15/12/2024
ওহ্ বাবা নেই?
তারমানে মেয়েটি অসহায়।
মেয়েটির পায়ের তলার মাটি নেই।
মেয়েটিকে যা বলব তাই করবে।
যা বলব তাই শুনবে।
যেমন রাখতে চাইব তেমন থাকবে।
যাই করব, তাতেই সহমত হতে হবে।
বিয়ের ক্ষেত্রে তো বটেই, জীবনে যত বড় বড় ক্ষেত্রে সুসজ্জিত পরিণত বুদ্ধি মানুষের সাথে বৈঠকে, আলোচনায় বা মীমাংসায় বসতে হয়েছে, ততবার বাবাহীন মেয়েরা টেবিলের বিপরীতে একা বসেছে।জেনেছে তাদের অস্তিত্বের দৃঢ়তা।
অনেক মেয়েদের নিজের বিয়ের সম্বন্ধের কথা নিজে মুখে বলতে হয়। বাবার পেশা, থেকে সমাজের ভাষায় কন্যা(নিজেকে)দানটুকুও নিজেকেই বুঝে নিতে হয়।
বাবা না থাকলে একটা মেয়েকে রাতারাতি বড় হয়ে উঠতে হয়। সে চাক বা না চাক , সে প্রস্তুত হোক বা না হোক, তার যোগ্যতা থাকুক বা না থাকুক।
"যুদ্ধে সেনাবাহিনী কম পড়েছে বলে ঘরের ছেলের হাতে ঢাল তরোয়াল দিয়ে কেউ রণাঙ্গনে ছেড়ে দিয়েছে।" - এমনই সে দায়!
তার অধিকার,আবদার সবটা সে নিজে। প্রথম প্রথম অনেকে বাবার মতোপাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিজেদের ভুল বুঝ সরে যায়।বাস্তবে বাবার মতো ট্যানট্র্রাম সহ্য করে বেশিদিন কেউ পাশে থাকতে চায় না।
মেয়েরা বোঝে , অসহায়ত্বকে ঔদ্ধত্বে পরিণত না করতে পারলে তারা টিকে থাকতে পারবে না। তার চোখের জল নয় চোখের আগুন দেখে মানুষ পথ ছেড়ে দেবে।একা চলার পথে এই সরল বাক্যটা সে বুঝে নেয়। মহাভারতের পাতার মতো আজও
পৃথিবীর মাটিতে এক চুল জায়গা কেউ ভালোবেসে ছাড়বে না। প্রতিটা জিনিস এমনকি কখনো কখনো অধিকারও আদায় করে নিতে হবে।