10/01/2026
🗳️ ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন: মালদা–মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের প্রচারের মূল অস্ত্র ‘পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যু’— মালদা থেকেই স্পষ্ট বার্তা অভিষেকের
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক কৌশল যে ভিন রাজ্যে বাংলাভাষী পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর আক্রমণের ইস্যুকেই কেন্দ্র করে, তা এদিন মালদা থেকেই কার্যত স্পষ্ট করে দিলেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জি।
📍 পুরাতন মালদার জলঙ্গি ময়দানে পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যুতে আয়োজিত সভায় অংশ নেন তিনি। দুপুর একটা নাগাদ মঞ্চে প্রবেশ করেন অভিষেক। সভার শুরুতেই সাম্প্রতিক কালে ভিন রাজ্যে আক্রান্ত পরিযায়ী শ্রমিকদের মঞ্চে ডেকে নেন তিনি। তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন, শোনেন নির্যাতনের অভিজ্ঞতা। তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন কালিয়াচকের আমির শেখ, যাঁকে পুশব্যাক করে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছিল বলে অভিযোগ।
🔥 বক্তব্যের শুরু থেকেই চাঁচাছোলা ভাষায় বিজেপি ও কংগ্রেসকে একযোগে আক্রমণ করেন অভিষেক ব্যানার্জি। সরাসরি নিশানা করেন হুমায়ুন কবীরকে। ব্রিগেডের ‘প্যাটিস কাণ্ড’ নিয়েও সরব হন তিনি। অভিষেকের স্পষ্ট বার্তা—
“মালদা–মুর্শিদাবাদের মানুষকে বোকা ভাববেন না।”
👷♂️ পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যুকেই মালদা ও মুর্শিদাবাদের জন্য মূল রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে তুলে ধরেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি বা কংগ্রেস জেতার পরই সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে পরিযায়ী শ্রমিকরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। কংগ্রেস নেতারা কোথাও শ্রমিকদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন না বলেও দাবি করেন তিনি।
📞 অভিষেক বলেন, “তৃণমূল মানুষের ফোন ধরবে, সমস্যা শুনবে, সমাধান করবে।”
একই সঙ্গে প্রতিশ্রুতি দেন, এই মাটিতেই কর্মসংস্থান হবে, কেউ ভিন রাজ্যে ফিরে যেতে বাধ্য হবেন না।
⚔️ রাজনৈতিক আক্রমণে এক সারিতে তিনি তুলে ধরেন শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার, খগেন মুর্মু, এমনকি ইসা খান ও অধীর চৌধুরীর নামও।
🚩 প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে অভিষেক বলেন,
“১৭ তারিখ প্রধানমন্ত্রী যে মাঠে সভা করবেন, ফেব্রুয়ারিতে আমি সেই মাঠেই পাল্টা সভা করব।”
✍️ সভার শেষে পাঁচজন পরিযায়ী শ্রমিকের লিখিত সমস্যার উত্তর দেন অভিষেক ব্যানার্জি। এরপর শ্রমিকদের সঙ্গে একসঙ্গে মধ্যাহ্নভোজন সেরে সভাস্থল ত্যাগ করেন তিনি।