Tanvir's MindMap

Tanvir's MindMap MindMap of Tanvir. I discuss about everything on my mind.

দুই বন্ধু রাসেল আর পাভেল আসলো রকিবের বাসায়। আজকে এমনিতেই খুব গরম পড়েছে। রাসেল রকিবকে বললো, দোস্ত গলা একদম শুকিয়ে গেছে, ঠ...
12/01/2025

দুই বন্ধু রাসেল আর পাভেল আসলো রকিবের বাসায়। আজকে এমনিতেই খুব গরম পড়েছে। রাসেল রকিবকে বললো, দোস্ত গলা একদম শুকিয়ে গেছে, ঠাণ্ডা পানি দে তো। রকিব ফ্রিজ খুলে দেখে বোতলে অল্প একটু ঠাণ্ডা পানিই অবশিষ্ট আছে। ২টি গ্লাসে অর্ধেক অর্ধেক ঠাণ্ডা পানি এনে রাসেল আর পাভেলকে খেতে দিলো।

আধা গ্লাস পানি দেখে রাসেলের মেজাজ বিগড়ে গেল। রকিবকে গালি দিয়ে বললো, এতদিন পর তোর বাসায় আসলাম, আর তুই কিনা মাত্র আধা গ্লাস পানি দিলি? এক গ্লাস পানিও খাওয়াতে পারলি না? অপরদিকে পাভেল আধা গ্লাস ঠাণ্ডা পানি খেয়ে নিল বেশ তাড়াতাড়ি। যেই গরম পড়েছে, আধা গ্লাস ঠাণ্ডা পানিও যেন তার শরীর জুড়িয়ে দিল। রকিবকে ধন্যবাদ দিয়ে বললো জান বাঁচালি দোস্ত। এইটুকু ঠাণ্ডা পানি খেয়ে যেন জানে পানি আসলো।

একটি গ্লাসে অর্ধেক পানি আছে। কেউ এটাকে দেখবে যে অর্ধেক গ্লাস ভর্তি পানি আছে, আর কেউ দেখে যে অর্ধেক গ্লাস পানি অপূর্ণ আছে। আমাদের জীবনে এবং আশেপাশে এরকম ঘটনা অহরহ ঘটে। এই দৃষ্টিভঙ্গির কিন্তু নাম আছে। যারা অর্ধেক গ্লাস পূর্ণ দেখে, তাদেরকে আমরা আশাবাদী মানুষ বলতে পারি। আর যারা অর্ধেক খালি দেখে, তাদের নিরাশাবাদী।

নিরাশাবাদী মানুষেরা সবসময় কি পেলাম না তাই নিয়ে হাহাকার করে। চোখের সামনে কি পেয়েছে তা দিয়ে বেশিরভাগ সময় কৃতজ্ঞ হয় না। অপরদিকে আশাবাদী মানুষেরা যা পেয়েছে তা নিয়ে খুশী হয়, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। তাই বলে বেশি কিছু পাওয়ার চেষ্টা যে করে না তা কিন্তু নয়। তবে হাহাকার ব্যাপারটা থাকে না তাদের মধ্যে।

আপনার আশেপাশের মানুষগুলোকে, বা কাছের মানুষদের যদি ভালো করে লক্ষ্য করেন, তাহলে আপনি খুব সহজেই বুঝে যাবেন তাঁরা কি আশাবাদী নাকি নিরাশাবাদী। নিরাশাবাদী মানুষরা বেশিরভাব সময় মানুষিকভাবে অখুশি হন, কারণ কোন কিছুই তাদের খুব একটা সন্তুষ্ট করতে পারে না।

ভালোবাসার সম্পর্কে অনেকসময় দেখবেন কেউ কেউ একটি সাধারণ ফুল বা কমদামী উপহার পেয়েও খুব খুশী হয়ে যায়। আবার অনেককে দামি উপহার দিয়ে সন্তুষ্ট করা যায় না। তাঁরা বলে যে এই উপহারের থেকে অন্য উপহার দিলে আরও বেশি ভালো হত। এরকম আপনি নিজের জীবনে বা পরিচিত কারো জীবনে একটু লক্ষ্য করলেই দেখতে পারবেন।

ধরুন স্বামী-স্ত্রী বিয়ের পর হানিমুনে যাবে। হাতে টাকা কম থাকায় কক্সবাজারে হানিমুন প্ল্যান করেছে। কোন কোন দম্পতি খুব আনন্দের সাথে কক্সবাজার উপভোগ করবে। আবার কেউ কেউ আফসোস করবে কক্সবাজারে হানিমুনই কপালে ছিল! সবাই এখন ব্যাংকক, বালিতে হানিমুনে যায়। এগুলো হল এক প্রকার নিরাশাবাদী মানুষিকতা। আপনার সামনে যা আছে, তা উপভোগ না করে আফসোস করা যে আরও ভালো কিছু পেলাম না কেন। আশাবাদী মানসিকতার মানুষ বর্তমানের ট্যুরটি উপভোগ করতো, এবং পরবর্তীতে ব্যাংকক বা বালিতে ট্যুরের জন্য প্রস্তুতি নিত।

আপনি কি আশাবাদী নাকি নিরাশাবাদী তা আপনি বুঝতে পারবেন খুব সহজেই। ধরুন আপনিসহ কয়েকজন একটি প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ করলেন এবং ইন্টার্নশিপ শেষে একজনের চাকরি হওয়ার সুযোগ আছে। কিন্তু ইন্টার্নশিপ শেষে দেখা গেল আপনি চাকরি পেলেন না, চাকরি পেল আপনাদের টিমের আরেকজন। তখন আপনার মনে চিন্তা আসতে পারে যে বিগত ৬ মাস ধরে কষ্ট করে ইন্টার্নশিপ করলাম, কিন্তু ধুর! চাকরিই হল না। কিন্তু আপনি আশাবাদী হলে আপনি অন্যভাবে ভাবতে পারেন যে, এই ইন্টার্নশিপ থেকে আপনি যা শিখলেন, তা আপনাকে অন্য চাকরি পেতে অভিজ্ঞতা হিসেবে কাজ করবে, এবং একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করায় ইতিমধ্যেই আপনার অভিজ্ঞতা হয়ে গেল, যা আপনার পরবর্তী চাকরিতে কাজে লাগবে।

চাকরির ইন্টারভিউ দেয়ার ক্ষেত্রেও একটি চাকরি আপনার না হলে আপনি আশাবাদী হতে পারেন এই ভেবে যে ইন্টারভিউ প্রসেস সম্পর্কে আপনার একটি ধারণা অর্জন হল, এবং এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আপনি পরবর্তী ইন্টারভিউতে ভালো করতে পারবেন। যেখানে, নিরাশাবাদীরা ভাববে যে কষ্ট করে ইন্টারভিউ দিলাম কিন্তু চাকরিটাই হল না।

আবার অনেক স্ত্রীরা দেখা যায় স্বামীর বন্ধু বা কলিগদের প্রমোশন বা উন্নতি দেখলে সেগুলো নিয়ে হিংসা করেন এবং স্বামীর সাথে ঝগড়া করেন। এক্ষেত্রে আশাবাদী স্ত্রীরা স্বামীকে উল্টো মোটিভেট করতে পারেন এভাবে যে অমুক বন্ধু বা কলিগ যেহুতু প্রমোশন পেয়েছে, তুমি চেষ্টা করলে আরও ভালো করতে পারবে।

আশাবাদী মানুষরা কিন্তু দিন শেষে অনেক মানুষিক শান্তিতে থাকেন, এবং তাঁরা অযথা আফসোস করেন না বলে দিন শেষে তাঁরা তাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেন আরও সহজে। নিরাশাবাদী মানুষরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আফসোস করতে করতে তাদের আসল লক্ষ্যে স্থির থাকতে পারেন না। তাই তাদের জীবন হয় আফসোস এবং হতাশাপূর্ণ।

তাই এখন থেকে যেকোনো ক্ষেত্রেই নিজেকে প্রশ্ন করে দেখতে পারেন যে আমি কি এই বিষয়ে আশাবাদী নাকি নিরাশাবাদী আচরণ করলাম। দিনশেষে পরিবর্তন শুধু আপনার নিজের মধ্যে থেকেই আসতে পারে।

তো আপনার কি মনে হয়, মানুষ হিসেবে আপনি কি আশাবাদী? নাকি নিরাশাবাদী?

ভবিষ্যতে বেশিরভাগ চাকরি নাকি AI এর দখলে চলে যাবে? যারা কাজকর্মের সাথে যুক্ত আছেন বা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন, তারা কম...
03/01/2025

ভবিষ্যতে বেশিরভাগ চাকরি নাকি AI এর দখলে চলে যাবে? যারা কাজকর্মের সাথে যুক্ত আছেন বা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন, তারা কম-বেশি এই কথাটি শুনেছেন।

তবে শোনা কথায় কান দিতে নেই, এই মতবাদে বিশ্বাস করে আমরা অনেকেই ব্যাপারটাকে পাত্তা দিচ্ছি না। আসলেই কি আপনার চাকরি AI বা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার দখলে চলে যাবে? অনেকে আবার ভাবছেন চাকরি AI এর দখলে চলে যাবে না, AI জানা মানুষের দখলে চলে যাবে। কথাটি বিগত বছরগুলোতে পুরোপুরি সত্য মনে হলেও এখন আংশিক সত্য।

যারা প্রতিদিন তাদের কাজে AI ব্যবহার করছেন যেমন - Chatgpt, Gemini অথবা MidJourney, এবং প্রতিনিয়ত AI এর নতুন নতুন আপডেটগুলোর ব্যাপারে খোঁজখবর রাখছেন, তারা ইতিমধ্যেই নড়েচড়ে বসেছেন।

কারণ হল AI এর উদ্ভাবন এত দ্রুত আগাচ্ছে, যা আমরা ৪-৫ বছর আগে কল্পনাও করিনি। Chatgpt যখন প্রথম আসলো, আমরা ভাবলাম এই AI টুল দিয়ে আর্টিকেল লেখিয়ে নেয়া যায়, ফেসবুকের পোস্টের ক্যাপশন লেখানো যায়। বেশ মজার তো। আবার মিডজার্নি দিয়ে ইমেজ তৈরি করা যাচ্ছে। কিন্তু তারপরও AI ভুল করতো। আমরা তাচ্ছিল্য করে বলতাম, যেই AI এরকম ভুল করে, সে কিভাবে আমার চাকরি খেয়ে দিবে?

তবে কিছুদিনের মধ্যেই AI এর রেজাল্টগুলো অনেক ইম্প্রুভ করতে শুরু করলো। আগের মত ভুল করছে না, কিন্তু কিছু ভুল তো করছেই। তবে সেগুলো ঠিক হতে যে সময় লাগবে না, তা যারা নিয়মিত ব্যবহার করছেন তারা ঠিকই বুঝতে পারছেন।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এর আগমনকে অনেকেই শিল্প বিপ্লবের সাথে তুলনা করেন। ১৮শ থেকে ১৯শ শতাব্দীর শিল্প বিপ্লব সমাজ, অর্থনীতি এবং কর্মক্ষেত্রকে একদম আমূল বদলে দিয়েছিল। শিল্প বিপ্লব যেমন কায়িক শ্রমকে যান্ত্রিক করেছিল, ঠিক তেমনিভাবে AI বুদ্ধিবৃত্তিক এবং পুনরাবৃত্তিমূলক অনেক ধরনের কাজকে স্বয়ংক্রিয় করে ফেলবে।

এখন কি আর কেউ হালচাষের কাজে নিজ শ্রম বা গরু ব্যবহার করে? নাকি ট্রাক্টর বা আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার হচ্ছে? শ্রমিকদের কাজগুলো এখন স্বয়ংক্রিয় মেশিন করছে। সাধারণ শ্রমিকদের ডিমান্ড কমে এখন মেশিন পরিচালনা করতে পারে এরকম শ্রমিক এবং ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদা বেড়েছে। হাতে সেলাইয়ের চাহিদা কমে টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে মেশিনের ব্যবহার বেড়েছে।

AI কিভাবে চাকরি বদলে দিবে তা আসলে এক লেখায় বলে শেষ করা সম্ভব না। প্রতিটা সেক্টরের জন্য আলাদাভাবে আমি লেখার চেষ্টা করবো। তবে AI কিছু চাকরি একদম নিজের দখলে নিয়ে আসবে, এবং বেশিরভাগ চাকরি AI ব্যবহারে পারদর্শী এমন মানুষের দখলে যাবে। এরকম একটি সময়ে আপনার জন্য AI ব্যবহার করে আপনার সেক্টরের কাজে পারদর্শী হওয়া একদম আবশ্যক হয়ে পড়বে।

২০২৫ সাল হবে AI এর বছর। যখন দেশে নতুন নতুন কম্পিউটারের প্রসার ঘটলো, তখন সব প্রতিষ্ঠানগুলো কম্পিউটার জানা কর্মচারী খুঁজতো। যারা কম্পিউটারে টাইপ করতে পারতো তারা অন্যান্য স্কিলে কিছুটা দুর্বল হলেও চাকরি পেয়ে যেত। দক্ষ অ্যাকাউন্টেন্টকে চাকরিতে নেয়ার সময় সবাই মাইক্রোসফট এক্সেল পারতো কিনা জানতে চাইতো। কারণ সবাই বুঝতে শুরু করেছিল যে সামনের যুগ হল কম্পিউটারের। এবং যারা নুন্যতম পরিমাণে কম্পিউটারে দক্ষ ছিল, তারা সহজেই চাকরির জন্য সুবিধা পেত অন্যদের তুলনায়। তাই তখন এলাকায় এলাকায় কম্পিউটার ট্রেনিং কোর্স সেন্টারে ভরে গিয়েছিল।

AI এর জন্যেও ঠিক একই সময় আসতে যাচ্ছে। সামনে এরকম AI ট্রেনিং সেন্টারে এলাকা ভরে যাবে, যেভাবে এখন ফ্রিল্যান্সিং সেন্টারের মৌসুম চলছে। আপনাকে আগে বুঝতে হবে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা কিভাবে চাকরিকে বদলে দিবে। এখানে মূলত ২টি বিষয় ঘটবে।

প্রথমত, AI এর ব্যবহার আপনার কাজকে সহজ করবে। যেসব কাজ করতে ২-৩ জন কর্মচারী প্রয়োজন ছিল, সেগুলো AI ব্যবহার করে আপনি একাই করতে পারবেন। জুয়েলারি, ফ্যাশন ইত্যাদি ইন্ডাস্ট্রির বিজ্ঞাপন বানানোর খরচ অনেক কমে আসবে। চিন্তা করে দেখেন আগে আপনি একটি জুয়েলারি বা ফ্যাশন ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপন তৈরি করতে চাইলে মডেল এবং ফটোগ্রাফার অনেক টাকা দিয়ে ভাড়া করতে হত, সেট ডিজাইন করতে হত, ছবি বা ভিডিও করার পর এডিটিং করতেও অনেক পয়সা যেত।

কিন্তু এখন AI ব্যবহার করে আপনি শুধু আপনার জুয়েলারি বা পোশাকের ছবি বা থ্রিডি মডেল ব্যবহার করে আনলিমিটেড রিয়েলিস্টিক ছবি এবং ভিডিও তৈরি করতে পারছেন। আপনার শুধু টাকা বাঁচছে তাই কিন্তু নয়। সময় বাঁচবে, পরিশ্রম কম হবে এবং বিশাল টিমের ওপর নির্ভরশীলতাও কমবে। এখানে সবচেয়ে লাভবান হবে একক ব্যক্তিচালিত অথবা ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো। যারা আগে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর মত বড় বাজেট ছিল না বলে তাদের সাথে পাল্লা দিতে পারতো না। এখন তারা AI ব্যবহার করে একই মানের বিজ্ঞাপন বানাতে পারবে। ইতিমধ্যে Nike এর মত প্রতিষ্ঠানও AI ব্যবহার করে তাদের বিজ্ঞাপন তৈরি করে রিলিজ করেছে।

আপনি ড্রেসের ছবি দিলেই দেখতে পারবেন বিভিন্ন রকম মডেল আপনার ড্রেস পরে বিভিন্ন পোজে দাঁড়িয়ে আছে। এটা কিন্তু ভবিষ্যতে হবে তা না, ইতিমধ্যেই চলছে। এখন অনেক টাকা খরচ করে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর নিযুক্ত করতে হবে না। অবিকল মানুষের মত চেহারার AI ইনফ্লুয়েন্সার বা ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর আপনি তৈরি করে নিতে পারবেন যারা আপনার ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করবে।

দ্বিতীয়ত, কিছু চাকরি একদম AI এর দখলে চলে যাবে। বর্তমানে কল সেন্টারে এবং কাস্টোমার সাপোর্ট এবং চ্যাটিংয়ের কাজ যারা করছেন, তাদের চাকরি একদমই থাকবে না। ইতিমধ্যেই এমন AI তৈরি হয়েছে যা আপনার হয়ে ফোন রিসিভ করে গ্রাহকের সাথে কথা বলবে। তার প্রশ্ন জানতে চাবে, তার কাছ থেকে অর্ডার নেবে, নাম বা ফোন নম্বর জেনে অর্ডার প্লেস করবে, তার কাছে আপসেল করার চেষ্টা করবে। এই সম্পূর্ণ প্রসেসে আপনি বুঝতেই পারবেন না আপনি কি মানুষের সাথে কথা বলছেন নাকি রোবটের সাথে। আপনাকে শুধু AI কে আপানর প্রতিষ্ঠান এবং প্রোডাক্ট সম্পর্কে সব তথ্য লিখিত দিতে হবে। এছাড়াও আপনার ডাটাবেইজের সাথে কানেক্টেড থাকলে আপনার সকল ইউজারের তথ্য নিজেই জেনে নিয়ে তাদের সাথে সেই তথ্য অনুসারে কথা বলবে।

এছাড়াও, প্রোগ্রামিং বা কোডিং ভবিষ্যতে পুরোপুরি AI এর হাতে চলে যাবে। অনেক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান বর্তমানে নতুন প্রোগ্রামার নেয়া বন্ধ করেছে এবং AI এর মাধ্যমে বর্তমান এমপ্লয়ীদের দিয়েই কাজের গতি বাড়িয়েছে। Nvidia তাদের বেশিরভাগ কোড এখন AI এর মাধ্যমেই লিখছে। ডাটা অ্যানালাইসিস এখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে AI এর মাধ্যমে হচ্ছে। AI ডাটা অ্যানালাইজ করে প্যাটার্ন খুঁজে বের করছে। এগুলো মাত্র শুরু।

এখন তাহলে আমাদের কি করা উচিত? আমরা যেন রিপ্লেসেবল হয়ে না যাই, আমাদের খুব দ্রুতই নিজ নিজ সেক্টরের সাথে কিভাবে AI ব্যবহারে আরও অভিজ্ঞ হওয়া যায় তা শিখতে হবে। আপনি যদি সঠিকভাবে AI এর ব্যবহার করতে পারেন, নিঃসন্দেহে আপনি আপনার চাকরি বা ব্যবসায় লাভবান হবেন। কর্মক্ষেত্রে নিজের গুরুত্ব বাড়াতে পারবেন, সাথে স্যালারিও। সাথে সাথে আপনি যত নিজেকে AI এর সাথে অ্যাডাপ্ট করতে পারবেন, তত আপনি এগিয়ে যাবেন।

এ ধরনের সুযোগ সবসময় আসে না। AI নিয়ে আপনার স্কিল ডেভেলপমেন্ট করাকে অনেকে ক্যারিয়ারের বিটকয়েন হিসেবে অভিহিত করেন। আমি নিজেও নিজের কাজের জন্য প্রতিনিয়ত AI ব্যবহার করছি এবং শিখছি। তাই AI শিখুন, ব্যবহার করুন প্রতিদিন, প্রতিটি কাজে - নিজেকে এগিয়ে রাখার জন্য।

Osoite

Oulu

Nettisivu

Hälytykset

Tiedä ensimmäisenä ja anna meille oikeus lähettää sinulle sähköpostitse uutisia ja promootioita Tanvir's MindMap :ltä. Sähköpostiosoitettasi ei käytetä muihin tarkoituksiin, ja voit perua milloin tahansa.

Jaa