Indigenous Voice- CHT

Indigenous Voice- CHT Speak for the rights of indigenous peoples

15/06/2026

এম এন লারমাকে নিয়ে ইউপিডিএফ নেতা মাইকেল চাকমার বিতর্কিত মন্তব্য...

  অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ভাঙিয়ে সেটেলার সাদিক কায়েমের বিরুদ্ধে অভিনব প্রতারণার অভিযোগডেস্ক রিপোর্ট, ১৫ জুন ২০২৬: ...
15/06/2026

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ভাঙিয়ে সেটেলার সাদিক কায়েমের বিরুদ্ধে অভিনব প্রতারণার অভিযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট, ১৫ জুন ২০২৬: অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অক্সফোর্ড ইউনিয়নের আমন্ত্রণে যুক্তরাজ্যে বক্তৃতা দেওয়ার দাবি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত ব্যক্তিত্ব পার্বত্য চট্টগ্রামের সেটেলার আবু সাদিক কায়েম ও হাসনাত আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার অভিযোগ উঠেছে।

লেখক মহিউদ্দিন মোহাম্মদ দাবি করেছেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয় যে, সাদিক কায়েম অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অক্সফোর্ড ইউনিয়নের আমন্ত্রণে ঐতিহাসিক ডিবেটিং চেম্বারে বক্তব্য দিয়েছেন। তবে বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন যে, অনুষ্ঠানটি আসলে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক আমন্ত্রণের অংশ ছিল না।

তার দাবি অনুযায়ী, অক্সফোর্ড ইউনিয়নের ঐতিহাসিক ডিবেটিং চেম্বার নির্ধারিত ফি পরিশোধের মাধ্যমে সাধারণ ব্যক্তি বা সংগঠনও ব্যক্তিগত অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য ভাড়া নিতে পারে। অক্সফোর্ড ইউনিয়নের ওয়েবসাইটেও ‘প্রাইভেট হায়ার’ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশিত রয়েছে।

মহিউদ্দিন মোহাম্মদ জানান, তিনি ই-মেইল ও টেলিফোনের মাধ্যমে অক্সফোর্ড ইউনিয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে উক্ত অনুষ্ঠান সম্পর্কে জানতে চান। তার ভাষ্যমতে, কর্তৃপক্ষ তাকে জানিয়েছে যে সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানটি একটি ব্যক্তিগতভাবে আয়োজিত অনুষ্ঠান ছিল এবং এর আয়োজন, পরিকল্পনা কিংবা অতিথি আমন্ত্রণের সঙ্গে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বা অক্সফোর্ড ইউনিয়নের কোনো আনুষ্ঠানিক সম্পৃক্ততা ছিল না।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত এক ভিডিওতে সাদিক কায়েমকে অক্সফোর্ড ইউনিয়নের ভবনের সামনে বক্তব্য দিতে দেখা যায়। একইভাবে হাসনাত আব্দুল্লাহ সম্পর্কিত একটি ফেসবুক পোস্টেও ‘অক্সফোর্ড ইউনিয়নের আমন্ত্রণে’ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগকারীর দাবি, যদি অনুষ্ঠানটি প্রকৃতপক্ষে ব্যক্তিগতভাবে ভাড়া নেওয়া কোনো আয়োজন হয়ে থাকে, তাহলে সেটিকে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বা অক্সফোর্ড ইউনিয়নের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপ্রাপ্ত অনুষ্ঠান হিসেবে প্রচার করা জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করার শামিল।

ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

‘আদিবাসী’ যারা আছেন, তারা পিছিয়ে পড়েছেন: সংসদে ডেপুটি স্পিকার
15/06/2026

‘আদিবাসী’ যারা আছেন, তারা পিছিয়ে পড়েছেন: সংসদে ডেপুটি স্পিকার

15/06/2026

আদিবাসী যারা আছেন, তারা পিছিয়ে পড়েছেন: সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

এবার জাতীয় সংসদের স্পিকারের আসন থেকে আদিবাসীদের ‘আদিবাসী’ হিসেবে সম্বোধন করলেন ডেপুটি স্পিকার...

  কুয়াকাটায় সিটিজেন্স ফর হিউম্যান রাইট্স প্রতিনিধিদলের ভূমি সমস্যায় জর্জরিত রাখাইনদের পাড়া পরিদর্শনইন্ডিজেনাস ভয়েস, ১৪ জ...
15/06/2026

কুয়াকাটায় সিটিজেন্স ফর হিউম্যান রাইট্স প্রতিনিধিদলের ভূমি সমস্যায় জর্জরিত রাখাইনদের পাড়া পরিদর্শন

ইন্ডিজেনাস ভয়েস, ১৪ জুন ২০২৬: সিটিজেন্স হিউম্যান রাইট্স নামে একটি প্লাটফর্মের একদল প্রতিনিধিদল পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটায় ভূমি সমস্যায় জর্জরিত আদিবাসী রাখাইন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন পাড়া পরিদর্শন কর্মসূচি গতকাল (১৪ জুন ২০২৬) সম্পন্ন করেছেন বলে প্রতিনিধিদলের সূত্রে জানা গেছে।

গত ১২ জুন তারা কুয়াকাটায় পৌঁছে এই পরিদর্শন কাজ শুরু করেন। পরিদর্শনের সময় প্রতিনিধিদল শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বিহার, মিশ্রিপাড়া বৌদ্ধ বিহার, নয়াপাড়া শশ্মানের বেদখল হওয়া জায়গা, পায়রা বন্দর কর্তৃক উচ্ছেদকৃত ৬ পরিবারের পুনর্বাসন জায়গা সহ সমস্যা জর্জরিত বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে আজ প্রতিনিধিদল পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের নিকট পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা ও সমাধানের প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

উক্ত পরিদর্শনে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধি দলের সদস্যরা হচ্ছেন- নাগরিক উদ্যোগ এর প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন, লেখক ও গবেষক পাভেল পার্থ, কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক এহসান মাহমুদ, রান এর নির্বাহী পরিচালক রফিকুল আলম, গবেষক ড. ঈশিতা দস্তিদার, মানবিকার কর্মী দীপায়ন খীসা, ল্যান্ড ইজ লাইফ (Land is Life) এর এশিয়া প্রোগ্রাম ডিরেক্টর সতেজ চাকমা প্রমুখ।

শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন:

ঢাকা থেকে আসা উক্ত প্রতিনিধি দলটি গত ১২ জুন বিকাল ৫টার সময় কুয়াকাটার শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বিহারে স্থানীয় আদিবাসী নেতৃবৃন্দ ও বৌদ্ধ ভিক্ষুদের সাথে মতবিনিময় সভায় মিলিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি উ চো রাখাইন, বৃহত্তর বরিশাল অঞ্চলের বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম এর সভাপতি মং চৌ থিন তালুকদার ও শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বিহারের বিহার অধ্যক্ষ ইন্দ্রবংশ ভিক্ষু ও কারিতাস বাংলাদেশ এর প্রতিনিধি মং ম্য রাখাইন।

উক্ত মতবিনিময় সভায় ইন্দ্রবংশ ভিক্ষু বিখ্যাত শ্রীমঙ্গল বিহারের ভূমির দুর্দশার কথা জানিয়ে প্রতিনিধি দলকে বলেন, ১৯৪৩ সালে ব্রিটিশ আমলে ২ একর ৪৪ শতাংশ জায়গায় শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বিহারটি প্রতিষ্ঠা হয়। ১৯৬২ বেরিবাঁধ নির্মাণের সময় বিহারের অনেক জায়গা নেয়া হয়। এরপর থেকে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) আমাদের বিহারের জমি নেয়ার জন্য পাঁয়তারা করছে। বর্তমানে বিহারের দখলে জমি রয়েছে মাত্র ৬৫ শতাংশ। আমাদের নিজস্ব ভূমি সংরক্ষণ করা না হলে বিহারের ঐতিহ্য হুমকির মধ্যে পড়বে।

ইন্দ্রবংশ ভিক্ষু আরো বলেন, পটুয়াখালী জেলায় একমাত্র এ বিহারটি সীমা বিহার। এই বিহারেই রয়েছে একমাত্র সীমাঘর। যে সীমাঘরটি বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জীবনাচরণ এবং উপসম্পাদা গ্রহণের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাউবো যদি আমাদের বিহারের জায়গাটি নিয়ে নেয় তবে এই সীমাঘরটিও আর থাকবে না। ফলে এটা আমাদের ধর্মীয় জীবন যাপনের জন্যও বিরাট ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

মিশ্রিপাড়া বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন:

মিশ্রিপাড়ার প্রাচীন বৌদ্ধ বিহারটির জায়গা অনেক প্রভাবশালী বাঙালি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। এ বিহারের অধ্যক্ষ উত্তমা মহাথেরো জানান, এই বিহারের জায়গার পরিমাণ ২ একরের বেশি হলেও অনেক জায়গা এখনো রেকর্ডভুক্ত হয়নি।

রাখাইন বুদ্ধিস্ট ওয়েলফেয়ার এসোশিয়েশন পটুয়াখালী জেলার সাধারণ সম্পাদক মং হ্লা সেইন রাখাইন বলেন, এখানে রেজিস্টার অফিসের কিছু অসৎ কর্মচারীর মাধ্যমে বাঙালিরা আমাদের জমি দখল করে নিয়েছে। যেখানে আদিবাসীরা ২ একর জমি বিক্রি করে সেখানে তারা ৫ একর জমি নিয়ে নেয়। আর আদালতের রায় থাকা সত্ত্বেও আমরা অনেক জমি উদ্ধার করতে পারছি না।

নয়াপাড়া শশ্মানের বেদখল হওয়া জায়গা পরিদর্শন:

কুয়াকাটা উপজেলায় নয়াপাড়া গ্রামের রাখাইন আদিবাসীদের শশ্মানভূমির জায়গা বেদখল করে গাছ লাগিয়েছেন বাবুল আখতার নামের এক বাঙালি পরিবার। ঐ পরিবারের পাঁচ ভাই তাদের বাবা ইমদাদ হোসেন এর জায়গায় রয়েছেন এবং সে জায়গাটি ৪০-৫০ বছর আগে তাদের দাদা আব্দুল হামিদ মিয়া রাখাইনদের কাছ থেকে কিনে নিয়েছেন বলে জানান বাবুল। কিন্তু রাখাইন শশ্মানের গাছ লাগানো জায়গাটি তাদের পরিবারের কিনা নিশিচত নয় বলে জানান তিনি।

প্রতিনিধি দলের উপস্থিতিতে দখলদার বাবুল আখতার ও জমির মালিক রাখাইনরা নিজেরা মিলে জায়গাটি মেপে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান।

পায়রা বন্দর কর্তৃক উচ্ছেদকৃত ৬ পরিবারের পুনর্বাসন জায়গা পরিদর্শন:

২০২১ সালে পায়রা বন্দর কর্তৃক উচ্ছেদকৃত ছ-আনি পাড়া গ্রামের ছয়টি রাখাইন পরিবারকে এখনও পুনর্বাসন করা হয়নি। এখন তারা বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসবাস করছেন। উচ্ছেদ হওয়া পরিবারের প্রতিনিধি চিং দামো রাখাইন বলেন, প্রাথমিক উচ্ছেদ নোটিশ পাওয়ার পর আমরা আপত্তি জানিয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের কথা শোনা হয়নি। গ্রামের পুকুর, গাছ ও ফসলের ক্ষতিপূরণ বাবদ ৯৬ লক্ষ টাকা ৬ পরিবারকে দেয়া হয়। তখন বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক ক্ষতিগ্রস্তদের সাথে এক সভায় বলেছিলেন স্থায়ী পুনর্বাসনের আগ পর্যন্ত মাসিক ৫০০০ টাকা হারে প্রত্যেক পরিবারকে বাড়ি ভাড়া সহায়তা দেয়া হবে। কিন্তু ছয় মাস দেয়ার পর আর দেয়া হয়নি। এখনো ঘর তুলে জায়গা দলিল করে বুঝিয়ে দেয়া হয়নি।

২০২৫ সালের ৮ অক্টোবর পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রকল্প পরিচালক ক্যাপ্টেন মুহাম্মদ নাজমুল হক স্বাক্ষরিত এক চিঠি মূলে জানা যায়, উচ্ছেদ হওয়া ঐ ছয়টি পরিবারকে পুনর্বাসনের জন্য কলাপাড়ার সোনাপাড়া মৌজার মৃত চক্রাও রাখাইন পরিবারের থেকে ৪০ শতাংশ জমি কেনা হবে।

৬ পরিবারের পুনর্বাসনের জন্য কেনা জায়গাটিতে গিয়ে প্রতিনিধিদল দেখতে পান জায়গাটি ডিমার্কেশন করা হলেও মাটি ভরাট ও ঘর বানানো বাকী আছে। পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদল জানতে পারেন চলতি জুন মাসে পুর্নবাসন প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে, কিন্তু এরপর উচ্ছেদকৃত রাখাইনদের কি হবে তা কেউ স্পষ্ট ভাবে বলতে পারেননি।

পরে স্থানীয় আদিবাসী নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে প্রতিনিধিদল কুয়াকাটা পৌরসভার প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

প্রতিনিধ দল পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা ও সমাধানের প্রস্তাব প্রশাসকের কাছে উত্থাপন করেন। পাশাপাশি বৃহত্তর বরিশাল অঞ্চলের আদিবাসী ফোরাম সভাপতি মং চৌথিন তালুকদার ৫ দফা দাবি তুলে ধরেন। সেগুলো নিম্নরূপ:

১। কলাপাড়ায় রাখাইনদের জন্য শশ্মানের জায়গা বরাদ্দ দেওয়া।
২। রাখাইন কালচারাল একাডেমি দ্রুত সংস্কার ও চালু করা। রাখাইন মাতৃভাষা ও সংস্কৃতি সুরক্ষায় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
৩। রাখাইনদের বেদখল হওয়া ভূমি, শশ্মান পুনরুদ্ধার ও হয়রানিমূলক মামলা নিষ্পত্তি করা।
৪। রাখাইন তাতের বিকাশে প্রশিক্ষণ, বিনিয়োগ ও বাজারজাতকরণে সহযোগিতা করা।
৫। পায়রা বন্দরের কারণে ছ-আনি পাড়া থেকে উদ্বাস্তু ৬ পরিবারের পুনর্বাসনের জন্য দ্রুত আনুষ্ঠানিক চুক্তির মাধ্যমে ঘর তৈরি ও নতুন ভূমির মালিকানা হস্তান্তর করা।

প্রতিনিধিবৃন্দের সাথে আলোচনার পর কলাপাড়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদিক উত্থাপিত দাবির সাথে একমত পোষণ করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান।

তিনি আরো উয়ানা, রাখাইনদের ভূমি রক্ষায় প্রশাসন আন্তরিক। দেখা গেছে জাল দলিলের মাধ্যমে তাদের ভূমিগুলো দখলের চেষ্টা করা হয়। অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও গোষ্ঠী এ কাজে যুক্ত থাকেন। কালচারাল একাডেমি দ্রুত চালু করা। রাখাইন তাত সহায়তা ও পর্যটকদের জন্য একটি রাখাইন রেস্তোরাঁ চালুর কথাও জানান তিনি।

প্রতিনিধি দলটি গতকাল ১৪ জুন ছ-আনি পাড়ার উদ্বাস্তু রাখাইন আদিবাসীদের পুনর্বাসনের জন্য পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের সাথেও দেখা করেছেন।

  খেলার মাঠে অনন্য জাপান: ম্যাচ শেষে স্টেডিয়াম পরিষ্কার করে বিশ্বজুড়ে প্রশংসাইন্ডিজেনাস ভয়েস, ১৫ জুন ২০২৬, ডেস্ক: ফুটব...
15/06/2026

খেলার মাঠে অনন্য জাপান: ম্যাচ শেষে স্টেডিয়াম পরিষ্কার করে বিশ্বজুড়ে প্রশংসা

ইন্ডিজেনাস ভয়েস, ১৫ জুন ২০২৬, ডেস্ক: ফুটবল মাঠে গোল আর ড্রয়ের উত্তেজনা ছাপিয়ে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে জাপানি সমর্থকরা। আজ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ জাপান ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যকার রোমাঞ্চকর ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হলেও, মাঠের বাইরের এক অনন্য দৃশ্য কেড়ে নিয়েছে পুরো ফুটবল বিশ্বের মন।

ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর যখন গ্যালারির সিংহভাগ দর্শক স্টেডিয়াম ছাড়ছিলেন, তখন জাপানি সমর্থকরা মেতে ওঠেন অন্য এক 'খেলায়'। প্রতিবারের মতো এবারও ম্যাচ শেষে গ্যালারির আবর্জনা পরিষ্কার করে অনন্য এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন তারা।

ম্যাচ চলাকালীন গ্যালারিতে জমা হওয়া প্লাস্টিকের বোতল, কাগজের টুকরো এবং খাবারের প্যাকেটগুলো পরিষ্কার করতে জাপানি সমর্থকরা আগে থেকেই নিজেদের সাথে বড় বড় পলিথিন ব্যাগ নিয়ে এসেছিলেন। খেলা শেষ হতেই তারা সারিবদ্ধভাবে পুরো গ্যালারি ঘুরে ঘুরে সমস্ত বর্জ্য সংগ্রহ করেন এবং নির্ধারিত স্থানে জমা রাখেন। তাদের এই সুশৃঙ্খল ও দায়িত্বশীল আচরণ মাঠে উপস্থিত অন্যান্য দেশের দর্শক এবং স্টেডিয়াম কর্মীদের স্তব্ধ ও অভিভূত করেছে।

তবে জাপানি ফুটবল ভক্তদের জন্য এটি নতুন কোনো ঘটনা নয়। এর আগে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপেও ম্যাচ জয়-পরাজয় নির্বিশেষে প্রতি ম্যাচ শেষে স্টেডিয়াম পরিষ্কার করে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন তারা। ২০২৬ বিশ্বকাপে এসেও নিজেদের সেই চিরচেনা ঐতিহ্য ও পরিচ্ছন্নতার সংস্কৃতি বজায় রাখলেন এই সূর্যোদয়ের দেশের নাগরিকরা।

ফুটবল কেবল মাঠের ৯০ মিনিটের লড়াই নয়, এর বাইরেও যে মানবতা, শৃঙ্খলা ও সংস্কৃতির এক বিশাল ক্যানভাস রয়েছে—তা আবারও প্রমাণ করলো জাপান। নেদারল্যান্ডসের সাথে পয়েন্ট ভাগাভাগি করলেও, গ্যালারিতে জাপানি দর্শকদের এই সুনাগরিকসুলভ আচরণ কোটি কোটি ফুটবল প্রেমীর হৃদয় জয় করে নিয়েছে। খেলার ফলাফলের চেয়েও এই ইতিবাচক মানসিকতা বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে জাপানকে এক অনন্য ও অনুকরণীয় উচ্চতায় বসিয়েছে।

15/06/2026

বিশ্বের মঞ্চে জাপান আবারও প্রমাণ করল তাদের সভ্যতা ও শৃঙ্খলা ফুটবলের বাইরেও যা সবার দৃষ্টি কাড়ে...

  ভগবান রামচন্দ্রের ছবিতে জুতাপেটা করায় ধর্ম অবমাননাকারীদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি ঐক্য পরিষদেরইন্ডিজেনাস ...
15/06/2026

ভগবান রামচন্দ্রের ছবিতে জুতাপেটা করায় ধর্ম অবমাননাকারীদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি ঐক্য পরিষদের

ইন্ডিজেনাস ভয়েস, ১৫ জুন ২০২৬: গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে রাধাগোবিন্দ মন্দিরে ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের বিগ্রহ গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি এবং একটি সাম্প্রদায়িক মিছিলে শ্রীরামচন্দ্রের ছবিতে জুতাপেটা করে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।

গতকাল ঐক্য পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, গত কয়েকদিন ধরে দেশের একটি চিহ্নিত সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী পলাশবাড়ীতে ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের বিগ্রহ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ট্যাগ ও প্রচারণার মাধ্যমে রাজধানীসহ সারা দেশে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ড যে কোনো সময় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার রূপ নিয়ে দেশব্যাপী অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে বলে বিবৃতিতে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ ধরনের সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং তা দেশের সম্প্রীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ।

নেতৃবৃন্দ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা এবং সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব অপশক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে ধর্ম অবমাননার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ ছাড়া সকল অসাম্প্রদায়িক নাগরিক, সামাজিক সংগঠন ও রাজনৈতিক দলের প্রতি সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ও উসকানির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।

  খাগড়াছড়িতে অটোরিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে প্রাণ হারালেন যমজ সন্তানের মাখাগড়াছড়ি, ১৫ জুন ২০২৬: খাগড়াছড়িতে ব্যাটারিচালিত অ...
15/06/2026

খাগড়াছড়িতে অটোরিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে প্রাণ হারালেন যমজ সন্তানের মা

খাগড়াছড়ি, ১৫ জুন ২০২৬: খাগড়াছড়িতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চাকার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে অর্পনা ধর (৪০) নামের দুই যমজ সন্তানের জননীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার শালবন গেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত অর্পনা ধর খাগড়াছড়ি শালবন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষকা ছিলেন। তিনি সদর উপজেলার শালবন এডিসি এলাকার বাসিন্দা এবং অপু ধরের স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জান যায়, আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে অর্পনা ধর ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে বাড়ি থেকে বাজারে যাচ্ছিলেন। এ সময় তাঁর পরিহিত ওড়না হঠাৎ অটোরিকশার চাকার সঙ্গে পেঁচিয়ে যায়। এতে ওড়নাটি তাঁর গলায় শক্তভাবে আটকে গিয়ে তিনি গুরুতর আহত হন।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।

Address

Delhi
110001

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Indigenous Voice- CHT posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share