Suman Singha

Suman Singha 'মরো না, মেরো না,
পারতো মৃত্যু কে অবলুপ্ত করো '

শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏

🌼  থানকুনি_পাতার_গুনাগুন  🌼■  জ্বর : থানকুনি পাতার রস ১ চামচ ও শিউলি পাতার রস ১ চামচ মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খেলে জ্বর সা...
28/12/2025

🌼 থানকুনি_পাতার_গুনাগুন 🌼
■ জ্বর : থানকুনি পাতার রস ১ চামচ ও শিউলি পাতার রস ১ চামচ মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খেলে জ্বর সারে।
■ পেটের পীড়া : অল্প পরিমাণ আমগাছের ছাল, আনারসের কচি পাতা ১টি, কাঁচা হলুদের রস, ৪/৫ টি থানকুনি গাছ শিকড়সহ ভাল করে ধুয়ে একত্রে বেটে রস করে খালি পেটে খেলে পেটের পীড়া ভাল হয়। ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এটা আরো বেশি কার্যকর।
■ গ্যাস্ট্রিক : আধা কেজি দুধে ১ পোয়া মিশ্রি ও আধা পোয়া থানকুনি পাতার রস একত্রে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে ১ সপ্তাহ খেলে গ্যাস্ট্রিক ভাল হয়।
■ হজম শক্তি বৃদ্ধি : বেগুন/পেঁপের সাথে থানকুনি পাতা মিশিয়ে শুকতা রান্না করে প্রতিদিন ১ মাস খেলে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়।
■ রক্ত দূষণ রোধে থানকুনি : প্রতিদিন সকালে খালিপেটে ৪ চা চামচ থানকুনি পাতার রস ও ১ চা চামচ মধু/ মিশিয়ে ৭ দিন খেলে রক্ত দূষণ ভাল হয়।
■ বাক স্ফুরনেঃ যে সব বাচচা কথা বলতে দেরি করে অথবা অস্পষ্ট, সে ক্ষেত্রে ১ চামচ করে ধান কুনি পাতার রস গরম করে ঠান্ডা হলে ২০/২৫ ফোঁটা মধু মিশিয়ে ঠান্ডা দুধের সাথে কিছুদিন খাওয়ালে অসুবিধাটা সেরে যায়।
■ খুসখুসে কাশিতে : ২ চামচ থানকুনির রস সামান্য চিনিসহ খেলে সঙ্গে সঙ্গে খুসখুসে কাশিতে উপকার পাওয়া যায়। ১ সপ্তাহ খেলে পুরোপুরি ভালো হয়ে যাবে।
■ আমাশয় : প্রতিদিন সকালে ৫/৭ টি থানকুনি পাতা চিবিয়ে ৭ দিন খেলে আমাশয় ভাল হয়। অথবা, থানকুনি পাতা বেটে পাতার রসের সাথে চিনি মিশিয়ে দুই চামচ দিনে দুই বার খেলে আমাশয় ভাল হয়।
■ পেট ব্যথা : থানকুনি পাতা বেটে গরম ভাতের সাথে খেলে পেট ব্যথা ভাল হয়।
■ লিভারের সমস্যা : প্রতিদিন সকালে থানকুনির রস ১ চামচ, ৫/৬ ফোঁটা হলুদের রস (বাচ্চাদের লিভারের দোষে) সামান্য চিনি ও মধুসহ ১ মাস খেলে লিভারের সমস্যা ভাল হয়।
■ লাবণ্যতা : যদি মুখ মলিন হয়, লাবণ্যতা কমে যায় তবে ৫-৬ চা চামচ থানকুনি পাতার রস দুধ দিয়ে খেতে হবে। নিয়মিত করলে উপকার পাবেন।
■ দূষিত ক্ষত : মূলসহ সমগ্র গাছ নিয়ে সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে দূষিত ক্ষত ধুতে হবে।
■ মুখে ঘা : থানকুনি পাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে গারগিল করতে হবে।
■ আঘাত : কোথাও থেঁতলে গেলে থানকুনি গাছ বেটে অল্প গরম করে আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে প্রলেপ দিলে উপকার পাবেন।
■ সাধারণ ক্ষত : থানকুনি পাতা বেটে ঘিয়ের সঙ্গে জ্বাল দিয়ে ঠাণ্ডা করে তা ক্ষত স্থানে লাগাতে হবে।
■ চুল পড়া : অপুষ্টির অভাবে, ভিটামিনের অভাবে চুল পড়লে পুষ্টিকর ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবারের পাশাপাশি ৫-৬ চা চামচ থানকুনি পাতার রস দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে।
■ পেটের দোষ : মলের সঙ্গে শ্লেষ্ণা গেলে, মল পরিষ্কারভাবে না হলে, পেটে গ্যাস হলে, কোনো কোনো সময় মাথা ধরা এসব ক্ষেত্রে ৩-৪ চা চামচ থানকুনি পাতার গরম রস ও সমপরিমাণ গরুর কাঁচা দুধ মিশিয়ে খেতে হবে। নিয়মিত খেলে উপকার পাবেন।
■ স্মরণশক্তি : মনে না থাকলে আধা কাপ দুধ, ২-৩ তোলা থানকুনি পাতার রস ও এক চা চামচ মধু মিশিয়ে খেতে হবে।
■ নাক বন্ধ : ঠাণ্ডায় নাক বন্ধ হলে, সর্দি হলে থানকুনির শিকড় ও ডাঁটার মিহি গুঁড়ার নস্যি নিলে উপকার পাওয়া যায়।

বন্দে পুরুষোত্তমম্ 🙏
বন্দে পুরুষোত্তমম্ 🙏
বন্দে পুরুষোত্তমম্ 🙏

গাড়ীরচালক ঘোড়ার পিঠে যে চাবুকের আঘাত করেছে, তার দাগগুলি শ্রীশ্রীঠাকুরের পিঠে রক্তরেখায় ফুটে উঠেছে।কীর্তনের যুগে শ্রীশ্রী...
22/12/2025

গাড়ীরচালক ঘোড়ার পিঠে যে চাবুকের আঘাত করেছে, তার দাগগুলি শ্রীশ্রীঠাকুরের পিঠে রক্তরেখায় ফুটে উঠেছে।
কীর্তনের যুগে শ্রীশ্রীঠাকুর মাঝে মাঝেই কুষ্টিয়া যেতেন। এই সময়ের একটি ঘটনা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তখন কুষ্টিয়ায় শেয়ারের ঘোড়ার গাড়ী চলত। কয়েকজন যাত্রী মিলে শেয়ারে গাড়ী ভাড়া করতে পারতেন। একদিন শ্রীশ্রীঠাকুর এইরকম একটি শেয়ারের ঘোড়ার গাড়ীতে উঠেছেন। গাড়ীতে অন্য যাত্রীরাও আছেন। গাড়ীর চালক গাড়ীটি চালাতে শুরু করেছে, কিন্তু ঘোড়াটি কিছুতেই 'নড়ছে না। অনেক চেষ্টা করেও সে ঘোড়াকে নড়াতে পারছে না। তখন রাগে ক্ষিপ্ত হয়ে চালক যেই তার চাবুক দিয়ে নির্মমভাবে ঘোড়ার পিঠে মারতে শুরু করেছে, তখনই শ্রীশ্রীঠাকুর হঠাৎ চীৎকার করে লাফ দিয়ে গাড়ী থেকে নেমে পড়লেন এবং যন্ত্রণায় ছটফট করতে শুরু করলেন। যাত্রীরাও সঙ্গে সঙ্গে গাড়ী থেকে নেমে পড়েছেন। তখন দেখা গেল গাড়ীরচালক ঘোড়ার পিঠে যে চাবুকের আঘাত করেছে, তার দাগগুলি শ্রীশ্রীঠাকুরের পিঠে হত। রক্তরেখায় ফুটে উঠেছে। সবাই তো বিস্ময়ে হতবাক। এও সম্ভব? হ্যাঁ সম্ভব! পৃথিবীর প্রতিটি অণু-পরমাণুর সঙ্গে ছিল শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের একাত্মবোধ। এই একাত্মবোধের ফলে অন্যের ব্যথা-বেদনা তিনি নিজের ব্যথা-বেদনা বলে বোধ করতে পারতেন। এই ঘটনা তার জাজ্বল্যমান প্রমাণ।

উপরোক্ত ঘটনার একজন প্রত্যক্ষদর্শীর সঙ্গে পরবর্তীকালে দেওঘরে আমার সাক্ষাৎলাভের সৌভাগ্য ঘটে। শ্রীশ্রীঠাকুরের তিরোধানের পরপরই দেওঘরের সাব-জজ হয়ে আসেন শ্রীযুক্ত প্রসাদকুমার ভট্টাচার্য্য। সঙ্গে আসেন তাঁর বৃদ্ধা মা। তাঁদের আদি নিবাস ছিল কুষ্টিয়ায় (অধুনা (অধুনা বাংলাদেশ)। এই বৃদ্ধা মা-টি শ্রীশ্রীঠাকুরেরই প্রায় সমবয়সী। এই বৃদ্ধা মা-টি ছিলেন সেদিন শেয়ারের ঘোড়ার গাড়ীর অন্যতমা সহযাত্রিণী। তিনি দেওঘরে ঠাকুরবাড়ীতে এসে পরমপূজ্যপাদ বড়দার কাছে এই ঘটনার কথা বিবৃত করেন। তিনি শ্রীশ্রীঠাকুরের দিব্যজীবন সম্বন্ধে নিজের অভিজ্ঞতার কথা দেওঘরের সৎসঙ্গীদের জানাবার ইচ্ছা পরমপূজ্যপাদ বড়দার কাছে ব্যক্ত করেন। তাঁর ইচ্ছানুযায়ী একদিন ফিলানথ্রপী অফিসের দ্বিতলে একটি সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে তিনি তাঁর অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেন।

এই বৃদ্ধা মায়ের মেয়ের নাম ছিল কমলা। এদিকে পূজনীয়া রাঙাবৌদির নামও কমলা। তাই মা-টি রাঙাবৌদিকে 'মেয়ে' বলে সম্বোধন করতেন। শ্রদ্ধেয় প্রসাদবাবু পূজনীয়া রাঙাবৌদির কাছ থেকে ভাইফোঁটার সময় ভাইফোঁটা গ্রহণ করেছেন।

উক্ত মা সভায় যা ব্যক্ত করেন, তাতে জানা যায় যে, তিনি নিজে চোখে শ্রীশ্রীঠাকুরের পিঠে চাবুকের দাগ দেখেছেন।

শ্রীশ্রীঠাকুরের বাণী :-

স্পর্শ-দোষে জীবাণু ধায়
সংস্রবেতে মন-
এই বুঝে তুই চলিস্-ফিরিস্
বুঝলি বিচক্ষণ? ৬৭।

তাৎপর্য্য :-

মানুষ মানুষের আপনজন, কিন্তু রোগব্যাধি আপন নয়। একত্রে ঘনিষ্ঠভাবে বসবাস করা, আহার-বিহারাদি করার ভিতর যদি স্পর্শদোষ অর্থাৎ যথাস্থানে যথোপযুক্ত দূরত্ব বজায় রাখার ব্যাপারে ঔদাসীন্য ঘ'টে থাকে, তাহলে একের শরীরের জীবাণু অপরের শরীরে সংক্রামিত হ'তে পারে। তেমনই, মনের মধ্যেও একে-অপরের প্রতি সম্মানজনক দূরত্ব বজায় না রেখে মাত্রাতিরিক্ত ঘনিষ্ঠ মেলামেশা করতে থাকলে একের ব্যক্তিত্ব অন্যের দ্বারা প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনাও বহুগুণ বেড়ে যায়। সুতরাং, আত্মীয়পরিজন বা বন্ধুবান্ধবদের সংসর্গে সদা সচেতন থাকতে হয়, যাতে অন্যের শরীর বা মন থেকে অবাঞ্ছিত কোনোকিছু কোনোভাবে নিজের মধ্যে প্রবেশ না করে; সম্পর্কগুলি যেন সবদিক-দিয়ে স্বাস্থ্যকর থাকে। এটাই বিচক্ষণের চলন।

 #ভদ্রলোক---আপনার আশ্রমের উদ্দেশ্য কী? #শ্রীশ্রীঠাকুর---আমার আগের কথার মধ্যেই এর জবাব আছে।আমি বুঝি,আমি একলা বাঁচতে পারি ...
22/12/2025

#ভদ্রলোক---আপনার আশ্রমের উদ্দেশ্য কী?
#শ্রীশ্রীঠাকুর---আমার আগের কথার মধ্যেই এর জবাব আছে।আমি বুঝি,আমি একলা বাঁচতে পারি না।আমার বাঁচতে গেলে,আমার পরিবেশ যা'তে বাঁচতে পারে,সে ব্যবস্থা আমার করতে হবে।পরিবেশশুদ্ধ বেঁচে থাকব,বেড়ে উঠব,সুখে থাকব,আনন্দে থাকব---এই আমার চাহিদা।শুধু আমার কেন,প্রতিটি সত্তারই বোধ হয় এই চাহিদা।তাই অনেকগুলি সমচাহিদাওয়ালা মানুষ জুটে গিয়ে যা' হবার তা' হ'চ্ছে।আমি আগে থাকতে কোন পরিকল্পনা ক'রে রাখিনি যে এই-এই করব।বাঁচাবাড়ার পথে যেমন-যেমন প্রয়োজন হ'চ্ছে,আশ্রম তেমন-তেমন evolve(বিবর্ত্তনলাভ) ক'রে চলেছে।

#ভদ্রলোক---এ-কথা তো বোঝা যায়।তবে আপনার ভক্তরা অতো দীক্ষার কথা বলে কেন?

#শ্রীশ্রীঠাকুর---দীক্ষা নেওয়া মানে,দক্ষতা লাভের কৌশল জানা।সেই কৌশল জেনে নিয়ে তদনুযায়ী অনুশীলন করতে হয়।জীবনে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ভোগের প্রধান উপকরণও হ'লো প্রবৃত্তি,আবার প্রধান অন্তরায়ও হ'লো প্রবৃত্তি।প্রবৃত্তিগুলি সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য লাভের অন্তরায় না হ'য়ে সহায়ক হয় কিভাবে,তার কায়দা জানা যায় সদগুরুর কাছে।অস্তিত্বের ধারণ,পোষণ ও রক্ষণের তুক জানেন তিনি,তাই তাঁকে কয় সদগুরু।তাই দীক্ষা নেওয়া লাগে সদগুরু বা আচার্য্যের কাছে---যিনি আচরণ ক'রে জেনেছেন।

#ভদ্রলোক---আপনার ধর্ম্ম-প্রতিষ্ঠানে এত কর্ম্ম-প্রতিষ্ঠানের আয়োজন কেন?

#শ্রীশ্রীঠাকুর---ধর্ম্ম যদি হয় সপরিবেশ বাঁচা-বাড়া,তাহ'লে বাঁচাবাড়ার জন্য যে-সব কর্ম্মের প্রয়োজন,তার ব্যবস্থা তো আপনাকে করতেই হবে।সকলকে দিয়ে সব কাজ হয় না,যার যেমন বৈশিষ্ট্য ও সংস্কার,সে তেমনতর কাজ পারে ভাল।তাই,প্রত্যেকের বৈশিষ্ট্যানুযায়ী কাজের ব্যবস্থা রাখতে হবে।কাজগুলি যত সুষ্ঠু, দক্ষ ও ক্ষিপ্রভাবে করতে শেখে মানুষ,তত তার যোগ্যতাও বাড়ে,চরিত্রও নিয়ন্ত্রিত হয়,আবার পরিবেশের সেবা হয় তাকে দিয়ে।তাহ'লেই দেখুন---এতরকমের কর্ম্মপ্রতিষ্ঠানের কেন প্রয়োজন।আর,আমি আগেই তো বলেছি---এগুলি প্রয়োজনবশে evolve(বিবর্ত্তনলাভ)করেছে।পরে আরো কত প্রয়োজন হবে ও আরো কত জিনিস বিবর্ত্তনলাভ করবে,তার ঠিক কি?

#ওরা বললেন--আপনার কথাগুলির মধ্যে কোন ঘোরপ্যাঁচ নেই।ধর্ম্মের আদর্শ যদি এমনতর হয়,সে ধর্ম্মকে মানতে কারও আপত্তি থাকতে পারে না।
শ্রীশ্রীঠাকুর--বাঁচতে যদি চান,তবে ধর্ম্মকে মানতেই হবে।আর,শুধু মানা নয়,আচরণ করতে হবে।

#আলোচনাপ্রসঙ্গে--৪/২

22/12/2025

🕊️ পবিত্রতা শুধু বাহ্য আচারে নয়, অন্তরের শুদ্ধতায়।

📖 “না নিয়ে যায় রান্নাঘরে, এঁটো ধোয়ার নাই রেওয়াজ—
যে যার খুশি পাক ছুঁয়ে দেয়, তা খেতে তুই হস নারাজ।”
— শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র

এই বাণীর মাধ্যমে ঠাকুর আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেন—
পবিত্রতা কোনো লোকদেখানো নিয়ম নয়,
বরং শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও সংযমের অভ্যাস।

রান্নাঘর শুধু আহার প্রস্তুতির স্থান নয়—
এটি শুদ্ধতার ক্ষেত্র।
যেখানে অবহেলা, স্বেচ্ছাচার ও নিয়মভঙ্গ
খাদ্যকেও অশুদ্ধ করে তোলে,
আর সেই অশুদ্ধতা গিয়ে পড়ে মন ও চরিত্রে।

ঠাকুর শেখান—
যেখানে শুদ্ধতার নিয়ম মানা হয় না,
সেখানে ভক্তি, স্বাস্থ্য ও শৃঙ্খলা—
তিনটিই বিপন্ন হয়।

শুদ্ধ আহার, শুদ্ধ আচরণ—
এই পথেই সুস্থ জীবন ও সংযত মন।

জয়গুরু।

জীবনে দীক্ষা - গুরুর প্রয়োজনীয়তা কেন?♦️শ্রীশ্রীঠাকুরঃ সদ্‌গুরু ধরলে তার চৌদ্দপুরুষ (ত্রিকোটিকুল) উদ্ধার হয়।[সাত্বত কথা/১...
15/12/2025

জীবনে দীক্ষা - গুরুর প্রয়োজনীয়তা কেন?

♦️শ্রীশ্রীঠাকুরঃ সদ্‌গুরু ধরলে তার চৌদ্দপুরুষ (ত্রিকোটিকুল) উদ্ধার হয়।

[সাত্বত কথা/১৭৮]

♦️শ্রীশ্রীঠাকুরঃ শাস্ত্রে বলে, সদ্‌গুরু লাভ করলে ত্রিকোটি কুল উদ্ধার হয়।

[আ.প্র.৪/১১০] •

যে যুক্ত নয়, তার যুক্তি জঞ্জালেই যোজিত হয়ে থাকে প্রায়শঃ।

[আচার-চর্য্যা-১/৪৩৩]

♦️শ্রীশ্রীঠাকুরঃ বাইবেলে একটা কথা আছে -He who is not with me, is against me (যে আমার পক্ষে নয়, সে আমার বিপক্ষে)।

[দীপর.৩/১৩]

♦️শ্রীশ্রীঠাকুরঃ মানুষ যদি ভগবানের বাঁধনে বাঁধা না থাকে, তাহলে শয়তানের বাঁধনে বাঁধা পড়বেই, যে-কোন না কোন রকমে।

[আলো.প্র.২/১৮]

যে সুকেন্দ্রিক নয়, সে ছন্নছাড়া। যে প্রিয়পরমে সঙ্গতিশীল নয়কো, সে তাঁর বিরুদ্ধে।

♦️শ্রীশ্রীঠাকুরঃ সদ্‌গুরু বা পুরুষোত্তমকে পেয়েও যারা দীক্ষা না নেয় তারা কিন্তু ঠকে যায়। তিনি তো আর নিত্য আসেন না। পেয়েও ছেড়ে দেওয়া মানে মন, মায়া, কাল ও প্রবৃত্তির ঘানিতে আরো শত সহস্রবার ঘোরা।

[আ.প্র.৩/১৩৫]

♦️শ্রীশ্রীঠাকুরঃ পুরুষোত্তমের সংবাদ যাদের কাছে যেয়ে পৌঁছায়নি, তারা বরং blessed (আশিসপুষ্ট)। কিন্তু যারা সংবাদ পেয়েও তাঁকে গ্রহণ করল না তারা ভাগ্যহীন।

[দীপর.১/১৩৭]

⚪দেবীদাঃ ঠাকুর! দীক্ষার কথা এত জোর দিয়ে বলেন কেন?

♦️শ্রীশ্রীঠাকুরঃ দেখি যে কয়টা লোককে বাঁচাতে পারি।

[আলোচনা, ভাদ্র/ ১৪০৪/৬০৬ পৃ.]

ধরে দাঁড়াও,-ছেড়ে দাঁড়ালে পড়েও যেতে পার।

[শাশ্বতী-৮৭১]

⚪প্রশ্নঃ দীক্ষা না নিয়ে নিয়ম-বিধি মেনে চললে হয় না?

♦️শ্রীশ্রীঠাকুরঃ ওতে অনেক ফাঁক থাকে। তার উপর নির্ভর করা যায় না। Married wife (বিবাহিত স্ত্রী) ও kept (রক্ষিতা)-র মধ্যে যতখানি ফারাক, initiated (দীক্ষিত) ও admirer (গুণগ্রাহী)-এর মধ্যে ফারাক প্রায় ততখানি।

[আলো.প্র.৯/১৮] •

♦️শ্রীশ্রীঠাকুরঃ প্রজাপতি দক্ষ যেমন শিবকে অস্বীকার করায় তা ছাগমুন্ড হয়ে গেল। ইষ্টহীন দক্ষতার দশা এই হয়।

[আ.প্র.২০/৩৪৪]

রাবণ মস্ত বীর, মহাপন্ডিত ও সহাসাধব তার সবকিছু ব্যর্থ হল, স-বংশ ধ্বংস হল জীবনে গুরু না-থাকায়!?

♦️শ্রীশ্রীঠাকুরঃ মানুষ যতক্ষণ disciple (শিষ্য) না হয়, ততক্ষণ discipline (শৃঙ্খলা) আসে না।

[আ.প্র.১৫/২৩৫] •

♦️শ্রীশ্রীঠাকুরঃ যে concentric থাকে, সে সবকিছুর মধ্যে থাকে, গুঁড়ো-গুঁড়ো হয় না। নইলে যে যতই বড় হোক সংসারের চাকার পেষণে গুঁড়ো হয়ে যেতে পারে।

[আ.প্র.২০/২৬০]

স্টীমারের কাছে যে নৌকা থাকে তাতে ঢেউ লাগে না। ঢেউ লাগে দূরের নৌকাগুলিতে।

পুণ্যপুঁথি, শ্রীশ্রীঠাকুর।

আমি বেঁচে থাকতে চাই আপনাদের মধ্যে। আপনারাই আমাকে বয়ে নিয়ে বেড়াবেন যুগ যুগ ধরে বংশপরম্পরার ভিতর দিয়ে প্রত্যেকে তার স্ব স্ব জীবন ও চরিত্রে। এই আমার মস্ত আশা। আমাকে এইভাবে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্ব আপনারা গ্রহণ করুন। নইলে আমার কথাগুলো প্রাণ পাবে না। সেগুলি শূন্যে হাহাকার করে ফিরবে।

[আঃপ্রঃ ১৮, ২২/১৪/৪৯] - ৷৷


"পুরুষোত্তম
শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র"

Address

Berhampore

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Suman Singha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share