Ruhel Walks

Ruhel Walks ✨ Welcome to Ruhel Walks ✨
UK life • Immigration updates • Support for international students • Travel & local insights
📩 Collabs: [email protected]

This Ruhel, Through 'Ruhel Walks' I am sharing my life experiences from life in the UK. I hail from Bangladesh and love to help people and make friends. Please don't hesitate to reach out to me in case you have any questions if you are in the UK or if you are planning to move to the UK. Happy to help and receive feedback & suggestions for new videos. Please stay with my page with you and your fami

ly, and friends, and don't forget to FOLLOW my page! You can reach out to us at [email protected]

Ruhel Walks - পেইজের মাধ্যমে আমি যুক্তরাজ্যের জীবন থেকে আমার জীবনের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিচ্ছি। আমি বাংলাদেশি এবং মানুষকে সাহায্য করতে এবং নতুন নতুন বন্ধু তৈরি করতে ভালোবাসি। আপনি যদি যুক্তরাজ্যে থাকেন বা আপনি যুক্তরাজ্যে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তবে কোনও প্রশ্নের ক্ষেত্রে আমার সাথে যোগাযোগ করুন। সাহায্য করতে এবং প্রতিক্রিয়া পেতে পেরে আমি আনন্দিত। অনুপ্রেরণা দিবেন, অবশ্যই নতুন নতুন ভিডিও পেতে পরামর্শ দিবেন।

দয়া করে আপনার পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে এই ভিডিওগুলো শেয়ার করুন এবং পেইজ ফলো করতে ভুলবেন না!

আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেনঃ [email protected]

যুক্তরাজ্যে অবৈধভাবে কাজ: দেশব্যাপী অভিযানে বাংলাদেশিসহ ৬০ ডেলিভারি রাইডারকে দেশ ছাড়ার নির্দেশযুক্তরাজ্যে অবৈধ কর্মসংস্থ...
05/12/2025

যুক্তরাজ্যে অবৈধভাবে কাজ: দেশব্যাপী অভিযানে বাংলাদেশিসহ ৬০ ডেলিভারি রাইডারকে দেশ ছাড়ার নির্দেশ

যুক্তরাজ্যে অবৈধ কর্মসংস্থানের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের অংশ হিসেবে গত মাসে দেশব্যাপী অভিবাসন অভিযান পরিচালিত হয়েছে, যেখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ডেলিভারি রাইডার ও রেস্টুরেন্ট কর্মী আটক হয়েছেন। গিগ-ইকোনমিতে কর্মরত বিদেশিদের উপর বিশেষ নজর দিয়ে পরিচালিত এই অভিযানে মোট ১৭১ জনকে আটক করা হয়েছে, যার মধ্যে ৬০ জনকে দ্রুত দেশ ছাড়ার প্রক্রিয়ায় রাখা হয়েছে।

অভিযানটি দেশের বিভিন্ন শহরে একসঙ্গে পরিচালিত হয় এবং প্রতিটি এলাকার লক্ষ্য ভিন্ন ছিল।
ইস্ট লন্ডনের নিউহ্যামে নজর দেওয়া হয় প্রধানত ডেলিভারি রাইডারদের ওপর, যেখানে বাংলাদেশি ও ভারতীয় নাগরিকরা অবৈধভাবে কাজ করার অভিযোগে আটক হন। এলাকার ঘনবসতিপূর্ণ পরিবেশ এবং ডেলিভারি সেবার উচ্চ চাহিদার কারণে নিউহ্যাম বহুদিন ধরেই অভিবাসন নজরদারির অধীনে ছিল।

অন্যদিকে নরফোকের নরউইচে অভিযান চালানো হয় বেশ কয়েকটি ডেলিভারি প্ল্যাটফর্মে কর্মরত ভারতীয় নাগরিকদের বিরুদ্ধে, যারা প্রয়োজনীয় ভিসা ছাড়াই কাজ করছিলেন।

এছাড়াও ওয়েস্ট মিডল্যান্ডসের সলিহালে একটি রেস্টুরেন্টে কর্মরত চীনা নাগরিকদের আটক করা হয়, যাদের কেউ কেউ ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

হোম অফিস জানায়, এই অভিযান যুক্তরাজ্যের অভিবাসন আইন কার্যকর করার চলমান প্রতিশ্রুতির অংশ। বর্ডার সিকিউরিটি মন্ত্রী অ্যালেক্স নরিস বলেন, অবৈধভাবে কাজ করা কেবল দেশের শ্রমবাজারকে ব্যাহত করে না, বরং নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকিও তৈরি করে। তিনি সতর্ক করে দেন যে, ভবিষ্যতে এমন আরও অভিযান হবে এবং যেসব নিয়োগকর্তা যথাযথ ব্যাকগ্রাউন্ড চেক বা ভিসা যাচাই না করেই কর্মী নিয়োগ করছেন, তারা কঠোর জরিমানা ও শাস্তির মুখে পড়বেন।

অভিযানের ফলাফল পরিষ্কারভাবে দেখায় যে যুক্তরাজ্য সরকার অবৈধ কর্মসংস্থান রোধে দৃঢ় এবং আইন ভঙ্গকারীদের প্রতি কোনো ধরনের সহনশীলতা দেখানো হচ্ছে না। একই সঙ্গে বিদ্যমান বৈধ অভিবাসী ও কর্মীদের জন্যও এটি একটি বার্তা—নিজ নিজ ভিসার শর্ত মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

যুক্তরাজ্যে ভিসার নতুন নিয়ম! ২০২৬ থেকে ইংরেজি লাগবে আরও বেশি! যুক্তরাজ্য সরকার ঘোষণা করেছে যে ৮ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কিছ...
04/12/2025

যুক্তরাজ্যে ভিসার নতুন নিয়ম! ২০২৬ থেকে ইংরেজি লাগবে আরও বেশি!

যুক্তরাজ্য সরকার ঘোষণা করেছে যে ৮ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কিছু ভিসার ক্ষেত্রে ইংরেজি দক্ষতার মান B2 লেভেল পর্যন্ত বাড়ানো হবে।এটা প্রথমবার আবেদন করতে যাঁরা যাচ্ছেন, তাঁদের জন্য বড় পরিবর্তন!



কোন ভিসাগুলোতে নতুন B2 লেভেল লাগবে?
• Scale-up
• Skilled Worker
• High Potential Individual (HPI)



🎓 UK-তে পড়াশোনা করেছেন? আপনার জন্য সুপার ইজি!

আপনার UK ডিগ্রি সরাসরি নতুন নিয়ম পূরণ করবে:
• Bachelor’s Degree → B2
• Master’s Degree → C1

মানে—শুধু ডিগ্রি থাকলেই English requirement ক্লিয়ার!



✅ ইতোমধ্যে Skilled Worker ভিসায় আছেন?

চিন্তার একদমই কারণ নেই!
আপনি যদি—
• এখন Skilled Worker ভিসায় থাকেন, বা
• ৮ জানুয়ারি ২০২৬–এর আগেই বৈধ আবেদন পাঠিয়ে দেন,

তাহলে আপনাকে B2 লেভেল তুলতে হবে না।
শর্ত শুধু একটাই: ভিসা কন্টিনিউ করতে হবে।



🔍 অন্যদের জন্য B2 প্রমাণ করার উপায়:

B2 লেভেল দেখাতে পারবেন—

✔️ অনুমোদিত সেন্টারে ৪ স্কিলের ইংরেজি টেস্ট দিয়ে
✔️ আবেদনকারী যদি তালিকাভুক্ত ইংরেজিভাষী দেশের নাগরিক হন
✔️ বিদেশি ডিগ্রি ECCTIS দিয়ে ভেরিফাই করিয়ে



👨‍👩‍👧 ভবিষ্যতে Dependents–দেরও লাগতে পারে English test!

সরকারি হোয়াইট পেপারে বলা হয়েছে—
Dependents–দের জন্যও ভবিষ্যতে ইংরেজি শর্ত আসছে,
এমনকি ILR বা এক্সটেনশনে progress দেখাতে হবে!

⏳ তবে এর কোনো নির্দিষ্ট সময় এখনো ঘোষণা হয়নি।



🔥 UK-তে কাজ, পড়াশোনা বা সেটেল হওয়ার প্ল্যান করছেন? প্রস্তুতি শুরু করুন এখনই! নতুন ইংরেজি নিয়ম আপনার ভবিষ্যৎ ভিসা যাত্রায় বড় ভূমিকা রাখবে।

👉 আরও আপডেট পেতে আমাদের পেজটি Follow করে রাখুন!

বড় ধাক্কা! ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ করছে পাকিস্তান–বাংলাদেশ থেকে ভর্তি-  নতুন ভিসা নিয়মে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সতর্কত...
04/12/2025

বড় ধাক্কা! ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ করছে পাকিস্তান–বাংলাদেশ থেকে ভর্তি- নতুন ভিসা নিয়মে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সতর্কতা

যুক্তরাজ্যের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রতি পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তিতে সাময়িক বিধিনিষেধ বা বিরতি ঘোষণা করেছে। এটি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়-নির্ধারিত নিষেধাজ্ঞা নয়; বরং যুক্তরাজ্য হোম অফিসের কড়া ভিসা কমপ্লায়েন্স নীতিমালার কারণে স্পনসর লাইসেন্স সুরক্ষার লক্ষ্যে নেওয়া সতর্কতামূলক পদক্ষেপ।

কেন এই বিধিনিষেধ?

হোম অফিসের নতুন Basic Compliance Assessment (BCA) নিয়মের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন আগের তুলনায় আরও কঠোরভাবে ভিসা আবেদন যাচাই করছে।
• ভিসা প্রত্যাখ্যানের হার কমানোর শর্ত: নতুন নিয়ম অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্টুডেন্ট ভিসা রিফিউজাল রেট ১০% থেকে কমিয়ে ৫%-এর নিচে রাখতে হবে।
• পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে উচ্চ রিফিউজাল রেট: ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তানের শিক্ষার্থী ভিসা প্রত্যাখ্যান হার প্রায় ১৮%, আর বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ২২%, যা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর লাইসেন্স ঝুঁকিতে ফেলছে।
• ভিসা অপব্যবহার রোধ: হোম অফিস নিশ্চিত করতে চাইছে যে যুক্তরাজ্যে যারা শিক্ষার্থী হিসেবে আসছেন তারা সত্যিকারের শিক্ষার্থী এবং স্টুডেন্ট ভিসাকে স্থায়ী হওয়ার ‘পিছনের দরজা’ হিসেবে ব্যবহার করা না হয়।

কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় প্রভাবিত?

একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যেই ভর্তি নিয়ন্ত্রণ বা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—
• University of Chester, University of Wolverhampton, Coventry University, University of Sunderland, London Metropolitan University—যারা পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে ভর্তি গ্রহণ সাময়িকভাবে বন্ধ বা সীমিত করেছে।
• University of East London পাকিস্তান থেকে ভর্তি স্থগিত করেছে, কিছু ক্ষেত্রে অঞ্চলভেদে বিশেষ শর্ত জুড়ে দিয়েছে।
• Oxford Brookes University ২০২৬ সালের জানুয়ারির স্নাতক ভর্তি পাকিস্তান ও বাংলাদেশ উভয়ের জন্যই স্থগিত করেছে।
• University of Hertfordshire এবং Glasgow Caledonian University হোম অফিসের অ্যাকশন প্ল্যানের কারণে ভর্তি প্রক্রিয়ায় সাময়িক পরিবর্তন আনছে।

কিছু বিশ্ববিদ্যালয় আংশিক বিধিনিষেধ, অতিরিক্ত আর্থিক প্রমাণ বা আরও কঠোর যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া চালু করেছে। এর ফলে অনেক প্রকৃত শিক্ষার্থী দের ভিসা ও ভর্তি প্রক্রিয়ায় অনিশ্চয়তার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিদেশি শিক্ষার্থী নিয়োগে ব্যবহৃত এজেন্টদেরও আরও কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ শুরু করেছে।

UK Skilled Worker ভিসাধারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আপডেট!অনেকেই চিন্তায় আছেন—২২ জুলাইয়ের পর যদি আপনার চাকরির কোড (SOC code...
03/12/2025

UK Skilled Worker ভিসাধারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আপডেট!

অনেকেই চিন্তায় আছেন—২২ জুলাইয়ের পর যদি আপনার চাকরির কোড (SOC code) লিস্ট থেকে রিমুভ হয়ে যায়, তাহলে কি হবে?
ভয় নেই!

আপনি যদি ইতিমধ্যে সেই কোডে স্পনসর্ড হয়ে থাকেন এবং ধারাবাহিকভাবে (continuous permission) ভিসা ধরে রাখেন, তাহলে
✔ ভিসা এক্সটেনশন
✔ ভিসা সুইচ
✔ বা ILR (Settlement)—
সবক্ষেত্রেই আপনার পুরোনো কোড এখনও বৈধ হিসাবে গণ্য হবে।

এমনকি আপনার কোড যদি এখন temporary shortage list-এ চলে যায়, তাহলেও এটি আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়—যতক্ষণ আপনি আপনার স্পনসরশিপে ধারাবাহিকতা বজায় রাখছেন।

কোন টেবিল আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
যদি আপনি—
এপ্রিল ২০২৪–জুলাই ২০২৫ এর মধ্যে প্রথমবার স্পনসর্ড হয়ে থাকেন:
➡ আপনার কোড থাকবে Appendix Skilled Occupations – Table 1a (Options A–E) এ।

আর যদি আপনি এপ্রিল ২০২৫-এর আগ থেকেই Skilled Worker ভিসা ধরে রাখেন:
➡ আপনার কোড থাকবে Appendix Skilled Occupations – Table 2aa (Options F–J) এ।

🏥 Health ও Education সেক্টরের জন্য আলাদা নিয়ম আছে, কারণ এই পেশাগুলোতে জাতীয় বেতন কাঠামো (national pay scale) মানতে হয়।

সরকারের প্রস্তাব অনুযায়ী—
যারা RQF Level 6-এর নিচের চাকরিতে আছেন, তাদের জন্য সেটলমেন্ট পেতে ১৫ বছর লাগতে পারে। তাই অনেকের জন্য উচ্চ স্কিলড কোডে আপগ্রেড হওয়া ভবিষ্যতে উপকারী হতে পারে।

আপনি যদি ধারাবাহিকভাবে Skilled Worker ভিসা ধরে রাখেন— আপনার SOC কোড লিস্ট থেকে রিমুভ হলেও, আপনার ভিসার পথ বন্ধ হচ্ছে না।

🇬🇧 Breaking news!!! যুক্তরাজ্যের অভিবাসন ব্যবস্থায় ৫০ বছরে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন -— ঘোষণা করা হলো আজ!!সরকার নতুন Earned Set...
20/11/2025

🇬🇧 Breaking news!!! যুক্তরাজ্যের অভিবাসন ব্যবস্থায় ৫০ বছরে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন -— ঘোষণা করা হলো আজ!!

সরকার নতুন Earned Settlement মডেল ঘোষণা করেছে, যেখানে গুরুত্ব দেওয়া হবে অবদান, একীকরণ এবং সৎ আচরণকে।

মূল পয়েন্টগুলো:

🔹 বেশিরভাগ অভিবাসীর জন্য স্থায়ী বসবাস (settlement) পাওয়ার সময় ৫ বছর থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করা হচ্ছে।

🔹 কম বেতনের ভিসা রুটে আসা ব্যক্তিদের জন্য অপেক্ষার সময় ১৫ বছর।

🔹 বেনিফিটের ওপর নির্ভরশীল অভিবাসীদের জন্য অপেক্ষার সময় বাড়ানো হচ্ছে ২০ বছর পর্যন্ত।

🔹 অবৈধভাবে থাকা বা ওভারস্টেয়ারদের স্থায়ী বসবাস পেতে লাগতে পারে ৩০ বছর পর্যন্ত।

🔹 NHS-এর ডাক্তার ও নার্সরা মাত্র ৫ বছরেই স্থায়ী বসবাসের যোগ্য হবেন।

🔹 উচ্চ আয়কারী, উদ্যোক্তা ও বিশ্বমানের প্রতিভাদের জন্য ৩ বছরে দ্রুত settlement-এর সুযোগ।

🔹 স্থায়ী বসবাসের জন্য পরিষ্কার অপরাধ রেকর্ড বাধ্যতামূলক।

🔹 বেনিফিট ও সামাজিক বাসস্থান শুধু ব্রিটিশ নাগরিকদের জন্য সীমিত করার প্রস্তাব।

🔹 অবদান অনুযায়ী ছাড় পাওয়া যাবে:
• উচ্চ হারে কর পরিশোধ
• ভালো ইংরেজি জ্ঞান
• স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজ
• ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সে অবদান

🔹 ব্রিটিশ নাগরিকদের নিকট আত্মীয় ও হংকং BN(O) ভিসাধারীদের জন্য ৫ বছরের আগের নিয়মই থাকবে।

হোম সেক্রেটারি বলেছেন, যুক্তরাজ্যে স্থায়ী বসবাস “অধিকার নয়, অর্জনের বিষয়”, এবং নতুন নিয়মের লক্ষ্য হলো অবদান রাখা অভিবাসীদের মূল্যায়ন করা ও ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা।

🇬🇧 সমুদ্র পার হওয়ার দিন শেষ, যুক্তরাজ্যের আশ্রয়  ব্যবস্থায় ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন!লেবার সরকারের নতুন গৃহ সচিব শাবান...
16/11/2025

🇬🇧 সমুদ্র পার হওয়ার দিন শেষ, যুক্তরাজ্যের আশ্রয় ব্যবস্থায় ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন!

লেবার সরকারের নতুন গৃহ সচিব শাবানা মাহমুদ একের পর এক কঠোর রিফর্ম আনতে চলেছেন—যা আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য পুরো খেলার নিয়মই বদলে দিতে পারে।

⚡ যুক্তরাজ্যে আশ্রয় নীতিতে যে বড় পালাবদল আসছে:

1️⃣ স্থায়ী আশ্রয়ের যুগ শেষ!

এখন থেকে আশ্রয় পেলেই আজীবন থাকা যাবে না।
👉 প্রতি ৩০ মাসে একবার আপনার পরিস্থিতি আবার যাচাই করা হবে।
👉 আপনার দেশে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আপনাকে ফেরত পাঠানো হতে পারে।



2️⃣ অনিয়মিত পথে এলে স্থায়ী অধিকার পেতে ২০ বছরের লম্বা পথ!

👉 নৌকা, ট্রাক বা বেআইনি পথে ইউকে এলে স্থায়ী অধিবাস (ILR) পেতে হতে পারে ২০ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা।
👉 অর্থাৎ, ইউকে আর কোনোভাবেই ঝুঁকিপূর্ণ পথে আসাকে উৎসাহ দেবে না।



3️⃣ ফ্রি বাসস্থান ও উইকলি ভাতা (অটোমেটিক সাপোর্ট) আর নয়

👉 যাদের কাজ করার সামর্থ্য আছে বা ব্যাকগ্রাউন্ড শক্তিশালী, তারা আর স্বয়ংক্রিয় সুবিধা পাবেন না।
👉 রাষ্ট্র শুধু তাদেরকেই সাহায্য করবে যারা সত্যিকারের অসহায়।



4️⃣ আদালতে কঠোরতা: প্রথমে জননিরাপত্তা

👉 বিচারকেরা এখন সিদ্ধান্ত নেবেন “পাবলিক সেফটি”কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে।
👉 ফলে অপরাধীদের আশ্রয় বা থাকার অনুমতি পাওয়া কঠিন হবে।



5️⃣ পরিবারভিত্তিক অধিকার কঠোর

👉 পরিবার আছে বলেই ইউকে-তে থাকা যাবে — এই নিয়ম শক্ত করা হচ্ছে।
👉 পরিবারিক ভিত্তিতে স্টে পেতে লাগবে আরও কঠোর প্রমাণ।



6️⃣ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার — বয়স নির্ধারণে AI!

👉 যারা নিজেদের “শিশু” দাবি করে সুবিধা নিতে চাইবে, তাদের বয়স নির্ধারণে AI প্রযুক্তি ব্যবহৃত হবে।
👉 প্রতারণা কমবে, প্রক্রিয়া দ্রুত হবে।



7️⃣ নতুন ও নিরাপদ ‘লিগ্যাল রুট’ তৈরি হবে

👉 ভবিষ্যতে ইউকে-তে যাওয়ার জন্য আরও নিরাপদ ও বৈধ পথ খোলা হবে।
👉 যারা এই লিগ্যাল রুট ব্যবহার করবে—
✔️ তাদের আবেদন আরও দ্রুত
✔️ তাদের স্থায়ী নাগরিকত্বের পথ আরও সহজ।



8️⃣ শাবানা মাহমুদের বার্তা স্পষ্ট:

“ঝুঁকিপূর্ণ পথে কেউ আসবে না। নিরাপদ পথে, নিয়ম মেনে ইউকে আস—তবেই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত।”



🔥 মূল ভাবনা:

যুক্তরাজ্যের নতুন নীতিগুলো অভিবাসন ব্যবস্থাকে আরও কঠোর, নিয়ন্ত্রিত এবং নিরাপদ করতে তৈরি হচ্ছে।
যারা নিয়ম মেনে আসবে — তাদের জন্য সুযোগ বাড়বে।
আর যারা ঝুঁকিপূর্ণ পথে আসবে — তাদের পথ হবে আগের চেয়ে আরও কঠিন।















TfL কর্মীদের ভিসা সংকট: ডাউনিং স্ট্রিটে আন্দোলন, ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত! 🇬🇧নতুন ভিসা নীতিতে TfL ও কারা–বিভাগের শত শত কর্মীর যু...
08/11/2025

TfL কর্মীদের ভিসা সংকট: ডাউনিং স্ট্রিটে আন্দোলন, ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত! 🇬🇧

নতুন ভিসা নীতিতে TfL ও কারা–বিভাগের শত শত কর্মীর যুক্তরাজ্যে থাকা ঝুঁকির মুখে। ইউনিয়ন ও মেয়র মানবিক কারণে নিয়ম স্থগিতের দাবি তুললেও সরকার এখনই আলোচনার আগ্রহ দেখায়নি।

লন্ডনে Transport for London (TfL)–এর বহু বিদেশি কর্মী নতুন ভিসা নীতির কারণে দেশে ফিরে যেতে বাধ্য হতে পারেন। দক্ষতার মানদণ্ড, বেতনসীমা ও পদের তালিকায় পরিবর্তন হওয়ায় তাদের চাকরি ও যুক্তরাজ্যে থাকা—দুটিই ঝুঁকির মুখে।

শুক্রবার RMT ইউনিয়নের নেতৃত্বে TfL কর্মীরা ডাউনিং স্ট্রিটে গিয়ে সরকারের কাছে নিয়ম স্থগিতের আবেদনপত্র জমা দেন।

ইউনিয়ন RMT–এর মহাসচিব এডি ডেম্পসি বলেন—

“এরা স্থায়ী চাকরিতে আছেন, পরিবার গড়ে তুলেছেন। এখন তাদের দেশ ছাড়তে বলা—অমানবিক।” তিনি দাবি করেন, এই কর্মীরা একটি “বিশেষ শ্রেণি” এবং তাদের জন্য জরুরি ছাড় প্রয়োজন।

তিন বছর আগে ভারত থেকে লন্ডনে পড়তে এসে TfL–এ চাকরি পাওয়া অভি খেরা এখন ফেরত পাঠানোর ঝুঁকিতে। তিনি বলেন— “সব নিয়ম মানলাম, সব ফি দিলাম। এখন বলছে ফিরে যাও—এটা খুব কষ্টের।” তিনি জানান, এখানে এসেই তারা পরিবার ভবিষ্যৎ গড়েছেন; দেশে আর কোনও ভিত্তি নেই।

TfL জানায়—
• আগামী ১২ সপ্তাহে ৬১ জন কর্মীর ভিসা শেষ
• ইউনিয়নগুলোর দাবি—সংখ্যা ৩০০–এরও বেশি হতে পারে!

অনেকে তাদের ভিসা তথ্য TfL–কে জানান না, তাই প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা।

লন্ডনের মেয়র সাদিক খান বলেন— “মহামারির সময় এরা জীবন বাজি রেখে লন্ডন চালু রেখেছেন। এখন তাদের এমন সমস্যায় ফেলা ভুল।” তিনি নতুন নিয়মগুলো অন্তত সাময়িকভাবে স্থগিত করার আহ্বান জানান।

এদিকে সরকার এ বিষয়ে বৈঠকে সম্মত হয়নি। হোম অফিস বলেছে— “নেট মাইগ্রেশন কমাতেই হবে। ছাত্র বা যুব ভিসা ভবিষ্যতে চাকরির নিশ্চয়তা দেয় না।” তবে তারা জানিয়েছে—যারা বর্তমানে skilled worker ভিসায় আছেন, তারা নবায়নের আবেদন করতে পারবেন।

এদিকে প্রায় ১,০০০–এর বেশি কারা কর্মীও এই নিয়মের প্রভাবে পড়তে পারেন বলে জানিয়েছে POA ইউনিয়ন।
তারা এটিকে “স্ক্যান্ডালাস” ও “তড়িঘড়ি করা সিদ্ধান্ত” বলে দাবি করেছে।

যে কারণে ভারত আনন্দে গলা ভেজালো না—মুসলিম পরিচয় আর বৈচিত্র্যের শক্তিতে জোহরানের জয়!নিউইয়র্ক—এক শহর যেখানে প্রতিটি রাস...
05/11/2025

যে কারণে ভারত আনন্দে গলা ভেজালো না—মুসলিম পরিচয় আর বৈচিত্র্যের শক্তিতে জোহরানের জয়!

নিউইয়র্ক—এক শহর যেখানে প্রতিটি রাস্তায় গল্প জন্মায়, যেখানে প্রতিটি মানুষের পেছনে লুকিয়ে থাকে এক বা একাধিক শহরের স্মৃতি। সেখানেই ইতিহাস তৈরি করলেন জোহরান মামদানি—উগান্ডা থেকে আসা ভারতীয় বংশোদ্ভূত, মুসলিম পরিচয়ের এক তরুণ রাজনীতিক, যিনি আজ নিউইয়র্ক সিটির নতুন মেয়র।

জোহরানের গল্প শুরু উগান্ডার কাম্পালায়। ভারতীয় পরিবার, আফ্রিকান ভূমি, আর অস্থিরতার মধ্যে বড় হওয়া। মাত্র সাত বছর বয়সে বাবা-মায়ের হাত ধরে পৌঁছান নিউইয়র্কে। নতুন শহর, নতুন ভাষা, নতুন সমাজ—তার পরিচয় তখনই গড়ে উঠতে শুরু করে। কেবল পড়াশোনা নয়—তিনি দেখলেন চারপাশের শ্রমজীবী মানুষের সংগ্রাম, অভিবাসী পরিবারের দুঃখ, স্বপ্ন, আর টিকে থাকার লড়াই।

এ শহরের রক্তে রক্ত মিশিয়ে বড় হওয়া জোহরান যখন রাজনীতিতে নামলেন, তখন তিনি কোনো ধনী পরিবার বা প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক বংশের নাম নিয়ে আসেননি। তিনি এসেছেন রাস্তাঘাটের নিউইয়র্ক থেকে—ট্যাক্সি ড্রাইভার, ডেলি ওয়ালা, কাবাব বিক্রেতা, ছোট ব্যবসায়ী আর নতুন স্বপ্নবাজদের কণ্ঠ নিয়ে।

তার বিজয় বক্তৃতায় তিনি বলেছিলেন—
“আমি একজন অভিবাসী। এই শহর আমাকে ঘর দিয়েছে, আমি এখন সেই ঘরের দায়িত্ব নেব।”
এই ঘোষণা যেন এক সীমানাহীন বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি—অভিবাসীর স্বপ্নই নিউইয়র্কের স্বপ্ন।

তার মুসলিম পরিচয় নিয়েও তিনি কখনো লুকোচুরি খেলেননি। বিশ্ব যেখানে মুসলিম পরিচয়কে সন্দেহ বা ভয়ের চোখে দেখে, সেখানে জোহরান আত্মবিশ্বাসের সাথে বললেন—
“আমার বিশ্বাস আমাকে থামায় না; আমাকে শক্তিশালী করে।”
এই সাহসই তাকে অগণিত তরুণ অভিবাসীর কাছে এক প্রতীক করে তুলেছে—সম্ভাবনার, গ্রহণযোগ্যতার, আত্মপরিচয়ের।

মজার বিষয়—তার শিকড় ভারতেও। ভারতীয় বংশোদ্ভূত, আফ্রিকান জন্ম, আমেরিকান বেড়ে ওঠা—এক জটিল পরিচয়ের সমাহার তিনি। কিন্তু ভারত সম্পর্কে জোহরানের বক্তব্য ছিল খুব কম। সেখানে ছিল না দেশ–বর্ণ–জাতির গৌরবগাথা; বরং ছিল বাস্তব জীবনের গল্প। তিনি নিজের ভারতীয় পরিচয়কে কখনো রাজনৈতিক বাজারে তুললেন না।

তাই হয়তো ভারতীয় গণমাধ্যমে তাকে ঘিরে সেই উচ্ছ্বাস দেখা যায়নি, যা দেখা যায় ঋষি সুনাক, কমলা হ্যারিস, সুন্দর পিচাই বা সত্য নাদেলাদের ক্ষেত্রে। ভারতীয় গণমাধ্যম সাধারণত গর্বের সাথে জানায়—“দেখো, আমাদের সন্তান বড় হয়েছে।”
কিন্তু জোহরানের ক্ষেত্রে তা হলো না। কারণ তার পরিচয় ছিল কেবল “ভারতীয় বংশোদ্ভূত” নয়—তিনি ছিলেন মূলত অভিবাসী নিউইয়র্কার, মুসলিম, আফ্রিকান পরিবার থেকে আসা মানুষ। জাতীয়তার গণ্ডি ভেঙে তিনি নিজের পরিচয়কে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন।

নিউইয়র্কের পথে-ঘাটে, কাবাব ভ্যানের পাশে, সাবওয়ের ভিড়ে—তার প্রচারের শক্তি ছিল মানুষের কাছে পৌঁছানো। তিনি রাজনীতি এনেছেন টিকটকে, ইনস্টাগ্রামে, যুবসমাজের হাতে। তার ভাষা ছিল সহজ—“তোমাদের গল্পই আমার গল্প।”
এই সত্যিই মানুষ বিশ্বাস করেছে।

এলন মাস্কসহ কিছু ব্যক্তি যখন নির্বাচনের ফল নিয়ে প্রশ্ন তুললেন, তখনো জোহরান শান্ত ছিলেন। নিউইয়র্কের বহু পুরোনো ‘fusion voting’ পদ্ধতি সম্পর্কে অজ্ঞানতার আঙুল যখন তার দিকে উঠল, তখন তিনি উত্তর দিলেন বাস্তবতার ভিত্তিতে—যেমন পুরো প্রচারণায় করেছেন।

জোহরানের বিজয় কেবল মুসলিম বা অভিবাসী সম্প্রদায়ের নয়—এটি নিউইয়র্ক সিটির অলিগলিতে থাকা অগণিত মানুষের গল্প—যারা অনুভব করেন,
“এই শহর আমার, আমিও এই শহরের।”

তার গল্প শেখায়—পরিচয় কখনো বাধা নয়, বরং সেতু।
শিকড় যত দূরেরই হোক, ফুল তো সেখানেই ফোটে যেখানে তার আলো, জল আর মাটি আছে।
জোহরানের শিকড় ভারত ও আফ্রিকার মিশ্র মাটিতে, কিন্তু তার ফুল ফুটেছে নিউইয়র্কে।

এই বিজয় দেখায়—
ধর্ম, জাতি, বংশ—সবকিছুর ঊর্ধ্বে মানুষই মুখ্য।
এক অভিবাসীর স্বপ্নই আজ শহরের স্বপ্ন।

নিউইয়র্ক আবার প্রমাণ করল—
এখানে পরিচয় শুধুই জন্মসূত্র নয়;
এটি জীবনের গল্প, সংগ্রামের ভাষা, সাহসের রঙ।

জোহরান মামদানির নাম তাই এখন শুধু এক রাজনীতিকের নয়—
এটি এক উদাহরণ—
এক মুসলিম, এক অভিবাসী, এক বহু-পরিচয়বাহী তরুণ
কিভাবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় শহরকে নেতৃত্ব দিতে পারে।

এটাই নিউইয়র্ক।
এটাই আমেরিকা।
এটাই স্বপ্নের রূপ।




🇬🇧 যুক্তরাজ্যের ভিসা প্রক্রিয়ায় আসছে বড় পরিবর্তন! — প্রস্তুত তো?যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা, কাজ, বা পরিবার নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবা...
02/11/2025

🇬🇧 যুক্তরাজ্যের ভিসা প্রক্রিয়ায় আসছে বড় পরিবর্তন! — প্রস্তুত তো?

যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা, কাজ, বা পরিবার নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা করছেন? তাহলে এই আপডেটটি আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ!

📅 ৩০ অক্টোবর ২০২৫ থেকে যুক্তরাজ্যের বেশিরভাগ ভিসা আবেদনকারী — যেমন
🔹 কাজের ভিসা (Work)
🔹 পড়াশোনার ভিসা (Study)
🔹 পরিবার ও স্থায়ী বসবাসের ভিসা (Family & Settlement)
এবং তাদের dependant-রা আর পাসপোর্টে প্রচলিত ভিসা স্টিকার (vignette) পাবেন না।

এর পরিবর্তে, সবাইকে দেওয়া হবে একটি ডিজিটাল ভিসা বা eVisa — যা আপনি আপনার UK Visas and Immigration (UKVI) অনলাইন অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে দেখতে পারবেন। 💻

🕓 VAC (Visa Application Centre)-এ বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করার পর পাসপোর্ট সঙ্গে সঙ্গেই ফেরত দেওয়া হবে — ফলে অপেক্ষার সময় অনেক কমে যাবে, প্রক্রিয়াও হবে আরও দ্রুত ও সহজ।

📌 এই পরিবর্তনটি ৩০ অক্টোবর ২০২৫ থেকে কার্যকর হবে সব ভিসা ক্যাটাগরিতে।
📌 ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ, যুক্তরাজ্য সব ধরণের ভিসা স্টিকার (এমনকি ভিজিটর ভিসা-ও) সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেবে।

eVisa মানে আরও নিরাপদ, সহজ ও ডিজিটাল অভিজ্ঞতা!এই নতুন নিয়ম সম্পর্কে আপডেট থাকুন এবং ভিসা আবেদন করার আগে আপনার প্রোফাইলটি সঠিকভাবে প্রস্তুত করুন।

বাস্তব চিত্র: কেন যুক্তরাজ্যের কিছু বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের আবেদন সাময়িকভাবে স্থগিত করছে? আমি...
01/11/2025

বাস্তব চিত্র: কেন যুক্তরাজ্যের কিছু বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের আবেদন সাময়িকভাবে স্থগিত করছে?

আমি নিজে একজন Student Recruitment Specialist হিসেবে University of Chester সহ যুক্তরাজ্যের প্রায় সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডমিশন টিমের সঙ্গে নিয়মিত কাজ করি।আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি – বর্তমান সময়ের যুক্তরাজ্যের বাজারে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের আবেদনকারীদের প্রতি আস্থা কিছুটা কমেছে, যেখানে ভারত ও নেপালের শিক্ষার্থীরা নিয়মিতভাবে বাড়ছে তাদের পারফরম্যান্স ও প্রোফাইলের কারণে।

সম্প্রতি University of Chester সহ কয়েকটি যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে আসা শিক্ষার্থীদের আবেদন গ্রহণ স্থগিত করেছে। অনেকে এ সিদ্ধান্তে বিস্মিত হলেও, এর পেছনে রয়েছে কিছু বাস্তব ও গুরুত্বপূর্ণ কারণ যা এখন যুক্তরাজ্যের পুরো উচ্চশিক্ষা খাতকে প্রভাবিত করছে।

🔍 মূল কারণগুলো সংক্ষেপে:
1️⃣ শিক্ষার চেয়ে কাজের দিকে ঝোঁক:
অনেক শিক্ষার্থী যুক্তরাজ্যে গিয়ে পড়াশোনার চেয়ে কাজ বা পার্ট-টাইম আয়ের দিকে বেশি মনোযোগ দেয়। এর ফলে ক্লাসে উপস্থিতি ও একাডেমিক পারফরম্যান্স কমে যায়, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করে।

2️⃣ ভিসা পরিবর্তন ও মাইগ্রেশন প্রবণতা:
কিছু শিক্ষার্থী যুক্তরাজ্যে এসে মূল কোর্সে মনোযোগ না দিয়ে অন্য ভিসায় রূপান্তর বা অন্য দেশে চলে যাওয়ার পরিকল্পনা করে। এই আচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের কমপ্লায়েন্স রেকর্ডকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

3️⃣ ভিসা সাক্ষাৎকারে প্রস্তুতির অভাব:
এখন UKVI (UK Visas and Immigration) শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকারে অনেক বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
কিন্তু দুঃখজনকভাবে, অনেক বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি আবেদনকারী যথাযথ প্রস্তুতি ছাড়াই সাক্ষাৎকারে অংশ নেয়, ইংরেজি দক্ষতা বা স্টাডি প্ল্যান পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে না।
এর ফলে genuinity basis-এ বহু ভিসা রিফিউজাল হচ্ছে।

4️⃣ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষতি ও কমপ্লায়েন্স ঝুঁকি:
প্রতিটি ভিসা রিফিউজালের মানে হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একাধিক ক্ষতি –
• তারা একটি CAS (Confirmation of Acceptance for Studies) হারায়,
• আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়,
• এবং সবচেয়ে বড় কথা, তাদের UKVI কমপ্লায়েন্স রেটিং ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

আমাদের করণীয়:
১। শিক্ষার্থীদের উচিত বাস্তব প্রস্তুতি নেওয়া, ইংরেজি দক্ষতা উন্নত করা এবং নিজের স্টাডি প্ল্যান স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা।২।বিশ্ববিদ্যালয় ও এজেন্টদেরও আরও দায়িত্বশীল হয়ে শুধুমাত্র genuine শিক্ষার্থীদের সহায়তা করা উচিত।
৩।এটি সাময়িক ধাক্কা, কিন্তু সঠিক দিকনির্দেশনা ও প্রস্তুতির মাধ্যমে আমরা এই আস্থা পুনরুদ্ধার করতে পারব।

যুক্তরাজ্যের ডিগ্রি এখনও বিশ্বের সেরা শিক্ষার প্রতীক। আমাদের শুধু প্রয়োজন — সত্যিকারের উদ্দেশ্য নিয়ে সেখানে যাওয়া এবং একাডেমিক সফলতায় নিজেদের প্রমাণ করা।

🇬🇧 ব্রিটেনে অভিবাসন রেইডের ঝড়: এক বছরে ১১,০০০+ অভিযান!গত এক বছরে যুক্তরাজ্যজুড়ে টেকঅ্যাওয়ে, বিউটি স্যালন ও কার ওয়াশে ১১,...
30/10/2025

🇬🇧 ব্রিটেনে অভিবাসন রেইডের ঝড়: এক বছরে ১১,০০০+ অভিযান!

গত এক বছরে যুক্তরাজ্যজুড়ে টেকঅ্যাওয়ে, বিউটি স্যালন ও কার ওয়াশে ১১,০০০-এরও বেশি অভিবাসন অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
অক্টোবর ২০২৪ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৫—এই সময়ের মধ্যে অভিযান গত বছরের তুলনায় ৫১% বৃদ্ধি পেয়েছে।
সরকারের দাবি, গিগ–ইকোনমি খাতে বেআইনি শ্রমিকের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।



✅ নতুন আইন ভাবনা—কঠোর শাস্তি

সরকার ছয় সপ্তাহের একটি পরামর্শ–প্রক্রিয়া (consultation) শুরু করেছে, যেখানে ক্যাজুয়াল, অস্থায়ী বা সাব–কন্ট্রাক্ট কর্মী নিয়োগেও রাইট–টু–ওয়ার্ক (Right-to-Work) চেক বাধ্যতামূলক করতে চাওয়া হচ্ছে।
যদি প্রস্তাব কার্যকর হয়—
➡ বেআইনি শ্রমিক নিয়োগ করলে
• ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
• বা প্রতি শ্রমিকে £6,000 জরিমানা

এখন পর্যন্ত এই চেক কেবলমাত্র প্রচলিত চাকরির চুক্তিবদ্ধ নিয়োগে প্রযোজ্য ছিল।



🚴 ডেলিভারি খাত নজরদারিতে

অপারেশন স্টার্লিং নামে নতুন উদ্যোগে সরকার ইতিমধ্যেই £5 মিলিয়ন বিনিয়োগ করেছে।
এই ঢিলে শ্রমবাজার অনেককে বিপজ্জনক পথে যুক্তরাজ্যে আসতে উৎসাহিত করছে—এমন উদ্বেগ থেকেই ব্যবস্থা।

এ বছরের শুরুতে ছায়া স্বরাষ্ট্র সচিব ক্রিস ফিলিপ হঠাৎ এক আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে Deliveroo, Just Eat ও Uber Eats-এর হয়ে অবৈধভাবে কাজ করার স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেন।

শোনা যাচ্ছে, অনেক আশ্রয়প্রার্থী দেশে পৌঁছানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বৈধ ডেলিভারি অ্যাকাউন্ট “ভাড়া” নিয়ে আইনসঙ্গত পরীক্ষার ফাঁক গলে কাজ শুরু করতে পারছে!

Uber Eats, Deliveroo ও Just Eat জানিয়েছে—
তারা প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা আরও শক্ত করছে।

জুলাইয়ে তিন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরকারের চুক্তি হয়—
➡‍ অবৈধ অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের প্যাটার্ন শনাক্ত করার প্রযুক্তি দেওয়া
➡‍ সরকার আশ্রয়কেন্দ্রের অবস্থান তাদের সঙ্গে শেয়ার করবে



🔊 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর সুর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ বলেন:

“অবৈধভাবে কাজ করা মানেই অবৈধ পথে দেশটিতে আসার নতুন প্রলোভন। আর না।
বিউটি স্যালন, কার ওয়াশ কিংবা ডেলিভারি কাজ—যেখানেই পাওয়া যাক, যারা অবৈধভাবে কাজ করছে, আমরা তাদের গ্রেফতার, আটক ও দেশে ফেরত পাঠাবো।”

তিনি আরও বলেন—

“ব্রিটেনের সীমান্ত সুরক্ষায় যা যা প্রয়োজন—সব করব।”



🚤 ছোট নৌকায় আসা বেড়েছে

নতুন তথ্যে দেখা গেছে—
২০২৫ সালের এ পর্যন্ত ছোট নৌকায় ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে যুক্তরাজ্যে পৌঁছানো মানুষের সংখ্যা ২০২৪ সালের মোট সংখ্যা (৩৬,৮১৬) ছাড়িয়ে!

✅ চীনের নতুন নিয়ম: ডিগ্রি ছাড়া ইনফ্লুয়েন্সাররা আইন- অর্থনীতি- স্বাস্থ্য -শিক্ষা নিয়ে কথা বলতে পারবেন না!চীনের Cyberspace...
28/10/2025

✅ চীনের নতুন নিয়ম: ডিগ্রি ছাড়া ইনফ্লুয়েন্সাররা আইন- অর্থনীতি- স্বাস্থ্য -শিক্ষা নিয়ে কথা বলতে পারবেন না!

চীনের Cyberspace Administration of China (CAC) এক নতুন নিয়ম চালু করেছে। এই নিয়ম অনুযায়ী—যে কোনো ইনফ্লুয়েন্সার সোশ্যাল মিডিয়ায় আইন, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য বা শিক্ষা বিষয়ে কথা বলতে চাইলে, তাকে অবশ্যই সেই বিষয়ে সঠিক ডিগ্রি, লাইসেন্স বা সার্টিফিকেট থাকতে হবে।

Douyin, Weibo, Bilibili-এর মতো প্ল্যাটফর্মগুলোও ইনফ্লুয়েন্সারদের যাচাই করে নিতে বাধ্য।
নিয়ম না মানলে জরিমানা হতে পারে ১ লাখ ইয়েন (প্রায় ১৪,০০০ ডলার) পর্যন্ত!



🔍 কেন এই নিয়ম গুরুত্বপূর্ণ?

আজকের দিনে অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো যোগ্যতা ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা বলেন।
ফলে ভুল তথ্য ছড়ায়—বিশেষ করে স্বাস্থ্য, আইন ও অর্থনীতি বিষয়ে।
চীনের মতে—
➡ credible তথ্য দিতে হলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ থাকা জরুরি।
➡ শুধুই জনপ্রিয়তা থাকলেই যথেষ্ট নয়!

তবে সমালোচকরা বলছেন—
➡ এতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কমতে পারে
➡ অনেকে কথা বলতে ভয় পেতে পারেন



🇧🇩 কেমন হয় যদি এই নিয়ম বাংলাদেশে চালু হয়?

👉 আপনি কি মনে করেন—গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা বলতে হলে ডিগ্রি থাকা দরকার?
👉 নাকি জনপ্রিয়তা ও অভিজ্ঞতা থাকলেই চলে?

নীচে কমেন্টে আপনার মতামত জানান।
আলোচনাটা জমাতে শেয়ার করুন!




















Address

London

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruhel Walks posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ruhel Walks:

Share

Category