ATeam

ATeam যদি বাংলার মানচিত্রে, জাতীয় পতাকায়, জাতীয় সঙ্গীত, জাতির পিতা এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রতি আপনার আনুগত্য থাকে, আপনি বাই ডিফল্ট এটিমের একজন!

বাংলাদেশের 'দেশপ্রেমিক' সেনাবাহিনীর দেশপ্রেমের আমলনামা আমাদের সেনাবাহিনীর নামের আগে একটি বিশেষণ লাগানো হয়; তা হলো দেশপ্র...
08/12/2025

বাংলাদেশের 'দেশপ্রেমিক' সেনাবাহিনীর দেশপ্রেমের আমলনামা

আমাদের সেনাবাহিনীর নামের আগে একটি বিশেষণ লাগানো হয়; তা হলো দেশপ্রেমিক। সেনাবাহিনী মাত্রই দেশপ্রেমিক হবে, নাকি দেশাদ্রোহী সেনাবাহিনী হয়? এ তকমা কখন লাগানো হয়েছিলো? ১৯৭৫ এ বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করার পর এ তকমা চালু হয়। কারণ, এ জঘন্য কাজের পক্ষে কুযুক্তি দাড় করানোর জন্য দেশপ্রেমিক তকমার আমদানি। এখন আসুন দেখা যাক দেশপ্রেমিকদের কাজ কারবার।

মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমাদের সেনাবাহিনীর জন্ম। তৎকালীন বাঙ্গালী সেনা অফিসারদের একটি ক্ষুদ্র অংশ অসীম সাহসিকতার সাথে মার্চ-এপ্রিলে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেয়। বাকিরা তৎকালীন পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানে অবস্থান করে পাকিস্তানীদের আদেশ মেনে বাঙালি নিধনে দায়িত্ব পালন করতে থাকে। এরা কখনই বিশ্বাস করেনি যে বাংলাদেশ স্বাধীন হবে। তবে এদের মধ্যে একজন ভিন্ন ছিলেন। ১৯৭১ এর এপ্রিলে ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার্স মেসে নিয়াজি অফিসারদের এক সভায় বাঙালী নারীদের ধর্ষণের মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্মের Race বদলে দেয়ার নির্দেশ দেয়। এ কথা শুনে পাকিস্তানি অফিসাররা ও হতভম্ব হয়ে যায়। এ সভায় উপস্থিত একজন বাঙালী অফিসার মেজর মুশতাক (যিনি তখনও পাকিস্তানিদের পক্ষে কাজ করছিলেন) সভা থেকে বের হয়ে বাথরুমে ডুকে নিজের সার্ভিস পিস্তল মাথায় ঠেকিয়ে আত্মহত্যা করেন (পাকিস্তানী জেনারেল খাদিম হোসেন রাজার বইয়ে ঘটনাটির বিস্তারিত বর্ণনা আছে)। তৎকালীন বাঙালি সেনা অফিসাররা চাকুরিতে যোগদানের পর থেকে সামরিক শাসনের অংশ হিসেবেই কাজ করত। কারণ সিভিল শাসন কি, তারা তা কক্ষনো দেখে নাই এবং তাদের ধারনাও ছিল না। তারা সবসময় নিজেদেরকে শাসক হিসেবেই বিবেচনা করতো। মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকার ছিল নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত সিভিল সরকার। ফলে যুদ্ধচলাকালীন এ সরকারকে হটিয়ে সামরিক অফিসারদের নেতৃত্বে একটি অথরিটি গঠনের চেষ্টা করে জিয়াউর রহমান ও কেউ কেউ। কিন্তু, তখনকার বিশ্ব জনমতের কারণে তা হয়নি। নভেম্বর এর মধ্যে স্পষ্ট হয়ে যায় বাংলাদেশ স্বাধীন হবে। তখন মধ্যপ্রাচ্যে চাকুরীরত পাকিস্তান সেনাবিহিনীর কয়েকজন বাঙালি অফিসার কলকাতায় এসে প্রবাসী সরকারের কাছে যোগ দেয় (বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের দল)। এরা একদিনের জন্য ও যুদ্ধ করে নাই, মুজিবনগর সরকারের অফিসের কাজ করত। ওসমানী এদের সবাইকে খেতাব ও দেয়!

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর, পা'কিদের পক্ষে কাজ করা সকল বাঙালি অফিসার সেনাবিহিনীতে যোগ দেয়ার সুযোগ পায়। এরা সেনাবাহিনীর সকল পর্যায়ে এবং বিশেষ করে প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত দায়িত্ব পালনের সুযোগ পায়। এরা মন থেকে কক্ষনো বাংলাদেশকে মেনে নিতে পারেনি। শুধু সময়ের অপেক্ষা করেছে। এ সকল অফিসাররা সেনাবাহিনীকে পেশাদার হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা কক্ষনো করেনি। সিভিল সরকারের কতৃত্ব ক্ষমতালোভী সেনাবাহিনীর এসব লোকজন কক্ষনো মেনে নেয়নি। এর সাথে যুক্ত হয় বিদেশি ষড়যন্ত্র। পরিনামে বঙ্গবন্ধু হত্যা। এ বাহিনী কক্ষনো পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে উঠতে চায়নি। তারা সবসময় পৃথিবীর নিকৃষ্ট পা'কিস্তানি সেনাদের মতোই রাজনৈতিক ক্ষমতার অংশীদার হতে চেয়েছে।

বঙ্গবন্ধু হত্যার পর ১৯৭৫-১৯৯০ তারা দেশের শাসন ক্ষমতা কুক্ষিগত করে। এ পনেরো বছরে সেনা দুঃশাসন আর দুর্নীতিতে দেশের অর্থনীতি তলানিতে গিয়ে ঠেকে। ১৯৯১-৯৬ সেনাবাহিনী পরোক্ষভাবে রাজনৈতিক ক্ষমতা নিয়ন্ত্রন করে। ১৯৯৬ তে শেখ হাসিনা সরকার গঠন করলে বাংলাদেশ সত্যিকার সিভিল শাসন প্রত্যক্ষ করে। কিন্তু, সেনাবাহিনী তাদের পছন্দমত সরকার আনার জন্য ষড়যন্ত্র অব্যাহত রাখে। ২০০১ এ লতিফুর রহমানের কেয়ারটেকার সরকারের সময় অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সেনাবাহিনী স্পষ্টভাবে আওয়ামী লীগের বিপক্ষে কাজ করে। মাঠ পর্যায়ে সেনাবাহিনী আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীদের উপর অবর্ণনীয় নির্যাতন এবং হয়রানীমূলক কাজ করে স্থানীয়দের ধারনা দেয়ার চেষ্টা করে যে তারা বিএনপির পক্ষে। ফলে আওয়ামীলীগ নির্বাচনী প্রচারনায় পিছিয়ে পড়ে। উপজেলায় দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা অফিসাররা, সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিস থেকে ভোটারতালিকা সংগ্রহ করে, হিন্দু ভোটারদের আলাদা ডাটাবেস করে, তাদের ভয়ভীতি দেখায় এবং কেন্দ্রে আসা থেকে বিরত রাখে। এরপরও যখন দেখে আওয়ামীলীগ প্রার্থীদের বিজয় ঠেকানো যাচ্ছিলো না, তখন ডিসিদের মাধ্যমে সুষ্ঠু ভোট হয়েছে এরূপ কেন্দ্রের ফলাফল বাতিল করে পরবর্তীতে সেনা প্রহরায় নির্বাচন করে বিএনপি প্রার্থীদের বিজয়ী করা হয়। মুন্সিগঞ্জসহ বেশ কয়েকটি জেলায় এ ঘটনা ঘটে। উক্ত নির্বাচনে বিজয়ী ঘোষিত হওয়ার দশদিন পর বিএনপি সরকার গঠন করে। এ দশদিনে প্রায় ত্রিশ হাজার আওয়ামীলীগ কর্মী সমর্থক খুন করা হয়, পঞ্চাশ হাজারের অধিক নারী ধর্ষিত হয়, বিএনপি ও জামাত জ'ঙ্গিদের দ্বারা। ঐ সময় সেনাবাহিনী মাঠে মোতায়েন ছিল। সিভিল প্রশাসনের অনুরোধেও সেনাবাহিনী এ সকল ঘটনা নিয়ন্ত্রনে নিষ্ক্রিয় থাকে। পেশাদার আর 'দেশপ্রেমিক' বলে কথা।

২০০৪ এ বিএনপি সরকার র‍্যাব সৃষ্টির মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক ক্ষমতার ভাগ দেয়। ঐ সময় সেনাবাহিনীর মত একটি নিয়মিত বাহিনী দেশের নাগরিকদের উপর অবর্ণনীয় নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালায়। র‍্যাব কমান্ডারগনও স্থানীয় প্রভাবশালীদের সাথে অবৈধ সিন্ডিকেটে অংশ নেয়। এর মাধ্যমে র‍্যাব কমান্ডারগন প্রচুর অর্থ বিত্তের মালিক হয়।

ঐ সরকারের শেষে বিএনপির জনপ্রিয়তা তলানিতে ঠেকে। দুর্নীতিতে টানা ৫ বার বাংলাদেশ শীর্ষে অবস্থান করে। সেনাবাহিনী এবং পশ্চিমাদেশগুলো ও জ'ঙ্গিদের মদতদাতারা, কোনভাবেই যেনো আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসতে না পারে সে জন্য ১/১১ এর সরকার আনে। এ সরকার মূলত সেনা সরকার। এরা ক্ষমতা কুক্ষিগত করার লক্ষেই ক্ষমতা দখল করে। এ সরকারের কোড নেম ছিল “অপারেশন আলোর সন্ধানে” যার ইংরেজি “Operation Search Light”। কি; মিলাতে পারেন? ২৬শে মার্চের পা'কি বাহিনীর বাঙালি হত্যার কোড নেম ছিল “Operation Search Light”। এ সময় সেনাবিহিনী উদ্দেশ্যমূলকভাবে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উপর নির্যাতন চালায় এবং তাদের চরিত্র হননে নামে। তাদের ক্ষমতা ছাড়ার কোন ইচ্ছা ছিল না। কিন্তু, অর্থনীতির অবস্থা শোচনীয় হলে তাদের উপায় ছিল না। এ সময়ে টাস্কফোর্স এর মাধ্যমে সেনাবাহিনীর মাঠ পর্যায়ের অফিসাররা; ব্যবসায়ী, ঠিকাদার, দুর্নীতিবাজ আমলা ও রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুণ্ঠন করে। এর দালিলিক প্রমাণ আছে। ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে জোর করে নেয়া টাকার পরিমাণ এতোই বেশি ছিলো যে, ১২০০ কোটি টাকা এখনও বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা রয়েছে। ব্যবসায়ীদের মুচলেকা দিয়ে এ টাকা ফেরত নেয়ার অনুরোধ করলেও তারা মুচলেকা দিয়ে টাকা ফেরত নিতে রাজি হয়নি।

শেখ হাসিনা সরকার গঠনের পর এ মার্সেনারী বাহিনীর কোন গুণগত পরিবর্তন এর চেষ্টা করেছেন বলে দেখা যায় না। এটাই তার সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা। শেখ হাসিনা তার সরকারকে সিভিল সরকারের আদলে পরিচালনা করতে চেয়েছেন। কিন্তু, কোভিডের পর নিরাপত্তার ধুঁয়া তুলে তারা তাঁকে জনগন থেকে বিছিন্ন করে ফেলে। সচিবালয়ে নিয়মিত অফিস করা বন্ধ হয়ে যায়।

অনলাইনে রাজনৈতিক মিটিং চালুর মাধ্যমে এ জনবিছিন্নতা আরও বৃদ্ধি পায়। একটি সিভিল সরকারের জন্য বেশি প্রয়োজন দক্ষ পুলিশ বাহিনী। কিন্তু, শেখ হাসিনা সামরিক বাহিনীর বরাদ্দ অযৌক্তিকভাবে বহুগুণ বাড়ালেও পুলিশ এর বরাদ্দ সে অনুপাতে বাড়েনি। ১৮ কোটি জনসংখ্যার দেশে কমপক্ষে ০৯ লক্ষ পুলিশ দরকার, বাস্তবে তার অর্ধেকও নাই। শেখ হাসিনার শেষ ০৩ বছরে আর্মির বরাদ্দ ছিল এক লক্ষ পনের হাজার কোটি টাকা। পুলিশের বরাদ্দ এর তিন ভাগের এক ভাগ ও ছিল না। তার এ বরাদ্দ ক্যান্টনমেন্টগুলোতে জ'ঙ্গি উৎপাদনে ব্যয় হয় এক যুগ ধরে। তিনি এটা রোধ করতে পারেন নি। এটাই তার অমার্জনীয় ব্যর্থতা।

রাষ্ট্রের রেভিনিউ বাজেটের টাকায় সেনাবাহিনী পালতে হয়। এর জন্য কোন বিদেশি সাহায্য ও ঋণ পাওয়া যায় না। সেনা বাহিনীকে সিভিল সরকারের আওতায় মোতায়েন করা হলে, তারা এ সংক্রান্ত SOP মানতে বাধ্য। কিন্তু, গত আগস্টে তারা খোলাখুলি জঙ্গিদের পক্ষে লড়েছে। সেনাবাহিনীর জুনিয়র অফিসাররা জঙ্গিদের গাইড করে সরকার উচ্ছেদ করে। এটা গোপন কিছু নয়। কয়েকটি উদাহরণ দেয়া যাক। আইজি প্রিজন একজন সেনা কর্মকর্তা। নরসিংদী জেলে কেনো তিনি সকল জ'ঙ্গিকে একত্রে রেখেছেন। জেল ভেঙ্গে এ জ'ঙ্গিরা পলায়ন করার পর তিনি কি ব্যবস্থা নিয়েছেন? না; তিনি কোন ব্যবস্থা নেননি। বিজিবির সকল কমান্ড পোস্টে সেনা অফিসার। জ'ঙ্গি ইউনুস ক্ষমতা দখলের পর ০২ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ডুকে যায়। তারা কি ব্যবস্থা নিয়েছে? কোথায় তাদের পেশাদারিত্ব? তারা গোপাালগঞ্জে গুলি ছুড়ল – এর কি কোন নির্বাহী তদন্ত হয়েছে? প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন একটি Key Point Installation (KPI)। এর নিরাপত্তা বিধানের দায়িত্ব সেনাবাহিনীর। আরো স্পেসিফিক বললে পিজিআর এর। কিন্তু, তারা তা না করে জ'ঙ্গিদের কাছে তা উন্মুক্ত করে দেয়। সেনাবাহিনীর বিশ্বাসঘাতকতায় হাজার হাজার পুলিশ করুন মৃত্যুবরণ করে। আর আমরা দেখলাম মাঠ পর্যায়ের সেনা অফিসাররা জামাতের জ'ঙ্গিদের ফুল দিচ্ছে, মিষ্টি খাচ্ছে! বর্তমানে তারা দীর্ঘসময় মাঠ পর্যায়ে ম্যজিস্ট্রেসি ক্ষমতাসহ আছে। অথচ, হাজার হাজার মানুষ, যারা অনেকেই মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য প্রতিদিন খুন হচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধাদের কবরস্থান পর্যন্ত পুড়িয়ে দিচ্ছে। এতে 'দেশপ্রেমিক' সেনাবাহিনী সহায়তাই করছে। এই তালিকা অনেক লম্বা। যতদিন পরেই হোক, স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি দেশ চালাবে। পাই পাই করে হিসাব দিতে হবে। আর এ ধরনের একটি জ'ঙ্গি ও দানবীয় সেনাবাহিনীকে বাড়তে দেয়ার দায় যাদের আছে তাদের ও দেশের জনগনের কাছে জবাবদিহি করতে হবে অবশ্যই।

আরো অনেক বড় আলোচনা করা যায়। এখন আপনারা বলুন এরা কি কোনভাবে পেশাদার? এরা কি দেশপ্রেমিক? পরিবার পরিজনকে এরা কীভাবে মুখ দেখায়?

20251218

আওয়ামী লীগের ভোট কে পাবে?-----------------------------------------আওয়ামী লীগের ভোটাররা এবার কাকে ভোট দিবে? নির্বাচনের আল...
07/12/2025

আওয়ামী লীগের ভোট কে পাবে?
-----------------------------------------

আওয়ামী লীগের ভোটাররা এবার কাকে ভোট দিবে? নির্বাচনের আলোচনায় এই প্রশ্ন সাম্প্রতিককালে বাজারে ঘুরছে। এটা আসলে খুবই কঠিন প্রশ্ন। আওয়ামী লীগ নির্বাচনে আসতে পারছে না; কিন্তু আওয়ামী লীগের ভোটারদের তো ভোটাধিকার হরণ করা হয় নি! ইউনূস সরকার দয়াপরবশ হয়ে তাদেরকে ভোট দিতে দিবে। কিন্তু ভোটের মাঠে গিয়ে তারা কোন দলকে ভোট দিলে তাদের জন্য সবচেয়ে বেশি সুবিধা হয়?

আপনার রাডারে যদি এ প্রশ্ন ইতোমধ্যেই ধরা পড়ে থাকে, তাহলে নিশ্চিত আমার মতো আপনিও দ্বিধাহীনভাবে বলতে পারবেন না কাকে ভোট দিলে আওয়ামী লীগের জন্য সুবিধা হয়। প্রথমে আসি বিএনপির কথায়। ৫ই আগস্ট থেকে তৃণমূলে আওয়ামী লীগের ওপর সবচেয়ে বেশি অত্যাচার করেছে বিএনপি। তাদেরকে ভোট দেয়া মানে তৃণমূল আওয়ামী লীগের ওপর সেই অত্যাচারের মাত্রা আরো বাড়তে দেয়া। আপনি ধানের শীষে ভোট দিয়ে আসবেন, তারেক জিয়া দেশের প্রধানমন্ত্রী হবে; কিন্তু তৃণমূল বিএনপি বিশ্বাস করবে না যে, আপনি তাদেরকে ভোট দিয়েছেন। সুতরাং মামলা খাবেন, ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ হবেন, হিন্দু হলে ইন্ডিয়ায় পালাতে বাধ্য হবেন। বিএনপিকে ভোট দিয়ে আপনার কোনো লাভ নেই।

সেকেন্ড অপশন জামায়াত। জামায়াতকে ভোট দেয়ার সবচেয়ে বড়ো বাধা হলো তারা রাজাকারের জাত, যুদ্ধাপরাধীর দল। সুতরাং স্বাধীনতাকে ধারণ করা আপনার পক্ষে দাঁড়িপাল্লায় সিল মারা সম্ভব না। আর আপনার যদি রাজনীতি সম্পর্কে হালকা-পাতলা ধারণাও থাকে, তাহলে বুঝবেন, বিএনপি সরকারে বসলে উপরে বলা যে অত্যাচারগুলো করবে, জামায়াতও সেই একই অত্যাচার করবে, তবে হয়তো ১০% কেসে নিজের নামে করবে, বাকি ৯০% কেসে বিএনপিকে দিয়ে করাবে বা "দুর্বৃত্ত" পরিচয়ে করবে। এই ১০% হলো অতি উত্তেজনায় মুখ ফসকে পরিচয় বের করে ফেলা ম্যালফাংশন কেস। কয়েকদিন আগে জামায়াতের এক নেতা বললো যে, দেশের প্রশাসনকে তাদের পায়ের কাছে থেকে আদেশ পালন করতে হবে। তারপর সূর্যও তার কথায় থেমে যাবে। তারপর একটু পেছনে গেলে পাবেন, যুদ্ধাপরাধী আলী আহসান মুজাহিদ ২০০৭ সালে দম্ভোক্তি করেছিলো, এ দেশে কোনো যুদ্ধাপরাধী নেই। বাঙালি অবশ্য তার সেই দম্ভকে পেছন দিক দিয়ে ঢুকিয়ে দিয়েছে, তবুও আপনি নিশ্চিত থাকেন, এরকম ম্যালফাংশন তারা মাঝে মাঝে করবে। তাছাড়া মাঝে মাঝে নিজেদের স*ন্ত্রাসী সত্ত্বার মার্কেটিং না করলে লোকজন ভয় পাবে না। আর ক্ল্যাসিক্যাল কেস হলো, হঠাৎ কোনো কিশোরের কয়েকটি গুপ্ত চুল গঁজালে সে তা নিয়ে উত্তেজনা চেয়ে রাখতে পারে না। ৫% ভোটের একটি দল, যারা নিজ দেশ পাকিস্তানেই ইলেকশনে অংশ নিতে পারে না, তারা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীত্ব পেলে অতি উত্তেজনায় অনেক কথাই বলে ফেলবে, অনেক কাজই ম্যালফাংশন হবে। এজন্যই ওই ১০% নিজের নামে, বাকি ৯০% অত্যাচার বিএনপি ও অন্যান্য নামে করা হবে। মোদ্দাকথা জামায়াতকে ভোট দিয়েও আপনার কোনো লাভ নেই।

যেহেতু দুর্ভাগ্যক্রমে একবার আওয়ামী লীগার হয়ে গেছেন, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে সম্মান করেন, সেহেতু ইউনূসের ইলেকশনে আপনার ভোটাধিকার থাকলেও সেটি প্রয়োগের কোনো সুযোগ পাচ্ছেন না। কিন্তু গণতন্ত্রে ভোট আবার আপনার আমানত। সেটা প্রয়োগ না করলে খিয়ানত হয়ে যাবে। আপনার হাত নিশপিশ করবে, মন উশখুশ করবে, চিত্ত চঞ্চল হবে; আপনি কাকে ভোট দিবেন, এ প্রশ্নের উত্তর না খুঁজে পেয়ে হাপিত্যেশ বাড়বে। তবে মোটামুটিভাবে বলা যায়, এই যে "আওয়ামী লীগাররা কাকে ভোট দিবে?" এ প্রশ্নটি কেন বাজারে ছাড়া হলো, তার উদ্দেশ্য-বিধেয়র বিষয়টি আপনার মাথায় এখনো পরিষ্কারভাবে আসে নি।

আসুন আমরা দেখি, এ প্রশ্নটি কেন মার্কেট পেলো? প্রশ্নটি মার্কেট পাওয়ার কারণ, ইউনূসের তথাকথিত নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিতে আপনাকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করা। এই যে ডাকসু নির্বাচনের কাহিনী দেখুন। সেখানে শিবিরকে জেতানো হলো। ছাত্রদলের ৪০০০ ভোটের বিপরীতে তারা পেলো ১০০০০ ভোট। এই মেকানিজমটা করা হলো ছাত্রলীগের ছেলেদের ভোট কেটে শিবিরের বাক্সে ভরে। ছাত্রলীগ ক্যাম্পাস ছাড়া। তারা ভোট দিতে আসে নি। কারা ছাত্রলীগ করে, তা সবাই কমবেশি জানে। সুতরাং তাদের নামে ভোট যদি জালিয়াতি করা হয়, তাহলে যারা ভোট দিচ্ছে, তারা কেউ এসে কিন্তু অভিযোগ করতে পারবে না যে, তার ভোট আগেই দেয়া হয়েছে। নো হৈচৈ, এমনিতেই ফুটবে শিবিরের খই। জাতীয় নির্বাচনেও একই কাজ করা হবে।

এই হিন্টসের ব্যাপারে আরেকটু বিস্তারিত বলার আগে ভোটের হিসাব নিয়ে একটু প্রাক-আলোচনা করে আসি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি হারে ভোট কাস্ট হয়, ৮৭%। ২০১৪ সালে বিএনপি জোট ভোট বয়কট করে। ভোট কাস্ট হয় ৩৯.৫৮%। ২০১৮ সালের ভোটে বিএনপি অংশ নেয়। ভোটের দিন অবস্থা বেগতিক দেখে শেষের দিকে ভোট বয়কট করে। ভোট কাস্ট হয় ৮২.৫৮%। ২০২৪ সালের নির্বাচনে ভোটের হার ছিলো ৪১.৮%। ভোটের হারের এই হিসেবে অনেকগুলো ফ্যাক্টর কাজ করে। তার একদম চুলচেরা বিশ্লেষণে না গিয়ে মোটামুটিভাবে বলা যায়, বিএনপি-জামায়াত ভোটে না এলে ভোটকাস্টের হার ৪০%-এর বেশি হয় না। ২০১৮ সালে বেশি হওয়ার কারণ এ বছর তারা প্রথমে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলো, ভোটবর্জনের আগেই অনেক ভোট কাস্ট হয়ে গিয়েছিলো। তাছাড়া আওয়ামী লীগও বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয়ার প্যানিকে ব্যাপকহারে জাল ভোট দিয়ে নিজেদের জয় নিশ্চিত করতে চেয়েছিলো।

বিএনপি নির্বাচনে না এলে জেনুইন ভোটকাস্টের হার ৩০% থেকে বড়জোর ৪০% হবে, এর বেশি সম্ভব না। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে না এলে কী অবস্থা হয়, তার উদাহরণ ১৯৯৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারীর নির্বাচন। সেখানে ভোটের হার ছিলো ২০.৯৭%।

বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি এবং তাদের জোটের মোট ভোট প্রায় ৫৫%। তাদেরকে ভোটে অংশগ্রহণ করতে না দিলে বাকি ৪৫% থাকবে ভোটে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর ভোটার। এই ৪৫%-এর মধ্যে অবশ্যই সবাই ভোট দিতে যাবে না। ধরলাম ৮০%ই ভোট দিতে গেলো। তাহলে মোট ভোটারের অনুপাতে ভোট কাস্ট হবে = ৪৫% গুণ ৮০% = ৩৬%। এই ৩৬% এর ভাগাভাগি কেমন হবে? ৪৫%-এর মধ্যে মোটাদাগে ধরি বিএনপির ভোট আছে ৩৫%, জামায়াতের ১০% (ঐতিহাসিকভাবে জামায়াতের ভোট ৪-৫%, বাকিটা ধরলাম তারা টাকা-পয়সা দিয়ে কিনতে পারবে)। তাহলে সারাদেশের মোট ভোটারের অনুপাত হিসাব করলে (৩৬% এর মধ্যে, ৩৫:১০ অনুপাতে) -

বিএনপি পাবে ২৮% ভোট।
জামায়াত পাবে ৮% ভোট।

অর্থাৎ বিএনপিকে টেক্কা দিতে জামায়াতকে মাত্র ২১% জালভোট ম্যানেজ করতে হবে। যেখানে আওয়ামী লীগ-জাতীয় পার্টিরই ভোট না দিতে যাওয়া ভোট আছে ৫৫%, সেখানে এই ২১% ভোট জাল কাটা কোনো ব্যাপারই না। মোটাদাগে ধরি, জামায়াত পেলো জালভোটসহ ৩০% এবং বিএনপি পেলো ওই ২৮%। তাহলে মোট ভোট কাস্ট দেখাতে হয় ৫৮%।

মাত্র ৫৮% ভোট কাস্ট দেখিয়েই যদি জামায়াতকে বিজয়ী ঘোষণা করা যায়, তাহলে সেটা নিয়ে খুব বেশি প্রশ্নও উঠবে না। আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে ভোট কাস্ট ৮০% দেখালে সমস্যা হতো, প্রশ্ন উঠতো; কিন্তু ৫৮%-এ সে প্রশ্ন জোরালোভাবে উঠবে না। হালকাভাবে উঠলে তখন বলা হবে, আওয়ামী লীগের ভোটারদের এক অংশ জামায়াতকে ভোট দিয়েছে! এই কথাটা যাতে বলা যায়, এজন্যই আগেভাগে এই প্রশ্ন বাজারে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। মানুষ মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকবে যে, আওয়ামী লীগের সবাই না হলেও অনেকেই ভোট দিতে যাবে এবং তারাই জামায়াতকে ভোট দিয়েছে!

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বিএনপিই যথারীতি একে সার্টিফাই করতে এগিয়ে আসবে। ডাকসুতে যেটা হয়েছে, বিএনপি ভোট জালিয়াতির ওপর দোষ না চাপিয়ে দোষ চাপিয়েছে ছাত্রলীগের ওপর। ছাত্রলীগ যেখানে ক্যাম্পাসে ঢুকতে পারে না, সেখানে তারা নাকি শিবিরকে ভোট দিয়েছে! জাতীয় নির্বাচনের পরও সালাউদ্দিন, মির্জা ফখরুলরা এসে সব দোষ চাপাবে আওয়ামী লীগারদের ওপর। আওয়ামী লীগাররা যে ভোট দিতে যায় নাই, জামায়াত যে প্রশাসনের মাধ্যমে জালিয়াতি করে ইলেকশন জিতেছে, সেটা তারা একবারও মুখে আনবে না।

অবশ্য তারা কি সত্যটা জানে না? জানে। কিন্তু বিএনপি নিজেই চায় না সরকারে বসতে। ইলেকশন হারলে তারেক জিয়াকে দেশে ফেরার ঝুঁকি নিতে হয় না। চাঁদাবাজি আর মনোনয়ন বাণিজ্য করে যদি বিনাকর্মে লন্ডনে রাজকীয় জীবনযাপন করা যায়, তাহলে কে আর দেশে এসে প্রধানমন্ত্রী হতে চায়! আর তারেক জিয়া বর্তমান থাকতে মির্জা ফখরুলের পক্ষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া সম্ভব নয়।

20251217

07/12/2025

চরমপত্র ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

20251216




ক্যামেরা নিয়ে অপারেশন থিয়েটারে স্বাস্থ্যের  #জামাতি ডিজির ফটোসেশন! ক্যাজুয়ালিটি বিভাগের সীমাবদ্ধতা, জনবল সংকট এবং অতিরিক...
06/12/2025

ক্যামেরা নিয়ে অপারেশন থিয়েটারে স্বাস্থ্যের #জামাতি ডিজির ফটোসেশন!

ক্যাজুয়ালিটি বিভাগের সীমাবদ্ধতা, জনবল সংকট এবং অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের চাপের কথা বলায় চিকিৎসক বহিস্কার।

"আমাকে সাসপেন্ড করেন, নো প্রবলেম": ডাক্তার বর্মণ

20251215

06/12/2025

চরমপত্র ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

20251214




বাংলাদেশ থেকে বিগত ৯০ দিনে যে ১২ টি পেইজ ডলার খরচ করে বুস্ট করা হয়েছে তার মাঝে ১ম স্থানে আছে ঢাকা ১৭ আসনের জামাতের প্রার...
05/12/2025

বাংলাদেশ থেকে বিগত ৯০ দিনে যে ১২ টি পেইজ ডলার খরচ করে বুস্ট করা হয়েছে তার মাঝে ১ম স্থানে আছে ঢাকা ১৭ আসনের জামাতের প্রার্থী খালিদুজ্জামান। এরপর বাকি যে পেইজগুলো তাদের বেশিরভাগ লিঙ্গ মোটাতাজা করা, সহবাসের সময় বৃদ্ধি, নিস্তেজ ধন দাঁড়া করানো ইত্যাদি ভেষজ ঔষধ বিক্রির অশ্লীল বিজ্ঞাপন। সাথে আছে, জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, তারেক রহমান এবং বিএনপির মিডিয়া সেল। এই ১২ টি পেইজ ১৫ লাখ থেকে আড়াই লাখ টাকার বুস্ট করেছে। কাকতালীয়ভাবে বুস্টিং লিস্টে প্রথমে অবস্থান করা এই সব পেইজ একই ক্যাটাগরির এবং অভিন্ন উদ্দেশ্যে পরিচালিত, যা হচ্ছে প্রতারণার মাধ্যমে মানুষকে ধোঁকা দিয়ে অর্থ-সম্পদ / ক্ষমতা হাতিয়ে নেয়া।

জামাতের এক প্রার্থী মাসে গড়ে ৬ লাখ টাকা বুস্ট করছে। নির্বাচন কমিশন, দুদক, এনবিআর এখানে নিরব। তারা ব্যস্ত আছে, কোথায় কার ৯ বছরে সম্পদ বেড়েছে ৭ লাখ টাকা সেই হিসাব মিলাতে! দারুণ #সংস্কার হচ্ছে!

20251213

খাবার দিচ্ছি বন্ধ করে, দেখি কেমনে চাকরি করে!!শেখ হাসিনার সরকার কর্মজীবী নারীদের সন্তানদের (০৬ মাস হতে ০৬ বছর পর্যন্ত) দে...
05/12/2025

খাবার দিচ্ছি বন্ধ করে, দেখি কেমনে চাকরি করে!!

শেখ হাসিনার সরকার কর্মজীবী নারীদের সন্তানদের (০৬ মাস হতে ০৬ বছর পর্যন্ত) দেখভালের জন্য জেলায় জেলায় রাজস্ব খাতভুক্ত মোট ৪৩ টি ডে কেয়ার সেন্টার স্থাপন ও পরিচালনা করেছিলো। এছাড়াও পৃথক আরো ২০ টি ডে কেয়ার সেন্টার বিগত সরকারের উদ্যোগে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এর অধীনে চালু ছিলো।

পূর্বে চালু হওয়া গার্মেন্টস ও কারখানার নারী শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য ডে-কেয়ার সেন্টার কর্মসুচি এবং ‘‘জাতীয় মহিলা সংস্থা কমপ্লেক্স’’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় আরও প্রায় (১৫+২০) ৩৫ টি ডে-কেয়ার সেন্টার চালু ছিলো।

এসব ডে-কেয়ার সেন্টারে বাচ্চাদের দেখভালের পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার প্রদান করা হতো। অর্থ্যাৎ, কর্মজীবী নারীরা নিশ্চিন্তে তাদের বাচ্চাদের ডে-কেয়ার সেন্টারে রেখে কাজে যেতে পারতেন। বর্তমান অবৈধ সরকার, বাজেট নেই বলে গত সপ্তাহ থেকে সেন্টারগুলোর খাদ্য সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে। প্রায় এক বছর থেকে বিল বকেয়া পড়ায় ভেন্ডররাও আর খাদ্য সরবরাহ করতে পারছে না। এই বিষয়টা আপনার একবার চিন্তা করতে পারেন, শিশুদের প্রতি কী পরিমাণ নিষ্ঠুর এবং অমানবিক এরা হতে পারে!

এর মূল উদ্দেশ্যে হচ্ছে, নারীরা যেনো কর্মক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার শিকার হয়। যাদের সন্তানের বয়স ০৬ বছরের নিচে তারা যেনো চাকরী থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয় এটাই হচ্ছে এই মৌলবাদী সরকারের মূল উদ্দেশ্য। একদিকে যেমন বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী দল জামায়াত ই ইসলামী নারীদের ঘরে বন্দি করতে প্রচারণা চালাচ্ছে, ঘরে থাকলে ভাতা দেয়া হবে বলছে। অন্যদিকে, বর্তমানে কর্মরতদের জন্য তাদের কর্মস্থলকে দূরহ করে তুলছে। মহিলা কর্মী নিতে কোম্পানিগুলোকে নিরুৎসাহী করার জন্য একই বেতনে মহিলাদের কর্মঘন্টা কমিয়ে দেয়া হবে বলছে। এরও উদ্দেশ্যে যেনো নারীরা কর্মজীবী না হতে পারে, তারা যেনো চাকরির বাজারে তুমুল প্রতিযোগীতায় পড়ে।

বাংলাদেশকে যারা আফগানিস্তান, ভুখা-নাঙ্গা পা'কিস্তান বানাতে চায় তাদের কবলে পড়েছে দেশ। আপনারাই ভেবে দেখেন, কেমন বাংলাদেশ আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছে।

20251212

05/12/2025

আপনারা দেখছেন, 15 minutes with A-Team

আমাদের আজকের অতিথি- Sasim GC Barua,
Secretary Bangladesh Minority Alliance

https://www.facebook.com/sasim.barua/

সঞ্চালনায় - অমি রহমান পিয়াল

20251211

দেখা হচ্ছে, 15 minutes with A-Team এ- বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১০ টায়।আমাদের আজকের অতিথি-  Sasim GC Barua,Secretary Banglades...
05/12/2025

দেখা হচ্ছে, 15 minutes with A-Team এ- বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১০ টায়।

আমাদের আজকের অতিথি- Sasim GC Barua,
Secretary Bangladesh Minority Alliance

https://www.facebook.com/sasim.barua/

সঞ্চালনায় - অমি রহমান পিয়াল

20251210

05/12/2025

চরমপত্র ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

20251209




05/12/2025

গতকাল অবস্থার #অবনতি হয়েছিলো। মুমূর্ষু #খালেদা জিয়া বা তার উড়োজাহাজ কোনটারই ফিটনেস ঠিক নেই, তাই যাত্রা বিলম্ব হচ্ছে। - জানালেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

20251208

04/12/2025

চরমপত্র ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

20251207




Address

1 TAYLOR Place LONDON ENGLAND London
London
E32FX

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ATeam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ATeam:

Share