SS Bangla News

SS Bangla News digital media& newspaper
(1)

রাজ্যের শাসনক্ষমতায় এসে বেআইনি বালি কারবার রুখতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কড়া বার্তা দিয়েছিলেন। সেই বার্তা পেয়ে ...
30/05/2026

রাজ্যের শাসনক্ষমতায় এসে বেআইনি বালি কারবার রুখতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কড়া বার্তা দিয়েছিলেন। সেই বার্তা পেয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন ধারাবাহিক অভিযানে নেমে বড় সাফল্য পেল। গত এক সপ্তাহে বেআইনিভাবে বালি মজুদের বিরুদ্ধে অভিযানে ২৮ লক্ষ কিউবিক ফিট (সিএফটি) বেআইনি বালি মজুদের হদিশ পায়। তা বাজেয়াপ্ত করে মোট ৪ কোটি টাকা জরিমানা আদায় করেছে। একইসঙ্গে ১০ জন ইজারাদারকে শোকজও করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অনুমতির বেশি বা অননুমোদিত জায়গায় বালি মজুদের জন্য। পাশাপাশি, গরিব মানুষ যাঁরা আবাস যোজনায় ঘর তৈরি করছেন তাঁরা যাতে সস্তায় বালি কিনতে পারেন তার জন্যও বালিখাদানের ইজারাদারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বালি ঘাটে ১২০০ টাকা প্রতি ১০০ সিএফটি দরে বালি বিক্রি করতে হবে ওই সব উপভোক্তাদের। পরিবহণ খরচ অবশ্য আলাদাভাবে বহন করতে হবে। এর বাইরে যাঁরা বাণিজ্যিক কারণে বালি কিনবেন তাঁদের বাজার দরেই বালি কিনতে হবে। এর ফলে বহু দুস্থ মানুষ উপকৃত হবেন। বর্তমানে ১০০ সিএফটি বালির বাণিজ্যিক বাজারদর পরিবহণ খরচ-সহ ৬৫০০ থেকে ৭৫০০ টাকা।জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কোথাও বালি মজুত করতে হলে ইজারাদারদের আলাদাভাবে নির্দিষ্ট জায়গা ও বালির পরিমাণ উল্লেখ করে অনুমতি নিতে হয় ভূমি দপ্তরের কাছ থেকে। অভিযোগ ওঠে, অনুমতির থেকেও বেশি বালি মজুত করার ও অননুমোদিত জায়গায় বালি মজুত করার। গত এক সপ্তাহে বর্ধমানের সদরঘাট এলাকার দামোদরের ধারে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায় ভূমি দফতর। অভিযানে ধরা পড়ে যারা যে পরিমাণ বালি মজুদের অনুমতি নিয়েছিলেন তার থেকে বেশি মজুদ করেছেন ও যে জায়গার জন্য অনুমতি নেওয়া হয়েছিল তার বাইরেও বালি মজুদ করেছেন। এমন জায়গা থেকে ২৮ লক্ষ সিএফটি বালি বেআইনিভাবে মজুদের হদিশ মেলে। এমন চারজন ইজারাদারকে শোকজ করা হয়। পাশাপাশি সব মিলিয়ে মোট ৪ কোটি টাকা জরিমানা করে ভূমি দফতর। সংশ্লিষ্ট ইজারাদাররা অবশ্য সেই জরিমানার অর্থ জমা করেছেন প্রশাসনের কাছে। জেলাশাসক শ্বেতা আগরওয়ালের নির্দেশে জেলাজুড়েই বেআইনি বালি কারবার রুখতে অভিযান শুরু করে ভূমি দফতর। বেআইনিভাবে বালি তোলার অভিযোগে ১০ জন ইজারাদারকে শোকজও করা হয়েছে। বালির বেআইনি কারবার রুখতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন। শুক্রবার জেলার সমস্ত বালিঘাটের ইজারাদারদের নিয়ে বৈঠকেও বসে জেলা প্রশাসন। সেখানে এই সব বিষয় স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ার মতো পূর্ব বর্ধমানেও গরিব মানুষ যাতে বাড়ি তৈরির জন্য কম দামে কিনতে পারেন তার জন্য বালির দাম বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ট্রাক্টরের এক ট্রলি বা ১০০ সিএফটি বালির জন্য ১২০০ টাকা দাম বেঁধে দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক কালে বালির দাম অস্বাভাবিক বেড়ে গিয়েছে। ফলে সরকারি আবাস যোজনায় ঘর তৈরিতে অনেকেই সমস্যায় পড়েছিলেন। সেই কারণে তাঁদের জন্য ওই দরে বালি বিক্রির জন্য ইজারাদারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে যারা আবাসন বা কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স তৈরির জন্য বালি কিনবেন তাঁদের বাজারদরেই বালি বিক্রি করতে পারবেন ইজারাদাররা। ভাতারের বিজেপি বিধায়ক সৌমেন কার্ফা বলেন, “সরকারিভাবে বেঁধে দেওয়া দামে বালি ঘাট মালিকরা বালি বিক্রি করবেন। কোনও ঘাট মালিক বেশি দাম নিলে আমার সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করবেন।”

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘শান্তিনিকতন’ নামের বাড়িতে যখন হাজির হয়েছিলেন সিআইডি (CID)। সেই সময় তৃণমূল ‘সেনাপতি’ রয়েছেন তাঁ...
30/05/2026

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘শান্তিনিকতন’ নামের বাড়িতে যখন হাজির হয়েছিলেন সিআইডি (CID)। সেই সময় তৃণমূল ‘সেনাপতি’ রয়েছেন তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে (Kalighat House)। বিগত সাত বছর ধরে তিনি সেখানেই থাকেন, এমনটাই বলেছেন তৃণমূলের নম্বর ২। এরপর সাংবাদিকদের মাধ্যমে সিআইডিকে (CID) বার্তা পাঠান যে তিনি কালীঘাটের বাড়িতে রয়েছেন। পরবর্তীতে রাজ্যে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ আসে কালীঘাটে। সেখানে অভিষেককে নোটিস ধরায় তারা। সিআ্ইডডি (CID) বেরিয়ে যেতেই ফের সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ওরা জানে না আমি কোথায় থাকি। সাত বছর ধরে কোথায় থাকি তথ্য নেই। ওদের নোটিস রিসিভ করেছি যেহেতু অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছেন…। আমি আইনজীবী সহযোগিতা নেব। আমি এখনও নোটিস পড়িনি। পড়ব।” সবটাই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে জানিয়েছেন অভিষেক। তিনি বলেন, “রাজনৈতিক স্বার্থ ও ক্ষমতার অপব্যবহার। আমি আমার কর্মসূচি করব।”তিনি বলেন, “বিকেলে সোনারপুরে যাওয়ার কথা। ওইখানে একটা ঝামেলা করার চেষ্টা করেছে। আহত পরিবারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। পুলিশ নীরব দর্শক। লড়াইয়ের ময়দান থেকে সরব না। পুরসভার নোটিসের রিপ্লাই দিয়েছি। কেসও ফাইল করেছি।”তিনি বলেন, “যাঁদের মাথার উপর ২-৩টে করে ইডি-সিবিআই কেস ঝুলছে..তাঁরা দুর্নীতি নিয়ে বড় বড় ভাষণ দিচ্ছে। যাঁরা তৃণমূলকে চোর বলে, বাংলায় স্বাধীনতার পর প্রফুল্ল ঘোষ, সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়, জ্যোতিবাবু, বুদ্ধবাবু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ কোনও মুখ্যমন্ত্রীকে দুকান কাটার মতো টিভিতে হাত বের করে টাকা নিতে দেখা যায়নি। এখন বাংলার যিনি মুখ্যমন্ত্রীকে ঘুষ নিতে দেখা গেছে। এরা আমাদের চোর বলে। মানুষ বোকা নয়।” তিনি আরও বলেন, “সেই সময় কি তৃণমূল ওঁকে বলেছিল টাকা নিতে? দিল্লির কাছে মাথা নতোর আগে আমাদের মৃত্যু ভাল। আমি অমিত শাহের বিরুদ্ধে কথা বলেছি বলে FIR। যখন উনি বলেন ছ’ফুট গর্ত করে পুঁতে দেব তখন ব্য়বস্থা নেওয়া যাবে না। তখন সব চুপ। থানায় গেলেও এফআইআর নেবে না।”

শনিবার বিধাননগর হাসপাতালে কেন্দ্রের সহায়তায় সমগ্র রাজ্যজুড়ে এই বিশেষ টিকাকরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে মু...
30/05/2026

শনিবার বিধাননগর হাসপাতালে কেন্দ্রের সহায়তায় সমগ্র রাজ্যজুড়ে এই বিশেষ টিকাকরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই কর্মসূচির অধীনে প্রধানত ১৪ থেকে ১৫ বছর বয়সী কিশোরীদের সার্ভাইকাল ক্যানসারের প্রতিষেধক দেওয়া হবে। রাজ্যের সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে এই পরিষেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে মিলবে। প্রাথমিক দফায় বাংলার মোট ২৩৫টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে এই টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং এর লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে ৭ লক্ষেরও বেশি।

সোনারপুরে নিহত দলীয় কর্মীর বাড়িতে যেতে গিয়ে প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়েন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্য...
30/05/2026

সোনারপুরে নিহত দলীয় কর্মীর বাড়িতে যেতে গিয়ে প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়েন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর গায়ে ডিম ও জুতো ছোড়া হয়, ইট মারা হয় বলেও অভিযোগ। অভিষেকের দাবি, তাঁকে মেরে ফেলার চেষ্টা হয়েছে। এই ঘটনার পর শহরের এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসেন অভিষেক, তাঁকে দেখেন গেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

নিহত দলীয় কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে সোনারপুরে (Sonarpur Incident) প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়েন তৃণমূলের সর্বভার...
30/05/2026

নিহত দলীয় কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে সোনারপুরে (Sonarpur Incident) প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়েন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhisekh Banerjee)। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, তাঁর উপর হামলার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়ে যায়। ঘটনার খবর পৌঁছতেই তৎপর হয় তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে দ্রুত সোনারপুরের উদ্দেশে রওনা দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। দলীয় সূত্রের দাবি, ঘটনাটি যখন ঘটছে, তখন দুই নেতাই কালীঘাটে উপস্থিত ছিলেন। সেখান থেকেই পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে তাঁদের সোনারপুরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সোনারপুরের কামরাবাঁধে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) উপর হামলার ...
30/05/2026

সোনারপুরের কামরাবাঁধে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) উপর হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা করলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে ও সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব। এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে তাঁরা অভিষেকের উপর হামলার ঘটনার দিন্দা জানান। অখিলেশ জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে পুলিশের অনুপস্থিত থাকার ঘটনা বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের দিকে ইঙ্গিত করছে। এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে মল্লিকার্জুন খাড়গে লেখেন, “সোনারপুরে নির্বাচন-পরবর্তী হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর মর্মান্তিক হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। বিরোধী দলের একজন জনপ্রিয় নেতাকে ইচ্ছাকৃতভাবে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়া হয়নি।” এই ঘটনা বিজেপির প্রতিহিংসা ও নিপীড়নের রাজনীতি বলেও উল্লেখ করেন মল্লিকার্জুন। তিনি আরও লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে অবশ্যই সব বিরোধী নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এই ধরনের হামলা রুখতে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে হবে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু হিংসার ঘটনা কখনই সমর্থনযোগ্য হতে পারে না।”অখিলেশ এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, “বাংলার তৃণমূল কংগ্রেসের বিশিষ্ট নেতা অভিষেক ব্যানার্জির উপর প্রাণঘাতী হামলা চালিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার প্রমাণ করেছে যে, তারা বিদ্বেষপূর্ণ, নেতিবাচক ও হিংসাত্মক রাজনীতি করা ছাড়া আর কিছুই করতে পারে না। এমন একটি সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে পুলিশের অনুপস্থিতি থাকার ঘটনা একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের দিকে ইঙ্গিত করছে।” উল্লেখ্য, সোনারপুরে নিহত দলীয় কর্মীকে দেখতে যাওয়ার পথে প্রবল বিক্ষোভের মুখে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার কামালগাজির কাছে তাঁকে মহিলারা কালো পতাকা দেখান। এরপর সোনারপুর ঢুকতেই অভিষেককে ডিম ছোড়া হয়, ওঠে ‘চোর’ স্লোগান। অভিষেকের পোশাকে অপরিষ্কার হয়ে যায় ছোড়া ডিমে। তিনি গাড়ি থেকে নেমে একটি বাইকে চড়ে গন্তব্যে যেতে চাইলে সেখানেও প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। মাথায় হেলমেট থাকায় ডিম এসে পড়ে তাঁর মাথায়। অভিষেকের উপর এই হামলার ঘটনায় ইন্ডিয়া জোটের নেতারা একে একে তীব্র নিন্দা করতে শুরু করলেন।

বদলের বাংলায় রাস্তায় নেমেই বেনজির জনরোষের মুখে পড়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishe...
30/05/2026

বদলের বাংলায় রাস্তায় নেমেই বেনজির জনরোষের মুখে পড়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। শনিবার সোনারপুরে নিহত দলীয় কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম, জুতো, কাদা ছোড়া হয়। জনতার আক্রমণে তাঁর জামা, চশমা, ঘড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এহেন হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখলেন, ‘শাসকই ঘাতক হয়ে উঠল! বিজেপির লজ্জা হওয়া উচিত!’ সন্ধ্যার পরই এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্তমানে রাজ্যের বিজেপি শাসকদের ‘ঘাতক’ বলে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। এহেন পরিস্থিতি বিজেপির পক্ষেই লজ্জাজনক বলে মন্তব্য তাঁর।শনিবার বিকেলে সোনারপুরের কামরাবাঁধ যাওয়ার পরে প্রথমে কামালগাজির কাছে জনতার বাধার মুখে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে মহিলারা কালো পতাকা দেখান। সেসব পেরিয়ে সোনারপুর ঢুকতেই জনতা রীতিমতো বিক্ষোভ বিস্ফোরণের আকারে ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে ‘চোর’ স্লোগান ওঠে। এরপর তাঁকে লক্ষ্য করে একের পর এক ডিম ছোড়া হতে থাকে। জামাকাপড় নোংরা হয়ে যায় তাঁর। ছোড়া হয় জুতো, ঢিল, কাদা। জামা খুলে চলে মারধরও। মাথায় হেলমেট পরে কোনওক্রমে রক্ষা পান তিনি। তবে অভিষেক চশমা, ঘড়ি ভেঙে গিয়েছে। এসব সামলে তিনি নিহত কর্মীর বাড়িতে পৌঁছে যান। সেখান থেকেই জানান, পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী না এলে তিনি বাড়ি থেকে বেরবেন না। এরপর বাহিনী সেখানে পৌঁছে নিরাপদে তৃণমূল সাংসদকে বের করে নিয়ে যায়। এসবের পরিপ্রেক্ষিতে সন্ধ্যার পরই এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্তমানে রাজ্যের বিজেপি শাসকদের ‘ঘাতক’ বলে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। এহেন পরিস্থিতি বিজেপির পক্ষেই লজ্জাজনক বলে মন্তব্য তাঁর। অভিষেককে ঘিরে এই বিক্ষোভ এতটাই হিংসাত্মক হয়ে ওঠে যে তা জনরোষ বলে মেনে নিয়েও তার নিন্দা করেছেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো অখিলেশ যাদবরা। এক্স হ্যান্ডলে তাঁদের বক্তব্য, ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে অবশ্যই সব বিরোধী নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এই ধরনের হামলা রুখতে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে হবে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু হিংসার ঘটনা কখনই সমর্থনযোগ্য হতে পারে না।’

ভোট পরবর্তী হিংসা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এই ধরনের কাজে যারা যুক্ত থাকবেন তাঁদের দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। রাজ্যে ...
30/05/2026

ভোট পরবর্তী হিংসা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এই ধরনের কাজে যারা যুক্ত থাকবেন তাঁদের দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। রাজ্যে পালাবদলের পরেই কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। এরমধ্যেই আজ, শনিবার সোনারপুরে গিয়ে প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তাঁকে লক্ষ্য করে ছোড়া হল ডিম, উঠল ‘চোর’ স্লোগানও। ঘটনায় অভিযোগের তির বিজেপির দিকে উঠতেই বিজেপির রাজ্য সভাপতির স্পষ্ট বার্তা, ”ঘটনায় দূর দূর পর্যন্ত বিজেপির কেউ যুক্ত নয়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে মানুষের জনরোষ।” এই প্রসঙ্গে পূর্বতন সরকারের সময়ের পরিস্থিতিও তুলে ধরেন।এই প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য আরও বলেন, ‘‘আজ বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে বলেই তৃণমূলের নেতারা অক্ষত রয়েছেন। ওরা যে পরিমাণ অত্যাচার মানুষের উপর করেছে, আমাদের জেলা সভাপতি, আমাদের দলের কর্মীদের উপর করেছে, তারপর আমরা ছিলাম বলেই ওদের বিধায়ক-সাংসদরা এখনও এই অবস্থায় আছেন। অন্য কোনও দল থাকলে এতক্ষণ সাংবাদিকদের সামনে দাঁড়িয়ে বলার সুযোগ পেতেন না।” এই প্রসঙ্গে অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার মডেলকেও কটাক্ষ করেন বিজেপি সাংসদ। বলেন, ”কীসের ডায়মন্ড হারবার মডেল? কেন ফলতায় প্রচারে আসেননি?” অন্যদিকে এই ঘটনার পর সবাইকে শান্ত থাকার বার্তা দিয়ে শমীক ভট্টাচার্য জানান, এখনও বলছি, হিংসার পথ ছাড়ুন। সবাইকে শান্তিতে থাকতে দিন।বলে রাখা প্রয়োজন, আজ সোনারপুরে নিহত দলীয় কর্মীকে দেখতে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে যাওয়ার পথেই প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। প্রথমে কামালগাজির কাছে তাঁকে মহিলারা কালো পতাকা দেখান। এরপর সোনারপুর ঢুকতেই অভিষেককে ডিম ছোড়া হয়, ওঠে ‘চোর’ স্লোগান। এরইমধ্যে গাড়ি থেকে নেমে একটি বাইকে চড়ে গন্তব্যে যেতে চাইলে সেখানেও প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। মাথায় হেলমেট থাকায় ডিম এসে পড়ে তাঁর মাথায়। শুধু তাই নয়, জামা ছিঁড়ে মারধর করা হয় অভিষেককে। সেই ভিডিও রীতিমতো ভাইরাল। যদিও এত বাধা অতিক্রম করেও দলীয় কর্মীর বাড়িতে পৌঁছে যান তিনি। সেখানেই অভিষেক জানান, ‘‘এই হল ডবল ইঞ্জিনের নমুূনা। সবাই চেয়েছিল, ডবল ইঞ্জিন হোক। ওরা চায়, আমাদের মেরে ফেলতে। মারুক। আমার মৃতদেহ এখান থেকে বেরবে। আমার মাথাটা বেঁচে গেল শুধু হেলমেট ছিল বলে। পুলিশ কোথাও নেই। সব ঘটনার ভিডিও রেকর্ড রইল। পুলিশকে খবর দেওয়া হোক। আমি এখান থেকে বেরিয়ে যেতেই পারি।কিন্তু এই পরিবারের উপর হামলা হবে তারপর। আমি এখন এঁদের ছেড়ে যেতে পারব না। বাহিনী পাঠিয়ে আগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।আমি এই ঘটনা নিয়ে হাই কোর্টেও যাব, সুপ্রিম কোর্টেও যাব।”

30/05/2026

জামালপুরে C.I.T.U প্রতিষ্ঠা দিবস পালন ।

30/05/2026

আরামবাগের নৈসারাইয়ে বিধায়কদের সম্বর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত হলো শ্রীকৃষ্ণ রাইস মিলে

30/05/2026

ক্যানসার প্রতিরোধে বড় পদক্ষেপ, বিনামূল্যে HPV ভ্যাকসিন প্রদান শুরু পশ্চিম বর্ধমানেও

Address

Indas Bankura
Indas
722205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SS Bangla News posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share