28/05/2026
মেজর সিনহা রাশেদের কথা এখন আর কেউ মনে করে না। ওসি প্রদীপ ও ইন্সপেক্টর লিয়াকতের শাস্তি কার্যকরের জন্য আওয়াজ উঠে না, আন্দোলনতো বহু দুর।
ওসি প্রদীপ কিন্ত একা একা ওসি প্রদীপ হয়ে উঠে নি। তাকে তৈরি করা হয়েছিল চট্টগ্রাম বিভাগ নিয়ন্ত্রণের জন্য। আর তার পেছনে অবদান ছিলো কক্সবাজারের তৎকালিন পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ উদ্দিন ও উখিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিহাদ আদনান তাইয়ানের।
ঘটনার পর পর মাসুদের নাম আসলেও গোপন রাখা হয় সার্কেল এসপি তাইয়ানের নাম। ছাত্রলীগের সাবেক ক্যাডার এই তাইয়ানের তত্ত্বাবধানে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের নিধনই ছিলো প্রদীপদের কাজ।
ঘটনাক্রমে ওসি প্রদীপের কিছু ডকুমেন্ট মেজর সিনহার হাতে চলে গেলে প্রাণ হারাতে হয়। তবে মেজর সিনহা হত্যার সাথে ওসি প্রদীপ ও ইন্সপেক্টর লিয়াকতের সাথে জড়িত ছিলেন চট্টগ্রামের সাবেক পুলিশ সুপার আল্লাহ বখস চৌধুরী, কক্সবাজারের সাবেক এসপি এবিএম মাসুদ, উখিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত এসপি তাইয়ান ও উখিয়া থানার তৎকালীন ওসি মর্জিনা।
ঘটনার পর মাসুদকে রাজশাহী ও মর্জিনাকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটনে বদলী করা হয়।
পরবর্তীতে মাসুদকে অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি দিয়ে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার করা হয়। আর তাইয়ানকে এসপি পদে পদোন্নতি দেয়া হয়।
গণ অভ্যুত্থানের পর এই দুইজনের থাকার কথা ছিলো কারাগারে। কিন্ত তারা আছেন ভালো অবস্থানে।
নিহাদ আদনান তাইয়ান এখন আছেন কক্সবাজারের রিজনের টুরিস্ট পুলিশের এসপি পদে। আর মাসুদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
শেখ মুজিবের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন তাইয়ান।