Anju Biswas vlog

Anju Biswas vlog আমার নতুন ফেসবুক
👉Anju lifestyle
please follow my page

"যে ছেলেকে মানুষ করতে সব বিক্রি করেছিলেন, সেই ছেলেই বাবাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে গেল। কিন্তু একদিন..."বৃদ্ধাশ্রমের বারান্দায়...
05/08/2026

"যে ছেলেকে মানুষ করতে সব বিক্রি করেছিলেন, সেই ছেলেই বাবাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে গেল। কিন্তু একদিন..."

বৃদ্ধাশ্রমের বারান্দায় বসে ছিলেন সত্তরোর্ধ্ব অমলবাবু। হাতে একটি পুরনো অ্যালবাম। প্রতিদিনের মতো সেদিনও তিনি গেটের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। হয়তো আজ ছেলে আসবে— এই আশাতেই।
ছয় মাস আগে ছেলে রাহুল বলেছিল,
"বাবা, এখানে আপনার ভালো যত্ন হবে। আমি কাজের চাপে সময় পাই না।"
অমলবাবু শুধু মৃদু হেসেছিলেন। তিনি জানতেন, ছেলে মিথ্যা বলছে। তবু কোনো অভিযোগ করেননি।
বৃদ্ধাশ্রমের সবাই জানত, অমলবাবু প্রতিদিন বিকেলে গেটের দিকে তাকিয়ে থাকেন। কেউ এলে তাঁর চোখে এক ঝলক আশা জেগে ওঠে, তারপর আবার নিভে যায়।
একদিন বিকেলে একটি দামি গাড়ি এসে থামল। সবাই ভাবল, নিশ্চয়ই কোনো বৃদ্ধকে দেখতে এসেছে।
গাড়ি থেকে নেমে এলেন একজন সুদর্শন যুবক। পরনে দামি স্যুট। হাতে ফুলের তোড়া।
তিনি ধীরে ধীরে অমলবাবুর সামনে এসে দাঁড়ালেন।
"স্যার... আমাকে চিনতে পারছেন?"
অমলবাবু ভালো করে তাকিয়ে বললেন,
"না বাবা, মনে করতে পারছি না।"
যুবকটি হেসে বলল,
"আমি শুভ। অনেক বছর আগে আপনি আমাকে বিনা টাকায় পড়াতেন। আমার বাবা ছিলেন রিকশাচালক। বই কেনার টাকাও ছিল না। আপনি নিজের টাকা দিয়ে বই কিনে দিয়েছিলেন।"
অমলবাবুর চোখ ভিজে উঠল।
শুভ আবার বলল,
"আজ আমি একজন বড় ইঞ্জিনিয়ার। যদি সেদিন আপনি পাশে না দাঁড়াতেন, তাহলে আজ আমি এখানে পৌঁছাতে পারতাম না।"
বৃদ্ধাশ্রমের সবাই নীরবে শুনছিল।
শুভ চারদিকে তাকিয়ে অবাক হয়ে বলল,
"আপনি এখানে কেন?"
অমলবাবু একটু হেসে বললেন,
"ছেলের ব্যস্ত জীবন। তাই এখানে রেখে গেছে।"
শুভর মুখের হাসি মিলিয়ে গেল।
সে বলল,
"স্যার, যিনি শত মানুষের জীবন গড়েছেন, তিনি বৃদ্ধাশ্রমে থাকবেন— এটা আমি হতে দেব না।"
ঠিক তখনই বৃদ্ধাশ্রমের গেট দিয়ে আরেকজন ঢুকল।
সে আর কেউ নয়, অমলবাবুর ছেলে রাহুল।
আজ অফিস থেকে ফেরার পথে হঠাৎ বাবার কথা মনে পড়ায় সে দেখতে এসেছে।
কিন্তু সামনে যা দেখল, তাতে সে স্তব্ধ।
একজন সফল মানুষ তার বাবার পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করছে।
রাহুল অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল,
"আপনি কে?"
শুভ শান্ত গলায় বলল,
"আমি সেই ছাত্র, যাকে আপনার বাবা নিজের সন্তানের মতো মানুষ করেছিলেন। আজ আমি যা হয়েছি, সব তাঁর জন্য।"
রাহুলের মাথা নিচু হয়ে গেল।
সে বাবার সামনে হাঁটু গেড়ে বসে কান্নাভেজা গলায় বলল,
"বাবা... আমাকে ক্ষমা করে দাও। আমি তোমার ভালোবাসার মূল্য বুঝতে পারিনি।"
অমলবাবু ছেলের মাথায় হাত রেখে বললেন,
"ভুল সবাই করে বাবা। কিন্তু ভুল বুঝতে পারাই মানুষের সবচেয়ে বড় গুণ।"
সেদিন রাহুল বাবাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে গেল।
বৃদ্ধাশ্রমের গেট পেরিয়ে যাওয়ার সময় অমলবাবু একবার পেছনে তাকালেন। তারপর মৃদু হেসে বললেন,
"সন্তানকে শুধু বড় করলেই হয় না, তাকে মানুষের মতো মানুষও করতে হয়।"

নীতিশিক্ষা:
যে বাবা-মা আমাদের জীবনের ভিত্তি গড়ে দেন, তাঁদের শেষ বয়সে কখনো একা ফেলে রাখা উচিত নয়। তাঁদের ভালোবাসা ও সম্মানই সন্তানের সবচেয়ে বড় পরিচয়।

21/07/2026

😭

সম্পর্কের জন্য অর্থ নয় একটুখানি বিশ্বাসের প্রয়োজন ভালোবাসার জন্য রুপ নয় একটা ভালো মনের মানুষের প্রয়োজন
20/07/2026

সম্পর্কের জন্য অর্থ নয় একটুখানি বিশ্বাসের প্রয়োজন ভালোবাসার জন্য রুপ নয় একটা ভালো মনের মানুষের প্রয়োজন

19/07/2026

একবার একটা বাচ্চা তার বাবাকে জিজ্ঞেস করে, "বাবা, আমার জীবনের মূল্য কি?"তখন তার বাবা বলে, "তুমি যদি নিজের জীবনের মূল্য জা...
19/07/2026

একবার একটা বাচ্চা তার বাবাকে জিজ্ঞেস করে, "বাবা, আমার জীবনের মূল্য কি?"

তখন তার বাবা বলে, "তুমি যদি নিজের জীবনের মূল্য জানতে চাও, তাহলে আমি তোমাকে একটা পাথর দিচ্ছি। আর এই পাথরটা নিয়ে তুমি মার্কেটে চলে যাও। মার্কেটে গেলে তোমাকে যদি কেউ এর দাম জিজ্ঞেস করে, তুমি মুখে কিচ্ছু বলবে না। মানে দুটো আঙুল হাতের দেখিয়ে দেবে।"

এটা শুনে তো ছেলেটা মার্কেটে চলে যায়। মার্কেটে গিয়ে এমনি এমনি অনেকক্ষণ বসে থাকে। বসে থাকে, বসে থাকে, বসে থাকে। তারপর কিছুক্ষণ যাওয়ার পরে এক বৃদ্ধ মহিলা এসে—মানে এক বয়স্ক মানুষ এসে ছেলেটাকে তা সেই পাথরটার দাম জিজ্ঞেস করে। ছেলেটা আঙুল দিয়ে দুই দেখিয়ে দেয়।
এবার মহিলাটা বলে যে, "আচ্ছা, তার মানে এই পাথরটার দাম ২০০ টাকা? আচ্ছা, এই পাথরটা আমি ২০০ টাকা দিয়ে কিনতে তোমার থেকে রাজি। তুমি আমাকে পাথরটা দিয়ে দাও।"
বলে ছেলেটা তো ছুটতে ছুটতে বাবার কাছে আসে। এসে বলে, "বাবা, এই পাথরটার দাম ২০০ টাকা? এটা তো আমি ভাবতে পারিনি।"

এবারে ছেলেটির বাবা ছেলেটিকে বলে যে, "তুমি এবার এই পাথরটা নিয়ে মিউজিয়ামে চলে যাও। মিউজিয়ামে গিয়ে যদি তোমাকে কেউ পাথরটার দাম জিজ্ঞেস করে, তুমি মুখে কিচ্ছু বলবে না। ওই হাতের দুই আঙুল দেখিয়ে দেবে। দুটো আঙুল দেখিয়ে দেবে।"

বাবার কথা মতো সে ছেলেটা তারপর মিউজিয়ামে গেল। আর সেখানে এক ব্যক্তির নজর পড়ে ছেলেটার পাথরের দিকে। সে তখন ছেলেটার কাছে এসে পাথরটা দেখে বলে যে, "এই পাথরটা তুমি আমাকে দেবে? এর দাম কত?" তখন ছেলেটা ওই কিচ্ছু মুখে না বলে দুটো আঙুল দেখিয়ে দেয়। তখন সেই ব্যক্তি তাকে বলে, "এটার দাম ২০,০০০ টাকা? ঠিক আছে। আমি তাহলে ২০,০০০ টাকা দিয়েই তোমার থেকে এই পাথরটা কিনে নিতে রাজি আছি।"

বাচ্চা ছেলেটা প্রচন্ড অবাক হয়ে যায়। সে দ্রুত তাড়াতাড়ি তার বাবার কাছে এসে বলে যে, "বাবা, মিউজিয়ামে আমাকে এই পাথরটার জন্য একজন ২০,০০০ টাকা দিতে রাজি হয়ে গেছে।"
এবার তার বাবা বলে যে, "তোমাকে আমি শেষ একটা জায়গায় পাঠাবো, সেটা হচ্ছে একটা দামি পাথরের দোকানে আমি তোমাকে পাঠাবো।

কিন্তু সেখানেও তোমাকে যদি কেউ এই পাথরের দাম জিজ্ঞেস করে, তুমি মুখে কিচ্ছু বলতে পারবে না। তোমাকে দুটো আঙুলই দেখাতে হবে হাতের।"
তার বাবার কথা মতো বাচ্চা ছেলেটি এবার চলে যায় দামি পাথরের দোকানে। সেখানে গিয়ে পাথরের দোকানের কাউন্টারের পিছনে দাঁড়িয়ে থাকা এক বৃদ্ধ লোক—ভদ্রলোক, তার ওই ছেলেটির মানে বাচ্চা ছেলেটার হাতের পাথরের দিকে চোখ পড়ে। তখন সেই বৃদ্ধ চমকে যায় পাথরটা দেখে। দৌড়ে এসে বাচ্চা ছেলেটিকে বলে, "এই পাথরটা আমি সারাজীবন, আমার গোটা জীবন খুঁজে বেরিয়েছি কিন্তু কোথাও পাইনি। তুমি বলো এই পাথরের দাম কত?"

সেই বাচ্চাটা তখনও চুপ থাকে এবং বাবার কথা মতো নিজের হাতের দুটো আঙুল দেখিয়ে দেয়। এবং বৃদ্ধ ভদ্রলোক বাচ্চাটিকে বলে যে, "এর দাম ২ লাখ টাকা? ঠিক আছে। এই পাথরটার জন্য আমি সব করতে পারি। আমি এই পাথরটার জন্য তোমাকে ২ লাখ টাকাই দেবো, কিন্তু তুমি আমাকে এই পাথরটা দিয়ে দাও।"
সেই বাচ্চা ছেলেটা তখন নিজের চোখকেও বিশ্বাস করতে পারছিল না। সে দৌড়ে তার বাবার কাছে আবার আসে। এসে বলে, "বাবা, ২ লাখ টাকা দিতে রাজি হয়েছে এই দামি পাথরের দোকানে একজন আমাকে। আমি তো বিশ্বাস করতে পারছি না।"
তখন ছেলেটার বাবা তাকে বলে, "এবার বুঝলে তো তোমার জীবনের মূল্য কি? তুমি নিজেকে যেরকম জায়গায় রাখবে, তোমার মূল্য তেমন হবে। ঠিক তেমনটাই হবে। এবার তোমাকে ঠিক করতে হবে যে, তুমি ২০০ টাকার পাথর হবে না ২ লাখ টাকার পাথর হবে।"

18/07/2026

😘

সবাইকে আপন করে ভাবার অভ্যাস ছেড়ে দিয়েছি..!!কারণ যাকেই বেশি আপন ভাবি সেই মানুষ গুলোই আমাকে শিখিয়ে দিয়েছে..বাঁচতে হলে একাই...
18/07/2026

সবাইকে আপন করে ভাবার অভ্যাস ছেড়ে দিয়েছি..!!
কারণ যাকেই বেশি আপন ভাবি সেই মানুষ গুলোই আমাকে শিখিয়ে দিয়েছে..
বাঁচতে হলে একাই চলতে হয় কারো দয়া বা সাহায্য নয়..!!
এই পৃথিবীতে আপন বলতে কেউ নেই, নিজের ছায়া ছাড়া...!!

12/07/2026

Address

Bhadreswar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Anju Biswas vlog posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Anju Biswas vlog:

Shortcuts

Share