06/09/2023
অপমান করে তাড়িয়ে দিয়েছিল প্রমিককা 💔 সেই ছেলে আজ ইন্ডিয়ান আর্মি...........
ছেলেটির নাম সাগর দাস বাড়ি বিরাটিন গ্ৰিন পার্কে।
সাগরের সঙ্গে ওর প্রেমিকার পরিচয় হয়েছিল ফেসবুকের মাধ্যমে, ফেসবুক দুজনের ভালো লাগা শুরু।
সকালে গুড মর্নিং মেসেজ দিয়ে শুরু করে রাতে ফোনে কথা বলতে বলতে ঘুম পাড়িয়ে দেওয়া ।
এভাবেই চলেতে থাকে একে অপরের ভালোবাসা ।মেয়েটির সঙ্গে ঘর বাধার স্বপ্ন দেখে সাগর ।
সাগরের পরিবারে ছিল মা তার দিদি, তার বাবা মারা গেছে।
মা দিদির পরে সাগর সমস্ত ভালোবাসা উজার করে দিয়েছিল ওই মেয়েটি কে।।
সাগরের মা একজন শপিং মলের কর্মী ছিল।
মধ্যবিত্ত ঘর থেকে বেড়ে ওঠা সাগরের ছোটবেলা থেকে স্বপ্ন দেখতে।
বড় হয়ে ইন্ডিয়ান আর্মিতে জয়েন করবে।
এই নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে প্রথমে নিমতা হাই স্কুল এবং পরে ব্যারাকপুর সুরেন্দ্র নাথ কলেজ থেকে পড়া শোনা করে।
আর্মির জন্য ট্রেন শুরু করলে সাগর
ট্রেনিং এর সমস্ত যন্ত্রণা দূর হয়ে যেতো সাগর তার প্রেমিকা কে দেখলে।
তিনি একসময় প্র্যাকটিসের জন্য প্রেমিকার বাড়ির সামনে মারটায় বেছে নিয়েছিলেন সাগর।
যাতে প্রতিদিন একবার করে ভালবাসার মানুষটার মুখটা দেখতে পারে ।
হঠাৎ সাগরের প্রেমিকা ITI পাস করে ব্যাঙ্গালোর একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি পায়।
আর ঠিক তারপরে সবটা বদলে যেতে শুরু করে।
সাগর ট্রেনিং করছিল তাই তার প্রেমিকার কাছে বেকার।
তারপরে ইগনোর করতে লাগলো সাগরকে ফোনের বদলে নানা রকম অজুহাত, ফোন কেটে দিত সে।
এরপর থেকে প্রায় রাতে প্রেমিকার ফোন ব্যস্ত আসা শুরু করলো।
মায়ের থেকে বেশ কিছু টাকা ধার নিয়ে এক প্রকারের বাড়িতে অশান্তি করে সাগর ছুটে যায় তার ব্যাঙ্গালোরের প্রেমিকার কাছে।
কিন্তু সাগর বুঝতে পারিনি, সেখানে তার জন্য কি অপেক্ষা করছে।
ব্যাঙ্গালোর যাওয়ার পর সাগরকে অপমান করে খালি হাতে পাঠিয়ে দেয় তার প্রেমিকা ।
তবুও মনটাকে বোঝানোর জন্য সাগর ছুটে গিয়েছিল প্রেমিকার বাড়ি , কিন্তু সাগর কে বেকার বলে প্রেমিকার বাবা-মা অপমান করে।
কিন্তু সেদিনের সেই বেকার সাগর দাস আজ সেন্ট্রাল গভারমেন্টের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স এর চাকরি পেয়েছে।
আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর কাশ্মীর যাচ্ছে ভারত মাতার সেবা করতে
ভাবতে পারছেন কতটা মনের জোর আর জেদ থাকলে একজন মানুষ শূন্য থেকে উঁচুতে পৌঁছে যেতে পারে ।
তাই কাউকে ছোট করার আগে মনে রাখবেন সময় কিন্তু সবার কাছে।
জীবনে আরও এগিয়ে যাও শুভ কামনা রইল।🥰