Happy Couple Vlogs

Directions Website

Happy Couple Vlogs Hello, this is Rumana Yasmin’s Daily Vlog ❤️
Sharing real life, family, kids, UK life, tips & little moments that make life happier.
(2)

Follow along and enjoy life with us! 🌍❤️

বাংলাদেশের বিমানবন্দরে প্রবাসীদের হয়রানি দেখতে দেখতে মানুষ আজ ক্লান্ত, বিরক্ত এবং ক্ষুব্ধ। এত বছর ধরে কত সরকার এলো-গেল,...
09/10/2026

বাংলাদেশের বিমানবন্দরে প্রবাসীদের হয়রানি দেখতে দেখতে মানুষ আজ ক্লান্ত, বিরক্ত এবং ক্ষুব্ধ। এত বছর ধরে কত সরকার এলো-গেল, অথচ বিমানবন্দরে প্রবাসীদের ভোগান্তি কমানোর বিষয়টি যেন কারও মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠল না!

অথচ বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হলো প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। দেশের অবকাঠামো থেকে শুরু করে অর্থনীতির নানা ক্ষেত্রে প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। সেই প্রবাসীরাই যখন নিজের দেশে ফিরে বিমানবন্দরে হয়রানির শিকার হন, তখন প্রশ্ন জাগে তাঁদের অপরাধটা কী?

প্রবাসীরা কি VIP এন্ট্রি চান? VIP সার্ভিস চান? না, তাঁরা শুধু চান সম্মানজনক আচরণ, নিরাপদ লাগেজ এবং হয়রানিমুক্ত একটি স্বাভাবিক যাত্রা। তাঁরা চান, দীর্ঘ ভ্রমণ শেষে নিজের দেশে ফিরে যেন লাগেজ নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে না হয়, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে না হয় এবং বিমানবন্দরের কর্মীদের কাছ থেকে অসম্মানজনক আচরণ পেতে না হয়।

প্রশ্ন হচ্ছে, বিমানবন্দরে কর্মরত কিছু মানুষের বিরুদ্ধে লাগেজ চুরি, ব্যাগ কাটা, লাগেজ ভাঙচুর কিংবা যাত্রীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠলে তার যথাযথ তদন্ত হয় না কেন?

যাঁরা বিমানবন্দরে চাকরি করেন, তাঁরা কি একবারও ভাবেন না যে একজন প্রবাসী কত কষ্ট করে বিদেশে উপার্জন করেন? কত স্বপ্ন, কত ত্যাগ আর কত পরিশ্রমের বিনিময়ে নিজের পরিবারের জন্য জিনিসপত্র কেনেন? সেই জিনিসগুলোই যদি বিমানবন্দরে এসে চুরি হয়, নষ্ট হয় কিংবা ব্যাগ কেটে মূল্যবান জিনিস নিয়ে যাওয়া হয়, তাহলে সেই কষ্টের দায় কে নেবে?

সরকারি চাকরি করে নিয়মিত বেতন পাওয়ার পরও যদি কেউ অন্যের সম্পদের প্রতি লোভ দেখান, তাহলে তাঁর জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে না কেন? অবশ্যই মনে রাখতে হবে, অভিযোগ উঠলেই কাউকে অপরাধী বলা যায় না; সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

আমার প্রশ্ন, বাংলাদেশের এত বড় একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পর্যাপ্ত CCTV ক্যামেরা স্থাপন করা কি এতটাই কঠিন? ক্যামেরার সামনে যাত্রীদের লাগেজ হ্যান্ডলিংয়ের পুরো প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা যায় না? গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বড় ডিসপ্লে বসানো যায় না, যাতে যাত্রীরা নিজেদের লাগেজের গতিবিধি দেখতে পারেন?

যদি কোথাও লাগেজ চুরি, ব্যাগ কাটা, ভাঙচুর কিংবা কর্মীদের অসদাচরণের ঘটনা ঘটে, তাহলে CCTV ফুটেজের মাধ্যমে তদন্ত করে দায়ীদের শনাক্ত করা সম্ভব হওয়ার কথা। তাহলে এত দিন ধরে এসব সমস্যা নিয়ে কথা বলার পরও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে এত দেরি হচ্ছে কেন?

বিমানবন্দরের কর্মীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ, পেশাদার আচরণ, যাত্রীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং লাগেজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কি কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব নয়? অভিযোগ তদন্তের জন্য দক্ষ কর্মকর্তা, কার্যকর অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা এবং জবাবদিহির সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া কি নিশ্চিত করা যায় না?

আমরা কি এমন একটি বিমানবন্দর চাইতে পারি না, যেখানে একজন প্রবাসী দেশে ফিরে স্বস্তি পাবেন, আতঙ্ক নয়; সম্মান পাবেন, অপমান নয়; নিরাপত্তা পাবেন, হয়রানি নয়?

প্রবাসীরা কোনো বিশেষ সুবিধা চাইছেন না। তাঁরা তাঁদের ন্যায্য অধিকার চাইছেন। তাঁরা চাইছেন, নিজের দেশে ফিরে যেন নিজেদের অসহায় মনে না হয়।

যাঁদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে, তাঁদেরই যদি দেশের বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করা না যায়, তাহলে এর চেয়ে দুঃখজনক আর কী হতে পারে?

আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোরালো দাবি জানাচ্ছি বাংলাদেশের বিমানবন্দরে CCTV নজরদারি জোরদার করুন, লাগেজ হ্যান্ডলিংয়ের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করুন, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করুন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিন। পাশাপাশি বিমানবন্দরের সব কর্মীর জন্য যথাযথ প্রশিক্ষণ ও পেশাদার আচরণ নিশ্চিত করুন।

প্রবাসীরা বাংলাদেশের সম্পদ। তাঁদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখবে, অথচ নিজের দেশে ফিরে তাঁরা হয়রানির শিকার হবেন এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

দেশের বিমানবন্দর শুধু প্রবেশ ও প্রস্থানের স্থান নয়; এটি বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়। তাই আসুন, প্রবাসীদের নিয়ে শুধু প্রশংসার কথা না বলে তাঁদের বাস্তব সমস্যাগুলোর সমাধান করি।

প্রবাসীদের সম্মান দিন, তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। কারণ, নিজের দেশে ফিরে সম্মান পাওয়া কোনো বিশেষ সুবিধা নয় এটি তাঁদের ন্যায্য অধিকার।

ক ল মে : Rumana Yasmin ✍️

পাঁচ মাস আগে আম্মা চলে গেলেন। আর পাঁচ দিন আগে আমার একমাত্র ভাইও এই দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে চলে গেল।এই অল্প সময়ের মধ্যে...
07/10/2026

পাঁচ মাস আগে আম্মা চলে গেলেন। আর পাঁচ দিন আগে আমার একমাত্র ভাইও এই দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে চলে গেল।

এই অল্প সময়ের মধ্যে জীবনের সবচেয়ে আপন দুজন মানুষকে হারিয়ে আমি যেন একেবারে থমকে গেছি। এই কষ্ট নিয়ে বাকি জীবন কীভাবে পার করব, সত্যিই জানি না। আমার কষ্টগুলো কার সঙ্গে শেয়ার করব, সেটাও জানি না।

আপনারা হয়তো দেখেছেন, আমি অনেক দিন ধরে অনলাইনে নেই। আমার মনের অবস্থা, শারীরিক অবস্থা সবকিছু মিলিয়ে আমি একেবারে এলোমেলো হয়ে গেছি।

ঘুম থেকে উঠে প্রতিদিন সকালে আম্মার কল পেতাম। কখনো কল না এলে আমার ছেলে মোহাম্মদকে বলতাম, “চলো, তোমার নানিকে কল দিই।”

আম্মা চলে যাওয়ার পরও প্রতিটা সকাল যেন সেই পুরোনো অভ্যাস নিয়েই আসে। ঘুম থেকে উঠে মনে হয়, এই বুঝি আম্মা ফোন করবেন। এই বুঝি আমি আম্মাকে কল দেব। এখনো অনেক সময় মনে হয়, ফোন দিলেই আম্মা ওপাশ থেকে ফোনটা ধরবেন। মনে হয়, আম্মা হয়তো বাসাতেই আছেন।

মাকে হারানোর শূন্যতার সঙ্গে কোনো কিছুর তুলনা হয় না। তার ওপর এত অল্প সময়ের ব্যবধানে আমার একমাত্র ভাইকেও হারিয়েছি। এই বাস্তবতাটা মেনে নেওয়া আমার জন্য ভীষণ কঠিন।

বিদেশের জীবনের এই আট বছরে হয়তো অনেক কিছু সহ্য করতে করতে আমার মনটা পাথরের মতো হয়ে গেছে। কিন্তু তারপরও তো আমি মানুষ। আমারও মন আছে, অনুভূতি আছে। পরিবারের কথা মনে পড়লে সেই শক্ত মনটাও ভেঙে যায়।

আমি আমার আম্মাকে খুব মিস করি। আমার ভাইকেও খুব মিস করি। তাদের শূন্যতা প্রতিদিন, প্রতিটা মুহূর্তে অনুভব করি।

জানি না সামনে আমার দিনগুলো কীভাবে কাটবে।

সবাই আমার আম্মা ও আমার ভাইয়ের জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন তাদের দুজনকে জান্নাত নসিব করেন। আমিন।

03/10/2026

আমার একমাত্র ভাই আর নাই

01/10/2026

A little throwback to the days when you were still in Mama’s tummy, and we were busy choosing all the little things for you. Alhamdulillah for the blessing that is Muhammad.🥹🍼❤️

From Memories 🖤
01/10/2026

From Memories 🖤

❤️ কিছু বিষয় আজ থেকেই শুরু করা যায়:🔹 সন্তান কোথায় যাচ্ছে এবং কার সঙ্গে যাচ্ছে জানুন।🔹 ছোট বয়স থেকেই শেখান, পরিচিত হলেও ক...
22/09/2026

❤️ কিছু বিষয় আজ থেকেই শুরু করা যায়:

🔹 সন্তান কোথায় যাচ্ছে এবং কার সঙ্গে যাচ্ছে জানুন।
🔹 ছোট বয়স থেকেই শেখান, পরিচিত হলেও কারও সঙ্গে কোথাও যাওয়ার আগে বাবা-মাকে জানাতে হবে।
🔹 শিশুকে শেখান কেউ তাকে অস্বস্তিতে ফেললে, ভয় দেখালে বা কোনো গোপন কথা রাখতে বললে সঙ্গে সঙ্গে বাবা-মাকে বলতে হবে।
🔹 সন্তানের কথা মন দিয়ে শুনুন। সে কোনো মানুষকে অপছন্দ বা ভয় করলে বিষয়টিকে অবহেলা করবেন না।
🔹 স্কুল, কোচিং, খেলাধুলা বা বাইরে যাওয়ার সময় নিরাপদ যাতায়াতের ব্যবস্থা রাখুন।
🔹 বয়স অনুযায়ী জরুরি ফোন নম্বর ও নিজের নাম-ঠিকানা/অভিভাবকের পরিচয় মনে রাখতে শেখান।
🔹 পরিবারের মধ্যে একটি “কোড ওয়ার্ড” রাখতে পারেন যাতে জরুরি প্রয়োজনে সন্তান বুঝতে পারে কে সত্যিই বাবা-মায়ের পক্ষ থেকে তাকে নিতে এসেছে।
🔹 সন্তান হারিয়ে গেলে বা নিখোঁজ হওয়ার আশঙ্কা হলে অপেক্ষা না করে দ্রুত স্থানীয় পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাহায্য নিন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সন্তানকে ভয় দেখিয়ে নয়, বিশ্বাসের সম্পর্ক তৈরি করে নিরাপদ রাখুন।

কারণ একটি শিশু যদি জানে, “আমি যেকোনো কথা আমার বাবা-মাকে বলতে পারি” তাহলে সেটাই তার সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা।

বাংলাদেশে শিশুদের নিয়ে সাম্প্রতিক বিভিন্ন মর্মান্তিক খবর আমাদের কষ্ট দেয়। প্রতিটি ঘটনার বিস্তারিত নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর চেয়ে আমাদের উচিত সচেতন হওয়া, সন্তানকে সচেতন করা এবং আশপাশের শিশুদের প্রতিও দায়িত্বশীল হওয়া।

একটি শিশুকে নিরাপদ রাখতে হয়তো পুরো পৃথিবীকে বদলানো সম্ভব নয় কিন্তু নিজের পরিবার থেকে শুরু করা অবশ্যই সম্ভব। ❤️

আল্লাহ পৃথিবীর প্রতিটি শিশুকে নিরাপদ ও সুস্থ রাখুন। 🤲

কখনো কখনো মনে হয়, বাবা-মায়ের হাতে যদি এমন কোনো যন্ত্র থাকত যে যন্ত্র দিয়ে নিজের সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে আছে, কাদে...
22/09/2026

কখনো কখনো মনে হয়, বাবা-মায়ের হাতে যদি এমন কোনো যন্ত্র থাকত যে যন্ত্র দিয়ে নিজের সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে আছে, কাদের সঙ্গে মিশছে, নিরাপদে আছে কি না সবকিছু এক মুহূর্তে জানা যেত!

হয়তো পৃথিবীর কোনো প্রযুক্তিই একজন বাবা-মায়ের এই দুশ্চিন্তা পুরোপুরি দূর করতে পারবে না। কারণ সন্তানকে বড় করা শুধু দায়িত্ব নয়, এর সঙ্গে মিশে থাকে অসংখ্য রাতের ঘুমহীনতা, ত্যাগ, দুশ্চিন্তা আর অফুরন্ত ভালোবাসা।

আজকাল শিশুদের নিয়ে একের পর এক ভয়ংকর খবর আমাদের সামনে আসছে কেউ হারিয়ে যাচ্ছে, কেউ নির্যাতনের শিকার হচ্ছে, কেউ আবার অকালে প্রাণ হারাচ্ছে। প্রতিটি এমন ঘটনা শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের জন্য একটি সতর্কবার্তা।

একটি শিশু যখন পৃথিবীতে আসে, তখন বাবা-মা তার জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবীর স্বপ্ন দেখেন। কিন্তু সেই পৃথিবীকে নিরাপদ রাখা শুধু বাবা-মায়ের দায়িত্ব নয় এটা আমাদের সবার দায়িত্ব।

সন্তানকে শুধু ভালো স্কুল, ভালো পোশাক কিংবা ভালো ভবিষ্যৎ দিলেই হবে না। তাকে নিরাপদ রাখার শিক্ষা দিতে হবে, নিজের কথা বলতে শেখাতে হবে, কারও আচরণে অস্বস্তি হলে বিশ্বাসযোগ্য বড় কাউকে জানাতে শেখাতে হবে। আর আমাদেরও শিখতে হবে শিশুর কথা মন দিয়ে শুনতে।

একটি শিশুর ছোট্ট ভুল যেন তার পুরো জীবনের শেষ ভুল না হয়ে যায়।
একজন বাবা-মায়ের সারাজীবনের ভালোবাসা যেন এক মুহূর্তের অসতর্কতায় হারিয়ে না যায়।

আমরা এমন একটি সমাজ চাই, যেখানে প্রতিটি শিশু নিরাপদে বেড়ে উঠবে, খেলবে, হাসবে এবং স্বপ্ন দেখবে। ❤️

সন্তান শুধু একটি পরিবারের নয় একটি শিশুকে নিরাপদ রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব।

আল্লাহ পৃথিবীর প্রতিটি শিশুকে হেফাজত করুন। 🤲❤️

আলহামদুলিল্লাহ ❤️ এবারের উদ্যোক্তা মেলাটা সত্যিই অনেক সুন্দর ও সফল হয়েছে।সত্যি বলতে, মেলা থেকে ফিরে হঠাৎ করে অনেক অসুস্থ...
16/09/2026

আলহামদুলিল্লাহ ❤️ এবারের উদ্যোক্তা মেলাটা সত্যিই অনেক সুন্দর ও সফল হয়েছে।

সত্যি বলতে, মেলা থেকে ফিরে হঠাৎ করে অনেক অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। গত দুদিন তাই কোনো আপডেট দিতে পারিনি। এজন্য সবার কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

তবে অসুস্থতার মাঝেও মেলার কথা বারবার মনে পড়ছিল। আমাদের উদ্যোক্তা আপুদের মুখের হাসি, নিজেদের পণ্য নিয়ে তাদের স্বপ্ন, পরিশ্রম আর ভালোবাসা সবকিছুই সত্যিই ভালো লাগার মতো ছিল।

এই সুন্দর আয়োজনটি সফল করার পেছনে অর্গানাইজারদের যে অক্লান্ত পরিশ্রম ছিল, সেটা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। আপনাদের প্রতি মন থেকে অনেক দোয়া ও ভালোবাসা।

আর আমাদের উদ্যোক্তা আপুরা আপনারা নিজেদের পণ্য ও ব্যবসাকে সবার সামনে যেভাবে তুলে ধরেছেন, আল্লাহ আপনাদের ব্যবসায় অনেক বরকত দিন। আপনাদের ব্যবসা আরও বড় হোক, আরও অনেক মানুষের কাছে পৌঁছে যাক এই দোয়াই করি।

মেলায় উপস্থিত সকল কনটেন্ট ক্রিয়েটর আপু, পরিচিত মুখ এবং সমাজের সম্মানিত ব্যক্তিদের প্রতিও অনেক অনেক ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা। আপনাদের উপস্থিতি পুরো মেলাটাকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছিল।

আমার কাছে উদ্যোক্তা মেলা মানে শুধু একটি মেলা নয়।
এটা আমাদের নিজেদের মানুষদের একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার একটি সুন্দর জায়গা।

একজনের সাফল্যে আরেকজন আনন্দিত হবেন, একে অপরের ব্যবসাকে সাপোর্ট করবেন, পরিচিত হবেন, নতুন সুযোগ তৈরি করবেন আমরা আসলে এমন একটি কমিউনিটিই চাই।

আমরা আমাদের উদ্যোক্তাদের পাশে ছিলাম, আছি এবং ইনশাআল্লাহ সবসময় থাকব।

সবাইকে আবারও অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আর আমাদের প্রতিটি উদ্যোক্তা আপুর জন্য রইল মন থেকে দোয়া ও ভালোবাসা। 🤲❤️

আল্লাহ আপনাদের ব্যবসায় বরকত দিন এবং আপনাদের স্বপ্নগুলো পূরণ করুন। আমিন।

( মেলায় অনেক উদ্যোক্তা আপুর সঙ্গে ছবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু বেশিরভাগ ছবিই আপনাদের ফোনে তোলা হয়েছিল, তাই সব ছবিগুলো আমি সংগ্রহ করতে পারিনি। এজন্য সবার ছবি এখানে শেয়ার করতে না পারায় সত্যিই আন্তরিকভাবে দুঃখিত। 🥺❤️)

Address

London

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Happy Couple Vlogs posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share