28/05/2026
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে বেনোজল। টাকা পাচ্ছে ভুরি ভুরি ভুয়ো প্রাপক। তাই তো ১২ পাতার এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম । খুব সহজ ভাষায় বুঝে নিন, কেন এই বড় ফর্ম? আর কেন এত কড়া যাচাই প্রক্রিয়া....
(১)মৃত, অস্তিত্বহীন বা অভারতীয় প্রায় ৩০ লক্ষ ভুয়ো নাম তালিকা থেকে বাদ দিতেই এই স্ক্রুটিনি।
(২)ভোটার তালিকায় নাম থাকা আসল ও যোগ্য মহিলারা যাতে সঠিক সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করা।
(৩) যারা সিএএ বা ট্রাইবুনালে নাগরিকত্বের আবেদন করেছেন, তারাও এই তালিকায় ছাড় পাবেন। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। যাতে কোনো যোগ্য ব্যক্তি বঞ্চিত না হন।
(৪)১,৫০০ টাকার বদলে একলাফে ৩,০০০ টাকা। এই বড় অঙ্কের আর্থিক সুবিধা যাতে সঠিক হাতে পৌঁছায়, সেজন্য স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
ঘাবড়ানোর কিচ্ছু নেই। যারা নিজে পূরণ করতে পারবেন না, তাদের জন্য পঞ্চায়েত আধিকারিক ও সুপারভাইজাররা আগামী ৩০ দিন বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম পূরণে সহায়তা করবেন। অনলাইনেও আবেদনের সুবিধা থাকবে।
মনে রাখবেন, যতক্ষণ না অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের এনরোলমেন্ট প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে, ততক্ষণ পুরনো প্রকল্পের টাকা চালু থাকবে। তাই তাড়াহুড়ো না করে সঠিক তথ্য দিয়ে ফর্ম পূরণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ।