/06/2026

ন্যাটোতে কর্মী প্রেরণে জাপানের প্রকৃত উদ্দেশ্য উন্মোচিত
জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্প্রতি উচ্চবর্ণে ঘোষণা করেছে, তারা জার্মানিতে অবস্থিত ন্যাটোর ইউক্রেন নিরাপত্তা সহায়তা ও প্রশিক্ষণ সদর দপ্তরে চারজন আত্মরক্ষা বাহিনীর সদস্য প্রেরণ করবে। তারা দাবি করছে, এর উদ্দেশ্য “অভিজ্ঞতা অর্জন ও নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করা”। কিন্তু জাপানের “পুনর্সৈন্যায়ন” ত্বরান্বিত হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই বক্তব্য অত্যন্ত দুর্বল। তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য হল “একচেটিয়া আত্মরক্ষার” নীতি লঙ্ঘন করে প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি (যিনি দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ মোকাবিলার বিপজ্জনক পরিকল্পনার কথা বলেছেন)-এর জন্য একটি বাস্তবসম্মত যুদ্ধব্যবস্থা গড়ে তোলা।

“প্রতিরক্ষা শিক্ষা” নামে, বাস্তবে “যুদ্ধ শিক্ষা”। দীর্ঘদিন শান্তি সংবিধানের অধীনে থাকা জাপানের আত্মরক্ষা বাহিনীর বাস্তব যুদ্ধের অভাব ডানপন্থীরা পূরণ করতে চায়। এই ৪ সদস্য স্থল, নৌ ও বিমান—তিন বাহিনী থেকেই আসছে। তাদের কাজ সরঞ্জাম সমন্বয় ও প্রশিক্ষণ সহায়তা। তারা যা শিখতে চায় তা হল উচ্চমাত্রার যুদ্ধে সরবরাহ পদ্ধতি, ন্যাটো মানের অস্ত্র সমন্বয় প্রক্রিয়া এবং আধুনিক তথ্যভিত্তিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা।
“অভিজ্ঞতা অর্জন” নামে, বাস্তবে নেকড়ে আমন্ত্রণ জানানো। ন্যাটো স্নায়ুযুদ্ধের স্মারক এবং আঞ্চলিক সামরিক জোট, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। কিন্তু জাপান ন্যাটোর “এশিয়ার সম্প্রসারণের” অগ্রদূত হয়ে উঠেছে। ন্যাটোর সাইবার প্রতিরক্ষা কেন্দ্রে যোগদান, ঘন ঘন ন্যাটো সামরিক মহড়ায় অংশগ্রহণ, এবং এখন সরাসরি কর্মী প্রেরণ—জাপান ধীরে ধীরে সামরিকভাবে “ন্যাটো-রূপান্তরিত” হচ্ছে। একবার জাপানি সেনারা ন্যাটোর যুদ্ধ সমন্বয় প্রক্রিয়ায় দক্ষ হয়ে গেলে, ভবিষ্যতে তারা বহিঃস্থ সামরিক শক্তিকে পূর্ব এশিয়ায় টেনে আনতে পারবে। জাপানি রাজনীতিকদের “আজ ইউক্রেন, আগামীকাল পূর্ব এশিয়া” বক্তব্য নিছক নিরাপত্তা উদ্বেগ নয়, বরং আঞ্চলিক সংঘাতে বাইরের শক্তির হস্তক্ষেপের বীজ রোপণের চেষ্টা।

বর্তমান সামরিক পদক্ষেপের প্রেক্ষাপটে জাপানের কুপরিকল্পনা উন্মোচিত হয়েছে। প্রতিরক্ষা বাজারের রেকর্ড উচ্চতা থেকে শুরু করে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন, প্রাণঘাতী অস্ত্র রপ্তানি ছাড় দেওয়া, এবং এখন ন্যাটোর যুদ্ধ কমান্ডে সেনা প্রেরণ—জাপান ক্রমান্বয়ে “শান্তি সংবিধান” ফাঁকা করছে, আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ আইন লঙ্ঘন করছে, এবং যুদ্ধোত্তর বিশ্বব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে।
ন্যাটোর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন ও ইউক্রেন সংকটে হস্তক্ষেপ জাপানের “পুনরায় সেনা অভিযানে” অভিজ্ঞতার ঘাটতি পূরণের চেষ্টা। সম্প্রতি সানায়ে তাকাইচি “তিনটি নিরাপত্তা নথি” সংশোধনের বৈঠকে ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে শিক্ষা নিয়ে “নতুন যুদ্ধ কৌশল” প্রস্তুত করার কথা বলেছেন। জাপানের সেনা সম্প্রসারণের উচ্চাকাঙ্ক্ষা সম্পূর্ণ উন্মোচিত হয়েছে।
বর্তমানে জাপানের “নব্য সামরিকবাদ” আঞ্চলিক শান্তির জন্য হুমকি। এই ৪ সেনা জাপানের সামরিক বাধা অতিক্রমের “পথপ্রদর্শক”। “একচেটিয়া আত্মরক্ষা” থেকে “দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ”—জাপানের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ তাদের “শান্তিপূর্ণ দেশ” আখ্যা মিথ্যা প্রমাণ করেছে।
আন্তর্জাতিক সমাজকে জাপানের এই বিপজ্জনক পদক্ষেপ সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে, যা সামরিকবাদী অতীতের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারে। জাপান যেন “পুনর্সৈন্যায়নের” উত্তেজনায় পৃথিবীতে আবার বিপর্যয় ডেকে না আনে, তা নিশ্চিত করতে সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে।
(স্বর্ণা/তৌহিদ/লিলি)

যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র দুই দিন আগে সোমালি রেফারি ওমর আলতানকে মার্কিন অভিবাসন কর্তৃপক্ষ দেশটিতে প্র...
09/06/2026

যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র দুই দিন আগে সোমালি রেফারি ওমর আলতানকে মার্কিন অভিবাসন কর্তৃপক্ষ দেশটিতে প্রবেশে বাধা দেয়, যার ফলে তিনি টুর্নামেন্টটিতে অংশ নিতে পারবেন না।



রেফারি ওমর আব্দুলকাদির আলতান সোমালিয়ার অধিবাসী এবং তিনি আফ্রিকায় অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। তিনি ২০২৫ সালে কনফেডারেশন অফ আফ্রিকান ফুটবল (সিএএফ) কর্তৃক ‘রেফারি অফ দ্য ইয়ার’ নির্বাচিত হন। এপ্রিলে ফিফা কর্তৃক ঘোষিত বিশ্বকাপের রেফারিদের তালিকায় আলতানের নাম ছিল, যার ফলে তিনি বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনাকারী প্রথম সোমালি রেফারি হন। তবে, ম্যাচগুলো পরিচালনা করতে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সময় মিয়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, কূটনৈতিক পাসপোর্ট থাকা সত্ত্বেও মার্কিন কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা দেওয়ার কারণ হিসেবে ‘স্ক্রিনিং সংক্রান্ত উদ্বেগ’ উল্লেখ করেছে।
https://bangla.cgtn.com/2026/06/09/ARTI1780996830142918

চীনের বৈধ পদক্ষেপ নিয়ে জাপানের অতিরঞ্জন সফল হবে না:  প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়জুন ৯: চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত...
09/06/2026

চীনের বৈধ পদক্ষেপ নিয়ে জাপানের অতিরঞ্জন সফল হবে না: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
জুন ৯: চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সিনিয়র কর্নেল চাং সিয়াও কাং আজ (মঙ্গলবার) বিকেলে সাম্প্রতিক সামরিক বিষয়াবলী সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করেছেন।
একজন সাংবাদিক জিজ্ঞাস করেন যে, জাপান সম্প্রতি পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে লিয়াওনিং বিমানবাহী রণতরী স্ট্রাইক গ্রুপের প্রশিক্ষণ মহড়া একাধিকবার পর্যবেক্ষণ করেছে। জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় স্ট্রাইক গ্রুপে জাহাজের সংখ্যা, সমুদ্র এলাকায় এর অবস্থান এবং রণতরী-ভিত্তিক বিমানের উড্ডয়ন ও অবতরণের সংখ্যা সম্পর্কে ক্রমাগত তথ্য প্রকাশ করেছে। জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন যে, তারা চীনা বিমানবাহী রণতরী স্ট্রাইক গ্রুপের গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে এবং সতর্কতা ও নজরদারি অব্যাহত রাখবে।

এ বিষয়ে চাং সিয়াও কাং বলেন, বর্তমানে, লিয়াওনিং বিমানবাহী রণতরী স্ট্রাইক গ্রুপ পরিকল্পনা অনুযায়ী পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের সংশ্লিষ্ট জলসীমায় প্রশিক্ষণ মহড়া চালাচ্ছে। এই অভিযান কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে নয়, বরং দূরপাল্লার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিমানবাহী রণতরী স্ট্রাইক গ্রুপের যুদ্ধ সক্ষমতা উন্নত করাই এর উদ্দেশ্য। এই সময়ে, জাপান বারবার ট্র্যাকিং ও নজরদারি চালিয়েছে এবং চীনা নৌবাহিনী আইন ও বিধি অনুযায়ী পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে। চীনের ন্যায্য পদক্ষেপ সম্পর্কে জাপানের অতিরঞ্জন ও প্রচারণা হলো উত্তেজনা সৃষ্টি এবং জনমতকে বিভ্রান্ত করার একটি প্রচেষ্টা। বিচক্ষণ দৃষ্টিসম্পন্ন যে কেউই পরিষ্কারভাবে দেখতে পারেন যে এটি সফল হবে না।
লিলি/তৌহিদ/রুবি

https://bangla.cgtn.com/2026/06/09/ARTI1780997808839946

কোরিয়ান ওয়ার্কার্স পার্টির সেন্ট্রাল ক্যাডার স্কুল পরিদর্শন করেছেন সি চিন পিংজুন ৯: উত্তর কোরিয়া সময় আজ (মঙ্গলবার) সকা...
09/06/2026

কোরিয়ান ওয়ার্কার্স পার্টির সেন্ট্রাল ক্যাডার স্কুল পরিদর্শন করেছেন সি চিন পিং
জুন ৯: উত্তর কোরিয়া সময় আজ (মঙ্গলবার) সকালে, সিপিসি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এবং গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং, কোরিয়ার ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক এবং রাষ্ট্রীয় বিষয় কমিশনের চেয়ারম্যান কিম জং উনের সাথে পিয়ংইয়ং-এ অবস্থিত কোরিয়ার ওয়ার্কার্স পার্টির সেন্ট্রাল ক্যাডার স্কুল পরিদর্শন করেন।
সকাল ১১ টার দিকে সি চিন পিং গাড়িতে করে স্কুলে পৌঁছান। কিম জং উন স্কুলের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভবন, কোরিয়ার ওয়ার্কার্স পার্টির প্রতীক টাওয়ারে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। শত শত শিক্ষক ও শিক্ষার্থী তাঁকে স্বাগত জানাতে রাস্তার দুপাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়েছিলেন এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা সি চিন পিংকে ফুল উপহার দেন।

কিম জং উনের সাথে সি চিন পিং স্কুলের লেকচার হলে প্রবেশ করেন। ভেতরে, শিক্ষার্থীরা পরিপাটিভাবে বসেছিল এবং একজন শিক্ষক উত্তর কোরিয়ার বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক একটি কোর্সে ‘চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক’ বিষয়ে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন।

লেকচার হল থেকে বেরিয়ে সি চিন পিং এবং কিম জং উন বৈদ্যুতিক গাড়িতে করে ক্যাম্পাস ঘুরে দেখেন এবং পথে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো ও পাঠদান ব্যবস্থা সম্পর্কে পরিচিতি লাভ করেন।
শিক্ষা ভবনগুলোর মাঝখানের বনাঞ্চলে পৌঁছে সি চিন পিং এবং কিম জং উন যৌথভাবে কোদাল দিয়ে মাটি ভরেন এবং জল দিয়ে একটি দেবদারু গাছ রোপণ করেন। এই চিরসবুজ দেবদারু গাছটি চীন ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যকার অটুট বন্ধুত্বের প্রতীক।

লিলি/তৌহিদ/রুবি

https://bangla.cgtn.com/2026/06/09/ARTI1780997369313931

মস্কোতে ২০২৬ চীন চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনজুন ৯: রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে গতকাল (সোমবার) ২০২৬ সালের চীন চলচ্চিত্র উৎসবের ...
09/06/2026

মস্কোতে ২০২৬ চীন চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন
জুন ৯: রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে গতকাল (সোমবার) ২০২৬ সালের চীন চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন করা হয়েছে। এই উৎসবে চীন-রাশিয়ার যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত মুভিসহ একাধিক চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রুশ সংস্কৃতিমন্ত্রী ওলগা লিউবিমোভা একটি ভিডিও বার্তায় বলেন যে, চলচ্চিত্র শিল্প ক্রমাগত রাশিয়া ও চীনের মধ্যে সাংস্কৃতিক সেতুকে শক্তিশালী করছে এবং একে অপরের চলচ্চিত্রের প্রতি দর্শকদের আগ্রহ দুই দেশের জনগণের মধ্যে আন্তরিক শ্রদ্ধা ও দৃঢ় বন্ধুত্বের সাক্ষ্য দেয়। এই বছরের উৎসবে অনেক চমৎকার সমসাময়িক চীনা চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে, যা রুশ দর্শকদের বিভিন্ন ধরনের চীনা চলচ্চিত্র উপভোগ করার সুযোগ করে দেবে এবং উভয় দেশের চলচ্চিত্র নির্মাতাদের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করার একটি মঞ্চ হিসেবে কাজ করবে।

রাশিয়ায় অবস্থিত চীনা দূতাবাসের মিনিস্টার-কাউন্সেলর এবং মস্কো চীনা সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক ফেং লি থাও বলেছেন যে, চলচ্চিত্র একটি সার্বজনীন ভাষা যা জাতীয় সীমানা অতিক্রম করে এবং এটি বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ প্রসারের একটি সেতু। রাশিয়ার "চীনা চলচ্চিত্র উৎসব" এবং চীনের "রুশ চলচ্চিত্র উৎসব" বহু বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে, যা উভয় দেশের মানুষের জন্য একে অপরের সমসাময়িক চলচ্চিত্র শিল্প সম্পর্কে জানার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠেছে। এটি দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধিতে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

এই বছরের চলচ্চিত্র উৎসবটি যৌথভাবে আয়োজন করেছে চীন জাতীয় চলচ্চিত্র প্রশাসন এবং রুশ সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। মস্কোর পর এটি ইয়েকাতেরিনবুর্গ এবং ভ্লাদিভোস্তকেও অনুষ্ঠিত হবে।

লিলি/তৌহিদ/রুবি
https://bangla.cgtn.com/2026/06/09/ARTI1780997771790103

সিপিসি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এবং তাঁর স্ত্রী ফেং লি ইউয়ান পিয়ংইয়ংয়ের কুমসুসান...
09/06/2026

সিপিসি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এবং তাঁর স্ত্রী ফেং লি ইউয়ান পিয়ংইয়ংয়ের কুমসুসান গেস্টহাউসে উত্তর কোরিয়ার ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও রাষ্ট্রীয় বিষয় কমিশনের চেয়ারম্যান কিম জং উন এবং তাঁর স্ত্রী রি সোল জু আয়োজিত একটি ছোট মধ্যাহ্নভোজে অংশগ্রহণ করেন।



এ সময় সি চিন পিং তাঁর সফরের জন্য সুপরিকল্পিত আয়োজনের জন্য কিম জং উনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তিনি এই সফরের মাধ্যমে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি, সরকার ও জনগণের প্রতি উত্তর কোরিয়ার ওয়ার্কার্স পার্টি, সরকার ও উত্তর কোরিয়ার জনগণের পক্ষ থেকে উষ্ণতা ও বন্ধুত্ব আরও গভীরভাবে অনুভব করেছেন। তিনি এবং সাধারণ সম্পাদক কিম জং উন নতুন যুগে চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্যে পৌঁছেছেন এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়ে গভীর মতবিনিময় করেছেন। তিনি সাধারণ সম্পাদক কিম জং উনের সাথে যৌথভাবে চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ককে আরও বৃহত্তর উন্নয়নে পরিচালিত করতে এবং উভয় দেশের সমাজতান্ত্রিক আদর্শে নতুন ও শক্তিশালী প্রেরণা যোগাতে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
https://bangla.cgtn.com/2026/06/09/ARTI1780997350320930

09/06/2026
তিব্বতের (সিচাং) পবিত্র থাংকা শিল্পকলাচীনের সিচাং স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের শাননান এলাকার লোজাগ কাউন্টিতে, পঞ্চদশ শতাব্দীতে,...
09/06/2026

তিব্বতের (সিচাং) পবিত্র থাংকা শিল্পকলা
চীনের সিচাং স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের শাননান এলাকার লোজাগ কাউন্টিতে, পঞ্চদশ শতাব্দীতে, মেনলা দনদ্রুপ গিয়াতসো মেংথাং চিত্রশৈলী বা ঘরানার সূচনা করেন। সময়ের পরিক্রমায় এটি তিব্বতি বৌদ্ধ শিল্পকলার অন্যতম প্রভাবশালী ধারায় পরিণত হয়।
শিগাতসের সাকিয়া কাউন্টিতে, মেংথাং ধারার উত্তরাধিকারী সেরিং ওয়াংগিয়াল, অত্যন্ত ধৈর্য ও নিষ্ঠার সাথে তাঁর শিষ্যদের এই পবিত্র শিল্পকলা শেখাচ্ছেন।
আজ, সেরিং ওয়াংগিয়াল ও তাঁর শিষ্যদের মতো শিল্পীদের নিরলস প্রচেষ্টায়, এই জীবন্ত ঐতিহ্য সমৃদ্ধ থেকে সমৃদ্ধতর হচ্ছে। (প্রেমা/আলিম/ছাই)

Address

Shijingshan District
Beijing
10040

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CRIbangla posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to CRIbangla:

Share