Pratilipi Bengali

Pratilipi Bengali Discover, read and share your favorite stories, poems and books in a language, device and format of y
(2178)

Discover, read and share your favorite stories, poems and books in a language, device and format of your choice.

     তিন্নি তুমি কি জানো এই দার্জিলিংয়ের পাহাড়ে ভূতের গল্প সত্যি? রাই হেসে বলল। হাহা ভূত! ২০২৩ সালে ভূত বলে কিছু বিশ্ব...
13/12/2025


তিন্নি তুমি কি জানো এই দার্জিলিংয়ের পাহাড়ে ভূতের গল্প সত্যি? রাই হেসে বলল। হাহা ভূত! ২০২৩ সালে ভূত বলে কিছু বিশ্বাস হয়? তিন্নি রুক্ষ দৃষ্টিতে বলল। একটি কলেজের এক্সকারশনে যাওয়া চারটি বন্ধু তিন্নি রাই আঁখি এবং মধুজা দার্জিলিংয়ের পথে। বাসে উঠতে দেরি হওয়ায় তিন্নি দৌড়াচ্ছে আর তার বন্ধুদের চিৎকারে বাসের ভিতর উত্তেজনা। কাম অন তিন্নি! তুমি পারবে! বাসের ভিতর থেকে পিকু চিৎকার করে। তিন্নি অবশেষে বাসে উঠে কিন্তু তার মনে এক অদ্ভুত অনুভূতি। তিন্নি তুমি কি জানো ভূত বাংলো আছে সেখানে? আঁখি বলল। ওহ কাম অন গার্লস এসব অন্ধবিশ্বাস! তিন্নি বলল। তবে আমি শুনেছি সেখানে অনেক গল্প আছে মধুজা বলল। তিন্নি তুমি এত সাহস দেখাস না ভগবান না করুক তুমি কোনো খারাপ চক্করে পড়িস রাই সতর্ক করল। তিন্নি তুমি কি সত্যিই ভূত বিশ্বাস করো? রাই জিজ্ঞেস করল। না আমি বিশ্বাস করি না কিন্তু আমি ভয় পাই তিন্নি বলল। তাহলে তুমি সাহসী নও! রাই বলল। তুমি কি ভয় পাচ্ছো? তিন্নি বলল। না আমি তো ভূতকে দেখেছি! রাই বলল। হঠাৎ বাসের জানালা দিয়ে একটি অচেনা পাখির ডাক শোনা গেল যেন একটি অশুভ সংকেত। এটা কি ছিল? আঁখি ভয় পেয়ে বলল। আমি জানি না কিন্তু এটা ভালো নয় তিন্নি বলল। তিন্নি তুমি কি সত্যিই ভূতকে দেখেছ? রাই জিজ্ঞেস করল। এখন কি হবে আমাদের? মধুজা ভয়ে বলল।
পুরো গল্পটি পড়তে ক্লিক করুন এই লিংকে:

বছর কুড়ির একটি চঞ্চল, সুন্দরী মেয়ে , যার পরনে আছে হোয়াইট জিন্স, ক্রিম কালারের টপ, তার উপর জিন্সের কোট, চুলগুলো কা.....

     মৌ তুমি কি জানো? আজকের ইন্টারভিউটা তোমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে! মহিমা। কিন্তু আমি তো সঠিক সময়ে পৌঁছাতে পার...
13/12/2025


মৌ তুমি কি জানো? আজকের ইন্টারভিউটা তোমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে! মহিমা। কিন্তু আমি তো সঠিক সময়ে পৌঁছাতে পারব না! মৌ। মুম্বাই শহরের ব্যস্ত রাস্তায় এক সুদর্শন যুবক গাড়ি চালাচ্ছে। তার ফোন বেজে উঠলে সে দ্রুত উত্তর দেয় হ্যাঁ বলো? ফোনের অপর প্রান্তে একজন সহকর্মী জানায় বস বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে কাজ করতে হলে আমাদের আরও টাকা দিতে হবে। যুবকটি যার নাম অনুরাগ বসু সিগন্যালের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকে। মিস্টার জোনসনকে বলো আমরা মার্কেট প্রাইসের চেয়ে বেশি দিচ্ছি। যদি তারা আমাদের সঙ্গে কাজ করতে চায় তাতে সমস্যা নেই। অন্যদিকে মৌ একজন তরুণী বিউটি প্রোডাক্ট প্রোমোটার তার লাইভ স্ট্রিমিং শেষ করে দ্রুত বেরিয়ে আসছে। তার বন্ধু মহিমা ফোনে বলছে মৌ তুই কোথায়? মাত্র পাঁচ মিনিট বাকি! মৌ উত্তরে বলে আমি আসছি! ট্রাফিক জ্যাম ছিল তাই পায়ে হেঁটে এসেছি। মহিমা আবার বলে লাইভ স্ট্রিম করার সময় যে পোশাক পরেছিস সেটাই তো পরিস! মৌ হতাশ হয়ে বলে কী করব ইন্টারভিউয়ের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। যদি টিউলিপের ডিল না পাই তাহলে মায়ের চিকিৎসার টাকা কোথায় পাব? মৌ যখন রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে হঠাৎ করে অনুরাগের গাড়ি সামনে এসে পড়ে। মৌ ভয়ে চিৎকার করে দেখো গাড়ি চালাতে পারো না? অনুরাগ দীর্ঘশ্বাস ফেলে গাড়ি চালিয়ে চলে যায়। মৌ রেগে বলে একবারও সরি বলল না! মৌ যখন টিউলিপের অফিসে পৌঁছায় তখন সে জানতে পারে যে ইন্টারভিউ শেষ হয়ে গেছে। হতাশ হয়ে সে অন্য মেয়েদের দিকে তাকিয়ে বলে তোমরা কি ইন্টারভিউ দিতে এসেছ? তারা সম্মতি জানায়। মৌ তাদের কাছে সাহায্য চায় আমাকে আগে ইন্টারভিউ দিতে দাও। মৌ কি ইন্টারভিউ পাবে? অনুরাগের সঙ্গে তার সম্পর্কের ভবিষ্যৎ কী হবে?
পুরো গল্পটি পড়তে ক্লিক করুন এই লিংকে:

মুম্বাই শহর মায়ানগরী রোডে দ্রুত গতিতে কার চালিয়ে এগিয়ে চলছে যাচ্ছে এক সুপুরুষ । সেই সময় তার ফোন বেজে উঠেছে। স....

     “ভৈঁরোসা ফিরে এসেছে! পালাও নাহলে প্রাণে রক্ষা নেই!” আহত মানুষের কাতর কণ্ঠস্বর যেন কুলধারার আকাশে ভেসে উঠল। এক অন্ধক...
13/12/2025


“ভৈঁরোসা ফিরে এসেছে! পালাও নাহলে প্রাণে রক্ষা নেই!” আহত মানুষের কাতর কণ্ঠস্বর যেন কুলধারার আকাশে ভেসে উঠল। এক অন্ধকার রাতে কুলধারা গ্রামের সীমানায় এক আহত ব্যক্তি অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন। তার মাথা ফেটে গেছে রক্তপাত হচ্ছে। ভোরের আলো ফুটতেই তিনি ধীরে ধীরে চোখ মেলে ধরলেন। চারপাশে কিশোরদের ভিড়। তাদের মধ্যে একজন রাহুল ভয়ে কাঁপছে। “দাদা আপনি ঠিক আছেন?” রাহুলের প্রশ্নের উত্তরে আহত ব্যক্তি বললেন “মাথার ওপর আকাশে আলো… সেখান থেকে… সবাইকে বলো… ভৈঁরোসা… ও ফিরে এসেছে…” আহত ব্যক্তির নাম ছিল অমিত। তিনি কুলধারার একজন পুরনো বাসিন্দা। গ্রামের লোকেরা তাকে ভালোবাসে কারণ তিনি সবসময় তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসেন। কিন্তু আজ তার মুখে ভয়ের ছাপ। “কী হয়েছে অমিত দা?” রাহুল জিজ্ঞেস করল। অমিতের চোখে আতঙ্ক “পালাও… পালিয়ে যাও এখান থেকে… নাহলে প্রাণে আর…” কিন্তু তার কথা শেষ হওয়ার আগেই কাতরানির সাথে রক্ত বেরিয়ে এল তার মুখ থেকে। মৃত্যু ঘটল তার। কিশোরদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল। “দাদা আমরা কোথায় যাব?” সুমন আরেক কিশোর ভয়ে বলল। “এখনই আমাদের বাড়ি ফিরতে হবে!” রাহুল বলল। কিন্তু গ্রামের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। “আমরা কি সত্যিই পালাব?” সুমন প্রশ্ন করল। “না আমরা পালাব না। আমাদের সাহসী হতে হবে!” রাহুলের কণ্ঠে দৃঢ়তা। কিন্তু অমিতের মৃত্যু তাদের মনে ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছে। ঠিক তখনই গ্রামের আকাশে একটি উজ্জ্বল আলো দেখা গেল। “দেখো! কী হচ্ছে?” সুমন চিৎকার করে উঠল। আলোটি ক্রমশ বড় হতে লাগল। গ্রামের সবাই সেই আলোতে আকৃষ্ট হয়ে গেল। “আমরা কি সেখানে যাব?” রাহুল জিজ্ঞেস করল। কিন্তু সুমন বলল “না আমরা পালাতে হবে!” কিন্তু সত্যিই কি পালানো সম্ভব? সেই আলো কি তাদের জন্য বিপদ ডেকে আনছে? কুলধারার এই অভিশাপের পরিণতি কী হবে?
পুরো গল্পটি পড়তে ক্লিক করুন এই লিংকে:

তারকনাথ তান্ত্রিক ও করাল কুলধারা - © অরিত্র দাস একটি নতুন গল্প শুরু করতে চলেছি আজ থেকে; গল্পটির নাম 'করাল কুলধারা'। র...

     তুমি কি জানো আমি তোমার জীবন বাঁচাতে এসেছি? বলল সেই সুদর্শন পুরুষটি যার চোখের নীল রঙ যেন গভীর সমুদ্রের জল। অহনা হতবা...
13/12/2025


তুমি কি জানো আমি তোমার জীবন বাঁচাতে এসেছি? বলল সেই সুদর্শন পুরুষটি যার চোখের নীল রঙ যেন গভীর সমুদ্রের জল। অহনা হতবাক হয়ে তার দিকে তাকাল। কিন্তু কেন? একটি অন্ধকার গলিতে অহনা মুখার্জী প্রাণপণে দৌড়াচ্ছে। তার পিছনে কিছু লোক যারা এলাকার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের লোক তাকে ধরার জন্য ছুটছে। অহনার পা ক্লান্ত হয়ে আসছে কিন্তু সে থামতে পারছে না। হঠাৎ গলির মধ্যে একটি গাড়ি প্রবেশ করে এবং অহনা পড়ে যায়। গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা সুদর্শন পুরুষটি অনুরূপ তাকে দেখে এগিয়ে আসে। এই মেয়েটা কে আমার দায়িত্বে ছেড়ে দে বলে পিছনের লোকটিকে সতর্ক করে। তুমি কি জানো আমি তোমার জন্য এখানে এসেছি? অনুরূপের ঠোঁটের কোণে একটি বাঁকা হাসি। অহনার চোখে ক্লান্তির ছাপ সে জানে না সে কোথায়। আমার কি হবে? সে ভয়ে কাঁপছে। অনুরূপের চোখে যেন এক অদ্ভুত মায়া। তুমি নিরাপদ আমি তোমাকে কিছু করতে দেব না। আমরা তাকে ছাড়ব না! পিছনের লোকটি চিৎকার করে ওঠে। অনুরূপের চোখে আগুন জ্বলে ওঠে। আর যদি না ছাড়ি? সে প্রশ্ন করে। অহনার মনে হয় এই মুহূর্তে তার জীবন ঝুঁকির মধ্যে। অনুরূপের কথায় সবাই থমকে যায়। তুমি কি জানো আমি তোমার জীবন বাঁচাতে এসেছি? সে অহনাকে কোলে তুলে নেয় এবং গাড়িতে বসিয়ে দেয়। গাড়ি স্টার্ট করে। কিন্তু আমি কোথায় যাচ্ছি? অহনার মনে হাজারো প্রশ্ন। অনুরূপ কি সত্যিই তাকে বাঁচাতে চায় নাকি তার পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে?
পুরো গল্পটি পড়তে ক্লিক করুন এই লিংকে:

একটা অন্ধকার গলি দিয়ে রুদ্ধশ্বাসে ছুটে একজন মেয়ে। তার পিছনে কিছুক্ষন লোক দৌড়াচ্ছে মেয়েটি কে ধরার জন্য। পিছন....

     বস আপনি যেমনভাবে বলেছিলেন তেমন ভাবেই কাজ হয়ে গাছে। ম‍্যাডামকে আমরা বিয়ের মন্ডপ থেকে তুলে নিয়ে এসেছি। এবার আমরা আসি ...
13/12/2025


বস আপনি যেমনভাবে বলেছিলেন তেমন ভাবেই কাজ হয়ে গাছে। ম‍্যাডামকে আমরা বিয়ের মন্ডপ থেকে তুলে নিয়ে এসেছি। এবার আমরা আসি বস। সিধুর কথায় উত্তেজনা ছিল কিন্তু পিয়ুশের গলায় শঙ্কা কী বলছো বস? এইভাবে মেয়েটাকে একা ফেলে চলে যাবো এতো বরো বারিতে? সিধু জয়েন্ত এবং পিয়ুশ তিন বন্ধু যারা একটি অন্ধকার কাজের সঙ্গে যুক্ত। তারা একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে মায়া সেনগুপ্ত নামের একটি সুন্দরী মেয়েকে অপহরণ করেছে। মায়া যিনি সদ্য গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন এখন একটি অন্ধকার ঘরে হাতপা বাঁধা অবস্থায় রয়েছে। তার কান্না এবং চিৎকারের মধ্যে সে সাহায্যের জন্য ডাকছে কিন্তু তার আহ্বান শুনতে কেউ নেই। মায়ার চোখের জল গড়িয়ে পড়ছে প্লিজ কেউ কি আছেন এখানে? আমাকে বাচান! তার আহ্বান শুনে সিধু বললো চল বস বলেছে এখন আমাদের আর কোনো কাজ নেই। জয়েন্ত বললো কিন্তু মেয়েটা তো একা! পিয়ুশের গলায় উদ্বেগ এভাবে চলে গেলে কি হবে? কিন্তু সিধু দৃঢ়ভাবে বললো বস যদি জানতে পারে আমাদেরকে আর আস্ত রাখবে না। অচেনা ব্যক্তিটি মায়ার দিকে এগিয়ে আসছে। মায়া তোর এত সাহস হয় কি করে বিয়ে করার? সে বললো এক পা এগোলে আমি নিজেকে শেষ করে ফেলবো। কিন্তু অচেনা ব্যক্তিটি হাসতে হাসতে বললো আজ তোকে আমি বিয়ে করবো। মায়া চিৎকার করতে চাইল আপনি কে? আমাকে ছেড়ে দিন! অচেনা ব্যক্তিটি মায়াকে জোরে চড় মারলো যার ফলে মায়া জ্ঞান হারালো। যখন সে জ্ঞান ফিরে পেল তখন সে একটি বিশাল হল রুমে বসে ছিল। অচেনা ব্যক্তিটি বললো তুমি বলছিলে আমার সাহস কত? এখন দেখো আমি কী করি। মায়া কি তার পরিবারের নিরাপত্তা রক্ষা করতে পারবে? অচেনা ব্যক্তিটি আসলে কে এবং তার উদ্দেশ্য কী?
পুরো গল্পটি পড়তে ক্লিক করুন এই লিংকে:

বস আপনি যেমনভাবে বলেছিলেন তেমন ভাবেই কাজ হয়ে গাছে । ম‍্যাডামকে আমরা বিয়ের মন্ডপ থেকে তুলে নিয়ে এসেছি। এবার আমরা আ....

     তুমি যদি আমার কথা না শুনো আমি কিন্তু সুইসাইড করব! বাপন বলল তার চোখে এক অদ্ভুত উন্মাদনা। বর্ণালী ভয়ে কাঁপতে লাগল। এট...
13/12/2025


তুমি যদি আমার কথা না শুনো আমি কিন্তু সুইসাইড করব! বাপন বলল তার চোখে এক অদ্ভুত উন্মাদনা। বর্ণালী ভয়ে কাঁপতে লাগল। এটা কি ধরনের কথা? সে বলল আমাকে যেতে দিন! দক্ষিণেশ্বরের একটি ছোট্ট রেলে কোয়ার্টারে বর্ণালী তার বাবার ঘুম ভাঙানোর জন্য গান গাইছিল। তার বাবা বিশ্বনাথ ব্যানার্জী একজন রেলে কর্মচারী যিনি ধানবাদ থেকে বদলি হয়ে এসেছেন। বর্ণালী তাদের একমাত্র মেয়ে গান গাওয়ার প্রতি তার অদম্য ভালোবাসা রয়েছে। কিন্তু স্কুলে তার নতুন বন্ধুদের মধ্যে একটি অন্ধকার ছায়া দেখা দেয় যখন প্রিয়াঙ্কা নামের একটি মেয়ে তার প্রতি হিংসা পোষণ করতে শুরু করে। বর্ণালী তুমি কি জানো তোমার গলার গুনের জন্য সবাই তোমাকে পছন্দ করে? রমা ম্যাডাম বললেন। হ্যাঁ ম্যাডাম আমি গান গাইতে ভালোবাসি। বর্ণালী উত্তর দিল। কিন্তু স্কুলের পরিবেশে তার সাফল্য কিছু সহপাঠীর মনে হিংসা তৈরি করে। একদিন বাথরুমে যাওয়ার সময় প্রিয়াঙ্কা তাকে তালাবদ্ধ করে দেয়। তুমি কি ভাবছো আমি তোমাকে এভাবে ছাড়ব? প্রিয়াঙ্কা হাসতে হাসতে বলল। তুমি কি জানো আমি তোমার মতো গাইতে পারি না? প্রিয়াঙ্কা বলল। তুমি শুধু গান গাওয়ার জন্যই এখানে এসেছো? বর্ণালী বলল আমি গান গাইতে ভালোবাসি কিন্তু আমি এখানে পড়াশুনার জন্য এসেছি। প্রিয়াঙ্কা তখন আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। তুমি যদি আমার সামনে আসো আমি তোমাকে আরও খারাপ অবস্থায় ফেলব। ঠিক তখনই নেপালি সিকিউরিটি গার্ড দিলবাহাদুর বর্ণালীকে ডাকতে আসে। কি হচ্ছে এখানে? সে জিজ্ঞেস করে। বর্ণালী তখন ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বলে প্রিয়াঙ্কা আমাকে তালাবদ্ধ করেছে। প্রিয়াঙ্কা কি সত্যিই তাকে ক্ষতি করতে পারবে? এবং বর্ণালী কি তার গান এবং পড়াশুনার মধ্যে এই অন্ধকার পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে?
পুরো গল্পটি পড়তে ক্লিক করুন এই লিংকে:

( একটি সমকামী প্রেমে-র গল্প ) 👧 ভাগ-১ 👩 সকাল বেলায় মেয়ে বর্ণালী গানে-র গলা শুনে তার বাবা বিশ্বনাথ ব্যানার্জী ঘুমটা ভ.....

     নন্দিনী তুমি কি জানো আকাশের জন্য আমি সব কিছু করতে প্রস্তুত! দৃপ্তমানের এই কথায় নন্দিনীর চোখে বিস্ময়। তুমি কি সত্য...
13/12/2025


নন্দিনী তুমি কি জানো আকাশের জন্য আমি সব কিছু করতে প্রস্তুত! দৃপ্তমানের এই কথায় নন্দিনীর চোখে বিস্ময়। তুমি কি সত্যিই ভাবছো সে তোমার মতোই হবে? কলকাতার মুখার্জি পরিবার ধনদৌলতে ভরপুর কিন্তু তাদের সম্পর্কের গভীরতা যেন আকাশের মতো। দৃপ্তমান মুখার্জি পরিবারের কর্তা এবং তার স্ত্রী নন্দিনী ছোটবেলার বন্ধু। তাদের একমাত্র সন্তান আকাশ মেডিকেল কলেজের ছাত্র যিনি বাবার ব্যবসার দিকে একবারও তাকাননি। আজ সকালে যখন দৃপ্তমান অফিসের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তখন নন্দিনী তার প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তুমি কি আকাশকে একটু সময় দেবে? সে সারারাত পড়েছে। দৃপ্তমান তুমি জানো আকাশের জন্য আমার উদ্বেগ বাড়ছে। নন্দিনী বললেন। সে কি কখনো আমাদের ব্যবসার দিকে নজর দেবে? তুমি জানো নন্দিনী সে তার স্বপ্নের পেছনে দৌড়াচ্ছে। দৃপ্তমান উত্তর দিলেন। আমরা তাকে সমর্থন করতে পারি। কিন্তু সে কি আমাদের মতো হবে? নন্দিনী প্রশ্ন করলেন। আমরা তো ব্যবসায়ের জন্য তৈরি হয়েছি। দৃপ্তমান তুমি কি জানো আমি কখনোই চাইনি আকাশ আমাদের ব্যবসার উত্তরাধিকারী হোক। নন্দিনী বললেন। সে যদি চিকিৎসক হতে চায় তাহলে তাকে সেই পথে যেতে দাও। কিন্তু আমাদের পরিবারে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া একটি ঐতিহ্য। দৃপ্তমান বললেন। আমি চাই সে আমাদের নামকে এগিয়ে নিয়ে যাক। ঠিক তখনই নিবারণ দৃপ্তমানের ছোট ভাই ঘরে প্রবেশ করলেন। দাদা আমি কিছু বলতে চাই। কি হয়েছে নিবারণ? দৃপ্তমান জিজ্ঞেস করলেন। তুমি কি জানো অনিল কলকাতায় আসছে? অনিল? সে তো লন্ডনে থাকে! কেন আসছে? নন্দিনী বিস্মিত। এখন কি হবে আমাদের পরিকল্পনা?
পুরো গল্পটি পড়তে ক্লিক করুন এই লিংকে:

#প্রথম পর্ব #কলমে - বৃষ্টি কুমার সিংহ রায় যেকোনো সম্পর্কের মধ্যে একটা ভাবনা থাকা প্রয়োজন,যা সময় মতো একে অপরকে নি....

     ও পার্বতীর কাহিনী দেবদাস তুমি কি জানো আজ আমি তোমার জন্য এক নতুন খেলা নিয়ে এসেছি? পার্বতী চিৎকার করে বলল। কিন্তু তুম...
13/12/2025


ও পার্বতীর কাহিনী দেবদাস তুমি কি জানো আজ আমি তোমার জন্য এক নতুন খেলা নিয়ে এসেছি? পার্বতী চিৎকার করে বলল। কিন্তু তুমি তো পাঠশালায় যেতে পারবে না! দেবদাস উত্তরে বলল আমি আর কখনো পাঠশালায় যাব না! বৈশাখের দ্বিপ্রহরে রৌদ্রের তেজে মুখুয্যেদের পাঠশালার পরিবেশ ছিল একেবারে অস্থির। দেবদাস যে কিনা সবসময় খেলার জন্য উদগ্রীব পাঠশালায় বসে ছিল। টিফিনের সময় যখন বাচ্চারা বটবৃক্ষের তলায় খেলছিল দেবদাসের মনে হল এই সময়টাকে নষ্ট করা ঠিক নয়। সে শ্লেট হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল। পাশেই ছিল ভুলোর যে দেবদাসের বন্ধু। দেবদাসের মনে হল পাঠশালায় বসে থাকা তার জন্য একেবারে অযথা। ভুলো তুমি কি আঁকতে পারবে? দেবদাস জিজ্ঞেস করল। ভুলো গম্ভীর মুখে বলল কী আঁকব? দেবদাস বলল এক মণ তেলের দাম যদি চৌদ্দ টাকা নয় আনা তিন গণ্ডা হয় তাহলে... কিন্তু হঠাৎ পার্বতীর চিৎকারে সব কিছু এলোমেলো হয়ে গেল। দেবদাস! তুমি কি আবার তামাক খাচ্ছ? পার্বতী চেঁচিয়ে উঠল। দেবদাসের মুখে রাগের ছাপ। আমি তো কিছু করছি না! তুমি তো জানো পণ্ডিতমশাই তোমাকে মারবে! পার্বতী বলল। দেবদাস রেগে গিয়ে বলল আমি আর পাঠশালায় যাব না! পার্বতী হতাশ হয়ে বলল কিন্তু তুমি যদি না যাও তাহলে আমি কী করব? দেবদাস বলল তুমি আমার জন্য জল আনতে পারবে না? পার্বতী বলল আমি যাব না তুমি খেয়ে আসো। দেবদাস রেগে গিয়ে পার্বতীর চুল টেনে বলল যা বলছি তা করো! পার্বতী কাঁদতে কাঁদতে বলল আমি কিছুতেই যাব না! দেবদাস একদিকে চলে গেল। পার্বতী তখন দেবদাসের পিতার কাছে গিয়ে বলল দেবদা মেরেছে! দেবদাস কি পার্বতীকে ক্ষমা করবে? তাদের বন্ধুত্ব কি আবার আগের মতো হবে?
পুরো গল্পটি পড়তে ক্লিক করুন এই লিংকে:

একদিন বৈশাখের দ্বিপ্রহরে রৌদ্রেরও অন্ত ছিল না, উত্তাপেরও সীমা ছিল না। ঠিক সেই সময়টিতে মুখুয্যেদের দেবদাস পাঠশাল....

     ওঠ! পিউয়ের শীর্ণ বক্ষ ধড়ফড়িয়ে ওঠে। তুই বোধ হয় আবার মা*র খেতে চাইছিস! ধূসর গম্ভীর স্বরে বলে। পিউয়ের বুকের ভেতরটা কেঁ...
13/12/2025


ওঠ! পিউয়ের শীর্ণ বক্ষ ধড়ফড়িয়ে ওঠে। তুই বোধ হয় আবার মা*র খেতে চাইছিস! ধূসর গম্ভীর স্বরে বলে। পিউয়ের বুকের ভেতরটা কেঁপে ওঠে। বারোটা বাজে। পিউ মিনমিন করে বলে। পিউ আজ সারাদিন ঘরে লুকিয়ে ছিল। ভয় পেয়ে ধূসর ভাইয়ের কাছে আসতে সাহস হয়নি। কিন্তু এখন রাতের খাবারের জন্য বের হতে গিয়ে ধূসর ভাইয়ের রাগের মুখোমুখি হতে হলো। পিউয়ের কোমরে ব্যথা কিন্তু তার চেয়ে বড় যন্ত্রণা হলো ধূসর ভাইয়ের গম্ভীর মুখ। এ বাড়িতে রাতে খাওয়ার সময় দশটা। তাহলে দুই ঘন্টা কোথায় ছিলিস তুই? ধূসর প্রশ্ন করে। পিউয়ের মনে ভয় কিন্তু সে কিছু বলতে পারে না। পিউয়ের মনে পড়ে দুপুরে ধূসর ভাইয়ের দেওয়া চড়। সে ভাবছিল যদি ঘরের দরজা আটকে থাকে তাহলে ধূসর তাকে খুঁজে পাবেনা। কিন্তু সে ঘুমিয়ে পড়বে এটা ভাবেনি। ঘুমোচ্ছিলাম। পিউ মিনমিন করে বলে। ধূসর আবার বলে একদম মিথ্যে বলবিনা! পিউ দাঁত দিয়ে ঠোঁট কামড়ে ধরে। ধূসর তাকে বসতে বলে। পিউ দ্বিধায় পড়ে যায়। তুই কি সত্যিই ওই ছেলেটাকে ভালোবাসিস? ধূসর প্রশ্ন করে। পিউ অদৃশ্যভাবে মাথা নাড়ে। মনে মনে বলে আপনার মত একটা জলজ্যান্ত আইটেম রেখে আমি ওমন গোবরগনেশের প্রেমে পড়ব কোন দুঃখে? কিন্তু সে কিছু বলতে পারে না। ধূসর আবার বলে মিথ্যে বলতেও যোগ্যতা লাগে। তোর মত নির্বোধের তাও নেই। পিউ থতমত খায়। ধূসর উঠে দাঁড়ায়। ভদ্রমেয়ের মত চুপচাপ খেয়ে ঘুমিয়ে পর। পিউয়ের বুক ভেঙে আসে। ধূসর ভাই কি সত্যিই তাকে ভালোবাসেন না? পিউয়ের চোখে জল আসে। পিউয়ের মনে প্রশ্ন জাগে ধূসর ভাই কি সত্যিই তাকে ভালোবাসেন? অথবা তার এক সমুদ্র প্রেম কি ফিকে হয়ে যাবে?
পুরো গল্পটি পড়তে ক্লিক করুন এই লিংকে:

ুদ্র_প্রেম! লেখনীতে: নুসরাত সুলতানা সেঁজুতি পর্ব:-০২ "ওঠ!" শাণিত স্বরে পিউয়ের শীর্ণ বক্ষ ধড়ফড়িয়ে ওঠে। মানুষটা .....

     ভালোয় ভালোয় বিয়েটা করে নে উক্তি! এই শেষবারের মতো বলছি। বিয়ে পণ্ড করার জন্য যদি একটু এদিক থেকে ওদিক করিস না জ্যা...
13/12/2025


ভালোয় ভালোয় বিয়েটা করে নে উক্তি! এই শেষবারের মতো বলছি। বিয়ে পণ্ড করার জন্য যদি একটু এদিক থেকে ওদিক করিস না জ্যান্ত পুঁ°তে দেবো! জাওয়াদের হুমকি যেন আকাশে বজ্রপাতের মতো। উক্তি যার চোখে এক ফোঁটা জলও নেই মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে। বিয়ের সাজে সজ্জিত কিন্তু হৃদয়ে এক অশান্তি। বিয়ের দিন। উক্তি যে কিনা তার ভাইয়ের হুমকির সামনে দাঁড়িয়ে বিয়ের সাজে সজ্জিত। জাওয়াদ তার বড় ভাই অত্যন্ত রাগান্বিত। বিয়ের প্রস্তুতি চলছে কিন্তু উক্তির মনে অন্য কিছু। বিয়ের সাজে বসে থাকা উক্তি তার ভাইয়ের হুমকিতে একদম অপ্রস্তুত। বিয়ের ঘরটি সাজানো হয়েছে রঙিন ফিতায় কিন্তু উক্তির মনে এক অন্ধকার। বিয়ের দিন কিন্তু তার মনে এক ভয়। কেন তুমি এমন করছো জাওয়াদ? উক্তি বললো আমি বিয়ে করতে চাই। জাওয়াদ বললো তুমি যদি বিয়ে না করো তাহলে আমি তোমাকে ছেড়ে দেবো। উক্তি মাথা নিচু করে বললো তুমি কি জানো আমি কি চাই? কিন্তু জাওয়াদ তার কথা শুনতে রাজি নয়। বিয়ের প্রস্তুতি চলছে কিন্তু উক্তির মনে এক অশান্তি। বিয়ের সাজে বসে থাকা উক্তি তার ভাইয়ের হুমকিতে একদম অপ্রস্তুত। বিয়ের সময় উক্তির মনে এক ভয়। আমি বিয়ে করতে চাই না! সে চিৎকার করে বললো। কিন্তু জাওয়াদ বললো তুমি বিয়ে করবে। উক্তি বললো কেন? আমি কি তোমার পুতুল? জাওয়াদ বললো তুমি আমার বোন তুমি আমার কথা শুনবে। উক্তির মনে এক অশান্তি। বিয়ের সময় উক্তি হঠাৎ করে বিয়ের মঞ্চ থেকে পালিয়ে যেতে চেষ্টা করলো। আমি বিয়ে করতে চাই না! সে চিৎকার করে বললো। কিন্তু সবাই তাকে ধরে ফেললো। কোথায় যাচ্ছো উক্তি? জাওয়াদ বললো। উক্তি কি সত্যিই বিয়ে করবে? নাকি সে পালিয়ে যাবে? তার ভবিষ্যৎ কি হবে?
পুরো গল্পটি পড়তে ক্লিক করুন এই লিংকে:

" ভালোয় ভালোয় বিয়েটা করে নে উক্তি। এই শেষবারের মতো বলছি। বিয়ে পণ্ড করার জন্য যদি একটু এদিক থেকে ওদিক করিস না, জ্...

     তুমি কি জানো আজকের রাতটা তোমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে? সায়ন গম্ভীর গলায় বলল। অবন্তিকা তার দিকে তাকিয়ে বলল আমার...
13/12/2025


তুমি কি জানো আজকের রাতটা তোমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে? সায়ন গম্ভীর গলায় বলল। অবন্তিকা তার দিকে তাকিয়ে বলল আমার দাদুর জীবন বাঁচাতে হলে আমাকে যা করতে হবে আমি তাই করব! অন্ধকারে ঢাকা শহরের রাস্তায় মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে। গাড়ির ড্রাইভার রাহুল গাড়ি থামিয়ে পিছনে তাকাল। স্যার মনে হচ্ছে কেউ গাড়ির সামনে এসে পড়েছে। গাড়ির পিছনে বসা সায়ন যিনি একজন সফল ব্যবসায়ী ল্যাপটপ থেকে চোখ না তুলে বললেন যাও নেমে দেখো। রাহুল দরজা খুলতেই আচমকা এক তরুণী গাড়ির মধ্যে ঢুকে দরজা লক করে দিল। সায়ন অবন্তিকাকে চিনতে পেরে বলল বেরিয়ে যাও। অবন্তিকা যিনি ব্যানার্জী পরিবারের একমাত্র মেয়ে হাতজোড় করে বলল প্লিজ আমাকে পাঁচ লক্ষ টাকা ধার হিসেবে দাও। সায়ন অবন্তিকার দিকে তাকিয়ে বলল টাকা ধার নিতে এসেছো? অবন্তিকা যন্ত্রণায় ছটফট করে বলল দাদুকে বাঁচাতে হবে। আমি কথা দিচ্ছি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব টাকা ফেরত দেব। সায়ন অবন্তিকার হাত চেপে ধরে বলল তুমি তো আমার কাছে আসার আগে এত অহংকার করেছিলে। এখন কেন এই অবস্থায়? অবন্তিকা বলল আমার কাছে আর কিছু নেই শুধু এই শরীর। সায়ন অবন্তিকার দিকে তাকিয়ে বলল যদি আমাকে খুশি করতে পারো তাহলে আমি তোমাকে টাকা দেব। অবন্তিকার চোখে ঘৃণা দেখা গেল। সায়ন আমি তোমার কাছে হাত পাতছি। দাদুর জীবন বাঁচাতে হবে। সায়ন বলল তুমি কি ভাবছো আমি তোমার এই শরীরের জন্য টাকা দেব? অবন্তিকা বলল আমি জানি তুমি আমাকে আগে ভালোবাসতে। কিন্তু এখন আমি desperate। সায়ন অবন্তিকার হাত ছেড়ে দিয়ে বলল তুমি কি ভাবছো? আমি তোমাকে সাহায্য করব? অবন্তিকা গাড়ির স্টিয়ারিংয়ে ধাক্কা খেয়ে পড়ে গেল। সায়ন বলল ওহ! তুমি তো এখন প্রস্টিটিউটের কাজও শুরু করেছো! অবন্তিকা চিৎকার করে বলল সায়ন আমি মরতে চাই না! সায়ন কি অবন্তিকার সাহায্য করবে? অবন্তিকা কি সত্যিই নিজের শরীর বিক্রি করতে রাজি হবে?
পুরো গল্পটি পড়তে ক্লিক করুন এই লিংকে:

অস্পষ্ট হয়ে আসা ল্যাম্পপোস্টের আলোতে কালো মেঘে ঢেকে থাকা আকাশটাকে আরও অন্ধকার দেখাচ্ছে। মুষলধারায় বৃষ্টি নেমেছ...

     ... তুই কি জানিস আজকের পরীক্ষায় তোর জন্য কি অপেক্ষা করছে? নওয়াফের গম্ভীর গলায় প্রশ্ন শুনে রিফাতের বুকের ধুকপুকানি ব...
13/12/2025

... তুই কি জানিস আজকের পরীক্ষায় তোর জন্য কি অপেক্ষা করছে? নওয়াফের গম্ভীর গলায় প্রশ্ন শুনে রিফাতের বুকের ধুকপুকানি বেড়ে গেল। কী? রিফাতের কণ্ঠে আতঙ্ক। তুই তো জানিস আমি কখনো মাফ করি না! গ্রীষ্মের scorching রোদে মাঠের মাঝখানে দাঁড়িয়ে ছিল নওয়াফ। তার শক্তিশালী দেহের ছায়ায় রিফাত যেন এক অদৃশ্য আতঙ্কে কাঁপছিল। নওয়াফ এলাকার প্রভাবশালী ছেলে তার বন্ধুদের সামনে রিফাতকে অপমান করতে একদম প্রস্তুত। আজ তোকে পরীক্ষা থেকে বের করে দেব! বলার সাথে সাথে রিফাতের মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল। কিরে তুই তো আজকাল ভারি খচ্চোর হয়ে গেছিস! নওয়াফের কথায় রিফাতের মুখে লজ্জা। স্যার আমাকে বের করে দিয়েছেন আমি কি করব? রিফাতের কণ্ঠে অসহায়ত্ব। তুই কি জানিস আমি তোর জন্য কি করতে পারি? নওয়াফের গলায় হুমকি। তুই কি ভাবছিস আমি তোর জন্য কিছু করব না? কেন বের করেছে? নওয়াফের প্রশ্নে রিফাতের মুখ কাটা। টাকা দিতে পারিনি। রিফাতের কণ্ঠে কষ্ট। তুই কি ভাবছিস আমি তোর জন্য কিছু করব না? নওয়াফের গলায় তীব্রতা। তুই কি জানিস আমি তোর জন্য কি করতে পারি? আয় আমার সঙ্গে চল। নওয়াফের নির্দেশে রিফাতের বুকের ধুকপুকানি বেড়ে গেল। কোথায়? রিফাতের কণ্ঠে আতঙ্ক। তোর শশুর বাড়ি জলদি আসবি না কোলে তুলে আনতে হবে। রিফাত কি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে? নওয়াফ কি তার জন্য কিছু করবে?
পুরো গল্পটি পড়তে ক্লিক করুন এই লিংকে:

|| বি.দ্র. এই গল্পে লিখিত সমস্ত স্থান,কাল,পাত্র কাল্পনিক। যার সাথে বাস্তবের কোনো মিল নেই। যদি কালক্রমে গল্পের কোনোক....

Address

Nasadiya Technologies Private Limited, Sona Towers, 4th Floor, No. 2, 26, 27 And 3, Krishna Nagar Industrial Area, Hosur Main Road
Bangalore
560029

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pratilipi Bengali posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Pratilipi Bengali:

Share