vlog with Arup

vlog with Arup আমি Anup Kundu, আমার vlogging page এ সকল বন্ধুদের জানাই স্বাগতম,page টিকে follow করে পাশে থাকুন।

  🛕মাত্র একটি দিনের জন্যে কলকাতার মধ্যে অবস্থিত কোনো ঐতিহাসিক মন্দিরে ঘুরতে যেতে চাইছেন তাহলে আর দেরি কিসের চলে আসুন BAP...
03/03/2026

🛕

মাত্র একটি দিনের জন্যে কলকাতার মধ্যে অবস্থিত কোনো ঐতিহাসিক মন্দিরে ঘুরতে যেতে চাইছেন তাহলে আর দেরি কিসের চলে আসুন BAPS (Bochasanwasi Akshar Purushottam Swaminarayan Sanstha) Swaminarayan temple🛕এ।

কলকাতার ভাসা (জোকার কাছে) ডায়মন্ড হারবার রোড (NH 12) এর নিকটে অবস্থিত BAPS শ্রী স্বামীনারায়ণ মন্দিরটি। এই মন্দির ৩১ জানুয়ারী থেকে ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৪ সালের মধ্যে উদ্বোধন করা হয়। মন্দিরটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আধ্যাত্মিক স্থান, যার অবস্থান বিশ্বাস করা হয় যে গঙ্গা সাগর ভ্রমণের সময় ভগবান স্বামীনারায়ণ নীলকান্ত বর্ণী যে পথে গিয়েছিলেন সেই পথেই অবস্থিত এই মন্দির।
মূর্তি -প্রতিষ্ঠা (অভিষেক) অনুষ্ঠানটি ২০১৪ সালের গোড়ার দিকে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা এটিকে এই অঞ্চলের তুলনামূলকভাবে নতুন, বিশিষ্ট এবং আধুনিক মন্দির কাঠামোতে পরিণত করে।
এই মন্দিরটিতে রাজস্থানের মার্বেল এবং বেলেপাথরের খোদাই করা কারুকার্য রয়েছে, যেখানে একটি বৃহৎ কেন্দ্রীয় গম্বুজ এবং বেশ কয়েকটি ছোট গম্বুজ সহ ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় মন্দির স্থাপত্যের বৈশিষ্ট্য দেখা যায়।

📌মন্দিরের প্রধান গর্ভগৃহে অবস্থিত আছে ভগবান স্বামীনারায়ণ, শ্রী ঘনশ্যাম মহারাজ, শ্রী হরে কৃষ্ণ মহারাজ,রাধা-কৃষ্ণ,সীতা-রাম, শিব-পার্বতী এবং গণেশ বিগ্রহ। এছাড়া আপনারা দর্শন করতে পারবেন ভগবান স্বামী নারায়ণ এর স্বর্ন মূর্তি।

মন্দিরটি একটি বোচাসনবাসি শ্রী অক্ষর পুরুষোত্তম স্বামীনারায়ণ সংস্থা (BAPS) দ্বারা পরিচালিত এবং একটি প্রধান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসাবে কাজ করে৷

📌প্রবেশদ্বার সময়সূচী: এই মন্দির প্রতিদিন সকাল ৭:৩০ থেকে দুপুর ১২:০০ এবং বিকেল ৪:০০ থেকে রাত্রি ৮:০০ পর্যন্ত খোলা থাকে।

আরতির সময়সূচী:🕜
📌মঙ্গলা আরতি: সকাল ৬:০০ টা
📌শঙ্খর আরতি: সকাল ৭:৩০ টা
📌রাজভোগ আরতি: সকাল ১১:১৫
📌সন্ধ্যা আরতি: সন্ধ্যা ৬:৪৫
📌শয়ন আরতি: রাত ৮:০০ টা
📌অভিষেক: সকাল ৬:১৫ এবং সন্ধ্যা ৬:৩০
এই মন্দিরে কোনো প্রবেশ মূল্য লাগে না।

এই মন্দিরের ভিতরে কোনো প্রকার বাইরের খাবার নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না,মন্দিরের exit গেট থেকে বেরিয়ে আসলেই আপনারা পেয়ে যাবেন Premvati canteen। আমরা ওখান থেকেই মাত্র 50 টাকা মূল্যে নিয়েছিলাম স্বামীনারায়ণ খিচুড়ি ভোগ প্রসাদ,সত্যি অসাধারণ স্বাদ।

এই মন্দিরে আমরা গিয়েছিলাম বিকেলের সময়।কারণ এই মন্দিরে এই সময় গেলে দিনের আলো এবং রাতের অন্ধকারে সৌন্দর্যতা প্রত্যক্ষ পরিদর্শন করা যায়।

🛣️এইবার আপনারা এই মন্দিরে আসবেন কীভাবে সেটাই বলবো- আপনারা যারা শিয়ালদহ স্টেশন থেকে আসতে চান তারা শিয়ালদহ - বজ বজ লোকাল(5/-)ট্রেন 🚇ধরে নেমে যাবেন মাঝেরহাট স্টেশন,সেখান থেকে bus (12-C,235,SD-52A)(15/-) ধরে চলে আসুন মন্দিরের সামনে।
এবং যে সকল দর্শনার্থীরা Howrah থেকে আসবেন তারা সরাসরি bus🚌(S-121,S-112,SD-16) এ করে আসতে পারেন এই মন্দিরে।

📌📌সর্বশেষে একটাই কথা বলবো আপনারা যে বা যারা আসবেন মন্দিরের গর্ভ গৃহে এবং মন্দিরের সম্মুখে video এবং photography 📷করবেন না,মন্দিরের শান্তি- শৃঙ্খলা বজায় রাখবেন এবং মন্দিরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কে উলঙ্ঘন না করায় শ্রেয়।

অসংখ্য ধন্যবাদ।🙏

📌এরকম আরো মাত্র ১দিনের বা ১বেলার ভ্রমণ পরিকল্পনা যুক্ত ঠিকানা পেতে সাথে থাকুন,একটা share করে দিন বন্ধু এবং পরিবার এর মানুষদের কাছে।
তাহলে আপনারা কবে যাচ্ছেন এই ঐতিহ্যবাহী ঐতিহাসিক মন্দিরে জানিয়ে দিন একটি ছোট্ট comment এর মাধ্যমে।👇

10/02/2026

পাহাড় চূড়ায়,সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।|Pahar churai, Sunil gangapadhya.

পাহাড় চূড়ায়

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

অনেকদিন থেকেই
আমার একটা পাহাড় কেনার শখ।
কিন্তু পাহাড় কে বিক্রি করে তা জানি না।
যদি তার দেখা পেতাম, দামের জন্য আটকাতো না।
আমার নিজস্ব একটা নদী আছে,
সেটা দিয়ে দিতাম পাহাড়টার বদলে।
কে না জানে পাহাড়ের চেয়ে নদীর দামই বেশি।
পাহাড় স্থানু, নদী বহমান।
তবু আমি নদীর
বদলে পাহাড়ই কিনতাম।
কারণ আমি ঠকতে চাই।

নদীটাও অবশ্য আমি কিনেছিলাম একটা দ্বীপের বদলে।
ছেলেবেলায় আমার বেশ ছোট্টোখাট্টো ছিমছাম একটা দ্বীপ ছিল।
সেখানে অসংখ্য প্রজাপতি।
শৈশবে দ্বীপটি ছিল বড় প্রিয়।

আমার যৌবনে দ্বীপটি আমার কাছে মাপে ছোট লাগলো।
প্রবহমান ছিপছিপে তন্বী নদীটি বেশ পছন্দ হল আমার।
বন্ধুরা বললো, ঐটুকু একটা দ্বীপের বিনিময়ে এতবড় একটা নদী পেয়েছিস?
খুব তো জিতেছিস মাইরি।
তখন জয়ের আনন্দে আমি বিহ্বল হতাম।
তখন সত্যিই আমি ভালবাসতাম নদীটিকে।
নদী আমার অনেক প্রশ্নের উত্তর দিত।
যেমন, বলো তো, আজ সন্ধেবেলা বৃষ্টি হবে কিনা?
সে বলতো, আজ এখানে দক্ষিণ গরম হাওয়া।
শুধু একটা ছোট্ট দ্বীপে বৃষ্টি, সে কী প্রবল বৃষ্টি, যেন একটা উৎসব।
আমি সেই দ্বীপে আর যেতে পারি না।
সে জানতো। সবাই জানে।
শৈশবে আর ফেরা যায় না।

এখন আমি একটা পাহাড় কিনতে চাই।
সে ই পাহাড়ের পায়ের কাছে থাকবে গহন অরণ্য,
আমি সেই অরণ্য পার হয়ে যাবো,
তারপর শুধু রুক্ষ কঠিন পাহাড়।
একেবারে চূড়ায়, মাথার খুব কাছে আকাশম নিচে বিপুলা পৃথিবী, চরাচরে তীব্র নির্জনতা।
আমার কষ্ঠস্বর সেখানে কেউ শুনতে পাবে না।
আমি ঈশ্বর মানি না, তিনি আমার মাথার কাছে ঝুঁকে দাঁড়াবেন না।
আমি শুধু দশ দিককে উদ্দেশ্য করে বলবো, প্রত্যেক মানুষই অহঙ্কারী,
এখানে আমি একা---এখানে আমার কোনো অহঙ্কার নেই।
এখানে জয়ী হবার বদলে ক্ষমা চাইতে ভালো লাগে।
হে দশ দিক, আমি কোনো দোষ করিনি।

কন্ঠে - কবিতাওয়ালা (আজিবর মন্ডল)- সংগৃহীত

#পাহাড়চূড়ায় #সুনীলগঙ্গোপাধ্যায় #বাংলাকবিতা ゚viralシ

26/01/2026

Abhijeet Bhattacharya At Jagaddal utsab 2026.
゚viralシfypシ゚viralシalシ

চরিদা মুখোশ গ্রাম,পুরুলিয়া,পশ্চিমবঙ্গ।চরিদা হলো অযোধ্যা পাহাড়ের ছায়ায় অবস্থিত একটি ঘুমন্ত গ্রাম,যা মুখোশ গ্রাম নামে ...
14/01/2026

চরিদা মুখোশ গ্রাম,পুরুলিয়া,পশ্চিমবঙ্গ।

চরিদা হলো অযোধ্যা পাহাড়ের ছায়ায় অবস্থিত একটি ঘুমন্ত গ্রাম,যা মুখোশ গ্রাম নামে পরিচিত, এখানেই পুরুলিয়ার ছৌ মুখোশ প্রস্তুতকারকরা বাস করেন। গ্রামের প্রায় কয়েকশ পরিবার মুখোশ তৈরির শিল্পের সাথে জড়িত এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই শিল্প ক্রিয়া করে আসছে। এই গ্রামে গেলে রাস্তার দুই পাশে শিল্পীদের কর্মশালা দেখা যায়। কর্মশালার বাইরের দেয়ালে সুন্দরভাবে সজ্জিত মুখোশ প্রদর্শিত করা থাকে যা আপনার চক্ষুকে আকর্ষণ করতে বাধ্য।

পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলার বাঘমুন্ডি ব্লকে অবস্থিত একটি মনোমুগ্ধকর গ্রাম চারিদা, যা তার ছৌ মুখোশের জন্য বিখ্যাত। পুরুলিয়া ছৌ নৃত্য ২০১০ সালে ইউনেস্কোর অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছিল এবং ২০১৮ সালে ভৌগোলিক ইঙ্গিতের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বলে জানা যায়।ছৌ মুখোশগুলি একটি সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক যা বাঘমুন্ডির রাজা মদন মোহন সিং দেওর রাজত্বকাল থেকে প্রায় ১৫০ বছর আগের। অযোধ্যার মনোরম পাদদেশে অবস্থিত এই গ্রাম,এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তার প্রাণবন্ত লাল মাটি ও পলাশ ফুল দ্বারা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা এটিকে একটি দৃষ্টিনন্দন গন্তব্যস্থল করে তুলেছে। গ্রামটি তিন শতাধিক ধরে দক্ষ ছৌ মুখোশ শিল্পীর আবাসস্থল বলে জানা যায় এবং এটি বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

এবারে বলি আপনারা যাবেন কিভাবে ?

পুরুলিয়ার নিকটতম বিমানবন্দর হল রাঁচির বিরসা মুন্ডা বিমানবন্দর যা অযোধ্যা পাহাড় থেকে প্রায় ৮৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।সেখান থেকে আপনি বাস বা ট্রেনে পুরুলিয়া যেতে পারেন।

এছাড়া ট্রেন যাত্রাপথে কলকাতা থেকে পুরুলিয়ার রেলপথের দূরত্ব প্রায় ৩২২ কিলোমিটার। পুরুলিয়া রেলওয়ে স্টেশনটি পুরুলিয়া শহরে অবস্থিত যা দক্ষিণ-পূর্ব রেলপথ দ্বারা পরিচালিত এবং আদ্রা-টাটা নগর রেলপথে অবস্থিত। কলকাতা থেকে নিয়মিতভাবে পুরুলিয়ার জন্য ট্রেনগুলি পাওয়া যায়। এর মধ্যে কয়েকটি ট্রেন হল চক্রধরপুর এক্সপ্রেস (১৮০১১), রূপসীবাংলা এক্সপ্রেস (১২৮৮৩), হাওড়া পুরুলিয়া এক্সপ্রেস (১২৮২৭) ইত্যাদি। একটি ট্রেন পৌঁছাতে সর্বনিম্ন সময় লাগে কলকাতা থেকে পুরুলিয়া ৫ ঘন্টা ২৫ মিনিট। সড়ক দ্বারা এটি কলকাতা এবং আশেপাশের শহর যেমন বাঁকুড়া, আসানসোল, বোকারো, জামশেদপুর, রাঁচি এবং রাজ্যের অন্যান্য অংশের সাথে সড়কপথে সুসংযুক্ত হয়ে থাকে।

ধন্যবাদ


#পুরুলিয়া #চরিদা #মুখোশগ্রাম #মুখোশ

13/01/2026

চরিদা মুখোশ গ্রাম, বাঘ মুন্ডি, পুরুলিয়া।
চরিদা গ্রাম হল পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলার একটি বিখ্যাত গ্রাম, যা "মুখোশ গ্রাম" (Mask Village) নামে পরিচিত, এটি পুরুলিয়ার ছো নৃত্যের জন্য জটিল এবং রঙিন মুখোশ নির্মাণ উদ্দেশ্যে শতাব্দী এবং প্রাচীন ঐতিহ্যের জন্য সুপরিচিত।

এবং এই লোকশিল্প UNESCO দ্বারা স্বীকৃত। এখানকার কারিগররা পৌরাণিক চরিত্র, রাক্ষস এবং প্রাণীদের চিত্রিত করে কাগজ আঠা ও রং দ্বারা মুখোশ তৈরি করেন, যা জোরালো ছৌ পরিবেশনায় ব্যবহৃত হয় এবং আলংকারিক শিল্প হিসাবে বিক্রি হয়।
অযোধ্যা পাহাড়ের কাছে অবস্থিত এই গ্রামটি এখনো দাঁড়িয়ে আছে তাদের কলা কৌশলের মাধ্যমে, যতদূর জানা যায় এখানে প্রায় ১৫০-২০০ পরিবার মিলে বংশ পরম্পরা অনুযায়ী ধরে রেখেছে তাদের এই শিল্প কে।
সাংস্কৃতিক তাৎপর্য:- মুখোশের মধ্যে রয়েছে গণেশ এবং দুর্গার মতো দেবতাদের মূর্তি থেকে শুরু করে মহাকাব্যিক চরিত্র, যা নৃত্যশিল্পীদের পৌরাণিক চরিত্রে রূপান্তরিত করে।

তাই বন্ধুরা আপনারা যখনই পুরুলিয়া ভ্রমণে যাবেন অবশ্যই একবার ঘুরে আসতেই পারেন এই লোকশিল্প সমৃদ্ধ চরিদা(mask Village) গ্রাম বা মুখোশ গ্রাম থেকে।

11/01/2026

Fossils At Kalyani.
Fossils Rupam Islam

10/01/2026

Fossils At Kalyani banga Sanskriti utsab,
বাংলা rock 🤘🏼band মানে Fossils.
Fossils

10/01/2026

Fossils At Kalyani 🤘🏼🤘🏼
Joy Rock 🤘🏽🤘🏽
Fossils

08/01/2026

বুড় বুড়ি সীতা কুন্ড অযোধ্যা পাহাড় পুরুলিয়া।
পশ্চিমবঙ্গের একটি ঐতিহাসিক ভ্রমণ স্থান।

পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ার সীতা কুণ্ড হল বাঘমুন্ডি অযোধ্যা পাহাড়ে অবস্থিত একটি পবিত্র ঝর্ণা। বিশ্বাস করা হয় যে, ভগবান রাম যখন বনবাসের সময় তৃষ্ণার্ত সীতা দেবীর জল সরবরাহের জন্য তীর নিক্ষেপ করেছিলেন, তখন এই ঝর্ণাটি উৎপত্তি হয়েছিল, যার ফলে চিরস্থায়ী মিষ্টি জলের উৎস তৈরি হয়েছিল। এটি অযোধ্যা পাহাড়ে ভ্রমণকারী পর্যটকদের কাছে একটি জনপ্রিয় স্থান, যা এর পৌরাণিক তাৎপর্য, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত, যেখানে সারা বছর ধরে শীতল প্রবাহিত জল থাকে।
তাই আপনারা অবশ্যই পূরুলিয়া ভ্রমণে গেলে একটি বার ঘুরে আসতেই পারেন এই ঐতিহাসিক স্থান থেকে

vlog with Arup

Address

Simurali
Kalyani
741235

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when vlog with Arup posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share