PB News

Call Directions Website Contact the business

PB News Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from PB News, Media, Burdwan.

Writing🔴 বিশেষ প্রতিবেদন | PB NEWSবাচ্চাদের অতিরিক্ত রাগ ও জেদ কেন? কীভাবে কাউন্সেলিং করবেন অভিভাবকরা?👨‍👩‍👧 বকাঝকা নয়, ...
11/10/2026

Writing
🔴 বিশেষ প্রতিবেদন | PB NEWS
বাচ্চাদের অতিরিক্ত রাগ ও জেদ কেন? কীভাবে কাউন্সেলিং করবেন অভিভাবকরা?
👨‍👩‍👧 বকাঝকা নয়, মারধর নয়—সন্তানের মনের কথা বুঝুন, ভালোবাসা ও ধৈর্যের মাধ্যমে বদলান তার আচরণ!
বর্তমানে অনেক অভিভাবকেরই একটি সাধারণ অভিযোগ—বাচ্চা খুব রাগ করে, সামান্য কথা বললেই চিৎকার করে, নিজের ইচ্ছা পূরণ না হলে কান্নাকাটি শুরু করে, জেদ ধরে বসে থাকে কিংবা বাবা-মায়ের কথা শুনতে চায় না। কখনও খেলনা না পেলে, কখনও মোবাইল ফোন কেড়ে নিলে, আবার কখনও পড়তে বসতে বললেই শুরু হয় রাগারাগি।
অনেক সময় অভিভাবকরা এই আচরণকে শুধুমাত্র অবাধ্যতা বলে মনে করেন। কেউ বকাঝকা করেন, কেউ শাস্তি দেন, আবার কেউ সন্তানের কান্না থামাতে তার সব দাবি মেনে নেন। কিন্তু প্রশ্ন হল, এই পদ্ধতিগুলি কি সত্যিই শিশুর রাগ ও জেদ কমাতে সাহায্য করে?
মনে রাখতে হবে, ছোটদের রাগ ও জেদ সব সময় খারাপ আচরণের লক্ষণ নয়। অনেক সময় শিশু নিজের মনের কথা ঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারে না। ক্লান্তি, ক্ষুধা, ঘুমের অভাব, হতাশা, মনোযোগের চাহিদা, পারিবারিক অশান্তি কিংবা অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের মতো বিভিন্ন কারণে তার আচরণে পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।
তাই শিশুকে শুধুমাত্র শাসন করার পরিবর্তে তার আচরণের কারণ বোঝার চেষ্টা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
🧠 ১. প্রথমে বুঝুন, বাচ্চা কেন এত রাগ করছে
শিশুর রাগের পিছনে কী কারণ রয়েছে, তা খুঁজে বের করুন। সে কি কোনও কথা বুঝতে পারছে না? পড়াশোনার চাপ অনুভব করছে? বন্ধুদের সঙ্গে সমস্যা হচ্ছে? নাকি নিজের ইচ্ছা প্রকাশ করতে না পেরে হতাশ হয়ে পড়ছে?
শিশু কখন, কোন পরিস্থিতিতে এবং কী কারণে রাগ করছে, তা লক্ষ্য করুন। এতে তার আচরণের ধরন বুঝতে সুবিধা হবে।
❤️ ২. রাগের সময় ধৈর্য ধরুন, পাল্টা রাগ করবেন না
বাচ্চা চিৎকার করলে বাবা-মাও যদি চিৎকার করেন, তাহলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। শিশুর রাগের মুহূর্তে শান্ত থাকার চেষ্টা করুন। নিরাপদ পরিবেশে তাকে কিছুটা সময় দিন এবং শান্ত হলে কথা বলুন।
তাকে বোঝান, রাগ হওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু রাগের কারণে কাউকে মারধর করা, জিনিসপত্র ভাঙা বা আঘাত করা গ্রহণযোগ্য নয়।
🗣️ ৩. শিশুর মনের কথা মন দিয়ে শুনুন
শিশু যখন কোনও বিষয় নিয়ে অভিযোগ করে, তখন সঙ্গে সঙ্গে তাকে থামিয়ে দেবেন না। তার কথা মন দিয়ে শুনুন। সে কী অনুভব করছে, তা বোঝার চেষ্টা করুন।
আপনি বলতে পারেন, “আমি বুঝতে পারছি, তুমি এখন খুব রেগে গেছ। তুমি আমাকে শান্তভাবে বলো, কী হয়েছে?”
এতে শিশু ধীরে ধীরে নিজের আবেগ প্রকাশ করতে শিখবে এবং বাবা-মায়ের সঙ্গে তার বিশ্বাসের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে।
🚫 ৪. অতিরিক্ত বকাঝকা ও মারধর থেকে বিরত থাকুন
শিশুকে ভয় দেখিয়ে সাময়িকভাবে চুপ করানো সম্ভব হলেও, এতে তার সমস্যার সমাধান নাও হতে পারে। অতিরিক্ত শাস্তি শিশুর মধ্যে ভয়, ক্ষোভ ও অনিরাপত্তা বাড়াতে পারে।
তাই ভুল করলে কেন সেটি ভুল, তা সহজ ভাষায় বোঝান। শিশুর ব্যক্তিত্বকে আঘাত না করে তার নির্দিষ্ট আচরণ নিয়ে কথা বলুন।
উদাহরণস্বরূপ, “তুমি খুব খারাপ” না বলে বলুন, “খেলনাটা ছুড়ে মারা ঠিক হয়নি। আমরা অন্যভাবে সমস্যার সমাধান করতে পারি।”
📱 ৫. মোবাইল ও টিভি ব্যবহারে নিয়ম তৈরি করুন
দীর্ঘ সময় মোবাইল, টিভি বা ভিডিও গেমে ডুবে থাকলে শিশুর ঘুম, পড়াশোনা, খেলাধুলা এবং পারিবারিক যোগাযোগ ব্যাহত হতে পারে। তাই বয়স অনুযায়ী স্ক্রিন ব্যবহারের সীমা নির্ধারণ করুন।
হঠাৎ করে মোবাইল কেড়ে না নিয়ে আগে থেকেই সময়সীমা জানিয়ে দিন। মোবাইলের পরিবর্তে গল্পের বই, আঁকাআঁকি, খেলাধুলা, ধাঁধা কিংবা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ তৈরি করুন।
🌟 ৬. ভালো আচরণের প্রশংসা করুন
শিশু যখন রাগ না করে নিজের কথা বোঝায়, অপেক্ষা করতে শেখে কিংবা কোনও সমস্যা শান্তভাবে সমাধান করে, তখন তার প্রশংসা করুন।
যেমন বলতে পারেন, “আজ তুমি খুব সুন্দরভাবে নিজের কথাটা বলেছ। তোমার এই আচরণটা আমার ভালো লেগেছে।”
এতে শিশু বুঝতে পারবে কোন আচরণটি ভালো এবং ভবিষ্যতে সেই আচরণ অনুসরণ করতে উৎসাহিত হবে।
📚 ৭. পড়াশোনার জন্য অতিরিক্ত চাপ দেবেন না
অনেক সময় পড়াশোনার চাপ, পরীক্ষার ভয় কিংবা বারবার তুলনা করার কারণে শিশুর মধ্যে বিরক্তি ও রাগ তৈরি হতে পারে।
অন্য শিশুর সঙ্গে তুলনা না করে তার নিজের অগ্রগতিকে গুরুত্ব দিন। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, বিশ্রাম, ঘুম এবং পছন্দের কাজের জন্যও সময় রাখুন।
🕰️ ৮. প্রতিদিনের রুটিন তৈরি করুন
শিশুর ঘুম, খাওয়া, পড়াশোনা, খেলাধুলা ও বিশ্রামের জন্য নিয়মিত সময়সূচি রাখুন। প্রতিদিনের রুটিন মোটামুটি একই রকম থাকলে অনেক শিশুই বেশি নিরাপদ বোধ করে।
তবে রুটিন যেন অতিরিক্ত কঠোর না হয়। শিশুর বয়স, প্রয়োজন ও সামর্থ্য অনুযায়ী সময়সূচি তৈরি করুন।
🤝 ৯. জেদ করলেই সব দাবি পূরণ করবেন না
শিশু কান্নাকাটি বা জেদ করলেই যদি প্রতিবার তার দাবি মেনে নেওয়া হয়, তাহলে সে শিখতে পারে যে জেদ করলেই নিজের ইচ্ছা পূরণ হয়।
তাই ভালোবাসার সঙ্গে সীমারেখা নির্ধারণ করুন। কোন বিষয়টি সম্ভব এবং কোনটি সম্ভব নয়, তা পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দিন। একই নিয়ম বাবা-মা দু’জনের পক্ষ থেকেই বজায় রাখার চেষ্টা করুন।
শিশুর অনুভূতিকে গুরুত্ব দিন, কিন্তু সব দাবি মেনে নেওয়াকেই ভালোবাসা বলে মনে করবেন না।
👨‍⚕️ ১০. কখন শিশু মনোবিদ বা কাউন্সেলরের সাহায্য নেবেন?
যদি শিশুর রাগ ও জেদ খুব ঘন ঘন হয়, দীর্ঘ সময় ধরে চলে, বাড়ি ও স্কুলে তার দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত করে, অন্যকে আঘাত করার প্রবণতা দেখা যায় কিংবা ঘুম, পড়াশোনা ও সামাজিক সম্পর্কে উল্লেখযোগ্য সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে শিশু বিশেষজ্ঞ বা যোগ্য শিশু মনোবিদের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
শিশুর বয়স, বিকাশ, পারিবারিক পরিবেশ এবং আচরণের ধরন বুঝে বিশেষজ্ঞ প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে পারবেন। কাউন্সেলিং মানেই শিশুর কোনও রোগ রয়েছে, এমন নয়। অনেক সময় অভিভাবকদেরও শেখানো হয় কীভাবে শিশুর আবেগ সামলাতে এবং ইতিবাচক আচরণ গড়ে তুলতে সাহায্য করা যায়।
💖 অভিভাবকদের জন্য বিশেষ বার্তা
একটি শিশু জন্ম থেকেই সব আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে শেখে না। ধীরে ধীরে সে বাবা-মা, পরিবার, স্কুল এবং নিজের অভিজ্ঞতা থেকে আবেগ সামলানোর কৌশল শেখে।
তাই সন্তানের রাগ দেখলেই তাকে খারাপ শিশু ভাববেন না। তার আচরণের পিছনের কারণ বোঝার চেষ্টা করুন। তাকে সময় দিন, নিরাপদ পরিবেশ দিন, ভালোবাসুন এবং প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন।
মনে রাখবেন, শিশুকে শুধু ভালো নম্বর পেতে শেখানোই অভিভাবকের দায়িত্ব নয়; তাকে নিজের অনুভূতি বুঝতে, অন্যকে সম্মান করতে, হতাশা সামলাতে এবং সুস্থভাবে বড় হতে সাহায্য করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
📢 আপনার সন্তান কি খুব রাগ করে বা সামান্য বিষয় নিয়ে জেদ ধরে? আপনি কীভাবে তাকে সামলান? আপনার অভিজ্ঞতা কমেন্টে জানান। অন্য অভিভাবকদের সচেতন করতে পোস্টটি শেয়ার করুন।
PB NEWS | শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে সচেতন হোন।
কপিটি সংক্ষিপ্ত ও সহজ করুন
ফটো কার্ডের জন্য মূল পয়েন্ট দিন
আরও সহানুভূতিশীল ভাষা ব্যবহার করুন

🔴 বিশেষ প্রতিবেদন | PB NEWSএকটি নার্সিংহোম তৈরি করতে কী কী পরিকাঠামো ও সরকারি কাগজপত্র প্রয়োজন?রোগীর জীবন নিয়ে ব্যবসা ...
11/10/2026

🔴 বিশেষ প্রতিবেদন | PB NEWS
একটি নার্সিংহোম তৈরি করতে কী কী পরিকাঠামো ও সরকারি কাগজপত্র প্রয়োজন?
রোগীর জীবন নিয়ে ব্যবসা নয়, আগে চাই বৈধ অনুমতি, উন্নত পরিকাঠামো ও নিরাপদ চিকিৎসা!
একটি নার্সিংহোম তৈরি করা মানে শুধু একটি বহুতল ভবন তৈরি করে কয়েকটি বেড বসিয়ে রোগী ভর্তি করা নয়। এখানে মানুষের জীবন ও মৃত্যুর প্রশ্ন জড়িয়ে রয়েছে। তাই একটি নার্সিংহোম চালু করার আগে প্রয়োজন উপযুক্ত ভবন, প্রশিক্ষিত চিকিৎসক ও নার্স, জরুরি চিকিৎসার ব্যবস্থা, অগ্নিনিরাপত্তা এবং প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন।
প্রশ্ন হল, একটি নার্সিংহোম চালানোর জন্য ঠিক কী কী ব্যবস্থা থাকা জরুরি?
🏥 ১. কী কী পরিকাঠামো থাকা প্রয়োজন?
রোগীর জন্য উপযুক্ত ও স্বাস্থ্যসম্মত কেবিন, সাধারণ ওয়ার্ড এবং বেড।
জরুরি রোগীর চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অক্সিজেন ও লাইফ সাপোর্টের সুবিধা।
নার্স, চিকিৎসক ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।
অপারেশন থিয়েটার, আইসিইউ বা আইসিসিইউ, ল্যাবরেটরি ও অন্যান্য বিশেষ পরিষেবা থাকলে সংশ্লিষ্ট পরিষেবা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও দক্ষ কর্মী।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, নিরাপদ পানীয় জল, শৌচাগার ও জীবাণুমুক্তকরণের ব্যবস্থা।
বিদ্যুৎ, জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা এবং নিরাপদে রোগী সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা।
অ্যাম্বুলেন্স বা জরুরি পরিবহণ ও প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য হাসপাতালে রোগী স্থানান্তরের ব্যবস্থা।
বায়োমেডিক্যাল বর্জ্য পৃথকীকরণ ও নির্ধারিত নিয়মে নিষ্পত্তির ব্যবস্থা।
📄 ২. কী কী সরকারি কাগজপত্র ও অনুমোদন লাগতে পারে?
১. পশ্চিমবঙ্গের প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী ক্লিনিক্যাল এস্টাবলিশমেন্টের রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স।
২. জমির মালিকানা বা বৈধ ব্যবহারের নথি এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে জমির ব্যবহারের অনুমতি।
৩. সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত বিল্ডিং প্ল্যান এবং প্রয়োজনীয় বিল্ডিং কমপ্লিশন বা অকুপেন্সি সার্টিফিকেট।
৪. ভবনের ধরন ও প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী ফায়ার সেফটি সংক্রান্ত অনুমোদন।
৫. চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মীদের যোগ্যতা, রেজিস্ট্রেশন এবং নিয়োগ সংক্রান্ত নথি।
৬. বায়োমেডিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয় অনুমোদন বা চুক্তি এবং প্রযোজ্য পরিবেশগত ছাড়পত্র।
৭. লিফট থাকলে প্রযোজ্য লাইসেন্স ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত নথি।
৮. ফার্মেসি, রক্তের ব্যাঙ্ক, এক্স-রে, আল্ট্রাসাউন্ড বা অন্যান্য বিশেষ পরিষেবা চালু করলে সংশ্লিষ্ট পরিষেবার জন্য প্রযোজ্য পৃথক লাইসেন্স ও অনুমোদন।
৯. প্রতিষ্ঠানের রেজিস্ট্রেশন, কর সংক্রান্ত নথি এবং কর্তৃপক্ষের চাওয়া অন্যান্য কাগজপত্র।
মনে রাখতে হবে: সমস্ত অনুমোদন প্রতিটি নার্সিংহোমের ক্ষেত্রে একই রকম নয়। কতগুলি বেড, কী ধরনের চিকিৎসা, অপারেশন থিয়েটার বা আইসিইউ আছে কি না এবং ভবনের অবস্থান ও ধরন—এসবের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় অনুমোদন আলাদা হতে পারে।
🚨 ৩. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—অনুমোদন ছাড়া কি নার্সিংহোম চালানো যায়?
পশ্চিমবঙ্গের প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স ছাড়া ক্লিনিক্যাল এস্টাবলিশমেন্ট চালানো যায় না। শুধু লাইসেন্স থাকলেই দায়িত্ব শেষ নয়; অনুমোদিত পরিষেবা অনুযায়ী পরিকাঠামো, কর্মী, পরিচ্ছন্নতা, রোগীর নথি এবং জরুরি চিকিৎসার ব্যবস্থাও বজায় রাখতে হয়।
⚖️ ৪. প্রশাসনের কাছে জনস্বার্থে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
প্রতিটি নার্সিংহোমের লাইসেন্স ও অনুমোদিত বেডের সংখ্যা কি নিয়মিত যাচাই করা হচ্ছে?
যে পরিষেবা দেওয়ার দাবি করা হচ্ছে, সেই পরিষেবার উপযুক্ত চিকিৎসক, নার্স ও প্রশিক্ষিত কর্মী কি বাস্তবে উপস্থিত থাকছেন?
অগ্নিনিরাপত্তা, জরুরি বিদ্যুৎ, অক্সিজেন ও রোগী স্থানান্তরের ব্যবস্থা কি পরীক্ষা করা হচ্ছে?
রোগীর পরিবারকে চিকিৎসার খরচের হিসাব ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার নথি দেওয়া হচ্ছে কি?
অভিযোগ উঠলে স্বাস্থ্য দপ্তর কি নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে?
🗣️ PB NEWS-এর বক্তব্য
নার্সিংহোম মানেই শুধু ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নয়—এটি মানুষের জীবন রক্ষার সঙ্গে যুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাকেন্দ্র। তাই সরকারি নিয়ম মেনে পরিকাঠামো তৈরি, বৈধ লাইসেন্স, দক্ষ কর্মী এবং স্বচ্ছ চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করা জরুরি।
জনস্বার্থে দাবি—প্রতিটি নার্সিংহোমের পরিকাঠামো, লাইসেন্স, অগ্নিনিরাপত্তা এবং চিকিৎসা পরিষেবার নিয়মিত পরিদর্শন হোক। অনিয়মের প্রমাণ মিললে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
📢 আপনার এলাকায় নার্সিংহোমের পরিকাঠামো ও পরিষেবা নিয়ে কী অভিজ্ঞতা রয়েছে? তথ্যভিত্তিক মতামত কমেন্টে জানান।
প্রতিবাদী সাংবাদিক শেখ রতন
PB NEWS — সব খবর, সবার খবর, সবার আগে।

Writing🔴 শিরোনাম: স্ত্রী বাপের বাড়ি গিয়ে আর ফিরে আসছেন না? স্বামীর কী করণীয়, জানুন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি!🏠 সংসারে অশ...
11/10/2026

Writing
🔴 শিরোনাম: স্ত্রী বাপের বাড়ি গিয়ে আর ফিরে আসছেন না? স্বামীর কী করণীয়, জানুন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি!
🏠 সংসারে অশান্তি, অভিমান নাকি অন্য কোনও কারণ? তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নয়, আগে বোঝার চেষ্টা করুন সমস্যার আসল কারণ।
বিয়ে শুধু দুটি মানুষের সম্পর্ক নয়, এটি দুটি পরিবারের মধ্যে তৈরি হওয়া এক নতুন বন্ধন। ভালোবাসা, বিশ্বাস, সম্মান, দায়িত্ব ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার মধ্য দিয়েই একটি সংসার সুন্দরভাবে এগিয়ে চলে। কিন্তু কখনও কখনও দাম্পত্য জীবনে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, যখন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য দেখা দেয়। সামান্য ভুল বোঝাবুঝি থেকে শুরু করে বড় ধরনের বিবাদ—বিভিন্ন কারণে সংসারে অশান্তি তৈরি হতে পারে।
ধরুন, কোনও কারণে আপনার স্ত্রীর সঙ্গে আপনার মনোমালিন্য হয়েছে। অভিমান করে তিনি বাপের বাড়ি চলে গিয়েছেন। প্রথমে আপনি ভেবেছিলেন, কয়েক দিন পর সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু দিন পেরিয়ে সপ্তাহ, সপ্তাহ পেরিয়ে মাস কেটে গেলেও তিনি আর ফিরে আসছেন না। ফোনে কথা বলতে চাইছেন না, কিংবা কথা হলেও বাড়ি ফেরার বিষয়ে কোনও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানাচ্ছেন না।
এমন পরিস্থিতিতে একজন স্বামী মানসিকভাবে ভেঙে পড়তে পারেন। সংসার, সন্তান, সামাজিক সম্মান এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা চিন্তা তাঁর মনে আসতে পারে। কিন্তু এই সময়ে আবেগের বশে কোনও ভুল পদক্ষেপ না নিয়ে ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি সামলানো অত্যন্ত জরুরি।
🔴 ১. প্রথমেই জানার চেষ্টা করুন, স্ত্রী কেন ফিরে আসছেন না
আপনার স্ত্রীর চলে যাওয়ার পিছনে কী কারণ রয়েছে, তা বোঝার চেষ্টা করুন। পারিবারিক অশান্তি, দীর্ঘদিনের অভিমান, আর্থিক সমস্যা, পারস্পরিক অবিশ্বাস কিংবা অন্য কোনও গুরুতর সমস্যা থাকতে পারে।
শুধু নিজের দিকটি নয়, স্ত্রীর বক্তব্যও মন দিয়ে শুনুন। কোথায় ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে এবং কীভাবে সমস্যার সমাধান করা যায়, তা নিয়ে শান্তভাবে কথা বলুন।
🔴 ২. দুই পরিবারের প্রবীণদের সাহায্য নিতে পারেন
স্বামী-স্ত্রী নিজেরা কথা বলে সমস্যার সমাধান করতে না পারলে, উভয় পক্ষের বিশ্বাসযোগ্য ও নিরপেক্ষ কোনও আত্মীয়ের সাহায্য নিতে পারেন। প্রয়োজনে পারিবারিক কাউন্সেলরের পরামর্শও নেওয়া যেতে পারে।
তবে মনে রাখবেন, কাউকে অপমান করা, ভয় দেখানো কিংবা জোর করে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে।
🔴 ৩. স্ত্রীকে বারবার চাপ দেবেন না
স্ত্রী ফোন ধরছেন না বলে বারবার ফোন করা, হুমকি দেওয়া, তাঁর বাড়িতে গিয়ে ঝামেলা করা কিংবা সামাজিক মাধ্যমে অপমানজনক পোস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।
সম্মানজনকভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করুন। তিনি যদি কিছু সময় চান, তাহলে সেই প্রয়োজনকেও গুরুত্ব দিন। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে দু’জনেরই ইচ্ছা, সম্মতি ও আন্তরিকতা গুরুত্বপূর্ণ।
🔴 ৪. সন্তান থাকলে তার ভবিষ্যতের কথা ভাবুন
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ থাকলেও সন্তান যেন সেই অশান্তির শিকার না হয়। সন্তানের পড়াশোনা, মানসিক শান্তি, নিরাপত্তা ও দৈনন্দিন প্রয়োজনের দিকে নজর দিন।
সন্তানকে অন্য অভিভাবকের বিরুদ্ধে ব্যবহার করবেন না। সন্তানের সঙ্গে যোগাযোগ, অভিভাবকত্ব এবং ভরণপোষণের বিষয়ে প্রয়োজন হলে আইনজীবীর পরামর্শ নিন।
🔴 ৫. দীর্ঘদিন কোনও সমাধান না হলে আইনি পরামর্শ নিন
অনেক চেষ্টা করেও যদি সমস্যার সমাধান না হয়, তাহলে পারিবারিক আইন সম্পর্কে অভিজ্ঞ কোনও আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলতে পারেন। আপনার পরিস্থিতি অনুযায়ী কী কী আইনি পথ খোলা রয়েছে, তা তিনি বুঝিয়ে দিতে পারবেন।
ভারতে প্রযোজ্য ব্যক্তিগত আইন ও বিয়ের আইনি কাঠামোর ভিত্তিতে কিছু ক্ষেত্রে দাম্পত্য অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার আবেদন বা অন্য পারিবারিক আইনি পদক্ষেপের সুযোগ থাকতে পারে। তবে কোন ব্যবস্থা প্রযোজ্য হবে, তা নির্দিষ্ট পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে।
মনে রাখবেন, স্ত্রী বাপের বাড়িতে রয়েছেন বা ফিরতে চাইছেন না বলেই স্বামী স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনও আইনি অধিকার হারান না। আবার স্ত্রীকেও জোর করে স্বামীর বাড়িতে ফিরিয়ে আনা যায় না। উভয়ের অধিকার, নিরাপত্তা ও সম্মান আইন অনুযায়ী বিবেচিত হয়।
🔴 ৬. স্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থাকলে কী করবেন?
যদি দীর্ঘদিন কোনও যোগাযোগ না থাকে এবং সত্যিই তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়, তাহলে তাঁর পরিবারের সঙ্গে শান্তভাবে যোগাযোগ করুন। পরিস্থিতি অনুযায়ী স্থানীয় পুলিশের সাহায্য নিতে পারেন।
তবে কেবল স্ত্রী ফিরে আসছেন না বলেই তাঁর বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ করা উচিত নয়। বাস্তব পরিস্থিতি বুঝে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
🔴 ৭. সম্পর্ক বাঁচানোর শেষ চেষ্টা কি করা উচিত?
যদি দু’জনের মধ্যেই সম্পর্ক ঠিক করার ইচ্ছা থাকে, তাহলে পুরনো ভুল নিয়ে শুধু দোষারোপ না করে ভবিষ্যতে কীভাবে একসঙ্গে ভালো থাকা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করুন।
প্রয়োজনে দাম্পত্য কাউন্সেলিংয়ের সাহায্য নিন। কিন্তু সম্পর্কের মধ্যে যদি হিংসা, নির্যাতন, ভয় দেখানো বা নিরাপত্তার ঝুঁকি থাকে, তাহলে সবার আগে নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিন।
🌿 সবশেষে একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা
একটি সংসার ভেঙে যাওয়া শুধু দু’জন মানুষের জীবনে নয়, অনেক সময় দুই পরিবারের জীবনেও প্রভাব ফেলে। তাই কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সত্যিটা জানুন, অপর পক্ষের বক্তব্য শুনুন এবং আইনসম্মত পথ বেছে নিন।
স্বামী যেমন সম্মান ও ন্যায্য আচরণ পাওয়ার অধিকারী, স্ত্রীও তেমনই সম্মান, নিরাপত্তা ও নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারী। দাম্পত্য সম্পর্কের সমাধান জোর করে নয়, বরং পারস্পরিক সম্মান, আলোচনা এবং প্রয়োজনে আইনি সহায়তার মাধ্যমে হওয়া উচিত।
💬 আপনার কী মতামত? স্ত্রী দীর্ঘদিন বাপের বাড়িতে থেকে স্বামীর সংসারে ফিরতে না চাইলে, প্রথমে পারিবারিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা উচিত, নাকি আইনি পরামর্শ নেওয়া উচিত? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।
📢 এই ধরনের পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতামূলক খবর পেতে সঙ্গে থাকুন PB NEWS-এর।
PB NEWS | মানুষের পাশে, সবসময়।

11/10/2026

একবছর 'ভালো ছেলে' হয়ে থাকার শর্তে জামিন, এমনটাই নির্দেশ দিয়েছিল দিল্লির আদালত।

Writing🔴 শিরোনাম: পুজোর কেনাকাটায় অনলাইন প্রতারণার ফাঁদ! সস্তার অফারে পা দিয়ে সর্বস্বান্ত হবেন না তো?🛍️ পুজোর আনন্দে ক...
11/10/2026

Writing
🔴 শিরোনাম: পুজোর কেনাকাটায় অনলাইন প্রতারণার ফাঁদ! সস্তার অফারে পা দিয়ে সর্বস্বান্ত হবেন না তো?
🛍️ পুজোর আনন্দে কেনাকাটা করতে গিয়ে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন না তো? সতর্ক থাকুন, সচেতন থাকুন!
দুর্গাপুজো মানেই নতুন জামাকাপড়, পরিবারের জন্য উপহার, ঘর সাজানোর সামগ্রী এবং প্রিয়জনদের মুখে হাসি ফোটানোর আনন্দ। পুজো যত এগিয়ে আসে, ততই বাড়তে থাকে কেনাকাটার ব্যস্ততা। আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অনলাইনে কেনাকাটার নামে প্রতারণার ঝুঁকি থেকেও সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে।
বর্তমানে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ঘরে বসেই জামাকাপড়, জুতো, প্রসাধনী, ইলেকট্রনিক সামগ্রীসহ নানা জিনিস কেনা যায়। কিন্তু সব অনলাইন অফার বা বিক্রেতা যে বিশ্বাসযোগ্য, এমনটা নয়। অত্যন্ত কম দামে নামী ব্র্যান্ডের পণ্য দেওয়ার প্রলোভন, ভুয়ো ওয়েবসাইট, নকল বিজ্ঞাপন কিংবা অপরিচিত লিঙ্কের মাধ্যমে প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
⚠️ কীভাবে প্রতারণার শিকার হতে পারেন?
🔹 আকর্ষণীয় ছাড়ের লোভ দেখিয়ে টাকা নেওয়ার পর পণ্য না পাঠানো।
🔹 অর্ডার করা জিনিসের পরিবর্তে নিম্নমানের বা নকল পণ্য পাঠানো।
🔹 নামী সংস্থার মতো দেখতে ভুয়ো ওয়েবসাইট তৈরি করে ক্রেতার ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়া।
🔹 ভুয়ো কাস্টমার কেয়ার নম্বরের মাধ্যমে ব্যাঙ্কের তথ্য বা OTP জানার চেষ্টা করা।
🔹 পণ্য ফেরত বা টাকা ফেরতের অজুহাতে ক্রেতাকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলা।
🛡️ প্রতারণা থেকে বাঁচতে কী করবেন?
✅ কেনাকাটার আগে ওয়েবসাইট ও বিক্রেতার বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই করুন।
✅ অতিরিক্ত সস্তার অফার দেখলেই তাড়াহুড়ো করে অর্ডার দেবেন না।
✅ পণ্যের রিভিউ, রিটার্ন পলিসি ও রিফান্ডের শর্ত ভালোভাবে পড়ুন।
✅ অপরিচিত লিঙ্কে ক্লিক করবেন না এবং অজানা অ্যাপ ইনস্টল করা থেকে বিরত থাকুন।
✅ কখনও কাউকে OTP, UPI PIN, ব্যাঙ্কের পাসওয়ার্ড বা গোপন তথ্য দেবেন না।
✅ টাকা দেওয়ার আগে বিক্রেতা, পণ্যের বিবরণ এবং পেমেন্টের তথ্য ভালোভাবে যাচাই করুন।
📢 প্রতারণার শিকার হলে কী করবেন?
যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে গিয়ে প্রতারিত হন, তাহলে দ্রুত আপনার ব্যাঙ্ক বা পেমেন্ট পরিষেবার সঙ্গে যোগাযোগ করুন এবং প্রয়োজনীয় অভিযোগ জানান। সাইবার আর্থিক প্রতারণার ক্ষেত্রে ভারতে ১৯৩০ নম্বরে ফোন করতে পারেন অথবা সরকারি পোর্টাল cybercrime.gov.in-এ অভিযোগ জানাতে পারেন। অর্ডারের রসিদ, লেনদেনের তথ্য, মেসেজ ও স্ক্রিনশট প্রমাণ হিসেবে সংরক্ষণ করুন।
❤️ সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা
পুজো সবার, আনন্দও সবার। সারা বছরের সঞ্চয় দিয়ে পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে গিয়ে যেন কেউ প্রতারণার শিকার না হন। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ, অনলাইন কেনাকাটায় নতুন ক্রেতা এবং যাঁরা প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে কম জানেন, তাঁদের সচেতন করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।
মনে রাখবেন, একটি ভুল লিঙ্কে ক্লিক করা কিংবা অসতর্কভাবে গোপন তথ্য শেয়ার করার ফলে আর্থিক ক্ষতি হতে পারে। তাই নিজে সচেতন থাকুন, পরিবারের সদস্যদের সচেতন করুন এবং প্রতারণার সন্দেহ হলে দ্রুত পদক্ষেপ নিন।
🎉 সতর্ক থাকুন, নিরাপদে কেনাকাটা করুন, আনন্দে কাটুক সবার দুর্গাপুজো।
💬 আপনি কি কখনও অনলাইনে কেনাকাটা করতে গিয়ে প্রতারণার শিকার হয়েছেন? আপনার অভিজ্ঞতা কমেন্টে জানান এবং পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদেরও সচেতন করুন।
PB NEWS | মানুষের পাশে, সবসময়।

🙏 কখনও কোনও মানুষকে অবহেলা করবেন না, কারণ আপনি জানেন না, কোন মানুষটি কখন আপনার জীবনে আশীর্বাদ হয়ে ফিরে আসবে! ❤️🌿 মানবিক...
11/10/2026

🙏 কখনও কোনও মানুষকে অবহেলা করবেন না, কারণ আপনি জানেন না, কোন মানুষটি কখন আপনার জীবনে আশীর্বাদ হয়ে ফিরে আসবে! ❤️
🌿 মানবিকতাই মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয়।
জীবনে চলার পথে আমরা প্রতিদিন কত মানুষের সঙ্গে দেখা করি। কেউ পরিচিত, কেউ অপরিচিত, কেউ ধনী, আবার কেউ হয়তো অত্যন্ত অসহায়। কিন্তু মনে রাখবেন, মানুষের প্রকৃত পরিচয় তার টাকা-পয়সা, সম্পত্তি কিংবা সামাজিক মর্যাদায় নয়, বরং তার মনুষ্যত্বে।
কখনও কোনও অসহায় মানুষকে ছোট করে দেখবেন না। কারও পোশাক দেখে, তার আর্থিক অবস্থা দেখে কিংবা তার অসহায়ত্ব দেখে তাকে অবহেলা করবেন না। কারণ, আজ যে মানুষটি আপনার কাছে সাহায্যের আশায় দাঁড়িয়ে আছে, কাল সেই মানুষটিই হয়তো আপনার জীবনের কোনও কঠিন সময়ে পাশে এসে দাঁড়াবে।
🙏 একটি ছোট্ট উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি বোঝা যাক।
ধরুন, একদিন কোনও অপরিচিত তৃষ্ণার্ত মানুষ আপনার বাড়ির দরজায় এসে এক গ্লাস জল চাইল। আপনি চাইলে তাকে ফিরিয়ে দিতে পারতেন। কিন্তু আপনি তা না করে ভালোবেসে তাকে এক গ্লাস জল দিলেন, একটু সম্মান দিয়ে কথা বললেন, তার কষ্ট বোঝার চেষ্টা করলেন।
আপনি হয়তো ভাবলেন, এতে আর এমন কী বড় কাজ করলাম! কিন্তু আপনার কাছে যে কাজটি খুব সামান্য, সেই কাজটিই হয়তো তৃষ্ণার্ত মানুষটির কাছে অনেক বড় প্রাপ্তি।
আর কে বলতে পারে, আপনার এই সামান্য মানবিক আচরণ কোনও একদিন আপনার জীবনের কঠিন সময়ে অন্য কারও মনে আপনার জন্য ভালোবাসা ও সহমর্মিতা জাগিয়ে তুলবে না?
🌺 কখনও কখনও জীবনের বড় বিপদে অপরিচিত মানুষও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। আবার যাঁদের আমরা খুব আপন বলে মনে করি, তাঁরাও অনেক সময় দূরে সরে যান। তাই মানুষকে চিনতে শিখুন তার আচরণ দিয়ে, তার অর্থ-সম্পদ কিংবা বাহ্যিক পরিচয় দিয়ে নয়।
🕊️ মনে রাখবেন, মানুষের রূপে কখন কার মধ্যে ঈশ্বরের আশীর্বাদ লুকিয়ে রয়েছে, তা আমরা কেউই জানি না। তাই অসহায় মানুষের মুখে এক গ্লাস জল তুলে দেওয়া হোক, ক্ষুধার্তকে একমুঠো খাবার দেওয়া হোক কিংবা বিপদে পড়া কাউকে সাহস দেওয়া হোক—প্রতিটি ভালো কাজেরই নিজস্ব মূল্য রয়েছে।
আপনি হয়তো কোনও প্রতিদান পাবেন না, কেউ হয়তো আপনার ভালো কাজের প্রশংসাও করবে না। তবুও মানুষের পাশে দাঁড়ান। কারণ, ভালো কাজের সবচেয়ে বড় পুরস্কার হল নিজের বিবেকের কাছে পরিষ্কার থাকা এবং অন্যের মুখে একটুখানি হাসি ফোটাতে পারা।
💖 তাই অহংকার নয়, বিনয়ী হতে শিখুন। অবহেলা নয়, সম্মান করতে শিখুন। ঘৃণা নয়, ভালোবাসতে শিখুন।
আজ আপনার হাতে সাহায্য করার ক্ষমতা রয়েছে, কাল আপনারও কারও সাহায্যের প্রয়োজন হতে পারে। জীবন কখন কাকে কোন পরিস্থিতির সামনে দাঁড় করিয়ে দেবে, তা কেউ বলতে পারে না।
তাই কখনও কোনও মানুষকে তুচ্ছ ভাববেন না। একটি গ্লাস জল, একটু ভালো ব্যবহার, কয়েকটি সান্ত্বনার কথা—কখনও কখনও এগুলিই একজন মানুষের কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় উপহার হয়ে ওঠে।
🌹 মানুষের পাশে দাঁড়ান, মানবিকতাকে বাঁচিয়ে রাখুন। কারণ, মানুষের জন্য করা ভালো কাজ কখনও ছোট হয় না।
💬 আপনার কী মনে হয়? মানুষের পাশে দাঁড়ানো কি আমাদের প্রত্যেকের কর্তব্য? আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্টে জানাবেন।
PB NEWS | মানবিকতার বার্তা, মানুষের পাশে।

11/10/2026

বাংলার ডিজিটাল মিডিয়ার পক্ষ থেকে বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান।

আসন্ন দুর্গাপুজোকে সামনে রেখে সমাজের পিছিয়ে পড়া ও অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করল পূর্ব বর্ধমা...
11/10/2026

আসন্ন দুর্গাপুজোকে সামনে রেখে সমাজের পিছিয়ে পড়া ও অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করল পূর্ব বর্ধমান জেলার অন্যতম সাংবাদিক সংগঠন ‘বাংলার ডিজিটাল মিডিয়া’। পুজোর আনন্দ যাতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে, সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই দুই শতাধিক গরিব ও অসহায় মানুষের হাতে উপহার সরূপ নতুন বস্ত্র তুলে দেওয়া হলো সংগঠনের পক্ষ থেকে । বর্ধমান শহরের গুডশেড রোডে অবস্থিত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত লায়ন্স ক্লাবের কক্ষে আয়োজিত এই বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান ঘিরে উপস্থিত অতিথি ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে ছিল উৎসাহ ও আন্তরিকতার পরিবেশ । অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন সকলের প্রিয় সুদীপা,,
আসন্ন উৎসবের মরশুমে সমাজের আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মহিলাদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের মুখে হাসি ফোটানোই ছিল সংগঠণনের মূল উদ্দেশ্য। সমাজের বহু দরিদ্র পরিবার আর্থিক অনটনের কারণে পুজোর আনন্দ থেকে বঞ্চিত থেকে যায়। সেই সমস্ত মানুষের কথা মাথায় রেখেই ‘বাংলার ডিজিটাল মিডিয়া’র পক্ষ থেকে এই বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয় । সমাজের পিছিয়ে পড়া মহিলাদের হাতে পুজোর উপহার হিসেবে নতুন বস্ত্র তুলে দিয়ে তাঁদের উৎসবের আনন্দে সামিল করার প্রয়াস নেন উদ্যোক্তারা,
এদিনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একাধিক বিশিষ্ট ও প্রবীণ সাংবাদিক। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন পার্থ চৌধুরী, স্বপন মুখার্জী, তারক নাথ রায়, অরূপ লাহা এবং আমিনুর রহমান মহাশয়। পাশাপাশি বর্ধমান শহরের একাধিক বিশিষ্ট সমাজসেবীর উপস্থিতিও অনুষ্ঠানের গুরুত্ব বাড়িয়ে তোলে,
উপস্থিত ছিলেন বিসবে বিশ্ব বিশ্বেশর চৌধুরী, দেবজ্যোতি রায়, বিশিষ্ট আইনজীবী আশীষ কুমার পাল এবং রমেশ কুমার সিং মহাশয়। এছাড়াও বর্ধমান শহরের একাধিক নার্সিংহোমের কর্ণধাররাও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে অসহায় মহিলাদের পাশে থাকার বার্তা দেন । সাংবাদিক, সমাজসেবী, আইনজীবী এবং স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের এই উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে এক সামাজিক মিলনক্ষেত্রে পরিণত করে।
এই মহতী উদ্যোগ বাস্তবায়নে যাঁরা নিজেদের অর্থ ব্যয় করে এগিয়ে এসেছেন, তাঁদের ভূমিকাও ছিল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য সমাজের দরিদ্র ও অসহায় মহিলাদের পাশে দাঁড়িয়ে দুর্গাপুজো উপলক্ষে বস্ত্র বিতরণের এই কর্মসূচিতে আর্থিক সহযোগিতা করেন শেখ রতন, শেখ পিন্টু, বিজয় কুমার রাম, রিম্পা সোনকার, আলী মিরাজ, ইমতিয়াজ, সৌরভ, সমীর, আরশাদ, সাহাবুদ্দিন, দেবাশিস বোস, আজমত, আজাহার, ইমতিয়াজ হোসেন বিউটি সন্ন্যাল-সহ আরও অনেকেই । নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী অর্থ ব্যয় করে অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর এই প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তাঁদের সম্মিলিত উদ্যোগেই বহু মানুষের হাতে পুজোর নতুন পোশাক পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ‘বাংলার ডিজিটাল মিডিয়া’র এই উদ্যোগ সেই সামাজিক দায়বদ্ধতার কথাই আরও একবার মনে করিয়ে দিল। বস্ত্র বিতরণের মাধ্যমে শুধু নতুন পোশাকই তুলে দেওয়া হয়নি, বরং অসহায় মানুষদের প্রতি সম্মান, সহমর্মিতা ও ভালোবাসার বার্তাও পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
সাংবাদিকতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা এবং মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা জনসমক্ষে নিয়ে আসা। সেই সাংবাদিকতার পরিসরকে সামাজিক দায়িত্বের সঙ্গে যুক্ত করে ‘বাংলার ডিজিটাল মিডিয়া’র এই উদ্যোগ বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে । সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি মানুষের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানো এবং সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েও সাংবাদিক সংগঠনগুলি সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে পারে। বর্ধমানের এই বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান সেই ভাবনারই একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠল।
দুর্গাপুজোর আগে দুই শতাধিক অসহায় মানুষের হাতে নতুন বস্ত্র তুলে দেওয়ার এই কর্মসূচি নিছক একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার আন্তরিক প্রয়াস। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতা ও উদ্যোগ যে বহু মানুষের জীবনে সামান্য হলেও আনন্দের উপলক্ষ তৈরি করতে পারে, এদিনের অনুষ্ঠান তারই প্রতিফলন । আগামী দিনেও এ ধরনের মানবিক ও সমাজকল্যাণমূলক উদ্যোগ অব্যাহত থাকুক—এমনই প্রত্যাশা অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্টজন ও উদ্যোক্তাদের। মানবিকতা, সহমর্মিতা এবং সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিয়ে ‘বাংলার ডিজিটাল মিডিয়া’র এই উদ্যোগ আসন্ন দুর্গোৎসবের প্রাক্কালে বর্ধমান শহরে এক ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করল ।

দুর্গাপুজো নিয়ে মিঠুন চক্রবর্তীর বার্তা, “বাংলা আগে কখনও এমন মুক্ত বাতাস পায়নি, তাই পুজো উপভোগ করুন।” তাঁর এই মন্তব্য ...
11/10/2026

দুর্গাপুজো নিয়ে মিঠুন চক্রবর্তীর বার্তা, “বাংলা আগে কখনও এমন মুক্ত বাতাস পায়নি, তাই পুজো উপভোগ করুন।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন চর্চা শুরু হয়েছে।

Address

Burdwan
713101

Telephone

+919851838326

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PB News posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to PB News:

Shortcuts

Share

Category