Hi5 Fahim

Hi5 Fahim সবচেয়ে ভাগ্যবান ব্যক্তি সে নয় যার অঢেল সম্পদ ও ক্ষমতা আছে, বরং সে যে দ্রুত অনুতপ্ত হয়, প্রায়শই ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং তার সমস্ত পাপের জন্য অনুতপ্ত হয়!

এটা আমার অফিসিয়াল পেজ যেখানে যে কেউ আমাকে ফলো করতে পারেন। অনেকেই আছেন আমাকে আইডিতে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠান কিন্তু সেটা আমি একসেপ্ট করতে পারি না। তাই এখানে খুব সহজে আমার সাথে যোগাযোগ রাখতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। এবং অন্যদিকে আমি চেষ্টা করব এই পেইজে আমার দৈনন্দিন জীবনের আশেপাশে ঘটে যাওয়া নানা রকমের ছোট বড় মজার কিংবা গুরুত্বপুর্ন বিষয় তুলে ধরতে। আমার চোখে দেখা দুনিয়াটাকে তুলে ধরবে আমার এই পেইজের মা

ধ্যমে আপনাদের সামনে।

This is my official page where anyone can follow me. Many people send friend request to my ID but I can't accept it. So you can easily contact me here, inshallah. And on the other hand, I will try to highlight various small and big funny or important things that happen around my daily life on this page. I will present the world in my eyes to you through this page.

ভাবুন, আজকের ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতায় যদি কোনো বড় রাজনৈতিক নেতৃত্বকে শক্তিশালী সামরিক শক্তির মুখোমুখি হতে হয়—তখন সাধারণ মান...
04/01/2026

ভাবুন, আজকের ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতায় যদি কোনো বড় রাজনৈতিক নেতৃত্বকে শক্তিশালী সামরিক শক্তির মুখোমুখি হতে হয়—তখন সাধারণ মানুষের করার মতো কার্যকর কিছুই থাকে না। বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা এমন এক জায়গায় পৌঁছেছে, যেখানে শক্তির ভারসাম্যই শেষ কথা।

ইতিহাসের কিছু সিদ্ধান্ত আমাদের আজ এমন এক অবস্থানে এনে দাঁড় করিয়েছে, যেখানে আমরা বারবার পরনির্ভরশীল হয়ে পড়ছি। একসময় এই অঞ্চল অর্থনৈতিক ও কৌশলগতভাবে অনেক শক্তিশালী অবস্থানে থাকতে পারত, কিন্তু ভুল রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা ও অস্থিতিশীলতার কারণে সেই সম্ভাবনা নষ্ট হয়েছে।

আজকের বাস্তবতা হলো—বিশ্ব রাজনীতি অত্যন্ত জটিল। এখানে নৈতিকতা নয়, শক্তিই অনেক সময় সিদ্ধান্ত নেয়। এই প্রেক্ষাপটে আমাদের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব ও ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে গভীরভাবে ভাবতে হবে।

কেবল আবেগ নয়—বাস্তবতা, কৌশল এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাই পারে আমাদের টিকে থাকার পথ দেখাতে।

তসলিমা নাসরিনকে (ধর্ম বিদ্বেষী নারী) নির্বাসিত কে করছে, জানেন? হ্যাঁ এটাই সেই খালেদা, যে কলিকাতার ব্রাহ্মণবাদী আর পশ্চিম...
30/12/2025

তসলিমা নাসরিনকে (ধর্ম বিদ্বেষী নারী) নির্বাসিত কে করছে, জানেন?

হ্যাঁ এটাই সেই খালেদা, যে কলিকাতার ব্রাহ্মণবাদী আর পশ্চিমা এনজিওবাদীদের প্রবল আপত্ত্বি সত্ত্বেও সংবিধানে 'বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম' এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থার ধারাটিকে সমুন্নত রাখতে এক বিন্দু আপস করেন নাই।

সেই সাহসী শাসক, যিনি কট্টর ধ'র্ম'বি'দ্বে'ষী তসলিমা নাসরিনকে তার গাট্টিগোট্টা নিয়া এদেশের পবিত্র মাটি ছাড়তে বাধ্য করেছিলেন। নির্বাসনে পাঠাইসিলেন। সীমালঙ্ঘন করা বইগুলো ব্যান করেন। দ্বীন ও নবীজির সম্মানের প্রশ্নে যে এক চুলও ছাড় দেন নাই।

যার শাসনামলে কামিল মাদ্রাসাকে মাস্টার্স মানের মর্যাদা দেওয়া হইসে এবং ফাজিলকে ডিগ্রি মানের স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হইসিলো।

যে তার দলকে রাখ-ঢাক 'গুপ্ত-হেলমেট' ছাড়া প্রকাশ্যেই 'ইসলামী মূল্যবোধ' রক্ষার প্রতীক হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করতেন।

খালেদা যথার্থই উপলব্ধি করতেন- এদেশের জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং ইসলামি মূল্যবোধ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই সকল দেশপ্রেমিক এবং (জামাত ছাড়াও) অন্যান্য ইসলামী শক্তিকে এক মঞ্চে আইনা আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালাইয়া যাওয়ার চেষ্টা করসিলেন।

তিনিই সেই খালেদা, যিনি ২০১৩ সালের সেই অভিশপ্ত রাতে শাপলা চত্বরে মজলুম আলেমদের ওপর চালানো ব'র্ব'রো'চি'ত হ"ত্যা'য"জ্ঞে'র বিরুদ্ধে প্রথম গর্জে উঠেছিলেন। ঘরে বইসা থাকার বদলে নেতা-কর্মীদের শাপলায় যাওয়ার নির্দেশ দিছিলেন।

বামপাড়ার শা'তি'মগুলো যখন ইসলাম ও নবীজিকে নিয়ে সীমা"ল"ঙ্ঘ"ন করসিলো, তখন রাজনৈতিক অঙ্গনে একমাত্র তারই কঠোর অবস্থানই ছিলো লক্ষ্যণীয়।

সীমান্তের কাঁটাতারে যখন ফেলানীর লা"শ ঝুলছিলো, তখন তিনি 'বাংলাদেশ ফার্স্ট' নীতিতে অটল থাইকা আধিপত্যবাদের চোখে চোখ রাইখা কথা বলসিলেন।

~collected

সেই ছায়াসঙ্গী গৃহকর্মী ফাতেমাকে চিরবিদায় জানালেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এভারকেয়ার হা...
30/12/2025

সেই ছায়াসঙ্গী গৃহকর্মী ফাতেমাকে চিরবিদায় জানালেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এভারকেয়ার হাসপাতালে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত খালেদা জিয়ার পাশে ছিলেন ফাতেমা। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একবার কটাক্ষ্য করে বলেছিলেন, কারাগারেও তাকে (খালেদা জিয়া) ফাতেমাকে লাগবে।
রাজনীতির ইতিহাসে বহু নাম উচ্চারিত হয় নেতা, আন্দোলন, ক্ষমতা, কারাগার। কিন্তু সেই ইতিহাসের আড়ালে থেকে যায় কিছু নীরব মুখ। আলোয় নয়, ছায়ায় থেকেই যারা ইতিহাসের সাক্ষী। বেগম খালেদা জিয়ার জীবনে সেই ছায়াসঙ্গীর নাম ফাতেমা বেগম।

দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে গৃহকর্মীর পরিচয় পেরিয়ে তিনি হয়ে উঠেছিলেন খালেদা জিয়ার একান্ত সঙ্গী। কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ, গৃহবন্দিত্বের দীর্ঘ দিন, হাসপাতালের নিঃসঙ্গ রাত কিংবা বিদেশ সফরের নীরব করিডর, সবখানেই নিঃশব্দে উপস্থিত ছিলেন ফাতেমা।

তিনি কোনো রাজনৈতিক কর্মী নন, কোনো দলীয় পদও নেই। তবু ইতিহাসের কঠিন মুহূর্তগুলোয় তার উপস্থিতি ছিল অবিচ্ছেদ্য।

দুঃখের ভেতর বড় হওয়া জীবন

ফাতেমার জন্ম ভোলার সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের শাহ-মাদার গ্রামে। রফিকুল ইসলাম ও মালেকা বেগম দম্পতির পাঁচ সন্তানের মধ্যে তিনি সবার বড়। সংসারের ভার তার কাঁধে আসে খুব অল্প বয়সেই।

একই ইউনিয়নের কৃষক মো. হারুন লাহাড়ির সঙ্গে বিয়ের পর সংসার বাঁধেন। মেঘনা নদীর চরে কৃষিকাজ করে চলতো জীবন। ঘরে আসে মেয়ে জাকিয়া ইসলাম রিয়া ও ছেলে মো. রিফাত। ছেলের বয়স তখন মাত্র দুই বছর, ঠিক সেই সময়, ২০০৮ সালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা যান তার স্বামী। মুহূর্তে বদলে যায় জীবনের মানচিত্র।

স্বামীর মৃত্যুর পর ছোট দুই সন্তান নিয়ে তিনি ফিরে যান বাবা-মায়ের ঘরে। মুদি দোকানি বাবার সামান্য আয় সংসারের চাহিদা মেটাতে পারছিল না। তখনই জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নেন, সন্তানদের গ্রামে রেখে কাজের খোঁজে ঢাকায় পাড়ি জমান।

ঢাকায় এসে নতুন অধ্যায়

২০০৯ সাল। পূর্বপরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে তিনি কাজ পান খালেদা জিয়ার বাসভবনে। সেখান থেকেই শুরু হয় এক দীর্ঘ সহযাত্রা। রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এক নারীর দৈনন্দিন জীবনের নীরব সাক্ষী হয়ে ওঠেন ফাতেমা।

বাথরুমে আনা–নেওয়া, ওষুধ খাওয়ানো, শারীরিক দুর্বলতায় হাত ধরে রাখা, এসব কাজ তার কাছে শুধু দায়িত্ব নয়, যেন সম্পর্কের দায়।

ফিরোজার দোরগোড়ায় যে দৃশ্যপট

২০১৪ সালের ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’। গুলশানের বাসার সামনে বালুভর্তি ট্রাক দিয়ে পথ রুদ্ধ। গাড়িতে উঠেও বেরোতে না পেরে ফিরোজার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের সামনে কথা বলছেন খালেদা জিয়া। পুলিশের চাপে শরীরের ভার সামলাতে পারছেন না তিনি।

ঠিক তখন দৃশ্যপটে ফাতেমা, নীরবে শক্ত করে ধরে রেখেছেন তার হাত। ক্যামেরার ফ্রেমে ধরা পড়ে সেই মুহূর্ত। রাজনীতির উত্তাপের মাঝেও মানবিকতার এক স্থির ছবি।

কারাগারের ভেতরেও ফাতেমা

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি। আদালতের রায়ে খালেদা জিয়া কারাগারে যান। নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো জেলখানা। সেই সময় তার আইনজীবীরা আবেদন করেন গৃহকর্মী ফাতেমা বেগম যেন তার সঙ্গে থাকতে পারেন।

আদালতের অনুমতিতে ছয় দিন পর ফাতেমা প্রবেশ করেন কারাগারে। রাজনৈতিক কোনো পরিচয় ছাড়াই স্বেচ্ছায় তিনি হয়ে ওঠেন কারাবন্দি। কারণ, তিনি জানতেন, এই সময়ে একা থাকা মানে ভেঙে পড়া।

হাসপাতাল, করোনা আর ভয়

২০২১ সালের এপ্রিল মাস। করোনা আক্রান্ত হন খালেদা জিয়া। ৫৩ দিন হাসপাতালে ছিলেন তখন। যখন মানুষ প্রিয়জনের কাছেও যেতে ভয় পাচ্ছেন, তখন ফাতেমা ছিলেন অবিচল। সেবিকা হয়ে, সাহস হয়ে, ছায়া হয়ে ছিলেন খালেদা জিয়ার পাশে।

শেষ পর্যন্ত ছায়া

সর্বশেষ লন্ডনে উন্নত চিকিৎসার সময়ও তার সঙ্গে ছিলেন ফাতেমা। আগেও বিদেশ সফরে অনেকবার গেছেন। কোনো আলোচনায় নেই তার নাম। নেই কোনো বক্তব্য। তবু ইতিহাসের পাশে পাশে তার ছায়া পড়ে আছে।

ফাতেমা বেগম প্রমাণ করেছেন, সব সম্পর্ক ক্ষমতার নয়। কিছু সম্পর্ক শুধু দায়িত্ব আর মানবিকতার। রাজনীতির কোলাহলের ভিড়ে তিনি এক নীরব নাম। কিন্তু সেই নীরবতাই তাকে আলাদা করে চিহ্নিত করে।
#বেগমখালেদাজিয়া #খালেদাজিয়া

ছোটবেলায় শুনতাম অনেকেই বলতেন খালেদা জিয়া অশিক্ষিত, মাত্র স্কুল পাশ একজন মহিলা, কিচ্ছু বুঝে না। আবার উনার রাগান্বিত বজ্...
30/12/2025

ছোটবেলায় শুনতাম অনেকেই বলতেন খালেদা জিয়া অশিক্ষিত, মাত্র স্কুল পাশ একজন মহিলা, কিচ্ছু বুঝে না। আবার উনার রাগান্বিত বজ্রের মতো কথাবার্তা শুনে মনে হতো উনি অহংকারী (ছোট ছিলাম তো তাই)। কিন্তু যতদিন গেল, যত বড় হতে থাকলাম বুঝতে পারলাম তিনি যেমনই হোন, প্রকৃতপক্ষে একজন ভালো মানুষ, একজন। একজন ভালো ক্লাশ ক্যাপ্টেন থেকে শুরু করে একজন যোগ্য দেশনেত্রী হতে শিক্ষাগত যোগ্যতা অথবা ১নাম্বার স্টুডেন্ট হওয়াটা সব সময় জরুরী নয়।

কিভাবে?
উনার ভেতরে আমি সত্যিকার দেশ প্রেম দেখতে পেয়েছি। তিনি সকল দেশের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ রেখেছেন কিন্তু দেশের স্বার্থে কখনো কোন দেশের সাথে গোলামী করেননি। বিপদ মুহূর্তে শত অত্যাচার, অনিশ্চিত জীবন ও কারাদণ্ড ভোগ করেছেন কিন্তু নেতাকর্মীদের ছেড়ে একবারো বিদেশে পাড়ি জমানোর পথ বেছে নেননি। আমি যতদূর জানি, একটি দেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী হয়েও তার বিদেশে কোন সম্পত্তি নেই এবং বাংলাদেশের পাসপোর্ট ছাড়া অন্য কোন দেশের নাগরিকত্বও নেই (তার জায়গায় আমি হলে ১০০% নিশ্চিত অন্য কোন দেশের নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ থাকলে অবশ্যই নিয়ে নিতাম)।

যেহেতু আমি রাজনৈতিক বিশ্লেষক নই এবং কোন রাজনৈতিক দলের সাথে ১% ও সম্পৃক্ত নই তাই এত বিচার বিশ্লেষণ করে বলতে পারব না তবে আমার চোখে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে এই জিনিস গুলো আমাকে মুগ্ধ করেছে। তিনি দিনশেষে সত্যিই একজন আপোষহীন দেশপ্রেমিক ছিলেন নির্দ্ধিধায় বলতে পারি!

শহীদ ওসমান হাদি হত্যায়  ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘ দ্বারা স্বাধীন তদন্তের দাবিতে  পিটিশন সাইন করুন। আমাদের দাবি পরিষ্কার।হ...
29/12/2025

শহীদ ওসমান হাদি হত্যায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘ দ্বারা স্বাধীন তদন্তের দাবিতে পিটিশন সাইন করুন।

আমাদের দাবি পরিষ্কার।

হাদি হত্যার তদন্তে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড, এফবিআই এবং ইন্টারপোলের মতো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত তদন্ত সংস্থাকে যুক্ত করতে হবে, যেন কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বা রাষ্ট্রীয় চাপ সত্যকে চাপা দিতে না পারে।

এই পিটিশনে একটি সময়সীমাও স্পষ্ট করে বলা আছে। যদি ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সরকার আন্তর্জাতিক তদন্তের বিষয়ে প্রকাশ্য ও আনুষ্ঠানিক অঙ্গীকার না করে, তাহলে বিশ্বব্যাপী প্রবাসী বাংলাদেশিরা বাধ্য হবে কঠোর কিন্তু শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে যেতে। এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী চাপ হিসেবে সামনে এসেছে রেমিট্যান্স শাটডাউন। এটি কোনো দেশের বিরুদ্ধে নয়, এটি একটি রাষ্ট্রকে নৈতিক জবাবদিহির মুখোমুখি দাঁড় করানোর শেষ উপায়।

এখানে আমাদের প্রত্যেকের একটি বাস্তব দায়িত্ব আছে।


আমাদের উদ্দেশ্য একদম পরিষ্কার।
এই হত্যাকে আর কোনোভাবেই “দেশীয় বিষয়” বলে চাপা দিতে দেওয়া যাবে না। যখন রাষ্ট্র নিজে স্বচ্ছ তদন্তে ব্যর্থ হয়, তখন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের দায়িত্ব হয় হস্তক্ষেপ করা।

একদিকে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট, অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘ। এই দুই দিক থেকে একসাথে চাপ তৈরি করাই আমাদের কৌশল।

কিন্তু এই কৌশল তখনই কাজ করবে, যখন আমরা সংখ্যায় শক্ত হবো।

তাই আবারও বলছি—
পিটিশনে সই করুন।
আপনার পরিচিতদের সই করান।
বিশেষ করে যুক্তরাজ্য, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় থাকা সবাইকে এই পিটিশনের কথা জানান।

একটি সই মানে শুধু একটি নাম নয়।
একটি সই মানে রাষ্ট্রকে জানিয়ে দেওয়া—আমরা দেখছি, আমরা ভুলিনি, আর আমরা ছাড় দিচ্ছি না।

হাদি ভাই আর দশটা নেতার মতো প্রটোকল নিয়ে চলতেন না। নিরাপত্তার নামে গানম্যান বা বর্মে নিজেকে ঢাকেননি। তিনি জানতেন, একদিন আঘাত আসবেই। তবুও পিছিয়ে যাননি।

শুধু আমাদের কাছে একটি অনুরোধ রেখে গিয়েছিলেন,
“মাইরা ফেলাইলে কেবল বিচারটা যেন নিশ্চিত কইরেন।”

আজ প্রশ্নটা খুব সোজা।

আমরা কি আমাদের শহিদ ভাইটার শেষ ইচ্ছেটুকু রাখতে পারবো?

পিটিশন লিঙ্ক পোস্ট এর কমেন্ট বক্সে 👇🏼

এনসিপি থেকে তাসনিম জারা পদত্যাগ করেছে। আবার এনসিপি জামাতের সাথে জোট করেছে। মাঝখান দিয়ে আবার তাসনিম জারা ৪৮ লাখ টাকা তুলে...
29/12/2025

এনসিপি থেকে তাসনিম জারা পদত্যাগ করেছে। আবার এনসিপি জামাতের সাথে জোট করেছে। মাঝখান দিয়ে আবার তাসনিম জারা ৪৮ লাখ টাকা তুলে বিপদে পড়ছে এগুলা ফিরত দিবে কেমনে। চরমোনাই আবার জামাতের সাথে থাকতে রাজী না।

তারেক রহমান এনআইডির ফটো তুলে চব্বিশ ঘন্টায় কার্ড পেয়ে যাবেন। উত্তেজিত জনতা সেই ফটো নিয়ে আন্দোলন করছে? বিলাই জেবু আবার ফেইসবুকে অফিসিয়াল পেইজ খুলে সেখান থেকে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে। হাসনাত আব্দুল্লাহ সেভেন সিস্টার্স নিয়ে কথা বলতেই দলের সব সিস্টার্স ভাগ হয়ে গেছে।

গতকাল এত টুইস্ট হইছে বিপিএলের ফাইনাল অভারেও এমন টুইস্ট হচ্ছে না। আবার বিপিএল যে চলতেছে দেশের কোন মানুষই জানে না।

তোমার জন্য এটাই সবচেয়ে উত্তম পন্থা। কারণ তুমি কোনভাবেই বাঁচতে পারবে না। রাজসাক্ষী হয়ে তুমি প্রকৃত অপরাধীদের নাম প্রকাশ ক...
28/12/2025

তোমার জন্য এটাই সবচেয়ে উত্তম পন্থা। কারণ তুমি কোনভাবেই বাঁচতে পারবে না। রাজসাক্ষী হয়ে তুমি প্রকৃত অপরাধীদের নাম প্রকাশ করে দাও। তাদের নাম বলে দাও যারা তোমাকে খু/নের নির্দেশ দিয়েছিল। তোমাকে মে/রে ফেলার আগেই তুমি একটা ভিডিও রেকর্ড করো এবং সেখানে সমস্ত ঘটনা খুলে বল। তাতে করে তোমার পরিবার এবং পরবর্তী প্রজন্ম মানুষের ঘৃণা থেকে বেঁচে যাবে।
তুমি মনে রেখো তারা তোমাকে মে/রে ফেলবেই। কারণ তারা ভালো করে জানে তুমি ধরা পড়লে সবার নাম বলে দেবে।
তাই সুযোগ থাকতে তোমার পাপের কিছুটা প্রায়শ্চিত্ত করো। তা নাহলে তোমার বাবাকে আমরা ডাকবো খু/নি ফয়সালের বাবা, তোমার মাকে আমরা ডাকবো খু/নি ফয়সালের মা, তোমার বংশকে আমরা বলবো খু/নি ফয়সালের বংশ।

আমরা কিন্তু তোমার পরিবারের ওপর চোখ রাখবো- তোমার পরিবার তোমার খু/নের টাকায় উন্নত জীবন যাপন করছে কিনা, ভোগ বিলাস করছে কিনা। ধরা পড়ার আগে অথবা পড়ে কোন মিথ্যা স্টেটমেন্ট দিলে কিন্তু আমরা ঠিকই ধরে ফেলবো আর আমাদের ঘৃণা আরও বেড়ে যাবে।

আমার আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধবদের মাঝে অনেকেই প্রশ্ন করতেন আমি কোন রাজনৈতিক দল সমর্থন করি। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, মুখে দাড...
28/12/2025

আমার আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধবদের মাঝে অনেকেই প্রশ্ন করতেন আমি কোন রাজনৈতিক দল সমর্থন করি। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, মুখে দাড়ি ও ইসলামের আদর্শ প্রচার করায় অনেকেই মনে করতেন আমি জামাত শিবির, আবার অনেকে মনে করেন বি,এন,পি সমর্থন করি। আর কেউ তো ভাবতেন আমি শেখ হাসিনা সরকারের ভক্ত। আবার কেউ মনে করেন এন,সি,পি এর কর্মী সমর্থক।

আজ বলি একটা কথা, আমি জামাত - শিবির নই, আমি বি,এন,পি কিংবা আওয়ামীলীগ ও নই। আমি ইনকিলাব মঞ্চের কেউও নই!!

আমি আল্লাহ ও রাসূলের (সা:) এর ইনসাফের সমর্থক!! আমি ইনসাফ চাই আমার জন্যে, ইনসাফ চাই আপনার জন্যে, ইনসাফ চাই আমাদের সবার জন্যে, ইনসাফ চাই আমার শত্রুর জন্যেও!!
হ্যা আমার এবং ওসমান হাদী ভাইয়ের আদর্শ এক ও অভিন্ন। তার মূল্যবোধ, তার নিয়ত, তার উদেশের সাথে আমার মিল আছে সেজন্যে যদি কেউ মনে করেন আমি ওসমান হাদিকে বুকে লালন করি তাহলে বলব কিঞ্চিৎ ভুল আপনি। আমি ওসমান হাদিকে লালন করবো কেন ভাই, আমি নিজে ইতো একজন জীবিত জলজ্যান্ত ওসমান হাদী!

সত্য কথা বললে, আল্লাহর ইনসাফ চাইলে, সঠিক বিচার দাবি করলে, ন্যায়ের পথে থাকলে, মানুষের কল্যাণ চাইলে যদি আমি হাদি হয়ে যাই তবে আমি অবশ্যই সেই ওসমান হাদী যে আল্লাহর প্রতিটি বান্দার জন্যে ইনসাফের দাবিতে হাসতে হাসতে জীবন দিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা বোধ করেনি!!!! ❤️

হাদী ওয়াকারকে চ‍্যালেঞ্জ দিয়ে বলেছিলো—সাহস থাকলে ক‍্যু করে দেখান, জনগন আর্মি ক‍্যান্টনমেন্টের ইটসহ খুলে নিয়ে আসবে। হাদী ...
27/12/2025

হাদী ওয়াকারকে চ‍্যালেঞ্জ দিয়ে বলেছিলো—সাহস থাকলে ক‍্যু করে দেখান, জনগন আর্মি ক‍্যান্টনমেন্টের ইটসহ খুলে নিয়ে আসবে।

হাদী প্রধান উপদেষ্টাকে বলেছিলো—আমি বিশ্বাস করি আপনি দেশ ছেড়ে পালানোর জন‍্য বাংলাদেশে আসেন নি। তাই ভয় না পেয়ে নামগুলো বলে দেন কারা আপনাকে কাজ করতে দিচ্ছে না।

ইন্টেরিমের উপদেষ্টাদের উদ্দেশ্যে হাদী বলেছিলো— একজন রিক্সাওয়ালা পর্যন্ত মনে করে এই উপদেষ্টাদের কেউ ভালো না। এরা জুলাইকে বিক্রি করে দিয়ে এক পা বিদেশে দিয়ে রাখছে। এরা শহীদদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করতেছে।

হাদী বিএনপি কে বলেছিলো—শহীদ জিয়ার বিএনপি কে ভারতের দাস হইতে দিবে না।

হাদী জামাতকে বলেছিলো—নিজামী সাঈদীর জামাতকে ভারতের দাস হইতে দিবে না।

হাদী এনসিপিকে বলেছিলো—এনসিপির তিনটা দোষ। জুলাইকে নিজেদের সম্পদে পরিণত করেছে। মনে করিয়ে দিয়েছে জুলাই কেবল এনসিপির নয়, জুলাই গোটা দেশের।

হাদী এমনকি সেই ভারতের দালাল ফ‍্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের যারা গণহত্যা করে নি, তাদের সাথেও ইনসাফ করতে চেয়েছিলো।

হাদী ঢাকা-৮ আসনে নিজের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী মির্জা আব্বাস ও হেলাল উদ্দীনকে ভাই বলে সবার কাছে দোয়া চেয়েছিল।

হাদী রাজনীতিতে/নির্বাচনের মাঠে হেভিওয়েট কনসেপ্ট ভেঙে দিয়ে সবার জন‍্য লেভেল প্লেয়িং মাঠ বানানোর কালচার সৃষ্টি করতে চেয়েছিল।

হাদী দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চেয়েছিল যে সততা-ভালবাসা-ত‍্যাগ-ডেডিকেশন আর জনগণের ভাষা বুঝে চলার রাজনীতি দিয়ে যেকোন প্রার্থীর সাথেই কম্পিটিশন করা যায়।

হাদী হিন্দুদের জন‍্য একটা আলাদা রাজনৈতিক দল বানাতে চেয়েছিল, যেন একেক দল একেকে সময়ে তাদেরকে ব‍্যবহার করতে না পারে।

হাদী ভারতীয় আধিপত্যবাদের করাল গ্রাস থেকে এ দেশের মানুষের মুক্তির পথে সবাইকে সাথে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেছিল।

হাদী কালচারাল ফ‍্যাসিজমের মোকাবেলায় যোগ‍্য-স্কিলড-দক্ষ জনবল তৈরীতে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতে চেয়েছিল।

হাদী জুলাই এর শহীদদের খুনীদের বিচার হোক এটা চেয়েছিল।

হাদী চেয়েছিল ৫৭ বিডিআর হত‍্যার বিচার হোক।

হাদী চেয়েছিল গুম-খুনের সাথে জড়িত ডিজিএফআই এর নরাধম-পশুদের বিচার হোক।

হাদী চেয়েছিল সবাইকে দেখাতে যে কোন কিছুর কাছে বিক্রি হয়ে না গিয়েও রাজনীতিটা করা যায়। মুরি আর বাতাসা খাওয়ায়েও নির্বাচনী জনসংযোগ করা যায়।

হাদী দেখাতে চেয়েছিল—নির্বাচনে কম্পিটিশন করার জন‍্য কোটি টাকা থাকা লাগে না, জনগন ই টাকা দিয়ে নির্বাচন করাতে দিতে পারে, কেবল যদি জনতার ভরসার প্রতীক হয়ে উঠা যায়।

আহ, হাদীর এই চাওয়াগুলো এত কঠিন হয়ে গেলো??

হাদীকে আপনারা বাঁচতে দিলেন না?

তবে কি এই চাওয়াগুলো হৃদয়ে ধারণ করে কেউ রাজনীতি করতে পারবে না?

(Mahadi Hasan এর ওয়াল থেকে কপি করা)

সিলেট থেকে কার কার লাগবে এই লিফলেট জানাবেন!!স্মৃতি হিসেবে বিনামূল্যে কালেক্ট করতে পারেন বাংলাদেশের মানবতার রাজনীতির ইতিহ...
27/12/2025

সিলেট থেকে কার কার লাগবে এই লিফলেট জানাবেন!!

স্মৃতি হিসেবে বিনামূল্যে কালেক্ট করতে পারেন বাংলাদেশের মানবতার রাজনীতির ইতিহাসের অন‍্যতম সেরা ব‍্যাক্তিত্ব “শরি/ফ ওসমা/ন বিন হা/দির নির্বাচনী লিফলেটটি।

এই মানচিত্রে যিনি আল্লাহ ও প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা:) এর ইনসাফ কায়েম করতে এসে হাসতে হাসতেই জীবন দিয়ে আল্লাহর দরবারে শহীদের মর্যাদা অর্জন করে ফেলেছেন তার সেই ইনসাফ আমাদের সবার প্রতিটি কাজে কর্মে ও অন্তরে ধারণ করে সেটার প্রতিফলিত করতে হবে।

আমার একটাই চাওয়া দেশের সবার প্রতি, হা/দির আইডিওলজিকে আজীবন জীবিত রাখুন সবাই। তবেই হয়তো কোন একটা প্রজন্ম দেখে যেতে পারবে “দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ” ইনশা আল্লাহ!!

Address

Amborkhana
Sylhet

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hi5 Fahim posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share