23/08/2026
৩ জুলাই—এই যাত্রাটা একেবারেই আমার একার শুরু হয়েছিল। সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকার কিছু অসহায় ছাত্রছাত্রীর পাশে দাঁড়ানোর স্বপ্ন নিয়ে একাই পথচলা শুরু করেছিলাম। আজ ২৩ আগস্ট—দেখতে দেখতে প্রায় ৫০ দিন পেরিয়ে গেল। আর এই অল্প সময়ের মধ্যেই আমাদের পরিবারের সদস্যসংখ্যা ৩ লক্ষ ছাড়িয়ে গেল! ❤️
তবে আপনাদের আমি কখনো শুধু ফলোয়ার হিসেবে দেখি না। আপনারা প্রত্যেকেই আমার বৃহত্তর পরিবারের এক একজন সদস্য। আপনাদের ভালোবাসা, উৎসাহ, পরামর্শ আর সহযোগিতাই আজ আমাকে এতদূর নিয়ে এসেছে।
শুরুতে ভেবেছিলাম, একাই হয়তো এই লড়াইটা চালিয়ে যাব। কিন্তু কিছুদিন পর বুঝলাম, সুন্দরবনের এই শিশুদের জন্য যে স্বপ্ন দেখেছি, সেটা একার পক্ষে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এই বৃহৎ লড়াইয়ের জন্য প্রয়োজন আরও অনেক মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতা।
সেই ভাবনা থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার এই পথচলা। আর আজ পিছনে ফিরে তাকালে সত্যিই আবেগে মনটা ভরে যায়—আমি আর একা নই। বাংলার বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ, ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের মানুষ, এমনকি বিভিন্ন দেশের মানুষও আজ এই পরিবারের সঙ্গে যুক্ত। ❤️
আমাদের এই পরিবারের একটাই স্বপ্ন—সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকার শিশুদের শিক্ষার পথটা একটু সহজ করে দেওয়া।
আমি বিশ্বাস করি, শিক্ষাই পারে একটি শিশুর ভবিষ্যৎ বদলে দিতে, তার পরিবারের ভবিষ্যৎ বদলে দিতে, এমনকি সমাজেরও পরিবর্তন ঘটাতে। তাই তাদের শিক্ষার পথে দারিদ্র্য বা কোনো অভাব যেন বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেই পথটুকু যদি আমরা সবাই মিলে একটু সুগম করতে পারি—এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে!
আজ ৩ লক্ষ মানুষের ভালোবাসা আমার কাছে শুধুমাত্র একটি সংখ্যা নয়। এটা ৩ লক্ষ মানুষের বিশ্বাস, ভালোবাসা, আশীর্বাদ এবং পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি। 🙏❤️
এভাবেই পাশে থাকুন। একদিন হয়তো আমাদের এই বৃহত্তর পরিবার ১০ লক্ষে পৌঁছাবে। কিন্তু সংখ্যা যতই বাড়ুক, আমাদের উদ্দেশ্য যেন কখনো না বদলায়—শিশুদের শিক্ষা, তাদের সুন্দর ভবিষ্যৎ এবং সুন্দরবনের মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
সকলেই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।
আজকের এই ৩ লক্ষ পরিবারের প্রতিটি মানুষকে আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা। ❤️🙏