RIMPA

RIMPA শ্রী মা সারদা
(1)

জয় ঠাকুর 🙏
04/09/2026

জয় ঠাকুর 🙏

দেবী দুর্গার আগমন ও প্রস্থান আর দেরি নেই। দোরগোড়ায় দুর্গাপুজো কড়া নাড়ছে। আর কয়েকটা দিন পরেই পরেই আসছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎ...
04/09/2026

দেবী দুর্গার আগমন ও প্রস্থান

আর দেরি নেই। দোরগোড়ায় দুর্গাপুজো কড়া নাড়ছে। আর কয়েকটা দিন পরেই পরেই আসছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। পুজোর আনন্দে আপামর বাঙালি পথে নামবে। ধরায় পদার্পণ করবেন আদ্যাশক্তি মহামায়া। ঢাকের কাঠি, কাশফুল আর শিউলির গন্ধে মেতে উঠবে চারপাশ। তবে, আপামর ভক্তের প্রশ্ন, মা এবার কীসে আসছেন? ফিরবেন-ই বা কীসে? শাস্ত্রমতে, দুর্গতিনাশিনীর আগমন ও প্রস্থান কেবল তিথি উদযাপনের বিষয় নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে মানবজাতির আগামী এক বছরের শুভাশুভ ভাগ্যফল। শাস্ত্রীয় মতে, সপ্তমী শনিবার পড়ায় জগজ্জননীর ধরণীতে পদার্পণ ঘটছে ঘোটক অর্থাৎ ঘোড়ায় চেপে। আবার বিজয়া দশমী বুধবার হওয়ায় কৈলাসে দেবীর প্রত্যাবর্তন ঘটবে নৌকায়।

ঘোড়ায় আগমন কীসের প্রতীক?
ঘোড়াকে শাস্ত্রীয় পরিভাষায় বলা হয় ‘তুরঙ্গম’। দেবীর ঘোটকে আগমন রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বার্তা দেয়। শাস্ত্রে বলা হয়েছে— “ছত্রভঙ্গস্তুরঙ্গমে”। এর অর্থ, ঘোটকে আরোহণ করলে ধরাতলে সামাজিক ও সামরিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়। দেশ বা রাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাত ও যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়। ক্ষমতার রদবদল কিংবা সামাজিক ভারসাম্যের বিনাশ ঘটার আশঙ্কা থাকে। এক কথায়, এই বাহন মর্ত্যে ছত্রভঙ্গ পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
নৌকায় প্রস্থান কীসের প্রতীক?
দশমীতে দেবীর নৌকায় গমনের ফল আবার ভিন্ন। জ্যোতিষ ও শাস্ত্রের বচনে বলা হয়েছে— “শস্যবৃদ্ধিস্তথাজলম”। জলপথে দেবীর বিদায় মর্ত্যবাসীর জন্য মিশ্র ফল নিয়ে আসে। একদিকে যেমন ধরিত্রী সুজলা-সুফলা হয়ে ওঠে, শস্যের দারুণ ফলন হয় এবং ভক্তদের মনস্কামনা পূর্ণ হয়; অন্যদিকে তেমনই অতিবর্ষণ ও প্লাবনের ঝুঁকি থেকে যায়। প্রবল প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা বন্যার কারণে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়ার নয়।




02/09/2026
🌺 “ভগবান হলে ঠাকুরের ক্যান্সার হলো কেন?”এই প্রশ্নটি করা অন্যায় নয়।বরং প্রশ্নটি খুব স্বাভাবিক।কেউ যদি বলেন,“শ্রীরামকৃষ্...
30/08/2026

🌺 “ভগবান হলে ঠাকুরের ক্যান্সার হলো কেন?”

এই প্রশ্নটি করা অন্যায় নয়।

বরং প্রশ্নটি খুব স্বাভাবিক।

কেউ যদি বলেন,

“শ্রীরামকৃষ্ণ ভগবানের অবতার ছিলেন, তাহলে তাঁর গলায় ক্যান্সার হলো কেন?”

তাহলে উত্তর দেওয়ার আগে প্রশ্নটিকে সম্মান করা উচিত।

কারণ বিশ্বাসের সত্যতা কেবল বিশ্বাসীদের জন্য নয়।

যিনি বিশ্বাস করেন না, তাঁর প্রশ্নের কাছেও সত্যের কোনো ভয় থাকা উচিত নয়।

তাহলে আসুন...

শ্রীরামকৃষ্ণের জীবনের শেষ অধ্যায়ের দিকে একটু ফিরে তাকাই। 🙏

🌿 ১৮৮৫ সাল। ঠাকুরের গলায় অসুখ শুরু হয়েছে

প্রথমে গলার সমস্যা।

ক্রমে অসুখ বাড়ল।

চিকিৎসা হলো।

শ‍্যামপুকুরে নিয়ে যাওয়া হলো।

তারপর চিকিৎসার সুবিধার জন্য তাঁকে নিয়ে যাওয়া হলো কাশীপুর উদ্যানবাটীতে।

বেলুড় মঠের নিজস্ব জীবনীতে স্পষ্টভাবে রয়েছে যে তাঁর গলার অসুখ শেষ পর্যন্ত ক্যান্সারে পরিণত হয়েছিল। এরপর তাঁর তরুণ শিষ্যরা দিনরাত তাঁর সেবা করতে শুরু করেন।

অর্থাৎ...

তিনি কষ্ট পেয়েছিলেন।

শরীর ভেঙে গিয়েছিল।

খাবার গ্রহণ করাও কঠিন হয়ে পড়েছিল।

এখানে কোনো অলৌকিক গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই।

অসুখটি সত্যিই ছিল।

🌺 কিন্তু আশ্চর্য প্রশ্নটি এখানেই

ঠাকুর চাইলে কি নিজের শরীরকে সারিয়ে দিতে পারতেন?

এই প্রশ্ন তাঁর শিষ্যদের মনেও এসেছিল।

রাখাল একসময় যন্ত্রণায় কাতর হয়ে ঠাকুরকে অনুরোধ করেছিলেন, তিনি যেন ঈশ্বরের কাছে নিজের সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করেন।

কিন্তু ঠাকুরের উত্তর ছিল,

“সে সব ঈশ্বরের ইচ্ছার উপর।”

বেলুড় মঠের স্বামী ব্রহ্মানন্দের জীবনীতে এই ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, নিজের স্বাস্থ্য বা কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে ঈশ্বরের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রার্থনা করা ঠাকুরের পক্ষে সম্ভব ছিল না।

আর শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণের শেষ জীবনের কথোপকথনে আরও একটি গভীর ঘটনা পাওয়া যায়।

ঠাকুর নিজের শরীরের জন্য প্রার্থনা করতে অনিচ্ছুক ছিলেন। শেষ পর্যন্ত যখন তিনি মায়ের কাছে নিজের কষ্টের কথা জানান, তখন তাঁর উপলব্ধি হয়েছিল এমন এক সত্য, যা তাঁর সমগ্র জীবনদর্শনের সঙ্গে মিলে যায়।

মা তাঁকে যেন তাঁর চারপাশের ভক্তদের দেখিয়ে বলেছিলেন,

“তুমি কি এদের মুখ দিয়ে খাচ্ছ না?”

একজন মানুষ নিজের শরীরের জন্য প্রার্থনা করছেন...

আর উত্তর আসছে,

“তুমি তো এই সকলের মধ্য দিয়েই খাচ্ছ।”

এই একটি কথার মধ্যে শ্রীরামকৃষ্ণের জীবনদর্শনের কতটা গভীরতা আছে, একবার ভেবে দেখুন। 🙏

🪷 তাহলে কি তিনি অসুস্থতা সারাতে পারতেন না?

এখানে একটু সাবধানে উত্তর দিতে হবে।

আমরা কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলতে পারি না যে তিনি ক্যান্সার সারাতে পারতেন বা পারতেন না।

আবার তাঁর আধ্যাত্মিক শক্তির কথা বলে এমন দাবিও করা ঠিক নয় যে তিনি ইচ্ছা করলেই যে কোনো শারীরিক রোগকে অলৌকিকভাবে দূর করতে পারতেন।

বরং রামকৃষ্ণ-পরম্পরার আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যায় শরীরের কষ্ট এবং আত্মার উপলব্ধিকে এক করে দেখা হয় না।

শরীরের কষ্ট এক জিনিস।
আত্মার বন্ধন আরেক জিনিস।

🌼 ঠাকুর কি কষ্ট অনুভব করতেন?

হ্যাঁ।

শরীরের যন্ত্রণা ছিল।

কিন্তু তাঁর চেতনা সেই যন্ত্রণার মধ্যে আটকে থাকত না।

কাশীপুরের শেষ দিনগুলির কথোপকথনে তাঁর এমন মনোভাবের প্রকাশ দেখা যায়, যেখানে শরীর ও ব্যাধিকে তাদের নিজস্ব স্তরে চলতে দিয়ে মনকে আনন্দে রাখার কথা বলা হয়েছে।

অর্থাৎ তিনি শরীরকে অস্বীকার করছেন না।

তিনি বলছেন,

শরীরের স্তরে যা ঘটছে, ঘটুক। কিন্তু মনকে সেই কষ্টের দাস হতে হবে না।

এটাই যোগ ও বেদান্তের এক গভীর শিক্ষা। 🌺

🌺 এবার আসি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে

“তাহলে কিসের ভগবান?”

এই প্রশ্নের উত্তর হয়তো এখানেই লুকিয়ে আছে।

আমরা যদি ভগবান বলতে এমন একজনকে বুঝি,

যিনি নিজে কোনোদিন অসুস্থ হবেন না, ক্ষুধার্ত হবেন না, কষ্ট পাবেন না, বার্ধক্য হবে না, মৃত্যুও হবে না,

তাহলে মানুষের শরীর ধারণ করে ঈশ্বরের অবতার হওয়ার ধারণাটাই অর্থহীন হয়ে যায়।

রামকৃষ্ণ-পরম্পরার ব্যাখ্যায় অবতার মানে ঈশ্বর মানুষের শরীর ধারণ করেন।

বেলুড় মঠে সংরক্ষিত শ্রীরামকৃষ্ণের বাণীতে অবতারের প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, ঈশ্বর ইচ্ছা করলে মানুষের মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হতে পারেন এবং প্রেমভক্তি শেখানোর জন্য ঈশ্বর মানুষদেহ ধারণ করে সময়ে সময়ে অবতীর্ণ হন।

অর্থাৎ...

মানবদেহ গ্রহণ করা মানেই মানবদেহের নিয়মকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করা নয়।

🕉️ আর কাশীপুরে আসলে কী ঘটেছিল?

এখানেই হয়তো সবচেয়ে বড় উত্তরটি রয়েছে।

ঠাকুরের অসুস্থতা তাঁর শিষ্যদের ভেঙে দেয়নি।

তাদের গড়ে তুলেছিল।

নরেন্দ্র, রাখাল, তারক, শরৎ, শশী, নিরঞ্জন, লাটু এবং অন্যান্য তরুণ শিষ্যরা নিজেদের জীবন ভুলে গিয়ে ঠাকুরের সেবায় আত্মনিয়োগ করেছিলেন।

বেলুড় মঠের জীবনীতে বলা হয়েছে, কাশীপুরে ঠাকুরের সেবার দিনগুলিই এই তরুণদের মধ্যে গভীর ভ্রাতৃত্ব, ত্যাগ ও আধ্যাত্মিক সাধনার আগুনকে আরও জ্বালিয়ে দিয়েছিল।

আজ যে রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন সেবা, শিক্ষা, চিকিৎসা ও মানবকল্যাণের কাজ করে চলেছে...

তার আধ্যাত্মিক শিকড়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যেন লেখা হয়েছিল সেই কাশীপুরের অসুস্থ শয্যার পাশে। 🙏

🌺 ভাবুন তো...

যদি ঠাকুর সেই সময় হঠাৎ নিজের রোগ সারিয়ে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যেতেন,

তাহলে কি তাঁর শিষ্যদের সেই অসাধারণ সেবার সুযোগ হতো?

তাঁদের মধ্যে যে ভ্রাতৃত্ব তৈরি হয়েছিল?

ত্যাগের যে আগুন জ্বলে উঠেছিল?

মানুষের সেবাকে ঈশ্বরসাধনার অংশ হিসেবে দেখার যে চেতনা পরে স্বামী বিবেকানন্দ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিলেন?

আমরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি না যে ঈশ্বরের পরিকল্পনা কী ছিল।

কিন্তু ইতিহাস আমাদের সামনে একটি আশ্চর্য সত্য রেখে গেছে।

কাশীপুরের সেই অসুস্থ শরীরের পাশে দাঁড়িয়েই একদল তরুণ নিজেদের জীবন বদলে ফেলেছিলেন। 🌺

🌿 আর একটি কথা...

শ্রীরামকৃষ্ণের ভক্ত হওয়া মানে এই নয় যে প্রত্যেক প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে আমাদের বলতে হবে,

“ঠাকুর সব রোগ সারিয়ে দিতে পারতেন, তাই তিনি সারাননি।”

এমন কথা প্রমাণ করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।

বরং আরও সুন্দর উত্তর হতে পারে—

“হ্যাঁ, ঠাকুরের শরীরেও রোগ এসেছিল। তিনি চিকিৎসা নিয়েছিলেন। কষ্টও হয়েছিল। কিন্তু সেই কষ্ট তাঁর আধ্যাত্মিক চেতনা বা মানুষের প্রতি তাঁর প্রেমকে পরাজিত করতে পারেনি।”

এটাই ইতিহাসের কাছাকাছি।

এটাই তাঁর জীবন থেকে পাওয়া শিক্ষা।

আর এটাই হয়তো তাঁর মানবজন্মের গভীর রহস্যের একটি দিক। 🙏

🌺 তাই প্রশ্নটা একটু বদলে দেখি

“ভগবান হলে ঠাকুরের ক্যান্সার হলো কেন?”

এই প্রশ্নের পাশাপাশি আর একটি প্রশ্ন করি—

“ক্যান্সারের মতো অসহ্য যন্ত্রণার মধ্যেও একজন মানুষ কীভাবে ঈশ্বরচেতনা, প্রেম, করুণা এবং অন্যের কল্যাণের কথা ভাবতে পারেন?”

প্রথম প্রশ্নটি আমাদের তর্কের দিকে নিয়ে যায়।

দ্বিতীয় প্রশ্নটি আমাদের অনুসন্ধানের দিকে নিয়ে যায়।

আর হয়তো সেখানেই শ্রীরামকৃষ্ণকে বোঝার দরজা খুলতে শুরু করে। 🙏🌺

জয় ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ তোমাকে প্রণাম





রণথম্ভোরের এই শতাব্দীপ্রাচীন মন্দিরের নাম ত্রিনেত্র গণেশ মন্দিরসারা ভারত জুড়ে রয়েছে বিভিন্ন ধৰ্মীয় বৈচিত্র। আবার হিন্দু ...
28/08/2026

রণথম্ভোরের এই শতাব্দীপ্রাচীন মন্দিরের নাম ত্রিনেত্র গণেশ মন্দির

সারা ভারত জুড়ে রয়েছে বিভিন্ন ধৰ্মীয় বৈচিত্র। আবার হিন্দু ধর্মের মঠ-মন্দিদের মধ্যেও আছে নানা বৈচিত্র।

সারা ভারত জুড়ে রয়েছে বিভিন্ন ধৰ্মীয় বৈচিত্র। আবার হিন্দু ধর্মের মঠ-মন্দিদের মধ্যেও আছে নানা বৈচিত্র। তেমনই এক মন্দির আছে রাজস্থানের সাওয়াই মাধোপুরে। পাহাড়ি চূড়ায় দাঁড়িয়ে ঐতিহাসিক রণথম্ভোর দুর্গ। আর এই সুপ্রাচীন কেল্লার বুক চিরে জেগে উঠেছে এক অনন্য ভক্তিপীঠ। এখানে সিদ্ধিদাতা গণেশ একা নন, বিরাজ করছেন সপরিবারে। রাজস্থানের এই অপূর্ব প্রান্তে ভ্রমণ শুধু ইতিহাসের সন্ধান দেয় না, আত্মিক প্রশান্তিও জোগায়। একমাত্র দেশের এই মন্দিরেই সপরিবারে বিরাজ করছেন তিন চোখের অলৌকিক গণেশ। রণথম্ভোরের এই শতাব্দীপ্রাচীন মন্দিরের নাম ত্রিনেত্র গণেশ মন্দির। চতুর্দশ শতাব্দীর সূচনা লগ্নে রাজা হাম্মীর দেব এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। আলাউদ্দিন খিলজির অবরোধের সময় রাজা স্বপ্নে গণেশের দর্শন পান। পরের দিনই দুর্গের দেওয়ালে আবির্ভূত হয় তিন চোখের এই অলৌকিক মূর্তি। বিশ্বাস করা হয়, এর পরেই দুর্গের খাদ্যসংকট দূর হয় এবং যুদ্ধের মেঘ কাটে। গণেশের পাশাপাশি এখানে রয়েছেন তাঁর দুই স্ত্রী ঋদ্ধি ও সিদ্ধি, দুই পুত্র শুভ ও লাভ এবং বাহন মূষিক। এখানকার অন্যতম আকর্ষণ চিঠির মাধ্যমে নিমন্ত্রণ। শুভ কাজ বা বিয়ের আগে ভক্তরা আজও দূর-দূরান্ত থেকে বাপ্পাকে চিঠি পাঠিয়ে আমন্ত্রণ জানান।

রণথম্ভোর ভ্রমণের জন্য সেরা সময় হল অক্টোবর থেকে মার্চ মাস। এই সময় আবহাওয়া অত্যন্ত মনোরম থাকে। সেপ্টেম্বর মাসে গণেশ চতুর্থীর সময় গেলে মন্দিরের বিশেষ রূপ ও মেলা প্রত্যক্ষ করা যায়। নিকটতম রেল স্টেশন হল সাওয়াই মাধোপুর, যা মন্দির থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। আকাশপথে আসতে চাইলে জয়পুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামতে হবে। বিমানবন্দর থেকে রণথম্ভোরের দূরত্ব প্রায় ১৮০ কিলোমিটার। স্টেশন বা বিমানবন্দর থেকে ক্যাব কিংবা বাস সহজেই মেলে।


Ramakrishna mission, belur math  ,belurmathmoment
24/08/2026

Ramakrishna mission, belur math ,belurmathmoment

তুমি কি কখনও অনুভব করেছ—জীবনের এত হিসাব, এত পাপ-পুণ্য, এত ভাল-মন্দের মাঝে মন ক্লান্ত হয়ে পড়ে?শ্রীশ্রীঠাকুর বলতেন—ঈশ্বরের...
22/08/2026

তুমি কি কখনও অনুভব করেছ—
জীবনের এত হিসাব, এত পাপ-পুণ্য, এত ভাল-মন্দের মাঝে মন ক্লান্ত হয়ে পড়ে?
শ্রীশ্রীঠাকুর বলতেন—
ঈশ্বরের শরণাগত হলে কর্ম ক্ষয় হয়।
কারণ তখন মানুষ নিজের অহংকার, নিজের দাবি, নিজের বিচার—সব ধীরে ধীরে তাঁর চরণে সমর্পণ করতে শেখে।
ঠাকুর মা কালীকে ফুল হাতে প্রার্থনা করেছিলেন—
“মা, এই লও তোমার পাপ, এই লও তোমার পুণ্য…
আমি কিছুই চাই না, আমায় শুদ্ধাভক্তি দাও।”
কি গভীর এই প্রার্থনা!
তিনি পাপও চাননি, পুণ্যও চাননি।
ভাল-মন্দ, ধর্ম-অধর্ম, জ্ঞান-অজ্ঞান—কিছুই আঁকড়ে রাখতে চাননি।

তিনি শুধু চেয়েছিলেন—
এক নির্মল, নিঃস্বার্থ, শুদ্ধ ভক্তি।
আমরা সাধারণত ঈশ্বরের কাছে কিছু চাই—
সাফল্য, শান্তি, মুক্তি, সুখ…
কিন্তু ঠাকুর শেখালেন,
সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হলো এমন এক হৃদয়,
যেখানে শুধু তাঁর জন্য ভালবাসা থাকে।
যখন মানুষ সত্যিই ঈশ্বরের শরণ নেয়,
তখন জীবনের বোঝাও ধীরে ধীরে হালকা হতে থাকে।
কারণ তখন আর “আমি” থাকে না—
থাকে শুধু তাঁর ইচ্ছার উপর নির্ভরতা।
শুদ্ধভক্তি মানে শুধু পূজা নয়।
শুদ্ধভক্তি মানে—
অহংকার ছেড়ে দেওয়া,
নিজেকে তাঁর হাতে সমর্পণ করা,
আর বিশ্বাস রাখা—
তিনি যা করেন, তা-ই মঙ্গল।

আজ নিজেকে জিজ্ঞেস করো—
আমি কি এখনও শুধু নিজের ইচ্ছাকেই আঁকড়ে ধরে আছি…
নাকি সত্যিই তাঁর চরণে নিজেকে সমর্পণ করতে শিখছি?

🙏

জয় মা 🙏
22/08/2026

জয় মা 🙏

এই মন্দিরের স্বপ্ন স্বামী বিবেকানন্দ বহুদিন থেকে দেখেছেন।🌺নিজেই নানা সময়ে মন্দিরের নকশা করেছেন, কিন্তু নিজে দেখে যেতে পা...
22/08/2026

এই মন্দিরের স্বপ্ন স্বামী বিবেকানন্দ বহুদিন থেকে দেখেছেন।🌺

নিজেই নানা সময়ে মন্দিরের নকশা করেছেন, কিন্তু নিজে দেখে যেতে পারেননি।

দেখে যে যেতে পারবেননা তা বুঝেই তিনি স্বামী বিজ্ঞানানন্দকে মন্দিরের নকশা নির্মাণ এর নির্দেশ দিয়ে বলেছিলেন, "এই দেহটা ততদিন থাকবেনা, তবে আমি উপর থেকে দেখবো।"🌺

বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ার মিস্টার গাইথার এর সঙ্গে পরামর্শ করে স্বামী বিজ্ঞানানন্দ যে নকশা তৈরী করলেন স্বয়ং তা দেখে খুব খুশি হয়েছিলেন।

তবে তার আগে স্বামী বিবেকানন্দ বেশ কয়েকবার নকশা সংশোধন করেছিলেনন।

মন্দিরের ভিত্তি স্থাপন হলো স্বামিজীর মৃত্যুর অনেক পরে

১৯২১ সালের ১৩ই মার্চ ।🌺
পরে স্থানের কিছুটা পরিবর্তন এর জন্য নতুন করে ভিত্তি স্থাপন হলো ১৯৩৫ সালের ৫ই মার্চ।

১৯৩৮ সালে মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ হিসেবে স্বামী বিজ্ঞানানন্দ "আত্মারামের কৌটা" নিয়ে আসেন এখানে।
ঠাকুরের বিগ্রহের নিচে আত্মারামের কৌটো প্রোথিত রয়েছে।
মন্দির করতে লাগে আনুমানিক আটলক্ষ টাকা। তার মধ্যে ছ'লক্ষ টাকা দেন ভক্তিমতী আমেরিকান মহিলা হেলেন রুবেল (ভক্তি ) ও একলক্ষ টাকা দেন আনা উরস্টার (অন্নপূর্ণা)
মন্দির তৈরী করেন মারটিন বার্ন কোম্পানি।
ঠাকুরের বিগ্রহ তৈরী করেন গোপেশ্বর পাল।
ঠাকুরের যে ফটো টি দেখে এই মূর্তি তৈরী হয় সেটি তুলেছিলেন অবিনাশ চন্দ্র দাঁ ১৮৮৩ সালে।

গর্ভমন্দির এর বাইরের দেওয়াল চুনার পাথরে মোড়া। নাট মন্দিরের দেওয়াল পাথর, প্লাস্টার এবং চুনার রংঢালা কংক্রিট দ্বারা আবৃত।
গর্ভগৃহ এর মাপ ২৬`*৮৩`*২৬।
নাট মন্দিরেএ মাপ ৯৮`*৪১`|
সমস্ত মন্দিরের মাপ ২০৪`*৮৩`*১১২`।

গর্ভ গৃহ এর ভিতরের কুলুঙ্গিতে শ্রীমার পদধূলি রাখা আছে।

🌺আজ ১৬ ই আগস্ট:   কাশীপুরে থেমেছিল একটি দেহ, থামেনি একটি জীবনদর্শন ,কাশীপুরের সেই শেষ রাত, ঠাকুরের অমর জীবনদর্শন।কিছু মা...
19/08/2026

🌺আজ ১৬ ই আগস্ট:

কাশীপুরে থেমেছিল একটি দেহ, থামেনি একটি জীবনদর্শন ,কাশীপুরের সেই শেষ রাত, ঠাকুরের অমর জীবনদর্শন।

কিছু মানুষ পৃথিবী থেকে চলে যান, কিন্তু তাঁদের চলে যাওয়া মানেই শেষ হয়ে যাওয়া নয়। তাঁরা থেকে যান তাঁদের জীবনদর্শনে, তাঁদের উপলব্ধিতে, আর মানুষের চিন্তার গভীরে।

১৮৮৬ সালের ১৬ আগস্ট, কাশীপুর উদ্যানবাটীতে শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণদেব তাঁর নশ্বর দেহ ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিনের অসুস্থতায় তাঁর শরীর তখন অত্যন্ত দুর্বল। কণ্ঠের অসুস্থতার কারণে কথা বলা ও খাবার গ্রহণ করাও তাঁর জন্য কষ্টকর হয়ে উঠেছিল। তবুও তাঁর চারপাশে থাকা শিষ্যদের প্রতি তাঁর স্নেহ ও আধ্যাত্মিক দিশা শেষ দিন পর্যন্ত অটুট ছিল।

নরেন্দ্রনাথসহ তাঁর তরুণ শিষ্যরা দিনরাত তাঁর সেবা করতেন। কাশীপুরের সেই শেষ দিনগুলি তাঁদের কাছে শুধু গুরুসেবার সময় ছিল না—ছিল জীবনের এক গভীর পাঠ।

রামকৃষ্ণদেবের দর্শনের একটি গভীর দিক ছিল—ঈশ্বরকে কেবল বাইরে খুঁজলে হবে না, নিজের অন্তরকেও সেই সন্ধানের উপযুক্ত করে তুলতে হবে। মানুষের মন যতক্ষণ অহংকার, আসক্তি ও স্বার্থের ভারে আবদ্ধ থাকে, ততক্ষণ সত্যকে উপলব্ধি করা কঠিন। তাই তাঁর সাধনায় ছিল আত্মশুদ্ধি, ঈশ্বরের প্রতি সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ এবং সত্যের জন্য গভীর আকুলতা।

তিনি দেখিয়েছিলেন, ধর্ম শুধু তর্কের বিষয় নয়, শুধু আচার পালনের বিষয়ও নয়। ধর্ম হল উপলব্ধির বিষয়—যা নিজের জীবনে অনুভব করতে হয়। বিভিন্ন পথ, বিভিন্ন সাধনা, বিভিন্ন বিশ্বাসের মধ্য দিয়েও মানুষ সেই এক পরম সত্যের দিকে এগিয়ে যেতে পারে—এই উপলব্ধিই তাঁর জীবনদর্শনের অন্যতম গভীর ভিত্তি।

১৬ আগস্ট গভীর রাতে, প্রায় ১টা ২ মিনিটে*,` তিনি মহাসমাধিতে লীন হন। একটি শরীরের যাত্রা সেদিন থেমেছিল, কিন্তু একটি ভাবধারার যাত্রা তখনই যেন আরও দূরে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছিল।

আজ তাঁর তিরোধান দিবসে তাই প্রশ্নটা শুধু “তিনি কী বলেছিলেন?” নয়।

প্রশ্নটা আরও গভীর—

আমরা নিজের জীবনে কতটা সত্যকে খুঁজি?“যে সত্যকে পেতে চায়, তাকে সত্যের জন্য ব্যাকুল হতে হয়।”

এই ব্যাকুল সত্যসন্ধানই ছিল তাঁর সাধনাজীবনের অন্যতম গভীর শিক্ষা—আর সেই কারণেই দেহের অবসানের বহু বছর পরেও তাঁর জীবন আজও মানুষকে নিজের অন্তরের দিকে ফিরে তাকাতে শেখায়। 🙏
কতটা অহংকারের বাইরে এসে মানুষকে দেখতে পারি?
আর কতটা নিজের অন্তরের অন্ধকার সরিয়ে সত্যের দিকে এগোতে পারি?

হয়তো রামকৃষ্ণদেবের জীবনদর্শনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা এখানেই—ঈশ্বরকে খোঁজার আগে নিজেকে সত্যের সামনে দাঁড় করাতে হয়।

🙏 পরমহংসদেব শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণকে তিরোধান দিবসে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ।🌺🙏

দেহের অবসান হয়, কিন্তু সত্যের উপলব্ধি ও আদর্শের কোনো তিরোধান হয় না।

ছবি -সংগৃহীত

#শ্রীরামকৃষ্ণ #রামকৃষ্ণদেব #রামকৃষ্ণপরমহংস #তিরোধানদিবস #কাশীপুর

Address

Bankura

Opening Hours

Monday 11am - 11pm
Wednesday 11am - 11pm
Sunday 11am - 11pm

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RIMPA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share