Hare Krishna

Hare Krishna এই পেইজে সবাইকে জানাই হরেকৃষ্ণ💝❤️রাধেরাধে💝❤️
এই চ্যানেল শুধুমাত্র কৃষ্ণ ভক্তদের জন্য........

পাথরের বিগ্রহও কি কাঁদতে পারে? মায়াপুরের এক অলৌকিক সন্ধ্যা✨ আজ যা দেখলাম, তা দেখার জন্য হয়তো কোনো চর্মচক্ষু নয়, হৃদয়ের চ...
20/02/2026

পাথরের বিগ্রহও কি কাঁদতে পারে? মায়াপুরের এক অলৌকিক সন্ধ্যা✨

আজ যা দেখলাম, তা দেখার জন্য হয়তো কোনো চর্মচক্ষু নয়, হৃদয়ের চোখের প্রয়োজন ছিল। আজ মায়াপুরের আকাশ-বাতাস যেন এক গভীর অতৃপ্ত তৃষ্ণায় কাঁদছিল।

শ্রীল জয়পতাকা স্বামী গুরুমহারাজ— আজ যখন তিনি কীর্তনে বসলেন, তাঁর কণ্ঠ থেকে যখন "হরে কৃষ্ণ" মহামন্ত্র ধ্বনিত হলো, তখন মনে হলো না ওটা কোনো সাধারণ সুর। ওটা ছিল এক তৃষ্ণার্ত আত্মার পরমাত্মার প্রতি বুক ফাটানো আর্তনাদ।

গুরুমহারাজের প্রতিটি নিঃশ্বাসে যেন শুধু ‘নাম’ নয়, তাঁর জীবনটাই নিংড়ে দিচ্ছিলেন বিগ্রহের চরণে।

হঠাৎ পঞ্চতত্ত্বের শ্রীবিগ্রহের দিকে তাকিয়ে সবাই অবাক হয়ে গেল। মনে হলো, চোখের ভুল? না, অনুভব। বিগ্রহ তো কেবল ধাতু বা শিলার তৈরি নয়, ভক্তের টানে তিনি যে ‘প্রাণ’। গুরুমহারাজের সেই করুণ কণ্ঠের প্রতিটি নাম যখন প্রভুর হৃদয়ে গিয়ে আছড়ে পড়ছিল, তখন মহাপ্রভুর চোখের থেকে দিব্য অশ্রু গড়িয়ে পরছিল। সে এক অপূর্ব দৃশ্য।

ভক্ত আর ভগবানের মধ্যে যে কোনো দূরত্ব থাকতে পারে না, কোনো প্রাচীর থাকতে পারে না—আজ মায়াপুরের মন্দিরের সেই নিস্তব্ধ মুহূর্তটি তার সাক্ষী হয়ে রইল। ভক্তের টানে ভগবানও যে ব্যাকুল হন, বিগ্রহও যে সাড়া দেন, সেটা আজ আবার প্রমাণ হয়ে গেল 🌼

🙇🙏গুরুদেবের কীর্তনের সময় নিত্যানন্দ প্রভুর চোখের জল, 😭শ্রীবিগ্রহও অশ্রুসিক্ত হয় যখন শ্রীল গুরুমহারাজের কন্ঠে তারকব্রহ্ম মহানাম কীর্তন হয়।

🙇🙏আমরা কত ভাগ্যবান যে এমন একজন শুদ্ধ বৈষ্ণবের ,গুরুমহারাজের ছায়াতলে আমরা আশ্রয় পেয়েছি! ♥️

শ্রীল জয়পতাকা স্বামী গুরুমহারাজ কি জয়!

কীর্তন মেলা ২০২৬,শ্রীধাম মায়াপুর

゚viralシfypシ゚viralシal ゚ #মায়াপুর

বিরহের যন্ত্রনা যতো গভীর, মিলনের আনন্দ ততো তিব্র।করুনা ধারায় সিক্ত করো।ত্রিজগতে তুমিই আমার একমাত্র।Hare Krishna ❤️🌼🙏 Rad...
08/02/2026

বিরহের যন্ত্রনা যতো গভীর, মিলনের আনন্দ ততো তিব্র।
করুনা ধারায় সিক্ত করো।
ত্রিজগতে তুমিই আমার একমাত্র।
Hare Krishna ❤️🌼🙏 Radhe Radhe ❤️🌼🙏

প্রাণ ❤️‍🩹🌼🙏
04/02/2026

প্রাণ ❤️‍🩹🌼🙏

01/02/2026

I got over 650 reactions on my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

মহাভারতে যুদ্ধ সময় পবিত্র শঙ্খধ্বনি শুধু একটি শব্দ ছিল না—এটি ছিল ভাগ্যের ঘোষণা । প্রতিটি শঙ্খের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল শক্তি...
28/01/2026

মহাভারতে যুদ্ধ সময় পবিত্র শঙ্খধ্বনি শুধু একটি শব্দ ছিল না—এটি ছিল ভাগ্যের ঘোষণা । প্রতিটি শঙ্খের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল শক্তি, পরিচয় ও দিব্য প্রতীকী অর্থ।
ভগবান কৃষ্ণের পাঞ্চজন্য ছিল স্বয়ং বিষ্ণুর উপস্থিতির প্রতিধ্বনি—রক্ষা ও মহাজাগতিক শৃঙ্খলার প্রতীক।
অর্জুনের দেবদত্ত ঘোষণা করত সাহস ও অতুলনীয় একাগ্রতা।
ভীমের পৌণ্ড্র গর্জে উঠত অদম্য শক্তি ও নির্ভীকতার সঙ্গে।
যুধিষ্ঠিরের অনন্তবিজয় প্রতীক ছিল ধর্ম, সত্য ও অনিবার্য বিজয়ের।
এই মহাশঙ্খগুলো সাধারণ যুদ্ধের বাদ্যযন্ত্র ছিল না—এগুলো ছিল পবিত্র প্রতীক, যা নেতিবাচকতা দূর করে, যোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করে এবং সমগ্র বিশ্বকে কাঁপিয়ে দেয় বলে বিশ্বাস করা হতো । হিন্দু শাস্ত্রে শঙ্খকে খ্যাতি, সমৃদ্ধি ও আধ্যাত্মিক পবিত্রতার দাতা বলা হয়েছে; এমনকি একে দেবী লক্ষ্মীর আবাসও বলা হয়।
ভাবুন কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের আগে সেই মুহূর্ত—নিস্তব্ধতা, উত্তেজনা, আর তারপর শঙ্খধ্বনি, যা ঘোষণা করল ধর্মের জাগরণ

 #‎একাদশী উপবাস কি? কিভাবে জগতে একাদশী উপবাসের প্রচলন হয়? একাদশীদেবীর আবির্ভাব কীভাবে হয়েছে?‎‎একাদশী উপবাস: জ্যোতিষশাস্ত...
27/01/2026

#‎একাদশী উপবাস কি? কিভাবে জগতে একাদশী উপবাসের প্রচলন হয়? একাদশীদেবীর আবির্ভাব কীভাবে হয়েছে?

‎একাদশী উপবাস: জ্যোতিষশাস্ত্র বা বৈদিক দিনপঞ্জি অনুযায়ী, মাসের শুক্ল এবং কৃষ্ণ এ দুটি পক্ষের একাদশ তিথিতে পরমেশ্বর শ্রীকৃষ্ণের প্রীতি বিধানের জন্য ভক্ত যে উপবাস পালন করেন তাঁকে একাদশী উপবাস বলা হয়। অনেকের ধারনা উপবাস মানে শুধু অনাহারে থাকা। কিন্তু শাস্ত্রের দৃষ্টিতে উপবাসের অর্থ সেটি নয়।বরং উপ' শব্দে নিকটে এবং 'বাস' শব্দে অবস্থান করাকে নির্দেশ করে। সুতরাং উপবাস শব্দের অর্থ হল আমাদের ৫টি কর্মেন্দ্রিয়, ৫টি জ্ঞানেন্দ্রিয় এবং মনকে সর্বগুণের ঈশ্বর পরমাত্মা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শ্রীচরনারবিন্দে সম্পূর্ণরূপে নিবদ্ধ করে তাঁর নিকটে বাস করার যে প্রয়াস তাকে উপবাস বলা হয়। এ বিষয়ে স্কন্দপুরাণে (বিষ্ণুখণ্ড, মার্গশীর্ষমাসমাহাত্ম্য) বলা হয়েছে-

"উপবৃত্তন্তু পাপেভ্যো যজ্ঞ বাসো গুণৈঃ সহ।
উপবাসঃ স বিজ্ঞেয়ো ন শরীরস্য শোষণম্ ॥

পাপের প্রবৃত্তি হতে নিবৃত্তি এবং গুণ সকলের সাথে বসবাস, একেই উপবাস বলে; কিন্তু কেবল শরীর শোষণ উপবাস নয়।" অগ্নিপুরাণেও (১৫৭.৫-৬) একই কথা বলা হয়েছে।

‎‎একাদশী উপবাসের প্রচলনঃ পদ্মপুরাণের ক্রিয়াযোগসারের বর্ণনা অনুযায়ী—

"একসময় জৈমিনি ঋষি তাঁর গুরুদেব মহর্ষি ব্যাসদেবকে জিজ্ঞেস করলেন, হে গুরুদেব, সম্প্রতি অখিল পাপনাশক একাদশীর ফল সকল সযত্বে শুনতে ইচ্ছা করি। হে বিজ্ঞ, জগতে কি কারণে একাদশীর আবির্ভাব? ঐ একাদশীর বিধি কি? একাদশী পালন কখন কর্তব্য? তার কি ফল- এ সকল আমাকে বলুন। হে সদগুণ সাগর! একাদশীতে কোন্ দেব(ঈশ্বর) বিশেষ ভাবে পূজিত হন? যে ব্যক্তি একাদশী পালন করে না তার কি ক্ষতি হয়? এসমস্ত বিষয়ে আপনি দয়া করে বলুন।

‎মহর্ষি ব্যাসদেব তখন বলতে লাগলেন,হে বিপ্রসত্তম! নারায়ণ ভিন্ন অন্য কেউ সম্যকরূপে একাদশীর ফল বর্ণনা করতে সমর্থ নয়। তাই তোমার নিকট তা আমি সংক্ষেপে বলছি।সৃষ্টির প্রারম্ভে পরমেশ্বর ভগবান এ জড়সংসারে স্থাবর জঙ্গম সৃষ্টি করে সকলের শাসনের জন্য এক পাপপুরুষ নির্মাণ করলেন। সেই পাপপুরুষের অঙ্গগুলো বিভিন্ন পাপ দিয়েই নির্মিত হলো। একসময় পাপপুরুষের ভয়ঙ্কর প্রভাব দর্শন করে ভগবান শ্রীবিষ্ণু মর্ত্যের মানব জাতির দুঃখমোচন করার কথা চিন্তা করতে লাগলেন। একদিন গরুড়ের পিঠে চড়ে ভগবান যমরাজের আলয়ে আগমন করেন। ভগবানকে দর্শন করে যমরাজ উপযুক্ত স্বর্ণ সিংহাসন বসিয়ে পাদ্য, অর্ঘ্য ইত্যাদি দিয়ে যথাবিধি পূজা করলেন।যমরাজের সঙ্গে কথোপকথন কালে ভগবান শুনতে পেলেন দক্ষিণ দিক থেকে অসংখ্য জীবের আর্তক্রন্দন ধ্বনি। প্রশ্ন করলেন- এ আর্তক্রন্দন কেন? যমরাজ বললেন, হে প্রভু, মর্ত্যের পাপী মানুষেরা নিজ কর্মদোষে নরকযাতনা ভোগ করছে। সেই যাতনার আর্ত চিৎকার শোনা যাচ্ছে। যন্ত্রণাকাতর পাপাচারী জীবদের দর্শন করে করুণাময় ভগবান চিন্তা করলেন- "আমিই সমস্ত প্রজা সৃষ্টি করেছি, আমার সামনেই ওরা কর্মদোষে দুষ্ট হয়ে নরক যাতনা ভোগ করছে, এখন আমিই এদের সদ্গতির ব্যবস্থা করবো।" ভগবান শ্রীহরি সেই পাপাচারীদের সামনে একাদশী তিথি রূপে এক দেবীমূর্তিতে প্রকাশিত হলেন। সেই পাপীদের একাদশী ব্রত আচরণ করালেন। একাদশী ব্রতের ফলে তারা সর্বপাপ মুক্ত হয়ে বৈকুন্ঠ ধামে গমন করলেন।

‎একাদশী তিথিকে সমস্ত সৎকর্ম্মের মধ্যে উত্তম এবং জগৎপাবনী জেনে ভীত পাপপুরুষ বিষ্ণুর স্তব করার জন্য তার নিকটে উপস্থিত হলেন এবং কৃতাঞ্জলিপুটে বলতে লাগলেন,হে ভগবান, দয়া করে আপনি আমার দুঃখ দূর করুন। একাদশী তিথির ভয় থেকে আমাকে রক্ষা করুন। হে কৈটভনাশন, আমি একমাত্র একাদশীর ভয়ে ভীত হয়ে পলায়ন করছি।মানুষ, পশুপাখি, কীট,পতঙ্গ, জল,স্থল, বন,প্রান্তর, পর্বত,সমুদ্র, বৃক্ষ, নদী, স্বর্গ,মর্ত্য, পাতাল সর্বত্রই আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছি, কিন্তু একাদশীর প্রভাবে কোথাও নির্ভয় স্থান পাচ্ছি না দেখে আজ আপনার শরণাপন্ন হয়েছি। হে ভগবান, এখন দেখছি, আপনার সৃষ্ট অনন্ত কোটি ব্রহ্মাণ্ডের মধ্যে একাদশীই প্রাধান্য লাভ করেছে,সেজন্য আমি কোথাও আশ্রয় পেতে পারছি না। আপনি কৃপা করে আমাকে একটি নির্ভয় স্থান প্রদান করুন, যেহেতু তুমিই আমাকে সৃষ্টি করেছেন। ব্যাসদেব বললেন, এই বলে পাপপুরুষ ভূমিতে পতিত হয়ে গলদ অশ্রু নয়নে ক্রন্দন করতে লাগলেন।

পাপপুরুষের দর্শনে ভগবান্ প্রসন্ন হয়ে একাদশী ভীত পাপপুরুষকে বললেন, হে পাপপুরুষ! উঠে দাঁড়াও, আনন্দিত হও, একাদশী তিথিতে তোমার যেখানে স্থান, আমি তা তোমাকে এখন নির্দেশ করছি। যখন একাদশী তিথি এ ত্রিভুবনকে পবিত্র করতে আবির্ভূত হবে, তখন তুমি অন্ন (শস্য) মধ্যে আশ্রয় গ্রহণ করবে। তাহলে আমার মূর্তি একাদশী তোমাকে বধ করতে পারবে না। এই কথা বলে ভগবান্ অন্তর্হিত হলেন। পাপপুরুষও কৃতার্থ হয়ে যথাযথ স্থানে ফিরে গেলেন। এই কারণেই আত্মহিতকামী মানবগণ একাদশীতে অন্ন (শস্য) গ্রহণ করেন না। সংসারের যাবতীয় পাপ, নারায়ণ আজ্ঞায় একাদশী দিনে অন্নকে (শস্য) আশ্রয় করে অবস্থান করে। "

তবে, একাদশী ব্রত ঐদিন থেকে শুরু হলেও, একাদশীদেবীর আবির্ভাব হয়েছিল আরো অনেক আগে।

একাদশী দেবীর আবির্ভাব: সত্যযুগে 'মুর' নামে এক দানব ছিল। সে এতই দুরাচারী ছিল যে যুদ্ধে স্বর্গরাজ্য ইন্দ্রকে পরাজিত করে স্বর্গ থেকে বিতাড়িত করেছিল। দেবতারা মহাদেবের কাছে তাদের দুঃখের কথা বললে মহাদেব তাঁদের নিয়ে ক্ষীর সমুদ্রের তীরে বিষ্ণুর কাছে গেলেন। বিষ্ণু দেবতাদের কাছ থেকে জানলেন যে, প্রাচীনকালে ব্রহ্ম বংশে তালজঙ্গা নামে পরাক্রমশালী অসুর ছিল। তারই পুত্র মুর। সে স্বর্গ থেকে দেবতাদের বিতাড়িত করে তার স্বজাতি কাউকে রাজা, কাউকে অন্যান্য দিকপালরূপে প্রতিষ্ঠা করে এখন দেবলোক সম্পূর্ণ অধিকার করেছে। একথা শুনে ভগবান ক্রোধান্বিত হয়ে দেবতাদের সাথে চন্দ্রাবতী পুরীতে গেলেন। দেবতার ও অসুরদের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ হলো। কেবলমাত্র যুদ্ধক্ষেত্রে নারায়ণকে একা দেখে সে দানব গর্জন করতে থাকলো। মুর দানব একমাত্র জীবিত ছিল। দেবতাদের হিসাবে ১০০০ বছর যুদ্ধ করার পরও সে পরাজিত হল না। তখন বদ্রিকাশ্রমে ভগবান বিষ্ণু সিংহবতী নামক এক গুহায় শয়ন করলেন। সেখানে এক দানব বিষ্ণুকে নিদ্রিত দেখে মনে করলো বিষ্ণু ভয়ে শয়ন করে আছে। দানবের এই চিন্তার কারণে বিষ্ণুর দেহ থেকে এক কন্যা উৎপন্ন হলো। তার নাম উৎপন্না একাদশী। সে মুর দানবকে বধ করল। বিষ্ণু নিদ্রা থেকে উঠার পর দেখল এই কন্যা মুর দানবকে বধ করেছে।

বিষ্ণু এই একাদশীকে বর দিলেন এই ব্রত পালনকারীর সমস্ত ইচ্ছা পূর্ণ হবে। এই একাদশী ব্রত পালন করলে বিষ্ণুরই পূজা হবে। এই ব্রত পালনকারীর শত্রু বিনাশ, পরমগতি ও সর্বসিদ্ধি লাভ হবে। একাদশীর উৎপত্তি কোথা থেকে হলো তা শ্রবণ কীর্তন করলে শ্রীহরির আশীর্বাদ লাভ করা যায়।

তো, যদিও আগে একাদশী ব্রত লোকে করত, তবে তা সেভাবে প্রচলিত ছিল না, কিন্তু ভগবান বিষ্ণু স্বয়ং পাপী জীবদের উদ্ধার করার জন্য এই ব্রত এভাবে প্রচলন করেছেন।

আমাদের জীবন যাত্রা জীবন চক্র কেমন হয় যাওয়ার আগে জেনে যাবেন 🌸 হরে কৃষ্ণ 🙏 👉এই পৃথিবীতে কোন ব্যাক্তি এমন কেউ আছে যে মৃত্...
26/01/2026

আমাদের জীবন যাত্রা জীবন চক্র কেমন হয় যাওয়ার আগে জেনে যাবেন
🌸 হরে কৃষ্ণ 🙏

👉এই পৃথিবীতে কোন ব্যাক্তি এমন কেউ আছে
যে মৃত্যুর হাত থেকে রেহাই পেয়েছে। রাজা–মহারাজা হোক বা দরিদ্র পথিক—সবাইকে একদিন দেহ ত্যাগ করতেই হয়।
তাহলে প্রশ্ন ওঠে—
যখন মৃত্যু সবার জন্যই অবশ্যম্ভাবী,
তখন কেন সাধনা?
কেন নামজপ, ভজন, কীর্তন?
কেনই বা ঈশ্বরচিন্তা?

🌸এই প্রশ্ন নতুন নয়।
মানবচিত্ত চিরকালই এই দ্বন্দ্বে পড়েছে—
“সব শেষই যদি মৃত্যুতেই হয়, তবে ধর্মপথে চলার প্রয়োজন কোথায়?”
উত্তর লুকিয়ে আছে মৃত্যুর প্রকৃত স্বরূপে

মৃত্যু কখনোই ধ্বংস নয়—
মৃত্যু হলো **রূপান্তর**।

🌸যেমন একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে
সে একই বিদ্যালয় ছেড়ে যায়—
কিন্তু ব্যর্থ হলে আবারও একই শ্রেণিতে ফিরতে হয়।
বিদ্যালয় ত্যাগ করা দু’জনের ক্ষেত্রেই এক,
কিন্তু ভবিষ্যৎ সম্পূর্ণ আলাদা।

ঠিক তেমনই—
দেহত্যাগ সবাই করে,
কিন্তু **গন্তব্য এক নয়**।

ভক্তি না থাকলে মৃত্যু কী দেয়?

🌸যে মানুষ সারাজীবন শুধু
ইন্দ্রিয়সুখ, অর্থ, ক্ষমতা ও অহংকারের পিছনে ছুটে চলে—
যে কখনো নিজের অস্তিত্বের গভীর প্রশ্ন করেনি—
“আমি কে? কেন এসেছি?”
তার জন্য মৃত্যু কোনো মুক্তি আনে না।

🌸তার চেতনা থেকে যায় অসম্পূর্ণ,
তার কামনা থেকে যায় অপূর্ণ।
ফলে তাকে আবারও ফিরে আসতে হয়—
নতুন দেহে, নতুন পরিস্থিতিতে,
নিজের কর্মফলের ভার বহন করে।

🌸এই সংসার তখন আর আশ্রম থাকে না—
হয়ে ওঠে এক অন্তহীন চক্র।

আর ভক্তির পথে চললে?

🌸যে ব্যক্তি জীবিত অবস্থায়ই
নিজেকে ভগবানের স্মরণে অভ্যস্ত করে তোলে—
যার হৃদয়ে কৃষ্ণনাম ধ্বনিত হয়—
যে দুঃখে–সুখে প্রভুকে স্মরণ করে—

তার জন্য মৃত্যু ভয়ের নয়।

🌸যেমন সন্ধ্যায় ক্লান্ত পথিক
নিজের ঘরের আলো দেখতে পেলে স্বস্তি পায়—
ঠিক তেমনই ভক্তের জন্য মৃত্যু
ঘরে ফেরার আহ্বান।

🌸তার চেতনা তখন আর জড় জগতে আটকে থাকে না।
সে প্রবেশ করে এমন এক স্তরে
যেখানে নেই জন্ম–মৃত্যুর পুনরাবৃত্তি,
নেই ক্ষয়, নেই অভাব—
শুধু সেবা, শান্তি ও প্রেম।

মানবজীবন কেন দুর্লভ?

🌸কারণ এই জীবনেই আছে **বিবেচনার শক্তি**।
এই জীবনেই মানুষ প্রশ্ন করতে পারে,
পথ বেছে নিতে পারে,
নিজেকে পরিবর্তন করতে পারে।

🌸একটি গাছ বা পশু তা পারে না।
তাই এই মানবজীবন
শুধু ভোগের জন্য নয়—
**উত্তরণের জন্য**।
তাই কী করণীয়?

🌸সব কিছু ছেড়ে বনবাস নয়,
কিন্তু জীবনের মাঝেই ভগবানের স্থান তৈরি করা।

* প্রতিদিন কিছু সময় নামস্মরণ
* সাধুজনের সঙ্গ
* শাস্ত্র শ্রবণ
* অহংকার কমিয়ে কৃতজ্ঞতা বাড়ানো
* নিজের কর্মকে ঈশ্বরার্পণ করা

🌸এইটুকুই যথেষ্ট পথ বদলে দিতে।
উপসংহার

🌸মৃত্যু প্রশ্ন করে না আপনি কে,
কিন্তু **চেতনা নির্ধারণ করে আপনি কোথায় যাবেন**।

🌸তাই মৃত্যুর ভয় নয়—
জীবনের প্রস্তুতিই আসল।

🌸এই ক্ষণস্থায়ী দেহের ভিতরেই
চিরন্তনের সন্ধান করুন।
কারণ যে জীবনে কৃষ্ণ আছেন—
সে জীবনে মৃত্যু শেষ কথা নয়।

🌼 হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
🌼 হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে

মায়ের বিদায় বেলা 😭😭, সন্তান দের একা করে চলে গেলে মা 😢😭..তোমাকে যে যেতে দিতে মন চায় না, যদি আর কিছু দিন আরও থাকতে কতই না ...
25/01/2026

মায়ের বিদায় বেলা 😭😭, সন্তান দের একা করে চলে গেলে মা 😢😭..তোমাকে যে যেতে দিতে মন চায় না, যদি আর কিছু দিন আরও থাকতে কতই না ভালো হতো..মনটা বড় ফাঁকা ফাঁকা লাগছে আজ জানো মা, বড়ই কষ্ট হচ্ছে..মনে হচ্ছে তোমাকে আবার নিয়ে আসি কিন্তু সেটা সম্ভব নয় আর আমার মতো তুচ্ছ সাধারণ মানুষের কাছে তো নয়ই..তুমি সারাজীবন আমাদের হৃদয়ে বিরাজ করবে 🫀❤️‍🩹🙏..সত্যি বলতে তোমাকে ছাড়া আমরা সবাই অসম্পূর্ণ, তুমি তোমার জ্ঞানের আলোয় আমাদের আলোকিত করে রেখেছ, তুমি যদি তোমার সন্তান দের ত্যাগ করো, তাহলে আমাদের জ্ঞানের অন্ত হয়ে যাবে.. এই বিশ্ব জুড়ে বিরাজ করবে অ- জ্ঞান আর তুমি তা কখনোই চাইবে না....তাই আবারো বলছি যদি আর কিছু টা সময় থেকে যেতে কতই না ভালো লাগতো..আবারো তোমার ফিরে আসার অপেক্ষায় রইলাম মা 🚶‍♀️খুব তাড়াতাড়ি আবার ফিরে এসো মা 💛🌼🌿🙏

বাঁকুড়া কলেজ মোড়   - এর সরস্বতী পুজোর থিম  কুরুক্ষেএ ❤️✨️ছবি : রোহন দও
25/01/2026

বাঁকুড়া কলেজ মোড় - এর সরস্বতী পুজোর থিম কুরুক্ষেএ ❤️✨️
ছবি : রোহন দও

"সংসারের এই গোলকধাঁধায় তুমিই আমার একমাত্র আশ্রয়। রাধা শ্যামসুন্দর 🤍🦚🌿🙏
24/01/2026

"সংসারের এই গোলকধাঁধায় তুমিই আমার একমাত্র আশ্রয়।
রাধা শ্যামসুন্দর 🤍🦚🌿🙏

পুজোর   করতে করতে ভোর 🌄🌅 হয়ে গেলো কিন্তু আমাদের   এর কাজ শেষ হলো না 🥹
23/01/2026

পুজোর করতে করতে ভোর 🌄🌅 হয়ে গেলো কিন্তু আমাদের এর কাজ শেষ হলো না 🥹

সরস্বতী পুজার সম্পূর্ণ পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র এখনি জেনে নিন, ভুল মন্ত্রে অঞ্জলি দিলে পুজা সম্পন্ন হবে না:-✸ সরস্বতী দেবীর পু...
23/01/2026

সরস্বতী পুজার সম্পূর্ণ পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র এখনি জেনে নিন, ভুল মন্ত্রে অঞ্জলি দিলে পুজা সম্পন্ন হবে না:-

✸ সরস্বতী দেবীর পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র ✸
============================

❝ ওঁ জয় জয় দেবী চরাচর সারে, কুচযুগশোভিত মুক্তাহারে।
বীণারঞ্জিত পুস্তক হস্তে, ভগবতী ভারতী দেবী নমহস্তুতে॥
এষ সচন্দন গন্ধপুষ্পাঞ্জলি ওঁম্‌ শ্রীশ্রীসরস্বতীদেব্যৈ নমঃ॥ ❞



❝ ওঁ সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমললোচনে।
বিদ্যারূপে বিশালাক্ষি বিদ্যাং দেহি নমহস্তুতে॥
এষ সচন্দন গন্ধপুষ্পাঞ্জলি ওঁম্‌ শ্রীশ্রীসরস্বতীদেব্যৈ নমঃ॥ ❞

❝ ওঁ সা মে ভবতু জিহ্বায়াং বীণাপুস্তকধারিণী।
মুরারীবল্লভাং দেবী সর্ব শুক্লা সরস্বতী॥
এষ সচন্দন গন্ধপুষ্পাঞ্জলি ওঁম্‌ শ্রীশ্রীসরস্বতীদেব্যৈ নমঃ॥ ❞

❝ ওঁ সরস্বত্যৈ নমো নিত্যং ভদ্রকাল্যৈ নমো নমঃ।
বেদ-বেদাঙ্গ-বেদান্ত-বিদ্যাস্থানেভ্যঃ এব চ॥
এষ সচন্দন গন্ধপুষ্পাঞ্জলি ওঁম্‌ শ্রীশ্রীসরস্বতীদেব্যৈ নমঃ॥ ❞

✸ সরস্বতী দেবীর প্রার্থনা মন্ত্র ✸
============================

❝ ওঁ যথা ন দেবো ভগবান ব্রহ্মা লোকপিতমহঃ।
ত্বং পরিত্যজ্য সংতিষ্ঠেৎ তথাভব বরপ্রদ॥
ওঁ বেদা শাস্ত্রাণি সর্ব্বাণি নৃত্যগীতাদিকঞ্চযৎ।
না বিহীনা ত্বয়া দেবীর তথা মে সন্তু সিদ্ধয়ঃ॥
ওঁ লক্ষীর্মেধা ধারা তুষ্টি গৌরি পুষ্টিঃ প্রভা ধৃতি।
এতাভিঃ পাহি তনুভিরষ্টাভির্মাং সরস্বতী॥ ❞

✸ সরস্বতী দেবীর বন্দনা ✸
============================

নমঃ নমঃ সরস্বতী তুমি বীণাপাণি ।
বাকদেবী শ্বেতকায়া কত রূপে জানি ॥
হংস-বাহিনী মাতা কত শুনি নাম ।
তোমার চরণে মাগো করি যে প্রণাম ॥
বীণা-পুস্তক-ধারিনি , সুমতি দায়িনি ।
স্মরণ করি যে মাগো চরণ দু’খানি ॥
অজ্ঞান-আঁধারে তুমি আলো করো দান ।
তোমার কৃপায় মাগো হই জ্ঞানবান ॥
তুমি বিনা ত্রিভুবনে সবে জ্ঞান হীন ।
মানব-দানব-দেব তোমার অধীন ॥
সুর-লয়-তাল বোধ তোমার কৃপায় ।
স্বর্গ-মর্ত সুরাসুরে তব গুণ গায় ॥
সর্বভূতে জ্ঞান রূপে তুমি সংস্হিতা ।
আমার হৃদয়ে থাকো সদা বিরাজিতা ॥
তোমার আশীষ পেয়ে ধন্য হবো মাগো ।
জ্ঞানদায়ী মাতা তুমি হৃদয়েতে জাগো ॥

Address

Bankura Rabindra Sarani Road
Bankura
722101

Telephone

+918710062453

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hare Krishna posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hare Krishna:

Share

Category