The Cob untold

The Cob untold উত্তরবঙ্গের প্রথম মোটিভেশনাল চ্যানেল The Cob Untold লুকানো প্রতিভাকে পরিচিতি দানই চ্যানেলের মুখ্যকাজ
(3)

পাঁপড়,ভুজিয়া,ধূপকাঠির বিক্রি করে ১১ বছর ধরে সমাজসেবা করেন! কোচবিহার শহরের গরীবের মাসিহা ৭২ বছরের মাঙ্গিলাল। পাঁপড়,ভুজিয়া...
29/08/2026

পাঁপড়,ভুজিয়া,ধূপকাঠির বিক্রি করে ১১ বছর ধরে সমাজসেবা করেন! কোচবিহার শহরের গরীবের মাসিহা ৭২ বছরের মাঙ্গিলাল। পাঁপড়,ভুজিয়া,ধূপকাঠির বিক্রি করে ১১ বছর ধরে সমাজসেবা করেন।

হ্যাঁ ঠিকই বলছি, এই মানুষটাই দীর্ঘ ১১ বছর ধরে প্রচারের আড়ালেই নিজের সব রোজগার সমাজের স্বার্থে বিলিয়ে দিচ্ছেন। বাড়িতে বাড়িতে ফেরি করেই সমাজের জন্য নিঃস্বার্থভাবে ভেবে চলেছেন! যা দেখে রীতিমত চমকে যাচ্ছে সকলেই। প্রশংসার ঝড় উঠেছে গোটা কোচবিহার জুড়ে। পাঁপড়, ভুজিয়া, ধূপকাঠির বিক্রি করে দীর্ঘ ১১ বছর ধরে সমাজসেবা করে চলেছেন ৭২ বছরের মাঙ্গিলালবাবু।

এই সময় দাঁড়িয়ে নিজে ছাড়া অন্য মানুষের কথা নিঃস্বার্থভাবে কজন ভাবে। ক'জন প্রত্যেকদিন বিলীন করে দেয় অন্য সবার জন্য। কোচবিহার শহরের এন এন পার্ক এলাকায় বাড়ি মাঙ্গিলাল বোথরার। বাড়িতে স্ত্রী এক ছেলে পুত্রবধূ এবং দুই নাতি-নাতিনে নিয়েই সংসার মাঙ্গিলাল বাবুর। ছেলে একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কাজ করেন। সংসার খরচ ছেলেই চালান। আজ থেকে ১১ বছর আগে মাঙ্গিলাল বাবু তার মাকে হারান।

পারিবার আর্থিক অবস্থা খা'রাপ থাকায় তাঁর মায়ের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র সেভাবে কিনতে পারেননি তিনি। মায়ের ওষুধ, পথ্য কেনার জন্য অনেকের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন। কিন্তু কারও কাছ থেকে সেভাবে সাহায্য পাননি। মায়ের মৃ/ত্যু/র পরেই জী'বন-পণ করেছিলেন মাঙ্গিলাল বাবু। গরিবদের সেবা করাটা নিজের পণ করি।

জীর্ণ শরীর নিয়ে পাঁপড়, ভুজিয়া, ধূপকাঠির ব্যাগ হাতে নিয়ে তিনি বাড়িতে বাড়িতে ফেরি করতে বেরিয়ে পড়েন। দিনভর ফেরি করে ৪০০-৫০০ টাকা আয় হয়। প্রতিদিন যে টাকা রোজগার করি তার একটি পয়সাও বাড়ি নিয়ে যাই না। সবটাই গরিবদের সেবায় বিলিয়ে দেন।
এক্ষেত্রে বলে রাখি, মাঙ্গিলাল বাবুর এই মহান কাজ সম্পর্কে কোচবিহার বাসী সকলেই জানেন। যে কারণে মাঙ্গিলাল বাবু কোনও বাড়িতে ফেরি করতে গেলে কেউ তাঁকে চট করে ফেরান না।

মাঙ্গিলাল চা-বিস্কুট খেয়ে প্রতিদিন সকাল ৯টায় ব্যাগ নিয়ে ফেরি করতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর দিনভর ফেরি করে বেলা সাড়ে ৩টা নাগাদ বাড়িতে ফিরে! সামান্য ডাল-ভাত সবজি খান। বাড়িতে একটু রেস্ট করে তারপর আবার ফেরি করতে বেরিয়ে পড়েন। রাত ১০টা নাগাদ বাড়ি ঢোকেন। প্রতিদিন যে টাকা রোজগার করেন তার একটি পয়সাও তিনি বাড়িতে নিয়ে যান না। প্রতি রাতে তিনি হাসপাতালে যান। যারা অর্থের অভাবে ঔষধ কিনতে পারছেন না তাদের কাছ থেকে প্রেসক্রিপশন নিয়ে যতটা পারেন নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী ওষুধপত্র কিনে দেন এই ৭২ বছরের মাঙ্গিলাল বাবু। এমনকি রাস্তায় কেউ খাবার খেতে চাইলে তাকে হোটেলে নিরামিষ ভাত খাওয়ান। মাঙ্গিলাল বাবু এই অবধ ৩৮ টি গরিব পরিবারের মেয়ের বিয়ের জন্য সমস্ত পোশাক কিনে দিয়েছেন। এই বিয়ের কাজে সাহায্যে মাঙ্গিলাল বাবু দুজন ব্যবসায়ীকেও পাশে পেয়েছেন।

তবে আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে মাঙ্গিলাল বাবু তার রোজগারের সব টাকা বিলিয়ে দিলে সংসার চলে কী করে?
মাঙ্গিলাল বাবু ছেলে একটি বেসরকারি সংস্থায় বছর দশেক ধরে কাজ করে। সংসারের সমস্ত খরচ তিনি চালান। এমনকি তিনি মাঙ্গিলাল বাবুর হাতখরচ হিসেবে প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেন।
মাঙ্গিলাল বাবু বলেন,
'যতদিন বাঁচব, সবার জন্য এভাবেই কাজ করে যাব।' ঔষধের অভাবে চলে যাওয়া মানুষদের জন্য যেন কোন মা, কোন বোন, কোন ছেলে, কোন স্ত্রীর চোখের জল না পড়ে।

হ্যাঁ, মাঙ্গিলাল বাবুর চাইলেই তো পারতেন আর পাঁচটা বয়স্ক মানুষের মতো তিনিও ঘরে শুয়েবসে, নাতি- নাতনিদের সঙ্গে আরামে দিন কাটাতে। কিন্তু তিনি তা করেননি, তিনি সারাদিন পায়ে হেঁটে ফেরি করে অক্লান্ত পরিশ্রম করে, নিজের সবটুকু উপার্জন নিয়ে প্রতি রাতেই ছুটে চলেছেন। নিজের সবটা উজাড় করে দিয়েছেন সমাজের গরীব অসহায় মানুষদের জন্য।

আজকের এই ভাইরাল কিংবা জনপ্রিয় মানুষদের ভিড়ে কোথাও যেন এক কোণে হয়ে যাচ্ছে প্রকৃত সমাজ সেবকরা। না তাদের খোঁজ নেইনা কেউ কিংবা রাখিনা। অথচ ওই মানুষগুলোই কি নীরবে প্রচারের আড়ালেই নিঃস্বার্থভাবে মানুষদের কথা ভেবে চলেছেন। মানুষের জন্য কাজ করে চলেছেন।

হ্যাঁ এই মানুষগুলি তো সম্মান পাওয়ার যোগ্য। এই মানুষগুলোও তো সরকারের কাছ থেকে সম্মান পাওয়ার দাবীদের রাখেন।
"মানুষ মানুষের জন্যই"
মাঙ্গিলাল বাবুর জীবন যু/দ্ধ এবং তার কাজ নিয়ে বলতে গেলে ঋণী হতে হয় শব্দের কাছে। এই মাটি এবং এই দেশ আজ গর্বিত তার জন্য। মাঙ্গিলাল বাবুকে আভূমিক প্রণতি জানায় The Cob Untold.

✍🏻— অমিত কুমার সিংহ ( অমিত বাবু )

( বি:দ্র — ক্রেডিট ছাড়া তথ্য কপি করে নিজের নামে চালিয়ে দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া )

#ভাইরাল

২৫ কিলোমিটার দূর থেকে এসে SP-কে উপহার দিলেন পেন। এক ফোনেই গ্রামের জলের স'মস্যা মিটিয়ে দেওয়ায় SP শ্রদ্ধা পাণ্ডেকে জড়িয়ে ধ...
29/08/2026

২৫ কিলোমিটার দূর থেকে এসে SP-কে উপহার দিলেন পেন। এক ফোনেই গ্রামের জলের স'মস্যা মিটিয়ে দেওয়ায় SP শ্রদ্ধা পাণ্ডেকে জড়িয়ে ধরে কৃতজ্ঞতা জানালেন এক বিশেষভাবে সক্ষম মহিলা

পুলিশকে দেখলে অনেকের মনেই প্রথমে ভ'য়ের অনুভূতি তৈরি হয়। কিন্তু উত্তরপ্রদেশের কানপুর দেহাতের এই ঘটনা যেন সেই ধারণাটাকেই বদলে দিল। এক পুলিশ আধিকারিক আর এক সাধারণ মহিলার আ'লি'ঙ্গ'নে'র দৃশ্য শুধু সবার মুখে হাসি ফোটায়নি, চোখেও এনে দিয়েছে জল।

দুই ক্রাচের সাহায্যে হাঁটা নীতু দ্বিবেদী নিজের মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে প্রায় ২৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে কানপুর দেহাতের SP, IAS শ্রদ্ধা পাণ্ডের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। সঙ্গে ছিল কোনও দামি উপহার নয়, ছিল ভালোবাসা আর কৃতজ্ঞতার প্রতীক হিসেবে একটি ছোট্ট পেন।

প্রায় দু’মাস আগে নীতুর বাড়ির জলের সংযোগ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। স'মস্যা সমাধানের জন্য তিনি বারবার বিভিন্ন দফতরের দরজায় ঘুরেছেন। কিন্তু স'মস্যার সমাধান তো হয়ইনি, উল্টে জল দফতরের কর্মীদের কাছ থেকে তাঁকে দু'র্ব্যবহারেরও শি'কার হতে হয়।

অবশেষে কোনও উপায় না দেখে নীতু সরাসরি SP শ্রদ্ধা পাণ্ডের কাছে নিজের স'মস্যার কথা জানান। বিষয়টি মূলত পুলিশের আওতায় পড়ে না। তবুও একজন মানুষ বি/প/দে পড়েছেন, এই কথাটাই বড় হয়ে উঠেছিল শ্রদ্ধা পাণ্ডের কাছে।

তিনি বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে স্থানীয় পুলিশকে নীতুর বাড়িতে পাঠান। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়। আর শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা নীতুর বাড়ির জলের সরবরাহ আবার চালু হয়।

স'মস্যা মিটে যাওয়ার পর কৃতজ্ঞতা জানাতে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে SP-এর কাছে ফিরে আসেন নীতু। হাতে সেই ছোট্ট পেন। কিন্তু পেন দেওয়ার আগেই আবেগে একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন দু’জন।

সেই মুহূর্তে পদমর্যাদা, পরিচয় কিংবা ক্ষ'মতার কোনও দূরত্ব ছিল না। ছিল শুধু একজন মানুষের প্রতি আরেকজন মানুষের মানবিকতা।

এই আ'লি'ঙ্গন যেন আমাদের মনে করিয়ে দিল, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবসময় বড় কিছু করার প্রয়োজন হয় না। কখনও কখনও একটি ছোট্ট সাহায্যই একজন মানুষের জী'বনে বিশাল স্বস্তি এনে দিতে পারে।

আর সেই কারণেই, পুলিশের এই মানবিক মুখ আজ সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।

তথ্যসূত্র — The Better india-Bangla

প্রতিযোগীদের সবার পায়ে ছিল দৌড়ানোর উপযোগী জুতো। আর ১১ বছর বয়সী রিয়া বুলোসের পায়ে ছিল শুধু ব্যা'ন্ডেজের টেপ! সেই টেপের ওপ...
29/08/2026

প্রতিযোগীদের সবার পায়ে ছিল দৌড়ানোর উপযোগী জুতো। আর ১১ বছর বয়সী রিয়া বুলোসের পায়ে ছিল শুধু ব্যা'ন্ডেজের টেপ! সেই টেপের ওপর কালো কলম দিয়ে সে এঁকেছিল বিখ্যাত ব্র্যান্ড ‘নাইকি’র লোগো, এবং লিখেছিল ব্র্যান্ডটির নাম!

মাত্র ১১ বছর বয়স। প্রতিযোগিতার ট্র্যাকে দাঁড়িয়ে আছে এক ছোট্ট মেয়ে। চারপাশের প্রায় সবার পায়ে দামি দৌড়ানোর জুতো। কিন্তু তার পায়ে নেই কোনো স্পোর্টস শু। আছে শুধু সাদা ব্যা'ন্ডেজের টেপ। সেই টেপের ওপর কালো কলম দিয়ে আঁকা একটি 'নাইকি' লোগো এবং লেখা 'Nike'। প্রথম দেখায় বিষয়টি হয়তো অনেকের কাছে মজার মনে হয়েছিল। কিন্তু কয়েক মিনিট পর সেই টেপে মোড়ানো পা-ই ইতিহাস গড়ে।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে ফিলিপাইনের ইলোইলো প্রদেশে আন্তঃস্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় বালাসানের সালভাসিওন এলিমেন্টারি স্কুলের ছাত্রী রিয়া বুলোস। পরিবারের আর্থিক অবস্থা এতটাই দু'র্বল ছিল যে একটি দৌড়ের জুতো কেনার সামর্থ্যও ছিল না। তাদের পুরো দলের ১২ জন ক্রীড়াবিদের জন্য ছিল মাত্র দুই জোড়া জুতো। তাই রিয়াসহ কয়েকজনকে খালি পায়েই দৌড়ে নামতে হয়।

তবে খালি পায়ে দৌড়ানোর সময় যাতে পায়ে আ/ঘা/ত না লাগে, সে জন্য রিয়া সাদা ব্যা'ন্ডেজের টেপ দিয়ে নিজের পায়ের পাতা ও আঙুল মুড়ে নেয়। পরে মজা করেই সেই টেপের ওপর আঁকে নাইকির বিখ্যাত 'সুইশ' লোগো। হয়তো তার কাছে সেটি ছিল একটি ছোট্ট হাসির বিষয়, কিন্তু পরে সেটিই হয়ে ওঠে সংগ্রাম আর স্বপ্নের বিশ্বজোড়া প্রতীক।

অনেকে ভেবেছিল, জুতো ছাড়া একটি শিশু আর কতটুকুই বা দৌড়াতে পারবে! কিন্তু রিয়া ট্র্যাকে নেমে সবাইকে ভুল প্রমাণ করে দেয়। প্রথমে ৪০০ মিটার দৌড়ে স্বর্ণপদক জিতে নেয়। এরপর ৮০০ মিটারেও প্রথম হয়। শেষ পর্যন্ত ১,৫০০ মিটার দৌড়েও সবার আগে ফিনিশিং লাইন অতিক্রম করে। এক প্রতিযোগিতায় তিনটি ইভেন্টে তিনটি স্বর্ণপদক যা সত্যিই অবি'শ্বাস্য।

আরও অবাক করা বিষয়, তখন রিয়া মাত্র এক মাস ধরে অ্যাথলেটিকসের প্রশিক্ষণ নিচ্ছিল। তার সাফল্যের পেছনে ছিল না দীর্ঘদিনের সুযোগ-সুবিধা, ছিল শুধু কঠোর পরিশ্রম, আ'ত্মবিশ্বাস এবং অদম্য ইচ্ছাশক্তি।

রিয়ার প্রশিক্ষক প্রেডিরিক ভ্যালেনজুয়েলা তার টেপে মোড়ানো পায়ের ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করলে মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষ রিয়ার গল্পে অনুপ্রাণিত হন। অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এসে তাকে দৌড়ের জুতো, মোজা এবং প্রয়োজনীয় ক্রীড়াসামগ্রী উপহার দেন। পরে জানা যায়, বিভিন্ন শুভাকাঙ্ক্ষীর কাছ থেকে রিয়া অন্তত ২২ জোড়া জুতো পেয়েছিল। তবে তার প্রশিক্ষকেরা শুধু রিয়ার জন্য নয়, একই দলের অন্যান্য সুবিধাবঞ্চিত ক্রীড়াবিদদের প্রতিও সহায়তার আহ্বান জানান।

রিয়ার গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেয় জী'বনে সফল হতে সবচেয়ে প্রয়োজন দামি সরঞ্জাম নয়, প্রয়োজন সাহস, অধ্যবসায় এবং নিজের স্বপ্নের প্রতি অটল বি'শ্বাস। কারণ, সীমাবদ্ধতা নয়, মানুষের মানসিক শক্তিই একদিন তাকে বিজয়ের মঞ্চে পৌঁছে দেয়।

তথ্যসূত্র — সোশ্যাল মিডিয়া

রাতে স্ত্রীকে ফোন করেছিলেন কিন্তু পরদিন সকালেই এল সেই ম/র্মা/ন্তি/ক খবর—আর কোনও দিন বাড়ি ফেরা হবে না তাঁর।রাতে স্ত্রীকে...
29/08/2026

রাতে স্ত্রীকে ফোন করেছিলেন কিন্তু পরদিন সকালেই এল সেই ম/র্মা/ন্তি/ক খবর—আর কোনও দিন বাড়ি ফেরা হবে না তাঁর।

রাতে স্ত্রীকে ফোন করেছিলেন। পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছিলেন প্রতিদিনের মতোই। কেউ ভাবতেও পারেনি, পরদিন সকালেই সেই ফোনের স্মৃ'তি হয়ে থাকবে শেষ কথা। কর্মরত অবস্থায় প্র'য়াত হন ভারতীয় সেনাবাহিনীর সুবেদার কানাই সরকার।

নদিয়ার শান্তিপুর থানার অন্তর্গত ডোমকিরা নিমতলা এলাকার বাসিন্দা কানাই সরকার প্রায় ২৬ বছর ধরে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে নিষ্ঠার সঙ্গে দেশসেবা করে আসছিলেন। বর্তমানে তিনি রাজস্থানের যোধপুরে কর্মরত ছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, সেদিন রাতে প্রতিদিনের মতো নিজের কক্ষে বিশ্রাম নিতে যান। কিন্তু পরদিন সকালে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকির পরও কোনও সাড়া না মেলায় সহকর্মীরা তাঁকে হা'সপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃ/ত বলে ঘোষণা করেন। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিকভাবে শারীরিক অ/সু/স্থ/তা/র কারণেই তাঁর মৃ/ত্যু হয়েছে।

এই খবর পৌঁছতেই ভে'ঙে পড়ে গোটা পরিবার। ছেলের ছবি বুকে জড়িয়ে কান্নায় ভে'ঙে পড়েন বৃদ্ধা মা। স্ত্রীর চোখে শুধু অশ্রু আর অবিশ্বাস। তিনি জানান, স্বামীর গু'রুতর শারীরিক অ/সু/স্থ/তা/র কথা আগে কখনও জানতে পারেননি। মৃ/ত্যু/র সঠিক কারণ জানার জন্য এখনও সরকারি রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে পরিবার।

কানাই সরকার রেখে গেলেন তাঁর স্ত্রী ঝুমা সরকার এবং দুই কন্যা সন্তানকে। দীর্ঘ ২৬ বছরের সেনাজীবনে তিনি দেশের নিরাপত্তার জন্য নিজের কর্তব্য পালন করেছেন নিষ্ঠার সঙ্গে। তাঁর ক'ফিনবন্দি দে/হ বাড়িতে পৌঁছাতেই ভে'ঙে পড়েছে তার পরিবার পরিজন এবং গোটা এলাকাবাসী।

দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করা প্রতিটি সেনাসদস্য আমাদের গর্ব। কানাই সরকারের এই অ'কাল প্র'য়াণে গভীর শো'ক প্রকাশ করছি। তাঁর বি'দেহী আ'ত্মার শা'ন্তি কামনা করি এবং শো'কসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি জানাই আন্তরিক সমবেদনা।

তথ্যসূত্র — সোশ্যাল মিডিয়া

ফ্যানভাত খেয়ে অনুশীলন! বিনা পারিশ্রমিকে ১৬ বছর ধরে ফুটবল শেখাচ্ছেন আদিবাসী গৃহবধূ, বদলে দিচ্ছেন বহু মেয়ের জী'বন!স্বপ্নট...
29/08/2026

ফ্যানভাত খেয়ে অনুশীলন! বিনা পারিশ্রমিকে ১৬ বছর ধরে ফুটবল শেখাচ্ছেন আদিবাসী গৃহবধূ, বদলে দিচ্ছেন বহু মেয়ের জী'বন!

স্বপ্নটা ছিল নিজের। কিন্তু সেই স্বপ্নকে তিনি আটকে রাখেননি নিজের মধ্যেই বরং ছড়িয়ে দিয়েছেন গ্রামের অসংখ্য মেয়ের জী'বনে।

বাঁকুড়ার ছাতনা ব্লকের দুমদুমি গ্রামের আদিবাসী গৃহবধূ ভারতী মুদি। ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার প্রতি ছিল তাঁর অদম্য ভালোবাসা। অ্যাথলেটিক্সে দক্ষ হলেও ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন সংসারের দায়িত্ব, আ'র্থিক সংকট এবং সামাজিক বাধার কাছে থেমে যায়। কিন্তু হার মানেননি তিনি।

২০০৯ সালে মেয়ে তানিয়া মুদির অনুপ্রেরণা এবং স্বামীর আ'র্থিক সহায়তায় শুরু করেন একটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যের ফুটবল প্রশিক্ষণ শিবির। আজ ১৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই প্রত্যন্ত গ্রামের আদিবাসী কিশোরীদের ফুটবল শেখাচ্ছেন তিনি।

বর্তমানে প্রায় ২৫ জন কিশোরী নিয়মিত তাঁর কাছে প্রশিক্ষণ নেয়। এই দীর্ঘ যাত্রায় তাঁর হাত ধরে অন্তত ১৮ জন ফুটবলার রাজ্যস্তরে খেলেছেন, অনেকেই জাতীয় স্তরেও নিজেদের প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছেন। তাঁর নিজের মেয়ে তানিয়াও আজ একজন সফল ফুটবল রেফারি।

তবে এই পথ মোটেও সহজ ছিল না। ফুটবল, বুট, জার্সিসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম জোগাড় করতে হয়েছে নিজের চেষ্টাতেই। কোনো সরকারি অনুদান ছাড়াই, শুধুমাত্র স্বামীর সহযোগিতা আর নিজের অদম্য ইচ্ছাশক্তিকে সঙ্গী করে এগিয়ে চলেছেন ভারতী মুদি।

তাঁর বিশ্বাস, ফুটবল শুধু একটি খেলা নয় এটি মেয়েদের আ'ত্মনির্ভরশীল হওয়ার শক্তিশালী মাধ্যম। তাঁর প্রশিক্ষণে গড়ে ওঠা অনেক মেয়ে আজ সরকারি চাকরিও পেয়েছেন।

সবচেয়ে আবেগের কথা শোনালেন তাঁর ছাত্রী মাম্পি বাউরি। তিনি বলেন, “আমরা অনেক সময় ফ্যানভাত খেয়েই অনুশীলন করেছি। কিন্তু বড়মা ভারতী মুদির উৎসাহ আমাদের কখনো হাল ছাড়তে দেয়নি।”

নিজে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে না পারলেও, আজ অসংখ্য আদিবাসী কন্যার স্বপ্নের কারিগর ভারতী মুদি। তাঁর একটাই লক্ষ্য এই গ্রামের কোনো এক মেয়ে একদিন ভারতের জার্সি গায়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে। আর সেই স্বপ্ন নিয়েই প্রতিদিন মাঠে নেমে চলেছেন এই অনন্য ল'ড়া'কু নারী।

তথ্যসূত্র — NEWS 18 বাংলা

অন্নপূর্ণার ৩ হাজার টাকা পেয়ে সরকারের কাছ থেকে সাহায্য পেয়ে সমাজের জন্য শ্রমদান পুরুলিয়ার এই দম্পতি।সরকারের দেওয়া আর্থি...
29/08/2026

অন্নপূর্ণার ৩ হাজার টাকা পেয়ে সরকারের কাছ থেকে সাহায্য পেয়ে সমাজের জন্য শ্রমদান পুরুলিয়ার এই দম্পতি।

সরকারের দেওয়া আর্থিক সাহায্য পেয়ে অনেকেই নিজের সংসারের প্রয়োজন মেটানোর কথা ভাবেন। কিন্তু পুরুলিয়ার হুড়ার আমলাতোড়া গ্রামের মমতা মাহাতো দেখিয়ে দিলেন, সাহায্য পাওয়ার পর সমাজকে কিছু ফিরিয়ে দেওয়ার মানসিকতাই হতে পারে সবচেয়ে বড় মানবিকতা।

সম্প্রতি অন্নপূর্ণা যোজনার ৩ হাজার টাকা পেয়েছেন মমতা মাহাতো। তাঁর মতো দ'রিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগে তিনি উপকৃত হয়েছেন। কিন্তু সেই সাহায্য পাওয়ার পর তাঁর মনে একটি অন্যরকম ভাবনা আসে। সরকার যখন তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে, তখন সমাজের জন্যও তাঁর কিছু করা উচিত।

আর সেই ভাবনা থেকেই হাতে কোদাল আর ময়লা ফেলার ধামা তুলে নেন মমতা। গত সোমবার সকালে নিজের গ্রামের আমলাতোড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পৌঁছে যান তিনি। স্কুলের নলকূপের আশপাশে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা আ'বর্জনা পরিষ্কার করতে শুরু করেন। যে নলকূপের জল প্রতিদিন স্কুলের পড়ুয়ারা ব্যবহার করে, সেই জায়গাটিকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন তিনি।

মমতার এই কাজে পাশে দাঁড়ান তাঁর স্বামী লেলিন মাহাতোও। স্ত্রীর হাতে কোদাল দেখে তিনিও আর বসে থাকেননি। দু’জনে মিলে পরিষ্কার করেন নলকূপের চারপাশের জমে থাকা আ'বর্জনা।

মমতা মাহাতোর সংসারে রয়েছেন তাঁর স্বামী, দুই মেয়ে এবং শ্বশুর-শাশুড়ি। বাড়িতেই রয়েছে ছোট একটি গ্যারেজ, যেটি দেখাশোনা করেন তাঁর স্বামী লেলিন। কিন্তু সংসারের অ'ভাব-অনটনের মধ্যেও সমাজের জন্য কিছু করার এই ইচ্ছাই আজ তাঁদের আলাদা করে চিনিয়েছে।

মমতার কথায়, অন্নপূর্ণা যোজনার মাধ্যমে তাঁদের মতো দ'রিদ্র মানুষের দিকে সরকার সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে। তাই সেই কৃতজ্ঞতা থেকেই তিনি একদিনের শ্রম সমাজের কাজে উৎসর্গ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, স্কুলের পড়ুয়ারা এই নলকূপের জল ব্যবহার করে। তাই জায়গাটি প'রিষ্কার থাকা অত্যন্ত জরুরি। তবে শুধু সাফাই কাজেই থেমে থাকেননি মমতা ও তাঁর স্বামী। ‘একটি গাছ মায়ের নামে’ কর্মসূচিতে তাঁরা একসঙ্গে বৃক্ষরোপণও করেন।

মমতার এই উদ্যোগে খুশি স্কুল কর্তৃপক্ষ থেকে শুরু করে গ্রামের মানুষ। স্কুলের প্রধান শিক্ষক কৃত্তিবাস মাহাতো জানিয়েছেন, নিয়মিত স্কুল চত্বর পরিষ্কার করা হলেও নলকূপটি নিচু জায়গায় থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই সেখানে আবর্জনা জমে যায়। এমন পরিস্থিতিতে এই দম্পতির উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।

মমতা মাহাতোর এই কাজ এখন সমাজমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়েছে। পুরুলিয়া জেলা প্রশাসনও তাঁর এই উদ্যোগকে কুর্নিশ জানিয়েছে। গ্রামের বাসিন্দা তুষারকান্তি মাহাতো ও শ্রীমন্ত মাহাতোর কথাতেও উঠে এসেছে একই আশা, অন্নপূর্ণা যোজনার উপভোক্তাদের আরও অনেকে যদি এভাবেই সমাজের কাজে এগিয়ে আসেন, তাহলে বদলে যেতে পারে গ্রামের চেহারা। বদলে যেতে পারে শহর, সমাজ।

কারণ সাহায্য পাওয়ার পর শুধু নিজের জন্য বাঁ'চা নয়, সেই সাহায্যের কৃতজ্ঞতা থেকে সমাজের জন্য একদিনের শ্রম দানও যে কতটা বড় হয়ে উঠতে পারে, মমতা মাহাতো ও লেলিন মাহাতো তারই এক অসাধারণ উদাহরণ।

তথ্যসূত্র — Aaj Bangla News

৬ বছর বয়সে বাবাকে হারিয়েছিল, পেটের টানে ক্যাটারিংয়ের কাজ করেছিল! করেছিল রাজমিস্ত্রির কাজও! মাধ্যমিকে ইংরেজিতে ৩২ আর অঙ...
29/08/2026

৬ বছর বয়সে বাবাকে হারিয়েছিল, পেটের টানে ক্যাটারিংয়ের কাজ করেছিল! করেছিল রাজমিস্ত্রির কাজও! মাধ্যমিকে ইংরেজিতে ৩২ আর অঙ্কে ৩০ পেয়েছিল বলে লোকে বলেছিল, ‘ফালতু সময় ন'ষ্ট না করে বাইরে খাটতে চলে যা।’
সমাজের এই তির'স্কা'র সহ্য করেও ছেলেটি আজ পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের গর্বিত সদস্য!

নদীয়া জেলার পালাশিপাড়া থানার রুদ্রনগর ঘোষপাড়ার এক দরিদ্র ঘরের ছেলে উৎপল ঘোষ। ছোটবেলাতেই তার জীবন তাকে শিখিয়ে দিয়েছিল, সুখ সবার কপালে সহজে জোটে না। ২০০৪ সালে, যখন তার বয়স মাত্র ৬ বছর, তখনই তার বাবা গত হন। সেই ছোট্ট বয়সে বাবাহা'রা সন্তান, পাশে দু’জন দিদি আর এক অসহায় মা। সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরোয়। ছিল না নিরাপত্তা, ছিল না স্বচ্ছলতা, ছিল শুধু অনিশ্চয়তা আর মায়ের চোখের জল। নিজের পেটে খিদে নিয়ে, ছেঁড়া আঁচলে চোখের জল মুছে মা শুধু একটা কথাই ভাবতেন, তার সন্তানদের মানুষ করবেন, পড়াশোনা শেখাবেন। অ'ভাব ছিল, ক/ষ্ট ছিল, কিন্তু সেই মায়ের বুকভরা আশা ছিল আরও বড়।

উৎপল যখন একটু বড় হলো, সে বুঝতে পারল মায়ের এই নীরব কান্না। সে বুঝে যায়, মায়ের এই নী'রব কান্না ঘোচাতে, তাকে ল'ড়তেই হবে। ২০১১-২০১২ সাল। দুই দিদির বিয়ে হয়ে গেল ঠিকই, কিন্তু রেখে গেল ঋণের এক বিশাল পাহাড়। উৎপলের স্বপ্ন ছিল, কিন্তু সংসারের বাস্তবতা সেই স্বপ্নকে বারবার আটকে দিয়েছে। বাধ্য হয়েই খুব অল্প বয়সেই উৎপলকে পড়াশোনা ছেড়ে হাতুড়ি ধরতে হলো। দিনে রাজমিস্ত্রির রোদে পোড়া কঠিন কাজ, আর রাতে পেটের টানে ক্যাটারিংয়ের কাজ।

মাধ্যমিকে ইংরেজিতে ৩২ আর অঙ্কে ৩০ নম্বর পেয়েছিল বলে অনেকেই বলেছিল, ‘ফালতু সময় ন'ষ্ট না করে বাইরে খাটতে চলে যা।’ সমাজের এই তি'রস্কার সহ্য করতে না পেরে উৎপল চলে গিয়েছিল ভিন রাজ্যে। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই যার র/ক্তে ল'ড়াই, সে কি এভাবে পালিয়ে বেড়াতে পারে? না বোধয়!

২০১৮ সালে উৎপল সিদ্ধান্ত নিল না, তাকে চাকরি পেতেই হবে। সে জানত, এত ক/ষ্ট, এত অ'প'মা'ন, এত অভাব সব কিছুর উত্তর একটাই, নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা। শূন্য থেকে আবার শুরু করল সে। চাকরির জন্য পড়াশোনা শুরু করল আবারো নতুন করে। প্রথমে কলকাতা পুলিশ পরীক্ষায় বসে মাত্র ২২ নম্বর পায়। ফেল।
তারপর বিএসএফ পরীক্ষায় পাস করেও উচ্চতার জন্য বাদ পড়ে যায়।

একটা মানুষের মন কতবার ভা'ঙ'তে পারে?
একটা স্বপ্ন কতবার ভে'ঙে আবার জোড়া লাগে?

উৎপলের মনও ভে'ঙেছিল। সে ভেবেছিল, হয়তো তার দ্বারা আর হবে না। হয়তো চাকরি তার জন্য নয়। কিন্তু ঠিক তখনই তার জী'বনের সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে পাশে দাঁড়ালেন তার মা। মা বললেন, “লাস্টবার, আর একবার চেষ্টা কর বাবা।” এই “আর একবার” কথাটাই বদলে দিল উৎপলের জী'বন।

সে আবার উঠে দাঁড়াল। ২০১৯ সালে ওয়েস্ট বেঙ্গল পুলিশ পরীক্ষায় ইন্টারভিউতে মাত্র ১.৫ নম্বরের জন্য বাদ গেল। আবার ব্যর্থতা। আবার ক/ষ্ট। আবার চোখের জল।
কিন্তু এবার সে থামেনি। ৩ মাস পেট্রোল পাম্পে কাজ করেছে, আর রাতে যতটা পেরেছে পড়েছে। ক্লান্ত শরীর, ঘুমহীন রাত, তবুও বুকের ভেতর একটাই আ/গু/ন, “আমাকে পারতেই হবে।”

আর সেই আ/গু/ন/ই একদিন আলো হয়ে ফিরল। ২০২০ সালে উৎপল ঘোষ ওয়েস্ট বেঙ্গল পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি পায়। যে ছেলেকে একদিন সবাই অ'বহেলা করেছিল, যে ছেলে দারিদ্র্য, অপমান, ব্যর্থতা আর অশ্রুর মধ্যে বড় হয়েছে, সেই ছেলেই আজ নিজের পরিবারকে ভালো রাখতে পেরেছে, নিজের মায়ের স্বপ্ন পূরণ করেছে। ২০২৫ সালে সে বিবাহও করেছে। আজ তার জী'বন শুধু সাফল্যের গল্প নয়, এটি এক মায়ের ত্যা'গের জয়, এক সন্তানের অদম্য ইচ্ছাশক্তির জয়।

উৎপল ঘোষ আমাদের শেখায়, ইংরেজি বা অঙ্কের কম নাম্বার তোমার ভবিষ্যৎ ঠিক করে না, তোমার পরিশ্রম ঠিক করে তুমি কোথায় পৌঁছাবে। দারিদ্র্য অপরাধ নয়, ব্যর্থতা শেষ নয়, আর মানুষের কথা কখনোই তোমার ভবিষ্যৎ ঠিক করে না। যদি তোমার ইচ্ছা সত্যি হয়, যদি তোমার ল'ড়াই থেমে না যায়, তাহলে একদিন তুমিও জিতবে। কারণ সাফল্য তাদেরই আসে, যারা হাজারবার পড়ে গিয়েও হাজার একবার উঠে দাঁড়ায়।

✍🏻— অমিত কুমার সিংহ ( অমিত বাবু )

( বি:দ্র — ক্রেডিট ছাড়া তথ্য কপি করে নিজের নামে চালিয়ে দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া )

29/08/2026

কোচবিহারের গারোপাড়া থেকে ব্যাঙ্গালোরের ফাইভ স্টার হোটেলে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এক্সিকিউটিভ শেফ। একটা সময় বাবা বলেছিলেন, এখনে তুমি আমার ছেলে নও; তুমি আমার জুনিয়র কর্মী।

28/08/2026

350K ফলোয়ার্স অর্জনের জন্য The Cob Untold -কে শুভেচ্ছা বার্তা জানালেন নোংরা সুশান্ত। অনেক অনেক ধন্যবাদ সকলকে। এভাবে পাশে থাকবেন এগিয়ে যাওয়ার সাহস দিবেন।

কোচবিহারের সিকিউরিটি গার্ডের মেয়েটাই আজ দেশের গর্ব হয়ে উঠেছে। বাবা রাতের পর রাত পাহারায় ছিলেন দিনের আলোয় গড়ে তুললেন...
28/08/2026

কোচবিহারের সিকিউরিটি গার্ডের মেয়েটাই আজ দেশের গর্ব হয়ে উঠেছে। বাবা রাতের পর রাত পাহারায় ছিলেন দিনের আলোয় গড়ে তুললেন এক চ্যাম্পিয়ন।

কোচবিহারের সিকিউরিটি গার্ডের মেয়েটাই বিশ্বজোড়া দেশের হয়ে পুরস্কার প্রাপ্ত। পেয়েছেন সেরা কন্যাশ্রী পুরস্কারও। যেখানে অর্থের অভাব, সেখানে ইচ্ছাশক্তি সবচেয়ে বড় সম্পদ।

হ্যাঁ আজ আমরা এমন এক গল্প বলবো, যে গল্প একই সঙ্গে বাবা ও মেয়ের ল'ড়াইয়ের।

কোচবিহারের টাকাগাছ দর্জিপাড়ার নতুন পল্লীর মেয়েটা আজ দেশের গর্ব হয়ে উঠেছে। একসময় যে বীথিকা রায়কে কেউ চিনত না, আজ সে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের পতাকা উড়িয়েছে, ভারতকে গর্বিত করেছে।
কিন্তু এই জয় তার একার নয়, এর প্রতিটি ঘামবিন্দুর সাক্ষী তার বাবা, যিনি দিনের বেলায় তাকে তৈরি করেছেন, আর রাতের অন্ধকারে নিজের পরিবারের জন্য ল'ড়াই করেছেন।

বীথিকা যখন ছোট ছিল, তখন থেকেই তার বাবা তাকে মাঠে নিয়ে যেতেন। নিজে সিকিউরিটির কাজ করতেন রাতে, আর সকাল হলেই মেয়ের হাত ধরতেন স্টেডিয়ামের পথে। তিনি জানতেন, টাকা নেই, সুযোগ নেই, কিন্তু ল'ড়াইয়ের ইচ্ছেটা আছে। আর সেই ইচ্ছার আ'গু'নে'ই গড়ে উঠল এক চ্যাম্পিয়ন।

প্রথমে ক্যারাটে শেখা, তারপর আ'ত্মরক্ষার পাঠ। আর সেই আ'ত্মরক্ষার অনুশীলনই তাকে পৌঁছে দিল জেলা, রাজ্য, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায়। ছোট্ট শহরের মেয়ে থেকে দেশের নামকরা খেলোয়াড় হয়ে ওঠার এই যাত্রা সহজ ছিল না।

স্কুল গেমস থেকে শুরু করে ন্যাশনাল শুটিং ফেডারেশন কাপ—বীথিকা নিজের একাগ্রতা ও পরিশ্রম দিয়ে প্রমাণ করেছে, "ইচ্ছাশক্তির কাছে সমস্ত বাধাই তুচ্ছ!"
২০১৭-২০১৯: স্কুল গেমসে টানা তিন বছর গোল্ড মেডেল!
২০২৩ এ 'সেরা কন্যাশ্রী' সম্মান অর্জন।
২০২৪ এ নেপালে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় রৌপ্য পদক। এবং ২০২৪ এই জাতীয় ক্যারাটে প্রতিযোগিতায় ব্রোঞ্জ মেডেল! ২০২৫ এ ন্যাশনাল শুটিং ফেডারেশন কাপে অংশগ্রহণের সুযোগ। এই প্রতিটা পদকই কেবল একটা ধাতুর টুকরো নয়, বরং তার বাবার ঘামের মূল্য, তার নিজের নিরলস পরিশ্রমের ফল।

বীথিকার বাবা বিশু রায় নিজেও ছিলেন এক প্রতিভাবান খেলোয়াড়। কিন্তু টাকার অভাবে তার স্বপ্ন থেমে যায়, বিদেশ থেকে ডাক পেলেও যেতে পারেননি। কিন্তু তিনি ঠিক করেছিলেন, নিজের স্বপ্ন যদি পূরণ করতে না পারেন, তবে মেয়েকে দিয়ে সেই স্বপ্ন সত্যি করবেন।
আর তাই নিজের অপূর্ণ স্বপ্ন একটু একটু করে বুনে দিতেন নিজের মেয়ের মধ্যে।

তিনি একসময় মাত্র ৫ টাকার বিনিময়ে ক্যারাটে শেখাতেন, যাতে অন্যদেরও স্বপ্ন দেখা শিখতে পারেন। আজ তার অনেক ছাত্রছাত্রী সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিএসএফ-এ কর্মরত। কিন্তু সবচেয়ে বড় গর্ব তার মেয়ে বীথিকা রায়। যে নিজের দক্ষতায় আজ দেশের জন্য সোনা ছিনিয়ে এনেছে। বীথিকার বাবা চান, যেন সমাজের প্রতিটি প্রতিভাবান ছাত্র-ছাত্রীর জন্য সরকার এগিয়ে আসে, টাকার অভাবে যেন কোনো স্বপ্ন থেমে না যায়, সুযোগের অভাবে যেন কেউ পিছিয়ে না পড়ে।

বীথিকার গল্প শুধুমাত্র তার নিজের নয়, এটি প্রতিটি মধ্যবিত্ত পরিবারের ল'ড়াই। যেখানে এক বাবা নিজের স্বপ্ন জলাঞ্জলি দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করেন। সত্যি তো, আজ যেখানে সমাজের একশ্রেণীর মানুষ কন্যা সন্তান হলে দু'শ্চি'ন্তায় মুখ ভার করে থাকেন। সেই যুগে দাঁড়িয়েই বিতিকার বাবা যেন প্রমাণ করে দিয়েছেন না মেয়েরাও কম নয়। তাদের পাশে দাঁড়ালে ছেলেদের মত তাদেরকে সুযোগ দিলে হ্যাঁ তারাও অনেক কিছু করতে পারে। পাইলট হতে পারে, সেনাবাহিনী হতে পারে, এভারেস্ট জয় করতে পারি হ্যাঁ দেশের হয়ে সোনা ছিনিয়েও আনতে পারে।

আর আজ সেই বাবা গর্ব করে বলতে পারেন, "আমি শুধু একজন সিকিউরিটি গার্ড নই, আমি একজন চ্যাম্পিয়নের চাম্পিয়ান মেয়ের চাম্পিয়ান বাবা!"

The cob Untold এর পক্ষ থেকে বীথিকাকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই, আপনার আগামী জী'বন আরো সাফল্যে ভরে উঠুক।

✍🏻— অমিত কুমার সিংহ ( অমিত বাবু )

( বি:দ্র — ক্রেডিট ছাড়া তথ্য কপি করে নিজের নামে চালিয়ে দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া )

Address

Cooch Behar
DINHATA

Telephone

+916295286636

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Cob untold posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to The Cob untold:

Shortcuts

Share

Category