06/08/2026
সাত পাকের বাঁধা সম্পর্কের তোয়াক্কা না করে প্রেমিকের হাত ধরেই ছেড়েছিলেন বাড়ি। ভিন রাজ্যে সাজিয়েছিলেন নতুন সংসার। প্রেমের সেই কুঞ্জের ট্রলিব্যগবন্দি অবস্থায় মিলল তরুণীর লাশ। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ সুত্রে খবর, নিহতের নাম ছোটি কুমারী। তিনি বিহারের নওয়াদা জেলার বাসিন্দা ছিলেন। দু'বছর আগে স্বামীকে ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছিলেন। প্রেমিক ঋষভ কুমারের সঙ্গেই কেন্দ্রীয় শাসিত রাজ্য দাদরা নগর হাভেলির দমনে বাড়ি ভাড়া নিয়ে গত ২ বছর ধরে থাকছিলেন। সেই বাড়ি থেকেই উদ্ধার হয়েছে ছোটি কুমারীর দেহ। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই লিভ-ইন সঙ্গী ঋষভ কুমার পলাতক। প্রাথমিক ভাবে তাঁর বিরুদ্ধে খু*নের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তের সন্ধানে চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও মিতার পরিবারের দাবি ছোটি কুমারীর বিয়ে হয়েছিল নাওয়াদা জেলাতেই। কিন্তু বিবাহিত অবস্থাতেই তার সঙ্গে ঋষব কুমারের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
পরিবারের প্রবল আপত্তি সত্ত্বেও প্রায় দু বছর আগে তিনি ঋষভের সঙ্গে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান ।এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে অপহরণ ও নিখোঁজ ডায়েরিও করা হয়েছিল কিন্তু ছুটিয়ার বাড়ি ফিরেননি।
পরে জানা যায় দমনে একটি ভাড়া বাড়িতে একসঙ্গে থাকছিলেন ঋষভ ও ছুটি।
জানা গিয়েছে গত কয়েকদিন ধরে ঋষভ ও ছোটির সম্পর্কের মধ্যে টানাপুড়েন চলছিল এবং প্রায়ই তাদের মধ্যে বচসা হতো।
পরিবারের অভিযোগ সেই বিবাদের জেরেই তাকে খু*ন করেছে।
হ*ত্যার পরে দেহ সুযোগ বুঝে ফেলে দেওয়ার জন্য তিনি ছোটির দে*হটি দুমড়ে মুছড়ে ট্রলিব্যাগে ভরে রাখেন ।
কিন্তু দে*হ লোপাটের উপযুক্ত সুযোগ না পেয়ে অভিযুক্ত ট্রলিব্যাগটি ওখানে ফেলেই বাড়ি ছেড়ে চম্পট দেন অভিযুক্ত । বন্ধ ঘর থেকে পচা গন্ধ পেয়ে পুলিশে খবর দেন বাড়ির মালিক । এর পরেই দমন পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায় তালা ভেঙে ঘরে ঢুকে তারা ট্রলিব্যাগটি উদ্ধার করে , তা খুলতেই ভেতর থেকে ছোটির পচা গ*লা দেহটি উদ্ধার হয়।