02/10/2025
অবতারবাদ :
অবতার কথাটি এসেছে অবতরণ থেকে। অর্থাৎ যে নেমে আসে। আমাদের জগৎ অনেক গুলো তলে বিভক্ত। মানুষ যেমন পৃথিবীতে থাকে তেমনি আত্মা ও পৃথিবীতেই থাকে কিন্তু অন্য তলে বা সময়ের পকেটে। ফলে সে দৃশ্যমান হয় না। যখন কোন কারনে দুই তল সমান্তরাল হয় তখন আমরা তাদের দেখতে পাই।
যাদের ভগবান বলে অভিহিত করা হয়। তারাও এক প্রকার প্রানী কিন্তু তারা অন্য তলে রয়েছে। ফলে তারা দৃশ্যমান নয়। যারা সাধনায় এ সমস্ত দেব দেবীদের দর্শন পেয়েছেন, সেইসব আদতে ত্রিমাত্রিক ছবি বা মুভি। তাদের পক্ষে পৃথিবীতে দেহ ধারণ করে আসা সম্ভব নয়। সেই কারনে তাদের যখন পৃথিবীতে আসতে হয় তখন মানব রুপে জন্ম গ্ৰহন করতে হয়। এই পদ্ধতির নাম অবতরন এবং যে আসে সে অবতার।
প্রতিটি মানুষের আত্মা বহু প্রাচীন যখন তাঁরা পৃথিবীতে পুনর্জন্ম নেয় তখন তাদের ও অবতরণ করে অবতার হতে হয়। সুতরাং অবতার শুধুমাত্র দেব দেবীরা নয়। বলা যায় প্রতিটি প্রানী এমনকি প্রানহীন যাদের আমরা দেখি এদের সবাই কিন্তু জীবন্ত। যেমন নদী, পাহাড়, সমুদ্র, পুকুর, পৃথিবী। গাছ পালারা তো আছেই কারন বিজ্ঞান ই প্রমাণ করে দিয়েছে যে তাদের প্রান আছে।
দেবতারাও কিন্তু সাধনার দ্বারা সাধারণ থেকে অসাধারণ হয়েছে। এমনকি আমরা যে সমস্ত অসুর আর রাক্ষস দের গল্প পড়ি, তারাও কিন্তু সাধক এবং সাধনার সিদ্ধিতে শক্তিশালী হয়েছে। একমাত্র ব্যতিক্রম হলো যে এদের ভাবনা ঋনাত্মক ফলে এরা ঋনাত্মক কর্ম কান্ডের সাথে যুক্ত।
দেব দেবী দের অবতার নিয়ে মাতামাতি হয় কিন্তু মানুষের অবতার নিয়ে মানুষ নিজেই আগ্ৰহী নয়। দেব দেবী অবতার হয়ে যে তারা অবতার সেটা তারা বুঝতে পারে কিন্তু মানুষ অহংকারের ঠুলি পরে জানতে পারে না।
তবে দেব দেবীদের অবতার আর মানুষের অবতারের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। আত্মা যুগ যুগ ধরে প্রেত লোকে বসে রয়েছে। সুযোগ হলেই মানব রুপে জন্ম নেয়। দেব দেবীরা কিন্তু পৃথিবীর প্রানী নয়। তাদের অবতার নেয়ার ঘটনা টা অনেক টাই আলাদা।
তখন তারা প্রানহীন হয়ে পড়ে থাকে। তাদের শরীর তাদের যে তল রয়েছে সেই তলে পড়ে থাকে। অনেক টা সুক্ষ দেহে ভ্রমণ করার মতো। দেবতা দের ডাইমেনশনে সময়ের গতি শ্লথ। কয়েক ঘণ্টা ওখানে একজন দেবতার পৃথিবীতে তার অবতারের সম্পূর্ণ জীবন। বেশিরভাগ মানব অবতারের মৃত্যু মানুষ এর মতোই। কারোর কারোর যোগ নিদ্রায় যাওয়ার উদাহরণ আছে।
অবতার দুই রকমের হয়। এক স্বয়ং দেবতা বা দেবী অবতার হচ্ছে আর দ্ব