G news bangla

G news bangla স্থানীয় থেকে জাতীয়—সব খবর এক জায়গায় | লাইভ আপডেট | ব্রেকিং নিউজ | বিশেষ প্রতিবেদন

25/06/2026

"হুগলি জেলার এক প্রাচীন জনপদ গুপ্তিপাড়া। গঙ্গার তীরবর্তী এই ঐতিহাসিক অঞ্চলের পরিচয় শুধু তার প্রাচীন মন্দির বা সংস্কৃতির জন্য নয়, বরং শতাব্দী প্রাচীন রথযাত্রার জন্যও।
আজ থেকে প্রায় আড়াইশো বছরেরও বেশি আগে গুপ্তিপাড়ায় শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের আরাধনাকে কেন্দ্র করে রথযাত্রার সূচনা হয়। কথিত আছে, ভক্তদের উদ্যোগেই এই উৎসব ধীরে ধীরে বড় আকার ধারণ করে। এরপর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গুপ্তিপাড়ার রথ বাংলার অন্যতম বিখ্যাত রথযাত্রায় পরিণত হয়।
গুপ্তিপাড়ার জগন্নাথ মন্দিরে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার পূজা হয়। রথযাত্রার দিন এই তিন বিগ্রহকে সুসজ্জিত কাঠের বিশাল রথে বসিয়ে মন্দির থেকে মাসির বাড়ির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়। হাজার হাজার ভক্ত রথের দড়ি টেনে এই যাত্রায় অংশ নেন।
তবে গুপ্তিপাড়ার রথের সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি বিশেষ ঐতিহ্য, যার নাম 'ভাণ্ডার লুট'। উল্টো রথের আগের দিন জগন্নাথদেবের উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ প্রসাদ নিবেদন করা হয়। এরপর নির্দিষ্ট সময়ে ভক্তরা সেই প্রসাদ সংগ্রহের জন্য একত্রিত হন। এই অনুষ্ঠান বহু বছর ধরে গুপ্তিপাড়ার অন্যতম আকর্ষণ হয়ে রয়েছে এবং দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এই দৃশ্য দেখার জন্য ভিড় করেন।
রথযাত্রাকে ঘিরে বসে বিশাল মেলা। একসময় এই মেলায় আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ কেনাকাটা করতে আসতেন। এখনও সেই ঐতিহ্য বজায় রয়েছে। খেলনা, মাটির জিনিস, মিষ্টি, নাগরদোলা এবং নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
গুপ্তিপাড়ার রথ শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি এই অঞ্চলের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং মানুষের আবেগের প্রতীক। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই উৎসব মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, মিলন এবং ঐতিহ্যের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করেছে।
আজও যখন রথের বিশাল চাকা ঘুরতে শুরু করে, তখন শুধু একটি রথ এগিয়ে যায় না— এগিয়ে যায় শত শত বছরের ইতিহাস, বিশ্বাস এবং বাংলার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।
আর সেই কারণেই, গুপ্তিপাড়ার রথ শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, এটি বাংলার ইতিহাসের এক জীবন্ত অধ্যায়।"

19/06/2026

জমি প্রতারণার শিকার মহিলা, গ্রেফতার প্রতারক, বুধবার বলাগড় ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরে একটি মিউটেশন কেসের শুনানি চলাকালীন BL&LRO, Balagarh কৃষ্ণেন্দু বাগচীর কাছে হুগলীর বলাগড় থানার ইনচুরা বাজারের বাসিন্দা মমতা ঘোষ দাবি করেন যে তার নামে থাকা দুই শতক জমি তিনি কাউকে বিক্রি করেননি। এ ব্যাপারে ঐ জমির ক্রেতা তথা বর্তমান জমির মালিক হিসেবে দাবিদার রঞ্জিত মন্ডল পিতা অতনু মন্ডল তিয়ন্নই, ইনচুড়া বাজারের বাসিন্দাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন bl and lro কৃষ্ণেন্দু বাগচী,
কোন রকম কোন সদুত্তর পাওয়া যায়নি। এরপর সব রকম কাগজপত্র যাচাই করে BL&LRO দেখেন জমির আসল মালিক মমতা ঘোষকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে ওই ব্যক্তি অন্য কোন মহিলাকে ওই মমতা ঘোষ সাজিয়ে রেজিস্ট্রি অফিসে নিয়ে গিয়ে উনাকে দিয়ে মমতা ঘোষের নাম সই করিয়ে অসাধু উপায়ে ওই জমিটি রঞ্জিত মন্ডল নিজের নামে রেজিস্ট্রি করিয়েছেন। এই ঘটনা সামনে আসতেই BL& LRO কৃষ্ণেন্দু বাগচী বলাগড় থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সোমদেব পাত্রকে জানান। এরপর জমির প্রকৃত মালিক মমতা ঘোষ বলাগড় থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করেন এবং একটি মামলা ঋজু হয়। বিষয়টির গুরুত্ব বুঝে থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সোমদেব পাত্র এর নির্দেশ মত si কল্যাণব্রত মজুমদার ও asi রাজেশ মন্ডল অভিযুক্ত রঞ্জিত মন্ডল কে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। বৃহস্পতিবার তাকে পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানিয়ে চুঁচুড়া আদালতে পেশ করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে এই ঘটনার সঙ্গে আর যারা যারা যুক্ত আছে তাদের প্রত্যেককে চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে এবং খুব তাড়াতাড়ি এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হবে।
BLLRO অফিস সূত্রে জানা গেছে এই ধরনের প্রত্যেকটা কাজে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নির্দেশ অনুসারে জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ চলছে। জমি ক্রয় বিক্রয়ের ক্ষেত্রে যে সমস্ত বেআইনি চক্র সক্রিয় আছে তাদেরকে সমূলে বিনাশ করা হবে এবং আইন অনুযায়ী কঠোর সাজার ব্যবস্থা করা হবে।
Shubho biswas er sathe prabir Das er report g news bangla

15/06/2026

গুপ্তিপাড়ায় সিএএ আবেদন শিবির, উদ্বাস্তু হিন্দুদের নাগরিকত্ব প্রদানে উদ্যোগ — সিয়ালদহ স্টেশনের নাম পরিবর্তনের দাবিতে সরব অম্বিকানন্দ মহারাজ
আজ বঙ্গীয় হিন্দু সেনার উদ্যোগে বলাগড় ২ নম্বর পঞ্চায়েতের গুপ্তিপাড়ার রায়পাড়ায় সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (CAA) সংক্রান্ত একটি বিশেষ শিবিরের আয়োজন করা হয়। এই শিবিরে বাংলাদেশ থেকে আগত এবং দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বসবাসরত হিন্দু উদ্বাস্তু পরিবারগুলিকে অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংক্রান্ত সহায়তা প্রদান করা হয়।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের আওতায় যোগ্য উদ্বাস্তু হিন্দুদের ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রদানের লক্ষ্যে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। শিবিরে উপস্থিত বহু মানুষের নথিপত্র যাচাই করে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কাজ করা হয়। ধর্মীয় সংশয়পত্রসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন নথির ভিত্তিতে নাগরিকত্বের আবেদন কীভাবে করতে হবে, সে বিষয়েও বিস্তারিত পরামর্শ দেওয়া হয়।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গীয় হিন্দু সেনার প্রতিষ্ঠাতা অম্বিকানন্দ মহারাজ। তিনি বলেন, বহু বছর ধরে ভারতে বসবাসকারী উদ্বাস্তু হিন্দুদের নাগরিকত্ব প্রদান করা মানবিক ও জাতীয় কর্তব্য। সেই লক্ষ্যেই সংগঠন সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে চলেছে।
এদিন অম্বিকানন্দ মহারাজ আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, কলকাতার সিয়ালদহ স্টেশনের নাম পরিবর্তন করে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় টার্মিনাল করা হোক এবং সিয়ালদহ স্টেশন চত্বরে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, চিন্তাবিদ ও জননেতা ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের একটি পূর্ণাবয়ব মূর্তি স্থাপন করা হোক। তাঁর মতে, জাতীয় জীবনে ড. মুখোপাধ্যায়ের অবদানকে যথাযথ মর্যাদা দিতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।
বঙ্গীয় হিন্দু সেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী দিনেও বিভিন্ন এলাকায় এই ধরনের সিএএ সহায়তা শিবিরের আয়োজন করা হবে, যাতে নাগরিকত্বের আবেদন প্রক্রিয়ায় কোনো যোগ্য ব্যক্তি বঞ্চিত না হন।
বিস্তারিত বক্তব্য অম্বিকানন্দ মহারাজের মুখ থেকেই শোনা যাবে।
গুপ্তিপাড়া থেকে শুভ বিশ্বাসের সঙ্গে প্রবীর দাসের রিপোর্ট, জি নিউজ বাংলা।

14/06/2026

গুপ্তিপাড়ার STKK রোডে অসুস্থ লরি চালককে উদ্ধার, মানবিকতার নজির পুলিশের
গুপ্তিপাড়ার STKK রোডে এক অসুস্থ লরি চালককে উদ্ধার করে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করল পুলিশ। দ্রুত তৎপরতা এবং সময়োচিত সিদ্ধান্তের ফলে ওই চালক সময়মতো চিকিৎসা পেয়ে নতুন করে জীবন ফিরে পেলেন বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
জানা গেছে, STKK রোডের পাশে একটি লরি দীর্ঘ সময় ধরে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকার খবর পেয়ে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নেন বলাগড় থানার ওসি সোমদেব পাত্র এবং গুপ্তিপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির আইসি প্রীতম সিং। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তাঁরা অবিলম্বে এএসআই দীপঙ্কর সাহাকে ঘটনাস্থলে পাঠান।
ঘটনাস্থলে পৌঁছে এএসআই দীপঙ্কর সাহা লরিটির কাছে গিয়ে চালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। তিনি একাধিকবার ডাকাডাকি করলেও কোনো সাড়া পাননি। এতে সন্দেহ আরও বাড়লে তিনি গাড়ির ভেতরে গিয়ে খোঁজখবর নেন। তখন দেখা যায়, লরির চালক অসুস্থ অবস্থায় পড়ে রয়েছেন এবং নিজের থেকে কোনো সাহায্য চাওয়ার অবস্থাতেও নেই।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে এএসআই দীপঙ্কর সাহা আর সময় নষ্ট না করে সঙ্গে থাকা সিভিক ভলান্টিয়ারদের সহযোগিতায় উদ্ধারকাজ শুরু করেন। অসুস্থ চালককে দ্রুত লরি থেকে নামিয়ে কালনা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা শুরু হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া লরি চালক অন্ধ্রপ্রদেশের বাসিন্দা। দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার সময় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তিনি রাস্তার ধারে গাড়ি থামিয়ে দেন এবং পরে লরির মধ্যেই অসহায় অবস্থায় পড়ে থাকেন। ঠিক সেই সময় পুলিশের তৎপরতায় তাঁর কাছে সাহায্য পৌঁছে যায়।
বর্তমানে ওই চালক কালনা মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলে জানা গেছে। তিনি আগের তুলনায় অনেকটাই সুস্থ আছেন এবং চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
এই ঘটনায় এএসআই দীপঙ্কর সাহার দ্রুত সিদ্ধান্ত, বলাগড় থানার ওসি সোমদেব পাত্র ও গুপ্তিপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির আইসি প্রীতম সিংয়ের তৎপরতা এবং সিভিক ভলান্টিয়ারদের সহযোগিতার প্রশংসা করেছেন স্থানীয় মানুষ। তাঁদের মতে, পুলিশের এই মানবিক উদ্যোগ প্রমাণ করে যে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি বিপদে-আপদে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতেও পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত।
গুপ্তিপাড়া থেকে শুভ বিশ্বাস ও প্রবীর দাসের রিপোর্ট | জি নিউজ বাংলা

11/06/2026

১১ জুন: সন্ধ্যায় গুপ্তিপাড়ার আপনজন ক্লাব পরিচালিত বজরংবলীর মন্দিরে পুজো দিতে আসেন বলাগড়ের বিধায়ক তথা রাজ্যের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী Sumana Sarkar।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তিনি এই মন্দিরে এসে পুজো দিয়েছিলেন। নির্বাচনে জয়লাভ করে রাজ্যের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর আবারও গুপ্তিপাড়ার আপনজন ক্লাবের বজরংবলীর মন্দিরে পুজো দিতে আসেন তিনি। এদিন মন্দিরে বিশেষ পূজা ও প্রার্থনায় অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী।
তাঁর আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। প্রতিমন্ত্রীকে এক নজর দেখার জন্য মন্দির প্রাঙ্গণে ভিড় জমে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে শুভেচ্ছা জানান এবং অনেকেই তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগ পান।
গুপ্তিপাড়ার আপনজন ক্লাবের এই মন্দির দীর্ঘদিন ধরেই এলাকার মানুষের ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম কেন্দ্র। প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকারের আগমনে মন্দির চত্বর উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। তাঁর এই সফরে খুশি হন এলাকার ভক্ত ও সাধারণ মানুষ।
এদিনের এই সফরকে কেন্দ্র করে গুপ্তিপাড়ায় উৎসবের আবহ তৈরি হয় এবং প্রতিমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে এলাকার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখার বার্তাও উঠে আসে তাঁর এই সফরের মাধ্যমে।**"গুপ্তিপাড়া থেকে শুভ বিশ্বাসের সঙ্গে প্রবীর দাসের রিপোর্ট, জি নিউজ বাংলা।

09/06/2026

মেয়েদের খো-খোতে সেরা বাংলা, সাফল্যে গর্বিত গুপ্তিপাড়ার দুই বোন
বলাগড়ের গুপ্তিপাড়ার দুই কন্যা তানিয়া দত্ত ও দিয়া haldar খো-খো খেলায় অসাধারণ সাফল্য অর্জন করে শুধু নিজেদের পরিবার নয়, গোটা এলাকার মুখ উজ্জ্বল করেছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় স্তরের খো-খো প্রতিযোগিতায় পশ্চিমবঙ্গ দলের হয়ে অংশ নিয়ে তারা সোনার পদক জয় করে সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
একই পরিবারের দুই বোন ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী। পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত অনুশীলন করে নিজেদের দক্ষতা বাড়িয়েছে তারা। সীমিত সুযোগ-সুবিধা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও খেলার প্রতি তাদের একাগ্রতা এবং পরিশ্রম কখনও কমেনি। সেই কঠোর পরিশ্রমের ফলস্বরূপ আজ তারা জাতীয় মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিত্ব করে সাফল্যের শিখরে পৌঁছেছে।
তানিয়া ও দিয়ার এই কৃতিত্বে খুশির হাওয়া বইছে গুপ্তিপাড়া ও বলাগড় জুড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, তাদের এই সাফল্য আগামী প্রজন্মের খেলোয়াড়দের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। পরিবারের সদস্যরাও দুই বোনের এই অর্জনে গর্বিত এবং ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্যের আশা করছেন।
খেলার মাঠে নিষ্ঠা, অধ্যবসায় ও আত্মবিশ্বাসের যে দৃষ্টান্ত তানিয়া ও দিয়া স্থাপন করেছে, তা নিঃসন্দেহে সকলের জন্য শিক্ষণীয়। তাদের এই সাফল্য প্রমাণ করে দিয়েছে যে প্রতিভা ও কঠোর পরিশ্রম থাকলে গ্রামের মাটিতেও জন্ম নিতে পারে জাতীয় স্তরের চ্যাম্পিয়ন।

08/06/2026

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে ঘোষণা করেছিল, রাজ্যে ক্ষমতায় এলে প্রত্যেক যোগ্য মহিলার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মাসিক ৩,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। নির্বাচনের পর সরকার গঠনের পর ৩ জুন থেকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের অধীনে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির টাকা পাঠানো শুরু হয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
The Times of India +1
এরই মধ্যে গুপ্তিপাড়া ১ নম্বর পঞ্চায়েতের ৬ নম্বর বুথের বাসিন্দা মৌসুমী রায়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের প্রথম কিস্তির টাকা জমা পড়েছে। টাকা পেয়ে তিনি খুশি প্রকাশ করে জানান, “এই অর্থ আমার সংসার চালাতে অনেকটাই সাহায্য করবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ সামলাতে এই সহায়তা আমার পরিবারের জন্য উপকারী হবে।”
এলাকার অন্যান্য মহিলারাও এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার আশায় রয়েছেন। সরকারের এই উদ্যোগ মহিলাদের আর্থিকভাবে আরও স্বনির্ভর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন অনেকে।
গুপ্তিপারা থেকে শুভ বিশ্বাসের সঙ্গে পাবির দাসের রিপোর্ট, জি নিউজ বাংলা।

07/06/2026

গুপ্তিপাড়া হাসপাতালের উন্নত পরিষেবার দাবিতে সরব এলাকাবাসী
গুপ্তিপাড়ার মানুষের দীর্ঘদিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি হল গুপ্তিপাড়া হাসপাতালের পরিকাঠামো ও স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়ন। গুপ্তিপাড়া, ১ নম্বর ও ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এবং বেহুলা সোমড়া অঞ্চলের বহু মানুষ চিকিৎসার জন্য এই হাসপাতালের উপর নির্ভরশীল।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই হাসপাতাল হওয়া সত্ত্বেও বহু ক্ষেত্রে পরিষেবা প্রত্যাশিত মানে পৌঁছায়নি। বিশেষ করে প্রসূতি বিভাগে বেড থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে সেই পরিষেবা বন্ধ রয়েছে বলে দাবি করছেন এলাকাবাসী। ফলে গর্ভবতী মহিলাদের চিকিৎসার জন্য অনেক সময় দূরের হাসপাতালে যেতে হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এলাকার মানুষের বক্তব্য, হাসপাতালের পরিষেবা আরও উন্নত করা অত্যন্ত প্রয়োজন। পর্যাপ্ত চিকিৎসক, নার্স, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং বিভিন্ন বিভাগে নিয়মিত পরিষেবা চালুর দাবি তুলেছেন তাঁরা। সাধারণ রোগী থেকে শুরু করে প্রবীণ নাগরিক, শিশু ও গর্ভবতী মহিলাদের জন্য উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করার আবেদন জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা।
বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে গুপ্তিপাড়া হাসপাতালে উন্নত মানের স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সেই প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়িত হোক, এমনটাই আশা করছেন স্থানীয় মানুষ।
গ্রামবাসীদের একটাই দাবি—গুপ্তিপাড়া হাসপাতালকে এমনভাবে উন্নত করা হোক যাতে এলাকার মানুষকে সামান্য চিকিৎসার জন্যও দূরে ছুটতে না হয়। গুপ্তিপাড়া, ১ নম্বর ও ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এবং বেহুলা সোমড়া অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষের স্বাস্থ্যসেবার ভরসা এই হাসপাতাল। তাই হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নয়ন, চিকিৎসক নিয়োগ এবং বন্ধ থাকা পরিষেবাগুলি দ্রুত চালু করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
চলুন, এবার সরাসরি শুনে নেওয়া যাক এলাকাবাসীর মুখে তাঁদের দাবি ও প্রত্যাশার কথা।

05/06/2026

ভুঁড়িওয়ালা পুলিশ আর নয়! ফিটনেসে জোর, কড়া নির্দেশ রাজ্য সরকারের

রাজ্যের পুলিশ বাহিনীকে আরও কর্মক্ষম ও ফিট করে তুলতে বড়সড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত ওজন ও শারীরিক সক্ষমতার অভাব দূর করতে পুলিশ কর্মীদের জন্য বাধ্যতামূলক শরীরচর্চা ও ফিটনেস রুটিন চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজ্য প্রশাসনের তরফে পুলিশ বাহিনীর শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। �
সূত্রের খবর, ভোরে ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে নিয়মিত দৌড়, ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ এবং মর্নিং ওয়াক—সবকিছুর জন্য নির্দিষ্ট সময়সূচি বেঁধে দেওয়া হয়েছে। হুগলির চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ৮০০ মিটার দৌড় থেকে শুরু করে ধাপে ধাপে ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত দৌড় বা হাঁটার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন বাধ্যতামূলক শরীরচর্চার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশ কর্মীদের জন্য।
শুধু পুরুষ পুলিশ কর্মীরাই নন, এই ফিটনেস অভিযানে অংশ নিচ্ছেন মহিলা পুলিশ কর্মীরাও। বিভিন্ন থানায় সকালবেলার শরীরচর্চা ও প্রশিক্ষণের ফলে অনেক ক্ষেত্রেই যেন প্রশিক্ষণ শিবিরের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। পুলিশের কর্মদক্ষতা, সহনশীলতা ও জনসেবার মান আরও উন্নত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।
পুলিশ মহলের একাংশের মতে, নিয়মিত শরীরচর্চা শুধু শারীরিক সক্ষমতাই বাড়াবে না, মানসিক চাপ মোকাবিলাতেও সাহায্য করবে। ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে আরও দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন পুলিশ কর্মীরা।
শুভ বিশ্বাস er sathe প্রবীর দাস, জি নিউজ বাংলা।

04/06/2026

"পোড়াতুরকুঠি কাণ্ডে শোকস্তব্ধ এলাকা
মৃত ছাত্রীর পরিবারের পাশে বিধায়ক অজয় রায়"

Address

Medgachi Paikpara , Purbasatgachia
Kalna
712512

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when G news bangla posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share