GEMS Academy

GEMS Academy we are analyst's to any Business , craft & Creative thoughts.

শুক্র গ্রহসূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে সৌরজগতের দ্বিতীয় ।শুক্র গ্রহ (ইংরেজি: Venus) হল সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে স...
31/08/2026

শুক্র গ্রহ
সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে সৌরজগতের
দ্বিতীয় ।

শুক্র গ্রহ (ইংরেজি: Venus) হল সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে সৌরজগতের দ্বিতীয় গ্রহ। এই পার্থিব গ্রহটিকে অনেক সময় পৃথিবীর "বোন গ্রহ" বলে আখ্যায়িত করা হয়, কারণ পৃথিবী এবং শুক্রের মধ্যে গাঠনিক উপাদান এবং আচার-আচরণে বড় রকমের মিল রয়েছে। এই গ্রহটি যখন সকালের আকাশে উদিত হয় তখন একে শুকতারা এবং যখন সন্ধ্যার আকাশে উদিত হয় তখন একে সন্ধ্যাতারা বলে ডাকা হয়ে থাকে। এর কোনও উপগ্রহ নাই। এর আসল রঙ হল ফ্যাকাশে হলুদ। ঘন সালফিউরিক অ্যাসিড মেঘের আবরণে সূর্যালোক প্রতিফলিত হওয়ার কারণে এটি মানুষের চোখে কমলা রঙের দেখায়।শুক্র গ্রহ সূর্য থেকে দ্বিতীয় গ্রহ। আকার এবং ভরের দিক থেকে পৃথিবীর অনুরূপ হলেও, শুক্র গ্রহে কোনো তরল জল নেই এবং এর বায়ুমণ্ডল সৌরজগতের অন্য যেকোনো পাথুরে বস্তুর তুলনায় অনেক বেশি পুরু এবং ঘন। বায়ুমণ্ডলটি প্রধানত কার্বন ডাই অক্সাইড দ্বারা গঠিত এবং এর উপর সালফিউরিক অ্যাসিডের একটি পুরু মেঘের স্তর রয়েছে যা পুরো গ্রহ জুড়ে বিস্তৃত। গড় পৃষ্ঠতলে, বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা ৭৩৭ কেলভিন (৪৬৪ °সেলসিয়াস; ৮৬৭ °ফারেনহাইট) এবং চাপ সমুদ্রপৃষ্ঠে পৃথিবীর চাপের চেয়ে ৯২ গুণ বেশি হয়, যা বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তরকে একটি সুপারক্রিটিক্যাল তরলে পরিণত করে। পৃথিবী থেকে, শুক্র গ্রহকে একটি তারার মতো আলোর বিন্দু হিসাবে দেখা যায়, যা আকাশের অন্য যেকোনো প্রাকৃতিক আলোর বিন্দুর চেয়ে উজ্জ্বল, হয় সবচেয়ে উজ্জ্বল "ভোরের তারা" বা "সন্ধ্যার তারা" হিসাবে।

***
শুক্র গ্রহের বাংলা নাম এসেছে অসুরদের গুরু ও রক্ষক শুক্রাচার্য থেকে, এবং শুক্রাচার্য এর দিন হিসেবে এসেছে শুক্রবার।

শুক্র গ্রহের লাতিন নামকরণ করা হয়েছে রোমান প্রেমের দেবী ভিনাস (Venus, লাতিনে: উয়েনুস্‌, ইংরেজিতে: ভীনাস্‌) নামানুসারে। পৌরাণিক কাহিনীতে ভেনাস (গ্রিকঃ এফ্রোদিতি, বাংলা শুক্র) ভালকানের স্ত্রী এবং দেবপুত্র কিউপিড ও দৈনিয়্যাসের মাতা। বর্তমানে শুক্রের বিশেষণ হিসেবে ইংরেজিতে ভেনুশিয়ান (Venusian) শব্দটি ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এর লাতিন বিশেষণ হচ্ছে উয়েনেরেয়াল্‌ (Venereal), ইংরেজি উচ্চারণে ভেনিরিয়্যাল্‌ যা আধুনিক ইংরেজি ভাষায় যৌনরোগ বোধক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই জন্য ভেনিরিয়্যাল শব্দটি এর বিশেষণ হিসেবে এখন ব্যবহৃত হয় না। অনেক জ্যোতির্বিজ্ঞানী এই গ্রহের নামের বিশেষণ হিসেবে সিথারিয়ান (Cytherean) শব্দটি ব্যবহার করেন যা গ্রিক পুরাণে উল্লেখিত দেবী আফ্রোদিতির অপর নাম সিথারিয়া থেকে এসেছে। এছাড়া আরও কয়েকটি বিশেষণ হচ্ছে: ভেনারিয়ান (Venerean, Venarian), ভেনারান (Veneran) ইত্যাদি।

চৈনিক, জাপানি, কোরিয় এবং ভিয়েতনামিজ সংস্কৃতিতে এই গ্রহের নাম বলা হয় ধাতব তারা যা পৃথিবী সৃষ্টিকারী পাঁচটি মৌলিক উপাদানের নাম থেকে উৎসারিত।

***
কক্ষপথ
সব গ্রহের কক্ষপথ উপবৃত্তাকার হলেও শুক্রের কক্ষপথ প্রায় গোলাকার। এর উৎকেন্দ্রিকতা শতকরা এক ভাগেরও কম। যেহেতু সূর্য থেকে শুক্রের দূরত্ব পৃথিবীর চেয়ে কম, সেহেতু পৃথিবীর দিক থেকে সূর্য উদিত হয় (সূর্যের বৃহত্তম প্রতান হচ্ছে ৪৭.৮ ডিগ্রী) শুক্রও প্রায় একই দিক থেকে উদিত হয়। এজন্য এই গ্রহটিকে কেবল সূর্যোদয়ের কয়েক ঘণ্টা আগে এবং সূর্যাস্তের কয়েক ঘণ্টা পরে দেখা যায়। অবশ্য যখন শুক্র তার উজ্জ্বলতম অবস্থায় থাকে তখন দিনের বেলায়ও একে দেখা যায়। আসলে চাঁদ ছাড়া শুক্র গ্রহই একমাত্র জ্যোতিষ্ক যা পৃথিবীর আকাশ থেকে রাত এবং দিন উভয় সময়েই দেখা যায়। অবশ্য ক্ষেত্রবিশেষে কিছু নবতারা রাত ও দিন উভয় সময়ে দেখা যায়। যেমন, কাঁকড়া নীহারিকা সৃষ্টিকারী নবতারা। যাহোক অন্ধাকার আকাশে দৃশ্যমান শুক্র গ্রহ দেখাতে অনেকটাই তারার মত জ্বলজ্বলে হয়ে থাকে।

পরপর দুটি সর্বোচ্চ প্রতানের মধ্যবর্তী চক্রটির সময়কাল ৫৮৪ দিন। এই ৫৮৪ দিন পর শুক্র গ্রহকে পূর্বে যে অবস্থানে দেখা যেত তার সাথে ৭২ ডিগ্রী কোণ করে অবস্থান করতে দেখা যায়। যেহেতু ৫ * ৫৮৪ = ২৯২০ = ৮ * ৩৬৫ সেহেতু দেখা যাচ্ছে শুক্র গ্রহ প্রতি ৮ বছর পরপর (লীপ ইয়ারের দুই দিন বাদে) তার আগের অবস্থানে ফিরে আসে। এই চক্রটি প্রাচীন গ্রিক সভ্যতায় সোথিক্‌স চক্র নামে পরিচিত ছিল এবং মায়া সভ্যতার নিকটও তা সুপরিচিত ছিল। চাঁদের সাথেও এর একটি সম্পর্ক রয়েছে, যেমন: ২৯.৫ * ৯৯ = ২৯২০.৫; অর্থাৎ এই সময়কালটি প্রায় ৯৯ টি চন্দ্রমাসের সমান।

গ্রহটির অন্তঃসংযোগের সময় শুক্র অন্য যেকোন গ্রহের তুলনায় পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটে আসে; তখন এ থেকে পৃথিবীর দূরত্ব হয় চাঁদ থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্বের প্রায় ১০০ গুণ। ১৮০০ সালের পর থেকে শুক্র গ্রহ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে পৌঁছেছিল ১৮৫০ সালের ১৬ ডিসেম্বর তারিখে। তখন তাদের মধ্যে দূরত্ব ছিল: ০.২৬৪১৩৮৫৪ জ্যোতির্বিজ্ঞান একক = ৩৯,৫৪১,৮২৭ কিলোমিটার। ২১০১ সালের ডিসেম্বর ১৬ তারিখের পূর্ব পর্যন্ত এটিই হবে শুক্র থেকে পৃথিবীর সর্বনিম্ন দূরত্ব। উক্ত তারিখে গ্রহদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব দাড়াবে ০.২৬৪৩১৭৩৬ জ্যোতির্বিজ্ঞান একক = ৩৯,৫৪১,৫৭৮ কিলোমিটার।

ঘূর্ণন
সম্পাদনা
শুক্রের প্রতীপ গতি বেশ ধীর, এটি পূর্ব থেকে পশ্চিমে ঘুরে যেখানে অন্যান্য অধিকাংশ গ্রহই পশ্চিম থেকে পূর্বে ঘুরে থাকে। অবশ্য প্লুটো এবং ইউরেনাস গ্রহেরও প্রতীপ গতি রয়েছে। শুক্রের এই ধীর প্রতীপ গতির কারণ হিসেবে ধরা হয়, জোয়ার বল, ঘর্ষণ এবং শুক্রের পুরু পরিবেশ সূর্যের মাধ্যমে অতি উত্তপ্ত হওয়া। যদি শুক্র থেকে সূর্য দেখা যেত তবে শুক্রের আকাশে তা পশ্চিম দিকে উদিত হয়ে পূর্বে অস্ত যেত। এর আহ্নিক গতি হচ্ছে পৃথিবীর ১১৬.৭৫ দিনের সমান এবং একটি শুক্রীয় বছরের স্থায়িত্বকাল হচ্ছে ১.৯২ শুক্রীয় দিবস।

একবার সম্পূর্ণভাবে নিজের কক্ষপথ বেয়ে সূর্যকে পরিভ্রমণ করতে শুক্র গ্রহের সময় লাগে ২২৫ দিন। শুক্র তার নিজ অক্ষে ঘোরে খুব ধীরগতিতে। শুক্রের ব্যাস ১২,১০৪ কিলোমিটার এবং ঘনত্ব ৫.০৬। এর মুক্তিবেগ প্রতি সেকেন্ডে ৬.৫ মাইল। শুক্রগ্রহের উল্লেখযোগ্য কোনো চৌম্বকক্ষেত্র নেই। এই গ্রহের আবহমন্ডলের প্রায় সবটাই কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস। এখানে মাত্র ০.৪ ভাগ অক্সিজেন গ্যাস রয়েছে। শুক্র গ্রহে কিছু নাইট্রোজেন,হাইড্রোজেন, অ্যামোনিয়া এবং নামমাত্র জলীয়বাষ্পের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।

এখন পর্যন্ত শুক্রগ্রহের খবরাখবর জানার জন্য বহু মহাকাশযান পাঠানো হয়েছে মহাকাশে। তাদের মধ্যে পাইওনিয়ার, ভেনাস-১ ও ভেনাস-২ এবং ভেনেরা ১১ থেকে ১৪ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাইয়োনিয়ার মহাকাশযান শুক্রগ্রহের কাছ থেকে এমন সব ছবি তুলেছে যা থেকে শুক্রগ্রহে বিশাল পাহাড়, সমতলভূমি ও অনেক আগ্নেয়গিরি রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন। শুক্র গ্রহের মোটামুটি একটা মানচিত্র পাইওনিয়ারের সূক্ষ জরিপের ফলে তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।এছাড়া ভেনেরা-১১, শুক্র গ্রহের উপর নেমেছিল ১৯৭৮ সালর ২৫ ডিসেম্বর তারিখে। শুক্র গ্রহের অনেক ছবি পাঠিয়েছে এই মহাকাশযান। ভেনেরা-১৪ ও ১৫ শুক্র গ্রহে নেমে চমৎকার রঙিন ছবি পাঠিয়েছে পৃথিবীতে। অবশ্য এর আগে ১৯৬৬ সালের মার্চ মাসে ভেনাস-৩ শুক্রের উপরিভাগে বিধ্বস্ত হয়। বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন শুক্রগ্রহে প্রাণের কোনো অস্তিত্ব নেই।

Art of sudarshan sutradhar.
21/08/2026

Art of sudarshan sutradhar.

JION US FREE GEOGRAPHY ONLINE CLASS.
20/08/2026

JION US FREE GEOGRAPHY ONLINE CLASS.

20/08/2026
20/08/2026

বৃহস্পতি গ্রহ সম্পর্কিত তথ্য:-
সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে পঞ্চম এবং আকার আয়তনের দিক দিয়ে সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ.

***বৃহস্পতি গ্রহ (ইংরেজি: Jupiter জূপিটার্‌, আ-ধ্ব-ব: ˈdʒu:.pɪ.tə(ɹ)) সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে পঞ্চম এবং আকার আয়তনের দিক দিয়ে সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ। বৃহস্পতি ব্যতীত সৌর জগতের বাকি সবগুলো গ্রহের ভরকে একত্র করলে বৃহস্পতির ভর তা থেকে আড়াই গুণ বেশি হবে। বৃহস্পতিসহ আরও তিনটি গ্রহ অর্থাৎ শনি, ইউরেনাস এবং নেপচুনকে একসাথে গ্যাস দানব বলা হয়। এই চারটির অপর জনপ্রিয় নাম হচ্ছে জোভিয়ান গ্রহ বা বার্হস্পত্য গ্রহ। জোভিয়ান শব্দটি জুপিটার শব্দের বিশেষণ রূপ। জুপিটারের গ্রিক প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় জিউস। এই জিউস থেকেই জেনো- মূলটি উৎপত্তি লাভ করেছে। এই মূল দ্বারা বেশ কিছু জুপিটার তথা বৃহস্পতি গ্রহ সংশ্লিষ্ট শব্দের সৃষ্টি হয়েছে। যেমন: জেনোগ্রাফিক। পৃথিবী থেকে দেখলে বৃহস্পতির আপাত মান পাওয়া যায় ২.৮। এটি পৃথিবীর আকাশে দৃশ্যমান তৃতীয় উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক। কেবল চাঁদ এবং শুক্র গ্রহের উজ্জ্বলতা এর থেকে বেশি। অবশ্য কক্ষপথের কিছু বিন্দুতে মঙ্গল গ্রহের উজ্জ্বলতা বৃহস্পতির চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। সুপ্রাচীনকাল থেকেই গ্রহটি জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও জ্যোতিষীদের কাছে পরিচিত ছিল। বিভিন্ন সংস্কৃতির প্রচুর পৌরাণিক কাহিনী এবং ধর্মীয় বিশ্বাসও আবর্তিত হয়েছে বৃহস্পতিকে কেন্দ্র করে। রোমানরা গ্রহটির নাম রেখেছিল পৌরাণিক চরিত্র জুপিটারের নামে। জুপিটার রোমান পুরাণের প্রধান দেবতা। এই নামটি প্রাক-ইন্দো-ইউরোপীয় ভোকেটিভ কাঠামো থেকে এসেছে যার অর্থ ছিল আকাশের পিতা।

***বৃহস্পতি গ্রহের প্রাথমিক উপাদান হচ্ছে হাইড্রোজেন এবং সামান্য পরিমাণ হিলিয়াম। এতে অপেক্ষাকৃত ভারী মৌলসমূহ দ্বারা গঠিত একটি কেন্দ্রও থাকতে পারে। খুব দ্রুত ঘূর্ণনের কারণে এর আকৃতি হয়েছে কমলাকৃতির গোলকের মত, বিষুবের নিকটে ক্ষুদ্র কিন্তু চোখে পড়ার মত উল্লেখযোগ্য একটি স্ফীতি অংশ রয়েছে। বাইরের বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন অক্ষাংশে বিভিন্ন ব্যান্ডে বিভক্ত যেগুলো বেশ সহজেই চোখে পড়ে। এ কারণে একটি ব্যান্ডের সাথে অন্য আরেকটি ব্যান্ডের সংযোগস্থলে ঝড়-ঝঞ্ঝাপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করে। এ ধরনের পরিবেশের একটি অন্যতম ফলাফল হচ্ছে মহা লাল বিন্দু (great red spot)। এটি মূলত একটি অতি শক্তিশালী ঝড় যা সপ্তদশ শতাব্দী থেকে একটানা বয়ে চলেছে বলে ধারণা করা হয়। গ্রহটিকে ঘিরে এবটি দুর্বল গ্রহীয় বলয় এবং শক্তিশালী ম্যাগনেটোস্ফিয়ার রয়েছে। সর্বশেষ তথ্য মতে, বৃহস্পতির রয়েছে ৯৫টি উপগ্রহ, যাদের মধ্যে ৪টি উপগ্রহ বৃহৎ আকৃতির। এই চারটিকে গ্যালিলীয় উপগ্রহ বলা হয়। কারণ ১৬১০ সালে গ্যালিলিও প্রথম এই চারটি উপগ্রহ আবিষ্কার করেছিলেন। সর্ববৃহৎ উপগ্রহ গ্যানিমেডের আকৃতি বুধ গ্রহের চেয়েও বেশি। বিভিন্ন সময় বৃহস্পতি গবেষণার উদ্দেশ্যে মহাশূন্য অভিযান প্রেরিত হয়েছে। পাইওনিয়ার এবং ভয়েজার প্রোগ্রামের মহাশূন্যযানসমূহ এর পাশ দিয়ে উড়ে গেছে। এর পরে গ্যালিলিও অরবিটার প্রেরিত হয়েছে। সবশেষে প্রেরিত অভিযানের নাম নিউ হরাইজন্‌স যা মূলত প্লুটোর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছে। ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এটি বৃহস্পতির নিকট দিয়ে গেছে। পরবর্তীতে ইউরোপা উপগ্রহের উদ্দেশ্যে অভিযান পাঠানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

***নাম এবং প্রতীক:
প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সভ্যতায়, বৃহস্পতিকে (Jupiter) দেবতার প্রধান দেবতার নামে নামকরণ করা হয়েছিল: গ্রিকদের কাছে এটি জিউস (Zeus) এবং রোমানদের কাছে বৃহস্পতি (Jupiter)।[৮] 1976 সালে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান সংস্থা (International Astronomical Union) আনুষ্ঠানিকভাবে এই গ্রহের নাম বৃহস্পতি (Jupiter) হিসেবে নির্ধারণ করে এবং এর পর থেকে নতুনভাবে আবিষ্কৃত উপগ্রহগুলোর নাম রাখা হয়েছিল দেবতার প্রেমিক, প্রিয়জন এবং বংশধরদের নামে।
***বৃহস্পতির গ্রহচিহ্ন, ♃, একটি গ্রিক জেটা (ζ) থেকে উদ্ভূত, যার উপর অনুভূমিক রেখা ⟨Ƶ⟩ রয়েছে, যা জিউসের (Zeus) সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

***ল্যাটিনে, Iovis হল Iuppiter-এর জেনিটিভ রূপ, অর্থাৎ বৃহস্পতি (Jupiter)। এটি জিউস (Zeus) শব্দের উৎপত্তি ('আকাশ পিতা') সঙ্গে সম্পর্কিত। ইংরেজি সমতুল্য Jove, প্রায় ১৪শ শতাব্দীতে কবিতায় গ্রহের নাম হিসেবে ব্যবহৃত হতে শুরু করে।

***Jovian হল বৃহস্পতির বিশেষণ রূপ। মধ্যযুগীয় জ্যোতিষশাস্ত্রে ব্যবহৃত পুরনো বিশেষণ jovial এখন 'সুখী' বা 'উল্লসিত' অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা জ্যোতিষশাস্ত্রে বৃহস্পতির প্রভাবের সঙ্গে যুক্ত মনোভাব নির্দেশ করে।

মৌলিক গ্রিক দেবতা জিউস (Zeus) থেকে zeno- মূলটি এসেছে, যা বৃহস্পতির সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু শব্দ গঠনের জন্য ব্যবহৃত হয়,
বৃহস্পতি চারটি বৃহৎ গ্যাসীয় দানবের একটি, অর্থাৎ এটি প্রাথমিকভাবে কঠিন পদার্থ দ্বারা গঠিত নয়। সৌর জগতের বৃহত্তম এই গ্রহটির ব্যাস বিষুবরেখা বরাবর ১৪২,৯৮৪ কিমি। এর ঘনত্ব ১.৩২৬ গ্রাম/সেমি³ যা গ্যাসীয় দানবগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। অবশ্য পার্থিব যেকোন গ্রহ থেকে এর ঘনত্ব কম। গ্যাসীয় দানবগুলোর মধ্যে নেপচুনের ঘনত্ব সর্বোচ্চ।

***গাঠনিক উপাদান:-
বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলের উর্দ্ধাংশের গাঠনিক উপাদানের মধ্যে রয়েছে পরমাণু সংখ্যার দিক দিয়ে ৯৩% হাইড্রোজেন ও ৭% হিলিয়াম। আর গ্যাস অণুসমূহের ভগ্নাংশের দিক দিয়ে ৮৬% হাইড্রোজেন ও ১৩% হিলিয়াম। ডানের ছকে পরিমণগুলো দেয়া আছে। হিলিয়াম পরমাণুর ভর যেহেতু হাইড্রোজেন পরমাণুর ভরের চারগুণ সেহেতু বিভিন্ন পরমাণুর ভরের অনুপাত বিবেচনায় আনা হলে শতকরা পরিমাণটি পরিবর্তিত হয়। সে হিসেবে বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলের গাঠনিক উপাদানের অনুপাতটি দাড়ায় ৭৫% হাইড্রোজেন, ২৪% হিলিয়াম এবং বাকি ১% অন্যান্য মৌল। অন্যদিকে অভ্যন্তরভাগ খানিকটা ঘন। এ অংশে রয়েছে ৭১% হাইড্রোজেন, ২৪% হিলিয়াম এবং ৫% অন্যান্য মৌল। এছাড়া বায়ুমণ্ডল গঠনকারী অন্যান্য মৌলের মধ্যে রয়েছে # # #

19/08/2026

GEMS ACADEMY'S ONLINE CLASS START VERY SOON.

শনি হল সূর্য থেকে দূরত্বের নিরিখে ষষ্ঠ গ্রহ এবং বৃহস্পতির পরই সৌরজগতের দ্বিতীয়-বৃহত্তম গ্রহ। এটি একটি গ্যাসীয় দৈত্য, য...
18/08/2026

শনি হল সূর্য থেকে দূরত্বের নিরিখে ষষ্ঠ গ্রহ এবং বৃহস্পতির পরই সৌরজগতের দ্বিতীয়-বৃহত্তম গ্রহ। এটি একটি গ্যাসীয় দৈত্য, যার ব্যাসার্ধ পৃথিবীর ব্যাসার্ধ থেকে প্রায় নয় গুণ বেশী। শনি গ্রহের গড় ঘনত্ব অবশ্য পৃথিবীর গড় ঘনত্বের এক-অষ্টমাংশ। কিন্তু এই গ্রহের বৃহত্তর আয়তনের জন্য এটি পৃথিবীর তুলনায় ৯৫ গুণ বেশি ভারী। শনি গ্রহের বাংলা নামটি এসেছে হিন্দু গ্রহদেবতা শনির নাম থেকে। অন্যদিকে ইংরেজি নাম স্যাটার্ন এসেছে রোমান ধনসম্পদ ও কৃষিদেবতা স্যাটার্নের নাম থেকে এবং শনির জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক চিহ্নটি (♄) উক্ত রোমান দেবতার কাস্তের প্রতীক।

শনির অভ্যন্তরীণ অংশটি সম্ভবত লোহা-নিকেলের একটি কেন্দ্রস্থল ও পাথর (সিলিকন ও অক্সিজেন যৌগ) দ্বারা গঠিত। এই কেন্দ্রস্থলটিকে ঘিরে রয়েছে ধাতব হাইড্রোজেনের একটি গভীর স্তর, তরল হাইড্রোজেন ও তরল হিলিয়ামের একটি মধ্যবর্তী স্তর এবং সর্বোপরি একটি গ্যাসীয় বহিঃস্তর। বায়ুমণ্ডলের উপরিতলে অ্যামোনিয়া কেলাসের উপস্থিতির জন্য শনি গ্রহের রং একটি ফিকে হলুদ। ধাতব হাইড্রোজেনের মধ্যে প্রবহমান তড়িৎ প্রবাহটিকে শনির গ্রহগত চৌম্বক ক্ষেত্রের উৎস মনে করা হয়। এই চৌম্বক ক্ষেত্রটি পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের তুলনায় দুর্বল হলেও শনির বৃহত্তর আকারের জন্য এটির চৌম্বক মুহুর্ত পৃথিবীর তুলনায় ৫৮০ গুণ বেশি। শনির চৌম্বক ক্ষেত্রের শক্তি বৃহস্পতির কুড়িভাগের প্রায় একভাগ। গ্রহের বহিঃস্থ বায়ুমণ্ডল সাধারণভাবে বৈশিষ্ট্যহীন ও বৈচিত্র্যহীন। যদিও কিছু দীর্ঘস্থায়ী বৈশিষ্ট্যেরও উদ্ভব ঘটে থাকে। শনি গ্রহে বায়ুপ্রবাহের গতি ১,৮০০ কিমি/ঘ (১,১০০ মা/ঘ; ৫০০ মি/সে) পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যা বৃহস্পতির বায়ুপ্রবাহের গতির থেকে বেশি হলেও নেপচুনের বায়ুপ্রভাবের গতির মতো অধিক মাত্রার নয়।

শনির সবচেয়ে বিখ্যাত বৈশিষ্ট্য হল এই গ্রহের সুস্পষ্টভাবে দৃশ্যমান বলয় ব্যবস্থা। মূলত বরফ কণা দিয়ে গঠিত এই বলয়গুলিতে তুলনামূলকভাবে অল্প পরিমাণে পাথুরে ভগ্নাবশেষ ও ধূলিও রয়েছে। অন্তত ৮২ টি। এর মধ্যে ২৯ টির নামকরণ করা হয় নি। কিন্তু নামকরণ করার চেষ্টা চলছে। প্রাকৃতিক উপগ্রহের দিক থেকে শনি বৃহস্পতিকে পিছে ফেলে প্রথম স্থান দখল করে আছে। প্রাকৃতিক উপগ্রহ শনির চারপাশে আবর্তন করছে। এগুলির মধ্যে ৫৩টির আনুষ্ঠানিক নামকরণ হয়েছে। তবে শনির বলয়ের মধ্যে অবস্থিত শতাধিক অনু-উপগ্রহগুলিকে এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। শনির বৃহত্তম প্রাকৃতিক উপগ্রহ টাইটান হল সৌরজগতের দ্বিতীয়-বৃহত্তম প্রাকৃতিক উপগ্রহ। এটি আকারে বুধ গ্রহের চেয়েও বড়ো। যদিও টাইটানের ভর বুধের ভরের চেয়ে কম। টাইটানই সৌরজগতের একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ, যেখানে একটি উল্লেখযোগ্য বায়ুমণ্ডল রয়েছে।

*** শনির বলয়
শনি গ্রহটি তার আকর্ষণীয় বলয়ের কারণেই সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহের তুলনায় সৌন্দর্য্যের উৎকর্ষে রয়েছে, যা মহাজাগতিক ক্যানভাসে সৃষ্টি করেছে এক বিমূর্ত চিত্র। ১৬১০ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই মাসে জ্যোতির্বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গ্যালিলি সর্বপ্রথম টেলিস্কোপের মাধ্যমে শনি গ্রহকে পর্যবেক্ষণ করেন এবং এর দৃষ্টিনন্দন বলয় দেখতে পান। নাসার বিজ্ঞানীরা সৌরজগতের বিশাল গ্রহ শনির চারপাশে ঘূর্ণায়মান বিশাল আকারের নতুন একটি বলয় (রিং)-এর সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। অবশ্য দীর্ঘদিন চেষ্টার পর বিজ্ঞানীরা এটি আবিষ্কারে সফল হন। মজার ব্যাপার হলো সদ্য আবিষ্কৃত বলয়টি এতটাই বিশাল যে, এর ভেতর একশ কোটি বা এক বিলিয়ন পৃথিবী ভরে রাখার মত জায়গা আছে। বলয়টির মধ্যে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বরফ, ধুলাবালি ইত্যাদি ধরা পড়ে।বলয় নিয়ে সবচেয়ে আকর্ষনীয় বিষয় হলো শনির আসলে একটি বলয় না কয়েক হাজার বলয় রয়েছে, যা এতকাল মানুষ জানতো না। কিছুদিন আগে তা আবিষ্কার করা হয়েছে।

***প্রাকৃতিক উপগ্ৰহ:
শনি গ্রহের রয়েছে (নাসা:-ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, ইংরেজি: National Aeronautics and Space Administration (NASA) মার্কিন সরকারের মহাকাশ-সম্পর্কিত বা জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক মনোনীত ২৮৫ টি প্রাকৃতিক উপগ্রহ, কিন্তু এর মধ্যে নাম দেয়া হয়েছে মাত্র ৬৫ টি প্রাকৃতিক উপগ্রহের এবং আকার বিবেচনায় ২৯ টি প্রাকৃতিক উপগ্রহ কে মূল উপগ্রহ ধরা হয়, নাসা কর্তৃক আবিষ্কারকৃত শনি গ্ৰহের প্রাকৃতিক উপগ্ৰহের সংখ্যা সর্বমোট দুশো তিরানব্বই (২৯৩ টি) আর ২২৭ টি নামহীন উপগ্ৰহ রয়েছে অর্থাৎ নাসা কর্তৃক প্রাকৃতিক উপগ্ৰহ নামকরণ হয়নি। এজন্য শনি গ্ৰহকে "প্রাকৃতিক উপগ্ৰহের সম্রাট বা The Emperor of Natural Satellite" বলা হয়।শনিগ্ৰহের ও সৌরজগতের দ্বিতীয়-বৃহত্তম প্রাকৃতিক উপগ্ৰহ টাইটান (Titan) সবচেয়ে বড় আর সবচেয়ে ছোট প্রাকৃতিক উপগ্ৰহ হল প্যান(Pan)। পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদের সাথে তুলনা করলে টাইটানের ব্যাসে প্রায় ১৪৮% বড়।এ প্রাকৃতিক উপগ্ৰহে পৃথিবীর ন্যায় সমুদ্র সৈকত রয়েছে কিন্তু সেটা পানির নয় মিথেন গ্যাসের এবং পৃথিবীর মতো বায়ুমণ্ডল, মহাদেশ, পাহাড়-পর্বত, সাগর-মহাসাগর,হ্রদ-উপহ্রদ রয়েছে। শনি গ্রহের প্রাকৃতিক উপগ্ৰহ গুলো নামকরণ করেন নাসার একটি শাখা (আইএইউ:-ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়ন, ইংরেজি:IAU:- International Astronomical Union) থেকে দেওয়া হয়।নিম্নে উপগ্রহগুলোর ৬৫ টি শনিগ্ৰহের প্রাকৃতিক উপগ্ৰহ সমূহ বিবরণ দেয়া হলোঃ-
প্যান(Pan)
প্যান্ডোরা(Pandora),মিমাস(Mimas)
টাইটান(Titan),অ্যান্সেলাডাস(Enceladus)
প্যালেন(Pallene),রিয়া(Rhea),টেথিস(Tethys)
ল্যাপেটাস(Lapetus),ডায়োন(Dione)
ক্যালিপ্সো(Calypso),জ্যানাস(Janus)
টেলেস্টো(Telesto),ফিবি(Phoebe)
প্রমিথিউস(Prometheus),ড্যাফনিস(Daphnis)
অ্যাপিমিথিউস(Epimetheus),স্কোল(Skoll)
স্কাথি(Skathi),হাইপেরিয়োন(Hyperion)
পলিডিউসেস(Polydeuces),হাতী(Hati)
কিভিউক(Kiviuq),অ্যালবিওরিক্স(Albiorix)
মেথোন(Methone),পালিয়াক(Paaliaq)
বেভিয়োনোন(Bebhionn),
অ্যারিয়াপাস(Erriapus)
হাইরোক্কিন(Hyrrokkin)
গ্রোয়িপ(Greip)
জার্নসাক্সা(Jarnsaxa)
নার্ভি(Narvi)
র্টাভোস(Tarvos)
মুন্ডিলফারী(Mundilfari)
তার্কেক(Tarqeq)
সিয়ার্নাক(Siarnaq)
বার্গেলমীর(Bergelmir)
ইজিরাক(Ijiraq)
অ্যাগাইয়েন(Aegaeon)
অ্যান্থে(Anthe)
ইয়ামীর(Ymir)
ফেন্রির(Fenrir)
সুরতুর(Surtur)
কারী(Kari)
লোগে(Loge)
বেস্টলা(Bestla)
ফরনজোট(Fonjot)
সুটাংগার(Sutunger)
ফারবাউটি(Farbaurt)
থ্রিমার(Thrymr)
অ্যাগির(Aegir)
ক্রোনাস(Cronus)
হেলেন (Helene)
অ্যাটলাস(Atlas),
সুতুংর(Suttungr),
গ্রিডর(Gridr),
গুণ্নলোড (Gunnlod),
গের্ড(Gerd),
আলভালদি (Alvaldi),
আংরবোদা (Angrboda),
বেলি(Beli),
থিয়াজ্জি (Thiazzi),
অ্যাগথার (Eggther),
গেইরোড (Geirrod),
স্ক্রিমির (Skrymir),

16/08/2026

স্যার আইজ্যাক নিউটনের ৩টি গতি-সূত্র
১. প্রথম সূত্র:
কোনো বস্তু স্থির থাকলে স্থির থাকবে এবং গতিশীল থাকলে একই গতিতে চলতে থাকবে, যতক্ষণ না বাইরে থেকে কোনো বল প্রয়োগ করা হয়। একে জড়তার সূত্র বলা হয়।
২. দ্বিতীয় সূত্র:
কোনো বস্তুর উপর প্রয়োগ করা বল তার ভর ও ত্বরণের গুণফলের সমান।
সূত্র: F = ma
৩. তৃতীয় সূত্র:
প্রত্যেক ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে।
উদাহরণ: আমরা মাটিতে পা দিয়ে চাপ দিলে মাটি আমাদের বিপরীত দিকে ঠেলে দেয়।

প্লুটো সম্পর্কে বিস্তারিতপ্লুটো (Pluto) সৌরজগতের একটি বামন গ্রহ (Dwarf Planet)। একসময় এটিকে সৌরজগতের নবম গ্রহ হিসেবে ধর...
16/08/2026

প্লুটো সম্পর্কে বিস্তারিত

প্লুটো (Pluto) সৌরজগতের একটি বামন গ্রহ (Dwarf Planet)। একসময় এটিকে সৌরজগতের নবম গ্রহ হিসেবে ধরা হতো, কিন্তু ২০০৬ সালে এর শ্রেণিবিভাগ পরিবর্তন করা হয়।
নাম: প্লুটো
শ্রেণি: বামন গ্রহ
অবস্থান: নেপচুনের কক্ষপথের বাইরে, কুইপার বেল্টে
সূর্য থেকে গড় দূরত্ব: প্রায় ৫৯০ কোটি কিলোমিটার
ব্যাস: প্রায় ২,৩৭৭ কিলোমিটার
আবিষ্কার: ১৯৩০ সালে ক্লাইড টমবাউ (Clyde Tombaugh)
উপগ্রহ: প্লুটোর ৫টি পরিচিত উপগ্রহ রয়েছে; সবচেয়ে বড়টির নাম ক্যারন (Charon)।
পরিক্রমণকাল: সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে প্রায় ২৪৮ পৃথিবী বছর সময় লাগে।
পৃষ্ঠের তাপমাত্রা: অত্যন্ত ঠান্ডা, প্রায় −২৩০°C এর কাছাকাছি।
বায়ুমণ্ডল: খুব পাতলা বায়ুমণ্ডল রয়েছে, যাতে প্রধানত নাইট্রোজেন, মিথেন ও কার্বন মনোক্সাইড পাওয়া যায়।

प्लूटो (Pluto) के बारे में जानकारी
प्लूटो हमारे सौर मंडल में स्थित एक बौना ग्रह (Dwarf Planet) है। इसे पहले सौर मंडल का नौवाँ ग्रह माना जाता था, लेकिन 2006 में इसे बौना ग्रह की श्रेणी में रखा गया।
नाम: प्लूटो (Pluto)
श्रेणी: बौना ग्रह
सूर्य से औसत दूरी: लगभग 5.9 अरब किलोमीटर
आकार: इसका व्यास लगभग 2,377 किलोमीटर है।
परिक्रमा अवधि: प्लूटो को सूर्य की एक परिक्रमा पूरी करने में लगभग 248 पृथ्वी वर्ष लगते हैं।
घूर्णन अवधि: यह अपनी धुरी पर लगभग 6.4 पृथ्वी दिनों में एक चक्कर पूरा करता है।
उपग्रह: इसके 5 ज्ञात चंद्रमा हैं, जिनमें सबसे बड़ा कैरन (Charon) है।
तापमान: यहाँ का तापमान बहुत कम होता है, लगभग −230°C के आसपास।
वायुमंडल: इसका बहुत पतला वायुमंडल है, जिसमें मुख्य रूप से नाइट्रोजन पाई जाती है।
खोज: प्लूटो की खोज 1930 में क्लाइड टॉमबॉग ने की थी।

Address

Gangaler Kuthi
Cooch Behar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when GEMS Academy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share