Deepak Bhakta

Deepak Bhakta যদি কেউ তোমাকে ভুল বোঝে তাহলে বুঝতে দাও, কারণ তারা যে কোনোভাবেই ভুল বুঝবে,
দৃষ্টিশক্তির চিকিৎসা করা যেতে পারে কিন্তু দৃষ্টিভঙ্গীর নয়...!

06/03/2026
মণিশঙ্কর মুখোপাধ্যায় (শংকর) জন্ম - ৭ ডিসেম্বর, ১৯৩৩ মৃত্যু - ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বাংলা সাহিত্য কিছুটা নীরব হল আজ। প্রয...
20/02/2026

মণিশঙ্কর মুখোপাধ্যায় (শংকর)
জন্ম - ৭ ডিসেম্বর, ১৯৩৩
মৃত্যু - ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
বাংলা সাহিত্য কিছুটা নীরব হল আজ। প্রয়াত হলেন লেখক মণিশঙ্কর মুখোপাধ্যায় (শঙ্কর)। তাঁর লেখায় আমরা পেয়েছি জীবনের গভীরতা, মানুষের অন্তরের দ্বন্দ্ব, সমাজের নিঃশব্দ আর্তনাদ এবং একই সঙ্গে অসীম মানবিকতা। আত্মজীবনীমূলক কাজের জন্য তিনি ১৮ মার্চ ২০২১ সালে সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কারে পুরস্কৃত হন এবং ২০২১ সালে তার "সুবর্ণ সুযোগ" বইয়ের জন্য ফারহা নীল কাজী আন্তর্জাতিক পুরস্কার পান। তাঁর সৃষ্টি আমাদের সঙ্গে থাকবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে। শান্তিতে থাকুক লেখক। ওঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি, এবং পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।

🚗 হাইওয়েতে 'তুফান' তোলার আগে সাবধান! লং ড্রাইভে যাচ্ছেন? এই নিয়মগুলো না জানলে ট্রিপ মাটি! 🛑উইকএন্ডে বা ছুটিতে লং ড্রাইভে...
20/02/2026

🚗 হাইওয়েতে 'তুফান' তোলার আগে সাবধান! লং ড্রাইভে যাচ্ছেন? এই নিয়মগুলো না জানলে ট্রিপ মাটি! 🛑

উইকএন্ডে বা ছুটিতে লং ড্রাইভের প্ল্যান করছেন? হাইওয়ের খোলা রাস্তায় গাড়ির স্পিড বাড়াতে কার না ভালো লাগে! কিন্তু দাদা/দিদি, মনে রাখবেন হাইওয়ে মানেই কিন্তু রেসিং ট্র্যাক নয়। একটু অসাবধানতা বা নিয়ম না জানার ফলে আনন্দের ট্রিপ মুহূর্তে দুঃস্বপ্নে বদলে যেতে পারে।

নিজের এবং বাকিদের সুরক্ষার জন্য হাইওয়েতে গাড়ি চালানোর কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম (Highway Driving Rules) মেনে চলা মাস্ট। আপনার সুবিধার্থে আমরা নিয়ে এসেছি হাইওয়ে ড্রাইভিং-এর একটি সম্পূর্ণ গাইড।
গাড়িতে ওঠার আগে এক নজরে দেখে নিন গুরুত্বপূর্ণ নিয়মগুলো:
🛣️ রাস্তা ও গতিসীমা (Speed Limits):
সব রাস্তায় এক স্পিডে গাড়ি চালানো যায় না। রাস্তা ও গাড়ির ধরন বুঝে স্পিড কন্ট্রোল করুন।
➤ এক্সপ্রেসওয়ে (Expressway): এখানে গাড়ির স্পিড লিমিট সর্বোচ্চ (১০০-১২০ কিমি/ঘণ্টা)। কিন্তু সব এক্সপ্রেসওয়েতে বাইক অ্যালাউড নাও হতে পারে, তাই বোর্ডে নজর রাখবেন।
➤ জাতীয় সড়ক (NH): এখানে গাড়ির জন্য সাধারণত ৮০-১০০ কিমি/ঘণ্টা গতিসীমা থাকে।
➤ ভারী যান: ট্রাক বা বাসের জন্য গতিসীমা সবসময় কম থাকে (৫৫-৮০ কিমি/ঘণ্টা)।

⚠️ লেন শৃঙ্খলা ও ওভারটেকিং (Lane Discipline):
হাইওয়েতে গাড়ি চালানোর আসল মন্ত্র হলো সঠিক লেনে থাকা।
➤ বামে চলুন: সবসময় বাম দিকের লেনে গাড়ি চালান। এটিই নিরাপদ ড্রাইভিংয়ের প্রথম শর্ত।
➤ ওভারটেকিং: ডানদিকের লেনটি শুধুমাত্র ওভারটেক করার জন্য ব্যবহার করুন। ওভারটেক হয়ে গেলে আবার বাম লেনে ফিরে আসুন।
➤ কখনও না: ভুলেও বাম দিক দিয়ে ওভারটেক করবেন না এবং রাস্তায় সাপের মতো এঁকেবেঁকে (Zig-zag) গাড়ি চালাবেন না।
➤ নিরাপদ দূরত্ব: সামনের গাড়ি থেকে অন্তত ২ সেকেন্ডের নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন।

🛣️ রাস্তার দাগ বা লক্ষ্মণ রেখা (Road Markings):
রাস্তার মাঝের দাগগুলো শুধু ডিজাইনের জন্য নয়, এদের নির্দিষ্ট মানে আছে।
➤ টানা সাদা বা হলুদ রেখা: এই দাগ থাকা মানে লেন পরিবর্তন করা বা ওভারটেক করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ভুলেও এই 'লক্ষ্মণ রেখা' ক্রস করবেন না।
➤ ভাঙা সাদা রেখা: এখানে সাবধানে এবং ইন্ডিকেটর দিয়ে লেন পরিবর্তন করা অনুমোদিত।
💰 পকেটের যত্ন (Fines & FASTag):
নিয়ম ভাঙলেই কিন্তু পকেট ফাঁকা!
➤ FASTag: হাইওয়েতে ওঠার আগে গাড়িতে FASTag থাকা বাধ্যতামূলক, নাহলে টোল প্লাজায় দ্বিগুণ টাকা গুণতে হবে।
➤ জরিমানা: সিটবেল্ট না বাঁধলে বা ড্রাইভিংয়ের সময় মোবাইলে গল্প করলে ১০০০ টাকা পর্যন্ত ফাইন। আর মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালালে ১০,০০০ টাকা জরিমানা ও জেল হতে পারে।
🚨 জরুরি পরিস্থিতিতে (Emergency):
রাস্তায় যেকোনো বিপদে মাথা ঠান্ডা রাখুন।
➤ গাড়ি ব্রেকডাউন হলে নিরাপদ স্থানে সাইড করে হ্যাজার্ড লাইট জ্বালিয়ে দিন।
➤ পুলিশ (১১২) বা অ্যাম্বুলেন্সের (১০৮) হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করুন।
মনে রাখবেন, "সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশি"। তাই হিরোগিরি নয়, সাবধানে ড্রাইভ করুন এবং সুস্থভাবে বাড়ি ফিরে আসুন। হ্যাপি জার্নি! 🚘❤️
(তথ্যসূত্র: উপরের ইনফোগ্রাফিক)

👇 পোস্টটি শেয়ার করে আপনার বন্ধু ও পরিবারকেও সচেতন করুন!
#সচেতনতা

18/02/2026

The Mystery ofsun Temple

আপনার কী মতামত?      Raghav Chadha ​"ভোটারদের হাতে যদি নেতাদের জেতানোর অধিকার থাকে, তাহলে কাজ না করলে পদ থেকে টেনে নামান...
13/02/2026

আপনার কী মতামত?

Raghav Chadha

​"ভোটারদের হাতে যদি নেতাদের জেতানোর অধিকার থাকে, তাহলে কাজ না করলে পদ থেকে টেনে নামানোর ক্ষমতাও থাকা উচিত", দাবি রাঘব চাড্ডার

আজকের ভারতের রাজনীতিতে কিছু নাম আছে, যেগুলো শুনলে দল-মত ভুলে মানুষ একটু থেমে যায়। রাঘব চাড্ডা তেমনই এক নাম। কে কোন দলের...
13/02/2026

আজকের ভারতের রাজনীতিতে কিছু নাম আছে, যেগুলো শুনলে দল-মত ভুলে মানুষ একটু থেমে যায়। রাঘব চাড্ডা তেমনই এক নাম। কে কোন দলের সমর্থক, সেটা বড় কথা নয়—রাস্তায় দাঁড়িয়ে চা খেতে খেতে দাদু-ঠাকুমা থেকে শুরু করে কলেজের পড়ুয়া, অনেকের কথাতেই উঠে আসে তাঁর নাম।

রাজনীতি মানেই যেখানে কেবল ক্ষমতার হিসাব, সেখানে রাঘব চাড্ডাকে অনেকেই দেখেন পাশের বাড়ির ছেলেটার মতো। যিনি বড় বড় কথা না বলে, সাধারণ মানুষের ছোট ছোট সমস্যাগুলো নিয়ে কথা বলেন। বিদ্যুতের বিল, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চাকরি—এই সব বিষয় তাঁর বক্তব্যে বারবার ফিরে আসে।

অনেক সময় মনে হয়, তিনি যেন মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দিচ্ছেন না, বরং পাড়ার মোড়ে বসে দাদার সঙ্গে গল্প করছেন। সেই কথার মধ্যে আছে বাস্তবতা, আছে যুক্তি, আর আছে একটা শান্ত দৃঢ়তা। তাই তাঁর কথা শুধু দলের লোকই শোনে না, শোনে সেই মানুষটাও, যে রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে চায়।

রাঘব চাড্ডার প্রতি এই সম্মান তৈরি হয়েছে ধীরে ধীরে। একদিনে নয়। দিনের পর দিন সংসদে কিংবা জনসমক্ষে সাধারণ মানুষের হয়ে কথা বলার ফলেই এই বিশ্বাস জমেছে। তিনি কাউকে গাল দেন না, কাউকে ছোট করেন না—কিন্তু প্রশ্ন তুলতে পিছপা হন না।

এই কারণেই তাঁর সমর্থন শুধু ভোটের অঙ্কে আটকে নেই। অনেকেই বলেন, “দল যাই হোক, লোকটা ঠিক আছে।” রাজনীতিতে এই কথাটা খুব সহজে পাওয়া যায় না। কারণ এখানে বিশ্বাস তৈরি করা সবচেয়ে কঠিন কাজ।

আজ তিনি ট্রেন্ডে আছেন, কাল থাকবেন কি না সেটা বড় কথা নয়। বড় কথা হল, তিনি মানুষের মনে একটা জায়গা করে নিতে পেরেছেন। আর সেই জায়গাটা তৈরি হয়েছে কথার জোরে নয়, কাজ আর অবস্থানের মাধ্যমে।

হয়তো এটাই তাঁর আলাদা হয়ে ওঠার আসল কারণ। রাজনীতির কোলাহলের ভিড়ে তিনি এমন একজন মানুষ, যাঁকে নিয়ে আলোচনা হয় দলীয় চশমা ছাড়াই। আর সেখানেই রাঘব চাড্ডার শক্তি—রাজনীতির গণ্ডি পেরিয়ে সাধারণ মানুষের বিশ্বাস অর্জন।





খুবই প্রয়োজনীয় উপকারে টিপস:১. চশমা: ধোঁয়া জমলে শেভিং ক্রিম লাগিয়ে মুছে নিন। ২. হেলমেট: দুর্গন্ধ দূর করতে রোদে দিন ও স...
13/02/2026

খুবই প্রয়োজনীয় উপকারে টিপস:
১. চশমা: ধোঁয়া জমলে শেভিং ক্রিম লাগিয়ে মুছে নিন।
২. হেলমেট: দুর্গন্ধ দূর করতে রোদে দিন ও স্প্রে করুন।
৩. গাড়ির কাঁচ: শ্যাম্পু দিয়ে পরিষ্কার করলে ধুলো কম জমে।
৪. সাইকেল: চেইনে গ্রিজ বা তেল নিয়মিত দিন।

বাইক বা স্কুটার কিনলেই এবার ডবল ফয়দা! 🏍️ কেন্দ্রীয় সরকারের বড় ঘোষণা আসছেবাইক বা স্কুটার নিয়ে রাস্তায় বেরোন? কিংবা সামনেই...
13/02/2026

বাইক বা স্কুটার কিনলেই এবার ডবল ফয়দা! 🏍️ কেন্দ্রীয় সরকারের বড় ঘোষণা আসছে

বাইক বা স্কুটার নিয়ে রাস্তায় বেরোন? কিংবা সামনেই নতুন বাইক কেনার প্ল্যান করছেন? তাহলে এই খবরটা আপনার মিস করা একদম উচিত হবে না! 🫵

সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে এবং বাইক আরোহীদের সুরক্ষা বাড়াতে কেন্দ্রীয় সরকার মোটর ভেহিক্যাল আইনে কিছু বড়সড় পরিবর্তনের প্রস্তাব এনেছে। সহজ ভাষায় জেনে নিন কী হতে চলেছে নতুন নিয়ম: 👇

➤ ডবল হেলমেট বাধ্যতামূলক: নতুন বাইক বা স্কুটার কিনলে এখন থেকে আর আলাদা করে হেলমেট কেনার চিন্তা নেই! কোম্পানিকেই গাড়ি বিক্রির সময় ক্রেতাকে দুটি (২) বিআইএস (BIS) স্ট্যান্ডার্ডের হেলমেট দিতে হবে। চালক এবং পেছনের সওয়ারি—দুজনের সুরক্ষাই এবার পাকা! 👷‍♂️👷‍♀️

➤ ব্রেকিং হবে আরও শক্তপোক্ত (ABS): ১লা জানুয়ারি, ২০২৬ থেকে সুরক্ষার কড়াকড়ি আরও বাড়ছে। যেসব দু-চাকা গাড়ির ইঞ্জিন ৫০ সিসির বেশি অথবা গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটারের বেশি, সেগুলোতে অ্যান্টি-লক ব্রেকিং সিস্টেম (ABS) থাকা বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, হঠাত ব্রেক কষলে বাইক স্লিপ খাওয়ার ভয় আর থাকছে না! 🛑✨

➤ আইনি বদল: এই সমস্ত পরিবর্তন কেন্দ্রীয় মোটর ভেহিক্যাল রুলস, ১৯৮৯-এর সংশোধিত খসড়া প্রস্তাবের অংশ হিসেবে আনা হচ্ছে।

➤ আপনার মতামত কী?: সরকার এই খসড়া প্রস্তাবের ওপর সাধারণ মানুষের পরামর্শ বা আপত্তির জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকে ৩০ দিন সময় দিয়েছে।

শেষ কথা: রাস্তায় নিরাপত্তা বাড়ানো এবং অকাল মৃত্যু কমানোই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। হেলমেট আর এবিএস (ABS)—দুটোই আমাদের জীবনের রক্ষ কবচ! 🛣️👍

সরকারের এই নতুন প্রস্তাব আপনার কেমন লাগল? বাইকের সাথে দুটো হেলমেট বাধ্যতামূলক করা কি সঠিক সিদ্ধান্ত? কমেন্টে আপনার মতামত জানান! 👇

🔺বাচ্চাটা খুব অসুস্থ, সিটি স্ক্যান করা জরুরি। কিন্তু একা ওই বড় মেশিনের রুমে ঢুকতে সে কিছুতেই রাজি নয়।​বিগত ২–৩ ঘণ্টা ধরে...
06/02/2026

🔺বাচ্চাটা খুব অসুস্থ, সিটি স্ক্যান করা জরুরি। কিন্তু একা ওই বড় মেশিনের রুমে ঢুকতে সে কিছুতেই রাজি নয়।

​বিগত ২–৩ ঘণ্টা ধরে বাবা-মা, ডাক্তার—সবাই মিলে তাকে বোঝাতে গিয়ে ব্যর্থ হলেন। ভয়ের চোটে শিশুটির চোখে মুখে শুধু অসহায়ত্ব। ঠিক তখনই ডাকা হলো তার সবচেয়ে কাছের মানুষটিকে—তার প্রিয় বন্ধুকে।

​বন্ধু আসতেই যেন জাদুর মতো ভয়টা অর্ধেক হয়ে গেল। কিন্তু শর্ত একটাই—"একসাথে যাব, একসাথেই সিটি স্ক্যান করব!"

​সেই অসাধ্যই সাধন হলো।
আজ হাসপাতালের বেডে দেখা গেল এক অনন্য দৃশ্য—দুটো ছোট্ট প্রাণ পাশাপাশি শুয়ে, একে অপরের সাহস হয়ে যান্ত্রিক ভয়ের মোকাবিলা করছে।

এই দৃশ্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়, বন্ধুত্ব মানে শুধু বিকেলে এক সাথে দৌড়ানো নয়; বন্ধুত্ব মানে অন্ধকারের সময় একে অপরের প্রদীপ হওয়া।

​পৃথিবীর সব বন্ধুত্ব এমন পবিত্র আর অটুট থাকুক। ❤️

জিম্বাবুয়ের এক ব্যাংকে ডাকাত ঢুকে চেঁচিয়ে বলল—**“কেউ নড়বেন না! টাকা সরকারের, জীবন আপনাদের।”**সবাই চুপচাপ শুয়ে পড়ল।👉...
04/02/2026

জিম্বাবুয়ের এক ব্যাংকে ডাকাত ঢুকে চেঁচিয়ে বলল—
**“কেউ নড়বেন না! টাকা সরকারের, জীবন আপনাদের।”**
সবাই চুপচাপ শুয়ে পড়ল।
👉 এটাকে বলে **ভাবনা বদলানো**।

হঠাৎ এক মহিলা টেবিলের ওপর শুয়ে পড়লেন, একটু বেশি নাটকীয়ভাবে।
ডাকাত বলল—
**“ভদ্র থাকুন! এটা ডাকাতি, অন্য কিছু না!”**
👉 এটাকে বলে **পেশাদারিত্ব**—নিজের কাজেই ফোকাস।

ডাকাতি শেষে বাড়ি ফিরে এমবিএ পাশ করা ছোট ডাকাত বলল—
**“চল টাকা গুনি।”**
ক্লাস সিক্স পাশ বড় ডাকাত বলল—
**“গোনার দরকার নেই। রাতে খবরেই বলবে কত গেছে।”**
👉 এটাকে বলে **অভিজ্ঞতা**। ডিগ্রির চেয়েও দামি।

ডাকাত চলে গেলে ব্যাংক ম্যানেজার পুলিশ ডাকতে চাইল।
সুপারভাইজার বলল—
**“থামুন! ১০ মিলিয়ন আমরা নিজেরাই নিই, আগের ৭০ মিলিয়নের সাথে যোগ করি।”**
👉 এটাকে বলে **পরিস্থিতিকে কাজে লাগানো**।

সে আবার বলল—
**“মাসে একবার ডাকাতি হলে মন্দ হয় না।”**
👉 এটাকে বলে **একঘেয়েমি কাটানো**। সুখই আসল।

পরদিন খবর এলো—১০০ মিলিয়ন চুরি।
ডাকাতরা গুনে দেখল—তাদের আছে মাত্র ২০ মিলিয়ন!

তারা বলল—
**“জীবন বাজি রেখে ২০ মিলিয়ন! আর ম্যানেজার একাই ৮০ মিলিয়ন! মনে হয় পড়াশোনা করাই ভালো ছিল!”**
👉 এটাকে বলে **জ্ঞানই আসল শক্তি**।

আর ব্যাংক ম্যানেজার?
হাসছে—স্টক মার্কেটের লস কভার হয়ে গেছে।
👉 এটাকে বলে **সুযোগ চিনতে জানা**।

**মোরাল:**
ঝুঁকি নিতে জানতে হয়…
আর বুদ্ধি থাকলে ঝুঁকিই হয়ে যায় সুযোগ 😄


কেন্দ্রীয় চরিত্রে হৃতিক রোশনের অভিনীত প্রথম সিনেমার নাম কাহো না পেয়ার হ্যায়। সিনেমাটা যারা দেখেছেন, তারা ভালো করেই জানেন...
14/01/2026

কেন্দ্রীয় চরিত্রে হৃতিক রোশনের অভিনীত প্রথম সিনেমার নাম কাহো না পেয়ার হ্যায়। সিনেমাটা যারা দেখেছেন, তারা ভালো করেই জানেন- সিনেমার সেকেন্ড হাফের একটা ভালো অংশের শুটিং হয়েছিল নিউজিল্যান্ডে। যেখানে আমরা হৃতিক রোশনের মত অবিকল দেখতে আর একজন কে দেখতে পাই । খুব সম্ভবত নিউজিল্যান্ডে এটাই প্রথমবারের মত কোন হিন্দি সিনেমার শুটিং ছিল।

নিউজিল্যান্ডের যে মনোরম লোকেশনে এই সিনেমার শুটিং হয়েছিল, সিনেমা রিলিজের পর সেসব জায়গায় পর্যটকদের বিশেষ করে ইন্ডিয়ানদের আনাগোনা বেড়ে যায়। মানুষের আনাগোনার পরিমাণ এতটাই বেড়ে যায় যে, আগে যেসব জায়গায় ভিজিটিং ফি ছিল না, সেখানেও ফি নেয়া শুরু করে নিউজিল্যান্ড সরকার।

বেশকিছু সময় পরে, নিউজিল্যান্ডের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হেলেন ক্লার্ক সিনেমার ডিরেক্টর, প্রোডিউসার তথা হৃতিক রোশনের বাবাকে উদ্দেশ্য করে একটি কৃতজ্ঞতামূলক চিঠি লেখেন। তার ছেলে হৃতিক রোশনের সিনেমার ক্রেজের কারণে কীভাবে নিউজিল্যান্ডের পর্যটনশিল্পে উপকার হয়েছে, তা জানিয়ে এই চিঠিটি লেখেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী।

এই সেই চিঠি। সেই সময়ে হৃতিক রোশনের ক্রেজের পরিমাণ আন্দাজ করা যায় স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এরকম চিঠি আসা দেখলে।

Address

Jhargram
721507

Opening Hours

Monday 12pm - 6pm
Tuesday 12pm - 6pm
Wednesday 12pm - 6pm
Thursday 12pm - 6pm
Friday 12pm - 6pm
Saturday 12pm - 6pm
Sunday 12pm - 6pm

Telephone

01749594848

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Deepak Bhakta posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Deepak Bhakta:

Share