15/06/2026
এখন বাংলাদেশে Top of the country Oxford University এবং তাদের debate club।
University of Oxford এবং তাদের ডিবেটিং সংস্কৃতি বিশ্বের অন্যতম সেরা হিসেবে বিবেচিত হয়। আমার এখনো সেখানে স্বশরীরে যাওয়ার সুযোগ হয়নি, তবে অক্সফোর্ডের একজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলার সুযোগ হয়েছিল। আলাপের বিষয় ছিল তার পড়াশোনা, কাজ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।
তিনি একজন ব্রিটিশ শিক্ষার্থী এবং বর্তমানে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষে পড়ছেন। কথোপকথনের একটি বিষয় আমাকে বিশেষভাবে ভাবিয়েছে। তিনি বলছিলেন, ক্লাস না থাকলে তারা বিভিন্ন ধরনের কাজ করেন—যে কাজই হোক না কেন। তাদের কাছে কাজ মানেই কাজ; ছোট-বড় বা মর্যাদার ভিত্তিতে কাজকে আলাদা করে দেখার প্রবণতা তুলনামূলকভাবে কম। উদাহরণ হিসেবে তিনি জানান, বর্তমানে তিনি একটি রেস্টুরেন্টে ওয়েটারের কাজ করেন।
তবে এটি তার চূড়ান্ত পেশা নয়। পড়াশোনা শেষ করে তিনি তার পছন্দের ক্ষেত্র—সংগীত নিয়ে কাজ করতে চান এবং সেদিকেই নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে চান। আপাতত তিনি কাজের মাধ্যমে অভিজ্ঞতা অর্জন করছেন, নিজের দায়িত্ব পালন করছেন এবং স্বাধীনভাবে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
তার কথা শুনে আমার মনে প্রশ্ন জেগেছে—যদি তার জন্ম আমাদের দেশে হতো, তাহলে কি তার চিন্তাভাবনা এমনই থাকত? আমাদের সমাজে এখনো অনেক ক্ষেত্রে ছোট বা কম বেতনের কাজকে যথাযথ সম্মান দেওয়া হয় না। অনেক সময় কাজের ধরন দেখে মানুষের মূল্যায়ন করা হয়, অথচ যে কোনো সৎ কাজই সম্মানের। অবশ্য এর ব্যতিক্রমও আছে, এবং সমাজের অনেক মানুষই শ্রম ও কর্মকে সম্মান করেন।
আমার বিশ্বাস, কোনো কাজই ছোট নয়। মানুষকে তার পেশা দিয়ে নয়, তার সততা, পরিশ্রম ও মানবিকতা দিয়ে মূল্যায়ন করা উচিত।
সৃষ্টিকর্তা আমাদের সকলকে শুভবুদ্ধি দান করুন। মানুষ যেন মানুষকে সম্মান করতে শেখে, এবং প্রতিটি সৎ কাজের মর্যাদা দিতে পারে। University of Oxford