Diganta TV UK

Diganta TV UK TV Media Network
(1)

01/03/2026

নির্বাচনের সকাল ....
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

03/02/2026

ফ্যাসিস্ট দোসরদের পুনর্বাসন প্রকল্প
জুলাই গণআন্দোলনের পর বাংলাদেশের ক্ষমতার নেপথ্য রাজনীতি

বাংলাদেশের ইতিহাসে জুলাই ২৪ এর গণআন্দোলন কেবল একটি রাজনৈতিক অভ্যুত্থান নয়, এটি ছিল দীর্ঘ ১৭ বছরের একদলীয় ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের জমে থাকা ক্ষোভের বিস্ফোরণ। এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জনগণ স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিল রাষ্ট্র আর ফ্যাসিবাদী কাঠামোর অধীনে চলতে পারে না। আর তাই আন্দোলনে শরিক হতে রাস্তায় নেমে এসেছিলেন, যুবক, বৃদ্ধ, বনিতা, ছাত্র-শিক্ষকসহ সর্বস্তরের মানুষ। মায়েরা তার সন্তানকে বন্দুকের গুলির মুখে এগিয়ে দিয়েছিলেন, স্কুলের ছোট ছোট বাচ্চারা রাস্তায় নেমেছিলেন সকল জঞ্জালকে হটিয়ে নিরাপদ শহর বিনির্মানে। নিয়েছিলেন ট্রাফিক কস্ট্রোলেরও দ্বায়িত্ব যাতে সাধারন মানুষের দৈনন্দিন জীবন আটকে না যায়।গৃহিনীরা খাবার পানি নিয়ে ছুটেছিলেন অভুক্ত তৃষণার্ত আন্দোলনকারী সন্তানদের মুখে খাবার ও পানি তুলে দিতে। বাবারা তার সন্তানদেরকে সাথে নিয়ে হেটেছিলেন মাইলের পর মাইল। আবু সাঈদেরা বুক পেতে দিয়েছিলেন বন্দুকের গুলির মুখে। আর মুদ্ধরা পানির বতল হাতে পানি পানি বলে জীবন বিলিয়ে দিয়েছিলেন। আর তাইতো তাদের হাত ধরেই ধরা দিয়েছেল স্বপ্নের নতুন স্বাধীনতা। দল-বল, ধর্ম-বর্ণ মিলে মিশে একাকার হয়ে গিয়েছিল সকল মানুষ। সকলে মিলে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিলেন, অর্ধ শত বছরের পর হলেও এবার বুঝি তারা ফিরে পাবেন তাদের স্বপ্নের সেই স্বাধীনতা। কিন্তু কোথায় সেই কাঙ্খিত স্বাধীনতা?
আন্দোলনের পরবর্তী সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতা পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, ক্ষমতার দৃশ্যপট বদলালেও ক্ষমতার চরিত্র ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো প্রায় অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। বরং বলা যায়, জুলাই আন্দোলনের পর থেকেই ফ্যাসিবাদী শাসনের দোসরদের টিকিয়ে রাখার একটি সুপরিকল্পিত ও বহুস্তরীয় প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।
গণআন্দোলনের অব্যবহিত পরেই একটি বিপ্লবী বা সংস্কারমুখী অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেই পথ এড়িয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দেশকে তথাকথিত নিয়মিত সরকারের কাঠামোয় ফিরিয়ে আনা হলো। এর ফলে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও কূটনৈতিক কাঠামো সবখানেই ফ্যাসিবাদী আমলের রেখে যাওয়া সেটআপ অক্ষতই রয়ে গেল। ফ্যাসিস্ট দোষরদের সম্মূখসারির আমলা-কামলারা সেনাবাহিনীর কতিপয় দোষরদের সহায়তায় পালিয়ে যেতে সক্ষম হলো আর বাকীরা রয়ে গেল ধরা ছোয়ার বাহিরে। নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় ফ্যাসিবাদী শাসনের সময় সুবিধাভোগী আমলা, রাজনৈতিক দোসর ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীগুলোকে বাদ দেয়ার কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা গেল না বরং প্রায় সকল ক্ষেত্রেই তাদেরকে ‘অভিজ্ঞতা’ ও ‘স্থিতিশীলতা’র অজুহাতে বহাল রাখা হলো। বিপ্লবী সরকারের পরিবর্তে, পুরোনো কাঠামোকেই পুনর্বাসন করা হলো এমন নানান কারসাজীর মাধ্যমে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংস্কারকে পাশ কাটিয়ে দ্রুত নির্বাচনের দিকে দেশকে ঠেলে দেয়াই ছিল ফ্যাসিবাদী দোসরদের টিকে থাকার প্রধান কৌশল। এ ক্ষেত্রে বিএনপিকে সামনে রেখে নির্বাচনমুখী চাপ সৃষ্টি করা হলো নতুন জন্ম নেয়া একটি শিশু সরকারের উপর, যাতে রাষ্ট্রীয় সংস্কার, বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা, প্রশাসনিক জবাবদিহিতা ও নিরাপত্তা খাতের পুনর্গঠন এসব মৌলিক প্রশ্ন আড়ালে পড়ে যায়। ফলাফল হিসেবে দেখা যায় ১৭ বছর ধরে একদলীয় শাসনব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে যে প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি করা হয়েছিল, তা কার্যত অপরিবর্তিত অবস্থায় বহাল রয়েছে। এই কাঠামো ভেঙে না ফেললে কোনো নির্বাচনই প্রকৃত গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে পারে না এ বাস্তবতা ইচ্ছাকৃতভাবে অগ্রাহ্য করা হলো। সংস্কার বনাম নির্বাচনের বেড়াজালে একটি কৌশলগত বিভ্রান্তির পথে দেশকে ঠেলে দেয়া হলো।
নির্বাচন কমিশন ও কূটনৈতিক মিশনকে সামান্য এদিক সেদিক করে ধরে রাখা হলো ১৭ বছর ধরে পরিকল্পিতভাবে সাজানো দোষরদের রেখে যাওয়া সেটআপকে, এ যেন পুরোনো বোতলে নতুন লেবেল। নানাবিধ চাপের ফলে নির্বাচন কমিশনে কিছু দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা হলেও নির্বাচন ব্যবস্থার মৌলিক চরিত্রের কোন পরিবর্তন দেখা যায়নি কোথাও বা বদলায়নি কিছুই। ভোটার তালিকা, প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ভূমিকা সবকিছুতেই পূর্বের ধারা বহাল রয়েছে আজো। ফ্যাসিস্ট সরকার চলে যাবার আগেও যে সকল সচিব বা উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের পেশনে নিয়োগ বা অবসর থেকে ফিরিয়ে এনে অস্থায়ী বা ২/৩ বছরের জন্য চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়েছিল তাদের সকলকে রেখে দেয়া হলো অথচ দীর্ঘ ১৭ বছর পদ বঞ্চিত, নিঃগৃহীত সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তাদেরকে আটকে রাখা প্রমোশন অনুমোদন দিয়ে অবসরে পাঠিয়ে দেয়া হলো। এ যেন জুতা মেরে গরু দানের মতই। তাই এটিকে মূলত ‘রিফর্মের নাটক’ ছাড়া কিছু নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একইভাবে, দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি গঠনের দায়িত্বে থাকা হাইকমিশন ও কূটনৈতিক মিশনগুলোতেও কোনো মৌলিক পরিবর্তন আনা হয়নি এখনও পর্যন্ত। ফলে ফ্যাসিবাদী আমলে যারা বিদেশে রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেছে এবং একদলীয় শাসনের বৈধতা প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছে, তারাই এখনো বহাল রয়েছে এবং দিন দিন নিজেদের অবস্থান শক্ত করছে। দু‘একটি মিশনের প্রধানদেরকে সরিয়ে সাধারন মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। বাকী কর্মকর্তারা যথাযথ অবস্থানেই রয়ে গেছে।
নির্বাচনকে সামনে রেখে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী বিভিন্ন অপশক্তিকে সক্রিয় করার অভিযোগ ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রতিবাদী কণ্ঠকে স্তব্ধ করতে সহিংসতার আশ্রয় নেয়ার ঘটনাও সামনে আসছে। ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড শুধু একটি ব্যক্তি হত্যাই নয়, এটি ভিন্নমত দমনের একটি রাজনৈতিক বার্তা বলেই অনেকের কাছে প্রতীয়মান হচ্ছে। তার রেখে যাওয়া সহকর্মীদের নানাভাবে চাপের মধ্যে রাখা হয়েছে যাতে তারা মাথা উচুকরে দাড়াতে না পারে। অথচ এই হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত আজও হয়নি এবং মানুষের কাছে এ ধরনের আচরন এখনও প্রশ্নবিদ্ধ। যাকে অপশক্তির সক্রিয়করণ ও প্রতিবাদ দমনের রাজনীতি বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ঠরা।
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এর নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপিকে নানাভাবে সমর্থন, সহযোগীতা ও সহায়তা দেয়ার মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী আমলের অপকর্মগুলোকে ভুলিয়ে দেয়ার একটি স্পষ্ট প্রচেষ্টা চলছে বলে মনে করছেন দেশের সাধারন মানুষ। নতুন রাজনৈতিক শক্তির ছত্রচ্ছায়ায় পুরোনো দোসররা নিজেদের পুনর্বাসনের পথ তৈরি করছে। ক্ষমতায় আসার আগেই তারেক রহমান ও তাঁর পরিবারের নিরাপত্তার নামে ব্যাপক আয়োজন, তাদের ও পরিবারের সদস্যদের নামে স্কুল, কলেজ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামকরণের উদ্যোগ রাজনৈতিক তোষণের একটি জ্বলন্ত উদাহরণ। এটি একদিকে রাষ্ট্রীয় নিরপেক্ষতার পরিপন্থী, অন্যদিকে ভবিষ্যৎ ক্ষমতার কাছে আনুগত্য প্রদর্শনের কৌশলমাত্র। সেইসাথে রাজনৈতিক শিষ্টাচারকে জলাঞ্জলি দিয়ে ফ্যাসিবাদী স্টাইলে নির্বাচনী প্রচারনা চালানো ও ভারত তোষণ নীতি স্পস্টতা আধীপত্ববাদ বিরোধী জনতাকে কিভাবে পথ দেখাবে সেটিই এখন বড় প্রশ্ন হিসেবে দেখা দিয়েছে বলে মনে করছেন দেশের আপামর জনতা। বিএনপি পুনর্বাসন ও ফ্যাসিবাদী দোসরদের ভবিষ্যৎকে নিরাপদ করতে কাজ করছে এক শ্রেনীর কুচক্রী মহল। সকলকে নিয়ে স্বনির্ভর একটি দেশ গড়ার স্বপ্ন যেন স্বপ্নই হয়ে রয়ে না যায় এমন প্রশ্ন এখন দেশজুড়ে ঘুরপাক খাচ্ছে। মানুষের দৃষ্টি এখন তাকিয়ে আছে ১২ ফেব্রয়ারীর নির্বাচনের দিকে। এদিকে জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী শক্তির সমন্বয়ে গঠিত ১১ দলীয় জোটের রাজনৈতিক অগ্রযাত্রা থামিয়ে দিয়ে অপর পক্ষকে ক্ষমতায় আনার লক্ষ্যে কিছু অদৃশ্য শক্তির সক্রিয় ভূমিকার কথাও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে একটি নিয়ন্ত্রিত ক্ষমতা হস্তান্তরের ছক বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। যেখানে জনগণের আকাঙ্ক্ষার চেয়ে ক্ষমতার ধারাবাহিকতাই মুখ্য। এরই ধারাবাহিকতায় ১২ ফেব্রয়ারীর নির্বাচনকে বানচালের চেষ্টা হিসেবে পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্টদের দোসরা বৃটেন সহ পশ্চিমা দেশগুলোতে নানাভাবে তাদের দেশবিরোধী প্রচারনা অব্যাহত রেখেছে। সম্প্রতি বৃটিশ পার্লামেন্টে এক সেমিনারে বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন ও রেফারেন্ডাম নিয়ে আলোচনা হয় যেখানে নির্বাচনে হ্যা জয়যুক্ত হলে তা বাংলাদেশকে বিপজ্জনক পথে ঠেলে দিতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া নির্বাচন পরবর্তীতে দেশে মৌলবাদীদের উত্থান ঘটবে বলে সতর্ক করা হয়। দীর্ঘ ১৭ বছর দেশে গুম খুনের সাথে জড়িতরা কিভাবে বিদেশে বসে এ ধরনের দেশবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করছে তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।
বাংলাদেশ আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের অর্জন টেকসই করতে হলে কেবল নির্বাচন নয়, বরং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর গভীর সংস্কার, জবাবদিহিতা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হতে হবে অগ্রাধিকার। অন্যথায়, নাম বদলালেও শাসনের চরিত্র বদলাবে না, এমন আশঙ্কাই থেকে যাবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করেন, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি দলকে নানাভাবে সমর্থন দেয়ার মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট আমলের কৃতকর্মগুলোকে আড়াল করার চেষ্টা চলছে। নতুন রাজনৈতিক শক্তির আশ্রয়ে পুরোনো দোসররা নিজেদের পুনর্বাসনের পথ খুঁজছে।
এসব ঘটনা ও প্রবণতা মিলিয়ে একটি প্রশ্নই সামনে আসে জুলাই আন্দোলনের মূল চেতনা কি ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে যাচ্ছে? জুলাই গণআন্দোলন বাংলাদেশের মানুষকে স্বপ্ন দেখিয়েছিল একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত, জবাবদিহিতা মূলক রাষ্ট্রব্যবস্থার। কিন্তু যদি সেই আন্দোলনের ফল হিসেবে আবারও পুরোনো দোসরদের পুনর্বাসন ঘটে, তবে ইতিহাস একে ক্ষমা করবে না। আজ প্রশ্ন একটাই আমরা কি সত্যিকারের পরিবর্তনের পথে হাঁটব, নাকি নতুন মুখোশে পুরোনো ফ্যাসিবাদকেই মেনে নেব?

লেখক: প্রজন্ম তৌহিদ

15/01/2026
টাওয়ার হ্যামলেটস ইন্ডিপেনডেন্টস পার্টির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরুতৌহিদুল করিম মুজাহিদ: লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটসে আরো একটি...
15/01/2026

টাওয়ার হ্যামলেটস ইন্ডিপেনডেন্টস পার্টির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

তৌহিদুল করিম মুজাহিদ: লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটসে আরো একটি নতুন রাজনৈতিক দল আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো। টাওয়ার হ্যামলেটস ইনডিপেনডেন্ট পার্টি (Tower Hamlets Independents Party) নামে নতুন দলটি স্থানীয় জনগণের প্রতিনিধিত্ব ও স্বচ্ছ রাজনীতির অঙ্গীকার নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে।

পূর্ব লন্ডনের হ্যামলেটসের মিস্টার হোয়াইটস ইংলিশ রেস্টুরেন্টে বুধবার, ১৪ই জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টায় দলটির উদ্বোধনী সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন দলের চেয়ার মিসেস লিলিয়ান কলিন্স, তিনি বলেন, টাওয়ার হ্যামলেটস ইনডিপেনডেন্ট পার্টি সব সময় জনগণের পাশে থাকবে। আমরা স্বচ্ছতা, ন্যায়বিচার ও কমিউনিটির কণ্ঠস্বরকে প্রাধান্য দিতে চাই। তিনি দলের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং ভবিষ্যৎ ভিশন তুলে ধরেন। দলের সেক্রেটারি মোহাম্মদ হামিদ সাংগঠনিক কাঠামো ও দলের লক্ষ্য নিয়ে বক্তব্য রাখেন। এ সময় তার সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন টাওয়ার হ্যামলেটস ইন্ডিপেন্ডেন্ট পার্টির ট্রেজারার আলী হোসেন দিপু। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আগত কাউন্সিলরদের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। নতুন করে দলে যোগদানকারী কাউন্সিলররা হলেন, কাউন্সিলর সাইফ উদ্দিন খালেদ (ব্রমলি নর্থ), কাউন্সিলর জাহেদ চৌধুরী (ল্যান্সবুরি), কাউন্সিলর কবির হোসেন (স্পিটালফিল্ডস ও বাংলাটাউন) অনুষ্ঠানে কমিউনিটির প্রতিনিধিরা তাদের মতামত তুলে ধরেন। এসময় নতুন দলের কাছে কমিউনিটির সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন, ফারহাদ আহমেদ, নেহা গুপ্তা, সৈয়দ হাসান। বক্তারা স্থানীয় সমস্যা, বাসস্থান, শিক্ষা, যুব উন্নয়ন ও কমিউনিটির প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে দলের নেত্রী লিলিয়ান কলিন্স আনুষ্ঠানিকভাবে টাওয়ার হ্যামলেটসের জন্য মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন। আগামী নির্বাচনে ব্যারিস্টার আফজাল জামি সৈয়দ আলীর নাম ঘোষণা করা। যিনি ব্যারিস্টার জামি নামেই বেশি পরিচিত। এসময় ব্যারিস্টার জামি তার বক্তব্যে বলেন,
“আমি জনগণের সঙ্গে থেকে, জনগণের জন্য কাজ করতে চাই। টাওয়ার হ্যামলেটসকে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বরা হিসেবে গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।”

অনুষ্ঠানে সাংবাদিক ও সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণে একটি উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। প্রশ্নের উত্তর দেন মেয়র প্রার্থী, দলীয় নেতৃবৃন্দ, কাউন্সিলর ও নির্বাহী সদস্যরা।

অনুষ্ঠানের শেষার্ধে দলের নেত্রী লিলিয়ান কলিন্স অনুষ্ঠানের সারসংক্ষেপ তুলে ধরে সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং নতুন রাজনৈতিক যাত্রায় সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।

নতুন এই রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ টাওয়ার হ্যামলেটসের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

08/01/2026

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন ২০২৬ এ নবনির্বাচিত ভিপি রিয়াজুল ইসলামের বক্তব্য

বেগম খালেদা জিয়ার বিদায়একটি অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি, রয়ে গেল ইতিহাসবাংলাদেশের রাজনীতিতে কিছু বিদায় শুধু একজন মানুষের প্...
30/12/2025

বেগম খালেদা জিয়ার বিদায়
একটি অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি, রয়ে গেল ইতিহাস

বাংলাদেশের রাজনীতিতে কিছু বিদায় শুধু একজন মানুষের প্রস্থান নয়, বরং একটি সময়ের সমাপ্তি নির্দেশ করে। বেগম খালেদা জিয়ার বিদায় তেমনই এক ঘটনা। তাঁর চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে শেষ হলো বাংলাদেশের রাজনীতির এক দীর্ঘ, জটিল ও বহুমাত্রিক অধ্যায়, যার প্রতিটি পাতায় রয়েছে ক্ষমতা, ত্যাগ, ঐক্যের চেষ্টা, বঞ্চনা এবং নীরব সহনশীলতার ইতিহাস। তিনি ছিলেন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, কিন্তু তাঁর জীবনকে কেবল ক্ষমতার পালাবদলের হিসাব দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। কারণ ক্ষমতার শীর্ষে থেকেও তিনি কখনো ক্ষমতাকে ব্যক্তিগত সম্পদ বানাতে চাননি। বরং রাজনীতিকে তিনি দেখেছিলেন একটি দায়িত্ব হিসেবে, যেখানে ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রতিশোধ বা রাগের কোনো স্থান নেই।

ঐক্যের রাজনীতিতে তাঁর বিশ্বাস
বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দর্শনের কেন্দ্রে ছিল একটি মৌলিক ধারণা, সবাইকে একসাথে নিয়ে চলা। ভিন্নমত থাকা সত্ত্বেও জাতীয় স্বার্থে ঐক্য গড়ে তোলাই ছিল তাঁর লক্ষ্য। এই দর্শনের বাস্তব প্রতিফলন দেখা যায় ১৯৯১ সালের নির্বাচনের পর, যখন তিনি জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে সরকার গঠন করেন। এটি ছিল সদ্য স্বৈরশাসনমুক্ত একটি দেশের স্থিতিশীলতার প্রশ্নে নেয়া একটি বাস্তব রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত।
একই সঙ্গে তিনি রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের সঙ্গেও ন্যূনতম সৌহার্দ্য বজায় রাখতে চেয়েছিলেন। শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নিজের সন্তানকে তাঁর সমাধিতে পাঠানো, বাংলাদেশের প্রতিহিংসাপূর্ণ রাজনৈতিক বাস্তবতায় ছিল একটি বিরল ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। এটি প্রমাণ করে, তিনি সম্পর্ক ছিন্নের রাজনীতিতে নয়, সহাবস্থানের রাজনীতিতে বিশ্বাস করতেন।
ক্ষমতায় থেকেও সরে যেতে চাওয়া এক ব্যতিক্রমী ইচ্ছা
কম মানুষই থাকে, ১৯৯১ সালের নির্বাচনের পর থেকেই বেগম খালেদা জিয়া দলের দৈনন্দিন নেতৃত্ব থেকে ধীরে ধীরে সরে যেতে চেয়েছিলেন। তাঁর বিশ্বাস ছিল, একটি রাজনৈতিক দল ব্যক্তি বা পরিবার নির্ভর হলে দীর্ঘমেয়াদে দুর্বল হয়ে পড়বে। সে কারণেই তিনি চেয়েছিলেন বিএনপি পরিচালিত হোক সিনিয়র নেতাদের সম্মিলিত নেতৃত্বে। কিন্তু বাস্তবতা ছিল নির্মম। দলের ভেতরে শুরু হয় নেতৃত্ব নিয়ে প্রতিযোগিতা, ঠেলাঠেলি ও পারস্পরিক অবিশ্বাস। কেউ কাউকে মানতে রাজি ছিলেন না। এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে দলকে একটি গোছানো কাঠামোর মধ্যে ধরে রাখা তাঁর জন্য ক্রমেই কঠিন হয়ে ওঠে। আর এই সুযোগেই সামনে আসে সুবিধাবাদী রাজনীতি।

পরিবারতন্ত্রের বাইরে তাঁর দৃঢ় অবস্থান
ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ আমার হয়েছে। তাঁর বোনের ছেলে ইঞ্জিনিয়ার তুহিন আমার সম্পর্কে খালু হওয়ায়, অনেক বিষয় আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি ও জেনেছি। দৃঢ়ভাবে বলা যায়, বেগম খালেদা জিয়া কখনোই চাননি তাঁর পরিবার রাজনীতিতে যুক্ত হোক। পরিবারতন্ত্র তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের পরিপন্থী ছিল।
কিন্তু দলীয় সংকট যখন গভীর হয়, তখন কিছু সুযোগসন্ধানী নেতা একটি ভয়ের বয়ান তৈরি করেন, পরিবারের কেউ সামনে না এলে দল ভেঙে পড়বে। এই আশঙ্কাকে সামনে রেখে একপর্যায়ে তারেক রহমানকে রাজনীতির মূলধারায় আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এটিতে বেগম খালেদা জিয়ার কোনো উৎসাহ ছিল না, কিন্তু পরিস্থিতির চাপে তিনি তার বড় সন্তানকে দলে নেতৃত্বে টেনে আনার বিষয়ে তিনি অনেকটা নিরব হয়ে যান, আর এ সুযোগটি কাজে লাগায় সেইসব সুবিধাবাদীরা।

সুবিধাভোগীদের উত্থান ও চরিত্রহননের রাজনীতি
এরপর যে অধ্যায়টি শুরু হয়, তা বিএনপির ইতিহাসে সবচেয়ে বিতর্কিত ও ক্ষতিকর অধ্যায়গুলোর একটি। অভিযোগ রয়েছে, কিছু নেতা ও মন্ত্রী তারেক রহমানের নাম ও তার আশেপাশে থাকা বন্ধুদেরকে ব্যবহার করে ক্ষমতা, ব্যবসা ও দুর্নীতির এক বিপজ্জনক মেলবন্ধন ঘটান। আর পরবর্তীতে এর সকল বদনামের ফল ভোগ করতে হলো তারেক রহমানকেই। গণমাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশ পেতে থাকে। বাস্তবতা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার সীমারেখা ধীরে ধীরে মুছে যায়। একসময় দেশের বড় একটি অংশের কাছে তিনি হয়ে ওঠেন বিতর্ক ও দুর্নীতির প্রতীক।

বহিরাগত প্রভাব ও রাজনৈতিক বাস্তবতা
একই সময়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পার্শ্ববর্তী একটি দেশের প্রভাব বাংলাদেশের মিডিয়া ও রাজনৈতিক বয়ানকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। বিপুল অর্থ ব্যয়ে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা করা হয়, যেখানে একটি দলকে রাষ্ট্রের একমাত্র রক্ষাকর্তা হিসেবে উপস্থাপন করা হয় এবং অন্য পক্ষকে ধারাবাহিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ, এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এর ফলেই বাংলাদেশ ধীরে ধীরে নীতিনির্ধারণে পড়শী দেশের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, এমনটাই মনে করেন সমালোচকেরা।

ত্যাগ, নিপীড়ন ও নীরব দৃঢ়তা
এই সবকিছুর মাঝেও বেগম খালেদা জিয়া প্রতিহিংসার ভাষা বেছে নেননি। তাঁকে কারাবরণ করতে হয়েছে, স্বামীর স্মৃতিবিজড়িত ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ হতে হয়েছে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি সহ্য করেছেন বড় সন্তানের পঙ্গুত্ব ও ছোট সন্তানের মৃত্যু, অপরিসীম শোক ও বেদনা। শারীরিক অবস্থার চরম অবনতির সময় বিদেশে উন্নত চিকিৎসার প্রস্তাব তিনি বিনয়ের সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তাঁর কথায় ছিল গভীর দৃঢ়তা, “এই দেশ ছেড়ে, এই দেশের মানুষকে ছেড়ে আমি কোথাও যাব না। এই দেশই আমার একমাত্র ঠিকানা।” এই একটি বাক্যের মাধ্যমেই ফুটে ওঠে তাঁর দেশপ্রেম ও দেশের মানুষের প্রতি তার কমিটমেন্ট।

ইতিহাসের পাতায় তাঁর স্থান
বেগম খালেদা জিয়া নিখুঁত ছিলেন না, এ কথা সত্য। কিন্তু তিনি ছিলেন নৈতিকভাবে স্পষ্ট, ক্ষমতার মোহে নয়, দায়িত্বের বোঝা কাঁধে নিয়ে রাজনীতি করা একজন মানুষ। তিনি চেয়েছিলেন ঐক্যের রাজনীতি। তিনি চেয়েছিলেন পরিবারকে রাজনীতির বাইরে রাখতে। তিনি চেয়েছিলেন সময়মতো সরে যেতে। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতি তাঁকে সেই সুযোগ দেয়নি। আজ তাঁর বিদায়ে একটি অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটেছে। কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া গল্প, ত্যাগ ও দর্শন, ইতিহাস হয়ে রয়ে গেছে। ইতিহাস একদিন নিরপেক্ষভাবে কথা বলবেই। আর তখন বেগম খালেদা জিয়ার নাম সম্মানের সাথেই উচ্চারিত হবে। একজন ক্ষমতাবান নেত্রী হিসেবে নয়, বরং একজন দায়িত্ববান রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে।

পাবদা মাছ খেতে বেগম জিয়া খুব পছন্দ করতেন। বর্ষায় ডুবে যাওয়া ঢাকার বাজার ঘুরে ঘুরে মাজা পানিতে নেমে উনার জন্য ভালো পাবদা মাছ কেনার সেই স্মৃতি আজ খুব বেশি মনের কোনায় উঁকি দিচ্ছে। উনার দেশপ্রেম ও ব্যক্তিত্বের দৃঢ়তা আমাকে সব সময় খুব বেশি মুদ্ধ করতো। তাই আজ বারবার মনে হচ্ছে খালেদা জিয়া মরে নাই, উনি বেঁচে আছেন, বেঁচে থাকবেন হাজারো বাঙালির মানষপটে। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা যেন এই মহান দেশপ্রেমিক মায়ের ভুলগুলিকে ক্ষমা করে তাকে জান্নাতের মেহমান করে নিন। আমিন

30/12/2025

إِنَّا ِلِلَّٰهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া আজ মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ভোর ৬ টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত‍্যাগ করেছেন।
আল্লাহ সুবহানাহুতায়ালা মরহুমাকে জান্নাতুল ফিরদাউসের সম্মানিত মেহমান হিসেবে কবুল করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও দেশবাসীকে ধৈর্য ধারণ করার তৌফিক দান করুন। আমিন ইয়া রাব্বুল আল-আমিন।

Inna Lillahi wa inna ilaihi raji'un
“We surely belong to Allah (SWT) and to Him we shall return”.
Begum Khaleda Zia, former Prime Minister of Bangladesh and Chairperson of the Bangladesh Nationalist Party (BNP), passed away at 6:00 AM today, Tuesday, 30 December 2025, while undergoing treatment at Evercare Hospital in Dhaka, Bangladesh.
May Allah (Subhanahu wa Ta‘ala) accept the departed soul as an honored guest in Jannatul Firdaus, and may He grant patience, strength, and fortitude to the bereaved family and the people of the nation during this time of grief. Ameen, Ya Rabbul ‘Alameen.

28/12/2025

সবাই যার যার জায়গা থেকে হাদি হয়ে যান
ব্যারিস্টার ফুয়াদ

24/12/2025

কিংস্টনের বাসা থেকে হিথ্রো বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হলেন তারেক রহমান

24/12/2025

ব্রেকিং নিউজ: কিংস্টনের বাসা থেকে হিথ্রো বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে তারেক রহমান

Address

London

Telephone

+447764707081

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Diganta TV UK posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category