23/07/2026
জেলার এক অতি গুরুত্বপূর্ণ নেতার প্রশ্ন ছিল, মমতা কান দিয়ে দেখেন।
তিনি এখন ঐ দিকে।কিন্ত, এধরনের মতামত যেকোনও নন-রেজিমেন্টেড দলের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
তবে নন-রেজিমেন্টেড দলে নেতা বা নেত্রীই সর্বোচ্চ পদ অলঙ্করণ করেন। তাঁর পক্ষে সবকিছু দেখা সম্ভব নয়।তিনি বিশ্বস্ত নেতাদের সাহায্যে সব খবর নেন।দেখার বিষয় হলো, সেই নেতা বা নেত্রী তাঁকে কতটা সঠিক ফিডব্যাক দিচ্ছেন। এবাদেও বর্তমান কিছু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে।যেমন ধরুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।নানা কারণেই উনি এখন চাপে আছে। একেই সরকারে নেই উনি।তারপর এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হচ্ছে, যাতে তিনি পুরোপুরিই একলা হোন।তাঁর স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকান্ডে পর্যন্ত বাধাদান করা হচ্ছে।কাল তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, আমি জেলা সফরে যেতে চাই।কিন্ত, অনুমতি কি পাবো ? কেন একথা বললেন? তাহলে ভাবুন, কেমন চাপে আছেন তিনি।এহেন পরিস্থিতিতে যদি কিছু ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি তা কি অস্বাভাবিক? মোটেই না।আর কে জানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথা কেমন গরম থাকে।বয়স হচ্ছে।এটাও অস্বীকার করা যায় না।নিজের জীবনেও দেখি, এই বয়সের মানুষেরা কেমন আচরণ করেন। তবুও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে এখনও জেদ আছে।লড়াইয়ের বার্তা দিচ্ছেন। নতুন করে শুরু করার আহ্বান করছেন। লাখ লাখ মানুষ এখনও বলেন, কিছুই বুঝি না,শুধুই দিদি থাকুক।উনি পথ দেখাক।বাকিটা আমরা বুঝে নেবো।
এই আবেগ, যাকে ঘিরে, তাঁর তুলনা বর্তমান ভারতে দ্বিতীয় কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নেই।মানতেই হবে।
সেই সাথে এটাও মানতে হবে,মমতাও রক্তমাংসের মানুষ। অসম্ভব চাপে মাথা গরম হয়।কিন্ত, তাঁর চারপাশে খুব ঘনিষ্ঠ বৃত্তে যে বা যারা আছেন, তারা যেন কোনও ভূল বার্তা না দেন।দিদির কানে বাস্তবটি তুলে ধুরুন।আর এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি না করুন, যাতে আপনার জন্য আপনার সহকর্মীদের বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।আর,অতি অবশ্যই, গোদি মিডিয়ার সূত্র যেন না হোন।ঘরের সামান্য ভুল বোঝাবুঝি ঘরেই মিটিয়ে নিন।খামাকা মিডিয়ার সূত্র হতে যাবেন কেন ? বিশেষত, দলের এই অবস্থায়।
মমত-অভিষেক-কল্যাণ-মহুয়া-কুণাল-শোভনদেবরা একে অপরের পরিপূরক। এবং,অবশ্যই দোলাদেবী,আপনিও। এখন সোজা ব্যাটে খেলুন সবাই। কর্মী ও সমর্থকদের তাই চাহিদা।নতুন করে আশাভঙ্গ করবেন না যেন আর।
Jayanta Mitra