03/03/2026
পুতিন কাতারকে ফোন দিলো,সমর্থন জানাইলো!
আবার ইরানরেও ফোন দিলো ,সমর্থন জানাইলো।
চীনের বেলায়ও সেইম!
অথচ ইরান কাতারে তিন দিন ধরে হামলা করছে!
এখানে বাস্তবতা কি দাড়াইলো?
রাশিয়া, চীন ,তুরস্ক হইলো ইরানের স্বার্থের বন্ধু, সুসময়ের বন্ধু, অর্থের বন্ধু,ব্যবসায়িক বন্ধু! পাতানো বন্ধু!
শুধু ইরানের না ,সুসময়ে এরা পুরো থার্ড ওয়াল্ডের দেশগুলোরে কইলজা কাইট্টা দিয়া ফেলবে কিন্তু দুঃসময়ে শুধু নিন্দাই জানাবে!
আপনারা মনে করেন, আমাদের তথাকথিত বন্ধুদেশ হামলা করলে চীন আইসা উদ্ধার করে বা**ডা ফালাই দিবে ,পাকিস্তান উল্টায়ইয়া ফেলবে!
বিপদে পইড়া দেখেন, কোন সা**ই দুর্বলের পাশে দাড়াবে না!
নিজের হ্যাডম থাকলে টিকে থাকবেন।
না থাকলে মরতে হবে! গা*জার মানুষের মতো ধুঁকে ধুঁকে মরতে হবে!
মাথার উপরে অ্যাটাক বিমান উড়বে আর হাউমাউ করবেন! কানতে কানতে চোখ দিয়া রক্ত বের করবেন কিন্তু লাভ হবে না!
একটা বো*মাও কম মারবে না! বিদেশী কোন সা*** পাশে দাড়াবে না!
রক্তের কান্না কানবেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর কি করছি কি করছি বলে বলে চিল্লাইবেন!
মনে করবেন, ২৭ বছরের ছেলেরা লিখতো ,ইরান থেকে শিক্ষা নাও! পুরো পৃথিবীর সাথে ইরান একাই লড়ছে।
যুদ্ধ নীতিতে বিপদে কেউ পাশে থাকে না!
গা*জা থেকে শিক্ষা নাও!
ইরাক থেকে শিক্ষা নাও
সিরিয়া থেকে শিক্ষা নাও!
শক্তিশালী হওয়া লাগবে! বুদ্ধি লাগবে,শিক্ষা লাগবে,বিজ্ঞান ,প্রযুক্তি জানা লাগবে!
মেডিকেল জানা লাগবে! গবেষণা জানা লাগবে।
ইতিহাস জানা লাগবে ,ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা জানা লাগবে! বিশ্ব রাজনীতি জানা লাগবে!
কিন্তু আমাদের প্রজন্ম সামান্য সভাপতি -সহসভাপতি পদের জন্য বিশ্ব থেকে আলাদা হয়ে আছে!
আমরা নিজেরা নিজেরা পাওয়ার শিফটিং কনফ্লিক্ট সৃষ্টি করি অথচ দেশের ভবিষ্যত নিয়া ,পরবর্তী প্রজম্মের সিকিউরিটি নিয়া পুরাই উদাসীন!
সত্যিই বিপদ আসলে বড় আফসোস করে বলবেন, ইস! কেন আগে ভাবি নাই!!!