News First Bangla - NFB

News First Bangla - NFB ঘটে যাওয়া যে কোনো খবর ও বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য যোগাযোগ করুন
☎️ :- 9477213122
(2)

আম্পান থেকে মিড-ডে মিল! তৃণমূল সরকারের আমলে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির তদন্তে কমিশন গড়ল শুভেন্দুর সরকারপূর্বতন তৃণমূল সরকা...
14/07/2026

আম্পান থেকে মিড-ডে মিল! তৃণমূল সরকারের আমলে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির তদন্তে কমিশন গড়ল শুভেন্দুর সরকার

পূর্বতন তৃণমূল সরকারের আমলে (২০১১ থেকে ২০২৬ সালের মে) যে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে তদন্তের জন্য এ বার কমিশন গঠন করল শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। কমিশনের শীর্ষে থাকবেন কলকাতা হাই কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। নবান্নের তরফে গত ১০ জুলাই একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, ২০১১ থেকে ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত শিক্ষা, খাদ্য ও জোগান, ত্রাণ থেকে বিপর্যয় মোকাবিলা, পুরসভা এবং পঞ্চায়েত নিয়ন্ত্রিত ক্ষেত্র, আবাসন, মৎস্য-সহ রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতরের কাজ নিয়ে যে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে হবে তদন্ত।

স্বরাষ্ট্র দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘুষ ও দুর্নীতি, আম্পান ত্রাণে দুর্নীতি, ১০০ দিনের কাজে অনিয়ম, মিড-ডে মিল প্রকল্পে দুর্নীতি, সরকারি টাকা আত্মসাৎ বা অপব্যবহার, ক্ষমতার অপব্যবহার, সরকারি চাকরিতে নিয়োগে দুর্নীতি, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চশিক্ষা, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্নীতি, সরকারি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল শিক্ষায় দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে তদন্ত করবে রাজ্য সরকারের গঠিত কমিশন। বেআইনি গ্রেফতার বা মিথ্যা মামলা হয়েছে কি না, বেআইনি নির্মাণে সরকারের কী ভূমিকা— তা-ও খতিয়ে দেখবে কমিশন। কমিশনের মাথায় অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বসু থাকবেন। কমিশনের তদন্ত বিভাগের মাথায় থাকবেন প্রবীণ আইপিএস অফিসার। প্রশাসনিক বিভাগের মাথায় থাকবেন এক জন আইএএস বা ডব্লিউবিসিএস অফিসার। পশ্চিমবঙ্গ রেভিনিউ সার্ভিস (ডব্লিউবিআরএস)-এর এক অফিসার প্রযুক্তি ক্ষেত্রে কমিশনকে সহায়তা করবেন। প্রয়োজনে রাজ্য সরকারের অনুমোদন নিয়ে অন্য সদস্যও নিয়োগ করতে পারবে কমিশন।

রাজ্য সরকারের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, সংশ্লিষ্ট সময়কালে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির যে অভিযোগ উঠেছে, তা তদন্ত করে দেখার পাশাপাশি দুর্নীতির মাধ্যমে নয়ছয় করা অর্থ কী ভাবে উদ্ধার করা যায়, তা নিয়েও প্রস্তাব দিতে পারে কমিশন। ক্ষমতার অপব্যবহার করে, মিথ্যা মামলা করে ফাঁসানোর ঘটনার অভিযোগও খতিয়ে দেখবে কমিশন। কী ভাবে পুরসভার নীতি ভেঙে বেআইনি নির্মাণ হয়েছে, স্কুল শিক্ষায় কী ভাবে দুর্নীতি হয়েছে, তারও তদন্ত করবে কমিশন। তাদের সিভিল কোর্টের মতোই ক্ষমতা থাকবে। প্রয়োজন বুঝে যে কোনও ব্যক্তিকে তলব করে বয়ান নিতে পারবে। যে কোনও জায়গায় বসে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে কমিশনকে। দুর্নীতি হয়েছে মনে করলে সংশ্লিষ্ট পুলিশকে এফআইআর করার সুপারিশ করতে পারবে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা যে সব দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত করছে, সেগুলি নিয়ে তদন্ত করতে পারবে না কমিশন। সময়ে সময়ে তদন্তের রিপোর্ট দিতে হবে রাজ্য সরকারকে।ভোটে জেতার পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু জানিয়েছিলেন, দুর্নীতি নিয়ে তাঁর সরকার ‘জ়িরো টলারেন্স’ নীতি নিচ্ছে। বিধানসভাতেও সেই কথা স্পষ্ট করে দেন তিনি। তিনি বলেন, ‘‘অনেকেই ভাবছেন, দু’মাস জেলে থাকলাম, তার পর আইনি লড়াই করে জেল থেকে বেরিয়ে এলাম! তাঁদের মনে রাখতে হবে, এ বার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করব। সম্পত্তি নিলাম করব।’’ এখানেই থামেননি তিনি। সুর চড়িয়ে আরও বলেন, ‘‘হরিশ চ্যাটার্জি, হরিশ মুখার্জি রোড-সহ আমতলার প্রাসাদগুলিতে কলকাতায় উড়ালপুলের নীচে থাকা মানুষদের থাকার ব্যবস্থা করব।’’ এ বার দুর্নীতির তদন্তের জন্য তাঁর সরকার কমিশন গঠন করল।

কোনও পুজোর সভাপতি হচ্ছি না, ঘোষণা শমীকের! উৎসবে রাজনৈতিক দখলদারি না করার স্পষ্ট বার্তা দিলেন দলকেওশহরের নামী পুজোগুলির র...
14/07/2026

কোনও পুজোর সভাপতি হচ্ছি না, ঘোষণা শমীকের! উৎসবে রাজনৈতিক দখলদারি না করার স্পষ্ট বার্তা দিলেন দলকেও

শহরের নামী পুজোগুলির রাশ কার হাতে থাকবে? পালাবদলের পরেই শুরু হয়েছিল জল্পনা। বিভিন্ন পুজোর সঙ্গে নাম জড়াচ্ছিল বিজেপি নেতা-সাংসদ-বিধায়কদের। এ বার সেই জল্পনাতেই জল ঢাললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। স্পষ্ট জানালেন, তিনি কলেজ স্কোয়্যারের পুজোর সভাপতি হচ্ছেন বলে যে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, তা ভুল। রাজ্যের কোনও পুজো কমিটিরই সভাপতি তিনি হচ্ছেন না। সেই সঙ্গে বিজেপির নেতা, বিধায়ক, সাংসদদেরও দিয়েছেন কড়া বার্তা। সমাজমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন, পুজোগুলিতে রাজনৈতিক দখলদারি চলবে না।

পূর্বতন সরকারের আমলে কলকাতা-সহ রাজ্যের ছোট-মাঝারি-বড় পুজোগুলিকে নিজেদের ছাতার তলায় নিতে দেখা গিয়েছিল শাসকদল তৃণমূলকে। অভিযোগ ছিল, কোনও নেতা-মন্ত্রীর নাম পুজোর সঙ্গে না-জুড়লে প্রয়োজনীয় অনুমোদন মিলত না। হেনস্থার শিকার হতে হত। কিছু পুজো কমিটির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগও উঠেছে। রাজ্যের বর্তমান শাসকদল বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক স্পষ্ট জানিয়েছেন, উৎসবের আনন্দ মানুষের হাতে থাক, রাজনীতির দখলে নয়।

জল্পনা তৈরি হয়েছিল, সুরুচি সঙ্ঘের পরে কলেজ স্কোয়্যারের পুজো কমিটির মাথাতেও বসছেন বিজেপি নেতা। সূত্রের খবর, শমীককে পুজোর সভাপতি পদে বসার জন্য কমিটির তরফে অনুরোধ জানানো হয়েছিল। শমীক স্পষ্ট জানিয়েছেন, সেই আবেদন তিনি গ্রহণ করেননি। সমাজমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘‘কলেজ স্কোয়্যারের দুর্গাপুজোর সভাপতি আমি হচ্ছি না। শুধু কলেজ স্কোয়্যার নয়, রাজ্যের কোনও দুর্গাপুজোর সভাপতি আমি হব না, কিংবা কোনও পুজোর পরিচালনার দায়িত্ব নেব না।’’ শমীক জানিয়েছেন, কমিটির তরফে খুঁটি পুজোর জন্য যে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, তা তিনি রক্ষা করবেন। আগামী বৃহস্পতিবার তিনি সেখানে যাবেন, তবে কমিটির কোনও পদে থাকবেন না।

কেন, তা-ও স্পষ্ট করেছেন শমীক। তিনি জানিয়েছেন, মানুষের পরিষেবা বন্ধ করে পুজোর বিষয়টি ঠিক নয়। পুজো কমিটি, ক্লাব দখল বিজেপি করে না। এর পরেই বিজেপি নেতাদেরও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন শমীক। তিনি সমাজমাধ্যমে লেখেন, ‘‘এক জন বিধায়ক বা মন্ত্রী নিজের এলাকার কোনও পুজো কমিটির সভাপতি হতে পারেন, সেটা তাঁদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, রাস্তায় বেরিয়ে একের পর এক পুজোর দায়িত্ব রাজনৈতিক ব্যক্তি, বিধায়ক, সাংসদ বা রাজনৈতিক দলের নেতারা নিজেদের হাতে তুলে নেবেন।’’ পুজো কমিটিগুলির স্বাধীনতা, স্বাতন্ত্র নিয়েও সওয়াল করেছেন শমীক। জানিয়েছেন, রাজ্যের পুজোগুলির ‘সর্বজনীন চরিত্র’ যাতে অক্ষুণ্ণ থাকে, তাই বিজেপির তরফে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।কলকাতার অন্যতম দুর্গাপুজো সুরুচি সঙ্ঘে এ বছর বড় সাংগঠনিক পরিবর্তন ঘটেছে। সম্পাদক করা হয়েছে উত্তর দমদমের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদারকে। একই সঙ্গে ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে। দীর্ঘ দিন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব সামলানো স্বরূপ বিশ্বাসকেও এ বারের কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হয়। তার পরেই কলেজ স্কোয়্যারের সভাপতি পদ নিয়ে তৈরি হয় জল্পনা। এ বার সেই প্রসঙ্গেই শমীক দলের অবস্থান স্পষ্ট করলেন। তিনি বললেন, ‘‘দুর্গাপুজো সর্বজনের, কোনও রাজনৈতিক দলের নয়।’’

হরমুজ়ে ফের জাহাজে আক্রমণ! ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হানায় নিহত ভারতীয় নাবিক, হামলায় জখম ট্যাঙ্কারের আরও ৬ ভারতীয়হরমুজ় প্রণাল...
14/07/2026

হরমুজ়ে ফের জাহাজে আক্রমণ! ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হানায় নিহত ভারতীয় নাবিক, হামলায় জখম ট্যাঙ্কারের আরও ৬ ভারতীয়

হরমুজ় প্রণালীতে ফের হামলা চালাল তেহরান। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দু’টি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে আছড়ে পড়েছে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র। হামলায় নিহত হয়েছেন এক ভারতীয় নাবিক। জখম হয়েছেন আরও আট জন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, জখম নাবিকদের মধ্যে ছ’জন ভারতীয় এবং দু’জন ইউক্রেনীয়।

গত রবিবার সকালে ওমান উপকূলের কাছে সাইপ্রাসের পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজ আক্রান্ত হয়েছিল। জাহাজটিতে ১১ জন ভারতীয় ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১০ জনকে উদ্ধার করা গিয়েছে। কিন্তু এক জন এখনও নিখোঁজ। ওই হামলার নিন্দা জানিয়েছিল দিল্লিও। এ বার ফের হরমুজ়ে ভারতীয় নাবিকবাহী জাহাজে হামলা চালাল ইরান।

মঙ্গলবার ভোরে তেলবাহী দু’টি ট্যাঙ্কার— মোম্বাসা এবং আল বাহিয়াকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে তেহরান। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি জানাচ্ছে, হামলার সময়ে দু’টি জাহাজই ওমানের জলসীমায় ছিল। সেখানে তাদের উপর হামলা হয়েছে। ইরানি আক্রমণে নিহত ভারতীয় নাবিক ছিলেন মোম্বাসা জাহাজে। ক্ষেপণাস্ত্রের হামলায় দু’টি ট্যাঙ্কারেই আগুন ধরে যায়। যদিও পরে সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন নাবিকেরা।তেলবাহী দুই জাহাজে হামলার নিন্দা জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। এটিকে একটি ‘নির্লজ্জ আক্রমণ’ বলে বর্ণনা করেছে তারা। সঙ্গে এ-ও জানিয়েছে, এই হামলার পূর্ণ জবাব দেবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। অন্য দিকে ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-ও ইতিমধ্যে একটি বিবৃতি দিয়েছে। হরমুজ়ে দু’টি জাহাজ ধ্বংসের কথা স্বীকার করেছে তারা।

বিবৃতিতে ইরান জানিয়েছে, হরমুজ়ে দু’টি ‘সুপারট্যাঙ্কার’ (বড় আকারের জাহাজ) আক্রান্ত হয়ে অকেজো হয়ে গিয়েছে। আইআরজিসি-র দাবি, সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেই হরমুজ় দিয়ে এগোচ্ছিল জাহাজগুলি। নেভিগেশন সিস্টেম (দিকনির্ণয় ব্যবস্থা) বন্ধ করে দিয়ে মাইন পাতা একটি পথ দিয়ে এগোনোর চেষ্টা করছিল জাহাজ দু’টি। ওই দু’টিতে হামলা করে অচল করে দেওয়া হয়েছে। তবে তারা কোনও জাহাজের নামোল্লেখ করেনি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি যে দু’টি জাহাজের কথা বলছে, ইরানও সেই দু’টি জাহাজের কথাই বলছে কি না, তা প্রাথমিক ভাবে স্পষ্ট নয়। ইরানের দাবি, হরমুজ়ে ‘অবৈধ ভাবে’ চলাচলের জন্য জাহাজগুলিকে উস্কানি দিচ্ছে আমেরিকা।আনন্দ বাজার


‘ডেভিডের জন্যই হুমায়ুনটা দল ছেড়েছে’! মুর্শিদাবাদে কল্যাণের আক্ষেপ, পাল্টা কবীরের খোঁচা, ‘বুঝতে অনেক দেরি হয়ে গেল’এত দিন...
12/07/2026

‘ডেভিডের জন্যই হুমায়ুনটা দল ছেড়েছে’! মুর্শিদাবাদে কল্যাণের আক্ষেপ, পাল্টা কবীরের খোঁচা, ‘বুঝতে অনেক দেরি হয়ে গেল’

এত দিন যাঁরা বিভিন্ন জেলায় তৃণমূলের ‘মুখ’ ছিলেন, তাঁরাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছত্রছায়া থেকে আশ্রয় নিচ্ছেন ঋতব্রত তৃণমূলে। চলছে দোষারোপ এবং পাল্টা দোষারোপের পালা। এই প্রেক্ষিতে ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা থেকে ঋতব্রত শিবিরে যোগ দেওয়া অপূর্ব (ডেভিড) সরকারকে তোপ দাগলেন কালীঘাট তৃণমূলের অন্যতম নেতা, সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, ডেভিডের জন্যই দল ছেড়েছেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর জন্যই ‘আসল’ তৃণমূলের সংগঠন শেষ হয়ে গিয়েছে মুর্শিদাবাদে। এ কথা শুনে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এবং নওদার বিধায়ক হুমায়ুন মুচকি হেসেছেন। তাঁর কটাক্ষ, বুঝতে অনেক দেরি করে ফেললেন যে কল্যাণেরা!

রবিবার কালীঘাট তৃণমূলের তরফে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা হয়েছে। সেখানে অন্যতম বক্তা ছিলেন কল্যাণ। মাইক হাতে নিয়ে তিনি বলেন, ‘‘মুর্শিদাবাদটাকে (তৃণমূলের সংগঠন) একাই নষ্ট করে দিয়ে চলে গেছে (অপূর্ব)।’’ ওই কথা শুনেই উপস্থিত নেতা-কর্মীরা করতালি দিতে শুরু করেন। কল্যাণ বলতে থাকেন, ‘‘হুমায়ুন কবীর গেল ওর জন্যই।’’ সকলে বলে ওঠেন, ‘ঠিক-ঠিক’। কল্যাণ বলেন, ‘‘হুমায়ুন কবীরকে আমাদের হারাতে হয়েছে এই ডেভিডের জন্য। ইউসুফ পাঠানও আমাকে বলত, ‘দাদা কিয়া করে, ইয়ে ডেভিড মেরা জান খা যাতা হ্যায়’। আরে ইউসুফ পাঠান, অব তেরা ডেভিড ভি তেরা সাথ সাথ চল গিয়া। অব তেরা দিল ভি খা জায়েগা!’’

অপূর্ব-সহ যে নেতারা ঋতব্রত তৃণমূল কিংবা সরাসরি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, তাঁদের ‘বেইমান’, ‘গদ্দার’ বলে তোপ দেগেছেন কল্যাণ। তিনি বলেন, ‘‘ডেভিডের বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ করেছিল হুমায়ুন। ডেভিডের জন্য হুমায়ুন চলে গিয়েছে। নির্লজ্জের মতো দলের সঙ্গে গদ্দারি করে ডেভিড গদ্দারদের দলে নাম লিখিয়েছে। মানুষ মনে রাখবে।’’

তৃণমূলে থাকার সময় হুমায়ুন এবং ডেভিডের গোষ্ঠীর কোন্দল শীর্ষ নেতৃত্বের কানে বার বার গিয়েছে। শেষমেশ বাবরি মসজিদ ইস্যু নিয়ে হুমায়ুনের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করেন মমতা-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েরা। নিজের দল তৈরি করে হুমায়ুন এখন বিধায়ক। ডেভিড তৃণমূলের টিকিটে কান্দি থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন। এখন তাঁকে ঋতব্রত তৃণমূল মুর্শিদাবাদ জেলার সভাপতির দায়িত্ব দিয়েছে। কল্যাণের কথায়, ‘‘এরা তো আগে গদ্দারি করেনি। তাই আগে দল থেকে বার করার প্রশ্ন ওঠেনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যেই খারাপ সময় এসেছে, তখনই এরা গদ্দারি শুরু করেছে। তাই এদের বিরুদ্ধে বলার সময় এসেছে।’’ প্রবীণ সাংসদের দাবি, মুর্শিদাবাদ জেলার ‘অরিজিনাল তৃণমূল’ যাঁরা, তাঁরা বেইমান তৃণমূল নেতাদের জায়গা দেবে না। মানুষের মনেও এঁদের জন্য জায়গা হবে না।
কল্যাণের আক্রমণের প্রেক্ষিতে ডেভিডের প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি। তবে হুমায়ুন বলেন, ‘‘দীর্ঘ তিন বছর ধরে আমি অভিযোগ জানিয়ে গিয়েছি। এরা যে কত বড় দুর্নীতিপরায়ণ এবং দলের জন্য কতটা ক্ষতিকর, সেটা আমার তৎকালীন দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে বারবার বলেছি। যারা তখন ‘দিদি-দিদি’ করত, আজ তারা হারিয়ে গেল। তবে অনেক দেরি হয়ে গেছে। এ সব বিষয়ে আক্ষেপ করে আর কোনও লাভ নেই।’’ হুমায়ুনের সংযোজন, ‘‘তৃণমূল আজ আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। আর বেশি কথা বলব না।’’আনন্দ বাজার




ভিয়েতনামে দুর্ঘটনা: ‘দ্বীপ থেকে ৪০০ মিটার এগোতেই বড় একটা ঢেউয়ের ধাক্কা, খেলনার মতো উল্টে গেল নৌকা’! মৃত ১৫ ভারতীয়ভিয়েতন...
12/07/2026

ভিয়েতনামে দুর্ঘটনা: ‘দ্বীপ থেকে ৪০০ মিটার এগোতেই বড় একটা ঢেউয়ের ধাক্কা, খেলনার মতো উল্টে গেল নৌকা’! মৃত ১৫ ভারতীয়

ভিয়েতনামের হোন মে রুত এনগোই দ্বীপ থেকে ভারতীয় পর্যটকদের নিয়ে একটি নৌকা রওনা দিয়েছিল অন্য একটি দ্বীপের উদ্দেশে। স্থানীয় সময় শনিবার তখন দুপুর দেড়টা। নৌকায় ৩৯ জন ছিলেন। এনগোই দ্বীপে তখন ভারতীয় পর্যটকদের আরও দু’টি নৌকা অপেক্ষা করছিল। বাকি পর্যটকেরা তখন ছবি তোলায় ব্যস্ত।

প্রত্যক্ষদর্শী এক পর্যটক বলেন, ‘‘দ্বীপ থেকে খুব বেশি হলে ৩০০ মিটার দূরে পৌঁছেছিল। হঠাৎই দেখলাম ঢেউয়ে বেসামাল হয়ে পড়ল নৌকাটি। তার পর আর একটা ঢেউ। খেলনার মতো নৌকাটিকে উল্টে দিল।’’ একটি ফোন সংস্থার উদ্যোগে অন্ধ্রপ্রদেশের গুন্টুর থেকে ভিয়েতনামে বেড়াতে গিয়েছিলেন ভারতীয় পর্যটকেরা। ওই সংস্থায় কর্মরত আশিস কুমার সংবাদসংস্থা পিটিআইকে জানান, পর্যটকেরা তিনটি দলে ভাগ হয়ে তিনটি নৌকা করে দ্বীপ ভ্রমণে বেরিয়েছিলেন। তাঁর কথায়, ‘‘গত ৯ জুলাই আমরা ভিয়েতনামে পৌঁছোই। রবিবার আবার দেশে ফিরে যাওয়ার কথা। কিন্তু তার আগেই এই দুর্ঘটনা।’’আশিস জানিয়েছেন, আবহাওয়া খারাপ ছিল না। আকাশ পরিষ্কারই ছিল। কিন্তু সরকারি তদন্তের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, উঁচু ঢেউ ও প্রবল হাওয়া ছিল এবং সেটিই দুর্ঘটনার অন্যতম সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তামিলনাড়ুর এক পর্যটক নির্মল কুমার এই দুর্ঘটনায় বেঁচে ফিরেছেন। তিনি জানান, তাঁদের নৌকায় মোট ৩৯ জন ছিলেন। তার মধ্যে ৩২ জন ভারতীয়। একটা বড় ঢেউ এসে ধাক্কা মারে নৌকাটিকে। ২০ জন ছিটকে সমুদ্রে পড়ে যান। নৌকাটি পাল্টি খেয়ে যাওয়ায় ভিতরে আটকে পড়েন ১৫ জন। তাঁর কথায়, ‘‘আমরা যাঁরা নৌকার সামনের দিকে ছিলাম, তাঁরাই বেঁচে গিয়েছি।’’

নৌকা পাল্টি খেতেই উদ্ধারকারীরা দেখতে পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। সমুদ্র থেকে অনেককে টেনে তোলেন। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। তবে এই দুর্ঘটনায় ১৫ জন ভারতীয়ের মৃত্যু হয়েছে বলে ভিয়েতনাম প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে।


অন্নপূর্ণা যোজনার নথি বিকৃতির অভিযোগ, ব্লক অফিসে অনধিকার প্রবেশ? ধৃত পুরুলিয়ার জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতিঅন্নপূর্ণা যোজনার...
12/07/2026

অন্নপূর্ণা যোজনার নথি বিকৃতির অভিযোগ, ব্লক অফিসে অনধিকার প্রবেশ? ধৃত পুরুলিয়ার জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি

অন্নপূর্ণা যোজনার নথি বিকৃতির অভিযোগে শোরগোল পুরুলিয়ায়। শুধু অন্নপূর্ণা যোজনা নয়, রাজ্য সরকারের আরও যে সব প্রকল্প রয়েছে, সেগুলির নথিও বিকৃত করা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের। থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি-সহ তিন জন।

বিজেপির অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে ব্লক অফিসের তালা খুলে ঢুকে ল্যাপটপে নথি বিকৃত করছিলেন অভিযুক্তেরা। পুরুলিয়ার পুঞ্চা ব্লক এলাকার ঘটনা। স্থানীয় বিজেপির নেতৃত্বের দাবি, পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি তথা তৃণমূল নেতা সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তাঁর ভাইপো তথা পুঞ্চা পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি কৃপাসিন্ধু বন্দ্যোপাধ্যায় রাতে ব্লক অফিসে অনধিকার প্রবেশ করেন। কৃপাসিন্ধুর সঙ্গে ছিলেন পুঞ্চা পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ চরণপাহাড়ি দাসও। ঘটনাটি গত ৭ জুলাই রাতের বলে দাবি বিজেপির।

পদ্মশিবিরের দাবি, খবর পাওয়া মাত্রই স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব ব্লক অফিসে হানা দেন। হাতেনাতে ধরে ফেলেন তাঁরা। বিক্ষোভ দেখান। পরের দিন থানায় অভিযোগ দায়েরও হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে সেই দিনই চার জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কৃপাসিন্ধু এবং চারণপাহাড়ি ছাড়াও ব্লক অফিসের আরও দুই কর্মীকে ধরা হয়। তবে আদালত থেকে জামিন মঞ্জুর হয় তাঁদের। এর পর বিজেপি আরও একটি অভিযোগ দায়ের করে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার রাতে লাখরা গ্রামে নিজের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় সুজয় এবং কৃপাসিন্ধুকে। অন্যদিকে, পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ চরণপাহাড়ি দাসকে পাড়ুই গ্রাম থেকে ধরা হয়। উল্লেখ্য, ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে পুরুলিয়া কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন সুজয়।
দীর্ঘদিন ধরেই তাঁরা (অভিযুক্তেরা) রাতের অন্ধকারে কিছু অবৈধ কাজকর্ম করছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের হাতেনাতে ধরে ফেলেন। আমাদের অনুমান, তাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার যোগ্য উপভোক্তাদের নাম কাটার চেষ্টা করছিলেন।’’ অভিযোগ এবং গ্রেফতারি প্রসঙ্গে তৃণমূল নেত্রী তথা পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি নিবেদিতা মাহাতো বলেন, ‘‘বিষয়টি জানি না, এই শুনলাম। কী কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে, খোঁজ নিয়ে দেখব।’’ ধৃতদের রবিবার আদালতে হাজির করানো হবে জানান জেলা পুলিশের এক আধিকারিক।


উপড়ে ফেলা হবে বেআইনি মদ, গাঁজার ঠেক! বারুইপুরের ঘটনা টেনে পুলিশকে দু’সপ্তাহের সময় বেঁধে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধি...
11/07/2026

উপড়ে ফেলা হবে বেআইনি মদ, গাঁজার ঠেক! বারুইপুরের ঘটনা টেনে পুলিশকে দু’সপ্তাহের সময় বেঁধে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী!

বারুইপুরে শুভেন্দু: গণপিটুনিতে নিহতের পরিবারকে ২৫ লাখ, দাদাকে সিভিকের চাকরি, কথা নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গেওবারুইপুরে গি...
11/07/2026

বারুইপুরে শুভেন্দু: গণপিটুনিতে নিহতের পরিবারকে ২৫ লাখ, দাদাকে সিভিকের চাকরি, কথা নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গেও

বারুইপুরে গিয়ে নির্যাতিতা বালিকার পরিবার এবং গণপিটুনিতে নিহত যুবক ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। গণপিটুনিতে নিহতের পরিবারের হাতে ২৫ লক্ষ টাকার চেক তুলে দিয়েছেন তিনি। যুবকের দাদাকে সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরিও দেওয়া হয়েছে। শুভেন্দু জানিয়েছেন, নির্যাতিতার পরিবারের পাশেও দাঁড়িয়েছে সরকার। তবে সেখানে কোনও আর্থিক সাহায্য করা হয়েছে কি না, কী ভাবে পাশে দাঁড়ানো হয়েছে, তা খোলসা করতে চাননি। জানিয়েছেন, প্রয়োজনে তা পরিবার জানাবে।

শনিবার বারুইপুরের সূর্যপুরে নতুন পুলিশ ফাঁড়ির উদ্বোধন করেন শুভেন্দু। গত মঙ্গলবার নির্যাতিতার পরিবার তাঁর সঙ্গে দেখা করে এই পুলিশ ফাঁড়ির আবেদন জানিয়েছিল। চার দিনের মধ্যেই তা প্রস্তুত করা হয়েছে। শুভেন্দু জানিয়েছেন, দু’টি ঘটনাতেই অপরাধীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

সূর্যপুর থেকে শুভেন্দু বলেন, ‘‘এখানে একটি একরত্তি মেয়েকে যে ভাবে অত্যাচার করে খুন করা হয়েছে, পরিবারের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ যে ওঁরা তদন্তে সহযোগিতা করেছেন। প্রথম থেকেই পরিবারের পাশে আছি। যে চার জনের নামে অভিযোগ করা হয়েছিল, তাঁদের পুলিশ গ্রেফতার করেছে। কেউ কেউ বসিরহাটের বাংলাদেশ সীমান্ত পর্যন্তও পালিয়ে গিয়েছিল। ধরে আনা হয়েছে। বারুইপুর জেলা পুলিশ ভাল কাজ করেছে। বাকি যা ঘটনা ঘটেছে, তা নিয়ে সিআইডি তদন্ত করছে। আমি কিছু বলব না।’’ উল্লেখ্য, গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত এক ব্যক্তি পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত হয়েছেন। তার পৃথক তদন্ত করছে রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি মুখ্যমন্ত্রী।

নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ‘‘আমি পরিবারকে বলে এসেছি, দোষীদের কাস্টডি ট্রায়াল হবে। মুখ্যমন্ত্রীর মনিটরিংয়ে কনভিকশন হবে। সরকারের তরফে আমাদের কিছু দায়িত্ব ছিল। পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছি। সেটা আমি বলব না। পরিবার চাইলে বলবে।’’ নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর গণপিটুনিতে নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে যান শুভেন্দু। বলেন, ‘‘নাম-পরিচয় দেখে খুন করা হয়েছে। ৩৫ বছরের অবিবাহিত যুবককে হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয়েছে। যাঁরা ভোটে প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন, এর পিছনে তাঁদের উস্কানি রয়েছে। ভিডিয়োতে যত জনের ছবি দেখা গিয়েছে, সকলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বকখালি, দিঘা থেকেও অভিযুক্তদের ধরে এনেছে পুলিশ।’’ নিহত ইন্দ্রজিতের দাদাকে সূর্যপুরের পুলিশ ফাঁড়িতেই সিভিক ভলান্টিয়ার হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে, জানিয়েছেন শুভেন্দু। ওই পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছে সরকার। তাঁদের বাড়ি মেরামত করে দেওয়া হয়েছে। বাবার বার্ধক্য ভাতা এবং মায়ের অন্নপূর্ণা ভান্ডার চালু করা হয়েছে। শুভেন্দুর কথায়, ‘‘ছেলেটাকে তো আমরা ফেরাতে পারব না। তবে এই পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছি। ইন্দ্রের খুনিরা আইন অনুযায়ী চরম শাস্তি পাবে।’’

গত রবিবার সূর্যপুরের একটি পুকুর থেকে নাবালিকার দেহ উদ্ধার করা হয়। তাকে গণধর্ষণ এবং খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সে দিন নাবালিকার দেহ ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ দেখানো হয় এলাকায়। রেল অবরোধও করা হয়েছিল। পুলিশকে মারধর এবং রেল অবরোধের ঘটনায় পৃথক মামলা করে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। এলাকায় ধরপাকড় চলছে। নির্যাতিতার পরিবারের কাছে স্থানীয়েরা অনেকেই তা নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন। শুভেন্দুকে শনিবার সে কথা বলেন নির্যাতিতার বাবা। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রেললাইনের ক্ষতি করেছেন যাঁরা, তাঁরা দেশবিরোধী। তাঁদের শাস্তি পেতে হবে। তবে নিরীহ কেউ যাতে পুলিশি হেনস্থার শিকার না-হন, তা নিশ্চিত করতে বলেছেন তিনি। শুভেন্দুর কথায়, ‘‘খুনি, ধর্ষক, ভাঙচুরকারীরা ভয়ে থাকুক। বাকিদের ভয়ের কারণ নেই।’’আনন্দ বাজার

09/07/2026

সীমান্তে কড়াকড়ি বাড়তেই একের পর এক গ্রেপ্তার, তৎপর জঙ্গিপুর ফাঁড়ির পুলিশ।

08/07/2026

সীমান্ত পেরিয়ে গরু পাচারের অ*ভি*যোগে রঘুনাথগঞ্জে গ্রে*প্তা*র দুই বাংলাদেশি।

Address

Jangipur
742213

Telephone

+918945030812

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when News First Bangla - NFB posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to News First Bangla - NFB:

Shortcuts

Share