RD Mediazone

RD Mediazone tolly update
(1)

ছোটপর্দার দর্শকদের জন্য মন খারাপের খবর। মাত্র সাড়ে ছয় মাসের মধ্যেই শেষ হতে চলেছে জি বাংলার ধারাবাহিক ‘মিলন হবে কতদিনে’...
31/05/2026

ছোটপর্দার দর্শকদের জন্য মন খারাপের খবর। মাত্র সাড়ে ছয় মাসের মধ্যেই শেষ হতে চলেছে জি বাংলার ধারাবাহিক ‘মিলন হবে কতদিনে’। বড় প্রত্যাশা নিয়ে শুরু হলেও টিআরপি তালিকায় প্রত্যাশিত সাফল্য না পাওয়ায় দ্রুতই ইতি টানতে হচ্ছে এই সফরের।

এই ধারাবাহিকে দুই বোনের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন শোলাঙ্কি রায় এবং তনুশ্রী সাহা। পর্দার সেই সম্পর্ক যে বাস্তব জীবনেও গভীর বন্ধুত্বে পরিণত হয়েছিল, তার প্রমাণ মিলল শেষ শুটিংয়ের দিনে। সোশ্যাল মিডিয়ায় শোলাঙ্কিকে জড়িয়ে ধরে একটি আবেগঘন পোস্ট করেন তনুশ্রী।

তিনি লেখেন, সাধারণত দিদি-বোনের চরিত্রে কাস্টিং করা হয় মুখের মিল দেখে। কিন্তু তাঁদের ক্ষেত্রে মিল ছিল মানসিকতা, জীবনদর্শন, পছন্দ-অপছন্দ, এমনকি ভাগ্য-দুর্ভাগ্যেও। মজার ছলে তিনি লেখেন, “আমাদের দাঁতগুলোও যেন এক হয়ে গিয়েছে!” শুটিং সেটে একসঙ্গে কাটানো অসংখ্য মুহূর্তের কথা স্মরণ করে তনুশ্রী জানান, শোলাঙ্কির সঙ্গে তিনি এমন সব কথা ভাগ করে নিতে পারতেন, যা অন্য কাউকে বলা যেত না। পোস্টের শেষে ভালোবাসায় ভরিয়ে দেন প্রিয় ‘দিদি’কে।

প্রসঙ্গত, ‘গাঁটছড়া’-র জনপ্রিয় জুটি গৌরব চট্টোপাধ্যায় ও শোলাঙ্কি রায়কে ফের একসঙ্গে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্তকে বড় চমক হিসেবে দেখেছিল দর্শকরা। কিন্তু সেই জনপ্রিয়তা নতুন ধারাবাহিকে আর ধরা পড়েনি। অনেকের মতে, গল্পের দুর্বলতা এবং টিআরপির লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়াই এই পরিণতির অন্যতম কারণ।

তবে ধারাবাহিক শেষ হয়ে গেলেও, এই সফর তনুশ্রী এবং শোলাঙ্কিকে যে এক গভীর বন্ধুত্বের বন্ধনে বেঁধে দিয়েছে, তা তাঁদের আবেগঘন বার্তাতেই স্পষ্ট। আর সেই কারণেই ‘মিলন হবে কতদিনে’ শেষ হলেও, এই সম্পর্কের গল্প বোধহয় শেষ হওয়ার নয়।

সোশ্যাল মিডিয়ার পরিচিত মুখ সায়নী চক্রবর্তী-র মৃত্যুর ঘটনায় এখনও শোকস্তব্ধ নেটপাড়া। ঘটনার পর নানা জল্পনা তৈরি হলেও এব...
31/05/2026

সোশ্যাল মিডিয়ার পরিচিত মুখ সায়নী চক্রবর্তী-র মৃত্যুর ঘটনায় এখনও শোকস্তব্ধ নেটপাড়া। ঘটনার পর নানা জল্পনা তৈরি হলেও এবার প্রথমবার প্রকাশ্যে মুখ খুললেন তাঁর মা মলি চক্রবর্তী।

মেয়েকে হারানোর শোক সামলে সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি জানান, গত চার বছর ধরে একটি সম্পর্কে ছিলেন সায়নী। দুই পরিবারের সদস্যরাই সেই সম্পর্কের কথা জানতেন এবং মেনে নিয়েছিলেন। কিন্তু মৃত্যুর আগের দিন একটি ঘটনা তাঁদের ভাবিয়ে তুলেছে। মলিদেবীর দাবি, প্রেমিকের বাড়ি থেকে সেদিন কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরেছিলেন সায়নী। সেই ঘটনার পর থেকেই তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে পরিবারের অনুমান।

মায়ের কথায়, সায়নী সবসময় প্রাণখোলা, হাসিখুশি মেয়ে ছিল। পশুপাখিদের নিয়ে থাকতে ভালোবাসত এবং পরিবারের সঙ্গেও তাঁর সম্পর্ক ছিল বন্ধুর মতো। তাই এমন একটি চরম সিদ্ধান্তের পেছনে কী কারণ কাজ করেছিল, তা জানতে চাইছেন তিনি।

মলি চক্রবর্তী আরও দাবি করেছেন, মেয়ের বন্ধুদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন যে সম্পর্কের মধ্যে অশান্তি ছিল। সেই সূত্র ধরেই তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পাশাপাশি সায়নীর ফোন থেকে পাওয়া কিছু বার্তাও তদন্তকারীদের হাতে তুলে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

তবে এই মুহূর্তে অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই করা এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা তদন্তকারী সংস্থার কাজ। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

মেয়ের মৃত্যুর বিচার চেয়ে মলিদেবীর একটাই আবেদন— যদি কোনও অন্যায় হয়ে থাকে, তবে দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি হোক। আর সেই আশাতেই এখন আইনের উপর ভরসা রেখে অপেক্ষা করছেন তিনি। 

বাংলা টেলিভিশনের পরিচিত মুখ মৌলি দত্ত সম্প্রতি জীবনের এক অত্যন্ত কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছেন। দীর্ঘদিন কাজের অনিশ্চয়তা...
31/05/2026

বাংলা টেলিভিশনের পরিচিত মুখ মৌলি দত্ত সম্প্রতি জীবনের এক অত্যন্ত কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছেন। দীর্ঘদিন কাজের অনিশ্চয়তা, আর্থিক চাপ এবং মানসিক অবসাদের সঙ্গে লড়াই করতে করতে একসময় ভেঙে পড়েন অভিনেত্রী। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, তিনি ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহননের চেষ্টা করেন। সৌভাগ্যবশত, বন্ধুদের তৎপরতায় সময়মতো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয় এবং বর্তমানে তিনি বিপদমুক্ত।

এক সাক্ষাৎকারে মৌলি জানান, নিয়মিত কাজ না থাকায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপে ছিলেন। বর্তমান প্রজেক্টে কাজ থাকলেও তা নিয়মিত নয়। অন্যদিকে ফ্ল্যাটের ইএমআই, সংসারের খরচ এবং পরিবারের দায়িত্ব একার কাঁধে বহন করতে গিয়ে ক্রমশ অসহায় বোধ করছিলেন। কাজের খোঁজে বহু জায়গায় যোগাযোগ করেও আশানুরূপ সাড়া পাননি।

অভিনেত্রীর কথায়, সেদিন একটি কাছের বন্ধুর সঙ্গে মনোমালিন্যও তাঁকে আরও ভেঙে দেয়। চারপাশে কেউ তাঁর কথা শুনছে না, পাশে দাঁড়াচ্ছে না— এমন অনুভূতি থেকেই তিনি চিকিৎসকের দেওয়া ঘুমের ওষুধ একসঙ্গে খেয়ে ফেলেন। পরে বন্ধুরাই তাঁর ফ্ল্যাটে পৌঁছে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করান।

বর্তমানে অনেকটাই সুস্থ রয়েছেন মৌলি দত্ত। যদিও শরীরে এখনও দুর্বলতা রয়েছে, তবুও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করছেন। তিনি নিজেও স্বীকার করেছেন, সেই মুহূর্তের সিদ্ধান্ত ভুল ছিল এবং এমন পদক্ষেপ নেওয়া উচিত হয়নি।

এই ঘটনার পর একটি বিষয় তাঁর কাছে পরিষ্কার হয়েছে— বিপদের সময় কারা সত্যিই পাশে থাকেন। কঠিন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে তিনি নিজের কাছের মানুষদের নতুন করে চিনতে পেরেছেন।

যদি কখনও আপনার বা পরিচিত কারও মনে আত্মহানি বা আত্মহত্যার চিন্তা আসে, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব পরিবারের সদস্য, বন্ধু, মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বা স্থানীয় জরুরি সহায়তা পরিষেবার সঙ্গে যোগাযোগ করা গুরুত্বপূর্ণ। সাহায্য পাওয়া সম্ভব, এবং সংকটের মুহূর্ত কেটে যেতে পারে।

টেলিভিশনের ব্যস্ত শিডিউল, শুটিং আর আলো-ঝলমলে জীবন থেকে কিছুদিনের বিরতি নিয়েছিলেন গীতশ্রী রায়। ‘শুভ বিবাহ’ ধারাবাহিক শেষ...
31/05/2026

টেলিভিশনের ব্যস্ত শিডিউল, শুটিং আর আলো-ঝলমলে জীবন থেকে কিছুদিনের বিরতি নিয়েছিলেন গীতশ্রী রায়। ‘শুভ বিবাহ’ ধারাবাহিক শেষ হতেই তিনি পাড়ি দেন হৃষীকেশে। উদ্দেশ্য ছিল একটাই— বহুদিনের স্বপ্ন পূরণ করা। টানা ২৫ দিন পরিবার, বন্ধু এবং পরিচিত পরিবেশ থেকে দূরে থেকে যোগাসনের বিশেষ প্রশিক্ষণ নেন অভিনেত্রী।

গীতশ্রীর কথায়, করোনাকাল থেকেই তাঁর মনে এই ইচ্ছে জন্মেছিল। তবে কাজের ব্যস্ততায় কখনও সময় বের করতে পারেননি। অবশেষে সুযোগ মিলতেই নিজেকে সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

হৃষীকেশে তাঁর দিন শুরু হতো ভোর ৬টায়। সারাদিন জুড়ে চলত যোগাসন, শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন, ধ্যান এবং প্রাচীন শাস্ত্র পাঠ। শুধু তাই নয়, পুরো প্রশিক্ষণ চলাকালীন কঠোর নিরামিষ জীবনযাপন করতে হয়েছে তাঁকে। খাবারের তালিকায় ছিল না মাছ, মাংস, ডিম, এমনকি পেঁয়াজ-রসুনও। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত চলত নিয়মমাফিক প্রশিক্ষণ।

অভিনেত্রীর দাবি, এই ২৫ দিনের অভিজ্ঞতা তাঁর জীবনদর্শনই বদলে দিয়েছে। আগে তিনি অনেক বেশি আবেগপ্রবণ এবং উত্তেজিত ছিলেন। কিন্তু এই প্রশিক্ষণের পর নিজেকে অনেক বেশি শান্ত ও স্থির বলে মনে হচ্ছে। পরিবারকে ছাড়া থাকতে না পারলেও সেখানে গিয়ে মানসিক প্রশান্তি পেয়েছেন বলেই জানান তিনি।

তবে এই প্রশিক্ষণের খরচও নেহাত কম নয়। গীতশ্রীর কথায়, ২০০ ঘণ্টার যোগ প্রশিক্ষণের জন্য প্রায় ৮৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে, যার মধ্যে থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থাও ছিল। আর ৩০০ ঘণ্টার কোর্স করতে গেলে খরচ প্রায় ১ লক্ষ টাকার কাছাকাছি পৌঁছে যায়। সেই সঙ্গে কয়েক মাস আগে থেকেই আসন সংরক্ষণ করতে হয়।

এখন প্রশ্ন, ভবিষ্যতে কি অভিনয়ের পাশাপাশি যোগ প্রশিক্ষক হিসেবেও দেখা যাবে গীতশ্রী রায়-কে? সেই উত্তর অবশ্য এখনও দেননি তিনি। তবে একথা স্পষ্ট, এই ২৫ দিনের যাত্রা তাঁর জীবনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

টলিপাড়ার অন্যতম জনপ্রিয় জুটি রণজয় বিষ্ণু এবং শ্যামৌপ্তি মুদলি। পর্দার প্রেম বাস্তব জীবনে পৌঁছে বিয়ের বন্ধনে বাঁধা পড...
31/05/2026

টলিপাড়ার অন্যতম জনপ্রিয় জুটি রণজয় বিষ্ণু এবং শ্যামৌপ্তি মুদলি। পর্দার প্রেম বাস্তব জীবনে পৌঁছে বিয়ের বন্ধনে বাঁধা পড়েছে অনেকদিন আগেই। তবে এবার শ্যামৌপ্তির জীবনের বিশেষ দিনে রণজয়ের এক মিষ্টি আচরণ মন জয় করে নিল নেটিজেনদের।

সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে শ্যামৌপ্তির প্রথম বড়পর্দার ছবি ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’। ছবির প্রিমিয়ারে অভিনেত্রীর পাশে ছায়াসঙ্গীর মতো ছিলেন রণজয়। তবে নজর কেড়েছে অন্য একটি মুহূর্ত। লাল গালিচায় দাঁড়িয়ে থাকা শ্যামৌপ্তি এবং তাঁর বাবা-মায়ের ছবি নিজের ফোনে তুলে যাচ্ছিলেন অভিনেতা। কোনও তারকাসুলভ আচরণ নয়, বরং একজন গর্বিত স্বামী ও আদর্শ জামাইয়ের মতো পরিবারের আনন্দকে ফ্রেমবন্দি করতেই বেশি ব্যস্ত ছিলেন তিনি।

এই ভিডিও সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসার ঝড় ওঠে। অনেকেই মন্তব্য করেন, রণজয় নিজের আলো কেড়ে না নিয়ে বরং স্ত্রীর সাফল্যকে উদযাপন করছেন। আর সেখানেই লুকিয়ে রয়েছে তাঁর ব্যক্তিত্বের সৌন্দর্য।

প্রিমিয়ারে শ্যামৌপ্তিকে দেখা যায় টুকটুকে লাল শাড়িতে, আর রণজয় হাজির ছিলেন সাদা পাঞ্জাবিতে। দুজনের উপস্থিতি যেমন নজর কেড়েছে, তেমনই মুগ্ধ করেছে তাঁদের পারিবারিক বন্ধন।

সবচেয়ে বেশি প্রশংসা কুড়িয়েছে রণজয়ের একটি মন্তব্যও। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথা ভুলে শুধুমাত্র দর্শক হিসেবে বিচার করলেও শ্যামৌপ্তি ছবিতে দারুণ অভিনয় করেছেন। স্বামীর মুখে এই অকপট প্রশংসা শুনে খুশি অনুরাগীরাও।

নেটিজেনদের মতে, ভালোবাসা শুধু বড় বড় কথা নয়, বরং এমন ছোট ছোট মুহূর্তেই ধরা পড়ে। আর সেই কারণেই অনেকের চোখে রণজয় বিষ্ণু এখন টলিপাড়ার “গ্রিন ফ্ল্যাগ” স্বামীদের তালিকায় একেবারে প্রথম সারিতে।

ছোটপর্দার পরিচিত মুখ দেবচন্দ্রিমা সিংহ রায় এবার ধরা দিলেন একেবারে ভিন্ন মেজাজে। ব্যাংকক সফরে গিয়ে অভিনেত্রী সমাজমাধ্যমে...
30/05/2026

ছোটপর্দার পরিচিত মুখ দেবচন্দ্রিমা সিংহ রায় এবার ধরা দিলেন একেবারে ভিন্ন মেজাজে। ব্যাংকক সফরে গিয়ে অভিনেত্রী সমাজমাধ্যমে শেয়ার করেছেন একটি স্টাইলিশ ও গ্ল্যামারাস ছবি, যা ঘিরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। ছবিতে সাদা বিছানার উপর অনায়াস ভঙ্গিতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। তাঁর এই নতুন লুক যেমন অনুরাগীদের একাংশের প্রশংসা কুড়িয়েছে, তেমনই সমালোচনাও ডেকে এনেছে।

দীর্ঘদিন ধরে বাংলা টেলিভিশনের জনপ্রিয় মুখ হিসেবে দর্শকদের কাছে পরিচিত দেবচন্দ্রিমা। পর্দায় তাঁকে সাধারণত সাবেকি বা পারিবারিক চরিত্রে দেখতে অভ্যস্ত দর্শকরা। ফলে তাঁর এই সাহসী ও আধুনিক ফটোশুট অনেকের কাছেই চমক হয়ে এসেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই শুরু হয়েছে নানা প্রতিক্রিয়া। কেউ অভিনেত্রীর আত্মবিশ্বাস ও স্টাইল সেন্সের প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ তাঁর পোশাক ও উপস্থাপন নিয়ে সমালোচনা করেছেন। নেটমাধ্যমের এই মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মাঝেও অবশ্য দেবচন্দ্রিমা এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি।

অনুরাগীদের একাংশের মতে, একজন শিল্পী নিজের ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ কিংবা ফ্যাশন নিয়ে কীভাবে নিজেকে প্রকাশ করবেন, সেই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ তাঁর নিজের। অন্যদিকে সমালোচকদের একাংশের দাবি, ছোটপর্দার জনপ্রিয় মুখ হিসেবে তাঁর এমন ছবি বিতর্ক তৈরি করতেই পারে।

প্রসঙ্গত, বাংলা টেলিভিশনে সাফল্যের পর এখন হিন্দি বিনোদন জগতেও নিজের জায়গা তৈরি করছেন দেবচন্দ্রিমা সিংহ রায়। কাজের ব্যস্ততার ফাঁকে এই ব্যাংকক সফরের ছবিই এখন সোশ্যাল মিডিয়ার অন্যতম আলোচ্য বিষয়। গ্ল্যামার, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতিক্রিয়া— সব মিলিয়ে অভিনেত্রীর এই পোস্ট ঘিরে বিতর্ক যে আরও কিছুদিন চলবে, তা বলাই বাহুল্য।

সমাজমাধ্যম প্রভাবী সায়নী চক্রবর্তীর মৃত্যুর খবর এখনও মেনে নিতে পারছেন না অনেকেই। সেই ঘটনার আবহেই আবেগঘন ও বিস্ফোরক পোস্ট...
30/05/2026

সমাজমাধ্যম প্রভাবী সায়নী চক্রবর্তীর মৃত্যুর খবর এখনও মেনে নিতে পারছেন না অনেকেই। সেই ঘটনার আবহেই আবেগঘন ও বিস্ফোরক পোস্ট করলেন দেবলীনা নন্দী। কয়েক মাস আগেই নিজে মানসিক অবসাদের কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। তাই সায়নীর ঘটনা তাঁকে যেন আরও গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে।

নিজের পোস্টে দেবলীনা জানান, সায়নীর সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত পরিচয় খুব বেশি ছিল না। মাত্র একদিন, কয়েক মিনিটের কথাবার্তা হয়েছিল। কিন্তু সেই অল্প সময়ের স্মৃতিও তাঁকে ভাবাচ্ছে। অভিনেত্রীর কথায়, বাইরে থেকে কাউকে দেখে তার মনের ভেতরের যন্ত্রণা বোঝা যায় না। কতটা কষ্ট জমে থাকলে একজন মানুষ এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, তা তিনি নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই উপলব্ধি করেন।

এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রোলিং সংস্কৃতির বিরুদ্ধে সরব হন দেবলীনা। তাঁর অভিযোগ, মানুষ বেঁচে থাকলে তাকে কটাক্ষ, সমালোচনা আর অপমান করা হয়, কিন্তু মৃত্যুর পর একই মানুষকে নিয়ে শোকপ্রকাশের ঢল নামে। অভিনেত্রীর মতে, এই দ্বিচারিতাই সবচেয়ে ভয়ংকর।

সবচেয়ে আলোড়ন ফেলেছে তাঁর পোস্টের একটি অংশ, যেখানে তিনি লিখেছেন— “কিছু মানুষের সেটা নিয়ে সমস্যা, রোজ রোজ মারতে চাইছে আমাকে।” এই বক্তব্যে স্পষ্ট, এখনও অনলাইন আক্রমণ ও ট্রোলিংয়ের শিকার হতে হচ্ছে তাঁকে।

দেবলীনা নিজের অতীতের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি স্বীকার করেন, একসময় আবেগের বশে এমন একটি ভুল সিদ্ধান্ত নিতে গিয়েছিলেন, যা তাঁর পরিবারকে ভেঙে দিতে পারত। কিন্তু কাছের মানুষদের ভালোবাসা ও সমর্থন তাঁকে সেই অন্ধকার সময় থেকে ফিরিয়ে এনেছে।

পোস্টের শেষে সায়নীর উদ্দেশে এক আবেগঘন বার্তা দেন অভিনেত্রী। তিনি লেখেন, সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন সায়নীর মা। একই সঙ্গে তিনি বলেন, জীবনের কঠিন সময় যতই ভয়ংকর হোক, বাবা-মাকে এমন কষ্ট দেওয়া ঠিক নয়— এই উপলব্ধি তিনি নিজের জীবন থেকেই পেয়েছেন।

দেবলীনার এই পোস্ট এখন নেটদুনিয়ায় ব্যাপক আলোচিত। অনেকেই মনে করছেন, এটি শুধু একজন অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা নয়, বরং সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রোলিং, মানসিক স্বাস্থ্য এবং সহমর্মিতার অভাব নিয়ে সমাজের সামনে এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরেছে।

ছোটপর্দার পরিচিত মুখ ডোনা ভৌমিক-কে সম্প্রতি দেখা গেল একেবারে নববধূর সাজে। সোনালি শাড়ি, গা ভর্তি গয়না, সিঁথিভরা সিঁদুর—...
30/05/2026

ছোটপর্দার পরিচিত মুখ ডোনা ভৌমিক-কে সম্প্রতি দেখা গেল একেবারে নববধূর সাজে। সোনালি শাড়ি, গা ভর্তি গয়না, সিঁথিভরা সিঁদুর— পাশে আবার তাঁর মনের মানুষ সায়ন্তন মুখোপাধ্যায়। ছবিগুলি প্রকাশ্যে আসতেই নেটপাড়ায় শুরু হয় জোর জল্পনা। অনেকেই ভেবেছিলেন, তবে কি গোপনেই বিয়ে সেরে ফেললেন ‘ডায়মন্ড দিদি’?

তবে আসল গল্পটা একটু অন্যরকম। এই সাজ আসলে কোনও গোপন বিয়ের নয়, একটি জনপ্রিয় পোশাক সংস্থার ব্রাইডাল ফটোশুটের অংশ। নতুন বউয়ের লুকে ধরা দিয়েছিলেন ডোনা, আর তাঁর সঙ্গে ছিলেন বাস্তব জীবনের সঙ্গী সায়ন্তন। ফলে ফটোশুট হলেও অনুরাগীরা যেন ভবিষ্যতের এক ঝলক দেখতে পেয়ে গেলেন।

টলিপাড়ার অনেক তারকার মতো ইন্ডাস্ট্রির কারও সঙ্গে নয়, বরং গ্ল্যামার দুনিয়ার বাইরের একজনকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছেন ডোনা। সায়ন্তন কর্পোরেট জগতের মানুষ এবং একটি নামী সংস্থায় সেলস ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত। অভিনয় জগতের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত না থাকলেও ডোনার কেরিয়ারের প্রতিটি ধাপে তিনি নাকি বড় ভরসা হয়ে থেকেছেন।

ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, দুজনের সম্পর্ক এখন অনেকটাই পরিণতির পথে। পরিবারগুলির মধ্যে কথাবার্তাও এগিয়েছে। এমনকি বিয়ের প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। সব ঠিক থাকলে চলতি বছরের শেষের দিকেই চার হাত এক হতে পারে।

‘টুম্পা অটোওয়ালি’ থেকে ‘ডায়মন্ড দিদি জিন্দাবাদ’— একাধিক ধারাবাহিকে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছেন ডোনা। এবার ব্যক্তিগত জীবনেও নতুন অধ্যায়ের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। আর এই ব্রাইডাল ফটোশুট দেখে অনুরাগীদের একটাই মন্তব্য— ছবিতে যদি এত সুন্দর লাগে, তাহলে আসল বিয়ের দিন কেমন লাগবে অভিনেত্রীকে!

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পালাবদলের পর নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে টলিউডের অন্দরে। বিশেষ করে শিল্পী ও টেকনিশিয়ানদের জন্য চালু ...
30/05/2026

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পালাবদলের পর নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে টলিউডের অন্দরে। বিশেষ করে শিল্পী ও টেকনিশিয়ানদের জন্য চালু থাকা বিভিন্ন প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে কৌতূহল কম নয়। এরই মাঝে ‘ফেরা’-র বিশেষ প্রদর্শনীতে উপস্থিত হয়ে মুখ খুললেন দেব। আর সেখানেই তাঁর একটি মন্তব্য ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

টেকনিশিয়ানদের ‘স্বাস্থ্যসাথী’ কার্ড নিয়ে প্রশ্ন করা হলে দেব জানান, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এখনও খুব কম সময় হয়েছে। তাই এই মুহূর্তে তড়িঘড়ি কোনও মন্তব্য করতে চান না তিনি। অভিনেতা-সাংসদের কথায়, যে কোনও সরকারকে কাজের সুযোগ ও সময় দেওয়া উচিত। তাঁর বিশ্বাস, নতুন সরকারও শিল্পী ও টেকনিশিয়ানদের স্বার্থে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেবে।

তবে কথোপকথনের এক পর্যায়ে দেব এমন একটি মন্তব্য করেন, যা ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। তিনি বলেন, “আমাদের এই ইন্ডাস্ট্রিতে আমি যে ভাবে সাফার করেছি, সেটা আর হবে না বলেই আমার বিশ্বাস।” এই একটি লাইনই এখন টলিপাড়ার অন্দরে নানা ব্যাখ্যার জন্ম দিয়েছে।

দেবের বক্তব্যে স্পষ্ট, তিনি আশাবাদী যে ভবিষ্যতে কাজের পরিবেশ আরও উন্নত হবে এবং শিল্পীদের নানা সমস্যার সমাধান হবে। তাঁর মতে, সরকার পরিবর্তনের পর সঙ্গে সঙ্গে সবকিছুর ফল পাওয়া সম্ভব নয়। কোনও নীতি বা সিদ্ধান্তের বাস্তব প্রভাব দেখতে সময় লাগে। তাই অন্তত এক বছর সময় দেওয়ার পক্ষেই মত দিয়েছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনের আগে টলিউডে নানা ইস্যু নিয়ে মতবিরোধের খবর সামনে এসেছিল। বিশেষ করে টেকনিশিয়ানদের ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে দেব এবং স্বরূপ বিশ্বাস-কে ঘিরে আলোচনাও হয়েছিল। যদিও সেই বিতর্ক এখন অতীত।

এখন দেবের নজর ভবিষ্যতের দিকে। তাঁর বিশ্বাস, নতুন সরকার শিল্প ও বিনোদন জগতের জন্য আরও সুযোগ তৈরি করবে। আর সেই কারণেই নিজের অতীত অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন— আগামী দিনে হয়তো টলিউডে কাজের পরিবেশ আরও ইতিবাচক হতে চলেছে।

30/05/2026

“কুমকুম”-ধারাবাহিক থেকে কেন সরে দাঁড়ালেন অভিনেত্রী সুস্মিতা?

Address

EGRA
Egra
721422

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RD Mediazone posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share