22/11/2025
গভীর সমুদ্রের ধারে এক বিশাল পাথরের চূড়ায়, যেখানে কেবল বাতাসের শোঁ শোঁ আর ঢেউয়ের গর্জন শোনা যায়, সেখানে একজন নিঃসঙ্গ ব্যক্তি দাঁড়িয়ে আছেন। তার পরনে দীর্ঘ আলখাল্লা, হাতে একটি লাঠি। তিনি যেন কালের সাক্ষী, আবহাওয়ার সাক্ষী, প্রকৃতির সাক্ষী।
তার চোখ দিগন্তের দিকে নিবদ্ধ, যেখানে আকাশ আর সমুদ্র একাকার হয়ে গেছে। ঢেউগুলো প্রবল বেগে পাথরের গায়ে আছড়ে পড়ছে, ফেনা উড়িয়ে দিচ্ছে বাতাসে। এই রুক্ষ, বিশাল প্রকৃতির মাঝে তিনি একাকী দাঁড়িয়ে যেন কোনো গভীর চিন্তায় মগ্ন। তার মুখাবয়বে ফুটে উঠেছে যেন হাজার বছরের রহস্য আর গল্প। তিনি কি কোনো নাবিক, যিনি তার পথ হারিয়ে ফেলেছেন? নাকি কোনো সাধু, যিনি প্রকৃতির কোলে আশ্রয় নিয়েছেন? অথবা হয়তো তিনি কোনো কবি, যিনি এই নিস্তব্ধতার মাঝে তার সৃষ্টির অনুপ্রেরণা খুঁজছেন।
তার চারপাশে থাকা পাথরের খাঁজগুলি যেন সময়ের ধারাপাত, প্রতিটি খাঁজে লেখা আছে এক একটি গল্প, এক একটি স্মৃতি। মেঘে ঢাকা আকাশ যেন এই দৃশ্যের বিষণ্ণতা বাড়িয়ে তুলছে, কিন্তু একই সাথে এর মহিমাও তুলে ধরছে। তিনি যেন প্রকৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ, যিনি এর শক্তি ও সৌন্দর্যকে নিজের মাঝে ধারণ করেছেন। তার এই নিঃসঙ্গতা এক গভীর শান্তি বয়ে আনছে, যেখানে মানুষ প্রকৃতির বিশালতার কাছে নিজেকে সঁপে দিয়েছে