ফেইস দ্য পাবলিক Face The public

ফেইস দ্য পাবলিক Face The public PBTV France – Face The Public: Real opinions, reactions & stories from everyday people. Independent journalism.Not affiliated with any government or party.
(1)

Content for public awareness & civic discussion.Talkshow real discussions your voice matters! 🌍🗣️

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান তরুণ প্রজন্মকে দেখাচ্ছেন এক নতুন স্বপ্ন✍️ এএমসি রোমেলফ্রিল্যান্স সাংবাদিক | প্যারিস...
24/12/2025

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান তরুণ প্রজন্মকে দেখাচ্ছেন এক নতুন স্বপ্ন

✍️ এএমসি রোমেল
ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক | প্যারিস, ফ্রান্স

বাংলাদেশের রাজনীতি এক দীর্ঘ সময় ধরে বিশ্বাসের সংকটে ভুগছে। এই সময়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে—দেশ কোন পথে যাবে, কে নেতৃত্ব দেবে, আর তরুণদের ভবিষ্যৎ কোথায় দাঁড়াবে। ঠিক এই প্রেক্ষাপটেই বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে তিনি যেন এক ভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক ভাষা নিয়ে হাজির হয়েছেন—যেখানে আছে স্বপ্ন, আছে প্রত্যাশা, আবার আছে বাস্তবতার স্বীকৃতি।

তরুণ প্রজন্ম কেন তারেক রহমানের দিকে তাকাচ্ছে

আজকের তরুণ সমাজ আগের মতো রাজনীতিকে আবেগ দিয়ে বিচার করে না। তারা প্রশ্ন করে, তুলনা করে, নিজের জীবনের বাস্তবতার সঙ্গে মিলিয়ে দেখে। কর্মসংস্থানের অভাব, শিক্ষার অনিশ্চয়তা, মত প্রকাশের সংকুচিত পরিসর—এই সব বাস্তবতায় তারা এমন একজন নেতাকে খুঁজছে, যিনি অন্তত তাদের সমস্যাকে অস্বীকার করেন না।

তারেক রহমানের বক্তব্য ও রাজনৈতিক অবস্থানে তরুণরা এমন এক মনোভাব দেখছে, যেখানে তাদের কথা গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি বারবার তরুণদের সম্ভাবনা, মেধা ও শক্তির কথা বলেন। এই জায়গাটিই তাকে অনেক তরুণের কাছে আলাদা করে তুলছে।

তরুণদের জন্য তারেক রহমানের ভাবনা

তারেক রহমানের রাজনীতির একটি বড় অংশ জুড়ে আছে তরুণদের ভবিষ্যৎ। তার দৃষ্টিতে তরুণরা কেবল ভোটার নয়—তারা রাষ্ট্র গঠনের চালিকাশক্তি।

তার বক্তব্যে ও রাজনৈতিক ভাবনায় উঠে আসে—

মেধা ও দক্ষতার ভিত্তিতে কাজের সুযোগ সৃষ্টি

শিক্ষাকে বাস্তব জীবনের সঙ্গে সংযুক্ত করা

প্রযুক্তি ও নতুন উদ্যোগে তরুণদের অংশগ্রহণ

রাজনীতিতে তরুণদের সম্মানজনক ভূমিকা নিশ্চিত করা

এই বিষয়গুলো তরুণদের কাছে স্বপ্নের মতো শোনালেও বাস্তবতার সঙ্গে সংযোগ থাকার কারণেই তা গুরুত্ব পাচ্ছে।

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি

তারেক রহমান শুধু ক্ষমতার রাজনীতি নয়, রাষ্ট্র পরিচালনার কথা বলেন। তার রাজনৈতিক চিন্তায় বারবার উঠে আসে—শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান ছাড়া শক্তিশালী দেশ গড়া যায় না।

তিনি গুরুত্ব দেন—

স্বাধীন ও কার্যকর বিচারব্যবস্থায়

মতপ্রকাশের স্বাধীনতায়

জবাবদিহিমূলক প্রশাসনে

অর্থনৈতিক সুযোগের ন্যায্য বণ্টনে

তার বিশ্বাস, গণতন্ত্র কেবল নির্বাচন নয়—এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রশ্ন।

ভারত ও আন্তর্জাতিক বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্কের প্রশ্ন

পররাষ্ট্রনীতিতে তারেক রহমান বাস্তববাদী অবস্থানের কথা বলেন। প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হবে বন্ধুত্বপূর্ণ, তবে সমতার ভিত্তিতে। কোনো আধিপত্য নয়, কোনো অযথা বিরোধও নয়—জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতির কথা তার বক্তব্যে গুরুত্ব পায়।

আন্তর্জাতিক বিশ্বে বাংলাদেশকে তিনি একটি দায়িত্বশীল ও বিশ্বাসযোগ্য রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চান—যেখানে গণতন্ত্র ও মানবিক মূল্যবোধ সম্মান পাবে।

নারী-পুরুষ নির্বিশেষে আস্থার জায়গা

একজন রাজনৈতিক নেতার গ্রহণযোগ্যতা তখনই বাড়ে, যখন মানুষ নিজেকে তার ভাবনার অংশ মনে করে। তারেক রহমান নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সমান অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তার কথা বলেন।

নারীর ক্ষমতায়ন, পরিবার ও সমাজের ভারসাম্য—এসব বিষয়ে তার বক্তব্য অনেক সাধারণ মানুষের কাছে আস্থার জায়গা তৈরি করেছে।

ধানের শীষ কেন আবার মানুষের ভাবনায়

ভোট প্রতীকের চেয়েও বড় বিষয় হলো মানুষের আশা। ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আকাঙ্ক্ষার পেছনে অনেকের কাছে রয়েছে—

পরিবর্তনের ইচ্ছা

গণতন্ত্র ফেরানোর আশা

তরুণদের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করার স্বপ্ন

ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রত্যাশা

তারেক রহমান এই প্রত্যাশাগুলোর প্রতীক হয়ে উঠছেন বলেই বিএনপি আবার নতুন করে আলোচনায়।

তারেক রহমান আজ শুধু বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নন। তিনি অনেক তরুণের কাছে স্বপ্নের কথা বলা একজন নেতা, অনেক মানুষের কাছে পরিবর্তনের সম্ভাবনা।

বাংলাদেশের রাজনীতি এখন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। এই সন্ধিক্ষণে তরুণ প্রজন্ম নতুন করে প্রশ্ন করছে, নতুন করে ভাবছে। আর সেই ভাবনার মাঝখানেই বারবার উঠে আসছে তারেক রহমানের নাম—একটি স্বপ্নের নাম, একটি সম্ভাবনার নাম।

#তারেক_রহমান
#তরুণদের_স্বপ্ন

#বাংলাদেশের_রাজনীতি |

বীরের বেশে আগামীকাল দেশে ফিরছেন তারেক রহমান✍️ এএমসি রোমেলফ্রিল্যান্স সাংবাদিক | প্যারিস, ফ্রান্সদীর্ঘ প্রায় সতেরো বছরের...
24/12/2025

বীরের বেশে আগামীকাল দেশে ফিরছেন তারেক রহমান

✍️ এএমসি রোমেল
ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক | প্যারিস, ফ্রান্স

দীর্ঘ প্রায় সতেরো বছরের প্রবাসজীবনের অবসান ঘটিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে। আগামীকাল তার আগমনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গন, প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে তীব্র আগ্রহ, আবেগ ও উৎকণ্ঠা। এটি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতার ফেরা নয়—এটি একটি দলের ভবিষ্যৎ, একটি আন্দোলনের গতি এবং দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

প্রত্যাবর্তনের রাজনৈতিক তাৎপর্য

তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন এমন এক সময়ে ঘটছে, যখন বাংলাদেশ নির্বাচনমুখী এবং রাজনৈতিক পরিবেশ চরমভাবে বিভক্ত। বিএনপির দীর্ঘদিনের নেতৃত্বের শূন্যতা, আন্দোলনের স্থবিরতা এবং সাংগঠনিক দুর্বলতার প্রেক্ষাপটে তার দেশে ফেরা দলটির জন্য নতুন শক্তি সঞ্চারের সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে এটি প্রতীকীভাবে “রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন” এবং “আন্দোলনের পুনর্জাগরণ” হিসেবে বিবেচিত।

জনসমর্থন ও আবেগ

বিএনপির তৃণমূল থেকে শুরু করে সমর্থক শ্রেণির একটি বড় অংশ তারেক রহমানকে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলনের মুখ হিসেবে দেখে আসছে। তার ফেরাকে অনেকেই গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে ভারসাম্য ফেরার সম্ভাবনা হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে বিরোধী রাজনীতির সীমাবদ্ধতা অনুভব করছেন, তাদের মধ্যে এই প্রত্যাবর্তন নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

বিতর্ক, মামলা ও বিশ্বাসযোগ্যতার প্রশ্ন

একই সঙ্গে অস্বীকার করার উপায় নেই যে তারেক রহমানের রাজনৈতিক জীবনের সঙ্গে বিতর্ক ও মামলার ইতিহাস জড়িত। দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন এখনও জনপরিসরে বিদ্যমান। সমর্থকদের মতে, এসব ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চাপের ফল। সমালোচকদের মতে, সামনে এগোতে হলে এসব বিষয়ে আরও দায়িত্বশীল ও স্বচ্ছ অবস্থান প্রয়োজন। দেশে ফেরার পর এসব প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকবে না।

নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা চ্যালেঞ্জ

এত বড় রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন স্বাভাবিকভাবেই নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য বড় পরীক্ষা। সম্ভাব্য জনসমাগম, আবেগী প্রতিক্রিয়া এবং পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক কর্মসূচি প্রশাসনের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। এই মুহূর্তে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা রাষ্ট্র, রাজনৈতিক দল এবং নাগরিক সমাজ—সবার সম্মিলিত দায়িত্ব।

গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক বার্তা

গণমাধ্যমে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে কেউ দেখছে সাহসী রাজনৈতিক কামব্যাক হিসেবে, কেউ দেখছে অনিশ্চয়তার নতুন ধাপ হিসেবে। ভবিষ্যতে তার বক্তব্য, কর্মসূচি ও রাজনৈতিক ভাষাই নির্ধারণ করবে—তিনি কি সমঝোতা, সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথ বেছে নেবেন, নাকি সংঘাতমুখী রাজনীতিই আরও তীব্র হবে।

তারেক রহমানের দেশে ফেরা বাংলাদেশের রাজনীতিতে নিঃসন্দেহে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এটি বিএনপির জন্য যেমন সম্ভাবনার দরজা খুলছে, তেমনি দেশের গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্যও এক বড় পরীক্ষা। এই প্রত্যাবর্তন ইতিহাসে লেখা হবে পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে, নাকি নতুন সংকটের ইঙ্গিত হিসেবে—তার উত্তর দেবে সময় ও রাজনৈতিক বাস্তবতা।

#বাংলাদেশরাজনীতি #তারেকরহমান

23/12/2025

“জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর জামায়াত ও বাংলাদেশ ছাত্রশিবিরের আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা ছিল, কিন্তু এখন কেন কমছে?”

✍️ এএমসি রোমেল
ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক | প্যারিস, ফ্রান্স

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জামায়াতে ইসলামী এবং তার সহযোগী ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রশিবির উল্লেখযোগ্য জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। তাদের কর্মকাণ্ড ও কৌশল তখন সাধারণ ভোটারের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছিল।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে, এই জনপ্রিয়তা ক্রমশ কমছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এর পেছনে রয়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

জনপ্রিয়তা হ্রাসের কারণ

ঐতিহাসিক নেতিবাচক ধারণা:
মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের ভূমিকা নিয়ে জনগণের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক ধারণা রয়েছে। যুদ্ধাপরাধের দায়ে দলের শীর্ষ নেতাদের দণ্ড এবং ইতিহাস সংশোধনের চেষ্টা তাদের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

বাস্তব জীবনের ইস্যুতে দুর্বল মনোযোগ:
বর্তমান ভোটাররা অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান এবং নাগরিক অধিকারকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। শুধুমাত্র ধর্মীয় আদর্শ ও নীতি কেন্দ্র করে রাজনীতি করলে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্য কমে যায়।

বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও উগ্র মন্তব্য:
মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের ইতিহাস নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, নারীর ক্ষমতায়নবিরোধী অবস্থান এবং রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে সংঘাতজনক আচরণ দলের ভাবমূর্তিকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

রাজনৈতিক মিত্রতা ও বিরোধিতা:
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সমঝোতা সম্প্রতি দ্বন্দ্বপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সমর্থকদের মধ্যে বিভাজন জনমতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

নতুন রাজনৈতিক বিকল্পের উপস্থিতি:
নতুন রাজনৈতিক সংগঠন ও পার্টিগুলো তরুণ ভোটারদের মধ্যে আরও কার্যকর সমাধান ও উন্নয়নমূলক এজেন্ডা নিয়ে এসেছে, যা জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের প্রচলিত কৌশলের তুলনায় আধুনিক ভোটারের কাছে কম আকর্ষণীয়।

জনপ্রিয়তা পুনরুদ্ধারের জন্য সুপারিশকৃত পদক্ষেপ

বাস্তবসম্মত উন্নয়নমূলক এজেন্ডা:
অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং নাগরিক অধিকারকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রস্তাবনা তৈরি করা।

সামাজিক ও জনসংযোগ বৃদ্ধি:
গ্রামীণ ও শহুরে এলাকায় জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, সমাজসেবা কার্যক্রম এবং শিক্ষামূলক উদ্যোগ পরিচালনা।

ইতিবাচক ইতিহাস উপস্থাপন ও নৈতিক বার্তা:
মুক্তিযুদ্ধ ও মানবাধিকার সংক্রান্ত স্পষ্ট অবস্থান গ্রহণ করে নেতিবাচক ইতিহাস স্বীকার করা এবং সমাধানমুখী বার্তা দেওয়া।

আধুনিক যোগাযোগ ও ডিজিটাল কৌশল:
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পেশাদার প্রচারণা চালানো।

ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মধ্যপন্থা:
ধর্মীয় রাজনীতি চালানোর পাশাপাশি উদারনীতিক ও সমাজমুখী অবস্থান গ্রহণ, যাতে নতুন ভোটার ও সমর্থকের আস্থা বৃদ্ধি পায়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এসব পদক্ষেপ গ্রহণ করলে জামায়াত ও ছাত্রশিবির তাদের জনমতের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে পারবে এবং ভবিষ্যতের নির্বাচনে প্রভাবশালী হতে সক্ষম হবে।

---

“কোনো আসন‑সমঝোতা নয়, নিজের শক্তিতে লড়াই করতে চান — ঢাকা‑১৭: ডা. তাজনুভা জেবীন”(এনসিপি)✍️ এএমসি রোমেলফ্রিল্যান্স সাংবাদিক...
23/12/2025

“কোনো আসন‑সমঝোতা নয়, নিজের শক্তিতে লড়াই করতে চান — ঢাকা‑১৭: ডা. তাজনুভা জেবীন”(এনসিপি)
✍️ এএমসি রোমেল
ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক | প্যারিস, ফ্রান্স

২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) স্পষ্ট ঘোষণা করেছে যে দল কোনো আসন‑সমঝোতা করবে না। দলের নীতি অনুযায়ী তারা প্রতিটি আসনে নিজস্ব শক্তিতে লড়াই করবে। এই অবস্থান নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে দলের স্বতন্ত্র পরিচয় ও নীতি প্রদর্শন করছে।

ঢাকা‑১৭: মনোনয়ন ও প্রার্থী

ডা. তাজনুভা জেবীন ঢাকা‑১৭ আসন থেকে এনসিপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। ঢাকা‑১৭ আসনটি রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা যেমন গুলশান, বনানী, নিকেতন, মহাখালী, বারিধারা, শাহজাদপুর এবং সেনানিবাসের একাংশ অন্তর্ভুক্ত।

ডা. তাজনুভা জেবীন স্পষ্ট করেছেন যে তার লক্ষ্য জয়ের জন্য লড়াই করা, কোনো অংশীদারিত্ব বা আসন‑সমঝোতার মাধ্যমে নয়। তিনি চাইছেন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে স্বতন্ত্র ও নিজের নীতির ওপর নির্ভরশীলভাবে এগোতে।

এনসিপির মনোনয়ন তালিকা ও রাজনৈতিক কৌশল

এনসিপি প্রথম ধাপে প্রায় ১২৫টি আসনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে। ঢাকা বিভাগের মনোনীত কিছু প্রার্থী:

ঢাকা‑৯: তাসনিম জারা

ঢাকা‑১১: নাহিদ ইসলাম

ঢাকা‑১৬: আরিফুল ইসলাম আদিব

ঢাকা‑১৭: ডা. তাজনুভা জেবীন

ঢাকা‑১৮: নসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ঢাকা‑১৯: ফয়সাল মাহমুদ শান্তো

দলীয় নেতৃত্ব জানিয়েছে যে প্রার্থী নির্বাচনে যোগ্যতা, নীতি ও দলের উদ্দেশ্যকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও বিশ্লেষণ

এনসিপি স্বাধীন রাজনৈতিক পরিচয় বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দল ঘোষণা করেছে যে তারা কোনো বড় রাজনৈতিক দলের সাথে আসন‑সমঝোতা করবে না এবং প্রতিটি আসনে স্বাধীনভাবে লড়াই করবে।

ঢাকা‑১৭ আসনটি রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হওয়ায় রাজনৈতিক লড়াই তীব্র হবে। ডা. তাজনুভা জেবীন এই আসনে মনোনয়ন নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে তার রাজনৈতিক লক্ষ্য স্বাধীন, নীতিভিত্তিক ও জনগণকেন্দ্রিক।

ডা. তাজনুভা জেবীন ও এনসিপি সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছেন:

কোনো আসন‑সমঝোতা নয়, নিজের শক্তিতে লড়াই — দল ও প্রার্থীর নীতি অটল।

ঢাকা‑১৭ থেকে মনোনয়ন গ্রহণ — দলের রাজনৈতিক উপস্থিতি ও স্বতন্ত্র পরিচয় প্রতিষ্ঠা।

ডা. তাজনুভা জেবীনের মনোনয়ন ও রাজনৈতিক ঘোষণা বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে স্বাধীন, আদর্শভিত্তিক ও নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

#স্বাধীনরাজনীতি #নির্ভরশীললড়াই

নতুন দল, নতুন প্রার্থী, পুরোনো প্রতিপক্ষ: ঢাকা–৯ আসনে তাসনিম জারার কঠিন লড়াই✍️ এএমসি রোমেলফ্রিল্যান্স সাংবাদিক | প্যারিস...
23/12/2025

নতুন দল, নতুন প্রার্থী, পুরোনো প্রতিপক্ষ: ঢাকা–৯ আসনে তাসনিম জারার কঠিন লড়াই

✍️ এএমসি রোমেল
ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক | প্যারিস, ফ্রান্স

বাংলাদেশের রাজনীতিতে “পরিবর্তন” শব্দটি বহুবার উচ্চারিত হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন খুব কমই দেখা গেছে। রাজধানী ঢাকার রাজনীতিও এই বাস্তবতার বাইরে নয়। দীর্ঘদিন ধরে একই দল, একই মুখ এবং একই ক্ষমতার কাঠামোর ভেতর আবর্তিত হয়েছে নির্বাচনী রাজনীতি। ঠিক এই প্রেক্ষাপটে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে উঠে আসা তরুণ নারী নেত্রী ডা. তাসনিম জারার প্রার্থিতা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা–৯ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন। নতুন দল ও নতুন প্রার্থী হলেও তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে পুরোনো, অভিজ্ঞ এবং সাংগঠনিকভাবে শক্ত প্রতিপক্ষ। ফলে এই নির্বাচন কেবল একটি আসনের লড়াই নয়, বরং ঢাকার রাজনীতিতে নতুন ধারার সক্ষমতা যাচাইয়ের একটি বড় পরীক্ষা।

ঢাকা–৯ আসন: রাজনীতির কঠিন ময়দান

ঢাকা–৯ আসনটি খিলগাঁও, সবুজবাগ, মুগদা ও মান্ডা এলাকা নিয়ে গঠিত। এটি রাজধানীর একটি ঘনবসতিপূর্ণ ও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ আসন। এখানে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত নাগরিক, চাকরিজীবী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী এবং শ্রমজীবী মানুষের বসবাস উল্লেখযোগ্য।

অতীতে এই আসন বরাবরই বড় রাজনৈতিক দলগুলোর নিয়ন্ত্রণে থেকেছে। শক্তিশালী দলীয় সংগঠন, স্থানীয় প্রভাবশালী মহল এবং অর্থনৈতিক সক্ষমতা এখানে নির্বাচনী ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এসেছে। এই বাস্তবতায় নতুন কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর জন্য ঢাকা–৯ নিঃসন্দেহে একটি কঠিন আসন।

তাসনিম জারা: রাজনীতিতে আগমনের পটভূমি

ডা. তাসনিম জারা চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্যভিত্তিক সচেতনতা কর্মী হিসেবে রাজনীতিতে আসার আগেই পরিচিতি লাভ করেন। বিশেষ করে কোভিড-১৯ মহামারির সময় স্বাস্থ্য তথ্য ও সচেতনতা নিয়ে তার কার্যক্রম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়।

নাগরিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতৃত্বে যুক্ত হন। বর্তমানে তিনি এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব এবং দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একজন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধি। রাজনীতিতে তার উপস্থিতি মূলত তরুণ, শিক্ষিত ও শহুরে নাগরিকদের মধ্যে নতুন প্রত্যাশার প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নির্বাচনী অর্থায়ন: অভিযোগ, প্রশ্ন ও বাস্তবতা

ঢাকা–৯ এলাকায় তাসনিম জারার প্রার্থিতা ঘিরে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হলো নির্বাচনী অর্থায়ন। সামাজিক পরিসরে অভিযোগ উঠেছে—তিনি সাধারণ নাগরিকদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে নির্বাচনী মাঠে নামছেন।

এই অভিযোগের জবাবে তাসনিম জারা বারবার দাবি করেছেন, তার নির্বাচনী ব্যয় সম্পূর্ণভাবে আইনসম্মত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিচালিত হবে। তিনি বড় ব্যানার, ব্যয়বহুল শোডাউন কিংবা প্রভাবশালী অর্থায়নের বদলে নাগরিক অংশগ্রহণভিত্তিক ছোট অনুদানের কথা বলছেন।

তবে প্রশ্ন থেকেই যায়—বাংলাদেশের বাস্তব নির্বাচনী রাজনীতিতে এই মডেল কতটা কার্যকর হবে এবং এটি কি পুরোনো অর্থনির্ভর রাজনীতির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারবে?

পুরোনো প্রতিপক্ষ ও সাংগঠনিক শক্তি

ঢাকা–৯ আসনে তাসনিম জারার প্রধান প্রতিপক্ষরা আসছেন দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও শক্তিশালী দলীয় কাঠামো নিয়ে। তাদের রয়েছে বিস্তৃত কর্মী নেটওয়ার্ক, স্থানীয় পর্যায়ের প্রভাব এবং নির্বাচনী অভিজ্ঞতা।

এই জায়গায় এনসিপি ও তাসনিম জারার সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা হলো মাঠপর্যায়ের সংগঠনের দুর্বলতা এবং নির্বাচনী অভিজ্ঞতার অভাব। বড় দলগুলোর সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতায় এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

তরুণ ভোটার ও শহুরে রাজনীতির পরিবর্তন

তবে ঢাকার রাজনীতিতে একটি পরিবর্তনের আভাস স্পষ্ট। তরুণ ভোটারদের বড় একটি অংশ প্রচলিত রাজনীতিতে হতাশ। তারা দুর্নীতি, দলীয় আধিপত্য এবং পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতির বাইরে একটি বিকল্প খুঁজছে।

এই জায়গায় তাসনিম জারার পক্ষে কাজ করছে কয়েকটি বিষয়—তিনি নতুন মুখ, নারী নেতৃত্বের প্রতীক এবং নাগরিক ভাষায় কথা বলা একজন প্রার্থী। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সুশাসনের মতো মৌলিক ইস্যুতে তার অবস্থান তরুণ ভোটারদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করছে।

২০২৬ সালের নির্বাচন: জয়ের বাস্তব হিসাব

বাস্তব বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা–৯ আসনে তাসনিম জারার জয়লাভ সহজ হবে না। বড় দলগুলোর সাংগঠনিক শক্তি, অর্থনৈতিক সামর্থ্য এবং অভিজ্ঞতা এখনো বড় বাধা।

তবে এই নির্বাচন তার জন্য সম্পূর্ণ ব্যর্থতাও নয়। উল্লেখযোগ্য ভোট অর্জন, ব্যবধান কমানো এবং ঢাকার রাজনীতিতে একটি নতুন শক্তির উপস্থিতি জানান দেওয়া—এই তিনটি দিকেই তিনি প্রভাব ফেলতে পারেন।

ঢাকা–৯ আসনে তাসনিম জারার প্রার্থিতা বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি স্পষ্ট বার্তা দেয়—নতুন প্রজন্ম আর কেবল দর্শক হয়ে থাকতে চায় না। তারা রাজনীতিতে অংশ নিতে চায় এবং পুরোনো কাঠামোকে প্রশ্ন করতে চায়।

২০২৬ সালের নির্বাচনই নির্ধারণ করবে, ঢাকার নাগরিকরা সেই পরিবর্তনের পথে হাঁটতে কতটা প্রস্তুত।


ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে ‘ইনসাফের বাংলাদেশ’: ওসমান হাদির স্বপ্ন কি অপূর্ণই থেকে যাবে, নাকি ন্যায়বিচারের পথে দাঁড়াবে ...
23/12/2025

ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে ‘ইনসাফের বাংলাদেশ’: ওসমান হাদির স্বপ্ন কি অপূর্ণই থেকে যাবে, নাকি ন্যায়বিচারের পথে দাঁড়াবে রাষ্ট্র!

✍️ এএমসি রোমেল
ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক | প্যারিস, ফ্রান্স

ঢাকা, বাংলাদেশ – ডিসেম্বর ২০২৫-এর মাঝামাঝি, দেশজুড়ে রাজনৈতিক পরিবেশ উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে, যখন জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী যুবনেতা শরীফ ওসমান বিন হাদী হত্যার পর তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। এই হত্যাকাণ্ড ন্যায়বিচার, ইনসাফের বাংলাদেশ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রশ্নকে কেন্দ্র করে জাতীয় আলোচনার শীর্ষে চলে আসে, যেখানে জনমানুষ ও রাজনৈতিক মহল তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখায়।

হাদি, যিনি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে ঢাকা‑৮ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী ছিলেন, ১২ ডিসেম্বর ঢাকার বিজয়নগর এলাকায় অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের গুলিতে আহত হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তার মৃত্যু হয়। এর ফলে দেশের নানা প্রান্তে ব্যাপক বিক্ষোভ ও সহিংস ঘটনা ঘটে।

হাদীর পরিচয় ও রাজনৈতিক ভূমিকা

হাদি একজন জাতীয় রাজনৈতিক কর্মী ও ২০২৪ সালের ছাত্র নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের অন্যতম মুখপাত্র ছিলেন। তিনি ইনকিলাব মঞ্চের সমর্থক ছিলেন, যারা সরকারের বিরুদ্ধে জনমতের ভিত্তিতে বিশাল জনঅভ্যুত্থান সংগঠিত করেছিল।

তিনি বিশেষভাবে ভারতীয় প্রভাব ও হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে কথা বলতেন এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও রাজনৈতিক স্বাধীনতার পক্ষে বার্তাবাহী ভূমিকা রাখতেন। এই রাজনৈতিক অবস্থানই তাকে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি প্রতীকী চরিত্রে পরিণত করেছিল।

হত্যাকাণ্ড ও তার পরিণতি

১২ ডিসেম্বর ঢাকার বিজয়নগর এলাকায় গাড়ি থেকে নামার সময় হাদীকে অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা গুলি করে আহত করেন। তিনি গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে সিঙ্গাপুরে স্থানান্তরিত হন। সেখানে ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তার মৃত্যু হয়।

তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে হাজার হাজার নাগরিক ও ছাত্রসমাজ ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ শুরু করে। বিক্ষোভকারীরা “ন্যায়বিচার চাই” স্লোগান নিয়ে রাস্তায় নামে এবং সরকারের প্রতি তীব্র দাবি জানায়

সমসাময়িক সহিংসতা ও জনবিক্ষোভ

হাদীর মৃত্যু ঘিরে দেখা দেয়:

বৃহৎ বিক্ষোভ ও সহিংসতা, যেখানে নাগরিকরা রাস্তায় নেমে ন্যায়বিচারের দাবি জানায়।

প্রথম সারির সংবাদপত্রের অফিসে হামলা, আগুন ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

সাংবাদিকদের কাজের পরিবেশ সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে এবং দেশের সংবাদ পরিবেশ বিপর্যস্ত হয়।

এসব ঘটনাগুলো বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক কার্যক্ষমতা সম্পর্কে গভীর প্রশ্ন তুলেছে, বিশেষত নির্বাচন ঘনিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে।

রাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া ও তদন্ত

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও জাতিসংঘ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। জাতিসংঘের হিউম্যান রাইটস প্রধান স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন এবং সব পক্ষকে সহিংসতা বন্ধের জন্য অনুরোধ করেছেন।

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে এবং কারও প্রতি ছাড় দেওয়া হবে না। তবে মূল আসামির অবস্থান এখনও তদন্তে পরিষ্কার নয়, যার ফলে জনমনে সন্দেহ ও চাপ বিরাজ করছে।

রাজনৈতিক ব্যপ্তি ও আন্তর্জাতিক প্রভাব

হাদীর মৃত্যুর ঘটনায় বিপুল রাজনৈতিক উত্তেজনা ও আন্তর্জাতিক মনোযোগ সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কেও অস্থিরতার সূচনা করেছে; উভয় দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের উপর এটি প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষত বাংলাদেশে বিরোধী ভারতীয় মতামলের পরিবেশের কারণে।

সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনর্বিবেচনার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

জনমত ও রাজনীতিকদের দাবি

দেশের নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক নেতারা হাদীর হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী ও নির্বাহী পরিষদকে চাপ দিচ্ছেন। বিশিষ্ট নাগরিক ও সাংস্কৃতিক নেতারা জাতীয় নির্বাচনের পরিবেশ ও গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতার জন্য নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্ত দাবি করেছেন।

কিছু রাজনৈতিক সংগঠন বা সাধারণ মানুষ মনে করছেন, এই হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ন্যায়বিচারের প্রতি গভীর আস্থা পরীক্ষা করে এবং এটি রাজনৈতিক আবেগ ও জনমতের প্রকট প্রতিফলন।

স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা জানিয়েছেন যে হিংসা ও অরাজকতা রোধ করতে জনগণের নিরাপত্তা এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা জোরদার করা জরুরি, বিশেষত নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজন করার জন্য।

ন্যায়বিচার বনাম অনিশ্চয়তা

ওসমান হাদীর মৃত্যু শুধু একজন রাজনীতিকের জীবন হারানো নয়, বরং এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ন্যায়বিচার, প্রশাসনিক সচ্ছতা এবং রাজনৈতিক স্বার্থের সংঘর্ষের প্রতিচ্ছবি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

যদিও সরকার হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চালাচ্ছে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, জনমনে সন্দেহ ও চাপহীন পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং দেশব্যাপী উত্তেজনা অব্যাহত আছে — বিশেষত ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার হাদীর স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত হবে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন অব্যাহত রয়েছে।

মানবিক আহ্বান: ইতালির রাস্তায় হারিয়ে যাওয়া মানসিক ভারসাম্যহীন প্রবাসী ফয়েজ আহমেদকে মায়ের কোলে ফিরাতে সবাই এগিয়ে আসু...
23/12/2025

মানবিক আহ্বান: ইতালির রাস্তায় হারিয়ে যাওয়া মানসিক ভারসাম্যহীন প্রবাসী ফয়েজ আহমেদকে মায়ের কোলে ফিরাতে সবাই এগিয়ে আসুন!

✍️ এএমসি রোমেল
ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক | প্যারিস, ফ্রান্স

রোম, ইতালি – ইতালিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশী ফয়েজ আহমেদ বর্তমানে রাস্তায় একাই ঘুরছেন, মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায়। তার জীবন পরিবার ও সামাজিক সেবা থেকে দূরে। ফয়েজকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনা এখন মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত জরুরি।

ফয়েজ দীর্ঘদিন ধরে ইতালিতে বসবাস করছেন এবং বৈধতার জন্য চেষ্টা করেছেন। কিন্তু দালালদের ফাঁদে পড়ে তার সব সম্বল হারিয়েছে। রোমে অজ্ঞাত কিছু লোকের হাতে মারধরের পর তার জীবন অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে যায়। এরপর থেকে তার মানসিক স্বাস্থ্যে বড় পরিবর্তন এসেছে।

ফয়েজ কথার ধারাবাহিকতা রাখতে পারেন না, প্রায়ই রাস্তায় ঘুরে বেড়ান এবং যেকোনো যানবাহনে চড়ে ঝুঁকি নেন। ইতালির পুলিশও তাকে আটক করতে পারেনি, কারণ তার অসুস্থতার প্রকৃতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

পরিবারের মানবিক আবেদন:
ফয়েজের বাবা জয়নাল আবেদিন এবং মা হামিদা বেগম বারবার চেষ্টা করেছেন তাকে খুঁজে আনতে, কিন্তু মানসিক অস্থিরতার কারণে সফল হননি। তারা চাইছেন, ইতালির প্রবাসী বাংলাদেশীরা এগিয়ে এসে তাকে খুঁজে বের করে, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা এবং মানবিক সহায়তার মাধ্যমে মায়ের কোলে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করুন।

ফয়েজের কোনো বৈধ ডকুমেন্ট নেই। তাই ইতালির সামাজিক সেবা সংস্থা বা দূতাবাসের সাহায্য নিয়ে তাকে নিরাপদে পরিবারের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রবাসীদের জন্য বিশেষ আহ্বান:

ফয়েজ আহমেদের অবস্থান খুঁজে বের করুন।

ইতালির সামাজিক সেবা বা দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

তার নিরাপদ প্রস্থান এবং চিকিৎসার জন্য সহায়তা করুন।

মানবিকতার দিক থেকে আমরা সকল প্রবাসীকে অনুরোধ করছি, একসাথে হয়ে ফয়েজকে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিন। একজন মায়ের সন্তানকে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে আনা মানবিক কর্তব্য।

ফয়েজ আহমেদের পরিচয়:

নাম: ফয়েজ আহমেদ

পিতা: জয়নাল আবেদিন

মাতা: হামিদা বেগম

গ্রাম: খশির কোনাপাড়া, কুড়ার বাজার ইউনিয়ন, বিয়ানিবাজার থানা, সিলেট জেলা, বাংলাদেশ

তথ্যসূত্র: নিশ্চিত করেছেন ফয়েজ আমাদের বন্ধু, ফ্রান্স প্রবাসী সামাদ এবং তার বন্ধু শিহাবউদ্দিন।

#মানবিক_সহযোগিতা #ফয়েজ_আহমেদ

ঢাকা–৮ আসনে তরুণ বনাম অভিজ্ঞ: সাদিক কায়েম কি মির্জা আব্বাসকে টেক্কা দিতে পারবেন?✍️ এএমসি রোমেলফ্রিল্যান্স সাংবাদিক | প্য...
22/12/2025

ঢাকা–৮ আসনে তরুণ বনাম অভিজ্ঞ: সাদিক কায়েম কি মির্জা আব্বাসকে টেক্কা দিতে পারবেন?

✍️ এএমসি রোমেল
ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক | প্যারিস, ফ্রান্স

২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশের রাজনীতিতে উত্তেজনা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। নির্বাচনের অন্যতম প্রধান আসন হিসেবে ঢাকা–৮ নজর কাড়ছে। এখানে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছেন দলের অভিজ্ঞ নেতা মির্জা আব্বাস, যিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের ফলে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে একটি শক্তিশালী সমর্থনভিত্তি তৈরি করেছেন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ছাত্র রাজনীতির জনপ্রিয় নেতা সাদিক কায়েম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এ আসনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ঢাকা–৮ আসনের লড়াই শুধুমাত্র আসন জয়ের বিষয় নয়; এটি নতুন নেতৃত্ব বনাম অভিজ্ঞ নেতৃত্বের দ্বন্দ্বের একটি পরীক্ষার মঞ্চ। বিশেষত ছাত্র রাজনীতি থেকে জাতীয় রাজনীতিতে তরুণ নেতাদের প্রভাব কতটা হতে পারে, সেটিও এই নির্বাচনের মাধ্যমে পরিমাপ হবে।

সাদিক কায়েম: ছাত্র রাজনীতি থেকে জাতীয় মঞ্চে

সাদিক কায়েম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন।

ডাকসু ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিজয় তরুণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সমর্থন নিশ্চিত করেছে।

ছাত্র রাজনীতিতে তার জনপ্রিয়তা জাতীয় রাজনীতিতে প্রবেশের শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, যদি সাদিক কায়েম কার্যকর প্রচারণা চালান এবং কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ করেন, তবে তিনি তরুণ ভোটারদের মন জয় করতে সক্ষম হবেন।

তবে, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জানিয়েছে যে তার প্রার্থীতা এখনও চূড়ান্ত নয়। দলীয় কৌশল ও সমঝোতার ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মির্জা আব্বাস ও বিএনপি: অভিজ্ঞতার শক্তি

মির্জা আব্বাস দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞ নেতা।

ঢাকা–৮ আসনে তাঁর একটি শক্তিশালী ভোট ব্যাংক রয়েছে।

রাজনৈতিক কর্মী ও সমর্থকরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিস্তৃত।

অভিজ্ঞতা ও পরিচিতি নির্বাচনী লড়াইয়ে উল্লেখযোগ্য সুবিধা প্রদান করে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তরুণ নেতা বনাম অভিজ্ঞ নেতা—এই সংঘর্ষ ঢাকা–৮ আসনকে প্রতীকী রাজনৈতিক মঞ্চে পরিণত করছে। এখানে ভোটের ফলাফল কেবল আসন জয়ের বিষয় নয়; ছাত্র রাজনীতির প্রভাব জাতীয় রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে তা নির্ধারণ করবে।

ওসমান হাদীর হত্যাকাণ্ড: রাজনৈতিক প্রভাব

সম্প্রতি স্বতন্ত্র প্রার্থী ওসমান হাদী নির্বাচনী প্রচারণার সময় নিহত হয়েছেন।

এই ঘটনায় ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

দেশের বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর করা হয়েছে।

নিহত প্রার্থীর শূন্যস্থান পূরণে নতুন প্রার্থীদের সম্ভাব্যতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এই পরিস্থিতি ঢাকা–৮ আসনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল এবং উত্তেজনাপূর্ণ করেছে।

নির্বাচনী কৌশল ও সম্ভাবনা

জামায়াতের তরুণ প্রার্থী সাদিক কায়েম তরুণ ভোটারদের মধ্যে সমর্থন জোগাতে চাইবেন।

মির্জা আব্বাসের অভিজ্ঞতা এবং রাজনৈতিক শক্তি নির্বাচনী লড়াইকে আরও চ্যালেঞ্জিং করে তুলতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ঢাকা–৮ আসন ২০২৬ সালের নির্বাচনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র, যা দেশের রাজনৈতিক দিক পরিবর্তনের সম্ভাবনা বহন করে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ: নতুন বনাম পুরনো

ঢাকা–৮ আসনের লড়াই কেবল ভোটের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়। এটি দেশের রাজনীতিতে নতুন নেতৃত্বের উদয় বনাম অভিজ্ঞ নেতৃত্বের পরীক্ষার মঞ্চ।

সাদিক কায়েম যদি কার্যকর প্রচারণা চালাতে পারেন, তরুণ ভোটারদের সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মির্জা আব্বাসের অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক শক্তি নির্বাচনকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

ভোটের ফলাফল প্রকাশের দিনই দেখা যাবে, তরুণ নেতৃত্ব কতটা জাতীয় রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে সক্ষম।

ঢাকা–৮ আসন ২০২৬ সালের নির্বাচনে নতুন ও পুরনো নেতৃত্বের দ্বন্দ্বের প্রতীক। এটি ছাত্র রাজনীতি, রাজনৈতিক কৌশল, ভোটার প্রভাব এবং দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।

✍️ এএমসি রোমেল
ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক | প্যারিস, ফ্রান্স

#রাজনীতি #ঢাকা৮ #তরুণনেতৃত্ব #বাংলাদেশ

আইনশৃঙ্খলার ভাঙন ও রাষ্ট্রের অগ্নিপরীক্ষা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বদল কি অনিবার্য, নাকি দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন জাতীয় নিরাপত্ত...
22/12/2025

আইনশৃঙ্খলার ভাঙন ও রাষ্ট্রের অগ্নিপরীক্ষা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বদল কি অনিবার্য, নাকি দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান?

✍️ এএমসি রোমেল
ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক | প্যারিস, ফ্রান্স

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেবল একটি প্রশাসনিক সংকট নয়; এটি রাষ্ট্র পরিচালনার সক্ষমতা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার এক বড় পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে। একের পর এক সহিংস ঘটনা, রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের ওপর হামলা এবং প্রকাশ্যে গুলির মতো ঘটনার ফলে জনমনে গভীর নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। এই বাস্তবতায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্ব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—বর্তমান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কি পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছেন, নাকি দায়িত্ব পরিবর্তন এখন সময়ের দাবি?

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পরিবর্তন: গুঞ্জনের বাস্তব ভিত্তি

রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনা চলছে যে, বর্তমান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর ভূমিকা নিয়ে সরকারের ভেতরেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারার অভিযোগ এই আলোচনাকে আরও জোরালো করেছে।
এই প্রেক্ষাপটে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সরকারি ঘোষণা না আসায় বিষয়টি নিশ্চিত সংবাদ নয়; বরং এটি সম্ভাব্য প্রশাসনিক রদবদল হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ড ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার অভিযোগ

ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। ইনকিলাব মঞ্চসহ বিভিন্ন সংগঠন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার এবং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করে। নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় প্রশাসনের সক্ষমতা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ ছাড়া গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ, সংখ্যালঘু নাগরিক হত্যাকাণ্ড, রাজনৈতিক নেতার ওপর প্রকাশ্যে গুলি এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের ওপর হামলার ঘটনাগুলো আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার দুর্বলতাকে আরও স্পষ্ট করেছে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত।

নির্বাচন সামনে রেখে বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ

২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ইস্যু এখন সবচেয়ে সংবেদনশীল বিষয় হয়ে উঠেছে। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সম্ভাব্য দেশে প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক নিরাপত্তা উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
বর্তমান বাস্তবতায় রাজনৈতিক নেতা, কর্মসূচি এমনকি সাধারণ নাগরিকের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করছেন অনেকে। এই পরিস্থিতিতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে।

খলিলুর রহমানের ভূমিকা ও আস্থার প্রশ্ন

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে ড. খলিলুর রহমান ইতোমধ্যে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, কৌশলগত সমন্বয় এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। নিরাপত্তা বাহিনী ও সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় এবং কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় তার ভূমিকা সরকারের আস্থার জায়গা তৈরি করেছে।
শুরুতে কিছু রাজনৈতিক মহল তার নিয়োগ নিয়ে আপত্তি তুললেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই বিরোধিতা অনেকটাই কমেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তারেক রহমানের লন্ডন বৈঠকে তার সক্রিয় ভূমিকা রাজনৈতিক আস্থার নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

বিএনপি ও রাজনৈতিক সমীকরণ

খলিলুর রহমান যদি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দায়িত্ব পান, বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে কী অবস্থান নেবে—তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলো সরাসরি সংঘাতের পথে না গিয়ে কার্যকর ও নিরপেক্ষ আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে সমর্থন জানাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যদি সেটি দলনিরপেক্ষ ও পেশাদারভাবে পরিচালিত হয়।

বাংলাদেশ আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি কেবল প্রশাসনিক ব্যর্থতার প্রশ্ন নয়; এটি রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা, গণতন্ত্র এবং আসন্ন নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দায়িত্বে পরিবর্তন হলে তা পরিস্থিতি কতটা উন্নত করবে—তা সময়ই নির্ধারণ করবে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট: শক্তিশালী, দক্ষ ও রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব ছাড়া দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা কঠিন। এখন সেই পরীক্ষার দিকেই তাকিয়ে আছে দেশ ও বিশ্ব।

ইনকিলাব মঞ্চের ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ – গুজব নাকি সত্য?✍️ এএমসি রোমেলফ্রিল্যান্স সাংবাদিক | ...
22/12/2025

ইনকিলাব মঞ্চের ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ – গুজব নাকি সত্য?

✍️ এএমসি রোমেল
ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক | প্যারিস, ফ্রান্স

ইনকিলাব মঞ্চ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগের আল্টিমেটাম দিয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানো হয়েছে যে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী পদত্যাগ করেছেন। যাচাইয়ের পর দেখা গেছে, পদত্যাগের কোনো সরকারি ঘোষণা নেই।

🔹 স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কে?

লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

দায়িত্ব: নির্বাচন এবং ক্ষমতা হস্তান্তরের তদারকি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো গুজব: তিনি পদত্যাগ করেছেন।

বাস্তবতা: গুজব মাত্র, পদত্যাগ হয়নি।

🔹 হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপট

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি সম্প্রতি ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।

প্রভাব: দেশের রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি।

মঞ্চের দাবি: সরকার নিরাপত্তা ব্যর্থ এবং অপরাধী শনাক্ত হয়নি।

🔹 ইনকিলাব মঞ্চের পদক্ষেপ

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগের আল্টিমেটাম।

তদন্তের ধীরগতি এবং নিরাপত্তা ব্যর্থতার কারণে সরকারের প্রতি ক্ষোভ।

সময়সীমা অতিক্রান্ত হলে কঠোর কর্মসূচি গ্রহণের হুঁশিয়ারি।

🔹 সরকারের অবস্থান

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বা সরকার কোনো পদত্যাগের ঘোষণা দেননি।

তদন্ত প্রক্রিয়া এখনও চলমান।

রাজনৈতিক চাপ থাকা সত্ত্বেও পদত্যাগ এখনো বাস্তবে হয়নি।

🔹 বিশ্লেষণ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো পদত্যাগের গুজব সত্য নয়।

রাজনৈতিক চাপ এবং জনমতের কারণে দাবিগুলো উঠেছে।

নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ।

পদত্যাগের গুজব ছড়ানো হয়েছে, বাস্তবে পদত্যাগ হয়নি।

ইনকিলাব মঞ্চ ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে।

রাজনৈতিক চাপ এবং নিরাপত্তা ব্যর্থতার কারণে দাবিগুলো জনমতের সঙ্গে যুক্ত।

#বাংলাদেশ #রাজনীতি

“জামায়াতে ইসলামী কি সত্যিই ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালের নির্বাচনে ক্ষমতায় আসছে?”বাংলাদেশের রাজনীতির বাস্তবতা, সম্ভাবনা ও অ...
22/12/2025

“জামায়াতে ইসলামী কি সত্যিই ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালের নির্বাচনে ক্ষমতায় আসছে?”

বাংলাদেশের রাজনীতির বাস্তবতা, সম্ভাবনা ও অজানা সমীকরণ—একটি গভীর অনুসন্ধান**

✍️ এএমসি রোমেল
ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক | প্যারিস, ফ্রান্স

**মত প্রকাশের স্বাধীনতা নাকি মতাদর্শিক রাষ্ট্র?
জামায়াতে ইসলামী–শিবিরের রাজনীতি, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও ২০২৬ সালের ক্ষমতার সমীকরণ**
বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি প্রশ্ন এখন ঘরে ঘরে, চায়ের দোকান থেকে ফেসবুক টাইমলাইনে—

“জামায়াতে ইসলামী কি সত্যিই ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালের নির্বাচনে ক্ষমতায় আসছে?”

এই প্রশ্নের পেছনে আছে ছাত্র রাজনীতিতে শিবিরের উত্থান, রাজপথে জামায়াতের সক্রিয়তা, প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জনঅসন্তোষ এবং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা।

এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে আবেগ নয়—বরং তথ্য, রাজনৈতিক বাস্তবতা ও বিশ্লেষণের আলোকে খোঁজা হয়েছে প্রশ্নটির বাস্তব উত্তর।

১. কেন আবার জামায়াতে ইসলামী আলোচনার কেন্দ্রে

দীর্ঘ সময় রাজনৈতিক কোণঠাসা অবস্থায় থাকার পর জামায়াতে ইসলামী আবার দৃশ্যমান হচ্ছে কয়েকটি কারণে—

ছাত্র রাজনীতিতে ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাফল্য

তরুণ ভোটারদের মধ্যে “বিকল্প রাজনীতি” খোঁজার প্রবণতা

প্রচলিত দলগুলোর ওপর আস্থার সংকট

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংগঠিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ উপস্থিতি

এই বাস্তবতা অনেককে ভাবাচ্ছে—
এটি কি কেবল উত্থান, নাকি ক্ষমতার পথে যাত্রা?

২. জামায়াতের বক্তব্য বনাম জনমনের প্রশ্ন

জামায়াতে ইসলামী প্রকাশ্যে যে কথাগুলো বলছে—

তারা মত প্রকাশের স্বাধীনতা চায়

তারা দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র চায়

তারা ন্যায়বিচারভিত্তিক সমাজ গড়তে চায়

কিন্তু সাধারণ মানুষের প্রশ্নগুলো আরও গভীর—

এই স্বাধীনতা কি সব মতের জন্য, নাকি নির্দিষ্ট মতাদর্শের ভেতরে সীমাবদ্ধ?

সংখ্যালঘু, নারী ও ভিন্নমতের নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত?

রাষ্ট্র কি নাগরিকের হবে, নাকি আদর্শের অধীন হবে?

এই প্রশ্নগুলোর স্পষ্ট, লিখিত ও পরীক্ষিত উত্তর এখনো পুরোপুরি সামনে আসেনি।

৩. ইসলামী ছাত্র শিবির: শক্তি নাকি ঝুঁকি?

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিবিরের সাফল্য জামায়াতের জন্য বড় রাজনৈতিক পুঁজি।
অনেক শিক্ষার্থী বলছেন—

“আমরা সহিংসতা আর দখল রাজনীতি চাই না—এই কারণে শিবিরকে সুযোগ দিয়েছি।”

কিন্তু রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন—

ছাত্র রাজনীতির সমর্থন সরাসরি জাতীয় নির্বাচনে রূপ নেয় না

অতীতের সহিংস রাজনীতির দায় স্পষ্টভাবে মোকাবিলা না করলে আস্থা তৈরি কঠিন

তরুণদের ভোট অস্থির—তারা দ্রুত সিদ্ধান্ত বদলায়

অর্থাৎ, শিবিরের উত্থান শক্তি হলেও সেটিই চূড়ান্ত নিশ্চয়তা নয়।

৪. ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬: বাস্তব নির্বাচনী হিসাব

নিরপেক্ষ রাজনৈতিক বিশ্লেষণে যে চিত্র স্পষ্ট—

জামায়াতে ইসলামী এককভাবে সরকার গঠন করবে—এই সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ

বড় দল ছাড়া জাতীয়ভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন প্রায় অসম্ভব

তবে তারা গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যক আসনে জয় পেতে পারে

জোট রাজনীতিতে তারা “ক্ষমতার সমীকরণ বদলানো” শক্তি হতে পারে

অর্থাৎ,
👉 ক্ষমতায় আসা নয়—ক্ষমতার অংশীদার হওয়াই তাদের বাস্তবসম্মত লক্ষ্য।

৫. ক্ষমতায় যেতে চাইলে যে কঠিন পরীক্ষায় পড়তে হবে

যা না করলে ক্ষমতার দরজা বন্ধই থাকবে

অতীত সহিংসতার বিষয়ে স্পষ্ট আত্মসমালোচনা

সংখ্যালঘু ও নারীর অধিকার নিয়ে দ্ব্যর্থহীন অঙ্গীকার

ধর্মের বাইরে দাঁড়িয়ে নাগরিক অধিকার রক্ষার নিশ্চয়তা

ভিন্নমতের প্রতি সহনশীল আচরণের প্রমাণ

যে ভুলগুলো করলে উল্টো ফল হবে

ধর্মীয় ভয় বা বিভাজন তৈরি

নৈতিক চাপ বা সামাজিক নিয়ন্ত্রণের রাজনীতি

অস্পষ্ট রাষ্ট্র কাঠামোর ধারণা

মত প্রকাশ সীমিত করার ইঙ্গিত

৬. তারা যে বাংলাদেশ চায়, আর মানুষ যে বাংলাদেশ চায়

জামায়াতে ইসলামী একটি ধর্মীয় মূল্যবোধকেন্দ্রিক রাষ্ট্র কল্পনা করে।
কিন্তু অধিকাংশ নাগরিক চায়—

নিজের বিশ্বাস নিজভাবে পালনের স্বাধীনতা

রাষ্ট্রের সামনে সবার সমান পরিচয়

কথা বলার অধিকার

ভয় ছাড়া বাঁচার নিশ্চয়তা

এই দুই ধারণার মধ্যকার দ্বন্দ্বই ২০২৬ সালের নির্বাচনের আসল লড়াই।

উপসংহার: তাহলে কি জামায়াত ক্ষমতায় আসছে?

সংক্ষিপ্ত উত্তর—না, এককভাবে নয়।
বাস্তব উত্তর—তারা প্রভাবশালী শক্তি হতে পারে, কিন্তু চূড়ান্ত রায় এখনো জনগণের হাতে।

১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালের নির্বাচন হবে শুধু সরকার বদলের ভোট নয়—
এটি হবে সিদ্ধান্ত—

বাংলাদেশ কি সবার দেশ থাকবে,
নাকি একটি নির্দিষ্ট মতাদর্শের ছায়ায় এগোবে?

শেষ কথা বলবে একজনই—
বাংলাদেশের নাগরিক।

#বাংলাদেশেররাজনীতি #২০২৬নির্বাচন

Adresse

Stains
93240

Site Web

Notifications

Soyez le premier à savoir et laissez-nous vous envoyer un courriel lorsque ফেইস দ্য পাবলিক Face The public publie des nouvelles et des promotions. Votre adresse e-mail ne sera pas utilisée à d'autres fins, et vous pouvez vous désabonner à tout moment.

Contacter L'entreprise

Envoyer un message à ফেইস দ্য পাবলিক Face The public:

Partager