24/12/2025
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান তরুণ প্রজন্মকে দেখাচ্ছেন এক নতুন স্বপ্ন
✍️ এএমসি রোমেল
ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক | প্যারিস, ফ্রান্স
বাংলাদেশের রাজনীতি এক দীর্ঘ সময় ধরে বিশ্বাসের সংকটে ভুগছে। এই সময়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে—দেশ কোন পথে যাবে, কে নেতৃত্ব দেবে, আর তরুণদের ভবিষ্যৎ কোথায় দাঁড়াবে। ঠিক এই প্রেক্ষাপটেই বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে তিনি যেন এক ভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক ভাষা নিয়ে হাজির হয়েছেন—যেখানে আছে স্বপ্ন, আছে প্রত্যাশা, আবার আছে বাস্তবতার স্বীকৃতি।
তরুণ প্রজন্ম কেন তারেক রহমানের দিকে তাকাচ্ছে
আজকের তরুণ সমাজ আগের মতো রাজনীতিকে আবেগ দিয়ে বিচার করে না। তারা প্রশ্ন করে, তুলনা করে, নিজের জীবনের বাস্তবতার সঙ্গে মিলিয়ে দেখে। কর্মসংস্থানের অভাব, শিক্ষার অনিশ্চয়তা, মত প্রকাশের সংকুচিত পরিসর—এই সব বাস্তবতায় তারা এমন একজন নেতাকে খুঁজছে, যিনি অন্তত তাদের সমস্যাকে অস্বীকার করেন না।
তারেক রহমানের বক্তব্য ও রাজনৈতিক অবস্থানে তরুণরা এমন এক মনোভাব দেখছে, যেখানে তাদের কথা গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি বারবার তরুণদের সম্ভাবনা, মেধা ও শক্তির কথা বলেন। এই জায়গাটিই তাকে অনেক তরুণের কাছে আলাদা করে তুলছে।
তরুণদের জন্য তারেক রহমানের ভাবনা
তারেক রহমানের রাজনীতির একটি বড় অংশ জুড়ে আছে তরুণদের ভবিষ্যৎ। তার দৃষ্টিতে তরুণরা কেবল ভোটার নয়—তারা রাষ্ট্র গঠনের চালিকাশক্তি।
তার বক্তব্যে ও রাজনৈতিক ভাবনায় উঠে আসে—
মেধা ও দক্ষতার ভিত্তিতে কাজের সুযোগ সৃষ্টি
শিক্ষাকে বাস্তব জীবনের সঙ্গে সংযুক্ত করা
প্রযুক্তি ও নতুন উদ্যোগে তরুণদের অংশগ্রহণ
রাজনীতিতে তরুণদের সম্মানজনক ভূমিকা নিশ্চিত করা
এই বিষয়গুলো তরুণদের কাছে স্বপ্নের মতো শোনালেও বাস্তবতার সঙ্গে সংযোগ থাকার কারণেই তা গুরুত্ব পাচ্ছে।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি
তারেক রহমান শুধু ক্ষমতার রাজনীতি নয়, রাষ্ট্র পরিচালনার কথা বলেন। তার রাজনৈতিক চিন্তায় বারবার উঠে আসে—শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান ছাড়া শক্তিশালী দেশ গড়া যায় না।
তিনি গুরুত্ব দেন—
স্বাধীন ও কার্যকর বিচারব্যবস্থায়
মতপ্রকাশের স্বাধীনতায়
জবাবদিহিমূলক প্রশাসনে
অর্থনৈতিক সুযোগের ন্যায্য বণ্টনে
তার বিশ্বাস, গণতন্ত্র কেবল নির্বাচন নয়—এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রশ্ন।
ভারত ও আন্তর্জাতিক বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্কের প্রশ্ন
পররাষ্ট্রনীতিতে তারেক রহমান বাস্তববাদী অবস্থানের কথা বলেন। প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হবে বন্ধুত্বপূর্ণ, তবে সমতার ভিত্তিতে। কোনো আধিপত্য নয়, কোনো অযথা বিরোধও নয়—জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতির কথা তার বক্তব্যে গুরুত্ব পায়।
আন্তর্জাতিক বিশ্বে বাংলাদেশকে তিনি একটি দায়িত্বশীল ও বিশ্বাসযোগ্য রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চান—যেখানে গণতন্ত্র ও মানবিক মূল্যবোধ সম্মান পাবে।
নারী-পুরুষ নির্বিশেষে আস্থার জায়গা
একজন রাজনৈতিক নেতার গ্রহণযোগ্যতা তখনই বাড়ে, যখন মানুষ নিজেকে তার ভাবনার অংশ মনে করে। তারেক রহমান নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সমান অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তার কথা বলেন।
নারীর ক্ষমতায়ন, পরিবার ও সমাজের ভারসাম্য—এসব বিষয়ে তার বক্তব্য অনেক সাধারণ মানুষের কাছে আস্থার জায়গা তৈরি করেছে।
ধানের শীষ কেন আবার মানুষের ভাবনায়
ভোট প্রতীকের চেয়েও বড় বিষয় হলো মানুষের আশা। ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আকাঙ্ক্ষার পেছনে অনেকের কাছে রয়েছে—
পরিবর্তনের ইচ্ছা
গণতন্ত্র ফেরানোর আশা
তরুণদের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করার স্বপ্ন
ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রত্যাশা
তারেক রহমান এই প্রত্যাশাগুলোর প্রতীক হয়ে উঠছেন বলেই বিএনপি আবার নতুন করে আলোচনায়।
তারেক রহমান আজ শুধু বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নন। তিনি অনেক তরুণের কাছে স্বপ্নের কথা বলা একজন নেতা, অনেক মানুষের কাছে পরিবর্তনের সম্ভাবনা।
বাংলাদেশের রাজনীতি এখন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। এই সন্ধিক্ষণে তরুণ প্রজন্ম নতুন করে প্রশ্ন করছে, নতুন করে ভাবছে। আর সেই ভাবনার মাঝখানেই বারবার উঠে আসছে তারেক রহমানের নাম—একটি স্বপ্নের নাম, একটি সম্ভাবনার নাম।
#তারেক_রহমান
#তরুণদের_স্বপ্ন
#বাংলাদেশের_রাজনীতি |