Bangal News Time

Bangal News Time Tollywood.Bollywood .news
9339311540 only whatsapp

দুর্গাপুজোর আগে বাংলায় এসে বাগেশ্বর ধাম সরকারের প্রধান ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রী, যিনি বাগেশ্বর বাবা নামেও পরিচিত, তাঁর এ...
12/09/2026

দুর্গাপুজোর আগে বাংলায় এসে বাগেশ্বর ধাম সরকারের প্রধান ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রী, যিনি বাগেশ্বর বাবা নামেও পরিচিত, তাঁর একটি মন্তব্যকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বাঙালির খাদ্যাভ্যাস এবং দুর্গাপুজোর সময়ে আমিষ খাওয়া নিয়ে তাঁর বক্তব্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বিভিন্ন মহলে। অভিযোগ উঠেছে, তাঁর মন্তব্যে বাঙালির সংস্কৃতি ও অস্মিতাকে আঘাত করা হয়েছে।

এই বিতর্কের মধ্যেই বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপ এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সরব হলেন অভিনেতা অরিত্র দত্ত বণিক। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি দীর্ঘ পোস্ট করে প্রকাশ্যে নিজের ক্ষোভের কথা জানিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে বাঙালির খাদ্যাভ্যাস, ঐতিহ্য ও পুজোর রীতিনীতির পক্ষে দাঁড়িয়ে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিনেতা।

পোস্টে অরিত্র লেখেন, বাঙালির খাদ্যাভ্যাস ও পুজোর আচার নিয়ে মন্তব্য করে বাগেশ্বর বাবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে, তাঁর ছবি পোড়ানোর অভিযোগে বিক্ষোভকারীদের ধরপাকড় করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে এমন ‘বাঙালি-বিরোধী’ সরকারি নির্দেশ মেনে নেওয়া উচিত নয়।

এমনকী, নিজের অবস্থান আরও স্পষ্ট করে অরিত্র লেখেন, যে সরকার একজন জাতি হিসেবে বাঙালির আবেগ ও জাত্যাভিমানে আঘাত করে, একজন নাগরিক হিসেবে সেই সরকারের আইন বা প্রশাসনিক নির্দেশ তিনি মানেন না।

তবে এই পোস্ট সামনে আসতেই শুরু হয়েছে পাল্টা বিতর্ক। নেটপাড়ার একাংশ অভিনেতার বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন। কমেন্ট সেকশনে তাঁকে ‘মাকু’, ‘চটিচাটা’ সহ নানা কটাক্ষ করা হয়েছে। তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ।

অন্যদিকে, বাগেশ্বর বাবার সমর্থকরাও অরিত্রর পোস্টের বিরোধিতা করেছেন। তাঁদের একাংশের অভিযোগ, অভিনেতার বক্তব্য হিন্দু ধর্মের ভাবাবেগের বিরোধী।

অর্থাৎ, বাগেশ্বর বাবার মন্তব্য ঘিরে যে বিতর্ক শুরু হয়েছিল, অরিত্র দত্ত বণিকের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের পর তা আরও এক দফা উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এখন অভিনেতার এই বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে বিতর্ক কোন দিকে গড়ায়, সেটাই দেখার।

12/09/2026

রাজবীরের মাইন্ড গেমের দিন কি শেষ? এবার ঘরে ঢুকছেন জীতু কমল!

রণজয় বিষ্ণু ও শ্যামৌপ্তি মুদলির সম্পর্ক নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই টলিপাড়ায় নানা জল্পনা। বিয়ের মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই তাঁদে...
12/09/2026

রণজয় বিষ্ণু ও শ্যামৌপ্তি মুদলির সম্পর্ক নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই টলিপাড়ায় নানা জল্পনা। বিয়ের মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই তাঁদের সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়েছে, এমনকী সেই সম্পর্ক নাকি বিচ্ছেদের দিকেও এগোচ্ছে—এমন খবরও ছড়িয়েছিল। যদিও এই বিষয়ে শ্যামৌপ্তি কখনও প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। রণজয়ও বারবার জানিয়েছেন, নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তিনি কোনও আলোচনা করতে চান না।

এর মধ্যেই এই সম্পর্কের জল্পনায় বারবার উঠে এসেছে অভিনেত্রী অভিকা মালাকারের নাম। বর্তমানে স্টার জলসার ‘প্রতিজ্ঞা’ ধারাবাহিকে একসঙ্গে কাজ করছেন রণজয় ও অভিকা। তাঁদের বন্ধুত্ব নিয়েই নানা কথা ছড়িয়েছে। যদিও রণজয়ের দাবি, ধারাবাহিকের চরিত্রকে ঠিকভাবে ফুটিয়ে তুলতেই সহ-অভিনেত্রীর সঙ্গে তাঁর যে ধরনের সম্পর্ক থাকা প্রয়োজন, সেটাই রয়েছে।

অভিকার জন্মদিনেও সেই জল্পনা আরও একবার মাথাচাড়া দেয়। অভিনেত্রীর সঙ্গে একটি নাচের ভিডিও পোস্ট করেছিলেন রণজয়। পরে স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন, ভিডিওটি শুধুমাত্র দর্শকদের জন্যই। কিন্তু তারপরেও সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা নেতিবাচক মন্তব্য শুরু হয়।

এবার সেই সমালোচনা নিয়েই মুখ খুলেছেন রণজয়। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা জানান, তাঁকে নিয়ে চর্চা করেন এমন মানুষের সংখ্যা মোটেই খুব বেশি নয়। তাঁর মতে, ১০০ জনের মধ্যে হয়তো ১৫ জন কোনও বিষয়কে অন্যভাবে দেখছেন। সেই অল্প কয়েকজনের কথাকে গুরুত্ব দিতে শুরু করলে নিজের কাজ এবং জীবন—দুটোতেই এগিয়ে যাওয়া কঠিন।

রণজয়ের আরও বক্তব্য, এর আগে তিনি যে ধারাবাহিকগুলিতে কাজ করেছেন, সেখানকার জুটিগুলি দর্শকদের পছন্দ হয়েছে। ‘প্রতিজ্ঞা’-তেও তেমনই হয়েছে। অধিকাংশ দর্শক তাঁদের জুটিকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন। কিন্তু অল্প কিছু মানুষের নেতিবাচক মন্তব্যই বারবার সামনে আসছে।

অভিনেতার মতে, আসলে এই মন্তব্যগুলিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কারণেই বিষয়টি বড় হয়ে উঠছে। তাই কিছু মানুষ কী বলছেন, তা নিয়ে না ভেবে নিজের কাজেই মন দিতে চান রণজয়। তাঁর স্পষ্ট বার্তা—সব কথার উত্তর দেওয়া বা সবাইকে সন্তুষ্ট করা সম্ভব নয়।

হঠাৎ অসুস্থ অভিনেতা ঋতব্রত মুখোপাধ্যায়। শুক্রবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানান তিন...
12/09/2026

হঠাৎ অসুস্থ অভিনেতা ঋতব্রত মুখোপাধ্যায়। শুক্রবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানান তিনি। ঋতব্রত জানিয়েছেন, গত ১০ দিন ধরে তিনি এবং তাঁর পরিবার কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন।

কী হয়েছে অভিনেতার? জানা যাচ্ছে, সম্প্রতি তাঁর চোখে পরপর দু’টি অস্ত্রোপচার হয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে আপাতত সম্পূর্ণ বেড রেস্টে রয়েছেন তিনি।

নিজের পোস্টে ঋতব্রত আরও জানিয়েছেন, এখনও সুস্থ হয়ে ওঠার পথে অনেকটা লড়াই বাকি। তাই এই মুহূর্তে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইছেন না তিনি। অনুরাগী এবং পরিচিতদের উদ্দেশে তাঁর অনুরোধ, আপাতত যেন তাঁকে ফোন বা মেসেজ না করা হয়।

তবে আতঙ্কিত হওয়ার মতো কোনও খবর দেননি অভিনেতা। ঋতব্রত জানিয়েছেন, তিনি এখন অনেকটাই সুস্থ। যদিও এই মুহূর্তে কথা বলার মতো অবস্থায় নেই তিনি।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে নিজেই সকলকে নিজের শারীরিক অবস্থার আপডেট দেবেন বলেও জানিয়েছেন অভিনেতা।

ঋতব্রতের এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তাঁর অনুরাগীরা। অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। এখন আপাতত চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে বিশ্রামেই রয়েছেন অভিনেতা।

মিমি চক্রবর্তীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ফের জোর চর্চা। এবার প্রশ্ন উঠছে, তবে কি সত্যিই জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে চলেছেন অ...
12/09/2026

মিমি চক্রবর্তীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ফের জোর চর্চা। এবার প্রশ্ন উঠছে, তবে কি সত্যিই জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে চলেছেন অভিনেত্রী? টলিপাড়ায় কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে, আগামী ডিসেম্বরেই নাকি বিয়ের পিঁড়িতে বসতে পারেন মিমি।

শুধু বিয়ের খবর নয়, ইতিমধ্যেই নাকি বিয়ের জায়গাও ঠিক হয়ে গিয়েছে। সূত্রের দাবি, পাহাড়ের কোলে কালিম্পংয়েই বসতে চলেছে মিমির বিয়ের আসর। এমনকী, ঘনিষ্ঠদের মধ্যে নিমন্ত্রণপত্র দেওয়ার কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে বলে খবর।

আর সবচেয়ে বড় চমক পাত্রের পরিচয় ঘিরে। শোনা যাচ্ছে, মিমির হবু বর বিনোদন জগতের কেউ নন। তিনি ভারতীয় নৌসেনার এক অফিসার। নাম সিদ্ধার্থ। অর্থাৎ টলিউডের চেনা দুনিয়ার বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ অন্য পেশার একজনকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিচ্ছেন মিমি—এমনই দাবি সূত্রের।

তবে এখানেই রয়েছে বড় প্রশ্ন। সত্যিই কি বিয়ে করছেন মিমি?

কারণ, অভিনেত্রীর আপ্তসহায়ক জানিয়েছেন, এই বিষয়ে তাঁর কাছে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক তথ্য নেই। মিমি নিজেও প্রকাশ্যে কিছু জানাননি। হবু পাত্রের তরফ থেকেও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

তাহলে আচমকা এত জল্পনা কেন? আসলে সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুরাগীদের প্রশ্নের উত্তরে মিমির একটি মন্তব্য নতুন করে কৌতূহল বাড়িয়েছে। সেই মন্তব্যের পরই তাঁর বিয়ে নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।

এখনও পর্যন্ত পুরো বিষয়টাই জল্পনার স্তরে। তবে টলিপাড়ার অন্দরের কানাঘুষো বলছে, খুব শিগগিরই হয়তো নিজের জীবনের এই বিশেষ খবরটা মিমি নিজেই অনুরাগীদের জানাতে পারেন।

সত্যিই কি ডিসেম্বরে মিমির বিয়ে? কালিম্পংয়েই কি বসবে সেই বহু প্রতীক্ষিত আসর? উত্তর মিলবে সময়ের সঙ্গেই

টেলিপাড়ায় ফের মনখারাপের খবর। আচমকাই শেষ হয়ে গেল জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘কনে দেখা আলো’। ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে শেষ দি...
12/09/2026

টেলিপাড়ায় ফের মনখারাপের খবর। আচমকাই শেষ হয়ে গেল জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘কনে দেখা আলো’। ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে শেষ দিনের শ্যুট। আর ধারাবাহিক শেষ হওয়ার খবর সামনে আসতেই আবেগে ভেসেছেন মাত্র ১৬ বছরের সাইনা চট্টোপাধ্যায়।

‘কনে দেখা আলো’-য় ‘লাজু’ চরিত্র দিয়েই মুখ্য ভূমিকায় প্রথমবার দর্শকদের সামনে এসেছিলেন সাইনা। এর আগে ‘অনুরাগের ছোঁয়া’-য় অল্প সময়ের জন্য কাজ করলেও, লাজু হিসেবেই তাঁর পরিচিতি তৈরি হয়। ছোট্ট মেয়েটির অভিনয় খুব দ্রুতই দর্শকদের মন জয় করে নেয়।

তাই আচমকা ধারাবাহিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবরটা সাইনার কাছেও যে সহজ ছিল না, তা তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট দেখলেই বোঝা যায়। একের পর এক পোস্টে নিজের চরিত্র, সহকর্মী এবং দর্শকদের নিয়ে আবেগ উজাড় করে দিয়েছেন তিনি।

সাইনা লিখেছেন, লাজবন্তী হয়ে যখন প্রথম ‘কনে দেখা আলো’-র দুনিয়ায় পা রেখেছিলেন, তখন ভাবতেও পারেননি ‘লাজু’ দর্শকদের এতটা কাছের হয়ে উঠবে। দর্শকদের পাঠানো বার্তা, এডিট, আশীর্বাদ আর ভালোবাসার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।

তাঁর কথায়, একটা সিরিয়াল হয়তো শেষ হয়ে যায়, কিন্তু সেই সিরিয়ালের সঙ্গে তৈরি হওয়া সম্পর্ক আর স্মৃতিগুলো থেকে যায় সারাজীবন। দর্শকরা তাঁকে শুধু একজন অভিনেত্রী হিসেবে নয়, পরিবারের একজন সদস্যের মতো আপন করে নিয়েছেন—এই ভালোবাসাই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় পাওয়া।

একইসঙ্গে ‘কনে দেখা আলো’-র পুরো টিমকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন সাইনা। ধারাবাহিকে সোমরাজ মাইতির সঙ্গে তাঁর জুটিও বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল। ‘সাইরাজ’ এবং ‘অনুবন্তী’ নামে দর্শকদের তৈরি করা হ্যাশট্যাগও একসময় সোশ্যাল মিডিয়ায় নজর কেড়েছিল।

এদিকে ধারাবাহিক শেষ হওয়ার খবরে মন খারাপ দর্শকদেরও। কেউ লিখেছেন, লাজু আর অনুভবকে আর একসঙ্গে পর্দায় দেখতে না পাওয়ার কথা ভাবলেই তাঁর কান্না পাচ্ছে। কেউ আবার সাইনাকে সাহস দিয়ে বলেছেন, এই বয়সেই তাঁর কৃতজ্ঞতা আর ভালোবাসার প্রকাশ তাঁকে ভবিষ্যতে আরও অনেক দূর নিয়ে যাবে।

নন্দিনী দত্ত ‘বনলতা’ চরিত্র থেকে সরে যাওয়ার পর নতুন বনলতা হিসেবে সৌমিলি চক্রবর্তীকে আনা হয়েছিল। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হল না। শেষ হয়ে গেল ‘কনে দেখা আলো’। আর লাজুকে বিদায় জানিয়ে সাইনার এই আবেগঘন পোস্টে মন খারাপ দর্শকদেরও।

বিগ বসের ঘরে ঢোকার পর অনেক তারকারই এমন কিছু দিক সামনে আসে, যা দর্শকদের আগে দেখা হয়নি। এবার তেমনই এক প্রতিযোগীকে ঘিরে বিস...
11/09/2026

বিগ বসের ঘরে ঢোকার পর অনেক তারকারই এমন কিছু দিক সামনে আসে, যা দর্শকদের আগে দেখা হয়নি। এবার তেমনই এক প্রতিযোগীকে ঘিরে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন অভিনেত্রী রূপা ভট্টাচার্য। তাঁর নিশানায় জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ‘লাফটার সেন’ ওরফে নিরঞ্জন মণ্ডল।
লাফটার সেনের কনটেন্টের ভক্ত হয়েও বিগ বসের ঘরে নিরঞ্জনের আচরণে রীতিমতো হতাশ রূপা। তাঁর প্রশ্ন, যে মানুষকে এতদিন বুদ্ধিদীপ্ত ও মজার কনটেন্ট করতে দেখা গিয়েছে, তিনি রিয়্যালিটি শোয়ে এসে হঠাৎ এমন বদলে গেলেন কীভাবে?
রূপার মতে, ঝগড়াঝাঁটি করাই বিগ বসের একমাত্র পরিচয় নয়। উদাহরণ হিসেবে তিনি ঝিলমের কথা তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, ঝিলম যেকোনও পরিস্থিতির মধ্যেই হাসির উপাদান খুঁজে নিতে পারছেন। কিন্তু নিরঞ্জনের ক্ষেত্রে সেই বুদ্ধি বা হাস্যরসের ছাপ তিনি দেখতে পাচ্ছেন না।
এমনকি জন্মাষ্টমীর টাস্কে নিরঞ্জনের অকারণ চিৎকার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অভিনেত্রী। তাঁর মন্তব্য, এভাবে নজর কাড়ার চেষ্টা সাধারণত তাঁরাই করেন, যাঁদের কনটেন্ট দিয়ে মনোযোগ টানার ক্ষমতা নেই।
সবশেষে রূপার সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—লাফটার সেনের স্ক্রিপ্ট কি সত্যিই নিরঞ্জন নিজে লেখেন? নাকি অন্য কারও কনসেপ্টে শুধু পারফর্ম করেন? অভিনেত্রীর এই মন্তব্য ঘিরেই এখন নেটপাড়ায় শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।

তাপস পালের মেয়ে বলেই ‘বিগ বস বাংলা’-র ঘরে সোহিনী পালের দিকে নজর অনেকটাই বেশি। শোয়ের শুরুতেই সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় তা...
11/09/2026

তাপস পালের মেয়ে বলেই ‘বিগ বস বাংলা’-র ঘরে সোহিনী পালের দিকে নজর অনেকটাই বেশি। শোয়ের শুরুতেই সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় তাঁকে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন, বাবার পরিচয়ের একটা আলাদা ‘ব্যাগেজ’ তাঁকে বহন করতে হবে। তাই নিজের পরিচয় তৈরি করার চেষ্টায় কোনও খামতি রাখছেন না সোহিনী।

তবে প্রতিদিনের ব্যস্ততার মাঝেও তাঁর সঙ্গে থেকে যাচ্ছে বাবার স্মৃতি। ‘বিগ বস’-এর ঘরে প্রায় প্রতিদিনই একই ডেনিম জ্যাকেট পরে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। কেন এত প্রিয় এই জ্যাকেট? সেই রহস্যই এবার সামনে আনলেন সোহিনীর মা নন্দিনী মুখোপাধ্যায় পাল।

নন্দিনী জানালেন, সোহিনীর বয়স যখন মাত্র চার বছর, তখন দার্জিলিংয়ে বাবার সঙ্গে আউটডোরে যাওয়ার সময় এই জ্যাকেটটি ছিল তাঁর পরনে। ২০১৫ সালেও তাপস পালকে সেই জ্যাকেটে দেখা গিয়েছিল। আর ২০২৬ সালে এত বছর পরেও মেয়ের গায়ে একই জ্যাকেট।

নন্দিনীর কথায়, সময় বদলেছে, জীবন বদলেছে, কিন্তু জ্যাকেটটি রয়ে গিয়েছে। তাপস পাল আজ পাশে নেই, অথচ তাঁর স্মৃতির একটা ছোট্ট টুকরো যেন সোহিনী এখনও আগলে রেখেছেন।

হয়তো জ্যাকেটটিতে বাবার গন্ধ পান সোহিনী, হয়তো এর মধ্যেই খুঁজে পান নিরাপত্তা আর স্বস্তি। তাই নন্দিনীর বিশ্বাস, ‘এটা ওর কাছে শুধুই একটা জ্যাকেট নয়। বাবাকে জড়িয়ে ধরতে না পারলেও, বাবার জ্যাকেটটা জড়িয়ে থাকতে পারে।’

বিগ বসের ঘরে সোহিনীর এই ছোট্ট অভ্যাস যেন প্রমাণ করে—প্রিয় মানুষ শারীরিকভাবে দূরে চলে গেলেও, ভালোবাসা কখনও দূরে যায় না।

বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই মা হয়েছিলেন শ্রীময়ী চট্টরাজ। এরপর কিছুদিন আগেই তাঁর পরিবারে এসেছে দ্বিতীয় সন্তান। দুই সন্তা...
11/09/2026

বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই মা হয়েছিলেন শ্রীময়ী চট্টরাজ। এরপর কিছুদিন আগেই তাঁর পরিবারে এসেছে দ্বিতীয় সন্তান। দুই সন্তানকে নিয়ে এখন তাঁর পরিপূর্ণ সংসার। তবে সংসারের ব্যস্ততার মাঝেও মাঝে মাঝে কাজ ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা যায় অভিনেত্রীকে।
তবে এবার অভিনয় নয়, মাতৃত্বের এক মিষ্টি মুহূর্তই নজর কেড়েছে। শ্রীময়ীর শেয়ার করা একটি ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, পার্লারে চুল ধোয়াচ্ছেন তিনি। আর মাকে এভাবে অন্য কারও যত্ন নিতে দেখে একেবারেই চুপ করে থাকতে পারেনি ছোট্ট কৃষভি। সোজা মায়ের কোলে উঠে বসেছে সে!
বাবা কাঞ্চনের সঙ্গেও সময় কাটায় কৃষভি, কিন্তু মায়ের প্রতি তার টান যেন একটু বেশিই। বাড়ির বাইরে এসেও মাকে এক মুহূর্তের জন্য কাছছাড়া করতে রাজি নয় সে। আর এই ছোট্ট দৃশ্যই যেন মাতৃত্বের এক অন্যরকম ছবি তুলে ধরেছে।
এই ভিডিয়ো শেয়ার করে শ্রীময়ী লিখেছেন, মা হওয়ার পর তিনি বুঝেছেন, মাতৃত্বের সবচেয়ে বড় সংজ্ঞা হলো স্বার্থত্যাগ। তবে সেই স্বার্থত্যাগও ভীষণ সুন্দর।

শেষ হয়ে গেল জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘কনে দেখা আলো’-র পথচলা। ধারাবাহিকের সমাপ্তির সঙ্গে বিদায় নিল দর্শকদের পরিচিত চরি...
11/09/2026

শেষ হয়ে গেল জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘কনে দেখা আলো’-র পথচলা। ধারাবাহিকের সমাপ্তির সঙ্গে বিদায় নিল দর্শকদের পরিচিত চরিত্র সুদেবও। এই চরিত্রে অভিনয় করে আলাদা করে নজর কেড়েছিলেন অভিনেতা মৈনাক ঢোল।
ধারাবাহিক শেষ হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের অনুভূতি ভাগ করে নিয়েছেন মৈনাক। তাঁর কাছে ‘সুদেব’ শুধুই একটি চরিত্র ছিল না, বরং অভিনয় জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। তবে শুরুতে এই চরিত্রটি নিয়ে যথেষ্ট দ্বিধায় ছিলেন অভিনেতা। তাঁর মনে প্রশ্ন জেগেছিল, “আমি কি সত্যিই পারব?” কারণ এমন ধরনের চরিত্রে এটাই ছিল তাঁর প্রথম অভিজ্ঞতা।
শেষ পর্যন্ত নিজের পরিশ্রম, পরিচালক, সহ-অভিনেতা এবং গোটা টিমের সহযোগিতায় চরিত্রটিকে নিজের মতো করে তুলে ধরতে পেরেছেন মৈনাক। তাই বিদায়ের মুহূর্তে প্রযোজক অর্ক গঙ্গোপাধ্যায়, পরিচালক জয়দীপ কর্মকার, লেখিকা পরমিতা সেনগুপ্ত, চ্যানেল কর্তৃপক্ষ এবং টেকনিক্যাল টিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।
তবে সবকিছুর শেষে মৈনাকের কাছে সবচেয়ে বড় পাওনা দর্শকদের ভালোবাসা। সুদেবকে দর্শক যে গ্রহণযোগ্যতা ও সম্মান দিয়েছেন, সেটাই তাঁর অভিনয় জীবনের অমূল্য স্মৃতি হয়ে থাকবে।

Address

Egra

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangal News Time posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share