Eidin

Eidin Media & News Website

রাজ্যে শাসনক্ষমতায় বিজেপি । প্রায় ৪৬ শতাংশ ভোট নিয়ে ২০৮ টি আসনে জয়লাভ করেছে গেরুয়া শিবির । মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী...
31/08/2026

রাজ্যে শাসনক্ষমতায় বিজেপি । প্রায় ৪৬ শতাংশ ভোট নিয়ে ২০৮ টি আসনে জয়লাভ করেছে গেরুয়া শিবির । মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একটা কথা বার বার বলেন যে মূলত হিন্দুদের ভোটেই আজ তারা রাজ্যের শাসনক্ষমতায় এসেছেন এবং মুসলিমরা বিজেপিকে ভোট দেয়নি । আজ সোমবার এনিয়ে নিজের আদি নির্বাচনী ক্ষেত্র পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামের মুসলিম ভোটারদের খোঁচা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী । তিনি মুসলিম ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, 'একটা ভোটও তো আমায় দেননি, আজ বাড়ির টাকা আর আয়ূষ্মান ভারতের কার্ডটা আনন্দ করতে করতে নিয়ে যান ।'
আজ দুপুরে নন্দীগ্রামের রেয়াপাড়ায় আয়োজিত বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধনী সভায় শুভেন্দু অধিকারী বলেন,'স্বাস্থ্যবীমা পেতে বাকি কেউ নেই৷ যারা আমায় ভোট দেননি, তারাও পেয়ে গেছেন । আড়াই লক্ষ্য আয়ূষ্মান ভারতের কার্ড দেওয়া হচ্ছে । আর যারা আয়ূষ্মান ভারতের কার্ড পেতে গিয়ে নিয়মে আটকে যাচ্ছেন এমন ৮৭ হাজার জনকে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা যোজনার কার্ড দেওয়া হচ্ছে ৷ কেন্দামারী-মহম্মদপুর- সামসাবাদের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত গ্রামগুলোতে একটা ভোটও তো আমায় দেননি । আজ বাড়ির টাকা নিয়ে যান আনন্দ করতে করতে । আর আয়ূষ্মান ভারতের কার্ডটা নিয়ে যাবেন ।'
তিনি বলেন,নন্দীগ্রাম-১ নম্বর ব্লকে ১৮ হাজার ২০০ পরিযায়ী শ্রমিক বাইরে থাকেন । যার মধ্যে ১০ হাজার আবার এমন লোক আছে যারা কোনো দিন আমাকে ভোট দেয়নি । আর নন্দীগ্রাম-২ এ ১২ হাজার আছে । মোট ৩০ হাজার৷ কেউ হায়দ্রাবাদে থাকেন,কেউ ভুবনেশ্বর, কেউ পুনে, কেউ নাগপুরে থাকেন । দর্জির কাজ করেন । আর ভোটের সময় এসে বলেন শুভেন্দুর তো হিন্দুদের পার্টি । ওকে তো ভোট দেওয়া যাবে না ।'
শুভেন্দু বলেন,'ভোট দেননা ঠিক আছে, আমি তো সকলের মুখ্যমন্ত্রী৷ আপনি এবারে নাগপুর,সুরাট, হায়দ্রাবাদ, ভুবনেশ্বরে, সিএমসি ভেলোরে, মুম্বাই টাটা ক্যান্সার হাসপাতালে, ব্যাঙ্গালোরে, ডঃ রেড্ডির হায়দ্রাবাদে, চন্ডীপুর পিজিআই, দিল্লির এইমস প্রভৃতি সব জায়গায় ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ফ্রি চিকিৎসা পাবেন । এটাই আগের সরকারের সঙ্গে এই সরকারের তফাত ।' মুখ্যমন্ত্রী জানান, আয়ূষ্মান ভারত যোজনার কার্ড চালু করার পর থেকে নন্দীগ্রামে এযাবৎ ১৬ হাজার ৮০০ জন উপকৃত হয়েছে ।
প্রসঙ্গত, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী ৯,৬৬৫ ভোটে জয়ী হন । শুভেন্দু অধিকারীর প্রাপ্ত ভোট ১,২৭,৩০১ । যেখানে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল কংগ্রেসের পবিত্র কর পেয়েছিলেন ১,১৭,৬৩৬ ভোট । নন্দীগ্রামের হিন্দুরা বিজেপিকে এবং মুসলিমরা তৃণমূল কংগ্রেসকে একচেটিয়া ভোট দেয় বলে দাবি করা হয় ।।




News

29/08/2026

"মা তারার আশীর্বাদে এই সরকার এসেছে"

"সব ভালো হবে"
"আগের সরকারের সব কিছুতেই ছিল নো..নো..নো"৷ বর্তমান সরকারের সব কিছুতেই ইয়েস..ইয়েস..ইয়েস" ।
আজ শনিবার বীরভূমের আধ্যাত্মিক ভূমি তারাপীঠে মা তারার মন্দিরে পূজো দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ।



28/08/2026

আজ রক্ষা বন্ধন

মহিলা পুলিশকর্মীদের কাছে রাখি পরলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখলেন,"ভাইবোনের বিশ্বাস, ভালোবাসা ও স্নেহের বন্ধন রাখী বন্ধন। আজ পুলিশে কর্মরত বোনেরা হাতে রাখী বাঁধলেন। তাঁদের প্রত্যেককে রাখী পূর্ণিমার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানালাম। করুণাময় ঈশ্বরের কাছে প্রত্যেকের দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল প্রার্থনা করি।"




নারায়ণীয়ং দশক ৯ - ব্রহ্মণঃ তপঃ তথা লোকসৃষ্টিঃস্থিতসা কমলোদ্ভবস্তব হি নাভিপংকেরুহেকুতঃ স্বিদিদমংবুধাবুদিতমিত্যনালোকয়ন্ ।...
28/08/2026

নারায়ণীয়ং দশক ৯ - ব্রহ্মণঃ তপঃ তথা লোকসৃষ্টিঃ

স্থিতসা কমলোদ্ভবস্তব হি নাভিপংকেরুহে
কুতঃ স্বিদিদমংবুধাবুদিতমিত্যনালোকয়ন্ ।
তদীক্ষণকুতূহলাত্ প্রতিদিশং বিবৃত্তানন-
শ্চতুর্বদনতামগাদ্বিকসদষ্টদৃষ্ট্য়ংবুজাম্ ॥১॥

তোমার নাভিতে পদ্মাসনে উপবিষ্ট ব্রহ্মা প্রথমে সেই পদ্মের উৎস উদঘাটন করতে পারলেন না। তার উৎপত্তি জানতে উৎসুক হয়ে, তাঁকে চারটি মুখ ও পদ্মের মতো আটটি সুন্দর নয়ন দান করা হল। এর ফলে তিনি প্রস্ফুটিত পদ্মের মতো আটটি নয়নসহ চারটি মুখ লাভকরলেন। তিনি সব দিকে মুখ ফেরালেন এবং তাতে আটটি নয়নসহ চারটি মুখ পেলেন। তিনি তখনও তাঁর উৎস উদ্ঘাটন করতে পারলেন না।

মহার্ণববিঘূর্ণিতং কমলমেব তত্কেবলং
বিলোক্য তদুপাশ্রয়ং তব তনুং তু নালোকযন্ ।
ক এষ কমলোদরে মহতি নিস্ সহায়ো হ্যহং
কুতঃ স্বিদিদংবুজং সমজনীতি চিংতামগাত্ ॥২॥

ব্রহ্মা নিজেকে বিশাল সমুদ্রের মাঝে এক বিরাট পদ্মের মধ্যে সম্পূর্ণ একা দেখতে পেলেন এবং তাকে ধরে রাখা তোমার দিব্য রূপকে তিনি দেখতে পেলেন না। তিনি পদ্মটিকে ধরে রাখা কাণ্ডটি দেখলেন কিন্তু তোমার দেহ দেখতে পেলেন না এবং ভাবতে লাগলেন, এই অসহায় ও একা হয়ে তিনি কে এবং এই পদ্মের উৎসই বা কে। এরপর তিনি নিজেকেই প্রশ্ন করতে লাগলেন, “আমি কে? আমি কোথা থেকে এসেছি?” এই আত্ম-অনুসন্ধান তাঁকে জাগতিক স্তরে এক অনুসন্ধানে চালিত করল।

অমুষ্য হি সরোরুহঃ কিমপি কারণং সংভ্বে-
দিতি স্ম কৃতনিশ্চয়স্ স খলু নালরংধ্রাধ্বনা ।
স্বয়োগবলবিদ্যয়া সমবরূঢ়বান্ প্রৌঢধী -
স্ত্বদীয়মতিমোহনং ন তু কলেবরং দৃষ্টবান্ ॥৩॥

মহাজ্ঞানী ব্রহ্মা স্থির করলেন যে এই পদ্মের নিশ্চয়ই কোনো উৎস আছে। তিনি তাঁর যোগশক্তি ব্যবহার করে কারণ অনুসন্ধানের জন্য পদ্মকাণ্ডের গহ্বর দিয়ে অবতরণ করলেন। কিন্তু তিনি তোমার পরম মনোহর রূপ দেখতে পেলেন না।

ততঃ সকলনালিকাবিবরমার্গগো মার্গয়ন্
প্রযস্য শতবত্সরং কিমপি নৈব সংদৃষ্টবান্ ।
নিবৃত্য কমলোদরে সুখনিষণ্ণ একাগ্রধীঃ
সমাধিবলমাদধে ভবদনুগ্রহৈকাগ্রহী ॥৪॥

পদ্মদণ্ডের প্রতিটি গর্তে গভীরভাবে খনন করে এবং ব্যাকুলভাবে অনুসন্ধান করার পরেও শত দিব্য বর্ষ অতিবাহিত হলো। নিজের অজ্ঞতা উপলব্ধি করে ব্রহ্মা এখন একাগ্রচিত্তে প্রভুর ধ্যান করতে শুরু করলেন। শত দিব্য বর্ষ ধরে প্রভুতে মগ্ন থাকার পর,

শতেন পরিবত্সরৈর্দৃঢসমাধিবংধোল্লসত্-
প্রবোধবিশদীকৃতঃ স খলু পদ্মিনীসংভবঃ ।
অদৃষ্টচরমদ্ভুতং তব হি রূপমংতর্দৃশা
ব্যচষ্ট পরিতুষ্টধীর্ভুজগভোগভাগাশ্রয়ম্ ॥৫॥

গভীর সমাধি অবস্থায় একশো দিব্য বছর কাটানোর পর, তাঁর পরমার্থ উপলব্ধি হল। ব্রহ্মা আদিশেষ পর্বতে শায়িত ভগবানকে দর্শন করলেন। ব্রহ্মা ভগবানের যে রূপ দেখলেন, তা ছিল এক অভূতপূর্ব ও অচিন্তনীয় রূপ। তাই তিনি অত্যন্ত আনন্দ ও পরিতৃপ্তিতে পূর্ণ হলেন।

কিরীটমুকুটোল্লসত্কটকহারকেয়ূরয়ুঙ্-
মণিস্ফুরিতমেখলং সুপরিবীতপীতাংবরম্ ।
কলায়কুসুমপ্রভং গলতলোল্লসত্কৌস্তুভং
বপুস্তদয়ি ভাবয়ে কমলজন্মে দর্শিতম্ ॥৬॥

নাম্বুদারী সেই দিব্য রূপের বর্ণনা দিচ্ছিলেন যা পদ্মজাত ভগবান ব্রহ্মাকে দেখানো হয়েছিল, হে প্রভু! ভগবান মুকুট, বালা, হার এবং অন্যান্য রত্নখচিত অলঙ্কারে উদ্ভাসিত ছিলেন। ভগবান হলুদ রেশম (পীতাম্বর) পরিহিত ছিলেন এবং নীলপদ্ম ফুলের মতো উজ্জ্বল ছিলেন, এবং কণ্ঠে কৌস্তুভ মণি ধারণ করে কালয় ফুলের মতো দ্যুতিময় ছিলেন। আমি সেই দিব্য রূপের আরাধনা করি।

শ্রুতিপ্রকরদর্শিতপ্রচুরবৈভব শ্রীপতে
হরে জয় জয় প্রভো পদমুপৈষি দিষ্ট্যা দৃশোঃ ।
কুরুষ্ব ধিযমাশু মে ভুবননির্মিতৌ কর্মঠা-
মিতি দ্রুহিণবর্ণিতস্বগুণবংহিমা পাহি মাম্ ॥৭॥

হে লক্ষ্মীর অধিপতি! হে অনন্ত মহিমার অধিপতি, যাঁর শ্রেষ্ঠত্ব বিভিন্ন শাস্ত্রে বর্ণিত হয়েছে! এ আমার সৌভাগ্য যে আমি আপনার এই দিব্য দর্শন লাভ করেছি। হে প্রভু, প্রার্থনা করি, আমার বুদ্ধিকে যথেষ্ট প্রখর করে দিন, যেন আমি জগৎসমূহ সৃষ্টি করতে সক্ষম হই। হে প্রভু, যাঁর অশেষ সদ্গুণের প্রশংসা ব্রহ্মা করেছেন, আমাকে রক্ষা করুন।

লভস্ব ভুবনত্রয়ীরচনদক্ষতামক্ষতাং
গৃহাণ মদনুগ্রহং কুরু তপশ্চ ভূয়ো বিধে ।
ভবত্বখিলসাধনী ময়ি চ ভক্তিরত্য়ুত্কটে-
ত্য়ুদীর্য় গিরমাদধা মুদিতচেতসং বেধসম্ ॥৮॥

পরমেশ্বর ভগবান ব্রহ্মাকে ত্রিভুবন সৃষ্টির জন্য অসীম তপস্যার আশীর্বাদ দিলেন এবং ভগবানের প্রতি তাঁর ভক্তি আরও গভীর করার জন্য তপস্যা করার উপদেশ দিলেন। সেই অনুসারে, ব্রহ্মা একশো বছর ধরে কঠোর তপস্যা করলেন। আরও আধ্যাত্মিক ও মানসিক শক্তি লাভ করে, ভগবান ব্রহ্মাকে আরও গভীর অনুরাগের সাথে তোমার কাছে প্রার্থনা করতে উৎসাহিত করলেন এবং তাঁর প্রার্থিত বরের চেয়েও অধিক বর দিয়ে তাঁকে আনন্দিত করলেন।

শতং কৃততপাস্ততঃ স খলু দিব্যসংবত্সরা-
নবাপ্য় চ তপোবলং মতিবলং চ পূর্বাধিকম্ ।
উদীক্ষ্য় কিল কংপিতং পযসি পংকজং বায়ুনা
ভবদ্বলবিজৃংভিতঃ পবনপাথসী পীতবান্ ॥৯॥

অতঃপর ভগবান ব্রহ্মা শতবর্ষ তপস্যা করলেন এবং সেই তপস্যার ফলে পূর্বের চেয়ে অধিক শক্তি ও বুদ্ধি লাভ করলেন। বায়ুর কারণে জলে পদ্মটির কম্পমান দেখে, তোমার নৈতিক সমর্থনে উৎসাহিত হয়ে তিনি বায়ু ও জল উভয়ই আস্বাদন করলেন।

তবৈব কৃপয়া পুনস্ সরসিজেন তেনৈব সঃ
প্রকল্প্য ভুবনত্রয়ীং প্রববৃতে প্রজানির্মিতৌ ।
তথাবিধকৃপাভরো গুরুমরুত্পুরাধীশ্বর
ত্বমাশু পরিপাহি মাং গুরুদয়োক্ষিতৈরীক্ষিতৈঃ ॥১০॥

পুনরায়, তোমার আশীর্বাদে, ভগবান ব্রহ্মা সেই পদ্ম থেকে ত্রিভুবন সৃষ্টি করলেন এবং নানা প্রকার জীব সৃষ্টি করতে শুরু করলেন। এই ত্রিভুবন, ভূঃ, ভুবঃ এবং সুবঃ মিলে চৌদ্দটি ভুবনই গঠিত। হে গুরুভায়ুরপ্পা! আমার উপর তোমার মহান করুণায় পূর্ণ দৃষ্টি রাখো এবং শীঘ্রই আমাকে রক্ষা করো।




রংপুরে হিন্দু পরিবারকে ন-র-সং-হা-রের ঘটনার বাংলাদেশ জুড়ে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর একের পর এক হা-ম-লা-র ঘটনা সামনে আসছে । ...
28/08/2026

রংপুরে হিন্দু পরিবারকে ন-র-সং-হা-রের ঘটনার বাংলাদেশ জুড়ে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর একের পর এক হা-ম-লা-র ঘটনা সামনে আসছে । এবারে বাংলাদেশের নোয়াখালীতে বাড়ির বাইরে তালা লাগিয়ে দিয়ে একটি হিন্দু পরিবারকে গৃহবন্দী করে রাখার খবর পাওয়া গেছে । ঘটনাটি নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ৮ নম্বর সোনাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার । স্থানীয় বাসিন্দা পাননাথ দাসের বাড়ির দরজা বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে । এত ফলে ঘরের ভেতরে পাননাথ দাসের স্ত্রী ও তার দুই নাবালিকা মেয়ে আটকা পড়ে আছেন ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৮ নম্বর সোনাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে, এমসিএস উচ্চ বিদ্যালয়ের পেছনে রয়েছে পাননাথ দাসের বাড়ি । গতকাল রাত প্রায় ১০টা ১০ মিনিট নাগাদ পরিবারের কেউ বেরুতে গিয়ে দেখেন বাইরে থেকে তালা লাগানো রয়েছে । ঘরের ভেতরে আটকা পড়ে যান পাননাথ দাসের স্ত্রী ও তার দুই মেয়ে । তারা দরজা খোলার বহু চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন । বের হতে না পেরে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন তারা এবং কান্নাকাটি শুরু করেন । তাদের কান্নার শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। পরে তারা বাইরে থেকে লাগানো তালা ভেঙে ঘরের ভেতরে থাকা তিনজনকে বের করে আনেন।
ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। কারা এবং কী উদ্দেশ্যে একটি পরিবারের সদস্যদের ঘরের ভেতরে রেখে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে দিয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠন। তাদের দাবি, এটি কোনো বিক্ষিপ্ত ঘটনা নয়,বরঞ্চ হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি করার জন্য এসব ঘটানো হচ্ছে ।
ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে হাতিয়া জন্মাষ্টমী পরিষদ, হাতিয়া উপজেলা বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ এবং পূজা পরিষদ। সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে প্রশাসনের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে, দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি তদন্ত করা এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে।
তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটি সম্পর্কে প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। স্থানীয় হিন্দুদের দাবি, প্রশাসন বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত তদন্ত করুক এবং ওই পরিবারের নিরাপত্তা নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করুক ।।

,

বাংলাদেশের রংপুরের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), তাদের মেয়ে প্রার্...
27/08/2026

বাংলাদেশের রংপুরের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), তাদের মেয়ে প্রার্থী চক্রবর্তী (২৪) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী (১২)কে খু-নে-র ঘটনায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে । হ-ত্যা-র আগে প্রীতিলতাদেবী ও তার মেয়েকে ধ-র্ষ-ণ বা গ-ন-ধ-র্ষ-ণ করা হয়েছিল বলে আগেই জানিয়েছে ম*য়না*তদন্ত করা ডোম । এছাড়া,হ-ত্যা-র আগে ছোট্ট প্রিয়মের লি-ঙ্গ-চ্ছে-দ পর্যন্ত করা হয়েছিল বলে জানতে পারা যাচ্ছে ।প্রার্থী চক্রবর্তীর গো-প-নাঙ্গ রাসায়নিক দিয়ে পোড়ানো পর্যন্ত হয়েছিল,উ-প-ড়ে ফেলা হয়েছিল দুই চোখ ।ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে এই সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য লুকাচ্ছে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ! রংপুরের ওই পরিবারের গনহত্যার সঙ্গে স-ন্ত্রা-সী যোগ আড়াল করতে পুলিশ এই তথ্যগুলো গোপন করেছে বলে অভিযোগ উঠছে ।
এবারে অ-কু-স্থলে প্রমান লোপাটের জন্য পরিকল্পিত ভাবে রাতভর নিহত শিক্ষকের বাড়ির মোটর পাম্প চালানোর অভিযোগ উঠেছে । হ-ত্যা-কাণ্ডে ধৃত সিদ্ধার্থ দাসের পরিবার দাবি করেছেন, নিহতের বাড়ির ছাদ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলা হয়েছে । সিদ্ধার্থের দাদা পার্থ দাস জানান, সন্ধ্যার পর বাড়ির লাইট অফ ছিল। সেসময় তিনি দেখেন বাড়ির ছাদ থেকে প্রচুর জল পড়ছে। বিষয়টি দায়িত্বরত পুলিশকে জিজ্ঞেস করলে তারা জানান, ভুল করে লাইটের সুইচ মনে করে মোটর চালু হয়ে ট্যাংক উপচে জল পড়েছে। এমমকি পুলিশের ওই সদস্যরা তাকে এটি অন্য কাউকে না জানাতে অনুরোধ করেন। পরে তার কাছে জানতে চান তিনি কে হয়। এসময় পার্থ ওই পুলিশদের জানায়, 'আমি ধৃত সিদ্ধার্থের দাসা ।' এ কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যেতে বলেন।তবে মামলাটি দায়িত্বে থাকা মহানগর গোয়েন্দা ডিবি পুলিশ দাবি করেছে, বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত থাকা পুলিশ সদস্যদের মধ্যে কেউ একজন লাইটের সুইচের পরিবর্তে মোটরের সুইচ অন করে দেওয়ায় ট্যাংক থেকে জল উপচে পড়েছে।
এদিকে নিহত আগামী চক্রবর্তীর স্কুলের বান্ধবী Shabila Naz Shoumi-এর চাঞ্চল্যকর পোস্ট নতুন বিতর্ক উসকে দিয়েছে । তিনি জানিয়েছে, শুক্রবার ভোর ৫:৫০ তার সাথে হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট করেছিলেন আগামী।
পুলিশের দাবি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী স্বপরিবারে খু-ন হওয়ার বিষয়টি সর্ভৈব মিথ্যা। বান্ধবী "Shabila Naz Shoumi "তার ফেসবুক পোস্টে প্রকাশ করেছেন শুক্রবার ভোর ৫:৫০ - এ আগামীর সাথে তার চ্যাটিং হয়। সেখানে আগামী উল্লেখ করেন "সবার বাসায় বিদ্যুৎ আছে, কেন জানি তাদের বাসায় বিদ্যুৎ নেই" ।
তার অর্থ দাঁড়ায় শুক্রবার ভোর ৫:৫০ পরেই আগামী চক্রবর্তী ও তার পরিবারকে খু-ন করা হয়। অথচ সাংবাদিক সম্মেলনে পুলিশ দাবি করেছিল বৃহস্পতিবার রাতে নাকি তাদেরকে খু-ন করা হয়েছে। একই সাথে খু-নে-র পরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার বিষয়টিও সম্পূর্ণ মিথ্যা।
শুধু তাই নয়, বান্ধবী আরো প্রকাশ করেছে ২১/৫/২০২৬ ও ২৩/৫/২০২৬ তারিখে তার সাথে আগামী চক্রবর্তী মেসেজ আদান প্রদান হয়, সেখানে আগামী চক্রবর্তী GD ও FIR করার জন্য পরামর্শ চেয়েছেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কাদের বিরুদ্ধে আগামী চক্রবর্তী GD ও FIR করতে চেয়েছেন?


নারায়ণীয়ং দশক ৮ - মহাপ্রলয় বর্ণনম্শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা এবং শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণের সারসংক্ষেপ নিয়ে রচিত মেল্পুথুর নারায়ণ ভট্ট...
27/08/2026

নারায়ণীয়ং দশক ৮ - মহাপ্রলয় বর্ণনম্

শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা এবং শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণের সারসংক্ষেপ নিয়ে রচিত মেল্পুথুর নারায়ণ ভট্টতিরি-র 'নারায়ণীয়ম্' মহাকাব্যের অষ্টম দশকটি (দশক ৮) সৃষ্টির আদি পর্বের 'প্রলয় বর্ণনম্' বা মহাপ্রলয়ের রূপ তুলে ধরে।
বিশ্ব সৃষ্টির পূর্বে আমাদের সময়ের একটি ধারণা ছিল, যেমনটি আমাদের পুরাণগুলিতে গণনা করা হয়েছে ৩৬০ মানব বছর মিলে দেবতাদের জন্য এক বছর হয় (দিব্য বর্ষ বা "দিব্য বর্ষ")। এই ধরনের ১২,০০০ দিব্য বছর মিলে একটি "চতুর যুগ" বা "মহাযুগ" গঠিত হয়। একটি "চতুর যুগ" বা "মহাযুগ" চারটি যুগকে (কাল) একত্রিত করে গঠিত হয়। চারটি যুগ হলো: কৃত যুগ-৪৮০০ দিব্য বছর, ত্রেতা যুগ-৩৬০০ দিব্য বছর, দ্বাপর যুগ-২৪০০ দিব্য বছর এবং কলিযুগ-১২০০ দিব্য বছর। মোট ১২,০০০ দিব্য বছর এবং ৪৩,২০,০০০ মানব বছর। এই ধরনের ৭১টি মহাযুগ/চতুর যুগ মিলে একটি "মন্বন্তর" গঠিত হয়। এই ধরনের ১৪টি মন্বন্তরকে একত্রিত করে একটি "কল্প" গঠন করা হয়। আমরা আজ সপ্তম মন্বন্তরে বাস করছি, যা 'বৈবস্বত মন্বন্তর' নামে পরিচিত। একটি কল্প গঠনে যে ১৪টি মন্বন্তর থাকে, তা ব্রহ্মার জন্য মাত্র একটি দিন। ব্রহ্মা হলেন আমাদের পৌরাণিক সৃষ্টির দেবতা। দিনের শেষে ব্রহ্মা রাতে ঘুমাতে যান। তাঁর রাত্রিও দিনের সমান সময় ধরে চলে, অর্থাৎ একটি কল্পের সমান সময়। এই কোনো 'সৃষ্টি' কার্যকলাপ হয় না এবং একে 'নৈমি প্রলয়' বলা হয়। ব্রহ্মা তাঁর পরবর্তী দিন বা কল্পের। আবার জেগে ওঠেন। ব্রহ্মার এই ধরনের ৩৬০টি দি কল্প মিলে তাঁর এক বছর হয়। এইভাবে একজন ব্রহ্মা তাঁর ১০০ বছর বেঁচে থাকেন।

সৃষ্টি শুরু হওয়ার আগে মহাপ্রলয় বা মহাপ্লাবন হয়েছিল। এই সময়ে কোনো মহাবিশ্ব ছিল না। ব্রহ্মার ১০০ বছর স্থায়ী প্রলয়ের শেষে সৃষ্টির একটি ইচ্ছা জন্মায়।
নারায়ণীয়ং দশক ৮ - প্রলয় বর্ণনম্

এবং তাবত্ প্রাকৃতপ্রক্ষয়াংতে
ব্রাহ্মে কল্পে হ্য়াদিমে লব্ধজন্মা ।
ব্রহ্মা ভূযস্ত্বত্ত এবাপ্য বেদান্
সৃষ্টিং চক্রে পূর্বকল্পোপমানাম্ ॥১॥

প্রাকৃত প্রলয়ের শেষে, প্রথম কল্পে যা ব্রহ্ম কল্প নামে পরিচিত, ব্রহ্মা অস্তিত্ব লাভ করেন। তিনি একমাত্র তোমার কাছ থেকে বেদের জ্ঞান লাভ করেছিলেন এবং পূর্ববর্তী কল্পগুলির মতোই সৃষ্টি শুরু করেছিলেন।

সোঽয়ং চতুর্য়ুগসহস্রমিতান্যহানি
তাবন্মিতাশ্চ রজনীর্বহুশো নিনায় ।
নিদ্রাত্যসৌ ত্বয়ি নিলীয় সমং স্বসৃষ্টৈ-
র্নৈমিত্তিকপ্রলযমাহুরতোঽস্য় রাত্রিম্ ॥২॥

এক হাজার চতুর্যুগে এই ব্রহ্মার জন্য একটি দিন তৈরি করে, এবং সমান সময়কাল তার রাত্রি। তার দিনের সময় তিনি সৃষ্টি করেন এবং রাতে তিনি ঘুমান, তাই তার সৃষ্টির সাথে সাথে তিনি আপনার মধ্যে মিশে গেলে তার রাতটি নৈমিত্তিক প্রলয় নামে পরিচিত। এভাবে অনেক দিন-রাত কাটল তার।

অস্মাদৃশাং পুনরহর্মুখকৃত্যতুল্যাং
সৃষ্টিং করোত্যনুদিনং স ভবত্প্রসাদাত্ ।
প্রাগ্ব্রাহ্মকল্পজনুষাং চ পরায়ুষাং তু
সুপ্তপ্রবোধনসমাস্তি তদাঽপি সৃষ্টিঃ ॥৩॥

প্রতিটি দিন শুরু হওয়ার সাথে সাথে, আপনার আশীর্বাদে ব্রহ্মা সৃষ্টির কাজ চালিয়ে যান, যেমন আমরা ভোরবেলা আমাদের প্রতিদিনের আচার অনুষ্ঠান করি। যারা ব্রহ্ম কল্পের আগে জন্মেছিলেন তাদের জন্যও দীর্ঘ রাতের ঘুমের পর নতুন কল্পের ভোরে জেগে ওঠেন।

পংচাশদব্দমধুনা স্ববয়োর্ধরূপ-
মেকং পরার্ধমতিবৃত্য হি বর্ততেঽসৌ ।
তত্রাংত্যরাত্রিজনিতান্ কথয়ামি ভূমন্
পশ্চাদ্দিনাবতরণে চ ভবদ্বিলাসান্ ॥৪॥

হে অসীম সত্তা! বর্তমান চক্রের উপর শাসক ব্রহ্মা এখন তার জীবনের পঞ্চাশ বছর পূর্ণ করেছেন, যা এক পরার্ধ নামে পরিচিত। আমি এখন ব্রহ্মার আগের রাত্রে এবং বর্তমান পরার্ধের পরদিন ভোরের শুরুতে আপনার ক্রীড়ামূলক কর্মকাণ্ডের বর্ণনা করব। (আমাদের ১০০০x৪ যুগ = ব্রহ্মকল্পের ১ দিন, এবং একইভাবে, আমাদের ১০০০x৪ যুগ = ব্রহ্মকল্পের ১ রাত। আমাদের ২০০০x৪ যুগ = ব্রহ্মের ১ দিন + ১ রাত। ব্রহ্মের ৩৬০ দিন (রাত সহ) = ব্রহ্মের ১ বছর। ব্রহ্মের ১০০ বছর = ব্রহ্মার পূর্ণ আয়ু, যা মহাপ্লাবনের সময়কালও বটে।)

দিনাবসানেঽথ সরোজয়োনিঃ
সুষুপ্তিকামস্ত্বয়ি সন্নিলিল্যে ।
জগংতি চ ত্বজ্জঠরং সমীয়ু-
স্তদেদমেকার্ণবমাস বিশ্বম্ ॥৫॥

হে প্রভু! ব্রহ্মার এক সৃষ্টিশীল দিনের শেষে, নিদ্রাকামী হয়ে তুমি তোমাতে বিলীন হলে; জগৎসমূহও তোমার উদরে আশ্রয় নিল এবং সমগ্র ব্রহ্মাণ্ড এক বিশাল মহাসাগরে পরিণত হলো।

তবৈব বেষে ফণিরাজি শেষে
জলৈকশেষে ভুবনে স্ম শেষে ।
আনংদসাংদ্রানুভবস্বরূপঃ
স্বয়োগনিদ্রাপরিমুদ্রিতাত্মা ॥৬॥

যখন সমগ্র বিশ্বজগৎ জলে আচ্ছন্ন ছিল, তখন আপনি সম্পূর্ণ আনন্দের আত্মা হয়ে, আদিষেশ (সর্পের রাজা) তে বিশ্রাম নিচ্ছেন, যিনি আপনারই আর একটি প্রকাশ, বিশুদ্ধ আনন্দে দশাকম ।

কালাখ্যশক্তিং প্রলয়াবসানে
প্রবোধয়েত্য়াদিশতা কিলাদৌ ।
ত্বয়া প্রসুপ্তং পরিসুপ্তশক্তি-
ব্রজেন তত্রাখিলজীবধাম্না ॥৭॥

তুমি শয়ন করলে, যখন সকল নানা শক্তি ও জীবাত্মা তোমাতে বিলীন হয়ে গেল। নিদ্রার সময় সমস্ত জীবাত্মা ভগবানে বিলীন হয়ে যায়, ঠিক যেমন ঘুমের সময় আমাদের সমস্ত চিন্তা, উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তা 'আমি' নামক পরমানন্দে বিলীন হয়ে যায়। প্রলয়ের শেষে 'কাল' নামক শক্তি ভগবানকে জাগিয়ে তোলে, যেমন তা আমাদের নিদ্রা থেকে জাগিয়ে তোলে। তুমি তোমার সেই শক্তিকে, যাকে কাল বলা হয়, প্রলয়ের শেষে তোমাকে জাগিয়ে তোলার আদেশ দিয়েছিলে। তারপর, প্রলয়ের শুরুতে।

চতুর্য়ুগাণাং চ সহস্রমেবং
ত্বয়ি প্রসুপ্তে পুনরদ্বিতীয়ে ।
কালাখ্যশক্তিঃ প্রথমপ্রবুদ্ধা
প্রাবোধয়ত্ত্বাং কিল বিশ্বনাথ ॥৮॥

হে বিশ্বনাথ! বলা হয় যে, সহস্র চতুর্যুগ নিদ্রার পর কালশক্তি বা কালের শক্তি তোমাকে জাগিয়ে তুলেছিল।

বিবুধ্য চ ত্বং জলগর্ভশায়িন্
বিলোক্য় লোকানখিলান্ প্রলীনান্ ।
তেষ্বেব সূক্ষ্মাত্মতয়া নিজাংতঃ -
স্থিতেষু বিশ্বেষু দদাথ দৃষ্টিম্ ॥৯॥

সাগরের বিছানায় শুয়ে থাকা প্রভু! জাগরণে আপনি আপনার মধ্যে মিশে থাকা সমস্ত জগতকে সম্মিলিত দৃষ্টিতে নিক্ষেপ করেছিলেন।

ততস্ত্বদীয়াদয়ি নাভিরংধ্রা-
দুদংচিতং কিংচন দিব্যপদ্মম্ ।
নিলীননিশেশষপদার্থমালা-
সংক্ষেপরূপং মুকুলায়মানম্ ॥১০॥

তখন, হে প্রভু! তাঁর 'অন্তর্দৃষ্টি', বা সহজ ভাষায় বলতে গেলে, 'সৃষ্টি'কে আবার নতুন করে শুরু করার 'ইচ্ছা' প্রকাশ করে। তখন প্রভুর নাভি থেকে এক মহাউজ্জ্বল পদ্মকলি বেরিয়ে আসে। তোমার নাভিগহ্বর থেকে কুঁড়িরূপে এক অপূর্ব দিব্য পদ্মের উদ্ভব হয়, যার মধ্যে সূক্ষ্ম রূপে তোমাতে বিলীন থাকা সমস্ত জগৎসমূহ বিদ্যমান। এই পদ্মকলিতেই পূর্ববর্তী সকল সত্তার বীজ রয়েছে।

তদেতদংভোরুহকুড্মলং তে
কলেবরাত্ তোযপথে প্ররূঢ়ম্ ।
বহির্নিরীতং পরিতঃ স্ফুরদ্ভিঃ
স্বধামভির্ধ্বাংতমলং ন্যকৃংতত্ ॥১১॥

তখন, হে প্রভু! তোমার নাভি থেকে কুঁড়িরূপে এক আশ্চর্য দিব্য পদ্ম উদ্ভুত হল। প্রভুর নাভি থেকে উৎপন্ন এই পদ্মকুঁড়ি চারপাশের সমস্ত অন্ধকার দূর করে
দিল ।

সংফুল্লপত্রে নিতরাং বিচিত্রে
তস্মিন্ ভবদ্বীর্যধৃতে সরোজে ।
স পদ্মজন্মা বিধিরাবিরাসীত্
স্বয়ংপ্রবুদ্ধাখিলবেদরাশিঃ ॥১২॥

হে প্রভু! বিস্ময়কর পদ্মের সম্পূর্ণরূপে প্রস্ফুটিত পাপড়িতে, ভগবান ব্রহ্মা (স্রষ্টা) সমস্ত বেদ স্বভাবে উদ্ভাসিত হয়ে আবির্ভূত হন।

অস্মিন্ পরাত্মন্ ননু পাদ্মকল্পে
ত্বমিত্থমুত্থাপিতপদ্ময়োনিঃ ।
অনংতভূমা মম রোগরাশিং
নিরুংধি বাতালয়বাস বিষ্ণো ॥১৩॥

হে অবোধ্য শক্তির পরমেশ্বর, পদ্মকল্প নামক এই কালে তুমি এইভাবে সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মাকে অস্তিত্বে এনেছ। হে ভগবান বিষ্ণু! যিনি গুরুবায়ুর মন্দিরে আবির্ভূত হয়েছেন, অনুগ্রহ করে আমার রোগব্যাধি দূর করুন।

শ্লোকানুসারী মূল অর্থ (দশক ৮ - প্রলয় বর্ণনম্)

প্রলয়ের সূচনা:
ব্রহ্মার এক দিন (কল্প) শেষ হলে ব্রহ্মাণ্ডের বিনাশ বা ব্রাহ্মপ্রলয় ঘটে। তখন সূর্যদেব দ্বিগুণ তেজে প্রজ্জ্বলিত হয়ে ত্রিলোক দগ্ধ করতে শুরু করেন। চারদিকে শুধু আগুন আর উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে।
মহাবন্যা ও লয়:
এরপর আকাশ থেকে প্রবল বর্ষণ শুরু হয়। শত শত বছর ধরে চলা এই বৃষ্টিতে সমস্ত পুড়ে যাওয়া ব্রহ্মাণ্ড জলে ভেসে যায়। পৃথিবী, মহাকাশ, স্বর্গ—সবকিছু এক বিশাল জলরাশিতে (একার্ণব) পরিণত হয়।
প্রকৃতির বিলুপ্তি:
ধীরে ধীরে সৃষ্টির পঞ্চভূত একটি অন্যটির মধ্যে লীন হতে থাকে।
★ পৃথিবী বিলীন হয় জলে।
★জল শুকিয়ে লীন হয় অগ্নিতে।
★ অগ্নি শান্ত হয়ে লীন হয় বায়ুতে।
★ বায়ু স্তব্ধ হয়ে লীন হয় আকাশে।
★ আকাশ ও অহংকার লীন হয় মহত্তত্ত্বে এবং সবশেষে তা মূল প্রকৃতি বা মায়ায় গিয়ে মেশে।

শ্রীহরির যোগনিদ্রা:
এই অবস্থায় নাম, রূপ বা কালের কোনো অস্তিত্ব থাকে না। সমস্ত জীবাত্মা তাদের কর্মের সংস্কার নিয়ে সুপ্ত অবস্থায় আপনার (শ্রীহরির) দেহে আশ্রয় নেয়। আপনি তখন সেই প্রলয়-পয়োধির (জলের) ওপর শেষনাগের শয্যায় যোগনিদ্রায় মগ্ন থাকেন।
মহিমার স্তুতি:
হে গুরুবায়ুপুরের অধিপতি! চারদিকের এই শূন্যতা ও অন্ধকারেও আপনি নিজের চিদানন্দ রূপে উজ্জ্বল ভাস্বর ছিলেন। সৃষ্টির আদি ও অন্তের একমাত্র আশ্রয় আপনিই।
রোগমুক্তির প্রার্থনা (ফলশ্রুতি)
নারায়ণীয়মের প্রতিটি দশকের শেষ শ্লোকে ভট্টতিরি তাঁর নিজের রোগমুক্তির জন্য কৃষ্ণের কাছে ব্যাকুল প্রার্থনা জানিয়েছেন ।




"শুধু একটি পরিবার নয়, আমাদের বংশ নিশ্চিহ্ন করে দিল" : কাঁদতে কাঁদতে বললেন বাংলাদেশের রংপুরে সপরিবারে খুন হওয়া অবসরপ্রাপ্...
26/08/2026

"শুধু একটি পরিবার নয়, আমাদের বংশ নিশ্চিহ্ন করে দিল" : কাঁদতে কাঁদতে বললেন বাংলাদেশের রংপুরে সপরিবারে খুন হওয়া অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর দাদা গোপিনাথ চক্রবর্তী (৭০) । তিনি বলেন,'গণপতির ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তীই ছিলো আমাদের বংশের শেষ পুত্র সন্তান।’গোপিনাথ চক্রবর্তী রংপুর নগরীর দাসপাড়া (মাছুয়াপাড়া) এলাকায় নিজ বাড়িতে খুনের শিকার গণপতি চক্রবর্তীর (৬৫) বড় দাদা । তিনি রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় পুরোহিত এবং চার খুনের মামলার অভিযোগকারী ।
মঙ্গলবার দুপুরে নিহত গণপতির বাড়িতে তাঁর, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৪) ও ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তীর (১২) আত্মার শান্তি কামনায় শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানের সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন গোপিনাথ চক্রবর্তী। এসময় তাঁদের আত্মীয় স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। পুলিশের উপস্থিতিতে শ্রাদ্ধ শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
গোপিনাথ চক্রবর্তী বলেন, তাঁরা চার ভাই ছিলেন। দুই বড় দাদা অনেক আগেই মারা গেছেন। তিনি আর গণপতি বেঁচে ছিলেন। তাঁর কোন পুত্রসন্তান নেই। তাঁর দুই বড় দাদারও কোন পুত্রসন্তান নেই। গণপতির ছেলে প্রীয়ম ছিলো তাঁদের বংশের একমাত্র পুত্রসন্তান । তাকে খুন করায় বংশে বাতি দেওয়ার আর কেউ রইল না ।তিনি বলেন, ’প্রীয়ম বেঁচে থাকলে সেই আমাদের বংশকে বাঁচিয়ে রাখতো। এখন বংশে বাতি জ্বালানোর মতো আর কেউ রইলো না ।' একথা বলে তিনি হাউহাউ করে কেঁদে ওঠেন ।
গোপিনাথ বলেন, তার ছোট ভাই গণপতি যখন পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিলো তখন তাদের বাবা হেমন্ত চক্রবর্তী মারা যান। তিনি শৈশবকাল থেকে এলাকায় পৌরহিত্য করেন। তিনি বলেন,‘আমি পৌরহিত্যেরে উপার্জন থেকে গণপতিকে পড়াশুনা শিখিয়েছি। সে সরকারি চাকুরি পেয়েছিলো। আমাদের সকলের খেয়াল রাখতো গণপতি।' ‘প্রীয়ম যদি বেঁচে থাকতো তাহলে মনে বল পেতাম। আমার পিতা হেমন্ত চক্রবর্তীর বংশ শেষ। আমার মৃত্যুর পর আমাদের বংশে আর কোন পুরুষ থাকবে না,’ তিনি বলেন।
নিহত গণপতির ভাইঝি সপ্তমী চক্রবর্তী জানান, 'খুড়তুতো ভাই প্রীয়ম ছিলো আমাদের চোখের মণি। সে ছিলো আমাদের বংশের একমাত্র ভাই। প্রীয়ম বেঁচে নেই এটা আমা ভাবতেই পারছি না।’ তিনি বলেন, তাদের কাকা গণপতি ও তার পরিবারের সবাই খুন হওয়ায় তার বাবা গোপিনাথ খুবই ভেঙ্গে পড়েছেন। তিনি শারিরীকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তাকে নিয়ে দুশ্চিন্তা হচ্ছে।
শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠান পরিচালনাকারী ধীমান ভট্টাচার্য্য বলেন, ‘মঙ্গলবার বিকেল পযর্ন্ত শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠান চলে। নিহতের আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করা হয়। যেহেতু চারজনই খুন হয়েছে তাই চারদিনে সকল ধর্মীয় অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয়েছে।’।

নারায়ণীয়ং দশক ৭ - হিরণ্যগর্ভের জন্ম ও  বৈকুন্ঠ দর্শন বর্ণনা শ্রীমন্ নারায়ণীয়মের সপ্তম দশকে ব্রহ্মার উৎপত্তি, তাঁর তপস্য...
26/08/2026

নারায়ণীয়ং দশক ৭ - হিরণ্যগর্ভের জন্ম ও বৈকুন্ঠ দর্শন বর্ণনা

শ্রীমন্ নারায়ণীয়মের সপ্তম দশকে ব্রহ্মার উৎপত্তি, তাঁর তপস্যা এবং বৈকুণ্ঠ দর্শনের বর্ণনা রয়েছে।
মূল বিষয়বস্তু ও সারসংক্ষেপ
ব্রহ্মার প্রাদুর্ভাব: বিরাট রূপ প্রকাশের পর সর্বব্যাপী ভগবান সত্যলোকে ব্রহ্মা (হিরণ্যগর্ভ) রূপে স্বয়ং আবির্ভূত হন। তিনি ত্রৈলোকরূপ জীবের আত্মা এবং সৃষ্টিতত্ত্বে রজোযুক্ত।
সৃষ্টির দুশ্চিন্তা: সৃষ্টির ইচ্ছা জাগলেও ব্রহ্মা শুরুতে কোনো পথ বা জ্ঞান খুঁজে পান না এবং চিন্তাকুল হয়ে পড়েন।
তপস্যার নির্দেশ: তখন অন্তর্যামী প্রভুর প্রেরণা ও কৃপায় আকাশবাণীর মতো কানে 'তপ, তপ' (তপস্যা কর) ধ্বনি শুনতে পান।
তপস্যা ও বৈকুণ্ঠ দর্শন: দিব্য সহস্র বছর ধরে কঠোর তপস্যা করার পর ব্রহ্মা সন্তুষ্ট করেন ভগবানকে। তখন ভগবান বিষ্ণু তাঁকে নিজের পরম অদ্ভুত ও দিব্য বৈকুণ্ঠধাম দর্শন করান।
ভগবানের রূপ: নীলকমল ও জলপূর্ণ মেঘের কান্তিযুক্ত, চার হাতে শঙ্খ-চক্র-গদা-পদ্মধারী, মন্দহাস্যময় প্রসন্ন মুখমণ্ডল এবং দিব্য অলঙ্কারে ভূষিত পরম সুন্দর রূপ ব্রহ্মা দর্শন করেন।
সৃষ্টির বরলাভ: ব্রহ্মা ধন্য ও কৃতার্থ হন এবং প্রভুর আশীর্বাদ নিয়ে সৃষ্টির কার্য শুরু করার জ্ঞান ও উৎসাহ লাভ করেন।

নারায়ণীয়ং দশক ৭

এবং দেব চতুর্দশাত্মকজগদ্রূপেণ জাতঃ পুন-
স্তস্যোর্ধ্বং খলু সত্যলোকনিলয়ে জাতোঽসি ধাতা স্বয়ম্ ।
যং শংসংতি হিরণ্যগর্ভমখিলত্রৈলোক্যজীবাত্মকং
যোঽভূত্ স্ফীতরজোবিকারবিকসন্নানাসিসৃক্ষারসঃ ॥১॥

হে গুরুবায়ুরাপ্পা! হে প্রভু, যিনি চৌদ্দটি জগতের রূপে প্রকাশিত হয়েছিলেন, তিনি পুনরায় নিজ ইচ্ছায় সকল জগতের মধ্যে সর্বোচ্চ ও মহিমান্বিত সত্যলোকে ব্রহ্মা রূপে প্রকাশিত হলেন। এই ব্রহ্মা হিরণ্যগর্ভ (সোনালী ডিম্ব) নামে পরিচিত, যিনি ত্রিলোকের সকল জীবের মহাজাগতিক বুদ্ধি। রজোগুণের উদয়ে, আপনি এই হিরণ্যগর্ভ রূপে বিভিন্ন জীব সৃষ্টি করতে ইচ্ছা করলেন।

সোঽয়ং বিশ্ববিসর্গদত্তহৃদয়ঃ সংপশ্যমানঃ স্বয়ং
বোধং খল্বনবাপ্য বিশ্ববিষয়ং চিংতাকুলস্তস্থিবান্ ।
তাবত্ত্বং জগতাং পতে তপ তপেত্য়েবং হি বৈহায়সীং
বাণীমেনমশিশ্রবঃ শ্রুতিসুখাং কুর্বংস্তপঃপ্রেরণাম্ ॥২॥

হে ভগবান! এই ব্রহ্মা যিনি বহুগুণ সৃষ্টির আকাঙ্ক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন, তিনি এটি সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তা করেছিলেন কিন্তু তার জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞানের অভাব ছিল বলে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিলেন। তুমি, তার অলক্ষ্যে, তার কানে মধুর স্বরে ফিসফিস করে তাকে তপস্যা করতে অনুরোধ করলে: “হে প্রভু!” তোমারই ইচ্ছায় ব্রহ্মা কোথা থেকে যেন 'তপ, তপ'-এই দুটি মনোরম শব্দ শুনতে পেলেন, যা তাকে তপস্যা করতে উদ্বুদ্ধ করল।

কোঽসৌ মামবদত্ পুমানিতি জলাপূর্ণে জগন্মংডলে
দিক্ষূদ্বীক্ষ্য কিমপ্যনীক্ষিতবতা বাক্যার্থমুত্পশ্যতা ।
দিব্যং বর্ষসহস্রমাত্ততপসা তেন ত্বমারাধিত -
স্তস্মৈ দর্শিতবানসি স্বনিলয়ং বৈকুংঠমেকাদ্ভুতম্ ॥৩॥

সমগ্র মহাবিশ্ব জলে আচ্ছন্ন ছিল ব্রহ্মা তার কানে ফিসফিস করে শ্রদ্ধেয় ব্যক্তির সন্ধান করার জন্য চারদিকে চারদিকে তাকালেন। পৃথিবী জলে ডুবে ছিল এবং দেখার মতো কেউ ছিল না। তিনি তোমাকে দেখতে পাননি, কিন্তু তোমার আদেশ পালন করে সহস্র দিব্য বছর ধরে তপস্যা ও তোমার আরাধনা করেছিলেন। অতঃপর তুমি ব্রহ্মার কাছে তোমার মনোরম ধাম বৈকুণ্ঠ প্রকাশ করলে।

মায়া যত্র কদাপি নো বিকুরুতে ভাতে জগদ্ভ্য়ো বহিঃ
শোকক্রোধবিমোহসাধ্বসমুখা ভাবাস্তু দূরং গতাঃ ।
সাংদ্রানংদঝরী চ যত্র পরমজ্য়োতিঃপ্রকাশাত্মকে
তত্তে ধাম বিভাবিতং বিজয়তে বৈকুংঠরূপং বিভো ॥৪॥

হে সর্বব্যাপী প্রভু! যেখানে মায়ার কোনো প্রভাব নেই এবং যা চৌদ্দ জগতের বাইরে অবস্থিত, সেখানে দুঃখের মতো মায়া বা মায়া নেই, ক্রোধ ভ্রম ভয় অনেক পেছনে ফেলে গেছে, সেই বৈকুণ্ঠ তোমার আবাস। এখানে শুধুমাত্র সম্পূর্ণ সুখের অবিরাম বর্ষণ। আপনি ব্রহ্মাকে প্রকাশ করেছিলেন, বৈকুণ্টের এই পরম আবাস সমস্ত তুলনার বাইরে উজ্জ্বল।

যস্মিন্নাম চতুর্ভুজা হরিমণিশ্য়ামাবদাতত্বিষো
নানাভূষণরত্নদীপিতদিশো রাজদ্বিমানালয়াঃ ।
ভক্তিপ্রাপ্ততথাবিধোন্নতপদা দীব্যংতি দিব্যা জনা-
তত্তে ধাম নিরস্তসর্বশমলং বৈকুংঠরূপং জয়েত্ ॥৫॥

তোমার আবাসে যা বৈকুণ্ঠ নামে পরিচিত, সেখানে ঐশ্বরিক প্রাণীরা বাস কর যাদের চারটি বাহু রয়েছে এবং তাদের রং নীলকান্তমণির গভীর নীল দীপ্তির মতো।
অলঙ্কার যে তাদের শোভাকর মূল্যবান রত্ন দ্বারা আলোকিত, shiningaerial গাড়ী বাস. আপনার প্রতি তাদের চরম ভক্তি তাদের এই উচ্চ আবাসে স্থান পেয়েছে যা পবিত্র এবং পাপমুক্ত।

নানাদিব্যবধূজনৈরভিবৃতা বিদ্যুল্লতাতুল্যয়া
বিশ্বোন্মাদনহৃদ্যগাত্রলতয়া বিদ্যোতিতাশাংতরা ।
ত্বত্পাদাংবুজসৌরভৈককুতুকাল্লক্ষ্মীঃ স্বয়ং লক্ষ্যতে
যস্মিন্ বিস্ময়নীযদিব্যবিভবং তত্তে পদং দেহি মে ॥৬॥

ব্রহ্মা, যিনি বৈকুন্তের এই দর্শন পেয়েছিলেন, তিনি দেব। লক্ষ্মীর রূপটি ভগবানের সেবা করতে দেখেছিলেন। এই ঐশ্বরিক আবাসে দেবী মহালক্ষ্মী, যিনি তাঁর দ্বারা সমগ্র বিশ্বকে আলোকিত করেন। তার, লক্ষ্মীর, সরু এবং সুন্দর রূপটি আলোর ধারার মতো যা সমগ্র বিশ্বকে মোহিত করে এবং মোহিত করে এবং চতুর্দিকে আলোকিত করে। তিনি আপনার পদ্মের পায়ের সুগন্ধে গভীরভাবে সংযুক্ত হয়ে তিনি সর্বদাই আছেন, বৈকুণ্ঠে, যা বিস্ময়কর ঐশ্বরিক সম্পদে পরিপূর্ণ। হে প্রভু! দয়া করে আশীর্বাদ করুন মানে আমাকে আপনার এই বিস্ময়কর আবাসে স্থান দিন।

তত্রৈবং প্রতিদর্শিতে নিজপদে রত্নাসনাধ্য়াসিতং
ভাস্বত্কোটিলসত্কিরীটকটকাদ্যাকল্পদীপ্রাকৃতি ।
শ্রীবত্সাংকিতমাত্তকৌস্তুভমণিচ্ছায়ারুণং কারণং
বিশ্বেষাং তব রূপমৈক্ষত বিধিস্তত্তে বিভো ভাতু মে ॥৭॥

ব্রহ্মা সৃষ্টির স্বয়ং উৎস ভগবানকে হীরকের সিংহাসনে আসীন এবং সহস্র সূর্যের মতো উজ্জ্বল রূপে দীপ্তিমান অবস্থায় দর্শন করলেন। ভগবান 'শ্রীবস্তা' ও 'কৌস্তুভ' দ্বারা অলংকৃত ছিলেন। ব্রহ্মা যে ভগবানকে দেখলেন, তাঁর চারটি বাহু শঙ্খ, গদা, চক্র এবং পদ্মফুল দ্বারা শোভিত ছিল। এই বিস্ময়কর দর্শনে ব্রহ্মা অভিভূত হলেন। তিনি ভগবানের কাছে দ্বৈত ও অদ্বৈত উভয়ের সহাবস্থানের জন্য প্রার্থনা করলেন।

কালাংভোদকলায়কোমলরুচীচক্রেণ চক্রং দিশা -
মাবৃণ্বানমুদারমংদহসিতস্য়ংদপ্রসন্নাননম্ ।
রাজত্কংবুগদারিপংকজধরশ্রীমদ্ভুজামংডলং
স্রষ্টুস্তুষ্টিকরং বপুস্তব বিভো মদ্রোগমুদ্বাসয়েত্ ॥৮॥

হে প্রভু! তোমার সেই বিস্ময়কর রূপ, ব্রহ্মাকে তার বিস্তৃত দীপ্তিতে মোহিত করুক কালো মেঘের মতো। সুন্দর, অথবা কালয় ফুল তোমার মনোরম মুখমণ্ডলে একটি মোহনীয় কল্যাণময় হাসি ফুটে উঠুক। তোমার চতুর্ভুজ শঙ্খ, চক্র, গদা ও পদ্ম দ্বারা শোভিত। তোমার সেই রূপ ব্রহ্মাকে অপরিসীম আনন্দ দিয়েছিল। তোমার শঙ্খ, গদা, চক্র ও পদ্ম ধারণকারী চতুর্ভুজ আমার সকল রোগ নিরাময় করে।

দৃষ্ট্বা সংভৃতসংভ্রমঃ কমলভূস্ত্বত্পাদপাথোরুহে
হর্ষাবেশবশংবদো নিপতিতঃ প্রীত্য়া কৃতার্থীভবন্ ।
জানাস্যেব মনীষিতং মম বিভো জ্ঞানং তদাপাদয়
দ্বৈতাদ্বৈতভবত্স্বরূপপরমিত্য়াচষ্ট তং ত্বাং ভজে ॥৯॥
হে বিশ্বজগতের পালনকর্তা! তোমার ঐশ্বরিক রূপ দেখে, ব্রহ্মা, তোমার দৃষ্টিতে অভিভূত। সে তোমার পদ্মের পায়ে পড়ে প্রণাম করল। তিনি আপনার কাছে প্রার্থনা করেছিলেন যে আপনি অবশ্যই তার সৃষ্টি করার ইচ্ছা জানতেন এবং তাই তিনি প্রয়োজনীয় জ্ঞানের জন্য জিজ্ঞাসা করেছিলেন। হে প্রভু! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করি যিনি ব্রহ্মাকে তোমার পরম দিব্য রূপের প্রকাশ দান করেছেন।

আতাম্রে চরণে বিনম্রমথ তং হস্তেন হস্তে স্পৃশন্
বোধস্তে ভবিতা ন সর্গবিধিভির্বংধোঽপি সংজায়তে
ইত্য়াভাষ্য গিরং প্রতোষ্য নিতরাং তচ্চিত্তগূঢঃ স্বয়ং
সৃষ্টৌ তং সমুদৈরয়ঃ স ভগবন্নুল্লাসয়োল্লাঘতাম্ ॥১০॥

ব্রহ্মা পূর্ণ বিনয়ের সাথে তোমার লাল চরণে প্রণাম করছিলেন। তুমি তোমার হস্ত দ্বারা তাঁর হাত স্পর্শ করে তাঁকে বললে যে, তিনি সৃষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান লাভ করবেন এবং সৃষ্টি কর্মের দ্বারা তিনি কলুষিত হবেন না। এইভাবে তাঁকে উৎসাহিত করে, ব্রহ্মার হৃদয়ে গুপ্ত স্বয়ং তুমিই তাঁকে সৃষ্টি কর্ম শুরু করতে প্রেরণা দিলে। হে প্রভু! আমাকে সুস্বাস্থ্য দান করো।



গত শনিবার রাতে বাংলাদেশের রংপুর নগরের কামালকাছনা এলাকার একটি তিনতলা বাড়ি থেকে চারটি লা*শ উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধার করা ল...
25/08/2026

গত শনিবার রাতে বাংলাদেশের রংপুর নগরের কামালকাছনা এলাকার একটি তিনতলা বাড়ি থেকে চারটি লা*শ উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধার করা লা*শ চারটি হলো রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীর (১৩)। পরে এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ২ হিন্দু তরুন সিদ্ধার্থ দাস (১৯) ও মুগ্ধ দাস (২৩)কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ । বর্তমানে তারা জেলে । রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মহম্মদ আবদুল মাবুদ সাংবাদিক সম্মেলনে রীতিমতো কান্নাকাটি করে একটা গল্প ফাঁদেন যে,ধৃত ২ তরুন মা*দ*ক ট্যাবলেট (ই*য়া*বা) খাবার সময় গণপতি চক্রবর্তী দেখে ফেলাতেই এই খু*নে*র ঘটনা ঘটেছে । তার দাবি সকলকে শ্বা*স*রো*ধ করে হ*ত্যা করা হয়েছিল।
কিন্তু এখন যে ভয়ঙ্কর তথ্য সামনে আসছে তাতে শিহরিত হয়ে উঠছেন সকল শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ । কারন,২৫ বছরের তরুনী আগামী চক্রবর্তীকে সম্পূর্ণ ন*গ্ন অবস্থায় পাওয়া যায় । তার চোখ ও*প*ড়ানো ছিল । সকলের মুখ পু*ড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল কে*মি*ক্যাল দিয়ে । এই নৃ*শং*স বর্বরোচিত হ*ত্যা*কা*ণ্ডের কয়েক ঘন্টা আগেই মৃত গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় । সম্পূর্ণ পরিকল্পিত ভাবে ওই পরিবারটিকে নৃশংস ভাবে খু*ন করা হয়েছিল বলে দাবি করা হচ্ছে । আর এতেই স*ন্ত্রা*স*বাদী সংগঠনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকেরা । অপরাধ দমনের বিশ্লেষকেরা স*ন্ত্রা*সী যোগসূত্রও খুঁজে পেয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে । আর এতে যে কুখ্যাত সন্ত্রাসবাদী সংগঠনটির নাম সামনে আসছে,সেটি হল "জ'ই'শ-ই- ম'হ'ম্ম'দ" । কারন এই সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশকে ১০০ শতাংশ ইসলামি রাষ্ট্র গড়া ও শ'রিয়া শাসন লাগু করার কথা বলে আসছে । আর তাদের এই লক্ষ্যের পথে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হল সেদেশের ৭ শতাংশ হিন্দু ।
পুলিশ কমিশনার মহম্মদ আবদুল মাবুদের মিথ্যাচারিতার উন্মোচন
রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তান হ*ত্যা*র ঘটনায় পুলিশের দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের একাধিক অসঙ্গতি সামনে এসেছে, যা নিয়ে রহস্য ও প্রশ্ন বাড়ছে বলে জানিয়েছে ঢাকা ট্রিবিউট । ওই সংবাদমাধ্যমের আজকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (২৪ আগস্ট) সাংবাদিকদের ময়নাতদন্তের তথ্য জানান ফরেনসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও ম*য়নাত*দন্তকারী চিকিৎসক ডাঃ বাবলু কুমার বিশ্বাস। তিনি জানান, চারজনকেই শ্বা*স*রো*ধে হত্যা করা হয়েছে, তবে চোয়াল ভে*ঙে যাওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। নি*হত*দের মুখের কাছে পাওয়া তরল পদার্থও কোনো রাসায়নিক বা এ*সি*ড বা*র্নে*র কারণে নয় বলে জানান তিনি এটি মৃ*ত*দে*হ প*চ*নের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার ফল। মুখমণ্ডল "ঝ-ল-সে যাওয়া"র মতো দেখানোর পেছনেও কয়েকদিন মৃ-ত-দে-হ পড়ে থাকাকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। পরীক্ষার জন্য বিভিন্ন নমুনা সিআইডির ল্যাবে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।
অথচ এর আগে রবিবার (২৩ আগস্ট) সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল মাবুদ বলেছিলেন, "নি-হ-ত আগামী চক্রবর্তীর গলা ও মুখে রশি পেঁ-চি-য়ে এমনভাবে টানা হয়েছিল যে তার চোখ বে-রি-য়ে আসে ও চোয়াল ভে-ঙে যায়। মৃ-ত-দে-হ কতদিন পড়ে থাকলে এমন অবস্থা হতে পারে তা তিনি স্পষ্ট করেননি, যদিও পুলিশ অনুমান মৃতদেহ সর্বোচ্চ ৪৮ থেকে ৫২ ঘণ্টা পড়ে ছিল। হ*ত্যা*কা*ণ্ডে*র শিকার পরিবার, দুই অভিযুক্ত, গ্রে*প্তারে নেতৃত্ব দেওয়া পুলিশ কর্মকর্তা, ফরেনসিক চিকিৎসক ও তদন্ত কর্মকর্তা সবাই একই ধর্মাবলম্বী হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। পাশাপাশি অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ দাসের পরনে থাকা শার্ট ও গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তার শার্ট একই রকম হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে।
সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস এক সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, "ছেলেকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার সময় তার পরনে ছিল ঘিয়া রঙের একটি গেঞ্জি, অন্য কোনো কাপড় দেওয়া হয়নি ।" অন্যদিকে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিবি উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বিষয়টি খণ্ডন করে জানান, এটি আড়ংয়ের সাধারণ একটি শার্ট, যা হাজারো মানুষের কাছে থাকতে পারে। আসামিকে যেভাবে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল সেভাবেই ব্রিফিং ও আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ছাদে ই*য়া*বা সেবনের সময় বাধা দেওয়ায় চারজনকে হ*ত্যা করে এবং শুক্রবার জুমার নামাজের সময় স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যায়। কিন্তু এই সময়সীমার সঙ্গে দুই আ*সা*মির পরিবারের বক্তব্যে গরমিল পাওয়া গেছে।
সিদ্ধার্থের বাবা জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১২টায় ছেলে বাড়িতে খাওয়া দাওয়া শেষে প্রতিবেশী সীমান্তের বাড়িতে রাত কাটাতে যায় বলে তিনি জেনেছিলেন। তবে সীমান্তের বাবা সুবাস চন্দ্র দাস এই দাবি অস্বীকার করে জানান, সিদ্ধার্থ শুধু দেখা করে চলে গিয়েছিল, রাতে থাকেনি তার ছেলেকে ফাঁ*সা*নোর চেষ্টা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। অন্যদিকে মুগ্ধর মা সোনা রানী জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় একসঙ্গে খাওয়ার পর ছেলে নিজের ঘরে যায়, রাতে কখন বের হয় তা তার জানা নেই। পুলিশ কমিশনারের দাবি, আঙুলের ছাপ মুছতে আসামিরা বাসার দুটি মোবাইল ফোন ডিটারজেন্ট মেশানো জলে ভিজিয়ে রাখে। তবে নি-হ-ত পরিবারের চারজনেরই ফোন বন্ধ পাওয়া গিয়েছিল বলে জানান স্বজন পূজা চক্রবর্তী। পুলিশ দুটি ফোন বাজেয়াপ্ত করলেও বাকি দুটি ফোন কোথায়, তা নিয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি।
এছাড়া ঘটনার রাতে পুরো বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার বিষয়টিও রহস্যজনক বলে মনে করছেন স্থানীয় ইলেকট্রিশিয়ান উজ্জ্বল কুমার বর্মন। সংযোগটি স্বাভাবিক ত্রুটির মতো ছিল না, বরং ইচ্ছাকৃতভাবে খুলে ফেলা হয়েছিল বলে তিনি জানান । এ বিষয়ে ডিবি উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল কিনা তা তাদের জানা নেই। পাশের নির্মাণাধীন ভবনের যে ছাদ দিয়ে আসামিরা গণপতি চক্রবর্তীর বাসার ছাদে গিয়েছিল বলে পুলিশ দাবি করছে, সেই ভবনের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক হিমাংশু কুমার মণ্ডল জানান, ঘটনার রাতে ফ্যান চালু থাকায় কোনো শব্দ বা চি-ৎকা-র তার কানে আসেনি। তিনি জানান, গেট বন্ধ থাকলেও চারপাশের দেয়াল খুব উঁচু নয়, তাই দেয়াল টপকেই আ-সামিরা ছাদে যেতে পারে বলে তার ধারণা। অভিযুক্তদের তিনি চেনেন না বলেও জানান । রংপুর জিলা স্কুলের প্রাক্তন হিসাববিজ্ঞান শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে অবসর নেব এবং নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় নির্মাণাধীন দোতলা বাড়িতে পরিবার নিয়ে বসবাস করছিলেন। অবসরের পর হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাও করতেন তিনি ।
ডেইলি স্টার জানিয়েছে,রবিবার সন্ধ্যায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ম-য়না-তদন্ত শেষে চারজনের মৃ-ত-দেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে ম*রদে*হগুলো দাহ করতে দখিগঞ্জ শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হলে স্বজনেরা চারজনের মুখমণ্ডল ঝ*ল*সানো দেখতে পান। প্রীতিলতার ছোট বোন পূজা চক্রবর্তী ডেইলি স্টারকে বলেন, সন্ধ্যায় মৃ*ত*দে*হগুলো হস্তান্তরের পর আমরা দেখতে পাই, তাদের মুখগুলো ঝল*সা*নো। এর আগে পুলিশ আমাদের মৃ*তদে*হের কাছে যেতে দেয়নি।তিনি বলেন,‘তাদের হ*ত্যা*র আগে বা পরে দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে মুখগুলো ঝ*ল*সে দেওয়া হয়েছিল। এটা পরিকল্পিত হ-ত্যা-কাণ্ড ।'
রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল কাদের ডেইলি স্টারকে বলেন, নি-হত-দের মুখমণ্ডলে দাহ্য পদার্থ পাওয়া গেছে। নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য সিআইডির ফরেনসিক বিভাগে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
রংপুর সিআইডির পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) সুমিত চৌধুরী ডেইলি স্টারকে বলেন,দে-হ-গুলোর মুখমণ্ডল ঝ-ল-সানো ছিল। হত্যার আগে বা পরে হত্যাকারীরা দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে তাদের মুখ ঝ-ল-সে দিয়েছিল। দাহ্য পদার্থ হিসেবে কী ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছে, তা আপাতত বলা যাচ্ছে না। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নমুনা সংগ্রহ করে সিআইডির ফরেনসিক বিভাগে পাঠালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বিস্তারিত জানা যাবে।
তারই মাঝে একাত্তর টিভির বিশেষ অনুসন্ধানে ময়নাতদন্তের সাথে সংশ্লিষ্ট ডোমের বক্তব্যে উঠে এসেছে এক ভয়াবহ সত্য, যা পুরো ঘটনাকে নতুন মোড় দিয়েছে। ডোমের দাবি অনুযায়ী, গণপতি চক্রবর্তীর কন্যা আগামী চক্রবর্তীকে হ-ত্যা-র আগে পৈ-শা-চিক-ভাবে গ-ন-ধ-র্ষ-ণ করা হয়েছিল এবং তার শরীরে ধ-র্ষ-ণে-র স্পষ্ট প্রমান পাওয়া গেছে।
এই পৈশাচিক ঘটনার পর পুলিশের পক্ষ থেকে যে প্রেস ব্রিফিং করা হয়েছে, তাকে 'সাজানো নাটক' বলে অভিহিত করছে অনেকে। পুলিশের দেওয়া তথ্যের সাথে ডোমের এই বি-স্ফো-রক বক্তব্যের কোনো মিল নেই, যা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে জনমনে চরম ক্ষোভ ও সন্দেহের সৃষ্টি করেছে। কেন ধ-র্ষ-ণে-র মতো জ-ঘন্য অপরাধের প্রমান গোপন করার চেষ্টা করা হচ্ছে? প্রশাসনের এই রহস্যজনক নীরবতা কি ই-স-লা-মপন্থী স-ন্ত্রা-সী গোষ্ঠীকে আড়াল করার অপচেষ্টা? সত্য ধামাচাপা দিয়ে পুলিশের এই 'মঞ্চনাটক' কতদিন চলবে?



Address

Burdwan

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Eidin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Eidin:

Shortcuts

Share