Subrata Paul Official

Subrata Paul Official সুব্রত পাল রাস্ট্রীয় হিন্দু বাহিনী পশ্চিমবঙ্গ
যোগাযোগ ফোন নম্বর - 7439459725

25/08/2026

কার কখন কিভাবে
ভাগ্য খোলে বলা যায় না!

কিন্তু ঘটনা হচ্ছে, সবাই এখন ফুটপাথে দুদ গরম করা শুরু না করে দেয় ?

একজন নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী আশা করি মিথ্যা কথা বলছেন না ! তিনি বলছেন এক কোটি পয়তাল্লিশ লক্ষ মহিলা তাদের অন্নপূর্ণা যোজনা...
24/08/2026

একজন নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী আশা করি মিথ্যা কথা বলছেন না ! তিনি বলছেন এক কোটি পয়তাল্লিশ লক্ষ মহিলা তাদের অন্নপূর্ণা যোজনার 3000 টাকা পেয়েছেন।

ওই বিপুল পরিমান মহিলা কি সেই 3000 টাকা নিয়ে গর্তের মধ্যে লুকিয়ে পড়েছে ? তারা কি ওই অর্থ সংগ্রহ করে চেপে গিয়েছে ? যদি না যায় —তবে তারা সরকারের হয়ে রাস্তায় নামছে না কেনো? কেনো —তারা তাদের ব্যাংকের পাশবুক হাতে করে বা মোবাইল ফোনের অর্থ প্রাপ্তির ম্যাসেজ নিয়ে রাস্তায় নামছেন না ?
আমার সব চেয়ে বড় প্রশ্ন একটি সরকার মাত্র 4 মাসের মধ্যে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এক কোটি পয়তাল্লিশ লক্ষ মহিলা কে 3000 টাকা ভাতা প্রদান করেছে —সেটা কি আলোচনা হীন হয়েই রয়ে যাবে ?

একটি অংশ, যে অংশটা বাম-তোলামূল চক্রান্তে বিভিন্ন জায়গা থেকে একত্রিত হচ্ছে, বিভিন্ন পঞ্চায়েত পৌরসভা বিডিও অফিস গুলিতে এবং বিশ্বাস করুন —এই বিক্ষিপ্ত মেয়েদের একত্রিত করতে ওই সব অফিসগুলোতে লুকিয়ে থাকা তৃণমূল হার্মাদ কর্মচারীদের একটা প্রভোকেশন আছে,
নাহলে এই ভাতাজীবী মহিলাদের সংগঠিত হওয়ার মতন কি কোনো গুনগত মান আছে❓ভাবুন আপনার ঘরের কোনো মা, যে অন্নপূর্ণার টাকা পাইনি সে যাবে নিজের দ্বায়িত্বে ওই সকল সরকারি অফিস গুলিতে আনন্দোলন করতে❓

উত্তর একটাই- কোনো ইন্ধন না থাকলে কোনো সংগঠিত মঞ্চের (রাজনৈতিক) প্রভোক না থাকলে, তাদের বুদ্ধিতে
না চললে এই রকম অ-রাজনৈতিক মেয়েরা ভিড় জমাতে পারে❓
ভাবুন, ভাবুন, ভাবতে শিখুন, কত বড় চক্রান্ত চলছে বাংলা জুড়ে । আপনারা দেখেছেন এক মহিলাকে —যে তার ছাতা দাপাতে দাপাতে শুভেন্দু সরকারকে তাড়িয়ে তৃণমূলকে ফের ফিরিয়ে আনবে বলে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে ।

ভাবুন, ভাবতে শিখুন....।

2026 সালের বিধানসভা নির্বাচনের কিছুদিন আগে মাত্র লক্ষীর ভান্ডার 500 বাড়িয়ে 1500 টাকা করেছিল , তাও কিছু মেয়েরা ছাড়া বাকি বিশাল অংশ এই বাড়তি টাকা
পায় নি ।

দ্বায়িত্ব নিয়ে বলছি তৃণমূল ক্ষমতায় চতুর্থবার ফিরলে
কেউ বাড়তি 500 টাকা পেতেন না বা উল্টে লক্ষীর ভাণ্ডায় আনিয়মিত হয়ে পড়তে পড়তে অবলুপ্ত হয়ে পড়তো —এবং তৃণমূল হয়তো বলতো টাকা নেই তাই দিতে পারছি না।

বাংলাতে যে হিন্দুদের ইজরায়েল তৈরী হয়েছে সেটা কি
এই ভদ্র ভাষায় ভদ্রতার কারণে আপনি জলাঞ্জলি দেবেন?

আমার মত বলে —সর্বত্র দল তন্ত্র কায়েম করতে হবে।
সব গর্ভনিং বডি, সব কমিটি, সব অফিস, সব আদালত
সব জাগায় সনাতনী সাম্রাজ্যবাদ কায়েম করতে হবে।

সর্বত্র হিন্দু লেঠেল বাহিনী কায়েম করে ফেলতে হবে।
যারা অন্যায় দেখলেই অর্ধেকের বেশি সরকারের কাজ আগেই করে রাখতে পারে । বিভিন্ন পূজা কমিটি দখল নিতেই হবে । এর বাইরে এক চুল সরলে আপনি শমিক
বাবু বাংলায় বিজেপিকে ক্ষমতায় টিকিটে রাখতে পারবেন না।

শেষে এই টুকু বলতে চাই রাষ্ট্রবাদী মহিলারা হাতে ঝাঁটা
লঙ্কার গুঁড়ো নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকুন, —বিভিন্ন পৌর-সভা পঞ্চায়েত, বিডিও অফিস গুলোতে, যারা অন্নপূর্ণা নিয়ে মিথ্যা নাটক করতে আসতে তাদের ধরে রাম ঠাপ দিন। দেখবেন —লাঠির আগায় ভুত পালায়।

Subrata Paul Official

ধর্ম নিরপেক্ষতার আড়ালে হিন্দু বিদ্বেষ!
24/08/2026

ধর্ম নিরপেক্ষতার আড়ালে হিন্দু বিদ্বেষ!

ভারতীয় জনতা পার্টি ১০০ দিনের অত্যন্ত বড় ভুল যেটা করেছে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল যাদের কাজ দিয়েছে, যারা প্রচার করেছে তৃণমূলে...
23/08/2026

ভারতীয় জনতা পার্টি ১০০ দিনের অত্যন্ত বড় ভুল যেটা করেছে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল যাদের কাজ দিয়েছে, যারা প্রচার করেছে তৃণমূলের হয়ে, 2026এ পৌরসভা থেকে কর্পোরেশন থেকে পঞ্চায়েত থেকে এবং এইসব বিভিন্ন কর্মচারী এরাই সর্বস্তরে এখনো কাজ করে বেড়াচ্ছে।

কেন? কেন ?কেন? যারা প্রতি মুহূর্তে সাধারণ মানুষকে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন পরিষেবার জন্য বিভিন্ন মূলক তথ্য চেপে যাচ্ছে মানুষকে সঠিক পরিষেবা দিচ্ছে না কেন হচ্ছে এটা?

প্রতিবাদ রাখলাম....। প্রতিবাদ রাখলাম.....।
এইসব পৌরসভা কর্পোরেশন পঞ্চায়েত সমস্ত মানুষকে বিভ্রান্ত করছে এরাই মূল কালপিট। তবুও এদের কর্মস্থানে একই জায়গায় মমতা ব্যানার্জি যা করে গেছে এদের জন্য, আমাদের দয়াবান মন্ত্রী এবং বিধানসভা সদস্যরা সব সময় এদের তত্ত্বাবধানে এখনো দুর্নীতি থেকে শুরু করে মানুষের পরিষেবা বিচ্যুতি থেকে শুরু করে একই পদ্ধতি চলছে।

সামনে ভয়ংকর বিপদ আছে। যদি এর পরিবর্তন না হয়, এই সিস্টেমের পরিবর্তন না হয় মমতা ব্যানার্জির সিস্টেম অনুযায়ী এখনো চলছে সমস্ত সেক্টরে। অথচ বিজেপির পশ্চিমবঙ্গে যেসব পরিবার কাজ করে গেছে তাদের কর্ম সংস্থানে কোন জায়গায় নেই। সাবাস।

প্রতিবাদ করেছি প্রতিবাদ করব প্রতিবাদে
অগ্রণী ভূমিকা নেব যদি এইসব চলতে থাকে।

ধন্যবাদ আমি সুব্রত পাল ভারতীয় জনতা পার্টি করি। সৌমিত্র খাঁ, অনুপম হাজরা, মুকুল রায়, প্রবাল রাহা আমরা সকলে একসাথেই বিজেপি যোগদান করি।

আমি হেড ক্যানসার আক্রান্ত, ৬৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ। আয়ুস্মান কার্ড করতে পারলাম না। না, আমার কোনো ঘর বাড়ী নেই। আবাস যোজনাতেও নাম তুলতেই পারি নি। না, আমার কোনো রোজগার নাই। বয়স্ক ভাতা ও আবেদন করেও পাই নি। বর্তমানে স্বজন সহযোগিতায় পরকাষ্ঠা হয়ে আমার চলছে।

প্রতিবাদ করছি, প্রতিবাদ করব, প্রতিবাদে
অগ্রণী ভূমিকা নেব, যদি এইসব চলতে থাকে।

Subrata Paul Official

23/08/2026

ফুটপাথ সাফ থাকুক, কিন্তু মানবিক মুখ সরিয়ে নয়। ফুটপাথ পরিষ্কার হোক। কিন্তু সব অভিযানের একটা মানবিক মুখ থাকুক।

Subrata Paul Official

 #পিছনে_ফিরে_দেখাসাল ১৯৮৬ তৎকালীন মুম্বাই লাস্যময়ী রেখা'রকোলকাতায় অনুষ্ঠিত "হোপ ৮৬" এ আগমন। সাল ২০০২ জনপ্রিয় গায়িকা ঊষা ...
20/08/2026

#পিছনে_ফিরে_দেখা

সাল ১৯৮৬ তৎকালীন মুম্বাই লাস্যময়ী রেখা'র
কোলকাতায় অনুষ্ঠিত "হোপ ৮৬" এ আগমন।

সাল ২০০২ জনপ্রিয় গায়িকা ঊষা ঊত্থুপের গানকে অশ্লীল বলা। এবং তৎকালীন মন্ত্রী সুভাষ চক্রবর্তীর আশীর্বাদ নিয়ে ঊষা ঊত্থুপের পুনরায় সচল হওয়া।

সাল ২০০৫ তৎকালীন মন্ত্রী সুভাষ চক্রবর্তীর তারাপীঠ এ পূজা দেওয়া নিয়ে সিপিএম এর তাকে শো-কজ করা।

এইসব নিয়ে আজকের পিছনে ফিরে দেখা।

জ্যোতি বসুর জীবনী একটা বেইমানির কালো ইতিহাস!

জ্যোতি বসু সম্পর্কে সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় ১৯৯২-৯৩ তে 'দেশ' পত্রিকায় একটা লেখা লেখেন l সেখানে উনি বলেন জ্যোতি বসু বিলেতে যান ICS দিতে এবং ওখানে —লন্ডনের সেরা প্রাইভেট টিউটর দেয়া হয় ওঁনার জন্যে l
সিদ্ধার্থবাবু বলেন, জ্যোতি বাবুর শিক্ষার পিছনে যত টাকা খরচ হয় সেই টাকায় আমাদের দেশের ১০০ ছাত্রকে পড়ানো যেত l কিন্তু ৪ বার দিয়ে পাশ করেন নি উনি l
এরপর ব্যারিস্টারি বেছে নেন l সেখানেও ৪ বার ফেল করে ছয় বছরের ছোট সিদ্ধার্থ রায়ের সঙ্গে পাশ করে l আর তাই সিদ্ধার্থবাবু ৬ বছরের ছোট হয়েও ওনাকে জ্যোতি দাদা না বলে জ্যোতি বলতেন l

দেশে ফিরে কমিউনিস্ট পার্টি l প্রথমে সোভিয়েত ইউনিয়নের নির্দেশের ৪২ আন্দোলনের বিরোধীতা l এরপর সোভিয়েতের নির্দেশে রোজ নিয়ম করে নেতাজীকে গালাগালি এবং পি সি যোশির সঙ্গে পুরো পশ্চিমবঙ্গকে পাকিস্তান বানানোর চক্রন্তে সামিল l

ক্যালকাটা অ্যাকশন ডে দেখার পরে বোঝেন পাকিস্তান হলে আর থাকা যাবেনা l শেষে ডঃ শ্যামাপ্রসাদের কথা শুনে নাক খত দিয়ে বাংলা ভাগে পশ্চিমবঙ্গর পক্ষে ভোট l

দেশভাগের পরে প্রথমে বাঙালদের ক্ষেপানো l বিধান রায়কে বুর্জোয়া বলা এবং দেশের ইতিহাসে অন্যতম সৎ রাজনৈতিক ব্যাক্তি প্রফুল্ল সেন কে চোরের অপবাদ দিয়ে ১৯৬৭তে জিতে প্রথমবার জিতে উপমুখ্যমন্ত্রী l

ইনার সময়ে ৫ বছর শুধু দা*ঙ্গা! বিড়লা পেটানো, কারখানা বন্ধ, গোপাল সেন হত্যা, সাঁইবাড়ী হত্যা এবং গণ টোকাটুকি এবং সিদ্ধার্থ রায়ের পাল্টা মার l

১৯৭৭ এ ক্ষমতায় এসে বিভিন্ন ভয়ঙ্কর অপরাধীদের জেল থেকে বের করে তাদের নতুন করে পরিচয়পত্র দিয়ে কাউকে মন্ত্রী ( নিরুপম সেন ) কাউকে সাংসদ (অনিল বসু), কাউকে যাদবপুর রেজিট্রার (রজত ব্যানার্জী ) এবং যে ৪ পাশ তাকে পার্টির বড় নেতা (বিনয় কোনার) বানিয়ে সমাজকে রসাতলে পাঠানো l

মমতা ব্যানার্জী যেমন চিংড়িঘাটা মেট্রো প্রকল্পে বাধা দেয়, তেমনিই জ্যোতি বসু পুরো কলকাতা মেট্রো প্রকল্পকেই বাধা দেন l এছাড়া কম্পিউটার ঢুকতে না দেয়া, CESC কে দিয়ে বাংলা লুট, ইংরেজী তুলে দেয়া, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর উপাচার্যকে রাস্তায় অপমান, বহু হেড মাস্টার খুন (তার মধ্যে একজন দমদম কুমার আশুতোষ ব্রাঞ্চ স্কুল) CITU কে দিয়ে আইএএস পেটানো, ক্যাডারদের বৌকে স্কুল কলেজ শিক্ষক বানানো, উচ্চশিক্ষায় ৯৯% সংরক্ষণ, বাকী ১% তরমুজদের, যুগান্তর, বসুমতি বন্ধ, ৫০০০০ এর উপর কারখানা বন্ধ এবং ৫৫০০০ খুন ইত্যাদি বহু কীর্তি l

শেষে আসি উনি কত আয় করলেন❓ ওঁনার সঙ্গে বিভিন্ন রাজ্যের নেতা মন্ত্রীদের চুক্তি হত যে উনি ওই রাজ্যের নেতা মন্ত্রীদের কাজ দেবেন, আর বদলে ওঁনার ছেলে চন্দন বোস
কে কাজ দেবে তারা l

যেমন কমল নাথ WBSEBর কোটিকোটি টাকার ঠিকাদারি করতো, এবং তার বদলে চন্দন বোস ও নিরঞ্জন সেনগুপ্ত'র ভাইপো কাজল সেনগুপ্ত'র কোম্পানি সেনবো দিল্লীতে ব্রিজ ও মেট্রো বানানোর কাজ পায় l

জীবনের শেষে উনি উনার পুত্র চন্দন বোসকে ৭০০ টাকার কেরানী থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকার মালিক বানিয়ে ছাড়েন l ব্যারিস্টারি করলে সেটা সম্ভব ছিল না l

কারণ— সিদ্ধার্থ রায় "দেশ" পত্রিকার ওই লেখায় বলেন জ্যোতি বসু আইন বুঝতেন না বলে বিচারকের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারতেন না l টুকে পাশ করা ছাত্রদের যে দশা হয় আর কি l সেই সময় জ্যোতি বসু ক্ষমতার শীর্ষে l রোজ একের পর এক খুন করছেন তার পার্টিকে দিয়ে l কিন্তু মানহানি মানলা করেন নি l যাতে জানাজানি না হয় l

পশ্চিমবঙ্গের জনজীবনে জ্যোতি বাবুর একটাই ভূমিকা,
আর এখানেই বিতর্ক শেষ! ——সেটা হল উনি ২৪ বছরে পশ্চিমবঙ্গর স্বাস্থ্য শিক্ষা শিল্প বাণিজ্য কৃষি এবং সমাজের সর্বনাশ করেই শুধু ক্ষান্ত হন নি —মৃত্যুর আগে ওঁনার প্ৰিয় ছাত্রীকে মুখ্যমন্ত্রী করার সব রাস্তা তৈরি করে দিয়ে গেছেন, আরও ১৫ বছর রাজত্ব করে রাজ্যের বাকী সর্বনাশটা করে যাওয়ার জন্যে l

ওঁনার মৃত্যুর এক বছর পরেই ওঁনার ছাত্রী মুখ্যমন্ত্রী হন,
১৫ বছরের জন্যে এবং তিনিও দ্বিতীয় চন্দন তৈরি করেন l

এবং পরিশেষে বলি —আমার বয়স এখন ৬৫। কাজেই
এই "সিপিএম" র শয়তানি আমি নিজে চোখে দেখেছি।

এদের কার্যকলাপের কথা মনে পরলেই বমির উদ্রেক হয়।

আর একটা কথা, মমতা সিপিএমকে হঠায় নি। সিপিএমের অত্যাচার এমন পর্যায়ে পৌছেছিল যে —মানুষ তিতিবিরক্ত হয়ে সিপিএমকে হঠিয়েছিল।

বিকল্প ছিল "সততার প্রতীকের"আড়ালে "শঠতার প্রতীক" তৃনমুল। তাই ক্ষীরটা মমতা খেয়েছে। আর, সেই ট্র্যডিশন বজায় রেখে মানুষ ঘাড়ধাক্কা দিয়েছে তৃনমূলকে, যেমনটি দিয়েছিল সিপিএমকে।

Subrata Paul Official

20/08/2026

রাস্ট্রীয় হিন্দু বাহিনী মুর্শিদাবাদ আয়োজিত ২০২৩ রাস্ট্রীয় হিন্দু বাহিনী মুর্শিদাবাদ জেলা সম্মেলন কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলাম।


Subrata Paul Official

যারা বামফ্রন্টের শাসন কাল দেখেন নি তারা জেনে নিন। আর যারা দেখেছেন —তারা মিলিয়ে নিন। যদি ভুল বলি কমেন্ট করবেন। বামফ্রন্ট ...
19/08/2026

যারা বামফ্রন্টের শাসন কাল দেখেন নি তারা জেনে নিন।
আর যারা দেখেছেন —তারা মিলিয়ে নিন। যদি ভুল বলি কমেন্ট করবেন।

বামফ্রন্ট রাজত্বে ক্যাডাররাজটাই ছিল একটা রাষ্ট্রব্যবস্থা।
বাড়িওয়ালা ভাড়াটে সমস্যা❓❓ পার্টি অফিসে চলে যাও,
বাড়িতে চুরি হয়েছে, পুলিশে ডায়েরি করতে হবে! —এলসি এম (লোকাল কমিটির মেম্বার) এর চিঠি লাগবে।

জমাদার রাস্তা পরিস্কার করছে না......
পাড়ার ব্র্যাঞ্চ সেক্রেটারিকে জানাও কাজ হবে।
আর এই সবের সঙ্গে বাড়তি সংযোজন ছিল লেভি।
'লেভি'টা আসলে পার্টিতে আপনার ছোট্ট নজরানা।

বাম গণতান্ত্রিক রাজ্যে বসবাসের প্রতি মাসে একদিন সন্ধ্যেবেলা নিয়ম করে বাড়িতে টোকা, কা-স্তে হা-তুড়ি
আঁকা ৫/- লেখা দু চারটে স্লিপ হাতে দিতেই হবে!

তারপর ছিল বুর্জোয়া মিথ্যে খবরের কাগজ পড়ে যদি আপনার চিত্তবৈকল্য ঘটে, যদি আপনি জনগণতান্ত্রিক বিপ্লবের পথ থেকে সরে যান! তা আটকাতে জোর করে একখান গণশক্তি গছিয়ে দেওয়া।।

এটুকুর ওপর দিয়ে যন্ত্রণা গেলে তা নাহয় ঠিক ছিল,
কিন্তু না... এর পরের এপিসোডগুলো আরো ভয়াল।

বাড়ি করবেন বলে মনস্থির করেছেন! পার্টি অফিসে আপনাকে যেতেই হবে। কে ইঁট দেবে?কে বালি দেবে?
সব ওই কমরেডরাই ঠিক করে দেবে। আপনি আপনার পছন্দমতো জিনিসপত্র কিছুই কিনতে পারবেন না।

বাড়ীতে কেবল কানেকশন নেবেন, তাতেও আপনার
নিয়ন্ত্রন নেই। সেটাও ঠিক করে দেবে পার্টি অফিস।

এরপরেও অনুদান পাঠাতে হত পার্টি অফিসে।
সেই অনুদানের টাকায় কত শত কর্মসংস্থান হত
তার ইয়ত্তা নেই।

এবার ধরুন আপনি কোনো একটি জমি ফাঁকা
রেখেছেন? হাতে টাকা নেই, পরে হয়তো বাড়ি করবেন?

জমি বেহাত হবেই হবে। তারপরে মেজ নেতা বড় নেতা
ধরেও লাভ নেই। এটা ছিল শিক্ষিত শহুরে সমাজে ভূমি
সংস্কারের বাস্তব প্রয়োগ।

গ্রামের অল্পশিক্ষিত সমাজের অবস্থা ছিল আরো করুন। ভূমি সংস্কার তো হয়েছে, অতএব পাট্টা বিলিও করা হবে। এবং সেটা করা হবে পার্টি অফিস থেকে।
গফুর মিঞা অথবা রামধন মাঝি জমি পাবে, কি না! তা
ঠিক হবে —তার দলের প্রতি কতটা আনুগত্য তার থেকে।

কলকারখানার মজুর যারা তারা মিছিল মিটিং বিক্ষোভ
সবই করতেন, কারন ইউনিয়ন দাদারা বলেছেন মেহনতি মানুষের হাতে অনেক ক্ষমতা চাই।
এরপর শুরু হতো লাগাতার হরতাল। তারপরে কারখানা লকআউট। বেচারা শ্রমিক জানলোই না যে বাম নেতাদের পকেটে কয়েক কোটি টাকা ঢুকে গিয়ে কারখানাটি চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল।এবার ঐ পরিবারের দারিদ্রতাকে মূলধন করে আবার নতুন করে বাম সংগ্রাম শুরু ।

এই সমাজ ব্যবস্থার পুরোটাই সিপিএম তৃণমূলকে উপহার দিয়ে গিয়েছে। মমতার তো আর বাংলাকে নতুন করে গড়ে তোলার দূরদৃষ্টি ছিল না....... ফলে সিপিএম তাড়ানো ছাড়া তৃনমূলের আর কোনো এজেন্ডা ছিল না আর ছিল না কোন প্রতিশ্রুতিও। তাই তৃণমূলও একই জিনিস করবে, এটাই তো স্বাভাবিক।

মমতার সিপিএমকে উৎখাত করার স্বপ্ন ছিল এবং করেছেনও। আর সেটিও যথেষ্ট পারদর্শিতার সঙ্গেই
করেছেন।

বামেদের মত নরকের কীটগুলোর জন্য মমতা ব্যানার্জী ছিলেন সবচেয়ে বড় অ্যান্টিডোট । মনে রাখবেন সিপিএম কিন্তু আপনার সমাজ সংস্কৃতি সব কিছুই ধ্বংস করে দেয় । তাই আজ বামেরা মহা শুন্যে বিলীন। সঙ্গে দেখতেই পাচ্ছেন —তৃণমূলের একি হাল! নেতা হলো কমরেট চুম্মু বাচাল! কমরেটরা তাও ধীরগতি মহাশুন্যের দিকে, কিন্তু —মমতা তৃনমূল আয়লার বেগে মহাসাগরে আছরে পড়েছে!

Subrata Paul Official

ওহো হো হোঃ শ্যাষম্যাষ জিত হল! 😁☺️মগরাহাটে মাদ্রাসা পরিচালন সমিতির নির্বাচনে বিরোধীদের কার্যত ধরাশায়ী করে বড় জয় তৃণমূল ক...
19/08/2026

ওহো হো হোঃ শ্যাষম্যাষ জিত হল! 😁☺️

মগরাহাটে মাদ্রাসা পরিচালন সমিতির নির্বাচনে
বিরোধীদের কার্যত ধরাশায়ী করে বড় জয় তৃণমূল কংগ্রেসের।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট ২ নম্বর ব্লকের কুলদিয়া মোহনপুর হাই মাদ্রাসার পরিচালন সমিতির ৬টি আসনের প্রতিটিতেই জয়ী হয়েছেন তৃণমূল সমর্থিত প্রার্থীরা।


19/08/2026

অচেনার আনন্দে

Subrata Paul Official
#𝐫𝐞𝐥𝐢𝐠𝐢𝐨𝐧 ゚

Address

GT Road, Bandel, Hooghly
Chinsurah
712104

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Subrata Paul Official posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share