K2 - Is An Emotion

K2 - Is An Emotion I ........... SK2

18/02/2026
08/12/2025

Jagannath Jagannath

লাইফে টাকার গুরত্ব তখন বুঝতে পারবেন যখন দেখবেন মার্কেটে আপনার আদরের সন্তান একটা খেলনা পছন্দ করেছে কিন্তু আপনি কিনে দিতে ...
20/12/2024

লাইফে টাকার গুরত্ব তখন বুঝতে পারবেন যখন দেখবেন মার্কেটে আপনার আদরের সন্তান একটা খেলনা পছন্দ করেছে কিন্তু আপনি কিনে দিতে পারছেন না।

যখন দেখবেন স্ত্রী সহ বিয়েতে গিয়েছেন, আপনার স্ত্রীকে একদম ফিকে লাগছে।

শশুরবাড়িতে গিয়েছেন, আপনি এবং অন্য জামাই দুজনের প্রতি দুই রকমের ব্যাবহার এবং সমাদর।

আপনার বউয়ের গোমড়া মুখ দেখলে বুঝবেন টাকা কেনো প্রয়োজন। বউয়ের ছোট ছোট ইচ্ছেগুলো পুরন করতে না পারলে বুঝবেন টাকা কেনো প্রয়োজন।

সন্তান বায়না ধরে বসলো একটা সাইকেল লাগবে, বাবা হিসেবে তখন বুঝবেন টাকা কত প্রয়োজন।

পরিবার নিয়ে রেস্টুরেন্টে খেতে গেলে বুঝবেন টাকা কেনো প্রয়োজন।

আপনার বউ যখন দেখবে, আপনার কাছে টাকা নেই বলে কেউ আপনাকে পাত্তা দেয় না, তখন বুঝবেন টাকা কেনো দরকার!!

টাকার গুরুত্ব তখন বুঝবেন যখন দেখবেন, আপনার কাছে টাকা নেই বলে আপনার সন্তানকে কেউ ওভাবে আদর করে না।

আপনার কাছে টাকা না থাকলে টাকার গুরুত্ব বুঝবেন।

তাই প্রচুর পরিমাণে টাকা কামাতে হবে এমন মনে হয় টাকা থাকলে জীবনের 90% প্রবলেম সলভ হয়ে যায়,,,

“একটা মেয়ে তার 🤵🏻Boy Friend কে জিজ্ঞেসকরেছিলোঃ👰🏻--আচ্ছা অন্য কারো সাথে আমার বিয়েহয়ে গেলে তুমি  কি করবে?🤵🏻--ছেলেটা উত্...
11/12/2024

“একটা মেয়ে তার 🤵🏻Boy Friend কে জিজ্ঞেস
করেছিলোঃ
👰🏻--আচ্ছা অন্য কারো সাথে আমার বিয়ে
হয়ে গেলে তুমি কি করবে?
🤵🏻--ছেলেটা উত্তর দিলো, ভুলে যাবো
🤵🏻ছেলেটার উত্তর শুনে 👰🏻মেয়েটি রাগে
অন্যদিকে মুখ ঘোরালো।
🤵🏻ছেলেটি আবার বললো:
--সবচেয়ে বড় কথা
। আমি যত দ্রুত তোমাকে ভুলে
যাবো। তার চেয়েও বেশি দ্রুত
তুমি আমাকে ভুলে যাবে।
👰🏻প্রেমিকা প্রশ্ন করলোঃ
--কি রকম?
🤵🏻ছেলেটি বলতে শুরু করলঃ
"মনে করো বিয়ের প্রথম তিনদিন তুমি এক
ধরনের ঘোরের মধ্যে থাকবে। শরীরে
গয়নার ভার, মুখে মেকআপ এর প্রলেপ,
চারিদিক থেকে ক্যামেরার ফ্লাশ,
মানুষের ভিড়। তুমি চাইলেও তখন আমার
কথা মনে করতে পারবে না। ''আর আমি তখন
তোমার বিয়ের খবর পেয়ে হয়তো কোন বন্ধুর
সাথে উল্টাপাল্টা কিছু খেয়ে পরে
থাকবো। আর একটু পর পর তোমাকে
হৃদয়হীনা বলে
গালি দিবো। আবার পরক্ষনেই পুরাতন
স্মৃতির কথা মনে করে বন্ধুকে জড়িয়ে ধরে
কাঁদবো। "বিয়ের পরের দিন তোমার আরো
ব্যস্ত সময় কাটবে। আর প্রথম সপ্তাহে ' স্বামী আর মিষ্টির
প্যাকেট, এই দুটো হাতে নিয়ে তুমি
বিভিন্ন আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে ঘুরে
বেড়াবে।
আমার কথা তখন তোমার হঠাৎ হঠাৎ মনে
হবে। এই যে যেমন স্বামীর হাত ধরার সময়, এক
সাথে গাড়িতে চড়ার সময়। আর আমি তখন
ছন্নছাড়া হয়ে ঘুরে বেড়াব। আর বন্ধুদের
বলবো, বুঝলি দোস্ত, জীবনে প্রেম
ভালোবাসা কিছুই নাই সব মিথ্যা। "পরের মাসে
তুমি হানিমুনে যাবে, নতুন বাড়ি পাবে,
শপিং, ম্যাচিং,শত প্লান, আর স্বামীর
সাথে হালকা মিষ্টি ঝগড়া। তখন তুমি
বিরাট সুখে,
হয়তো আমার কথা মনে হলে ভাববে, আমার
সাথে বিয়ে না হয়েই বোধ হয়
ভালোই হয়েছে। আমি ততদিনে বাপ, মা,
বন্ধুর ঝাড়ি খেয়ে
মোটামুটি সোজা হয়ে গিয়েছি।
ঠিক করেছি কিছু একটা কাজ করতে হবে,
তোমার চেয়ে একটা সুন্দরী মেয়ে বিয়ে
করে
তোমাকে দেখিয়ে দিতে হবে।
সবাইকে বলবো, তোমাকে ভুলে গেছি।
কিন্তু তখনও মাঝরাতে তোমার
এসএমএস গুলো বের করে পড়বো আর
দীর্ঘ একটা শ্বাস ছাড়বো। "পরের দুই বছর পর তুমি
আর কারো প্রেমিকা কিংবা
নতুন বউ নেই। মা হয়ে গিয়েছো।
পুরাতন প্রেমিকের স্মৃতি, স্বামীর আহ্লাদ,ভালোবাসা
এসবের চেয়েও বাচ্চার ডায়াপার,হামের টিকা
এসব নিয়ে বেশি চিন্তিত থাকবে।
অর্থাৎ তখন আমি তোমার জীবন থেকে
মোটামুটি পারমানেন্টলি ডিলিট হয়ে
যাবো। এদিকে ততদিনে আমিও একটা কাজ পেয়ে গেছি।
বিয়ের কথা চলছে। মেয়েও পছন্দ হয়েছে।
আমি এখন ভীষণ ব্যাস্ত।
এবার সত্যিই আমি তোমাকে ভুলে
গিয়েছি।শুধু রাস্তা ঘাটে কোন প্রেমিক প্রেমিকা দেখলে
তোমার কথা খুব মনে পড়বে। কিন্তু তখন আর
দীর্ঘশ্বাসটাও আসবে না।
এতদূর পর্যন্ত বলার পর ছেলেটি দেখলো
প্রেমিকা ছলছল চোখ নিয়ে
ছেলেটির দিকে তাকিয়ে আছে।মুখে কোন কথা নেই। ছেলেটি ও চুপচাপ।
👰🏻একটু পর প্রেমিকা বললোঃ
"তবে কি সেখানেই সব শেষ?
🤵🏻ছেলেটি বলল, না।
কোন এক মন খারাপের রাতে তোমার
স্বামী নাক ডেকে ঘুমাবে। আর আমার বউও ব্যস্ত
থাকবে নিজের ঘুমের রাজ্যে।শুধু তোমার আর আমার চোখে ঘুম থাকবেনা। সেদিন অতীত আমাদের দুজনকে নিঃশ্বদে কাঁদাবে। সৃষ্টিকর্তা ব্যাতীত সে কান্নার কথা কেউ জানবে না,কেউ না
👰🏻মেয়েটা তার বয়ফ্রেন্ডকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কাঁদতে লাগল
পরিশেষে মেয়েটা এটাই বলল যে
পরিস্থিতির কাছে মানুষ আজ অনেক অসহায় !!!!!
🥀💔😞

শিক্ষক ক্লাসে ঢুকে একটি ছাত্রকে জিজ্ঞেস করলেনঃ-আমাদের শরীরে ক'টা কিডনি আছে ? ছেলেটি চটজলদি উত্তর দিলোঃ- চারটে কিডনি স্যা...
10/12/2024

শিক্ষক ক্লাসে ঢুকে একটি ছাত্রকে জিজ্ঞেস করলেনঃ-
আমাদের শরীরে ক'টা কিডনি আছে ?

ছেলেটি চটজলদি উত্তর দিলোঃ-
চারটে কিডনি স্যার।

ছাত্রটির উত্তর শুনে ক্লাসের বাকি ছাত্ররা হো হো করে হেসে উঠলো।
শিক্ষক বললেন তোমরা হাসি থামাও।
তারপর অপর একটি ছাত্রকে বললেন,,,,

এবার দাঁড়াও।

ছাত্রটি জিজ্ঞেস করলো,,,,
স্যার ক'টা কিডনি আছে বলবো, নাকি বেত আনবো?

শিক্ষক বললেন,,,,
না ক'টা কিডনি আছে বলতে হবে না, বেতও আনতে হবে না, তুমি কিছু ঘাস নিয়ে আসো। একদম তাজা ঘাস।

ছাত্র,,,,
ঘাস দিয়ে কি হবে স্যার?

শিক্ষক,,,,
ক্লাসে একটা গাধা আছে তাকে খাওয়াবো।

এই কথা শুনে আগের ছাত্রটি বললো,,,,
যাও ঘাস নিয়ে এসো, সেই সঙ্গে এক কাপ কফি ও আনবে।

শিক্ষক রেগে বললো কফি আনবে কেন, কফি কে খাবে?
ছাত্রটির উত্তর,,,,
স্যার! কফি খাবো আমি, আর যে গাধা সে ঘাস খাবে।

শিক্ষক,,,,
তাহলে গাধাকে ?

ছাত্র,,,,
স্যার আপনি জিজ্ঞেস করেছিলেন আমাদের ক'টা কিডনি আছে ?

আমার আর আপনার মিলিয়ে তো চারটেই কিডনি আছে। তাহলে আমি নিশ্চয়ই গাধা নই। শিক্ষক রেগে বললেন,,,,
তুই খুব বেশি বুঝিস, যারা বেশি বোঝে পরীক্ষায় তাদের আমি শূন্য দেই। অতএব তুমিও একটা নয় দুটো শূন্য পাবে।

ছাত্রটির উত্তর,,,,
পরীক্ষায় আমাকে দুটো শূন্য দিলে আপনারই ক্ষতি হবে স্যার! সবাই বলবে আপনার ছাত্র ডাবল গোল্লা পেয়েছে। এতে আপনারই বদনাম হবে, আপনাকে সবাই চেনে, আমাকে তো কেউ চেনে না।

ক্লাসে একটা হাসির রোল উঠলো। পরীক্ষা শেষে ওই শিক্ষক ছাত্রটির খাতায় একটা নোট লিখেছিলেন,,,,

তুমি প্রতিদিন ক্লাসে যে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দাও এবং বুদ্ধি দিয়ে সবাইকে হাসাও, তাতে আমার বিশ্বাস একদিন আমাকে হয়তো কেউ চিনবে না। তবে তোমাকে সারা পৃথিবীর মানুষ অবশ্যই চিনবে। আমি তোমার জন্য এই খাতায় আশীর্বাদ রেখে গেলাম।

সেদিনের সেই শিক্ষকের আশীর্বাদ পরবর্তীতে সত্যি হয়েছিল। ওই ছাত্রটি ছিলেন চার্লি চাপলিন। যাকে পৃথিবীর প্রায় সব মানুষই চেনে।

কর্ম্মব্রহ্ম নাশ
゚ ゚viralシ

বিয়ে কি ?                                   -সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়" অস্কার ওয়াইল্ড লিখেছিলেন- ম্যারেজ ইজ এ পারমানেন্ট ডিসএ...
08/12/2024

বিয়ে কি ?
-সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

" অস্কার ওয়াইল্ড লিখেছিলেন- ম্যারেজ ইজ এ পারমানেন্ট ডিসএগ্রিমেন্ট। মানে স্থায়ী একটা মতের অমিল। স্বামী আর স্ত্রীর মতের মিল হলে, বিবাহিত জীবনের সমস্ত স্বাদই চলে গেল। সেই দাম্পত্য জীবন আলুনি তরকারির মতো। চিনি আর দুধ ছাড়া চায়ের মতো। লেজ- কাটা বেড়ালের মতো। গোঁফ - কামানো বাঘের মতো। শব্দহীন ঝরনার মতো। নিঃশব্দ হাটের মতো। ফ্যাঁস আর ফোঁস এই হল দাম্পত্য জীবন। আমি ফ্যাঁস করব, তিনি ফোঁস করবেন। লাগাতার খিচিমিচিরের নাম বিয়ে। কি বড়, কি ছোট জীবনের যে- কোন ব্যাপারে দুজনের দুরকম মত। কোন বিশ্বসংস্থার ক্ষমতা নেই সেখানে বিশ্বশান্তির প্রতিষ্ঠার। "

অক্ষরে অক্ষরে সত্যি!☺️

একটু মনোযোগ দিয়ে পড়ুন কাজে আসবে।বেশী কচলালে মধু বের হতে পারে......এক কোম্পানীতে ছিলো এক পিপড়া। সে প্রতিদিন ৯টায় অফিসে ঢু...
12/11/2024

একটু মনোযোগ দিয়ে পড়ুন কাজে আসবে।
বেশী কচলালে মধু বের হতে পারে......

এক কোম্পানীতে ছিলো এক পিপড়া। সে প্রতিদিন ৯টায় অফিসে ঢুকতো। তারপর কারো সঙ্গে সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে কাজে বসে যেত।

সে যে পরিমাণ কাজ করত, তাতে কোম্পানির উৎপাদন হতো প্রচুর এবং এর ফলে সে আনন্দের সঙ্গেই জীবন নির্বাহ করত।

ওই অফিসের সিইও সিংহ অবাক হয়ে দেখত, এই পিঁপড়াটি কোনো ধরনের সুপারভিশন ছাড়াই প্রচুর কাজ করছে। সিংহ ভাবল, পিঁপড়াকে যদি কারও সুপারভিশনে দেওয়া হয়, তাহলে সে আরও বেশি কাজ করতে পারবে।

কয়েক দিনের মধ্যেই সিংহ একটি তেলাপোকাকে পিঁপড়ার সুপারভাইজার হিসেবে নিয়োগ দিল। সুপারভাইজার হিসেবে এই তেলাপোকাটির ছিল দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, আর সে দুর্দান্ত রিপোর্ট লিখতে পারত।

তেলাপোকাটি প্রথমেই সিদ্ধান্ত নিল, এই অফিসে একটি অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম থাকা উচিত।

কয়েক দিনের মধ্যেই তেলাপোকার মনে হলো, তার একজন সেক্রেটারি দরকার, যে তাকে রিপোর্ট লিখতে সাহায্য করবে। … সে একটা মাকড়সাকে নিয়োগ দিল এই কাজে যে সব ফোনকল মনিটর করবে, আর নথিপত্র রাখবে।

সিংহ খুব আনন্দ নিয়ে দেখল যে তেলাপোকা তাকে প্রতিদিনের কাজের হিসাব দিচ্ছে আর সেগুলো বিশ্লেষণ করছে গ্রাফের মাধ্যমে। ফলে খুব সহজেই উৎপাদনের ধারা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া যাচ্ছে এবং সিংহ সেগুলো বোর্ড মিটিংয়ে ‘প্রেজেন্টেশন’ আকারে পেশ করে বাহবা পাচ্ছে।

কিছুদিনের মধ্যেই তেলাপোকার একটি কম্পিউটার ও লেজার প্রিন্টার প্রয়োজন হলো এবং এগুলো দেখভালের জন্য আইটি ডিপার্টমেন্ট গঠন করল। আইটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিয়োগ পেল মাছি।

আমাদের কর্মী পিঁপড়া, যে প্রতিদিন অফিসে এসে প্রচুর কাজ করে মনের সুখে গান গাইতে গাইতে বাসায় ফিরত, তাকে এখন প্রচুর পেপার ওয়ার্ক করতে হয়, সপ্তাহের চার দিনই নানা মিটিংয়ে হাজিরা দিতে হয়।

নিত্যদিন এসব ঝামেলার কারণে কাজে ব্যাঘাত ঘটায় উৎপাদন কমতে লাগল, আর সে বিরক্ত হতে লাগল।

সিংহ সিদ্ধান্ত নিল, পিঁপড়া যে বিভাগে কাজ করে, সেটাকে একটা আলাদা ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করে সেটার একজন ডিপার্টমেন্ট প্রধান নিয়োগ দেওয়ার এটাই উপযুক্ত সময়।

সিংহ ঝিঁঝিপোকাকে ওই ডিপার্টমেন্টের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিল। ঝিঁঝিপোকা প্রথম দিন এসেই তার রুমের জন্য একটা আরামদায়ক কার্পেট ও চেয়ারের অর্ডার দিল।

কয়েক দিনের মধ্যেই অফিসের জন্য স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান তৈরি করতে ঝিঁঝি পোকার একটি কম্পিউটার ও ব্যক্তিগত সহকারীর প্রয়োজন হলো। কম্পিউটার নতুন কেনা হলেও ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে ঝিঁঝিপোকা নিয়োগ দিল তার পুরোনো অফিসের একজনকে।

পিঁপড়া যেখানে কাজ করে, সেখানে আগে ছিল চমৎকার একটা পরিবেশ। এখন সেখানে কেউ কথা বলে না, হাসে না। সবাই খুব মনমরা হয়ে কাজ করে।

ঝিঁঝিপোকা পরিস্থিতি উন্নয়নে সিংহকে বোঝাল, ‘অফিসে কাজের পরিবেশ’ শীর্ষক একটা স্টাডি খুব জরুরি হয়ে পড়েছে।

পর্যালোচনা করে সিংহ দেখতে পেল, পিঁপড়ার বিভাগে উৎপাদন আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।

কাজেই সিংহ কয়েক দিনের মধ্যেই স্বনামখ্যাত কনসালট্যান্ট পেঁচাকে অডিট রিপোর্ট এবং উৎপাদন বাড়ানোর উপায় বাতলে দেওয়ার জন্য নিয়োগ দিল।

পেঁচা তিন মাস পিঁপড়ার ডিপার্টমেন্ট মনিটর করল, সবার সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান কথা বলল। তারপর বেশ মোটাসোটা একটা রিপোর্ট পেশ করল সিংহের কাছে। ওই রিপোর্টের সারমর্ম হলো, এই অফিসে প্রয়োজনের তুলনায় কর্মী বেশি। কর্মী ছাঁটাই করা হোক।

পরের সপ্তাহেই বেশ কয়েকজন কর্মী ছাঁটাই করা হলো। বলুন তো, কে সর্বপ্রথম চাকরি হারাল?

ওই হতভাগ্য পিঁপড়া। কারণ, পেঁচার রিপোর্টে লেখা ছিল, ‘এই কর্মীর মোটিভেশনের ব্যাপক অভাব রয়েছে এবং সর্বদাই নেতিবাচক আচরণ করছে, যা অফিসের কর্মপরিবেশ নষ্ট করছে।

Address

Contai Central Bus Stand
Digha
721401

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when K2 - Is An Emotion posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to K2 - Is An Emotion:

Shortcuts

Share