Suman Singha

Directions

Suman Singha 'মরো না, মেরো না,
পারতো মৃত্যু কে অবলুপ্ত করো '

শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏

23/08/2026
বিগত কয়েক বৎসর যাবৎ দেখা যায় যে বিভিন্ন সমাজ মাধ্যমে বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমে পবিত্র রথযাত্রা , প্রভু জগন্নাথ কে নিয়ে ...
16/07/2026

বিগত কয়েক বৎসর যাবৎ দেখা যায় যে বিভিন্ন সমাজ মাধ্যমে বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমে পবিত্র রথযাত্রা , প্রভু জগন্নাথ কে নিয়ে শ্রীশ্রীঠাকুরের একটি বানী কে নিয়ে বিকৃত করে ভুল ব্যাখ্যা তৎসহ সম্পূর্ণ ভুল ধারণা পরিবেশন করা হয়। যা শ্রীশ্রীঠাকুরের ভাবধারার অপ প্রচার করা হয় থাকে।
সেই ধারণার পরিপূরক ব্যাখ্যা শ্রীশ্রীঠাকুরের প্রপৌত্র
পূজনীয় শ্রী বৌধায়ন চক্রবর্ত্তী মহাশয় ব্যাখা করলেন যা আপনাদের সকলের সামনে উপস্থাপন করা হল।

"প্রভু জগন্নাথের সবচেয়ে বিখ্যাত উৎসবটি হল রথযাত্রা। আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে রথযাত্রা শুরু হয়। শ্রীক্ষেত্র পুরীতে এই উৎসবের সময় জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার মূর্তি মূল মন্দিরের গর্ভগৃহ থেকে বের করে এনে কাঠের তৈরি তিনটি বিরাট রথে করে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে গুণ্ডিচা মায়ের মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হয়। ভক্তরাই এই রথগুলি টেনে নিয়ে যান। পুরী ছাড়াও যেখানেই জগন্নাথ মন্দির আছে, সেখানেই এই বিশেষ দিনে এই ধরনের রথযাত্রা আয়োজিত হয়।

রথযাত্রা কেবল কাঠের রথ টানা নয়, এটি হলো নিজের অন্তরকে পরিশুদ্ধ করার উৎসব। আমাদের শরীরটি হলো রথ। এতে পাঁচটি ইন্দ্রিয় হলো পাঁচটি ঘোড়া, আর বুদ্ধি হলো সারথি। যদি সদগুরু বা আদর্শের নির্দেশ মেনে আচরণশীল হয়ে মনকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, তবেই জীবন সঠিক গন্তব্যে পৌঁছায়। আমাদের যেকোনো ধর্মীয় উৎসবেই সেই চিরন্তন সুগভীর অন্তর্লীন বার্তা থাকে -- "অসতো মা সদ্গময়। তমসো মা জ্যোতির্গময়। মৃত্যোর্মা অমৃতং গময়।"

অনুষ্ঠানের মহড়ায় আমরা স্বভাবগত কারণে ভুলে যাই যেকোনো উৎসবের মূল উদ্দেশ্যটি। রথযাত্রাও তার ব্যতিক্রম নয়। তাই যুগে যুগে পুরুষোত্তম যখন আসেন এবং ধর্মের, অনুষ্ঠানের মূল স্বরূপ দেখিয়ে বুঝিয়ে দিয়ে যান-- তখন আমরা উদ্দেশ্যটি বুঝতে পারি, এবং প্রকৃত লাভবান হতে পারি।

শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের দৃষ্টিতে যখন প্রভু জগন্নাথকে দেখি তখন জানতে পারি যে---" ...জগন্নাথের হাত নেই। জগন্নাথ জনে জনে হাত বিলিয়ে নিজে হাতহীন হয়ে বসে আছেন। আমাদের উপর তাঁর কোনো হাত নেই। কিন্তু যেই আমরা তাঁকে আমাদের হাত দুখানি দিয়ে নিবিড়ভাবে আঁকড়ে ধরবো, অমনি আমরা তাঁর হাতে চলে যাব। তখন তাঁর ইচ্ছায় আমরা চালিত করব নিজেদের। এমনি করেই আমরা সেই মঙ্গলের অধিকারী হবো যে মঙ্গল তিনি আমাদের দিতে চান। " তাঁকে আমাদের হাত দুখানি দিয়ে আঁকড়ে ধরাটাই তো হয়না বা কেউ বলেও দেয় না। পুরোহিত বা পান্ডারা ভরসা দেন শ্রীবিগ্রহ দর্শন বা পবিত্র রথের দড়ি ধরলেও নিশ্চিত মুক্তি, কর্মফলখণ্ডন। কিন্তু কোথায় আর মেলে মুক্তি ! কর্ম নিয়ন্ত্রণ না করে আজ অবধি কারুর কর্মফলখণ্ডন হয়েছে যে এক্ষেত্রে হবে ! সারাবছর যদি নিজের বৃত্তিপূজার উপাসক হয়েই থাকি, তাহলে একদিন প্রভু জগন্নাথ দর্শন ও তাঁর পবিত্র রথযাত্রা থেকে আমরা " রথ দেখা ও কলা বেচা (সমুদ্র দেখা, চান করা)" এবং পাঁপড়ভাজা এটুকু প্রাপ্তিরই যোগ্যতা লাভ করতে পারি। আমাদের এই মানসিকতা দেখে শ্রীশ্রীঠাকুর কালীষষ্ঠীমা কে উদ্দেশ্য করে আমাদের সকলের জন্যই তিনি এক সরস ও ইঙ্গিতপূর্ণ বাণী প্রদান করেন ---"জীবননাথকে হেলায় ফেলে/ জগন্নাথকে দেখতে গেলি,/ জীবননাথই যে জগন্নাথ/ অহংকারে না দেখতে পেলি।"

এই বাণীটির অর্থ কখনোই এমন নয় যে জগন্নাথ দর্শন বা তাঁর কোনো উৎসবে যোগদান বা পালন অর্থহীন। বরং তাঁকে আরও নিবিড়ভাবে আঁকড়ে ধরার অন্তর্নিহিত তত্ত্ব লুকিয়ে আছে বাণীটিতে। গুরুত্যাগের ঘৃণ্য কথা বা ঐতিহ্য-কূলাচার-রীতিনীতির অবজ্ঞা করার কথা কখনোই পুরুষোত্তমের আচরণের মধ্যে পড়ে না। শ্রীশ্রীঠাকুর বলেন -- "যে আচরণ বাক্য কর্ম/ বাঁচা-বাড়ার উৎস হয়,/ তাকেই জানিস ধর্ম বলে/ নইলে ধর্ম কিছুই নয়"। বাক্য কর্ম আচরণ এসবগুলির মাধ্যমে যখন কারুর স্ব-পারিপার্শিক বাঁচা-বাড়া অক্ষুণ্ন থাকে তখনই সে জীবননাথের প্রকৃত উপাসক। এই উপাসকই জগন্নাথকে পেলে নিজের দুহাত দিয়ে আঁকড়ে ধরতেই চায়, নিজেকে সঁপে দিতে চায়। " তুমি করে দাও চাই না আমি/ তোমায় ভালোবাসি বলে,/ হৃদয় উতল ভালোবাসা/ তোমার পায়ে পড়ুক ঢলে" --- এটাই তো তাঁর হাতে চলে যাওয়া, তাঁর ইচ্ছায় নিজেকে চালিত করা; তাঁকে নিজের বৃত্তির, অহং-এর খোরাক করতে না চেয়ে, বরং তাঁর তৃপ্তি স্বস্তি পোষণের জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠা; জীবননাথকেই চিনতে পারা জগন্নাথ রূপে। অনুভবে আসে তখন --- " মন্নাথ শ্রী জগন্নাথ, মদগুরু শ্রী জগৎগুরু, মদাত্মা সর্বভূতাত্মা, তস্মৈ শ্রী গুরুবে নমঃ"। কিংবা " শ্রীনাথে জানকিনাথে অভেদ পরমাত্মনি..."। বেষ্টি থেকেই না সমষ্টি, এককোষী থেকেই না বহুকোষী। তাই বিশ্বাসের সিংহাসনে ভক্তিকে বসিয়ে হৃদয়ে ধর্মরাজ্য প্রতিষ্ঠিত করাই হলো জীবননাথের আরাধনা করা। তাতে জগন্নাথ এসেই পড়েন স্বমহিমায়।

জয় জগন্নাথ ।"

বন্দে পুরুষোত্তমম্ ।

একদিন সন্ধ্যার পর শ্রীশ্রীঠাকুর বেশ প্রফুল্লচিত্তে আলাপ-আলোচনা করছেন। সব ঠিক আছে দেখে প্যারীদা নিজের ঘরে গেয়ে নামে বসলে...
13/07/2026

একদিন সন্ধ্যার পর শ্রীশ্রীঠাকুর বেশ প্রফুল্লচিত্তে আলাপ-আলোচনা করছেন। সব ঠিক আছে দেখে প্যারীদা নিজের ঘরে গেয়ে নামে বসলেন।
কিছু পরে শ্রীশ্রীঠাকুরের প্রবল কাশি শুরু হল। কাশতে কাশতে মুখ দিয়ে লালা ঝরছে, চোখমুখ লাল হয়ে উঠছে। কাশির দমক একটু কমতেই আবার দ্বিগুণ বেগে বেড়ে উঠছে। কাছের নিয়ত সেবকগণ কেউ তাঁর মুখের কাছে পিকদানী ধরেছেন, কারো হাতে জলের ঘটী, কেউ পাখা দিয়ে শ্রীশ্রীঠাকুরের মাথায় হাওয়া করছেন। সে এক দারুণ অস্বস্তিকর অবস্থা।
এরমধ্যে দু-তিনজন পাগলের মতো প্যারীদাকে খুঁজছে। কেন না, প্যারীদার এখনই এসে ওষুধ দেওয়া দরকার। প্যারীদার যেসব জায়গায় থাকা সম্ভব, কোথাও তাঁকে পাওয়া যাচ্ছে না। তারপর একজন তাঁর বাড়ীতে গিয়ে দেখেন, প্যারীদা চাদর মুড়ি দিয়ে নামে বসেছেন। এই দাদাটি জোরে ডেকে প্যারীদার ধ্যান ভাঙিয়ে উঠিয়ে নিয়ে এলেন। প্যারীদা এসে শ্রীশ্রীঠাকুরকে জল খাইয়ে ওষুধ খাওয়ালেন। তাঁর কাশি ও গলার অস্বস্তি আস্তে আস্তে কমল।
শান্ত হয়ে বসে শ্রীশ্রীঠাকুর প্যারীদাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তুই কোথায় ছিলি?’ প্যারীদা -- ‘নাম করছিলাম।’ তারপর শ্রীশ্রীঠাকুরের অবিস্মরণীয় উত্তর, “যার নাম করছিলে মণি, তার যে এদিকে প্রাণ যায়।”
মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ চমকের মতন এরকম এক একটা উক্তি বা ক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে সেই অধরা পুরুষ যেন নিজেকে কিছুটা ধরা দেন। ধরা দেন তিনি দিতেই চান। পরম সত্তা মানুষের শরীরে আবির্ভূত হন মানুষের প্রয়োজনে। মানুষ যাতে তাঁকে জানতে, বুঝতে, ভালবাসতে ও অনুসরণ করতে পারে, তারই জন্য অসীমের এই সসীম মনুষ্য-রূপে অবতরণ, ধরাধামে চমৎকারী লীলার বিস্তার।
— শ্রীদেবীপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়

আজ এমন একজন মানুষের জন্মদিন, সৎসঙ্গ জগতের বর্তমান প্রজন্মের কাছে তিনি আড়ালে থেকে গেছেন।অবশ্য সে আড়াল করে রাখার ফলেও খুব ...
12/07/2026

আজ এমন একজন মানুষের জন্মদিন, সৎসঙ্গ জগতের বর্তমান প্রজন্মের কাছে তিনি আড়ালে থেকে গেছেন।
অবশ্য সে আড়াল করে রাখার ফলেও খুব একটা প্রভাব হয় না।
এটাই বোধ হয় পার্থক্য হীরক ও কাঁচ পাথরের।
তিনি আর কেউ নন পরম প্রেমময় শ্রীশ্রীঠাকুরের মধ্যম আত্মজ পূজ্যপাদ ছোড় দা,(শ্রী বিবেক রঞ্জন চক্রবর্তী)।
শ্রীশ্রীঠাকুর তাঁকে আদরের সঙ্গে 'মণি' নামেই ডাকতেন।
সকলের কাছে তিনি পূজনীয় ছোড়দা নামেই পরিচিত।
তাঁর এই ১১২তম পুণ্য জন্মলগ্নে সশ্রদ্ধ প্রণাম ও শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাই।
শ্রীশ্রীঠাকুরের বাণী নির্দেশাবলী অক্ষরে অক্ষরে পালন করা ও অবিকৃত ভাবে তাঁর ভাবধারা কে সকলের মধ্যে প্রচার ও প্রসার করা একমাত্র লক্ষ্য ছিল।
শ্রীশ্রীঠাকুরের এই বাণী ও নির্দেশাবলী অবিকৃত ভাবে পালনের জন্য কম বঞ্চনা সহ্য করতে হয়নি।
তবুও তিনি তাঁর লোহার মতন কঠিন প্রত্যয়ে অবিচল ছিলেন। কঠিন প্রতিকূল পরিস্থিতিও তাঁকে টলাতে পারেনি এক মুহূর্তের জন্য।
বর্তমানে ঠাকুর-বাংলোয় মেমোরিয়া যে বিল্ডিং এ হয়েছে সেই বিল্ডিং এর দোতলায় পূজ্যপাদ ছোড়দা তাঁর পরিবার নিয়ে থাকতেন।
পরবর্তীতে "বিবেক বিতান" এ চলে আসেন।
বিবেক বিতান তৈরি হওয়ার সময় শ্রীশ্রীঠাকুর প্রায়ই আসতেন এখানে দেখতেন কাজকর্ম।
প্রতিদিন বিকেলে পূজ্যপাদ ছোড়দা রঙ্গনভিলার একটি ঘরে বসতেন, কথা বলতেন, নাট্যাভ্যাস করতেন।
জায়গাটির নাম দিয়েছিলেন " বানী মন্দির"।
শ্রীশ্রীঠাকুরের ইচ্ছা পুরণার্থে পূজ্যপাদ ছোড়দা দৈনিক পত্রিকা বের করার পরিকল্পনা প্রথমে সাপ্তাহিক পত্রিকা " ধৃতিদীপা" বের করার ব্যবস্থা করেছিলেন। কলকাতা থেকে এই পত্রিকা বের হত।
পরবর্তীতে একটি যাত্রা দল তৈরি করেছিলেন তার নামও দেওয়া হয়েছিল " ধৃতিশ্রী নাট্যশিল্পম্"।
মহিলা বর্জ্জিত এই যাত্রাদল সে সময় খুবই জনপ্রিয় হয়েছিল।
শ্রীশ্রীঠাকুরকে কি ভাবে তৃপ্ত করা যায়, কি ভাবে সাপ্তাহিক পত্রিকা কে দৈনিকে উন্নিত করা যায় এইসব চিন্তায় তিনি আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছিলেন।
শ্রীশ্রীঠাকুর থেকে উদ্ভূত যে সৎসঙ্গ সংগঠন তার কর্ম্মকর্ত্তাদের সে রকম একটা উৎসাহ এই পত্রিকা বা যাত্রা দল যা শ্রীশ্রীঠাকুরের ভাবধারা বৃহৎ পরিবেশের মধ্যে সঞ্চারিত করার একটা মুখ্য মাধ্যম- তাকে বলিষ্ঠভাবে দাঁড় করানোর ব্যাপারে সে রকম ভূমিকা নিতে দেখা যায়নি কোনও অজ্ঞাত কারণেই।
নিজের এবং নিজের পরিবারের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা না করে তাঁর অগ্রজ পূজ্যপাদ বড়দাদার প্রতি তাঁর অগাধ আস্থা ও ভরসা ছিল, শ্রদ্ধা ছিল।
যে কারণে কোনও এক সময় মিথ্যা মামলায় পূজ্যপাদ বড়দাদার সাথে জোরকরে জেলে যান।
সেখানে তিনি তাঁর অগ্রজ দাদার যথেষ্ট শুশ্রূষা করেন।এরকমই তিনি ভালোবাসতেন ও শ্রদ্ধা করতেন তাঁর অগ্রজকে।
কিন্তু শ্রীশ্রীঠাকুরের মহাপ্রয়াণের পর সৎসঙ্গ পরিবারের পুরো ছবিটাই পাল্টে গেল।
সমবেত প্রার্থনা কেমন ভাবে করতে হবে, ইষ্টভৃতি কখন কিভাবে করতে হবে, মন্ত্র কি হবে।
কোথায় কাকে কিভাবে পাঠাতে হবে, দীক্ষা কেমন হবে? কেমন ভাবে দিতে হবে। , ঋত্বিকদের চরিত্র কেমন হবে তা শ্রীশ্রীঠাকুর তাঁর জীবদ্দশায় বই ছাপিয়ে প্রকাশ করে গেছেন।
তাঁর সবই লেখা আছে ছড়ায় ও গদ্যে।
শ্রীশ্রীঠাকুর যখনই তাঁর বইএর প্রকাশিত হত।
অনেককেই সই করে সেগুলি দিতেন।
পূজ্যপাদ ছোড়দাকেও এই ভাবে বই গুলি দিতেন।
শ্রীশ্রীঠাকুরের মহাপ্রয়ানের পর যখন তাঁর নির্দ্দেশ গুলি নানারকম ভাবে বিকৃত করা শুরু হলো, তিনি বজ্রকণ্ঠে সেগুলোর প্রতিবাদ করা শুরু করলেন। সে কারণে তাঁকে প্রচণ্ড অপমান, নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। দীর্ঘদিন সপরিবার অভুক্ত অবস্থায় তাঁকে কাটাতে হয়েছে।
তবুও তিনি দমে যাননি, অন্যায়ের সাথে আপোষ করেন নি।
শ্রীশ্রীঠাকুরের বাণী গুলির সংকলিত কিছু মূল্যবান বই বা জীবনে চলার চাবিকাঠি বের করেন বই আকারে
" ইষ্টপ্রোক্ত"," দিব্য বাণী", "পথ নির্দ্দেশ" ইত্যাদি।
সৎসঙ্গ জগতের লৌহমানব যদি কেউ থাকেন তিনি আমাদের সকলের প্রিয় পূজ্যপাদ ছোড়দা, যাঁর দৌলতে শ্রীশ্রীঠাকুরের অবিকৃত ধারার তৃপ্তির স্বাদ আস্বাদন করে চলেছি আমরা।
তথ্য সূত্র :-"বিবেক জ্যোতি"।

Address

Berhampore

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Suman Singha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share