Kanksa info

Kanksa info Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Kanksa info, News & Media Website, Rajbandh, Durgapur.

কাঁকসা ইনফো (Kanksainfo) হলো একটি আধুনিক ও নির্ভরযোগ্য চ্যানেল, যা সবার জন্য তথ্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হল তথ্যসমৃদ্ধ সমাজ গঠন এবং মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। আমাদের সঙ্গে থাকুন ।
Govt.Reg- WB-23-0041779

19/02/2026

কাঁকসা রাজবাঁধের শিবরাত্রি মেলা এবারও ভক্তি, ঐতিহ্য ও আনন্দের এক সুন্দর মিলনক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।

18/02/2026

রাজবাঁধ, কাঁকসায় বাবা ভৈরব মেলা প্রাঙ্গণে এখন জমজমাট অনুষ্ঠান চলছে Musical Band-এর বিশেষ পরিবেশনা।

16/02/2026

আজ ১৬ই ফেব্রুয়ারি…
মেলার দ্বিতীয় দিন…
রাজবাঁধ, কাঁকসায় এখন জমজমাট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছে।
সন্ধ্যা নামতেই মঞ্চে একের পর এক পরিবেশনা।
স্থানীয় শিল্পীদের গান, ছোট ছোট শিশুদের নৃত্য ও আবৃত্তিতে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো মেলা প্রাঙ্গণ।
দর্শকদের ভিড় ক্রমশ বাড়ছে…
চারদিকে উৎসবের আমেজ।
আগামীকাল দুপুর ১২টা থেকে শুরু হবে মহাভোগ প্রসাদ বিতরণ।ভক্তদের জন্য খিচুড়ি প্রসাদ এবং নরনারায়ণ সেবা। তার আগাম প্রস্তুতি তুলে ধরছি আপনাদের সামনে। কত ভক্তদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল এই মহামিলন উৎসব।

এবার দেখে নেওয়া যাক ১৭ তারিখ থেকে পরবর্তী কর্মসূচি—
📅 ১৭ ফেব্রুয়ারি | তৃতীয় দিন
Tanker Transporter-এর সহযোগিতায় বিশেষ আয়োজন।
🕛 দুপুর ১২টা থেকে শুরু হবে মহাভোগ প্রসাদ বিতরণ।
ভক্তদের জন্য খিচুড়ি প্রসাদ এবং নরনারায়ণ সেবা।
রাতে থাকছে জমজমাট অর্কেস্ট্রা অনুষ্ঠান।
📅 ১৮ ফেব্রুয়ারি | চতুর্থ দিন
দুপুর ১২টা থেকে মহাভোগ প্রসাদ ও নরনারায়ণ সেবা।
রাতে জনপ্রিয় “Boogy Woogy” নৃত্য পরিবেশনা।
📅 ১৯ ফেব্রুয়ারি | পঞ্চম দিন
দুপুর ১২টা থেকে শুরু হবে মহাভোগ প্রসাদ বিতরণ।
ভক্তদের জন্য খিচুড়ি প্রসাদ এবং নরনারায়ণ সেবা।
সন্ধ্যায় থাকছে Musical Band-এর বিশেষ পরিবেশনা।
📅 ২০ ফেব্রুয়ারি | ষষ্ঠ ও সমাপ্তির দিন
রাত ৮টা থেকে অর্কেস্ট্রা অনুষ্ঠান।
সঙ্গীত ও আনন্দের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে এবারের মহোৎসবের।
সব মিলিয়ে রাজবাঁধের এই মেলা এখন উৎসবের কেন্দ্রবিন্দুতে।
ধর্মীয় আচার, মানবসেবা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন—সবকিছুর মিলনে এক অনন্য পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
রাজবাঁধ, কাঁকসা থেকে
Kanksainfo.।

15/02/2026

পশ্চিম বর্ধমান জেলার কাঁকসা ব্লকের রাজবাঁধ এলাকায় শিবরাত্রি উপলক্ষে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী শিবরাত্রি মেলা। প্রতি বছরের মতো এ বছরও ভক্তি, আনন্দ ও উৎসবের আবহে মুখর হয়ে উঠেছে সমগ্র অঞ্চল।
শিবরাত্রির পবিত্র তিথিকে কেন্দ্র করে পাঁচ দিনব্যাপী এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। সকাল থেকেই মেলা প্রাঙ্গণে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের ভিড় চোখে পড়ার মতো। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি আশেপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকেও মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে এখানে উপস্থিত হচ্ছেন।
মেলা প্রাঙ্গণে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের দোকান-পসরা। মিষ্টির স্টল, খেলনার দোকান, গৃহস্থালির সামগ্রী এবং নানান ধরনের খাবারের আয়োজন দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করছে। শিশুদের জন্য নাগরদোলা ও বিনোদনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে, যার ফলে ছোটদের মধ্যেও উৎসাহের শেষ নেই।
ধর্মীয় দিক থেকে এই মেলার গুরুত্ব অপরিসীম। রাজবাঁধ এলাকার শিবমন্দিরে বিশেষ পূজা, আরতি এবং ভক্তিমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ভোর থেকে শুরু হয়েছে জলাভিষেক ও শিবলিঙ্গে বেলপাতা অর্পণ। সন্ধ্যাবেলায় আরতির সময় মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্তদের ভিড় আরও বেড়ে যায়।
স্থানীয়দের মতে, রাজবাঁধের এই শিবরাত্রি মেলা বহু বছরের ঐতিহ্য বহন করে আসছে। এটি শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং সামাজিক মিলনমেলারও এক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। এই মেলাকে কেন্দ্র করে এলাকার মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।
আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় মেলা শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, কাঁকসা রাজবাঁধের শিবরাত্রি মেলা এবারও ভক্তি, ঐতিহ্য ও আনন্দের এক সুন্দর মিলনক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।
কাঁকসা রাজবাঁধ থেকে,
Kanksainfo।

12/02/2026

PCBL আবাসনে অনুষ্ঠিত হলো বহুল প্রতীক্ষিত PCBL Annual Garden Competition-এর ৪৬তম বর্ষ।
প্রতিবছরের মতো এবছরও আবাসনের গৃহিণীরা উৎসাহ ও আন্তরিকতার সঙ্গে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।
নিজেদের বাড়ির আঙিনা ও বারান্দাকে তাঁরা রূপ দিয়েছেন এক একটি সবুজ স্বর্গে।
বিভিন্ন রঙের ফুল, সজ্জিত টব, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং নান্দনিক পরিকল্পনায় প্রতিটি বাগানই হয়ে উঠেছে আলাদা আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।
এই প্রতিযোগিতা শুধুমাত্র পুরস্কার অর্জনের জন্য নয়।
এটি প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা, পরিবেশ সচেতনতা এবং সৃজনশীলতার এক সুন্দর উদাহরণ।
গৃহিণীদের নিয়মিত পরিচর্যা, ধৈর্য ও যত্নের ফলেই আজ এই বাগানগুলো প্রাণবন্ত ও মনোমুগ্ধকর রূপ পেয়েছে।
সবুজায়নের এই প্রচেষ্টা শুধু সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেনি, বরং আবাসনের সামগ্রিক পরিবেশকে করেছে আরও সতেজ ও আনন্দময়।
৪৬ বছরের এই ঐতিহ্য আজও সমানভাবে ধরে রেখেছে তার গুরুত্ব ও গৌরব।
ভবিষ্যতেও এই সবুজ উদ্যোগ আরও বিস্তৃত হোক — এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।
PCBL Annual Garden Competition আবারও প্রমাণ করে দিল —
অল্প পরিশ্রম, আন্তরিকতা আর প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসাই পারে গড়ে তুলতে এক টুকরো সবুজ স্বপ্ন।

02/02/2026

আজ থেকে শুরু হলো পশ্চিমবঙ্গের মাধ্যমিক পরীক্ষা।
রাজ্যজুড়ে হাজার হাজার পরীক্ষার্থী এই গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।
পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনার জন্য স্কুলগুলিতে প্রশাসনিক ভাবে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে মোতায়েন রয়েছে পুলিশ বাহিনী।
পরীক্ষাকেন্দ্রের আশপাশে অপ্রয়োজনীয় ভিড় এড়াতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নজরদারি।
কোনো রকম অসাদধু উপায় ঠেকাতে প্রশাসন রয়েছে সম্পূর্ণ সতর্ক।
এই কড়া নিরাপত্তা ও সুচিন্তিত ব্যবস্থার ফলে অভিভাবকরাও যথেষ্ট খুশি।
তাদের বক্তব্য, এতে সন্তানরা নির্ভয়ে ও মানসিক চাপ কম নিয়ে পরীক্ষা দিতে পারছে।
মাধ্যমিক পরীক্ষা স্বচ্ছ, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।
সব পরীক্ষার্থীদের জন্য রইল শুভেচ্ছা ও শুভকামনা

27/01/2026

রাজবাঁধ বর্ণপরিচয় বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ।
রাজবাঁধ বর্ণপরিচয় বিদ্যালয়ে সম্প্রতি উৎসাহ ও আনন্দঘন পরিবেশে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। সকাল থেকে আমলাজোড়া সারদামণি আশ্রমের ময়দান প্রাঙ্গণ ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানের সূচনা হয় জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও ক্রীড়া শপথ গ্রহণের মাধ্যমে। এরপর বিভিন্ন শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণে দৌড় প্রতিযোগিতা,নানা ধরনের খেলাধুলা অনুষ্ঠিত হয়। বিশেষ করে ছোটদের খেলাগুলি দর্শকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত জরুরি। তিনি সকল অংশগ্রহণকারী ছাত্রছাত্রীদের ও অভিভাবকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
অনুষ্ঠানের শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়। সুশৃঙ্খল ও আনন্দময় পরিবেশে সমগ্র ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সফলভাবে সম্পন্ন হয়। এই আয়োজন ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, সৌহার্দ্য ও খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করল।

24/12/2025

যিশুখ্রিস্টের জন্মদিন উপলক্ষে জমজমাট বাজার
রাত পোহালেই ২৫শে ডিসেম্বর, বড়দিন।
যিশুখ্রিস্টের শুভ জন্মদিনকে ঘিরে ইতিমধ্যেই উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র।
শহর ও গ্রামাঞ্চলের বাজার, হাট ও দোকানগুলিতে ক্রেতাদের ভিড় চোখে পড়ার মতো।
দোকানে দোকানে সাজিয়ে রাখা হয়েছে কেক, চকোলেট, খেলনা ও নানা ধরনের উপহার সামগ্রী।
অভিভাবকেরা তাঁদের বাচ্চাদের জন্য কেক ও গিফট কিনে বাড়ি ফিরছেন।
বিশেষ করে ফ্যান লাগানো খেলনা, পুতুল ও রঙিন খেলনার চাহিদা বেশি রয়েছে।
সব মিলিয়ে যিশুখ্রিস্টের জন্মদিনকে ঘিরে
বাজার জুড়ে এখন শুধুই উৎসবের ব্যস্ততা ও আনন্দের ছবি। 🎄

21/12/2025

রাজবাঁধ নেতাজি লাইব্রেরী ও স্পোর্টিং ক্লাব এক হৃদয়স্পর্শী উদ্যোগ।
নচিকেতার গান গেয়ে শোনান শিল্পী প্রদীপ কুমার
https://youtu.be/PqshGKCtak8?si=MVLL82y_RITfhMrZ

20/12/2025

যাত্রা উৎসব : ২০২৫
পরিচালনায়:- রাজবাঁধ নেতাজী লাইব্রেরী এন্ড স্পোর্টিংক্লাব।
স্থান:-
রাজবাঁধ নেতাজী বিদ্যাপীঠ ময়দান।
গ্রাম+ পো: - রাজবাঁধ
থানা:- কাঁকসা, জেলা:- পশ্চিম বর্ধমান 🔆 ৫ ই পৌষ ( ইং ২১/১২/২০২৫ )
রত্নদীপ অপেরা পরিবেশিত
👑 একালের মহাভারত
সময়: সন্ধ্যা ০৬:৩০ ঘটিকায়।

10/12/2025

হারিয়ে যাওয়া লোকসংস্কৃতিকে ফিরে পেতে ঐতিহাসিক উদ্যোগ

রাজবাঁধ নেতাজি বিদ্যাপীঠ ময়দানে যাত্রাপালা উপস্থাপনা**

বর্ধমানের সংস্কৃতির অমলিন সম্পদ যাত্রাপালা— যা একসময় ছিল গ্রামের আঙিনা থেকে শহর পর্যন্ত বিনোদনের প্রধান মাধ্যম। আধুনিকতার পরিবর্তিত রূপে এই শিল্প আজ প্রায় হারিয়েছে তার আগের জৌলুস। আর সেই বিস্মৃতপ্রায় শিল্পধারাকে নতুন করে প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতেই রাজবাঁধ নেতাজি লাইব্রেরী ও স্পোর্টিং ক্লাব এক হৃদয়স্পর্শী উদ্যোগ নিয়েছে।

রাজবাঁধ নেতাজি বিদ্যাপীঠের বিস্তীর্ণ মাঠে আগামী ১৯, ২০ ও ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে তিনদিনব্যাপী আয়োজিত হতে চলেছে বর্ণাঢ্য যাত্রাপালা উৎসব। এই অনুষ্ঠানের লক্ষ্য—
✔ যাত্রাশিল্পীদের সম্মান জানানো
✔ হারিয়ে যাওয়া শিল্পরূপকে পুনর্জাগরণ
✔ এবং রাজবাঁধ নেতাজি লাইব্রেরির উন্নয়নে সাহায্য করা

প্রতিদিন সন্ধ্যায় মঞ্চস্থ হবে তিনটি মনোমুগ্ধকর পালা— রোমাঞ্চ, সামাজিক নাটক ও থ্রিলারে ভরপুর যাত্রার জমজমাট পরিবেশনা।
অঞ্চলবাসীর প্রতি বিশেষ আহ্বান
এই যাত্রাপালা শুধু বিনোদন নয়; এটি আমাদের শিকড়, আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখার এক সম্মিলিত প্রচেষ্টা। তাই রাজবাঁধ ও আশপাশের সকল অঞ্চলবাসীর কাছে আন্তরিক আহ্বান—
আপনারা পরিবার-পরিজন নিয়ে এই যাত্রাপালা দেখতে আসুন।
আপনাদের উপস্থিতিই শিল্পীদের উৎসাহ দেবে, আর আমাদের লোকসংস্কৃতিকে আবার নতুন জীবন দেবে।https://youtu.be/EB2JaB7ezJo?si=fjiqpQoG5IhLGSkJ

25/11/2025

স্বাধীনতার পরবর্তীকাল থেকে বেশ কয়েকজন প্রধানশিক্ষক এই বিদ্যালয়ের দায়িত্বভার সামলেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন----

আমলাজোড়া উচ্চ বিদ্যালয়। স্বাধীনতা প্রাপ্তির বছরে তৎকালীন অবিভক্ত বর্ধমান জেলার পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত একটি ছোট জনপদের অধিবাসীরা নিজেদের সন্তান সন্ততির পড়াশোনার জন্য গড়ে তুলেছিলেন এই বিদ্যালয়টি। প্রথমে প্রাথমিক, পরে জুনিয়র হাই সকুল, এবং সবশেষে ১৯৭৮ সালে এই বিদ্যালয়টি দশম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ানোর স্বীকৃতি পেল।
এই স্কুলটি বরাবরই আমলাজোড়া গ্রাম তো বটেই, আশেপাশের রাজবাঁধ, মাণিক আড়া, ধোবাঘাটা, বাবনাবেড়া, মোবারকগঞ্জ, বিহারপুর প্রভৃতি গ্রামের অধিবাসীদের প্রয়োজন মিটিয়ে আসছে। এই অঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসাবে এই বিদ্যালয়টির নাম সুবিদিত।
স্বাধীনতার পরবর্তীকাল থেকে বেশ কয়েকজন প্রধানশিক্ষক এই বিদ্যালয়ের দায়িত্বভার সামলেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন শশধর সরকার, যমুনা বিহারী মজুমদার, মদন মোহন কর্মকার ও ত্রিলোচন মন্ডল। শ্রী ত্রিলোচন মণ্ডল দীর্ঘকাল এই বিদ্যালয়ে প্রধানশিক্ষকের গুরুদায়িত্ব পালন করে ২০০৩ সালে অবসর গ্রহণ করেন। তার এক বছর পরে এই শিক্ষাঙ্গনের প্রাঙ্গনে শুভাগমন ঘটে আজকে যাঁর অবসরকালীন সংবর্ধনা সভায় আমরা সকলে সমাগত হয়েছি, সেই মাননীয় সন্দীপ চক্রবর্তী মহাশয়ের।
সন্দীপবাবু যখন প্রধানশিক্ষকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন, তখন বিদ্যালয় ছাত্রছাত্রীর কলরবে পরিপূর্ণ হলেও তার পরিসর ছিল সঙ্কীর্ণ। শ্রেণিকক্ষের অভাব ছিল, পরিকাঠামোরও উন্নয়নের প্রয়োজন ছিল। সন্দীপবাবু তাঁর স্বভাবসিদ্ধ দূরদর্শিতাকে কাজে লাগিয়েও ধীরে ধীরে সে উন্নয়নের কাজে হাত লাগালেন। তাঁর উদ্যোগে তৈরি হল পুরাতন ভবনে কয়েকটি নূতন শ্রেণীকক্ষ।
পরবর্তীকালে এই বিদ্যালয়ে স্থাপিত হল বৃত্তিমূলক শিক্ষার বিভাগ। দূর হল এই অঞ্চলের বহু মানুষের একটি দীর্ঘস্থায়ী অসুবিধা। প্রধানশিক্ষক অনুভব করলেন বিদ্যালয়টিকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে উন্নীত করার প্রয়োজন। তাঁর তৎপরতায় ২০১১ সালে শুরু হল কলাবিভাগের পঠন পাঠন।
তার পূর্বে সেই সময়ের পরিচালন সমিতির সম্পাদক ও গ্রামের অন্যান্য শুভানুধ্যায়ী মানুষের সহায়তায় গ্রামের প্রান্তে একটি বৃহৎ জমিতে স্থাপিত হল সম্পূর্ণ নূতন একটি সকুল বিল্ডিং। ধীরে ধীরে প্রধানশিক্ষকের উদ্যোগে স্টীল অথরিটি অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড সহ বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার অনুদানে গড়ে উঠল আজকের এই সুপ্রশস্ত বহুকক্ষবিশিষ্ট বিদ্যালয়ভবনটি।
বহু ইতিহাসের, বহু উত্থানপতনের সাক্ষী আমাদের সর্বজনপ্রিয় সদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক শ্রী সন্দীপ চক্রবর্তী মহাশয়। তিনি একদিকে যেমন পরিকাঠামোর উন্নয়ন ঘটিয়েছেন বর্তমান পরিচালন সমিতির সভাপতি ও সদস্যদেরকে পাশে নিয়ে, অন্যদিকে তেমনই বিদ্যালয়ের পঠনপাঠন, নিয়ম-শৃঙ্খলা, সহপাঠ্যক্রমিক কার্য্যাবলীতেও এনেছেন নতুন জোয়ার। তাঁর নেতৃত্বে সহশিক্ষক শিক্ষিকারা প্রতিষ্ঠানটিকে নতুনতর উচ্চতায় তুলে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন।
গত ৩০ শে সেপ্টেম্বর আমাদের সকলের শ্রদ্ধেয় মাননীয় সন্দীপ চক্রবর্তী দীর্ঘ একুশ বছরের কর্মজীবন সম্পাদন করে কালের নিয়মে অবসর গ্রহণ করেছেন। তাঁর ত্যাগ, তিতিক্ষা, কর্মপ্রাণতা আমাদের সকলের কাছে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আশা রাখি, তিনি দীর্ঘ ও নীরোগ জীবন লাভ করবেন, ও অবসরোত্তর কাল নুতনভাবে নিজেকে আবিষ্কার করবেন। (স্ক্রিপ্ট লেখা সহযোগিতা করেছেন মাননীয় প্রসেনজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়)

Address

Rajbandh
Durgapur
713212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kanksa info posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share