Politics Update BD

Politics Update BD Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Politics Update BD, Delhi.

বলা হলো, পাইপলাইনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা ভারতের কাছে বাংলাদেশ বিক্রি করে দিয়েছেন ‼️ইসরায়েল - ইরান যুদ্ধ না হলে , মধ্যপ্র...
10/03/2026

বলা হলো, পাইপলাইনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা ভারতের কাছে বাংলাদেশ বিক্রি করে দিয়েছেন ‼️
ইসরায়েল - ইরান যুদ্ধ না হলে , মধ্যপ্রাচ্যের তেলের সংকট না হলে অথবা হরমুজ প্রণালী বন্ধ না থাকলে এই বাংলাদেশের মানুষ শেখ হাসিনার অনেক অবদানের কথা জানতেই পারতো না।

১৩১.৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এক পাইপলাইন যার মধ্যে ১২৬ কিলোমিটার হচ্ছে বাংলাদেশে। ভারতের শিলিগুড়ি থেকে বাংলাদেশের পার্বতীপুর আসা এই পাইপলাইন নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের গুজবের শেষ ছিলো না। কত প্রোপাগান্ডা হলো শেখ হাসিনাকে নিয়ে। এই পাইপলাইনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা গোপনে ভারতের কাছে বাংলাদেশের তেল ও গ্যাস বিক্রি করে দিচ্ছেন!

২০২২ সালে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হয়। ২০২৩ সালের ১৮ মার্চ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই পাইপলাইন উদ্বোধন করলে বিএনপি ও জামায়াত এই পাইপলাইন সহ নরেন্দ্র মোদী ও শেখ হাসিনাকে নিয়ে এতসব আপত্তিকর কন্টেন্ট বানিয়েছিল , যা তাদের নোংরা ও ভণ্ডামির মুখোশ থাকলেও বাংলাদেশের মানুষ তা বুঝতে পারেনি।এরা তখন হাজারবার শেখ হাসিনা ও ভারতের নরেন্দ্র মোদীর বিয়ে দিচ্ছিল। সেই পঙ্গপালের আজকে শেখ হাসিনার পায়েই পড়তে হলো শেষ পর্যন্ত। ভারতের নরেন্দ্র মোদী ছাড়া রক্ষা হলো না। একেই বলে " রিভেঞ্জ অফ নেচার।"

বাংলাদেশের পঙ্গপালের উপর প্রকৃতি এক মধুর প্রতিশোধ নিলো। ভারতের তেল কর্পোরেশন ও বাংলাদেশের পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এর মধ্যে ১৫ বছরের এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পেরেছিল একমাত্র শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকার কারণে। বিএনপি ও জামায়াত ক্ষমতায় থাকলে তা ইহজনমেও সফল হতো না। বাংলাদেশ ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতি বছর ৩ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল ও পরবর্তীতে ১০ লাখ টন ডিজেল পর্যন্ত ভারত থেকে আনতে পারবে। ২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল বাংলাদেশের পক্ষে শেখ হাসিনা ও ভারতের পক্ষে নরেন্দ্র মোদী এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ মোট ১৫ বছর ভারত থেকে একটানা তেল পাবে।

বাংলাদেশের প্রতি বছর প্রায় গড়ে ৪৩ লাখ টন ডিজেলের প্রয়োজন হয়। বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানির ৭০ শতাংশ হচ্ছে ডিজেল।দেশে দৈনিক মোট ১২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলের চাহিদা আছে।
প্রতি মাসে ৩ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল লাগে বাংলাদেশের। বাংলাদেশের কলকারখানা থেকে শুরু করে পরিবরহন অর্থাৎ অর্থনীতির বড় একটা অংশ ডিজেল নির্ভর।ইরান ও ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে যে বাণিজ্যিক সংকট তৈরি হয়েছে তাই চেয়েছেন বাংলাদেশের দূর্নীতিবাজ রাজনীতিবীদরা। ব্যাবসায়ীরা এখন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে রাজনীতি করবেন। সরকার জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে মুনাফা লুটবে। বিএনপি ও জামায়াতের জন্য ইরান - ইসরায়েল যুদ্ধ হচ্ছে আশীর্বাদ। দফায় দফায় গ্যাসের দাম বাড়িয়ে সেই অর্থ নিজেদের পকেটে ঢুকাবে। বিদ্যুৎ বিপর্যয় করে ২০০১ সালের অন্ধকার যুগে নিয়ে যাবে। ভারতের জন্য টন টন ইলিশ পাঠিয়ে কয়দিন পর পর শেখ হাসিনা বিরোধী স্লোগান দিয়ে মাঠ গরম করে রাখবে। এভাবেই দেশের লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা পাচার হয়ে যাবে দেশের বাইরে।

শেখ হাসিনার সরকার যেখানে ভারত থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টন ডিজেল কিনতো তখন বলা হতো শেখ হাসিনা বাংলাদেশেকে ভারতের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন! বর্তমান সরকার ভারতের কাছ থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল কিনছে অর্থাৎ আরও পঞ্চাশ হাজার টন ডিজেল বেশি কিনছে। এখন আর দিল্লী না ঢাকা স্লোগান শোনা যাচ্ছে না? ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে দেড় হাজার কোটি টাকার ডিজেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমান সরকার। এখন আর ভারতের সেভেন সিস্টার্স দখলের যৌন জিহাদের স্লোগান বাংলাদেশের কোথাও শোনা যাচ্ছে না।এই তেল আবার আমদানি করবে শেখ হাসিনার করে যাওয়া ভারত বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে। এদের কি নূন্যতম লজ্জা আছে বলে আপনাদের মনে হয়?

ভারত বাংলাদেশে ডিজেল রপ্তানি বন্ধ করে দিলে বাংলাদেশের মধ্যে তীব্র জ্বালানি সংকট তৈরি হবে , নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতি , কলকারখানা ও কৃষি কাজে এর ব্যাপক প্রভাব পড়বে। দেশে অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও বাণিজ্য ঘাটতি তৈরি হওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘ মেয়াদী সংকটে পড়বে বাংলাদেশের পরিবহন বাণিজ্য।

ভারত থেকে ডিজেল আমদানি না করে মধ্যপ্রাচ্য থেকে ডিজেল আমদানি করলে ডলারের কিনতে গিয়ে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ক্ষতি ও উচ্চ পরিবহন ক্ষতির মুখোমুখি পড়বে।এর ফলে ডিজেলের দাম বৃদ্ধি পেয়ে বাংলাদেশের পরিবহন ও লজিস্টিক খরচ বৃদ্ধি পেয়ে ডলার সংকটে পড়বে।যার প্রভাব পড়বে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত সহ পুরো অর্থনীতির উপর। তেলের সাথে একটি দেশের সম্পূর্ণ অর্থনীতি জড়িত। শেখ হাসিনা ভারতের সাথে বাংলাদেশের এই অর্থনৈতিক পাইপলাইন তৈরি করে গেছেন।

আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যারল প্রতি ডিজেলের দাম যেখানে ১০০ ডলারের উপরে সেখানে ভারত থেকে ব্যারেলপ্রতি ডিজেল বাংলাদেশ কিনছে প্রায় ১৭ ডলার কমে মাত্র ৮৩ ডলারে।১ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেলের দাম পড়ছে মাত্র ১,৪৬১ কোটি টাকা। বাংলাদেশের এই আমদানি খরচ কমাতে প্রতিই ব্যারল প্রতি ১৭ ডলার কমে তেল কেনার এই সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে শেখ হাসিনা সরকার।একই তেল মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করতে বাংলাদেশের খরচ পড়তো ১৮০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রতি বছর প্রায় ৩৩৯ কোটি টাকা কমে ১৫ বছর মেয়াদি তেল পাওয়ার এই সুযোগটাও করে দিয়ে গিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। এই জন্য বাংলাদেশে সব দোষ শেখ হাসিনার।প্রতি টনে ৩০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হলে একটা সময় ১০ লাখ টন ডিজেল একসাথে নিলে বাংলাদেশের সাশ্রয় হবে ৩ হাজার কোটি টাকা। অন্যরা যেখানে সারাজীবন ক্ষমতায় থেকে দেশ লুটার কথা ভেবেছে , শেখ হাসিনা সেখানে মায়ের মমতায় বাংলাদেশকে বুকে আগলে রেখেছিলেন। তবুও শেখ হাসিনাকে বারবার দোষী বানানো হলো।বড় বিচিত্র বাংলাদেশের মানুষ।

এজন্য বাংলাদেশের একটি প্রচলিত প্রবাদ হলো:
উপকার করলে বাঘে খায়। অর্থাৎ কারো উপকার করলে সে বিনিময়ে ক্ষতি ও বেঈমানি করবে। শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষের বেশি উপকার করেছেন বলেই মানুষ তার বাড়ি ও ধানমন্ডি ৩২ পুড়ানোর সুযোগ পেয়েছে। সেদিন যদি পঙ্গপাল টিপে টিপে পাকিস্তানের করাচি পাঠিয়ে দিতেন তাহলে দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশের মানুষকে আবার খাম্বা দেখতে হতো না। যতদিন যাবে মানুষ শেখ হাসিনার অভাব হাড়ে হাড়ে টের পাবে।

সত্য সবসময় সুন্দর।

১০-০৩-২০২৬

😥😥
10/03/2026

😥😥

আর কতো ভাবে?! নারীর নিরাপত্তা আসলে কোথাও নাই! 😭😭😭👇👇👇ধরেন আপনি (একজন নারী), বাসা থেকে বের হইছেন অফিস/বাজার/ডেট বা যেকোন ক...
10/03/2026

আর কতো ভাবে?!
নারীর নিরাপত্তা আসলে কোথাও নাই! 😭😭😭
👇👇👇
ধরেন আপনি (একজন নারী), বাসা থেকে বের হইছেন অফিস/বাজার/ডেট বা যেকোন কাজে। আপনার লম্বা চুল বেনি করা বা ছেড়ে রাখা। বাসে উঠলেন বা লেগুনাতে, কিংবা রিক্সায়। হঠাৎ চুলে হাত দিয়ে দেখলেন আপনার সেই লম্বা বেনি বা খুলে রাখা লম্বা চুল নাই। হারায় গেছে৷ কীভাবে হইছে আপনি জানেন না!

আপনি জানেন না কারণ রাস্তাঘাটে কেউ গায়ে হাত দিবে, সুযোগ পেলে ব্যাগ টান দিয়ে নিয়ে যাবে, ফোন নিয়ে যাবে কিংবা আপনাকে তুলে নিয়ে যাবে এই ব্যাপারগুলোতে আপনি সচেতন থাকলেও, ব্যাগটা বুকের উপর রাখলেও, চারদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখলেও আপনার ঘুণাক্ষরেও মাথায় আসে নাই যে আউট অব নো হোয়্যার কেউ একজন পকেটে কাচি নিয়ে ঘুরতে পারে আপনার মাথার চুল কেটে নিতে পারে!!

ইয়েস। এই ঘটনাটায় আজকে ঘটছে চট্টগ্রামে!!

ছবির এই শুয়োরের বাচ্চা লেগুনায় এক মেয়ের চুল কাটার সময় হাতেনাতে ধরা খাওয়ার পর তার ব্যাগ সার্চ করে আরও তিনজন মেয়ের চুল পাওয়া গেছে!!

মানে চিন্তা করতে পারেন, রাস্তাঘাটে একটা মেয়েকে হ্যারাস করার ঠিক কতগুলো ফাঁদ পাতা থাকতে পারে???

২০১৫/১৬ এর দিকে ব্লেড মারার একটা ট্রেন্ড শুরু হইছিলো। ভিড়ের মধ্যে সুযোগ বুঝে মেয়েদের গায়ে ব্লেড দিয়ে টান দেওয়া হইতো। ছিনতাই বা সেক্সুয়াল এসল্ট না, মেয়েটা হঠাৎ খেয়াল করলো তার হাত/পা/পিঠ জ্বলতেছে, তারপর দেখলো গলগল রক্ত। সে জানলোও না আসলে কী হইছে তার সাথে। জাস্ট একটা মেয়ে রক্তাক্ত হয়ে অসহায় হয়ে কাঁদতেছে এইটা এইটাই এবিউজারের প্লেইজার।

এই সময়েই আরেক দল সিরিঞ্চে করে স্পার্ম নিয়ে ঘুরতো আর সুযোগ বুঝে দূর থেকে মেয়েদের গায়ে মারতো। মানে আপনি দেখলেন আপনার গায়ে ঘন পিচ্ছিল কিছু একটা ছিটকে এসে লাগছে, আপনি বুঝতেছেন না। ঐ সময় রেস্টুরেন্টে একটা মেয়ের গায়ে স্পার্ম মেরে ধরা খায় এক ছেলে, তার কাছে ২২ টা সিরিঞ্চ পাওয়া যায় স্পার্ম ভর্তি।

এরপর আরেক দল আসলো যারা এরকম জামা কেটে নিয়ে যাইতো। স্পেশালি স্যালোয়ার কামিজের পেছনের অংশ।

চিন্তা করতে পারেন, হয়রানি ঠিক কত ধরনের হতে পারে??

আপুদের আর সাবধান থাকতে বলবো না। ফ্রেন্ডলিস্টে-ফলোয়ার লিস্টে প্রচুর ট্রু জেন্টলম্যান ভায়েরা আছেন। আপনাদের কাছে হাত জোর করে অনুরোধ করি ভাই, রাস্তা ঘাটে অফিসে, রেস্টুরেন্টে আপনার চোখের সামনে যেই নারীটি আছে তার দিকে একটু খেয়াল রাখেন প্লিজ। তার দুইটাই চোখ। সামনে থেকে আসা ধাক্কা সে হয়ত সামলাইতে পারবে কিন্তু পেছন থেকে আসা এতো এতো বিপদ আসলেই সামলানো সম্ভব না যদি না আপনারা একটু দয়া পরবশ হয়ে খেয়াল রাখেন।

আপনার চোখের সামনে যে অপরিচিতা নারীটি আছে কিংবা রাতে আপনার বুকের কাছে যেই নারীটি নিশ্চিন্তে ঘুমায় কিংবা যেই নারীটি আপনাকে জন্ম দিছে বা যেই নারীটি আপনার মাধ্যমে জন্ম নেয় অথবা যেই নারীর সঙ্গে আপনি উদর ভাগাভাগি করেছেন, আপনার পাশের ডেস্কে বসে যেই নারীটি কাজ করে কিংবা যেই নারীটির কাছে আপনি এক্সামের আগে নোটস চান, এই প্রত্যেকটা নারীর পেছনে ২৪/৭ হাজারটা বিপদ ওৎ পেতে আছে!

একটু খেয়াল রাইখেন ভাই, আপনার সামনে থাকা নারীটির গায়ে যেন দূর থেকে স্পার্ম এসে না পড়ে, কেউ দেখতে পাচ্ছে না বলে ব্লেড দিয়ে পোচ কেউ না দেয়, টুক করে চুলটা কেটে নিয়ে না যায়।

আমর না টায়ার্ড। আমরা আর পারতেছি না ভায়েরা! একটা দিন ঘর থেকে বের হইলে ঠিক কতগুলো সম্ভাব্য হয়রানির প্রিপারেশন রাখা যায় বলেন!! ©
Rimana Aktar আপুর ওয়াল থেকে কপি।

কেপ্টাগন গ্রহণকারীর সাধারণ আচরণ🔹 ১. অতিরিক্ত এনার্জি ও জেগে থাকাঅনেকক্ষণ ঘুম না করে সক্রিয় থাকাক্লান্তি অনুভব না করা🔹 ২....
22/02/2026

কেপ্টাগন গ্রহণকারীর সাধারণ আচরণ
🔹 ১. অতিরিক্ত এনার্জি ও জেগে থাকা
অনেকক্ষণ ঘুম না করে সক্রিয় থাকা
ক্লান্তি অনুভব না করা
🔹 ২. অস্বাভাবিক আত্মবিশ্বাস ও ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ
নিজেকে অপ্রতিরোধ্য মনে করা
হঠাৎ মারামারি বা বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত নেওয়া
🔹 ৩. অতিরিক্ত কথা বলা ও অস্থিরতা
দ্রুত ও বেশি কথা বলা
স্থির হয়ে বসে থাকতে না পারা
🔹 ৪. ক্ষুধামন্দা
দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা
🔹 ৫. রাগ, আগ্রাসন ও সন্দেহপ্রবণতা
ছোট বিষয়ে তীব্র রাগ
অন্যদের উপর সন্দেহ করা (paranoia)
🔹 ৬. মানসিক সমস্যা
হ্যালুসিনেশন (অদৃশ্য কিছু দেখা/শোনা)
বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন আচরণ
দীর্ঘমেয়াদে ডিপ্রেশন বা সাইকোসিস
শারীরিক লক্ষণ
হৃদস্পন্দন দ্রুত হওয়া
চোখের মণি বড় হয়ে যাওয়া
ঘাম বেশি হওয়া
ওজন কমে যাওয়া

04/09/2025
বিবেক ধ্বংস
25/05/2025

বিবেক ধ্বংস

25/02/2025

আপনারা সবাই যদি পেইজটিকে শেয়ার করেন। তাহলে পেইজটি দ্রুত বড় হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ

এটাই বাস্তব। কারন বউ কখনও জীবন দিতে যাবেনা😂
19/02/2025

এটাই বাস্তব। কারন বউ কখনও জীবন দিতে যাবেনা😂

Address

Delhi
110001

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Politics Update BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share