বঙ্গোস্টিকা - Bongostica

বঙ্গোস্টিকা - Bongostica শুধু প্রতিভা বিকাশের ক্ষেত্র নয় সাহিত্য ছড়িয়ে পড়ুক,শিল্প ছড়িয়ে পড়ুক,সব শিল্পই পৃথিবীর,নিজের না

জগতের অধিষ্ঠাত্রী বহুরূপের এক রুপবতী,দশদিনে দশদিকে তোমার ই মূরতি।সুমধুর হাসিতে মাতলো যে ভুবন,সিংহের পিঠে চড়ে স্বয়ং আগম...
30/10/2025

জগতের অধিষ্ঠাত্রী বহুরূপের এক রুপবতী,
দশদিনে দশদিকে তোমার ই মূরতি।
সুমধুর হাসিতে মাতলো যে ভুবন,
সিংহের পিঠে চড়ে স্বয়ং আগমন।
দিয়েছিলে দেখা স্বপনে,
সুসজ্জিত আলোর শহরের মনে।
তোমার প্রাণ প্রতিষ্ঠায় প্রাণ পায় কৃষ্ণনগরে,
পালেদের হাতে গড়া মাটির ভিতরে।
উচ্চ শিরে দৃষ্টি মেলে দেখে সকল নরঃ,
ঢাক,ঢোল, কাঁসর, ঘন্টা, মৃদঙ্গে অন্তরে তুমি নরো।
✍️ মুনমুন মিত্র
তাং - ২৯/১০/২০২৫

জন্মদিন চলে গেল নীরেশ দেবনাথ আজ ৩১ শে আশ্বিন,আশ্বিন মাসের শেষ দিন। ভুলো মনে হঠাৎ মনে পড়ে গেল -আমার জন্মদিন - ১৫ই আশ্বিন...
25/10/2025

জন্মদিন চলে গেল

নীরেশ দেবনাথ

আজ ৩১ শে আশ্বিন,
আশ্বিন মাসের শেষ দিন।
ভুলো মনে হঠাৎ মনে পড়ে গেল -
আমার জন্মদিন - ১৫ই আশ্বিন ।
কোথা দিয়ে যেন চুপিসারে চলে গেল এই দিনটি!
কি জানি! কেন যে টেরই পেলাম না।
মনেই ছিল না আমার জন্মদিনের কথা।
হয়তো এমনই হয়!

অস্ত রবির শেষ আলোকছটা মিলিয়ে যাবার পরে ধীরে ধীরে নেমে আসে অন্ধকার।
এইতো নিয়ম জীবনের!
জীবনের কত কথা! কত গাথা!
কত সুখ দুঃখ! কত হার জিত!
কত চাওয়া না-চাওয়া
সব কি থাকে মনে?
ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যায় বিস্মৃতির অন্তরালে। ভালো-মন্দ কত কথা ছিল একদিন;
আজ স্থবির মন যেন ভুলে যেতে চায়,
কি হবে সে সব কথায়?
বিস্ময়ের শেষ গন্তব্য-বিন্দুর দিকে মন পরে থাকে যে!

আমার জন্মদিন কবে -
সেটা মনে রাখা আমার দায়িত্ব কিনা জানিনা;
কিন্তু বেশ জানি-
আমার মৃত্যুর পরে
আমার জন্মদিন মৃত্যুদিনের হিসাব
ন্যস্ত হবে - আগামী প্রজন্মের হাতে।

রচনাকাল :
৩১ আশ্বিন ১৪৩২(১৮ অক্টোবর ২০২৫)
পুনে।

শুভ  ভ্রাতৃদ্বিতীয়ার শুভেচ্ছা রইলো সবার জন্য কবিতা--শুভ ভ্রাতৃদ্বিতীয়াকলমে--নীতা কবি মুখার্জী23/10/2025ভাই-বোনের এই পু...
23/10/2025

শুভ ভ্রাতৃদ্বিতীয়ার শুভেচ্ছা রইলো সবার জন্য

কবিতা--শুভ ভ্রাতৃদ্বিতীয়া
কলমে--নীতা কবি মুখার্জী
23/10/2025

ভাই-বোনের এই পুণ্য লগ্নে আনন্দ ধারা বয়,
একটি বছর অপেক্ষার পর এই খুশীর উৎসব হয়।

ধনীর ঘরে ভাইফোঁটার দিনে সাজো সাজো কলরব,
দুঃখীর ঘরে ভাইবোনদের শুকনো লাড্ডু দিয়ে উৎসব।

ভাইয়ের কপালে ফোঁটা দিয়ে যমকে বিদায় করে,
শুভাশীষ আর শুভকামনার আশীর্বাদ ঝুলি ভরে।

ধনীর ঘরে শঙ্খ বাজে, ঘিয়ের প্রদীপ জ্বলে,
দুঃখী মেয়েটি ভাইফোঁটা দেয় বাসন মাজা হলে।

ভাইফোঁটাই বলো, উৎসব বলো নেই তার নিস্তার,
গরীবের আবার ভাইফোঁটা? পরিহাসে একাকার!

ভাইকে ফোঁটা, যমকে কাঁটা, সকল বিপদ নাশ,
বিপদহন্তা রক্ষা করবেন, এই তো বোনের আশ!

চন্দন বাটা, শিশিরের ছোঁয়া, কতো শুভ আয়োজন,
ভাইকে খাওয়াবে সপ্ত ব্যঞ্জন বোনের আকিঞ্চন।

বোনের সম্ভ্রম রক্ষা করার শপথ নেবে, ভাই
ঘরের বোনেরা কোথাও যেন পড়ে না লাঞ্ছনায়।

মায়ের আশীষ, বোনের স্নেহ, প্রিয়ার তপস্যার,
এই জগতের মহা-সম্পদ, প্রয়োজন সবাকার।

মন দিয়ে সব শোনো এবার বিশ্বের জনগণ,
কন্যা-ভ্রুণকে নষ্ট না করে, দাও তারে সম্মান।

এই সংসারে ভাইয়ের পাশে চাই যে একটা বোন,
ভাই ও বোনের মেল-বন্ধনে সুখী হোক গৃহকোণ।

ভাইটা এবার পারেনি আসতে,সীমান্তে পড়ে আছে,ভীষন যুদ্ধ,একমনে ঠাকুরকে ডেকে চলেছে দিদি,পারবে তো যমের দুয়ারে কাঁটা ফেলতে!ওই ত...
23/10/2025

ভাইটা এবার পারেনি আসতে,
সীমান্তে পড়ে আছে,ভীষন যুদ্ধ,
একমনে ঠাকুরকে ডেকে চলেছে দিদি,
পারবে তো যমের দুয়ারে কাঁটা ফেলতে!

ওই তো ভাই ভিডিও কল করেছে,
তাড়াতাড়ি আয়োজনে দিদি,
থরথর কাঁপছে আবেগে,ফোনেই দিচ্ছে ফোঁটা,
ও যে এক সীমান্তরক্ষীর দিদি!

সকল ভাইবোন ভালো থাকুক ও সুরক্ষিত থাকুক,সর্বান্তকরণে এটাই প্রার্থণা।

কলমে - দেবারতি গুহ সামন্ত

"শাকচুন্নি ধরে মাছ" 🦹--- কুহেলী বিশ্বাস ঘোষ বাড়ির ঐ পুকুরপাড়ে,আছে এক শ্যাওড়া গাছ।সেথা শাকচুন্নি ছিপ হাতে, ধরে গো কত শ...
19/10/2025

"শাকচুন্নি ধরে মাছ" 🦹

--- কুহেলী বিশ্বাস

ঘোষ বাড়ির ঐ পুকুরপাড়ে,
আছে এক শ্যাওড়া গাছ।
সেথা শাকচুন্নি ছিপ হাতে,
ধরে গো কত শত মাছ!

বড়শিতে ওঠে বড় কাতলা,
আনন্দে সে মাছ খায়।
কেউ যদি যায় সাঁঝবেলায়,
শাকচুন্নি ঘাড় মটকায়।

খিলখিল করে শাকচুন্নি হাসে,
বলে- এঁই এঁদিকে আঁয়।
ভঁয় কঁরিস নাঁ কোঁন ভঁয় নেঁই ,
আঁয় রেঁ শ্যাঁওড়া তঁলায়।

ঘোষ বাবু অতি সরলমতি,
সাঁঝে গেল পুকুর ধারে।
বড়শি মারল ছুঁড়ে শাকচুন্নি,
ঘোষ বাবু চিল্লায় বাঁচারে।

পেয়েছি এবার মস্ত আহার,
আর কোন চিন্তা নাই।
আয় রে আমার ভূতভূতিরা,
একসাথে খাবার খাই।

ভূত চতুর্দশীর নিবেদন --শিরোনাম--চতুর্দশীর ভূতনীতা কবি মুখার্জী19/10/2025শাক খাও, শাক খাও, চোদ্দ রকম শাক,লিভারখানা ভালো থ...
19/10/2025

ভূত চতুর্দশীর নিবেদন --

শিরোনাম--চতুর্দশীর ভূত
নীতা কবি মুখার্জী
19/10/2025

শাক খাও, শাক খাও, চোদ্দ রকম শাক,
লিভারখানা ভালো থাকবে, ধরবে না চুলে পাক।

ভূত চতুর্দশী, শাক চতুর্দশী, চতুর্দশীর ভিড়ে,
ধনতেরাসের কেনাকাটায় নিচ্ছে মাথা মুড়ে।

ভূত নয়, ভূতনী শেওড়া গাছে থাকে,
ডজন-খানেক মানুষ মেরে ডালে ঝুলিয়ে রাখে।

রাত্রি যত বাড়তে থাকে ভূতের নাচন বাড়ে,
পাড়ার লোককে দেখলেই সে ভয় দেখিয়ে তাড়ে।

রাত্রি হলেই কড়মড়িয়ে মানুষ মাথা খায়,
নিশিভোরে বন্ধু সেজে গেরস্থ-বাড়ি যায়।

বন্ধুর গলা নকল করে মানুষ ডেকে আনে,
ঘাড়খানাকে মটকিয়ে সে চড়চড়িয়ে টানে।

রাত বাড়লেই ভূতের বাচ্চা হাঁই-মাঁই-খাঁই করে,
বলে, মাঁগোঁ পেঁট জ্বঁলছে, মাথাখানা দাও ধরে।

ওমনি ভূতনী টানতে টানতে মানুষটাকে আনে,
মানুষ তখন আধ-মরা হয়, মরে নাকো জানে।

বাচ্চারা সব আনন্দে খায় লজেন্স, চকলেট যেন,
আঙ্গুলগুলো খায় যে তারা কাঠি লজেন্স হেন।

ভূতের বাচ্চার পেট ভরলে ভূত, ভূতনী বসে,
আনন্দে হয় মাতোয়ারা, রক্তটা খায় কষে।

এমনি করে ভূত-ভূতনী মানুষ ধরে খায়,
ভূতের কাছে ভাঙ্গাঘরই অট্টালিকা, হায়!

দিনের বেলা লুকিয়ে থাকে, কেউ পায় না টের,
রাত্রি হলেই ভূতের নাচন, মজা মারে ঢের।

মামদো ভূত, গেছো ভূত, ভূতের রকমফের,
দিনে দিনে বাড়বাড়ন্ত, বাড়ছে ভূতের ঢের।

চোদ্দটা শাক রান্না করো, চোদ্দ প্রদীপ জ্বালো
তবেই এ ভূত জব্দ হবে, জীবনে জ্বলবে আলো।

Copyright@nitakabi
10/10/2025

Address

Calcutta Bara Bazar

Telephone

+919874883210

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বঙ্গোস্টিকা - Bongostica posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category