Aamrays Talkies FILM Production

Aamrays Talkies FILM Production The Official page for ATFP

16/07/2026

মিলেট আমাদের প্রাচীন ভারতের একটা শক্তিশালী আহার তো সেগুলোকে ফিরিয়ে আনা উচিত এবং যেখানে বৃষ্টি কম হয় সেই সব জেলায় বিশেষ করে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর মিলেট চাষকে বাড়ানো উচিত এবং মানুষের মধ্যেও প্রচার করা উচিত । গম চাষের জন্য জল বেশি লাগে, মনে রাখবেন জল খরচ কমাতে হবে আমাদের যেভাবে জল সংকট দেখা দিচ্ছে। গম খুব তাড়াতাড়ি শরীরে গ্লুকোজ কে বাড়িয়ে সুগার তারা যদি গমের আটার রুটি,খায় তাহলে তাদের সুগার আরো বেশি বাড়বে এমন কি বেশি গমের ব্যবহার যারা করে তাদের সুগার হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায় ।কিন্তু মিলেট খুব ধীরে ধীরে গ্লুকোজ ছাড়ে এবং বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মিলেটের ব্যবহার করা উচিত গরমের সময় জোয়ার শীতকালে বাজরা। টাইপ টু সুগারকে প্রিভেন্ট করে এবং কন্ট্রোল ও করে মিলেট গড ব্যাকটেরিয়ার স্বাস্থ্য ভালো থাকে এটা একটা প্রিবায়োটিক। ৭ থেকে ১২% প্রোটিন ১৫ থেকে ২০ পার্সেন্ট ফাইবার যেটা শরীরের জন্য খুব প্রয়োজন ৬৫ থেকে ৭৫ কার্বোহাইডেট। এর মধ্যেই ঘোরাফেরা করে বিভিন্ন যে মিলেট আছে জোয়ার-বাজারে রাগী ।

16/07/2026
নারীর স্বভাবের ১০ টি নিষিদ্ধ সত্য, যা শেখানো হয়নিমহিলা মনোবিজ্ঞানসত্য কখনো মিষ্টি হয় না। সত্য সবসময় একটু কর্কশ লাগে। আর ...
12/07/2026

নারীর স্বভাবের ১০ টি নিষিদ্ধ সত্য, যা শেখানো হয়নি

মহিলা মনোবিজ্ঞান
সত্য কখনো মিষ্টি হয় না। সত্য সবসময় একটু কর্কশ লাগে। আর যখন প্রশ্ন ওঠে নারী স্বভাবের তখন এই কর্কশতা আরো গভীর হয়ে যায়। ফ্রেডরিক নিচ বলেছিলেন মহিলাদের বিষয়ে সবকিছুই একটি ধাঁধা এবং মহিলাদের সবকিছুরই একটাই সমাধান আছে। এটিকে বলা হয় প্রেগনেন্সি। কিন্তু আসলে তার কথার নিচে লুকানো ছিল একটি গভীর সতর্কবাণী। একটি সতর্কবাণী যা আজও ঠিক ততটাই সত্য। আজ আমি তোমাকে বলব

নারী স্বভাবের 10টি কালো সত্য।
এমন সত্য যা তুমি বইয়ে কখনো পড়নি। এমন সত্য যা সমাজ কখনো মেনে নেবে না। কিন্তু যদি তুমি এগুলো জানো তাহলে তোমার চোখ থেকে সেই পর্দা ছুটে যাবে যা অধিকাংশ পুরুষকে অন্ধ করে রাখে। চলো তাহলে শুরু করি।

প্রথম সত্য।
নারীর প্রথম অস্ত্র আকর্ষণ। নারীর কাছে অস্ত্র থাকে না। তার কাছে শক্তি নেই। কিন্তু তার আছে সবচেয়ে বিষাক্ত শক্তি তার আকর্ষণ। ফ্রিডেরিক নিট সে বলেছেন, নারীর শক্তি লুকিয়ে থাকে তার আকর্ষণ ও সূক্ষ আচরণের মধ্যে। একজন নারীর হাসি, চোখের নরম দৃষ্টি বা তার কোমল স্পর্শ এই ছোট ছোট ইঙ্গিতি মুহূর্তে একজন পুরুষের কঠোর মানসিকতা নরম করে দিতে পারে। তুমি যতই ভাবো তুমি যুক্তিবাদী, স্থির এবং বুদ্ধিমান। নারীর আকর্ষণ সবসময় সেই যুক্তি ও লজিকের উপর নিঃশব্দে জয় পায়। কারণ এটাই তার প্রথম প্রাকৃতিক
এবং সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র তার মোহ।

দ্বিতীয় সত্য।
নারী নিরাপত্তা চায় ভালোবাসা নয়। বেশিরভাগ পুরুষ মনে করেন নারীরা ভালোবাসা চায় কিন্তু বাস্তবতা
হচ্ছে নারীরা নিরাপত্তা চায়। ফ্রেডেরিক নিচ লিখেছিলেন মানুষ যুদ্ধের জন্য তৈরি। নারী পুনর্নির্মাণের জন্য। এখানে নিজেকে নিরাপদ রাখাই নারীর প্রকৃত স্বভাব। সে দেখে কে তাকে স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা এবং শক্তি দিতে পারে। ভালোবাসা তার কাছে কেবল একটি পথ। আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে নিরাপত্তা।

এইজন্য নারী প্রায়শই সেই পুরুষটিকেই বেছে নেয় যিনি সবচেয়ে নিরাপদ ও শক্তিশালী মনে হয়। তাকে না যে পুরুষ তাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে।

তৃতীয় সত্য।
নারীর জন্য পুরুষ একটি মাধ্যম। এই কথা শুনে তোমাকে কষ্ট লাগতে পারে। কিন্তু এটি করা বাস্তবতা। একজন নারীর কাছে পুরুষ কখনোই উদ্দেশ্য হয় না। সে পুরুষকে প্রায়ই একটি মাধ্যম হিসেবে দেখে। কখনো নিরাপত্তার জন্য, কখনো সামাজিক মর্যাদার জন্য, কখনো নিজের ইচ্ছা পূরণের জন্য। ফ্রেডরিক নিচে বলেছেন, নারীর সবকিছুই একটি ধাঁধা এবং নারীর সবকিছুরই এক সমাধান আছে। তা হলো পুরুষ। অর্থাৎ নারীর খেলা পুরুষকে ঘিরেই ঘরে। কিন্তু এখানে কৌশল হলো পুরুষ ভেবে বসে যে সে কেন্দ্র। বাস্তবে সে শুধু একটি মাধ্যম। ভাবো অনেক নারী এমন পুরুষের সঙ্গে বিয়ে

করে যাকে তারা সত্যি ভালোবাসে না, কেন করে। কারণ সেই পুরুষের থেকে তাদের কিছু পাওয়ার কারণ থাকে। কখনো সামাজিক সম্মান, কখনো আর্থিক নিরাপত্তা, কখনো পরিবার গঠনের সুযোগ, আর যখন সেটা পূরণ হয়। প্রায়শই নারীর প্রবণতা বদলে যায়। তখন পুরুষ হতবাগ হয়ে যায়। আমি সব করেছি তারপরও সে সুখী নয়। কেন আসলে সে কখনোই তোমাকে উদ্দেশ্য ধরে চলেনি। সে তোমাকে শুধু একটি মাধ্যম ধরেই চলেছে। এই কারণে পুরুষ বারবার হৃদয় ভাঙ্গার অভিযোগ করে। কারণ তারা নারীকে উদ্দেশ্য ধরে নিয়েছিল। অথচ নারী তাকে কেবল মাধ্যম মনে করেছে।
যদি তুমি এটা বুঝে যাও কখনো ভুল প্রত্যাশা করবে না।

চতুর্থ সত্য
নারীর নিষ্ঠা সবসময় শর্ত সাপেক্ষ। পুরুষরা প্রায়ই মনে করে যদি তারা কোন নারীর প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা দেখায়। তাহলে সেই নারী সারাজীবন তাদের পাশে থাকবে। কিন্তু এটাই সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা। কারণ নারীর নিষ্ঠা কখনোই একতরফা বা নিঃশর্ত নয়। তা নির্ভর করে মূল্যবোধ, নিরাপত্তা, সম্মান, আবেগীয় সংযোগ এবং ভবিষ্যতের স্থিতির উপর। সে ততক্ষণ বিশ্বস্ত থাকে। যতক্ষণ

সে তোমার থেকে কিছু পাচ্ছে। সেটা হতে পারে টাকা, সেটা হতে পারে নিরাপত্তা বা সামাজিক সম্মান এবং মর্যাদা। ঠিক যেই মুহূর্তে তার মনে হয় যে এসব এখন তার থেকে কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। তখন তার বিশ্বস্ততাও হালকা হতে থাকে।

তুমি দেখেছো কতজন নারী সম্পর্কের ভিতরে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত। যতক্ষণ পুরুষ শক্তিশালী উপার্জনশীল, এবং তাদের সহায়তা করে, কিন্তু যখনই পুরুষ পড়ে যায় প্রায়শই সেই নারীরা প্রথমেই চলে যায় এটা তিক্ত সত্য। নারীর বিশ্বস্ততা স্থায়ী নয়, বরং শর্ত সাপেক্ষ। এবং এই শর্তগুলোর নাম ফায়দা নিরাপত্তা এবং স্থিরতা। তাই যদি তুমি মনে করো যে নারী কেবল তোমার ভালোবাসার জন্য চিরকাল থাকবে। তাহলে সেটা একটা বিপদজনক ভুল। নারী বিশ্বস্ত কিন্তু শুধুমাত্র যতক্ষণ তার চাহিদাগুলো পূরণ হচ্ছে।

সত্য পাঁচ
নারী শক্তির সঙ্গে যুক্ত হতে চায়। নারী নিজে থেকে শক্তি হতে পারে না। সে যুদ্ধ লড়তে পারে না। সাম্রাজ্য গড়তে পারে না। কিন্তু তার সবচেয়ে গভীর প্রবণতা হলো শক্তির
সঙ্গে জুড়ে যাওয়া। ইতিহাসে প্রতিটি রাজপ্রাসাদে রানী এবং স্ত্রীরা সেই রাজা, বা শাসকের চারপাশেই ছিল। যার হাতে তরবারি ও মুকুট ছিল। সাধারণ বা দুর্বল পুরুষ তাদের জন্য অদৃশ্য হয়ে যেত। এটা শুধু ইতিহাস নয় আজও সত্য। আধুনিক জগতে

শক্তি মানে টাকা, প্রভাব, এবং আত্মবিশ্বাস। নারী তার দিকে আকৃষ্ট হয় যার কর্তৃত্ব আছে। যার কাছে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আছে। দুর্বল পুরুষ নারীর চোখে অস্তিত্বহীন হয়ে পড়ে। সে বলবে যে তাকে ভালো হৃদয় ও ভালোবাসা দরকার। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তার মন সেই পুরুষের প্রতি টিকে থাকে যে বিশ্বে নিজের আধিপত্য গড়ে তুলতে পারে। তাই মনে রেখো যদি তুমি জীবনে শক্তিশালী না হও। যদি তোমার কাছে নিয়ন্ত্রণ না থাকে। তাহলে নারী তোমাকে কখনোই সত্যিকারের অর্থে ভালোবাসবে না। সে কেবল শক্তির পাশে দাঁড়ায় এটাই তার স্বভাব।

সত্য ছয়
নারী নির্দোষতার মুখোষ পরিধান করে নারী কখনোই সরাসরি তার আসল উদ্দেশ্য বলে না। সে সবসময় নির্দোষতার একটি মুখোষ পড়ে। যাতে পুরুষ বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। নিট বলেছেন নারী

শেখে ভালোবাসার ভেতরেই বিদ্বেষ করতে। ধীরে ধীরে সে ভুলতে থাকে কিভাবে নিখাতভাবে ভালোবাসতে হয়। অর্থাৎ যতক্ষণ নারী নির্দোষতা ও আকর্ষণের মুখোষ ধরে রাখে সে সহজে পুরুষকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এবং যখন সেই মুখোষ পড়ে যায়। তখন তার আসল চেহারা প্রকাশ পায়।

সত্য সাত।
নারী কখনো তৃপ্ত হয় না। এটা সম্ভবত সবচেয়ে করা কথা। নারী পুরোপুরি কখনোই সন্তুষ্ট হয় না। সে সবসময় চায় বেশি আরো চায়। নিট সে বলেছিলেন, প্রেম ও প্রতিশোধে নারী পুরুষের তুলনায় বেশি পরাক্রমশালী। অর্থাৎ নারীর স্বভাব সবসময় বিক্ষিপ্ত।

সবসময় লালায়িত এবং সবসময় অতিরিক্ত। সে কখনোই থামে না। না সম্পর্কে, না ইচ্ছায়, না প্রত্যাশায়।

সত্য আট।
নারীরা আবেগ নিয়ে খেলায় নিপুণ। পুরুষ প্রায়শই যুক্তি নিয়ে কাজ করে। কিন্তু নারী সবসময় আবেগের খেলা খেলতে জানে। সে জানে সরাসরি যুক্তি দিয়ে পুরুষকে পরাজিত করা যায় না। তাই সে আবেগকে অস্ত্র বানায়। অপরাধবোধ, কাঁদা, নীরবতা, অভিযোগ এসব তার সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র। নিট সে বলেছিলেন, যখন একজন নারীর

মনোবৃত্তি বিশ্লেষণ হয়, প্রায়শই তার আবেগে কিছু ত্রুতি ধরা পড়ে। অর্থাৎ তার আসল শক্তি আবেগকে মোড়ানোর ক্ষমতাতেই লুকিয়ে আছে। এবং এই কারণেই পুরুষ প্রায়ই জালে পড়ে যায়।

ট্রুথ নাইন।
নারী প্রতিযোগিতায় নির্মম। তুমি ভাবো নারী দয়ালু। কিন্তু সত্য হলো একজন নারী অন্য নারীদের সঙ্গেই সবচেয়ে কঠোর হয়। তার কাছে প্রেমের চেয়ে বড় যুদ্ধ হলো অন্য নারীদের পিছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়া।

এজন্যই সে সুন্দর দেখাতে, নজর কাটতে, প্রতিযোগিতায় জিততে সকল সম্ভব কৌশল ব্যবহার করে। সে কখনো প্রকাশ্যে লড়াই করবে না। বরং আড়াল থেকে আঘাত করবে। এটাই তার কৌশল। আর এটাই তার প্রকৃত খেলা। সত্যের শীর্ষে দাঁড়ানো এই বাস্তবতা হলো নারী কখনো তোমাকে পুরোপুরি নিজের করে নিতে দেবে না। নিট সে বলেছিলেন, তুমি কি কোন নারীর কাছে যাচ্ছ? তোমার সঙ্গে চাবুক নিতে ভুলে যেও না। কথাটি শুনতে কঠোর লাগলেও এর অর্থ নারীকে অত্যাচার করা নয়। এর আসল সতর্ক বার্তা হলো যদি তুমি তাকে সম্পূর্ণ

নিয়ন্ত্রণ করতে দাও। সে একসময় তোমাকে নিজের দাসে পরিণত করবে। নারী সবসময় চাইবে
পুরুষ তার চারপাশে ঘুরে বেড়াক। কিন্তু যদি পুরুষ নিজেকে তার কেন্দ্রবিন্দু বানিয়ে ফেলে তবে সে তাকে কখনোই সম্পূর্ণভাবে নিজের করে নেবে না।

এটাই শেষ সত্য।
নারী তোমাকে সবসময় কিছুটা অসম্পূর্ণ অবস্থায় চাইবে। যাতে তোমাকে নিয়ন্ত্রণ করতে
পারে। এখন তুমি ভাবছো তাহলে কি নারীরা খারাপ? না। এটি তাদের স্বভাবের সত্য। সমস্যা হলো পুরুষ এই সত্যগুলো দেখতে চায় না। সে মিষ্টি মিথ্যার ভেতরেই বাঁচতে চায়। কিন্তু যদি তুমি সত্যকে দেখতে পারো তুমি মুক্ত হয়ে যাবে।

কারণ শক্তি শুরু হয় সেই স্থান থেকে। যেখানে ভ্রম ভেঙে যায়। আর আজ তোমার সেই ভ্রম ভেঙে গেছে। মনে রেখো নারীকে বোঝা তোমার উদ্দেশ্য নয়। তোমার উদ্দেশ্য হওয়া উচিত নিজেকে এতটাই শক্তিশালী করে তোলা যেন কোন খেলা, কোন প্রতারণা, কোন বিভ্রম তোমাকে নিচে নামাতে না পারে। নিট সে বলেছিলেন, বিকাম হু ইউ আর। আর এটাই তোমার সবচেয়ে বড় কাজ। নিজেকে চিনো, নিজেকে শক্ত করো এবং নিজেকে এত উঁচুতে তুলো যে কেউ তোমাকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে। জীবন সম্পর্কে এইরকম শক্তিশালী

(Collected)

10/07/2026

*An 83-year-old elderly woman, lying on the bed, said to her 87-year-old elderly husbandf:*
*"Listen.....I just looked out the window and thought the garage light was on. Will you go and turn off the garage light ?"*

*The old man got up from the bed with great difficulty, opened a window and saw five or six thieves trying to break into his garage door.*

*The elder called the nearest police station from there:*
*"Look......write my address. We're the only two elderly husband and wife at home. Right now five or six burglars are breaking into our garage door. Send a police team quickly."*

*From the other side came the dispatcher's voice:*
*"We've written your address. We don't have any free teams right now. As soon as we get in touch with a team, I'll send them to your home."*

*Hearing this, the elders were disappointed but on the other hand, thieves were still engaged in breaking the lock of the garage.*

*Two minutes later, the elder again called the police station:*
*"Listen.....there's no need to send anyone now. I've shot all five thieves."*

*There was panic on the other side of the line.*

*Within five minutes, a police team, along with a helicopter, a paramedic, three doctors and two ambulances, reached the old man's house.*

*The 5 thieves were soon overpowered and arrested.*

*Later the in-charge of the police team reached the elder and said:*
*"You said that you shot those five thieves, but we caught them alive ?"*

*The old man replied:*
*"And you also said that none of your teams were free."*

*Don't underestimate Senior Citizens !*

Upcoming shooting sight in London bridge
08/07/2026

Upcoming shooting sight in London bridge

বাংলার বিদ্রোহী কবি তখন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত। ঘরে স্ত্রী পক্ষাঘাতে পঙ্গু। কবি গলা পর্যন্ত ঋণে ডুবে রয়েছেন। আদালতের নির্দেশ...
07/07/2026

বাংলার বিদ্রোহী কবি তখন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত। ঘরে স্ত্রী পক্ষাঘাতে পঙ্গু। কবি গলা পর্যন্ত ঋণে ডুবে রয়েছেন। আদালতের নির্দেশে প্রতিমাসে এজলাসে দাঁড়িয়ে বাংলার বিদ্রোহী কবিকে মাথা নীচু করে সত্তর টাকা জমা করে আসতে হয়। এরমধ্যেই আচমকা অসুস্থ হতে শুরু করলেন কবি নিজেও। কথা বলতে জিভ জড়িয়ে যায়, লিখতে গেলে হাত কাঁপে। মাঝেমাঝেই এলোমেলো আচরণ করেন। সুসময়ের বন্ধু-অনুরাগীরা, সব একে একে সরে পড়তে থাকলেন। তখন কবির দুঃসময়ের এক সঙ্গী সুফি জুলফিকার হায়দর দেখা করতে গেলেন ওইসময়ের বাংলার মন্ত্রীসভার অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে। অর্থমন্ত্রী মিটিং এ ছিলেন। কিন্তু হায়দরসাহেবকে দেখে বললেন, আপনার কথা আগে শুনি, কবির কী হয়েছে বলুন?
সব শুনলেন, শুনে বললেন কী সর্বনাশ বাংলার এত বড় কবির এই অবস্থা! এমনটা হতে পারে না। আমি নিজে কবিকে দেখতে যাব এখনই। সেদিন বিকেলে ইউনিভার্সিটিতে তাঁরই পিতৃদেবের স্মরণসভা ছিল, তিনি সভাপতি, কিন্তু নিজের পিতৃদেবের সভায় না গিয়ে তিনি হায়দরসাহেবের সঙ্গে গেলেন কবির বাড়িতে। সুফি জুলফিকার স্মৃতিকথায় লিখছেন, ডক্টর মুখার্জির ভারি শরীর, এদিকে দোতলায় ওঠার সিঁড়িটা এতই খাড়া আর সরু আমি ভেবেছিলাম উনি মনে হয় উঠতেই পারবেন না। কিন্তু ডক্টর মুখার্জী ধীরে ধীরে উঠলেন। উঠে হাঁফাতে থাকলেন। দেখা করলেন কবির সঙ্গে। কবি তখন কথা বলতে পারলেন না, ট্যারাব্যাঁকা অক্ষরে লিখে নিজের সমস্যার কথা জানালেন অসংলগ্ন বাক্যে। সেখানে তিনি লিখেছিলেন মধুপুরে চেঞ্জে যেতে চাই, অন্তত হাজারখানেক টাকা যদি ব্যবস্থা করে দেন। যিনি নিয়ে যাবেন তিনি বললেন আজ রাতেই ট্রেন। অর্থমন্ত্রী বললেন এত টাকা আমার কাছে নেই, বিকেল পাঁচটা বেজে গেছে ব্যাঙ্কও বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু তাই বলে কবি যাবেন না? এ হতে পারে না। তারপর? তিনি নিজে ভবানীপুরে গিয়ে নিজের পরিচিত গুটিকয় গহনার দোকান থেকে পাঁচশোটাকা কর্জ করে কবির যাওয়ার ব্যবস্থা করেদিলেন।
শুধু তাই নয়, কবির আর্থিক সহায়তা ও চিকিৎসার জন্য একটি কমিটি গঠন করলেন তিনি। সেই কমিটিতে দেখা গেল একজন বাদে সকলেই হিন্দু। তিনি বললেন এটা ঠিক নয়, একপেশে মনে হচ্ছে। নিজে ফোন করে আরও দুজন বিশিষ্ট মুসলমান ব্যক্তিকে সেই কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করলেন। কবির জন্য প্রতিমাসে দু’শোটাকা ভাতার ব্যবস্থা করলেন। এবং সেই টাকা নিজে প্রতিমাসে সংগ্রহের ব্যবস্থা করতেন। মজার ব্যাপার হল সেই কমিটিতে যারা ছিলেন তাদের মধ্যে একমাত্র তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায় আর সজনীকান্ত দাস ছাড়া বাকি সকলেই অচেনা, বা অল্প পরিচিত। কোথায় কবির দিকপাল নামি কবি-সাহিত্যিক-গায়ক গায়িকা-সম্পাদক প্রকাশক বন্ধুরা?
সুফি জুলফিকার হায়দর তাঁর স্মৃতিচারণায় এই কথা স্পষ্টভাবে লিখেছেন কবির দুঃসময়ে সকলে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল, মুখ ফেরাননি তিনি, নিজের পিতৃদেবের স্মরণসভায় না গিয়ে কবিকে সাহায্য করার জন্য ছুটে গিয়েছিলেন। তিনি কবির সুসময়ের নয়, দুঃসময়ের বন্ধু। তিনি বাংলার বাঘ আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের পুত্র ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়।

Address

140 Edgware Road, Hyde Park
London
W22RD

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Aamrays Talkies FILM Production posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share