14/08/2025
বর্তমান সরকার ত্রিপুরায় মূল্যবোধের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ শিক্ষার বিকাশে জোর দিয়েছে। প্রাচীন সময়ে ভারতবর্ষ ছিল সমস্ত পৃথিবীর নিকট জ্ঞান লাভের অন্যতম গন্তব্য। কিন্তু বিদেশি শক্তির প্রভাবে তা বিনষ্ট হয়েছিল। বুধবার আগরতলায় বড়দোয়ালি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭৫বছর পূর্তি অনুষ্ঠান এবং কৃষ্টি ভবনের দ্বারোদঘাটন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ ) মানিক সাহা।
অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা অন্তহীন। এর কোনও বিকল্প নেই। জ্ঞান ও অজ্ঞানের মধ্যে সেতুবন্ধন করে প্রকৃত শিক্ষা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো যে কোনও শিক্ষার্থীর পীঠস্থান। কিন্তু কেবলমাত্র পুথিগত বিদ্যাতেই শিক্ষিত না হয়ে দেশ ও সমাজের জন্য সকল ছাত্রছাত্রীকে এগিয়ে আসতে হবে। তবেই আগামীদিনে সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়া সম্ভব।
মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে গৃহীত জাতীয় শিক্ষানীতি, নিপুণ ত্রিপুরা, সহর্ষ কর্মসূচি, টিস্কোয়াফ, বিদ্যাজ্যোতি বিদ্যালয়, মুখ্যমন্ত্রী মেধা পুরস্কার, সুপার ৩০, প্রি-প্রাইমারি পঠন পাঠন কর্মসূচি চালু, প্রয়াস কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। মুখ্যমন্ত্রী কন্যা আত্মনির্ভর যোজনায় ১৪০ জন ছাত্রীকে স্কুটি প্রদান, ৪২৬টি বিদ্যালয়ে বৃত্তিমূলক শিক্ষা চালু, নবম শ্রেণিতে পাঠরত ছাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে প্রায় ১ লক্ষ ২২ হাজার বাইসাইকেল প্রদান, রাজ্যের ৮৫৪টি বিদ্যালয়ে স্মার্ট ক্লাস চালু করা হয়েছে বলে জানান।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা বিধানসভার উপাধ্যক্ষ রামপ্রসাদ পাল, আগরতলা পুরনিগমের মেয়র তথা বিধায়ক দীপক মজুমদার, ৪০ নং ওয়ার্ডের কর্পোরেটর সম্পা সরকার চৌধুরী, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা টুটু বণিক প্রমুখ।