Golpo Kutir

Golpo Kutir Golpo Kutir is a content publisher & online bookseller based in Kolkata, India.
(1776)

Golpo Kutir is Bengal’s first ever online fictional content publisher with 7 million readers per month and focuses mainly on Bengali tales. We are one of the ultimate destinations for all the happenings in the Bengali cultural world.

মাঝরাতের নিস্তব্ধতা ছিঁড়ে যখন অবিনাশবাবুর শেষ নিঃশ্বাসটা বেরিয়ে গেল, ঘরজুড়ে তখন এক অদ্ভুত শূন্যতা। দেওয়াল ঘড়ির কাঁটাটা য...
12/01/2026

মাঝরাতের নিস্তব্ধতা ছিঁড়ে যখন অবিনাশবাবুর শেষ নিঃশ্বাসটা বেরিয়ে গেল, ঘরজুড়ে তখন এক অদ্ভুত শূন্যতা। দেওয়াল ঘড়ির কাঁটাটা যেন মুহূর্তের জন্য থমকে দাঁড়াল। পরক্ষণেই তিনি দেখলেন, তিনি নিজের অসাড় শরীরের ওপর ঝুঁকে দাঁড়িয়ে আছেন। ভারী অদ্ভুত সেই অনুভূতি— কোনো যন্ত্রণা নেই, নেই দীর্ঘদিনের শ্বাসকষ্টের ছটফটানি; শুধু এক আশ্চর্য গুরুত্বহীন হালকা বোধ।
নিচে তখন শোকের চেয়েও ব্যস্ততার আর্তনাদ বেশি। বড় ছেলে আলমারির চাবির গোছা খুঁজছে, মেজ ছেলে ফোনে ব্যস্ত দাহকার্যের খরচের হিসেব নিয়ে। অবিনাশবাবু তাদের ডাকলেন, চিৎকার করে বলতে চাইলেন— "চাবিটা তো বালিশের নিচে!" কিন্তু কেউ শুনল না। তিনি বুঝতে পারলেন, শব্দের জগত থেকে তিনি চিরতরে বিচ্যুত। আজীবন যে শরীরটাকে তেল-জল দিয়ে আগলে রাখলেন, সেই 'আমি' আজ এক নিথর বস্তু মাত্র।
অবিনাশবাবু দেখলেন, তার সারাজীবনের সঞ্চয় আর অহংকারগুলো এখন কেবলই ভাগাভাগির অপেক্ষায়। মানুষ মরে গেলে তার দেহটা যেমন পর হয়ে যায়, তার দাবিগুলোও তেমন অর্থহীন হয়ে পড়ে। এক পশলা শীতল বাতাসের মতো তিনি জানালার বাইরে অসীম আকাশের নীলে ভাসতে শুরু করলেন। নিজের শরীরের দিকে শেষবার তাকিয়ে তার মনে হলো— খাঁচাটা পড়ে রইল মাটির পৃথিবীতে, আর 'পাখি'টা বুঝে নিল যে মুক্তির স্বাদ আসলে কোনো মালিকানায় নেই, আছে কেবল নিঃস্ব হয়ে বিলীন হয়ে যাওয়ায়। এক পরম শান্তিময় আলোর ভুবনে তিনি মিশে গেলেন, যেখানে কোনো 'আমার' নেই, আছে শুধু 'আমি'হীন এক অনন্ত তৃপ্তি।

জয়মাল্যর ডায়েরি থেকে...ক্যালেন্ডারটা বদলে গেছে, নতুন পাতা; ১লা জানুয়ারি, ২০২৬। মোবাইলের পর্দায় একের পর এক নোটিফিকেশন...
12/01/2026

জয়মাল্যর ডায়েরি থেকে...
ক্যালেন্ডারটা বদলে গেছে, নতুন পাতা; ১লা জানুয়ারি, ২০২৬। মোবাইলের পর্দায় একের পর এক নোটিফিকেশন— 'হ্যাপি নিউ ইয়ার, 'লাভ', 'ব্লেসিংস', 'নিউ রেজোলিউশন।'
সবাই হাসছে। শুভেচ্ছা জানাচ্ছে। আমিও কপি করে উত্তর দিচ্ছি, "আপনাকে অনেক শুভেচ্ছা।" এমন সময়ে ফোনটা বেজে উঠল। স্ক্রীনে ভেসে উঠল মিঃ ব্যানার্জি। ফোন ধরতেই ওপাশ থেকে খুব স্নেহভরা কন্ঠ, "নতুন বছরের অনেক শুভেচ্ছা, সবাই ভালো আছেন তো?" পিছন থেকে ভাবি বেয়ানের গলাও শোনা গেল, "নতুন বছরটা যেন সকলের খুব ভালোই কাটে।" আমিও ধন্যবাদ জানালাম। সৌজন্য বিনিময় হলো।
ঘরটা আবার চুপচাপ। সবই ঠিক আছে কিন্তু যেন বুকের ভেতর কোথাও একটা ভারি পাথর চেপে বসে আছে। কারণ জানুয়ারি আসতেই মনে পড়ে— এই মাসেই এগারোই জানুয়ারি, এক বছর আগে মাথার ওপর থেকে পুরো ছাদটাই সরে গিয়েছিল। মা থাকলে, আজ নতুন বছর মানেই হতো সবার জন্য একটু স্পেশাল রান্না, একটু বেশি আড্ডা, জিলিপি, মোয়া... আজ মা থাকলে বলতেন, "ওরা খুব ভালো মানুষ তো, আমাদের সোনামণি ভালো আছে তো রে?" সকাল হলে এখনো যেন মনে হয়, ওই মা বোধহয় ডাক দিল, "চা-টা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে তো, খেয়ে নিয়ে কাগজ পড়বি।"
কিন্তু, নতুন বছর এসেছে অথচ আমার জীবনে এটা নতুন কিছুই নয়। শুধু শূন্যতা আরও এক বছর পুরনো হয়েছে। মায়ের ঘরের জানালার সামনে দাঁড়িয়ে নতুন বছরের রোদ মাখি, ওটা যেন সঙ্গে করে আনে কিছু স্মৃতি, কিছু না-ফুরানো কষ্ট। পয়লা জানুয়ারির শুভেচ্ছার ভিড়ের মাঝেও বারবার মনে হয় এগারোই জানুয়ারি আসবে, চোখ ভিজবে। তবু আমি চলব। মা শিখিয়ে গেছেন, ছাদ ভেঙে পড়লেও মানুষকে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।

কলেজ যাওয়ার পথে অপালাদেবী তাঁর গাড়ির কাঁচের জানলা নামিয়ে দেখলেন ছোট্ট রিনি ট্রাফিক সিগন্যাল মোড়ে কৃষ্ণচূড়ার ছায়ায়...
11/01/2026

কলেজ যাওয়ার পথে অপালাদেবী তাঁর গাড়ির কাঁচের জানলা নামিয়ে দেখলেন ছোট্ট রিনি ট্রাফিক সিগন্যাল মোড়ে কৃষ্ণচূড়ার ছায়ায় কয়েকটি খাতা বই নিয়ে লেখার চেষ্টা করছে।
কয়েক মাস হল তাঁর রিনির সঙ্গে আলাপ— "কি রে রিনি, এবার থেকে লেখাপড়া করবি তো রোজ?"
"হ্যাঁ দিদিমণি, মাসিরা বলেছে আমাদের নাকি খুব কষ্ট। কেউ চায় না আমাদের। আমরা নাকি অন্যদের মতো নই। আমি ঠিক করেছি তাই পড়াশুনা করে ওদের সব কষ্ট দূর করব।"
যে সমাজে প্রতিনিয়ত নারী-পুরুষের মুখোশে স্বার্থসিদ্ধির জেরে মনুষ্যত্বের খুন হয়, সেখানে তৃতীয় লিঙ্গের হয়ে জন্মানোটা কি খুবই অন্যায়ের! আকর্ষণ, বর্ণ, লিঙ্গ— এসবের ঊর্ধ্বেও তো আমরা সকলে মানুষ। যার প্রকৃত পরিচয় মনুষ্যত্ব এবং বিবেকবোধেই। যেখানে রিনির আপন বাবা-মা তাকে আপন করে নেয়নি সমাজের ভয়ে, সেখানে পিছিয়ে যাননি অধ্যাপিকা অপালা, দায়িত্বভার তুলে নিয়েছেন ওর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার।
আজ রিনি শুধুই তাঁর সন্তানসম নয়, তাঁর জীবনের সেই কৃষ্ণচূড়া, যে এই কঠিন সমাজে নিষ্ঠুরতার দাবদাহে লিঙ্গপরিচয়ের ঊর্ধ্বে মনুষ্যত্বের স্নিগ্ধ রক্তিম আভায় সমৃদ্ধ হবে একদিন।

লেপের আদর।      লিখেছেন সুলগ্না রায়।
08/01/2026

লেপের আদর।
লিখেছেন সুলগ্না রায়।

রবিবারের অলস ছুটির সকাল। জানলার পাশে বসে কফির কাপ হাতে আকাশ দেখছিল বছর তিরিশের শুভাশিস। ধূসর শহরের ভেতরে সূর্যের সোনালি ...
07/01/2026

রবিবারের অলস ছুটির সকাল। জানলার পাশে বসে কফির কাপ হাতে আকাশ দেখছিল বছর তিরিশের শুভাশিস। ধূসর শহরের ভেতরে সূর্যের সোনালি আলো একটু একটু করে ঢুকছে। মনটা কেমন ফাঁকা, উদাস। কারণটা সে নিজেও জানে না। ছেলেবেলা থেকে রবিবার মানেই ছিল মাঠ, বল, বন্ধুদের আড্ডা, হাসি আর চিৎকারে ভরা দুপুর। বহু বছর হয়ে গেছে মায়ের গলায় শোনা হয় না— “এই, সারাদিন বাইরে বাইরে, একটু বই খুলবি না?”
এখন সব বদলে গেছে। মায়ের গলা নেই, বন্ধুরা নিজেদের দুনিয়ায় ব্যস্ত, আর শুভাশিসও এখন এক বহুতলের ফ্ল্যাটে একা থাকে। অফিস, ট্রাফিক আর ডেডলাইনের চাপে পিষে যাওয়া এক মানুষ। জীবনটা যেন হয়ে উঠেছে এক নীরব ট্রেন। চলছে, কিন্তু কোথাও পৌঁছাচ্ছে না।
কফির ধোঁয়ায় চোখ একটু ঝাপসা হয়ে এলো। ঠিক তখনই নিচের মাঠ থেকে ভেসে এল হাসির শব্দ। প্রায় সাত–আটজন ১০-১২ বছরের ছেলে ফুটবল নিয়ে খেলছে। ধুলো উড়ছে, বল পায়ের নিচে ঘুরছে, আর ওদের মুখে সেই খাঁটি, অকৃত্রিম আনন্দ।
শুভাশিসের মনে হঠাৎ যেন একটা পুরনো দরজা খুলে গেল। মনে পড়ে গেল নিজের সেই দিনগুলো— মাঠে ফুটবল খেলা, সন্ধ্যার আলোয় কলেজ মাঠ, চায়ের কাপে দেদার আড্ডা, হাসি, স্বপ্ন আর নিরুদ্বেগ দিনগুলো।
বুকের ভেতর এক অচেনা টান। যেন পুরনো একটা ইচ্ছে মাথা তুলে দাঁড়াল— “আবার খেলতে ইচ্ছে করছে।”
সে একটু ইতস্তত করল, তারপর নিঃশব্দে নিচে নেমে গেল। ছেলেগুলো অবাক হয়ে তাকাল, যখন সে বলল, “তোমাদের সাথে আমি কি একটু খেলতে পারি?”
মুহূর্তে তারা একে–অপরের মুখ চেয়ে হেসে ফেলল। একজন বলটা এগিয়ে দিল তার দিকে। প্রথম কিকটা একটু অস্বস্তির ছিল, কিন্তু পরে শরীর যেন পুরনো ছন্দ ফিরে পেল। ছেলেরা দেখল, একজন বড় মানুষ দৌড়চ্ছে, হাসছে, যেন সময় উল্টে গেছে।
কয়েক মিনিটের মধ্যেই ঘাম, দৌড়, হাসি—সব ফিরে এলো বহু বছর পর। ঘামে ভিজে যখন শুভাশিস উপরে ফিরছিল, তার মনে হচ্ছিল অনেকদিন পর সত্যি সত্যি নিঃশ্বাস নিচ্ছে। আবার যেন একটু বেঁচে উঠেছে। নিজের মনে বলল— “ইচ্ছে কখনও মরে না। শুধু সুযোগের অপেক্ষায় থাকে।” শুভাশিস জানালার ধারে দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে তাকাল। হয়তো কাল আবার একই অফিস, একই ফাইল। কিন্তু আজ সে বুঝল, বড় হওয়া মানে সব হারানো নয়। শুধু চুপ করিয়ে রাখা।

ছুটি।লিখেছেন প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য্য।
07/01/2026

ছুটি।
লিখেছেন প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য্য।

জীবনে এক একটা সময় আসে যখন কোনো পরী তাঁর জাদু দণ্ড ঘুরিয়েও আলোর রোশনাই আনতে ব্যর্থ হয়। আমিও বছর কয়েক আগে সেই রকম একটা সময়...
06/01/2026

জীবনে এক একটা সময় আসে যখন কোনো পরী তাঁর জাদু দণ্ড ঘুরিয়েও আলোর রোশনাই আনতে ব্যর্থ হয়। আমিও বছর কয়েক আগে সেই রকম একটা সময় দিয়ে যাচ্ছিলাম! মনে আছে এক শনিবার সন্ধ্যায় কালীঘাট থেকে মেট্রোতে উঠেছি— সদ্য সব পুজো মিটে গেছে, কলকাতা তখন আবারও তার রোজের রুটিনে ফিরে গেছে। বেজায় ভিড়ে ভরা মেট্রোতে দেখি দুইজন মানুষ— একজন ধুতি পাঞ্জাবী ঝোলা কাঁধে তরুণ, অন্য জন আমারই মতো ঘামে ভেজা জিনস কুর্তি পরা সঙ্গিনীকে বোঝাচ্ছেন তথ্য দিয়ে ঈশ্বরের অস্তিত্ব আছে কী নেই। আমার চোখ-কান বারবার ওদের দেখছে, শুনছে আর ভেতরে ভেতরে বিরক্তিটা যেন ঠেলে বেরিয়ে আসতে চাইছে।
মজার কথা সঙ্গিনী কিন্তু বাধ্য ছাত্রী— মনোযোগ সহকারে তাঁকে শুনছে বা দেখছে কিনা ঠিক জানা নেই, তবে তাঁর গলার স্বর তখনও আমার কানে আসেনি। ট্রেন এইবার টালিগঞ্জের প্ল্যাটফর্ম ছোঁবে, আমি নামব। দরজার কাছে দাঁড়িয়ে থাকা সেই সঙ্গিনীটা নরম গলায় বলে উঠল, "সাবধানে যাস।"
সেই ধুতি পাঞ্জাবী বক্তিয়ার বাবুটি তাঁর তর্জনীটা তুলে পরিষ্কার গলায় বলে উঠল, "এটাই শুনতে চেয়েছিলাম।"
মেট্রোর দরজা বন্ধ হওয়া অবধি, সেই ভয়ঙ্কর ভিড় উপেক্ষা করে ওরা তাকিয়ে ছিল দুইজনের দিকে। আমি ভেবে গেলাম এর মানেটা কী ছিল! কত সামান্য একটা কথা, এই রকম একটা সেতুবন্ধন সৃষ্টি করল। সেদিন বাড়ি ফিরতে ফিরতে বুঝলাম, 'জাদু দণ্ড' তো কাজ করে দিল আমাকে বুঝতে না দিয়েই।

অরুণাভ ও সুদীপার দাম্পত্যের পনেরোটি বছর পার হতে চলল। মধ্যবিত্ত সংসারে অভাব থাকলেও তাদের ভালবাসায় কোনো ঘাটতি ছিল না। সুদী...
06/01/2026

অরুণাভ ও সুদীপার দাম্পত্যের পনেরোটি বছর পার হতে চলল। মধ্যবিত্ত সংসারে অভাব থাকলেও তাদের ভালবাসায় কোনো ঘাটতি ছিল না। সুদীপা চিরকাল নিজের শখ বিসর্জন দিয়ে অরুণাভর পছন্দের পদ রান্না করা আর সংসারের দেখাশোনাতেই আনন্দ খুঁজে নিয়েছেন। অন্যদিকে, অরুণাভ ছিলেন মিতভাষী; ভালোবাসা প্রকাশ করা তাঁর স্বভাববিরুদ্ধ ছিল।
এক হাড়কাঁপানো শীতের সন্ধ্যায় অফিস থেকে ফেরার পথে অরুণাভ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। দীর্ঘ কয়েক মাস তিনি শয্যাশায়ী ছিলেন। সেই কঠিন সময়ে সুদীপা দিনরাত এক করে স্বামীর সেবা করেছেন, নিজের বিশ্রামের কথা একবারও ভাবেননি। অরুণাভ বুঝতেন, সুদীপার এই নিঃস্বার্থ ত্যাগের ঋণ কোনোদিন শোধ হওয়ার নয়।
সুস্থ হয়ে প্রথম যেদিন অরুণাভ বাইরে বেরোলেন, ফেরার সময় তাঁর হাতে ছিল একটি ছোট প্যাকেট। সুদীপার জন্য তিনি নিয়ে এসেছেন একটি নীল রঙের তাঁতের শাড়ি। সুদীপা অবাক হয়ে বললেন, "এই শরীরে কেন এসব কিনতে গেলে?"
অরুণাভ সুদীপার হাত দুটো ধরে মৃদু হেসে বললেন, "তুমি সারাজীবন আমায় আগলে রেখেছ, সুদীপা। এই শাড়ি তোমার সেবার প্রতিদান নয়, বরং এক টুকরো স্বীকৃতি। তোমার নীল শাড়ি পরার সেই পুরনো ইচ্ছের কথা আমি আজও ভুলে যাইনি।"
সুদীপার চোখের কোণে জল চলে এল। তিনি অনুভব করলেন, দাম্পত্যে ভালোবাসার শ্রেষ্ঠ উপহার হলো একে অপরের ছোট ছোট অপূর্ণ ইচ্ছের প্রতি সম্মান জানানো। কঠিন সময়ে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতির নামই ভালবাসা।

সোহাগ সুযোগ।লিখেছেন অনিন্দিতা দাশ।
05/01/2026

সোহাগ সুযোগ।
লিখেছেন অনিন্দিতা দাশ।

ইচ্ছে নদীর গান।লিখেছেন গৌরীশঙ্কর সিংহ।
04/01/2026

ইচ্ছে নদীর গান।
লিখেছেন গৌরীশঙ্কর সিংহ।

দুঃস্বপ্ন।লিখেছেন মৌমিতা দে।
04/01/2026

দুঃস্বপ্ন।
লিখেছেন মৌমিতা দে।

Address

054 Kalipada Mukherjee Road P S Behala Kolkata
Behala
700008

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Golpo Kutir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Golpo Kutir:

Share

Who are we

Golpo Kutir is Bengal’s first ever digital story telling platform with 1 million readers (as of now) which has its focus mainly on Bengali tales. With that, Feature stories, film reviews, celebrity interviews, live chat shows, short entertaining videos on social media trendings as well as exclusive articles - Golpo Kutir is that package of entertainment to the millions of Bengali youths across the world. We are one of the ultimate destination to all the happenings in the Bengali cultural world.