Yug Sambad Darpan Online-Digital

Directions Website Contact the business

Yug Sambad Darpan Online-Digital সূচনা ১৯৯৮ সালের ৯ মে। প্রথমে মাসিক, তারপরে পাক্ষিক হয়ে এখন সাপ্তাহিক সংবাদপত্র। অধুনা সংবাদ পরিবেশন অনলাইন/ডিজিটাল মাধ্যমেও।
(1)

৪৫৯-তম বর্ষে আন্দুল দত্তচৌধুরী পরিবারের শারদীয়া দুর্গাপুজো তথ্য ও চিত্র - ধ্রুব চৌধুরী: হাওড়া জেলার অন্যতম প্রাচীন পারিব...
06/10/2026

৪৫৯-তম বর্ষে আন্দুল দত্তচৌধুরী পরিবারের শারদীয়া দুর্গাপুজো

তথ্য ও চিত্র - ধ্রুব চৌধুরী: হাওড়া জেলার অন্যতম প্রাচীন পারিবারিক দুর্গাপুজোগুলির মধ্যে বিশেষ উল্লেখের দাবি রাখে আন্দুলের দত্তচৌধুরী পরিবারের শারদীয়া দুর্গাপুজো। কয়েক শতাব্দীর ইতিহাস ও পারিবারিক ঐতিহ্য বহন করে আজও প্রাচীন রীতিনীতি মেনে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে এই পুজো।

আনুমানিক ১৩৮০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার সুলতান সিকান্দার শাহের আমলে তেকড়ি দত্ত তৎকালীন মুজঃফরপুর পরগনার ‘চৌধুরী’ পদ লাভ করেন। এর পর তিনি তাঁদের পৈতৃক বালিগ্রামের বাসভবন (ভরদ্বাজ গোত্রীয় 'কুলশ্রেষ্ঠ'বালির দত্ত) ত্যাগ করে সরস্বতী নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত আন্দুলে এসে সমাজ সংস্কার করে প্রাসাদবাড়ি, দেবোত্তর, ইত্যাদি স্থাপন করেন। সেই সময় থেকেই আন্দুলে দত্তচৌধুরী বংশের ইতিহাসের সূচনা। তেকড়ি দত্তের ষষ্ঠ পুরুষ ছিলেন চৌধুরী রামশরণ দত্ত (১৫৪৮–১৬০৬ খ্রিস্টাব্দ)। বাংলার ইতিহাসে তখন এক অস্থির সময়। পাঠান শাসনপর্বে সরস্বতী নদীপথে পর্তুগিজ ও মগ দস্যুদের হানায় প্রজাকুল বারবার বিপর্যস্ত হয়ে উঠত। পারিবারিক ঐতিহ্য অনুসারে, এমনই এক সংকটময় সময়ে কুলগুরুর পরামর্শে চৌধুরী রামশরণ অশ্বমেধ যজ্ঞের সমতুল্য ধর্মীয় মাহাত্ম্যসম্পন্ন মহাপূজা হিসেবে দুর্গাপুজোর প্রবর্তন করেন। ১৫৬৮ খ্রিস্টাব্দে শুরু হয় দত্তচৌধুরী পরিবারের এই শারদীয়া মহাপূজা। তার পর কেটে গিয়েছে সাড়ে চার শতাব্দীরও বেশি সময়। বংশপরম্পরায় সেই পুজো আজও অব্যাহত। ২০২৬ সালে ঐতিহ্যবাহী এই দুর্গাপুজো ৪৫৯তম বর্ষে পদার্পণ করেছে। সময়ের পরিবর্তন ঘটলেও পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা বহু প্রাচীন পারিবারিক আচার ও রীতিনীতি আজও যথাসম্ভব অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে।

এই প্রাচীন পুজোকে ঘিরে প্রতি বছরই পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের মধ্যেও বিশেষ উৎসাহ দেখা যায়। শারদোৎসব উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকেও শুভেচ্ছাবার্তা এসে পৌঁছয় দত্তচৌধুরী বাড়িতে।

এই পরিবারের আরাধ্যা মহিষমর্দিনী দুর্গা এখানে ‘রাজরাজেশ্বরী’ নামে পূজিতা। প্রতিমা ও চালচিত্রেও রয়েছে এই পুজোর নিজস্ব বৈশিষ্ট্য। দেবীর চালি নির্মিত হয় সাবেকি ‘টানাচৌরি’ রীতিতে। লক্ষ্মীর চালিতে আঁকা থাকে জগদ্ধাত্রীর প্রতিকৃতি এবং তার উপরে বসানো হয় দেবী জয়ার ছোট মূর্তি। সরস্বতীর চালিতে আঁকা হয় দক্ষিণাকালীর রূপ, উপরে অধিষ্ঠিতা থাকেন দেবী বিজয়া। আর দুর্গার মূল চালিতে থাকে অনন্ত বিষ্ণুর চিত্র; সর্বোচ্চে বসানো হয় ধ্যানমগ্ন শিবের মূর্তি।

দত্তচৌধুরী বাড়ির দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয় মূল পুজোর ১২ দিন আগেই। কৃষ্ণানবমীতে কল্পারম্ভের সঙ্গে দুর্গাদালানের নির্দিষ্ট ‘বোধনঘরে’ শুরু হয়ে যায় বোধনের আচার। ষষ্ঠীর বিকেলে বাড়িতে এসে উপস্থিত হন পরিবারের রাজপুরোহিত ও তন্ত্রধারক। এই পরিবারের পুজোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য নবমীর আচার। এ দিন অনুষ্ঠিত হয় কুমারীপুজো, বলি এবং ধুনো পোড়ানো। এক সময়ে নবমীতে ছাগবলি দেওয়ার প্রথা থাকলেও বর্তমানে তা সম্পূর্ণ বন্ধ। তার পরিবর্তে প্রাচীন রীতির স্মারক হিসেবে অনুষ্ঠিত হয় আখবলি, চালকুমড়ো বলি এবং প্রতীকী ‘শত্রুবলি’। সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী—তিন দিনই রাজরাজেশ্বরীর উদ্দেশে নিবেদন করা হয় অন্নভোগ।

বিজয়া দশমীর বিকেলে শুরু হয় বিদায়ের পর্ব। দেবীকে তাঁর বেদি থেকে নামিয়ে উত্তরমুখী করে রাখা হয়। প্রথমে দত্তচৌধুরী পরিবারের বৌরাণীরা দেবীকে বরণ করেন। তাঁদের বরণের পর এগিয়ে আসেন পাড়ার বিবাহিত মহিলারা। বরণপর্ব শেষ হলে শোভাযাত্রা সহকারে রাজরাজেশ্বরীকে নিয়ে যাওয়া হয় আন্দুলের দুলেপাড়ায়। সেখানে আরও এক দফা বরণের পর শুরু হয় নিরঞ্জনের শেষ যাত্রা। এক সময়ে দত্তচৌধুরী পরিবারের নিজস্ব ‘ব্যাচামণি ঘাট’-এ সরস্বতী নদীর জলে প্রতিমা নিরঞ্জন করা হত। কিন্তু কালের প্রবাহে সরস্বতী নদীর জলধারা ক্ষীণ হয়ে পড়ায় সেই প্রথায় পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে দুর্গাদালানের সামনেই পরিবারের দেবোত্তর পুকুরে রাজরাজেশ্বরীর প্রতিমা নিরঞ্জন করা হয়।

এই ভাবেই কৃষ্ণানবমীর কল্পারম্ভ থেকে বিজয়া দশমীর নিরঞ্জন—দীর্ঘ আচারপরম্পরার মধ্য দিয়ে আজও বেঁচে রয়েছে আন্দুলের দত্তচৌধুরী পরিবারের কয়েক শতাব্দীপ্রাচীন শারদোৎসব। সময়ের সঙ্গে কিছু রীতির পরিবর্তন ঘটলেও রাজরাজেশ্বরীকে কেন্দ্র করে পরিবারের উত্তরাধিকার, স্থানীয় জনজীবন এবং আন্দুলের স্মৃতি আজও একই সূত্রে বাঁধা।

গর্ভেই বিপদ, বিরল অস্ত্রোপচার পদ্ধতিতে নবজাতকের প্রাণরক্ষা হাওড়ার হাসপাতালেসংবাদ সংস্থা/হাওড়া, ৫ অক্টোবর : গর্ভাবস্থাত...
05/10/2026

গর্ভেই বিপদ, বিরল অস্ত্রোপচার পদ্ধতিতে নবজাতকের প্রাণরক্ষা হাওড়ার হাসপাতালে

সংবাদ সংস্থা/হাওড়া, ৫ অক্টোবর : গর্ভাবস্থাতেই শিশুর শরীরে বিপুল পরিমাণ তরল জমে যাওয়ায় তৈরি হয়েছিল জটিল পরিস্থিতি। বিরল চিকিৎসা পদ্ধতি ‘এক্সিট’-এর মাধ্যমে সফল অস্ত্রোপচার করে নবজাতকের প্রাণরক্ষা করলেন হাওড়ার নারায়ণা হাসপাতালের চিকিৎসকেরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, রাজ্যে এই পদ্ধতিতে এমন চিকিৎসার ঘটনা এই প্রথম।

নাগাল্যান্ডের এক দম্পতির প্রথম সন্তানকে নিয়ে গর্ভাবস্থার পঞ্চম মাসে নিয়মিত পরীক্ষা চলাকালীন শিশুর ফুসফুসের চারপাশে অস্বাভাবিক তরল জমার বিষয়টি ধরা পড়ে। পরবর্তীতে শিশুটির ‘হাইড্রপ্স ফিটালিস’ ধরা পড়ে। শরীরের একাধিক অংশে তরল জমার পাশাপাশি তার বুকে ও পেটেও বিপুল পরিমাণ তরল জমেছিল।

৩১ সপ্তাহের গর্ভাবস্থায় আচমকা প্রসববেদনা শুরু হলে জরুরি সিজার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। চিকিৎসকদের আশঙ্কা ছিল, পুরোপুরি প্রসবের পর শিশুটির পক্ষে নিজে শ্বাস নেওয়া এবং রক্তসঞ্চালন বজায় রাখা কঠিন হতে পারে। সেই কারণে এক্সিট পদ্ধতির সাহায্য নেওয়া হয়।

এই পদ্ধতিতে শিশুকে সম্পূর্ণ বাইরে না এনে মায়ের সঙ্গে নাড়ির সংযোগ বজায় রাখা হয়। ওই সময়ের মধ্যেই শিশুর শ্বাসনালিতে নল দিয়ে কৃত্রিম শ্বাসের ব্যবস্থা করা হয় এবং বুকে জমে থাকা তরল বের করে দেওয়া হয়। চিকিৎসার এক পর্যায়ে শিশুর রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা সাময়িক ভাবে শূন্যে নেমে গেলেও দ্রুত চিকিৎসায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

চিকিৎসক দলের মধ্যে ছিলেন প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ সুমনা দত্ত, শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ অখিলেশ্বর নারায়ণ চৌধুরী, শিশু ও নবজাতক শল্য চিকিৎসক গৌতম চক্রবর্তী এবং অ্যানাস্থেশিয়োলজিস্ট রশ্মি শাহী। জন্মের পর প্রায় এক মাস নিওনেটাল আইসিইউ-তে চিকিৎসাধীন ছিল শিশুটি। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে আড়াই মাস বয়সি শিশুটি সুস্থ রয়েছে এবং নিয়মিত তার ওজনও বাড়ছে।

চিকিৎসকদের মতে, এই ধরনের জটিল ক্ষেত্রে মা ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রসূতি, নবজাতক, শল্য চিকিৎসা ও অ্যানাস্থেশিয়া— একাধিক বিভাগের সমন্বিত চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

চিত্র : সংগৃহীত

রাজ্যসভা-র উপনির্বাচনের জন্য বিজেপি প্রার্থী হিসেবে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দিচ্ছেন কোয়েল মল্লিক। চিত্র: জয়দ্বীপ মৈত্র
05/10/2026

রাজ্যসভা-র উপনির্বাচনের জন্য বিজেপি প্রার্থী হিসেবে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দিচ্ছেন কোয়েল মল্লিক।

চিত্র: জয়দ্বীপ মৈত্র

বিজেপিতে কোয়েল মল্লিকের যোগদান ।চিত্র: জয়দ্বীপ মৈত্র
05/10/2026

বিজেপিতে কোয়েল মল্লিকের যোগদান ।

চিত্র: জয়দ্বীপ মৈত্র

(যুগ সংবাদ দর্পণ) “যুগ সংবাদ” প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৯৮ সালের ৯ মে (পঁচিশে বৈশাখ), "রবীন্দ্রজন্মজয়ন্তী"-র দিন। ২০০১-এ সরক...
04/10/2026

(যুগ সংবাদ দর্পণ)

“যুগ সংবাদ” প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৯৮ সালের ৯ মে (পঁচিশে বৈশাখ), "রবীন্দ্রজন্মজয়ন্তী"-র দিন। ২০০১-এ সরকারি নথিভূক্তিকরণের সময় “দর্পণ” যুক্ত হয়। ‘মাসিক’, ‘পাক্ষিক’ হয়ে ২০০৬ থেকে ‘সাপ্তাহিক’ সংবাদপত্র। পাশাপাশি, ২০২২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি "ভাষা দিবস" থেকে অনলাইন-ডিজিটাল মাধ্যমেও সংবাদ পরিবেশন।

Yug Sambad Darpan
(RNI No.: WBBEN/2001/05124)

Website: https://yugsambaddarpan.com/

E-paper: https://yugsambaddarpan.com/epaper/

আন্দুলের বনেদি বাড়ি দত্তচৌধুরী পরিবারের ৺শ্রীশ্রীশারদীয়া-দুর্গাপূজার কৃষ্ণনবম্যাদি-কল্পারম্ভ বোধন। পূজিত এই পরিবারের রা...
04/10/2026

আন্দুলের বনেদি বাড়ি দত্তচৌধুরী পরিবারের ৺শ্রীশ্রীশারদীয়া-দুর্গাপূজার কৃষ্ণনবম্যাদি-কল্পারম্ভ বোধন। পূজিত এই পরিবারের রাজ-রাজেশ্বরী নারায়ণ

ছবি সৌজন্যে : ধ্রুব চৌধুরী

04/10/2026

আন্দুলের প্রভু জগদ্বন্ধু কলেজে ৩-৪ অক্টোবর হয়ে গেল দু'দিনব্যাপী সেমিনার। সেমিনারের বিষয়: "জেন্ডার ইকুয়ালিটি অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ইন ইন্ডিয়ান পার্সপেক্টিভ"।

রিপোর্ট ও ভিডিও : সজল ঘোষ

04/10/2026

প্রভু জগদ্বন্ধু কলেজে ৩-৪ অক্টোবর হয়ে গেল দু'দিনব্যাপী সেমিনার। সেমিনারের বিষয়: "জেন্ডার ইকুয়ালিটি অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ইন ইন্ডিয়ান পার্সপেক্টিভ"।

রিপোর্ট ও ভিডিও : সজল ঘোষ

৪ অক্টোবর হাওড়া জেলাব্যাপী সেবা সেতু অভিযানের পরিসংখ্যান
04/10/2026

৪ অক্টোবর হাওড়া জেলাব্যাপী সেবা সেতু অভিযানের পরিসংখ্যান

Address

Howrah

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Yug Sambad Darpan Online-Digital posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Yug Sambad Darpan Online-Digital:

Shortcuts

Share